Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেয়েদের ব্রতকথা – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সংকটার কথা

    এক রাজা ছিলেন—তাঁর সাত রানি। তাঁদের ছেলেপুলে কিছুই হয়নি, সেই জন্যে তাঁরা বড়ো মনের দুঃখে থাকেন। একদিন রাজা সকালে উঠে দেখেন যে, উঠানে ঝাঁটপাট কিছুই পড়েনি, সেইজন্যে তিনি রেগে কোটালকে হুকুম দিলেন—‘ঝাড়ুদারকে ধরে নিয়ে এসো।’ কোটাল ঝাড়ুদারের বাড়ি গিয়ে দেখলেন যে, ঝাড়ুদার খেতে বসেছে। কোটাল বললেন, ‘তুই রাজবাড়ির কাজ ফেলে রেখে খেতে বসেছিস যে?’ ঝাড়ুদার উত্তর করলে, ‘হুজুর, যদি রাগ না করেন, বা আমায় কিছু না বলেন, তাহলে বলি।’ কোটাল বললেন, ‘কোনো ভয় নেই, ঠিক কথা বল।’ তখন ঝাড়ুদার বললে, ‘হুজুর, সকালে ওই আঁটকুড়ো রাজার মুখ দেখলে আমার সমস্ত দিন খাওয়া হয় না। তাই এত সকালে চাট্টি খেয়ে নিচ্চি, এইবার কাজে যাব।’ ঝাড়ুদারের কথা শুনে কোটাল অবাক হয়ে চলে গেলেন। কোটাল রাজাকে ঝাড়ুদারের কথা বলতে তাঁর মনে বড়ো ধিক্কার হল। তিনি দুঃখে বললেন যে, ‘এ মুখ আর কাউকে দেখাব না।’ এই বলে তিনি ঘরে গিয়ে শুয়ে রইলেন।

    এমন সময় এক সন্ন্যাসী এসে রাজাকে ডাকলেন। রাজা এসে সন্ন্যাসীকে প্রণাম করে রাজসভায় নিয়ে গেলেন। সেখানে যেতে সন্ন্যাসী বললেন, ‘মহারাজ! আপনার এত চিন্তা কেন? আমি সব জানি। এই একটি ওষুধ দিচ্ছি, এইটি শিলে বেটে রানিদের খেতে বলবেন, তাহলে আপনার ছেলে হবে। কিন্তু আমার কাছে একটি প্রতিজ্ঞা করতে হবে, আপনার সাত রানির সাতটি ছেলে হবে, তার মধ্যে যে ছেলেটি সুন্দর হবে সেটিকে আমায় দিতে হবে।’ রাজা সম্মত হলেন, মনে ভাবলেন, সাতটির একটি দিব, তার আর বাধা কী! সন্ন্যাসী বিদেয় হলেন, রাজা রানিদের সেই ওষুধ শিলেবেটে খেতে বললেন। ছোটো রানিকে রাজা বেশি ভালোবাসেন বলে ছয়রানি ছোটো রানিকে ওষুধ না-দিয়ে তাঁরা সকলে মিলে ওষুধ খেলেন। যখন ছোটো রানি এসে ওষুধ চাইলেন, তখন সতীনরা বললেন, ‘আমাদের মনে ছিল না, আমরা ভুলে সব খেয়ে ফেলেছি। ওই শিলে ওষুধ বাটা হয়েছিল, শিল নোড়াটা ধুয়ে খাওগে।’ ছোটো রানি ভালো মানুষ, তিনি তাই করলেন। ক্রমে তাঁদের গর্ভ হল, দশ মাস দশ দিনে ছয় রানির ছয়টি ছেলে হল, কিন্তু কারুর নিখুঁত ছেলে হল না। কারুর কানা, কারুর খোঁড়া, কারুর কুঁজো, এই রকম সব ছেলে হল। ছোটো রানি একটি শাঁখ প্রসব করলেন। রাজা ছেলেদের দেখে বললেন, ‘এগুলোর যা হোক মানুষের মতো চেহারা হয়েছে। কিন্তু ছোটো রানির এটা কী হল! রাজা এই না দেখে ছোটো রানির কাছে আর গেলেন না, তাঁকে এক রকম ত্যাগ করলেন। ছোটো রানি মনের দুঃখে শাঁখটি নিয়ে একটি কুঁড়েঘরে গিয়ে বাস করতে লাগলেন।

    এই রকমে কিছুদিন যায়, ছোটো রানির শাঁখটি ক্রমেই বড়ো হতে লাগল। রাত্তিরে ঘুমের ঘোরে তিনি টের পেতেন, যেন কেউ তাঁর বুকের দুধ চুষে চুষে খাচ্ছে, ঘুম ভাঙলে তিনি কিছুই দেখতে পেতেন না। একদিন রাত্রে ছোটো রানি ঘুমের ভান করে শুয়ে আছেন, এমন সময় দেখতে পেলেন যে শাঁখের ভিতর থেকে একটি ছেলে বেরিয়ে খেলা করছে। যেই দেখা, আর অমনি ধরে তিনি আহ্লাদে ছেলেটিকে কোলে করে চুমু খেতে খেতে বললেন, ‘বাবা আমার, আমি তোমায় আর ছাড়বো না।’ এই বলে তিনি শাঁখটি ভেঙে ফেলে দিলেন, যাতে ছেলেটি আর শাঁখের ভিতর না-যেতে পারে। ছেলেটি বললে, ‘মা, তুমি কী করলে, সন্ন্যাসী জানতে পারলে, আমায় নিয়ে যাবে।’ ছেলেটির মুখে মধুমাখা কথা শুনে ছোটো রানি আহ্লাদে আটখানা হলেন। মনে মনে ভাবলেন—‘সকাল হোক, আগে রাজাকে ছেলে দেখাব, তারপর যা হয় হবে।’ সকাল হতে মা মঙ্গলচন্ডীর নাম করে ছোটো রানি ছেলেটিকে নিয়ে রাজার কাছে গেলেন। রাজা ছেলেটিকে দেখে আহ্লাদে আটখানা হলেন। তিনি হেসে হেসে বললেন, ‘এই ছেলেটি তুমি কোথায় পেলে?’ রানি রাত্তিরের সব ঘটনা বললেন, রাজা শুনে আহ্লাদে রানির হাত ধরে বললেন, ‘তোমায় কত কষ্ট দিয়েছি কিছু মনে করো না, আমায় মাপ করো। তোমা হতে আজ এমন সোনার চাঁদ ছেলে পেলুম। সন্ন্যাসী এলে এ ছেলেটি দোবো না।’ ছেলেকে নিয়ে রাজা-রানি মনের সুখে ঘর করতে লাগলেন।

    বারো বৎসর পরে সেই সন্ন্যাসী এসে উপস্থিত। সন্ন্যাসীকে দেখে রাজার প্রাণ উড়ে গেল, মুখে আর কোনো কথা নেই। সন্ন্যাসী বললেন, ‘মহারাজ! কৈ, আপনার ছেলেদের নিয়ে আসুন। আপনার প্রতিজ্ঞার কথা মনে আছে তো?’ রাজা বললেন, ‘আছে বৈ কি ঠাকুর, কিন্তু ছয় রানির ছয়টি ছেলে হয়েছে, আর এক রানি একটি শাঁখ প্রসব করেছে।’ সন্ন্যাসী বললেন, ‘কৈ, তাদের নিয়ে আসুন।’ রাজা ছয় রানির ছয়টি ছেলে দাঁড় করিয়ে বললেন, আপনার যেটি পছন্দ হয় নিয়ে যান। সন্ন্যাসী দেখে বললেন, ‘কানা, খোঁড়া, এসব কি ছেলে হয়েছে! কৈ, আমার শঙ্খনাথ বুটেশ্বর কৈ?’ —এই বলে তিনি একটি শাঁখে খুব জোরে ফুঁ দিলেন। তারপর শঙ্খনাথ বুটেশ্বর বলে ডাকতেই ছোটো রানির ছেলে এসে হাজির। সন্ন্যাসী রাজাকে বললেন, ‘একে লুকিয়ে রেখে যত কানা, খোঁড়া আমায় দেখাচ্ছিলেন। যাহোক আমি একেই খুঁজছিলাম, এখন আসি।’ এই বলে, সন্ন্যাসী ছোটো রানির ছেলেকে নিয়ে চলে গেলেন। রাজা ভয়ে কিছু-না বলতে পেরে চুপ করে বসে বসে চক্ষের জল ফেলতে লাগলেন। ছোটো রানি ছেলের জন্যে ডাকছেড়ে কাঁদতে লাগলেন। তাঁর কান্নাতে পাড়ার মেয়েরা এসে জড় হল। সব কথা শুনে একজন বুড়ি বললে, ‘মা! তুমি সংকটার ব্রত করো। মার বরে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসবে।’ এই কথা শুনে রানি যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেলেন। তিনি মনের আবেগে আগ্রহের সঙ্গে বললেন, ‘মা! কী করে এ সংকট হতে উদ্ধার হবো? সংকটার নিয়মই বা কী? বুড়ি সংকটার সব নিয়ম বলে দিলেন। তিনি শুক্রবারে সমস্ত দিন উপবাস করে একমনে সংকটার ধ্যানে তন্ময় হয়ে ব্রত করে রইলেন। কোনো আর জ্ঞান-সংজ্ঞা নেই, ঐকান্তিক মনে আকুল হয়ে মার চরণ ধরে পড়ে রইলেন।

    এদিকে সন্ন্যাসী কিছুদূরে এসে শঙ্খনাথকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি সোজা রাস্তা দিয়ে যাবে, না-বাঁকা রাস্তা দিয়ে যাবে? বাঁকা পথে বন জঙ্গল, সেখানে বাঘ ভাল্লুকের ভয় আছে, কিন্তু সে পথ দিয়ে গেলে শীগগির যাওয়া যায়। আর সোজা পথে কোনো ভয় নেই, কিন্তু যেতে অনেক দেরি হবে।’ এই কথা শুনে শঙ্খনাথ বললে, ‘আমি রাজার ছেলে, আমার কাকেও ভয় নেই, আমি বাঁকা পথেই যাব।’ এই কথা শুনে সন্ন্যাসী ভারি খুশি, মনে মনে ভাবলেন, এই ছেলেটি মায়ের পূজার ঠিক উপযুক্ত পাত্র। এই রকম করে সন্ন্যাসী অনেক দূরে গিয়ে এক বিজন বনে ঢুকলেন।

    সেখানে গিয়ে শঙ্খনাথ দেখলে, একটি মন্দিরে মা কালী রয়েছেন। শঙ্খনাথ মাকে ভক্তিভরে প্রণাম করলে। তারপর সন্ন্যাসীর সঙ্গে একটি কুঁড়েঘরে গেল। এই ঘরটিতে সন্ন্যাসী থাকেন। সন্ন্যাসী শঙ্খনাথকে বললেন, ‘বাবা, তুমি কাপড় ছেড়ে আমার সঙ্গে স্নান করবে এসো।’ এই বলে দুইজনে স্নান করে এলেন। স্নানের পর সন্ন্যাসী বললেন, ‘দেখো শঙ্খনাথ! তুমি এই ঘরে কিছুক্ষণ থাকো, আমি মায়ের পূজা সেরে আসি। আর দেখো, তুমি ওই দক্ষিণ দিকের দরজাটা যেন খুলো না।’ এই বলে তিনি মায়ের পূজা করতে চলে গেলেন। শঙ্খনাথের মনে কীরকম একটা খটকা হল। মনে মনে ভাবলে, ‘তাইতো, সন্ন্যাসী দক্ষিণ দিকের দরজা খুলতে কেন বারণ করলেন! এর মানে কী? নিশ্চয়ই একটা কারণ আছে, দেখতে হবে।’ এই ঠিক করে শঙ্খনাথ চুপি চুপি সেই দরজাটা খুললে। তারপর যা দেখলে, তাতে তার প্রাণ উড়ে গেল। একটা পুকুরের রক্তের মতো লাল জলে, অনেক কাটামুন্ডু পদ্মের মতো ভাসছে। তাকে দেখে মুন্ডুগুলি খিলখিল করে হাসতে লাগল। শঙ্খনাথ দেখে আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞাসা করলে, ‘তোমরা সব কারা, এই জলে মুখ বার করে আমায় দেখে হাসছ কেন?’ কাটামুন্ডুগুলি বললে, ‘আমরাও রাজপুত্র ছিলুম, ওই সন্ন্যাসী বেটা আমাদের সকলকে মার কাছে বলি দিয়েছে, আজ তোমারও সেই দশা হবে।’ এইকথা শুনে শঙ্খনাথের ভাবনা হল, বললে, ‘এখন উপায়?’ কাটামুন্ডুগুলি বললে, ‘যদি আমাদের বাঁচাও, তাহলে বলি।’ শঙ্খনাথ বললে, ‘তোমরা আজ আমাকে বাঁচালে, আমার দ্বারা তোমাদের অনেক উপকার হবে, যা বলবে তাই করবো, আমাকে বাঁচাও।’ তখন তারা বললে, ‘দেখো, যখন সন্ন্যাসী তোমায় ঠাকুরের কাছে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করতে বলবে, তখন তুমি বলবে যে আমি রাজার ছেলে, কেমন করে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করতে হয় জানি না। আগে আমায় দেখিয়ে দিন, তারপর আমি সেই রকম করে প্রণাম করব। যখন সন্ন্যাসী তোমায় সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে দেখাবে, সেই সময় তুমি খাঁড়া দিয়ে সন্ন্যাসীকে কেটে ফেলবে। নচেৎ আর তোমার বাঁচবার উপায় নেই। তারপর সন্ন্যাসী মরে গেলে, সেই কাটারক্ত আর পূজার ফুল আমাদের গায়ে ছড়িয়ে দেবে, তাহলেই আমরা বেঁচে উঠব। দেখো খুব সাবধান, যেন ভুলো না।’ শঙ্খনাথ এই সমস্ত শুনে বললে, ‘তোমরা নিশ্চিন্ত থাকো, আমি ঠিক কাজ হাসিল করব।’ এই বলে সেই দরজা বন্ধ করে, শঙ্খনাথ চুপ করে ঘরে বসে বসে মা মঙ্গলচন্ডীর নাম স্মরণ করতে লাগল।

    এদিকে সন্ন্যাসীর আর আহ্লাদের সীমা নেই। ১০৭টা বলি শেষ হয়েছে, এটা হলেই তার মনস্কামনা পূর্ণ হবে। সন্ন্যাসী তাড়াতাড়ি করে কোনোরকমে মার পূজা শেষ করলেন। সমস্ত পূজা হয়ে উঠল না, মা কালী বিরূপ হলেন। খানিক পরে সন্ন্যাসী রাজপুত্রকে নিয়ে মন্দিরের ভিতরে এলেন। রাজপুত্র মনে মনে ভক্তিভরে মাকে প্রণাম করলে। সন্ন্যাসী বললেন, ‘শঙ্খনাথ! বেলা হয়েছে, তুমি মাকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে কিছু প্রসাদ খাও।’ শঙ্খনাথ বললে, ‘ঠাকুর, কী রকম করে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করতে হয়, তা-তো জানি না, আপনি দেখিয়ে দিন।’ তখন সন্ন্যাসী বললে, ‘এই দেখো, এমনি করে মাকে প্রণাম করতে হয়।’ এই কথা বলে যেমনি সন্ন্যাসী সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করছেন, অমনি শঙ্খনাথ খাঁড়া দিয়ে এককোপে সন্ন্যাসীকে কেটে ফেললে। তারপর মা কালীকে প্রণাম করে তাঁর চরণামৃত, ফুল ও সেই রক্ত নিয়ে পুকুরে কাটামুন্ডুগুলির উপর ছড়িয়ে দিলে। তখন সব কাটামুন্ডু বেঁচে উঠে শঙ্খনাথকে ধন্যবাদ দিতে লাগল। শঙ্খনাথের নাম ও যশ দেশ-বিদেশে রাষ্ট্র হল। সন্ন্যাসী নিপাত হয়েছে শুনে সেই দেশের রাজা তখনি এসে আহ্লাদ করে মহাধূমধামের সঙ্গে শঙ্খনাথকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে গেলেন। তারপর শঙ্খনাথের পরিচয় পেয়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিলেন। রাজা হাতি, ঘোড়া, জিনিসপত্র সঙ্গে দিয়ে বর-কনে পাঠালেন। শঙ্খনাথ বাজনা বাদ্দি করে মহাধূমধামের সঙ্গে বউ নিয়ে বাড়িতে যেতে লাগল। কাটামুন্ডু রাজপুত্ররাও বর কনের সঙ্গে রাজবাড়িতে চললেন।

    রাজা খবর পেয়ে আহ্লাদে এসে দেখেন যে, সত্যি তাঁর শঙ্খনাথ বিয়ে করে বউ নিয়ে আসছে। তখন রানিদের কাছে খবর গেল। সেদিন শুক্রবার, ছোটো রানি তখন পূজা শেষ করে মাকে প্রণাম করছিলেন, এমন সময় খবর এল—‘ওগো রানিমা, তোমার ছেলে বিয়ে করে বউ নিয়ে এসেছে।’ এই কথা শুনে শঙ্খনাথের মা আহ্লাদে কেঁদে ফেললেন। তখন সাত রানি সকলে মিলে আহ্লাদে বর-কনে বরণ করতে এলেন। চাঁদের মতো বউ দেখে সকলে খুশি হলেন। বরণ হলে বর-কনে ঘরে গেল। রাজা রাজপুত্রদের মুখে সন্ন্যাসীর সব কথা শুনে বললেন, ‘বাবা, তোমরাই আমার ছেলেকে বাঁচিয়েছ।’ এমন সময় সেই বুড়ি এসে উপস্থিত। রাজা বুড়িকে দেখেই বললে, ‘তুমি ভাগগিস সংকটার পূজা করতে বলে গিয়েছিলে, তাই আজ হারানো রতন পেলুম। তোমার কৃপায় বউ-বেটা পেলুম, আজ কী আনন্দ!’ তখন সকলে মিলে সংকটার স্তব-স্তুতি করে মহা ঘটা করে সংকটার পূজা করলেন। বুড়ি বললে, ‘দেখলে তো বাবা! সংকটার কী মহিমা! তাঁর কৃপায় তোমার ঘরের ছেলে, বউ নিয়ে নির্বিঘ্নে ফিরে এল। বুড়ি ছোটো রানিকে বললে, ‘সংকটার অর্ঘ্য বউ-বেটার মাথায় ছুঁইয়ে দাও।’ তিনি তাই করলেন। রাজা তখন হুকুম দিলেন, যেন আমার সকল প্রজা এই সংকটার পূজা করে। রাজপুত্তুরদেরও বললেন, ‘তোমরা দেখলে তো মার কী রকম মহিমা! তাঁর কৃপায় তোমরাও উদ্ধার পেলে, নিজেদের রাজ্যে গিয়ে মা সংকটার পূজা প্রচার করবে।’ রাজা তাঁদের আদর যত্ন করে নিজেদের রাজ্যে পাঠিয়ে দিলেন। তাঁরা দেশে গিয়ে সংকটার পূজা প্রচার করলেন। এই রকমে চতুর্দিকে মার মাহাত্ম্য রাষ্ট্র হল। সেই থেকে সংকটার পূজা প্রচার হল।

    সংকটার কথা সমাপ্ত

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনার হরিণ নেই – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    Next Article রাধার চোখে আগুন – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }