Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেয়েদের ব্রতকথা – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইতুর কথা

    এক দেশে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ আর ব্রাহ্মণী থাকতেন। তাঁদের দুটি মেয়ে, উমনো আর ঝুমনো। একদিন ব্রাহ্মণ বললেন, ‘ব্রাহ্মণী, আমাদের একদিন পিঠে করলে হয় না?’ ব্রাহ্মণী বললেন, ‘কোথায় চাল, কোথায় নারিকেল, কোথায় গুড়; পেটে ভাত জোটে না, আবার পিঠে খেতে ইচ্ছে?’ ব্রাহ্মণ ভিক্ষে করে সেই সব এনে দিলেন। ব্রাহ্মণী মেয়ে দুটিকে ঘুম পাড়িয়ে পিঠে গড়তে বসলেন, আর ব্রাহ্মণ একটা দড়ি নিয়ে কানাচে বসে রইলেন। যতবার ছ্যাঁক ছ্যাঁক শব্দ হয়, ততবার ব্রাহ্মণ একটি করে গেরো বাঁধেন। প্রথম রাত্রে উমনো উঠে বলছে, ‘মাগো মা, কী করছিস মা! জন্মে কখনও দেখিনি, জন্মে কখনও খাইনি, একখানি পিঠে দে মা, খাই।’ তিনি একখানি দিলেন, দিয়ে বললেন, ‘আর চেয়ো না মা, জানতে পারলে তিনি এখনি বনবাস দিয়ে আসবেন।’ সে পিঠেখানি খেয়ে কাঁথায় মুখ মুছে শুয়ে পড়ল। আবার খানিক রাত্রে ঝুমনো উঠে বলছে, ‘মাগো মা, কী করছিস মা! একখানি দে মা, খাই।’ মা তাকেও একখানি দিলেন। সে খেয়ে কাঁথায় মুখ মুছে শুয়ে রইল। রাত পোহাল। সকালে ব্রাহ্মণের মুখ ধোয়া নেই, দাঁতন করা নেই, গায়ত্রী জপা নেই, কাপড় ছাড়া নেই, অখন্ড কলার পাতা কেটে এনে দাওয়ায় পেতে বসলেন। ব্রাহ্মণী পাতাভরে পিঠে দিলেন। ব্রাহ্মণ একখানা করে পিঠে খান, আর একটি করে গেরো খোলেন। ব্রাহ্মণী, চোঁয়া পোড়া যেগুলি নিজের জন্য রেখেছিলেন, সবগুলি এনে দিলেন। তবুও দরিদ্র ব্রাহ্মণের পেট ভরে না। শেষে দুখানি পিঠে কম পড়তে বললেন, ‘ব্রাহ্মণী, রাক্ষসী মেয়ে দুটোকে দিয়ে সব পিঠে খাইয়ে রেখেছো,—আজ তাদের বনে দিয়ে আসব।’

    তারপর বেলা হতে মেয়ে দুটি ঘুম থেকে উঠল। ব্রাহ্মণ বললেন, ‘ওমা! তোরা পিসির বাড়ি যাবি?’ উমনো ঝুমনো বললে, ‘যাব।’ ব্রাহ্মণী কেঁদেই অস্থির, কিছু বলতে পারলেন না। একলা থাকলে পেট ভরে খেতে পাবেন, দরিদ্র ব্রাহ্মণের এই প্রধান উদ্দেশ্য। মেয়ে দুটিকে বনে দিয়ে এলে, যেন তাঁর সকল দুঃখ দূর হবে। তিনি উমনো ঝুমনোকে সঙ্গে করে বরাবর বনের দিকে যাচ্ছেন। উমনো বললে, ‘বাবা! পিসির বাড়ি কতদূর, আর যে চলতে পারছি না।’ ব্রাহ্মণ বললেন, ‘এইখানে একটু শুবি?’ তারা বললে, ‘হাঁ বাবা, তোমার কোলে মাথা দিয়ে শোব।’ ব্রাহ্মণ সেইখানে বসলেন; উমনো ঝুমনো বাপের পায়ের উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ল। ব্রাহ্মণ অমনি সুযোগ পেয়ে মেয়ে দুটির মাথায় দুটি মাটির ঢেলা দিয়ে, আলতার লুটি, শাঁকের ঘুঁটি রেখে চলে গেলেন। উমনো ঝুমনো উঠে দেখে সন্ধ্যা হয়েছে বাপ কাছে নেই। উমনো বললে, ‘বোন রে বোন, বাবাকে বাঘে খেয়ে গেছে।’ ঝুমনো ছোটো হলেও তার বুদ্ধি কিছু বেশি, সে বললে, ‘না দিদি! বাবাকে কখনও বাঘেও খায়নি, ভাল্লুকেও খায়নি। দেখছিস না, এগুলো কি হাড় না রক্ত? সেই যে দিদি, আমাদের মা দুখানি পিঠে দিয়েছিলেন, তাই বাবা আমাদের বনবাস দিয়ে পালিয়ে গেছেন।’ উমনো কেঁদে অস্থির। ঝুমনো বললে, ‘কাঁদলে কি হবে, দিদি? রাত্রি হল, চল, যদি কোথাও আশ্রয় পাই দেখি।’ ভয়ানক বন, তায় রাত্রিকাল—আশ্রয় আর পাবে কোথায়! একটি বটবৃক্ষের কাছে গিয়ে বললে, ‘হে বটবৃক্ষ! মা আমাদের দশমাস দশদিন গর্ভে স্থান দিয়েছেন, তুমি আজ রাত্রের মতো আমাদের দুটি বোনকে স্থান দাও।’ তখন চড়মড় মড়মড় করে গাছের গুঁড়িটি দু-ফাঁক হয়ে গেল। দুটি বোনে তার মধ্যে প্রবেশ করলে। সমস্ত রাত্রি বাঘ আসে, ভাল্লুক আসে, গাছের গোড়ায় আঁচড়ায় কামড়ায়, গা ঘষে, কিন্তু কিছুই করতে পারে না। রাত পোহাল, আবার বটবৃক্ষ দু-ফাঁক হয়ে গেল। উমনো ঝুমনো বেরিয়ে গাছকে নমস্কার করে বরাবর যেতে লাগল।

    তারা কতদূর গিয়ে দেখে দেবকন্যারা ইতুপুজো করছেন। উমনো ঝুমনো কাছে যাবামাত্র তাঁদের ঘট উলটে পড়ল। তখন দেবকন্যাগণ ডেকে বললেন, ‘কে রে পাপিষ্ঠি! এখানে এসেছিস? কাছে আয়, নইলে ভস্ম করে ফেলব!’ তখন দুটি বোনে কাঁপতে কাঁপতে তাঁদের কাছে গেল। দেবকন্যারা বললেন, ‘তোরা কারা, এখানে কেন এসেছিস?’ ঝুমনো বললে, ‘আমরা দুখানি পিঠে খেয়েছিলুম বলে, আমাদের বাপ বনে দিয়ে গেছেন।’ দেবকন্যাগণ বললেন, ‘যা, তোরা ওই পুকুরে স্নান করে আয়। আমরা তোদের সব জিনিস দেব—ব্রত কর, তোদের ভাল হবে।’ উমনো ঝুমনো নাইতে গেল, অমনি পুকুরের জল শুকিয়ে গেল। মাছগুলো সব ধড়াস ধড়াস করে আছাড় খেতে লাগল, ধোপার কাপড় কাচা বন্ধ হয়ে গেল। কত লোক নাইতে এসেছে, জল নিতে এসেছে, তারা গালাগালি দিতে লাগল। দুটি বোনে কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এল। দেবকন্যারা জানতে পেরে বললেন, ‘এই নে দূর্বার আংটি, নিয়ে পুকুরে ফেলে দিগে যা, জল হবে।’ উমনো তাই করলে, পুকুরে জল হল; দুটি বোনে স্নান করে এসে দাঁড়াল। কেউ দিলেন ইতুর ভাঁড়, কেউ দিলেন কলা-পাটালি, কেউ দিলেন ফুল-চন্দন, তাই দিয়ে তাদের ইতুপূজো করালেন; তারপর বললেন, ‘এইবার তোরা বর মেগে নে।’ বল, ‘আমার বাপের দুঃখ দূর কর, আউরি চৌরি দক্ষিণ দুয়ারি বাড়ি হোক। হাতি শালে হাতি হোক, ঘোড়া শালে ঘোড়া হোক, ধন দৌলৎ হোক, দাস-দাসী হোক, আমাদে রাজার মতন বর হোক।’ উমনো ঝুমনো সেই কথা বলে প্রণাম করলে। তারপর দেবকন্যারা ইতুর প্রসাদ দিয়ে বললেন, ‘যা, তোরা প্রসাদ খেয়ে ঘরে যা।’ দুটি বোনে প্রসাদ খেয়ে ইতুর ঘট নিয়ে ঘরে যেতে লাগল।

    পথে যেতে যেতে তারা দেখল একটা ডোবায় কলমিশাক হয়ে আছে। উমনো বললে, ‘চল ভাই, চারটি শাক তুলে নিয়ে যাই, মা কত আহ্লাদ করবেন।’ তারা যেমনি শাকের ক্ষেতে নেমেছে, অমনি একটা সোনার ঘাড়মুড়ো উমনোর পায়ে লেগে গেল। উমনো বললে, ‘বোন রে বোন, যেন একটা মড়ার মাথা পায়ে লাগল।’ ঝুমনো দেখে সেটা চুপি চুপি কলমি শাকের ভেতরে করে নিয়ে চলল। দুটি বোনে বাড়ির কাছে গিয়েছে, অমনি একটা লোক গিয়ে বললে, ‘ও বামনি! দেখ, তোর উমনো ঝুমনো আসছে।’ বামনি তাড়াতাড়ি বাইরে এসে মেয়ে দুটিকে চুমু খেয়ে আদর করে ঘরে নিয়ে গেলেন। ব্রাহ্মণ এসে তাদের দেখে রেগে বললেন, ‘আবার ওই অপয়া মেয়ে দুটোকে ঘরে এনেছিস? ওদের বনে দিয়েই আমার এত সুখ হয়েছে।’ উমনো ঝুমনো বললে, ‘অত অহঙ্কার করো না বাবা! আমরা ইতু পুজো করছি, তাই তোমার সুখ হয়েছে; এখনি মনে করলে সব ছাই করে দিতে পারি।’ ব্রাহ্মণ তাদের কাছে সোনার মাথাটা দেখে বললেন, ‘ও আবার কিরে! আমার হাতে দড়ি দিবি নাকি?’ এই বলে মাথাটা নিয়ে বনে ফেলে দিয়ে এলেন। আবার সেই মাথাটি এসে ঘরে পড়ল। তখন ব্রাহ্মণ দেখে অবাক হলেন, আর কিছুই বললেন না।

    ইতুপুজো করে দিন কতক পরে ব্রাহ্মণীর একটি চাঁদের মতন ছেলে হল। উমনো ঝুমনোকে কেউ কিছু বলে না। কিছুদিন পরে এক রাজা পাত্র সঙ্গে করে কতকগুলি সৈন্যসামন্ত, হাতি ঘোড়া নিয়ে শিকার করতে যাচ্ছেন। পথে সকলের তেষ্টা পাওয়ায়, ওই ব্রাহ্মণের বাড়িতে জল চেয়ে পাঠালেন। ঝুমনো ইতুর ভাঁড়ে করে একটু জল দিলে। রাজপুত্র একটুখানি জল দেখে রেগেই অস্থির; বললেন, ‘আমাদের সঙ্গে কি ঠাট্টা করে পাঠিয়েছে। আমাদের এত লোক, হাতি, ঘোড়া, এতটুকু ভাঁড়ের জলে কী হবে?’ উমনো বলে পাঠালে ওই জলে ঢের হবে। তখন রাজা খেলেন, পাত্র খেলেন, অন্য কত লোক খেলেন—যত ঢালেন ততই জল, হাতি ঘোড়া খেয়ে এলে গেল। রাজা বড়ই আশ্চর্য হলেন। তখন রাজা ব্রাহ্মণকে ডেকে পাঠালেন। ব্রাহ্মণ এসে দাঁড়ালেন। রাজা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনার মেয়েটির কি বিয়ে হয়েছে?’ ব্রাহ্মণ বললেন, ‘আমার দুটি মেয়ে, কারুরই বিয়ে হয়নি।’ তখন রাজা বললেন, ‘তবে ওই মেয়ে দুটিকে আমাদের সঙ্গে বিয়ে দিন।’ ব্রাহ্মণ বললেন, ‘রাজা ও পাত্র জামাই হবে, সেতো আমার ভাগ্যের কথা।’ তখন রাজা আর শিকার করতে গেলেন না। রাজবাড়িতে খবর গেল যে, ‘আমরা আজ বিয়ে করে কাল সকালে বউ নিয়ে বাড়ি যাব।’ তখন ব্রাহ্মণ বিয়ের সব আয়োজন করলেন। তারপর সেই দিন রাত্রে খুব ঘটা করে রাজা ও পাত্রের সঙ্গে উমনো ঝুমনোর বিয়ে হয়ে গেল। উমনো ঝুমনো দেখতে খুব সুন্দরী, রাজা ও পাত্র দেখে খুব খুশি হলেন। পরদিন উমনো ঝুমনো শ্বশুরবাড়ি যাবে; বাপ বললেন, ‘তোমাদের কী কী চাই মা বলো?’ বড়োটি বললে, ‘আমার জন্যে মাগুর মাছ আনাও, ছাঁচি পান আনাও, মাছের ঝোল ভাত খেয়ে পান চিবুতে চিবুতে পালকিতে উঠব।’ ছোটো মেয়ে বললে, ‘আজ অঘ্রাণ মাসের রবিবার, কলা, পাটালি, ফল-মূল, যা পাবে নিয়ে এস বাবা। ইতুপুজো করে, নিরামিষ খেয়ে, ঘট নিয়ে পালকিতে উঠব।’ বাপ তাই যোগাড় করে দিলেন।

    তারপর দুইদিক দিয়ে দুই বর যেতে লাগল। যে পথ দিয়ে উমনো যায়, সে দিকে মড়া মরে, ছড়া পড়ে, ঘরে আগুন লাগে, যত অলক্ষণ হতে লাগল। যে পথে ঝুমনো যায়, সে পথে বিয়ে হচ্ছে, শাঁক বাজছে, কত আমোদ আহ্লাদ হচ্ছে, চারিদিকে মঙ্গলধ্বনি, লুচির ছড়াছড়ি হচ্ছে। তারপর ওখানে রাজার মা সোনার পিঁড়ি, সোনার ঝারি, সোনার বরণডালা সাজিয়ে, জলছত্র দিয়ে ঘর বার করছেন। পাত্রের মাও সমস্ত আয়োজন করে বসে আছেন। বাজনা বাদ্যি করে বর-কনে এল। রাজার মা বউ বরণ করতে গেলেন, সোনার পিঁড়ি, সোনার ঝারি সব লোহা হয়ে গেল। তিনি বউয়ের গালে ঠোনা মেরে বউ তুললেন। পাত্রের মা বউ বরণ করতে গেলেন, সব জিনিস সোনা হয়ে গেল। অমনি বউয়ের মুখে চুমু খেয়ে, বউ ঘরে তুললেন। তারপর, দিনকতক পরে রাজার আজ হাতিটা মরে, কাল ঘোড়াটা মরে, ক্রমে যত অমঙ্গল হতে লাগল। পাত্রের দিন দিন উন্নতি হতে লাগল। একদিন রাজা পাত্রকে ডেকে বললেন, ‘ভাই, তুমিও বন-কন্যা বিয়ে করলে, আমিও বন-কন্যা বিয়ে করলাম, তোমার ভালো হচ্ছে, আমারই বা মন্দ হচ্ছে কেন? আমি ও রানির মুখ দেখতে চাই না, তুমি তাকে কেটে আমায় রক্ত দেখাও।’ উমনোকে কাটবার হুকুম হয়ে গেল। কোটাল উমনোকে ঝুমনোর বাড়ির দরজায় ছেড়ে দিয়ে একটা কুকুর কেটে রক্ত নিয়ে রাজাকে দেখালে। উমনো বাড়ির ভেতর গিয়ে বোনকে খুঁজতে লাগল। শেষে বাগানে এসে আড়াল থেকে দেখে যে ঝুমনো ফুল তুলে ঘাটে বসে স্বামীর জন্য মালা গাঁথছে। উমনো মনে মনে ভাবতে লাগল, আহা ঝুমনো আমার কত মনের সুখে আছে! স্বামী কত ভালোবাসে! শেষে ডাকলে, ‘ভাই ঝুমনো! আমার বড় বিপদ।’ ঝুমনো তাড়াতাড়ি পেছন ফিরে দেখে বললে, ‘কে—দিদি! এ কি, তুমি কী করে এখানে এলে?’ এই বলে উমনোকে ডেকে এনে কাছে বসিয়ে সব বৃত্তান্ত শুনলে। শেষে দুঃখ করে বললে, ‘দিদি, ইতুর কোপে তোমার এমন হল।’ সেই অবধি উমনো ঝুমনোর কাছে লুকিয়ে রইল, ঝুমনোর স্বামী টেরও পেলেন না।

    ওখানে উমনোর বাপ ছেলের বিয়ে দিতে যাবেন, বাজনা বাদ্যি করে বর নিয়ে যাচ্ছেন, পথে গিয়ে ছেলে বললে, ‘বাবা! জাঁতি ভুলে এসেছি।’ ব্রাহ্মণ ছুটে বাড়িতে এসে দেখেন, গিন্নি ঘরে খিল দিয়ে ইতুর কথা শুনছেন। ব্রাহ্মণ কপাটে ধাক্কা মেরে, কপাট ভেঙে ফেললেন। ‘আজ শুভদিন, কী বিড় বিড় করছিস!’ বলে লাথি মেরে ঘট ফেলে দিয়ে জাঁতি নিয়ে চলে গেলেন। সেখানে গিয়ে দেখেন, লোকলস্কর, বাজনাবাদ্যি কিছুই নেই, কেবল ছেলেটি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাঁদছে। ব্রাহ্মণ পাগল হয়ে ছেলেটিকে সঙ্গে করে বাড়িতে ফিরে এলেন। এসে দেখেন যে, সে বাড়ি নেই, হাতি ঘোড়া নেই, কেবল সেই কুঁড়েঘর আর ব্রাহ্মণী। তিনি খুব কান্নাকাটি করতে লাগলেন। ব্রাহ্মণী বললেন, ‘এখন হয়েছে তো? ইতুর দৌলতে ধনকড়ি, ইতুর দেওয়া ছেলে, ইতু হতেই সব, সেই ইতুকেই লাথি মারলে?’ ব্রাহ্মণ বললেন, ‘যা হবার হয়েছে, তুমি আবার ইতুপুজো করো।’ ব্রাহ্মণী বললেন, ‘আবার এক বৎসর যাক, অঘ্রাণ মাস আসুক। এখন তুমি ঝুমনোর বাড়ি যাও, যদি কিছু দেয় তাহলে দশ দিন খেয়ে বাঁচবো।’

    ব্রাহ্মণ একদিন সাত ছেঁড়া কাপড় পরে, একখানি ময়লা চিরকুট চাদর নিয়ে মেয়ের বাড়ি চললেন। ঝুমনোর বাড়ির কাছে একটা পুকুরধারে বসে আছেন, ভয়ে বাড়ির ভেতর যেতে পারছেন না। দাসী জল নিতে এসেছে, তাকে বলছেন, ‘তুমি কার জল তুলছো বাছা!’ দাসী বললে, ‘ঝুমনোর জল তুলছি!’ ‘তাকে বলো তোমার বাপ এসেছে।’ দাসীর সে কথা মনে নেই, আবার জল নিতে এসেছে।’ ব্রাহ্মণ বললেন, ‘বলেছ বাছা?’ ‘না গো ভুলে গেছি,’ এই বলে দাসী তাড়াতাড়ি গিয়ে বললে, ‘হাঁ মা ঠাকরুণ! তোমার কি বাপ আছে?’ ঝুমনো বললে, ‘যা, বাড়ির ভেতর নিয়ে আয়।’ ব্রাহ্মণ বাড়ির ভেতর গেলেন। ঝুমনো পা ধুইয়ে, তেল মাখিয়ে, স্নান করিয়ে, পঞ্চাশ ব্যঞ্জন ভাত করে খাইয়ে ভারে ভারে জিনিসপত্র দিয়ে বাপকে বাড়ি পাঠিয়ে দিলে। অর্ধপথ যেতে না যেতে সব জিনিসপত্র ইতুর চরেরা ডাকাতি করে নিয়ে সেই ঝুমনোর ভান্ডারে এনে দিলে। ঝুমনো আর কী করবে! ব্রাহ্মণ সব কথা বুঝতে পারলেন, তখন কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে গেলেন। ব্রাহ্মণী বললেন, ‘মেয়েরা কি মরেছে?’ আমাদের এত কষ্ট শুনেও কিছু দিলে না?’ ব্রাহ্মণ বললেন, ‘গালাগালি দিও না গো! বাছা আমায় সব দিয়েছিল,—পথে ডাকাতে সব লুটে নিয়েছে। তা তুমি একবার যাও না,—মেয়ে মানুষ, চুলের ভেতর, কাপড়ের ভেতর করেও যদি কিছু আনতে পারো।’ ব্রাহ্মণীও সেই পুকুরধারে গিয়ে বসে রইলেন। দাসী জল নিতে এল। ব্রাহ্মণী বললেন, ‘তুমি কার জল তুলছো বাছা?’ দাসী বললে, ‘ঝুমনোর জল তুলছি।’ ব্রাহ্মণী বললেন, ‘তাকে বল, তোমার মা এসেছে।’ দাসী গিয়ে ওই কথা বলতেই, ঝুমনো খিড়কি দিয়ে গিয়ে মাকে সঙ্গে করে নিয়ে গেল। তার পর তেল মাখিয়ে, স্নান করিয়ে, নূতন কাপড় পরিয়ে, পঞ্চাশ ব্যঞ্জন করে মাকে খাওয়ালে, আর বললে, ‘মা তোমার এখন যাওয়া হবে না। দিনকতক থাকো, অঘ্রাণ মাস এলে ইতুপুজো করবে। ইতুকে অবহেলা করেই তো দিদির ও তোমার এই দুর্দশা হয়েছে।’ ব্রাহ্মণী জামাই বাড়িতেই রইলেন।

    আবার অঘ্রাণ মাস এল। ঝুমনো বললে, ‘দিদি! মা! মনে থাকে যেন কাল সংক্রান্তি, ইতুপুজো করতে হবে, যেন সকালে কিছু খেয়ে ফেলো না।’ পর দিন সকালে উঠেই ঝুমনো ডাকলে ‘মা এস, দিদি এস, আমরা স্নান করে আসিগে।’ মা, বোন বললেন, ‘ওমা, আমরা যে খেয়ে ফেলেছি। তোর ছেলেরা খেতে পারেনি, সব এঁটো ছিল, তাই কুড়িয়ে খেয়েছি।’ ঝুমনো মাথায় হাত দিয়ে বললে, ‘হায়রে কপাল! লোকে বলে এরই নাম অদৃষ্ট, একেই বলে দরিদ্র দশা।’ এমনি চারটে রবিবার গেল। সংক্রান্তির আগের দিন ঝুমনো, মা বোনের আঁচলে আঁচলে চুলে চুলে বেঁধে নিয়ে শুয়ে রইল। বেলা না হতে হতেই দুজনকে নিয়ে স্নান করে ঠাকুরঘরে গেল। পূজো হয়ে গেল। তখন বললে ‘মা, দিদি, ইতু লক্ষ্মীর কাছে বর মেগে নাও।’

    উমনো তখন জোড়হাতে করে বললে, ‘আমার যেমন সংসার ছিল তেমনি হোক, অস্মরণ রাজার স্মরণ হোক।’ ব্রাহ্মণী বললেন, ‘আমার যেমন ঘর, বাড়ি, দাস-দাসী, হাতি-ঘোড়া হয়েছিল আবার তেমনি হোক, আমাদের দুঃখ দূর করো মা।’ অমনি ব্রাহ্মণের ওখানে আবার তেমনি সুখ স্বচ্ছন্দ হল। তিনি রেগেই অস্থির! তাড়াতাড়ি ঝুমনোর বাড়ি এসে ব্রাহ্মণীকে বলতে লাগলেন, ‘জামাই ভাতি! এখানে পড়ে থাকতে লজ্জা করে না? আমার ধন দৌলৎ কে খায় তার ঠিক নেই, চল, বাড়ি চল।’ ঝুমনো বললে, ‘বাবা! ওই অহঙ্কারেই তো সব গিয়েছিল! মা ইতুপুজো করেছেন বলেই আবার সব পেয়েছ।’ তখন ঝুমনো ভারে ভারে জিনিসপত্র দিয়ে পালকি করে মা-বাপকে পাঠিয়ে দিলে। এখানে রাজার আবার সুদিন হয়েছে। রাজা পাত্রকে ডেকে বললেন, ‘আমার রানিকে এনে দেবে তো দাও, নইলে সকলের মাথা নেব।’ ‘কী বিপদ! অসময় হলে রানিকে কেটে রক্ত দেখাও, আবার সুসময় হলেই রানিকে এনে দাও। আপনার এ কি রকম হুকুম, এখন রানিকে কোথায় পাব?’ পাত্র জানেন না যে তাঁর বাড়িতেই রানি আছেন। তিনি ভাবতে ভাবতে এসে ঝুমনোকে সব কথা বললেন। ঝুমনো বললে, ‘তার আর ভাবনা কী? আমি মহারাজের রানিকে এনে দেব। রাজাকে বল আমার বাড়ির দরজা থেকে রাজবাড়ির দরজা পর্যন্ত কলাগাছ পুঁতে, কড়ির জাঙ্গাল দিয়ে তাঁবু ফেলে দিন; তাহলে রানিকে পাবেন।’

    পাত্র রাজাকে ওই কথা বললেন, রাজাও তাই করলেন। ঝুমনো তখন দিদিকে সাজিয়ে-গুজিয়ে প্রণাম করে বললে, ‘যাও দিদি, এইবার রাজার সুমতি হয়েছে।’ উমনো তখন সকলের সঙ্গে দেখা করে, ঝুমনোর কাছে বিদায় নিয়ে, তার ছেলেমেয়েদের আশীর্বাদ করে বাড়ি চললেন। পথে যেতে যেতে দুর্বার শেকড় লেগে পায়ে রক্ত পড়ল। তিনি উঁচু হয়ে বসে পড়লেন। রাজা বললেন, ‘এ্যাঁ, এমন ঘাস ছুলেছে যে, শেকড় পুটে মহারানির পায়ে রক্ত পড়ল? যাতো রে, আঠারো হাড়ির মাথা নিয়ে আয়, আর বুড়ো হাড়িনীর চোখ তুলে নিয়ে আয়।’ রাজ-অনুচরেরা তাই করলে। মহারাজ উমনোর হাত ধরে ঘরে নিয়ে গেলেন।

    দিনকতক পরে মহারাজের বাপের শ্রাদ্ধ হল। সেদিন রাজবাড়িতে খুব ঘটা; দীন-দুঃখী কেউ উপবাসী নেই। এমন সময় উমনোর মনে হল, ‘আজ যে আমার ইতুপুজো, এখন কেউ তো উপবাসী নেই, কাকে নিয়ে কথা শুনবো।’ রাজা বললেন, ‘সেই যে হাড়িনীর আঠারো ছেলের মাথা কেটেছি, সে বোধহয় কিছু খায়নি, তবে তাকে নিয়েই কথা শোন।’ তৎক্ষণাৎ বুড়ো হাড়িনীকে আনান হল। হাড়িনী এসেই চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল, ‘সর্বনাশি! একবার এসে রাজার সর্বস্ব খেয়েছ, এবার এসে আমার আঠারো বেটার মাথা খেয়েছ, আমার দুটি চোখ খেয়েছ, এখনও কি পেট ভরেনি? এবার বুঝি আমায় খাবে? তা খাও না, আর আমার বাঁচায় সুখ কি?’ উমনো চোখের জল মুছে বললেন, ‘না মা! আমায় ভয় করিসনি, আয় ব্রত করি, আবার তোর সব হবে।’ হাড়িনী কিছু না বলে চুপ করে রইল।

    উমনো তাকে স্বহস্তে স্নান করিয়ে, নূতন কাপড় পরিয়ে, কাছে করে নিয়ে ব্রতকথা শোনাতে বসলেন। কথা সাঙ্গ হতে বললেন, ‘বর মেগে নে মা, যেন তোর সব আবার তেমনি হয়।’ হাড়িনী তখন বললে, ‘মা ইতুলক্ষী! আমার আঠারো বেটা ফিরে আসুক, আমার চোখ হোক, আমাদের দুঃখ নিবারণ করো মা!’ দেখতে দেখতে হাড়িনীর দুটি চোখ হল। রানি বললেন, ‘এই এক গামলা ভাত তরকারি নিয়ে যা, তোর ছেলেরা খাবে।’ হাড়িনী আবার চীৎকার করে কেঁদে উঠল। ‘আহা, বাছারা কি আমার আছে মা! তাদের যে মহারাজ কেটে ফেলেছেন।’ উমনো বললেন, ‘দেখগে যা, তোর ছেলেরা বেঁচেছে।’ হাড়িনী তখন কাঁদতে কাঁদতে ভাতের গামলা মাথায় করে বাড়ি গেল। যেতেই ছেলেরা বললে, ‘ওমা, কোথায় গিয়েছিলি মা! আমরা না খেতে পেয়ে মরে গেলুম, দে বলছি খাবার দে।’ এই রকম করে আঠারো ছেলে হাড়িনীর কাছে এল। হাড়িনী বললে, ‘চুপ কর বাবা! এই নে ভাত খা, তোরা কি ছিলি বাছা! রাজা যে তোদের মাথা নিয়েছিলেন। রানি মা কি ব্রত জানেন, সেই ব্রত করে তবে তোদের বাঁচিয়েছেন।’

    রাত না পোহাতেই হাড়িনী আহ্লাদে আটখানা হয়ে রাজবাড়ি পরিষ্কার করতে লাগল। রাজা উঠে হাড়িনীর হাত ধরে বললেন, ‘ছি রানি, তুমি কেন এসব কাজ করছ? তোমার জন্যে আঠারো হাড়ি গিয়েছে, আমি আঠারো হাজার হাড়ি আনিয়ে দেব।’ হাড়িনী লজ্জায় জড়সড় হয়ে বললে, ‘মহারাজ, আমায় ছুঁলেন কেন? আমি যে হাড়িনী।’ রাজা বললেন, ‘এ্যাঁ, তুমি হাড়িনী? তুমি কী করে এত সুন্দরী হলে? আর তোমার চোখ হল কী করে?’ হাড়িনী তখন উমনোর ব্রতের কথা বলতে লাগল। ‘মহারাজ, আমার আঠারো বেটা বেঁচেছে, আর আমাদের কোনও দুঃখ নেই। মা ইতুলক্ষ্মী আমাদের অনেক ধনদৌলৎ দিয়েছেন।’

    রাজা তখন উমনোকে গিয়ে বললেন, ‘তুমি যদি এমন ব্রত জানো রানি, তবে আমরা মর্ত্যে থাকি কেন? চল স্বর্গে যাই।’ তখন রাজা ছেলে মেয়ের বিয়ে দিলেন, পাত্রও ছেলে মেয়ের বিয়ে দিলেন, ব্রাহ্মণ ছেলের বিয়ে দিলেন, হাড়িনী আঠারো ছেলের বিয়ে দিয়ে বউ আনলে। সকলেই ছেলেদের সংসার বুঝিয়ে দিয়ে, ঝি বউদের ইতুর ব্রত করতে বললেন। তারপর উমনো, ঝুমনো, রাজা, পাত্র, ব্রাহ্মণ, ব্রাহ্মণী এবং সেই হাড়িনী একত্র হয়ে ইতুপুজো করলেন। ইতুলক্ষ্মী দেখা দিয়ে বললেন, ‘তোমরা কী বর চাও?’ সকলেই বললেন, ‘মা! আমাদের সংসারে সুখ স্বাচ্ছন্দ্য সবই হয়েছে, আর এখানে থাকব না। আমাদের স্বর্গে নিয়ে চল।’ তখন চুয়া চন্দনের ছড়া পড়তে লাগল; আকাশ থেকে পুষ্পবৃষ্টি হল, স্বর্গ থেকে রথ এল। সকলে, ছেলে মেয়েদের বুঝিয়ে রেখে, আশীর্বাদ করে, ইতুর রথে চড়ে স্বর্গে গেলেন।

    কাটি মুটি কুড়াতে গেলাম,
    ইতুর কথা শুনে এলাম।
    এ শুনলে কী হয়?
    নির্ধনের ধন হয়,
    অপুত্রের পুত্র হয়,
    আইবুড়োর বিয়ে হয়,
    অস্মরণের স্মরণ হয়,
    অন্ধের চক্ষু হয়,
    অন্তকালে স্বর্গে যায়।

    অঘ্রাণ মাসের ইতুর কথা সমাপ্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনার হরিণ নেই – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    Next Article রাধার চোখে আগুন – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }