Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেয়েদের ব্রতকথা – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বারোমেসে মঙ্গলচন্ডী

    উজ্জয়িনী নগরে ধনপতি নামে এক সওদাগর ছিলেন। তাঁর ছেলে মেয়ে না হওয়ায়, তিনি আবার বিয়ে করলেন। বড়ো বউ-এর নাম লহনা, ছোটোর নাম খুল্লনা। দুই সতীনে খুব ভাব। বড়ো বউ সর্বদা মা মঙ্গলচন্ডীর কাছে প্রার্থনা করেন, কী করে খুল্লনার একটি ছেলে হবে! কত হোম-যাগ করে খুল্লনার গর্ভ হল। যখন পাঁচমাস গর্ভ, তখন ধনপতি বাণিজ্যের নৌকা সাজিয়ে লহনাকে বললেন, ‘আমি কাল সকালে সিংহল যাত্রা করবো। আমাদের বাপ, পিতামহ সকলেই বাণিজ্য করে জীবন কাটিয়েছেন। ঘরে বসে থাকলে কেমন করে চলবে!’ লহনা এই কথা শুনে, চোখের জল মুছে বললেন, ‘আমি তোমাকে এমন কথা বলতে চাই না যে, তুমি চিরকাল মেয়ে মানুষের মতো ঘরে বসে থাকো। তবে কিনা মা মঙ্গলচন্ডীর কৃপায় বোধ হয় খুল্লনা পোয়াতি হয়েছে। এ সময়ে তার প্রাণে কষ্ট দেওয়া উচিত নয়। তাই বলি, যা-হোক একটা ছেলে মেয়ে হলে তুমি দেখে তারপর যেও।’ ধনপতি খুশিহয়ে বললেন, ‘কই, এত দিন তো আমায় কোনো কথা বলোনি, তাহলে আমি যাবার এত আয়োজন করতাম না। এখন তো আর অন্যথা করবার উপায় নেই। তুমি থাকলেই খুল্লনা সুখে থাকবে; আমি জানি, আমার চেয়ে তুমি খুল্লনাকে বেশি ভালোবাস।’

    খুল্লনা যে পোয়াতি, লহনা তাহা এতদিন ধনপতিকে বলেননি; ভেবেছিলেন কপাল তো তেমন নয়, এখন কোনো গোল করবো না। কথাটা পেটে রেখে এখন অনর্থ ঘটল, আর-তো উপায় নেই। রাত্রি প্রভাত হল, ধনপতি খুল্লনার হাতখানি লহনার হাতে সঁপে দিয়ে, বাণিজ্যের জিনিস নিয়ে, নৌকা সাজিয়ে, সিংহল যাত্রা করলেন। এখানে দশমাস দশদিনে খুল্লনা চাঁদের মতো একটি পুত্র প্রসব করলেন; কিন্তু ধনপতি সওদাগরের আর কোনো খবর পাওয়া গেল না। কেউ বললে, ‘মহাসমুদ্রে নৌকা ডুবে গেছে’; কেউ বললে, ‘দিকভ্রম হয়ে অন্যদিকে চলে গেছে।’ এই রকম নানা জনে নানা কথা বলতে লাগল। লহনা ও খুল্লনা ছেলেটিকে বুকে করে দুঃখেকষ্টে দিন কাটাতে লাগলেন। ছেলেটিকে অতি সুন্দর শ্রীমান দেখে সকলে তার নাম রাখল শ্রীমন্ত।

    শ্রীমন্ত দেখতে দেখতে পাঁচ বছরের হল। লহনা তার হাতে খড়ি দিয়ে তাকে পাঠশালে দিলেন। শ্রীমন্তকে পাঠশালে পাঠিয়ে দুই সতীনে মণিহারা ফণিনীর মতো পথপানে চেয়ে থাকেন। শ্রীমন্ত ঘরে এলে দুই সতীনে যেন আকাশের চাঁদ হাতে পান। কী খাওয়াবেন, কীসে সন্তুষ্ট করবেন, কিছুই ঠিক করতে পারেন না। এমনি করে বারো বৎসর কেটে গেল। একদিন শ্রীমন্তর আসতে দেরী দেখে লহনা, খুল্লনা পথের ধারে দাঁড়িয়ে আছেন, এমন সময় শ্রীমন্ত কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি আসছে। লহনা তাড়াতাড়ি ছেলেকে কোলে করে কত আদর করতে করতে বলতে লাগলেন, ‘কী হয়েছে বাবা, কাঁদছ কেন যাদু, চুপ করো।’ এই বলে ঘরে এনে দুধ সন্দেশ খাওয়াতে বসলেন। ছেলে কিছুতেই খেলে না, অনেক সাধাসাধির পর শ্রীমন্ত বললে, ‘মা আমাকে যদি সত্যি কথা বলো, তবেই আমি খাব, নইলে আজই আমি মরব। আমি কার গর্ভে জন্মেছি, আর আমার বাবার নামই বা কী? আমাকে আজ পাঠশালার ছেলেরা বড়ো অপমান করেছে। আমায় রোজ রোজ কত কী বলে, তা তোমাদের কাছে কী করে বলবো।’

    তখন লহনা কাঁদতে কাঁদতে সব কথা খুলে বললেন, ‘তুমি খুল্লনার ছেলে, কিন্তু আমাদের দুজনেরই প্রাণ। আমি তোমার সৎমা। যখন তুমি পাঁচ মাস পেটে, তখন তোমার পিতা ধনপতি সওদাগর, সপ্ততরী সাজিয়ে সিংহল যাত্রা করেছেন। ঠিক আজ চৌদ্দ বৎসর হল। এখন শুনতে পাই, সিংহল দ্বীপের রাজা শালিবান তোমার পিতার সমস্ত ধন কেড়ে নিয়ে তাঁকে কারাগারে বন্দি করে রেখেছেন।’ এই কথা বলে লহনা খুল্লনা কাঁদতে লাগলেন। তখন শ্রীমন্ত কাঁদতে কাঁদতে বললে, ‘মা, এত দিন আমায় এ কথা বলনি কেন? এখন যা হবার তা হয়েছে, আমি একবার সিংহল দ্বীপে গিয়ে বাবার খোঁজ করবো। আমায় হাসি মুখে বিদায় দাও ভালোই, নচেৎ আমি তোমাদের না বলে পালিয়ে যাব। আমি ধনপতি সওদাগরের ছেলে হয়ে, কিনা দশজনের কথা শুনে মাথা হেঁট করে থাকব। ছি: ছি:, তা কখনোই হবে না! মা, তোমাদের কোনো ভয় নেই, আমাকে যেতে দাও, আমি নিশ্চয়ই বাবার খবর নিয়ে ঘরে ফিরে আসবো।’

    লহনা-খুল্লনা এই-না শুনে শ্রীমন্তকে কোলে করে কত কাঁদলেন, কত বোঝালেন, তবু ছেলে কিছুতেই শুনল না। ছেলের এক কথা—আমাকে যেতে দাও ভালোই, নইলে না বলে পালিয়ে যাব। তখন লহনা-খুল্লনা আর কী করেন, কাজেই দুই সতীনে পরামর্শ করে বিশ্বাসী মাঝিকে ডাকালেন। লহনা-খুল্লনা মা মঙ্গলচন্ডীর পূজা করে শ্রীমন্তর সাজসজ্জা করে দিয়ে, মাথার তাজের ভিতর মা মঙ্গলচন্ডীর অর্ঘ্য দিলেন। আর বলে দিলেন, ‘দেখো বাবা, যদি কখনো কোনও বিপদে পড়, অমনি একমনে মা মঙ্গলচন্ডীর নাম করবে, তাহলে কোনো বিপদ থাকবে না। এই বলে দিয়ে তাঁরা পাড়ার সব এয়োসুয়ো নিয়ে শ্রীমন্তকে সঙ্গে করে নদীর ধারে ডিঙি বরণ করতে এলেন। সাতখানি নৌকা সাজিয়ে মাঝি অপেক্ষা করছিল, দুই সতীনে মাঝিকে বেশকরে বলে দিলেন, যেন কোনো অমঙ্গল না ঘটে। দুধের ছেলেকে বিশ্বাসী মাঝির হাতে সঁপে দিলেন। পাড়ার সব মেয়েরা শ্রীমন্তকে বরণ করে কাঁদতে লাগল। শ্রীমন্ত মায়ের ও বিমাতার পায়ের ধুলো নিয়ে, মা মঙ্গলচন্ডীর নাম স্মরণ করে, সকলের নিকট বিদায় নিয়ে নৌকায় যাত্রা করলেন। লহনা-খুল্লনা মা মঙ্গলচন্ডীকে ডাকতে ডাকতে বলতে লাগলেন, ‘দেখো মা দয়াময়ী, যেন আমাদের শ্রীমন্তের কোনো বিপদ না হয়। মা মঙ্গলচন্ডী, মঙ্গল করো মা!’ এই বলে তাঁরা চক্ষের জলে বুক ভাসালেন। এদিকে শ্রীমন্তর নৌকা কত দূরে ভেসে ভেসে যেতে লাগল। যখন আর দেখা যায় না তখন সকলেই কাঁদতে কাঁদতে মা মঙ্গলচন্ডীকে ডাকতে ডাকতে ঘরে ফিরলেন।

    দিনের পর দিন যায় দুই সতীনে আহার নিদ্রা ত্যাগ করে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে দিন কাটাতে লাগলেন। এখানে শ্রীমন্ত কত নদনদী পার হয়ে, নানা দেশ দেখতে দেখতে যাচ্ছে, এমন সময় গঙ্গার মোহানায় এসে মঙ্গলচন্ডীর নাম ভুলে গেল। তখনই নৌকা পাখানায় পড়ে যায় যায় হল, একখানি মালের নৌকা ডুবে গেল। শ্রীমন্তর তখন মঙ্গলচন্ডীর নাম স্মরণ হল। অমনি মা মঙ্গলচন্ডীর দয়া হল, সকলের প্রাণরক্ষা হল। নৌকা এসে সাগরে পড়ল। সাগরে যেতে যেতে আবার আকাশে মেঘ দেখা দিলে। দেখতে দেখতে ঝড় উঠল, নৌকা যায় যায় হল; শ্রীমন্ত তখন ‘মা মঙ্গলচন্ডী রক্ষা করো,’ ‘মা মঙ্গলচন্ডী রক্ষা করো’ বলে আকুল হয়ে কাঁদতে কাঁদতে ডাকতে লাগল। মায়ের নামের এমনি গুণ, তাঁর দয়াতে সব ঝড় কোথায় উড়ে গেল। মাঝি, মাল্লা, নৌকা সব রক্ষা হল। শ্রীমন্ত মনের সুখে নির্ভয়ে আবার যেতে লাগল।

    দিনের পর দিন, মাসের পর মাস যেতে লাগল। লহনা-খুল্লনা আধমরা হয়ে বেঁচে আছেন; কিন্তু প্রায় রোজই মা মঙ্গলচন্ডী স্বপ্নে দেখা দিয়ে বলেন, ‘তোমরা কেন কাঁদছ মা, কোনো ভয় নেই, শ্রীমন্ত বেশ ভালো আছে। কার সাধ্যি আমার শ্রীমন্তর অমঙ্গল করে!’ এই স্বপ্ন দেখে দুই সতীনে অনেকটা সুস্থ থাকেন। ওখানে শ্রীমন্ত নৌকা করে যেতে যেতে দেখলে জলের উপর একটি পদ্মফুল ফুটে আছে, সেই পদ্মের উপর একটি দেবী, হাতি কোলে করে তার শুঁড় গিলছেন, আবার উগরে ফেলছেন। শ্রীমন্ত এই-না দেখে আশ্চর্য হয়ে ‘জয় মা মঙ্গলচন্ডী,’ ‘জয় মা মঙ্গলচন্ডী’ বলে ডাকতে লাগল। ক্রমে যেতে যেতে নৌকা সিংহলে পৌঁছল। ঘাটে উঠে শ্রীমন্ত একেবারে শালিবান রাজার সভায় গেল।

    রাজা শ্রীমন্তকে দেখে কাছে বসিয়ে নানা কথা জিজ্ঞাসা করলেন। শ্রীমন্ত মিষ্টি কথায় রাজার সব কথার উত্তর দিলে। শেষে রাজা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি আসতে আসতে কিছু আশ্চর্য দেখেছ?’ শ্রীমন্ত, বললে, ‘মহারাজ! সমুদ্রে এক আশ্চর্য দেখেছি। পদ্মের উপরে বসে একটি স্ত্রীলোক হাতি গিলছে আবার উগরে ফেলছে।’ এই কথা শুনে রাজা রেগে বললেন, ‘কে আছিস রে? এই বেটাকে ধর তো, এ বেটাও আমার সঙ্গে চালাকি করছে। যত বেটা আসে, সকলেই ওই এককথা বলে, কিন্তু কোনো বেটা দেখাতে পারে না। ওহে বাপু! তুমি সমুদ্রে গিয়ে আমাকে ‘কমলেকামিনী’ দেখাতে পারবে?’ শ্রীমন্ত বললে, ‘কেন পারব না মহারাজ! আপনি আমার সঙ্গে চলুন, দেখাব।’ তখন রাজা লোকজন নিয়ে শ্রীমন্তর সঙ্গে সমুদ্রের ধারে এলেন, কিন্তু শ্রীমন্ত কিছুই দেখাতে পারলে না। তখন রাজা রেগে বললেন, ‘জহ্লাদ! এর মাথা কেটে নিয়ে এসে আমায় দেখাও।’ হুকুম পেয়ে চারিজন জহ্লাদ শ্রীমন্তের হাত দুখানি বেঁধে মশানে কাটতে নিয়ে গেল। রাজাও রাজসভায় চলে গেলেন।

    শ্রীমন্ত কাঁদতে কাঁদতে জহ্লাদের সঙ্গে মশানে গেল। জহ্লাদেরা যখন খাঁড়া উঁচিয়ে কাটতে যায়, তখন শ্রীমন্ত কেঁদে বললে, ‘তোরা একটু অপেক্ষা কর, আমি আমার মাকে একবার ডেকে নিই।’ শ্রীমন্ত লহনা-খুল্লনার স্নেহ ও ভালোবাসা মনে করে অনেক কাঁদলে। তারপর মা মঙ্গলচন্ডীকে একমনে ডাকতে লাগল। তখন মা মঙ্গলচন্ডী আর থাকতে পারলেন না। তখন তিনি এক বুড়ির বেশ ধরে মশানে এসে শ্রীমন্তকে কোলে করে বসলেন। জহ্লাদেরা যেমনি কাটতে যাবে, অমনি তাদের খাঁড়া ভেঙে পড়ে গেল। তখন তারা ভয়ে পালিয়ে গেল। একজন দৌড়ে গিয়ে রাজাকে বললে, ‘মহারাজ! সেই ছোঁড়াটা কী সব মন্ত্রতন্ত্র আওড়ালে, আর কোথা থেকে একটা বুড়ি এসে তাকে কোলে করে নিয়ে বসল। কাটতে গেলুম, খাঁড়া ভেঙে গেল। আমাদের এমন সাহস হচ্ছে না-যে তার কাছে যাই।’

    এইকথা শুনে রাজা রেগে লোকজন নিয়ে মশানে গেলেন। সেই বুড়ি এমন এক একটা হুঙ্কার করছে যে, সেই শব্দ শুনে রাজার প্রাণ উড়ে গেল। রাজা মশানে আসতেই বুড়ি এমনি এক বিকট হুঙ্কার করে রাজার দিকে চাইলে যে, লোকজনগুলো কে-কার ঘাড়ে পড়ে! সেই সময় অমনি মঙ্গলচন্ডীর ভূতপ্রেতগুলো রাজাকে আর তাঁর লোকজনদের কিল চড় লাথি মারতে লাগল। কে যে মারছে তা আর কেউ দেখতে পাচ্ছে না। মারের চোটে সকলে আধমরা হয়ে গেল। তখন রাজা সেই বুড়ির অনেক স্তব করতে লাগল। বুড়ি স্তবে সন্তুষ্ট হয়ে রাজাকে বললে, ‘দেখ, এই বালক কী অপরাধ করেছে যে, একে তুই বধ করতে মশানে পাঠিয়েছিস?’ রাজা বললেন, ‘ওই বালক মিথ্যাকথা বলেছে, তাই ওকে বধ করবার হুকুম দিয়েছি।’ তখন বুড়ি বললে, ‘ও বালকের কোনো দোষ নেই, তুই পাপী তাই তোর পাপচক্ষে সেই ‘কমলেকামিনী’ দেখতে পাসনি। তোর পাপের ইয়ত্তা নেই। তুই বিনাদোষে এর প্রাণবধ করছিলি। এর বাপকে কারাগারে রেখেছিস। এই রকম কত লোককে তুই বিনাদোষে কারাগারে বন্দি করে রেখেছিস। যদি ভালো চাস তো সকলকে তুই ছেড়ে দে। আর এই বালক, শ্রীমন্ত আমার ব্রতদাস। উজ্জয়িনী নগরের ধনপতি সওদাগরের ছেলে। সেই সওদাগরের যত ধনদৌলত তুই কেড়ে নিয়েছিস; তার চতুর্গুণ যৌতুক দিয়ে, তোর মেয়ে সুশীলার সঙ্গে শ্রীমন্তর বিয়ে দিবি। যদি না দিস, তাহলে এখনি তোকে সবংশে মেরে ফেলব।’ এই বলে বুড়ি আবার হুঙ্কার ছাড়লে। হুঙ্কার শুনে রাজা জোড়হাত করে বললেন, ‘মা, আমি সব বুঝতে পেরেছি। আমি এখনি আপনার হুকুম পালন করছি, কিন্তু দয়া করে একবার আপনার ‘কমলেকামিনী’ মূর্তিটি দেখান।’ তখন বুড়ি বললে, ‘যাও, সেই ঘাটে গেলেই দেখতে পাবে।’ এই বলে তিনি অন্তর্ধান হলেন। যাবার সময় শ্রীমন্তকে বলে গেলেন, ‘বাবা, তোমার কোনো ভয় নেই। তুমি রাজকন্যাকে বিয়ে করে বাপের সঙ্গে নিজের দেশে চলে যাও।’

    তখন রাজা শ্রীমন্তকে সঙ্গে করে লোকজন নিয়ে সেই ঘাটে গেলেন। শ্রীমন্ত বললে, ‘মহারাজ, ওই দেখুন।’ কিন্তু রাজা পাপ চক্ষে দেখতে পেলেন না। তারপর তিনি শ্রীমন্তকে কোলে নিতেই তাঁর দিব্যচক্ষু হল। তখন রাজা প্রাণভরে কমলেকামিনী দর্শন করে, শ্রীমন্তকে লক্ষ লক্ষ চুমু খেলেন। বললেন, ‘বাবা, তোমার কৃপায় আজ মাকে দর্শন করলুম।’ তারপর তিনি বাড়িতে এসেই আগে ধনপতি সওদাগরকে মুক্ত করলেন। অপর বন্দিদেরও সেই সঙ্গে মুক্তি দিলেন। শালিবান রাজা ধনপতিকে শ্রীমন্তর সমস্ত বিষয় বলে মা মঙ্গলচন্ডীর আদেশ পালন করতে বললেন। পিতা-পুত্রের পরিচয় হল, শ্রীমন্ত পিতাকে প্রণাম করলেন। ধনপতি পুত্রকে পেয়ে আহ্লাদে কোলে করে চুমু খেলেন। রাজা ধনপতিকে বিস্তর পূজা করলেন। শুভদিনে শ্রীমন্তকে সুশীলা কন্যা দান করলেন। সকলেরই খুব আনন্দ। অপর লোকেরা শ্রীমন্তকে আশীর্বাদ করতে লাগলেন, বললেন, ‘বাবা, তোমা হইতে আমরা মুক্ত হলেম।’ রাজা তাদের সমস্ত ধন ফিরিয়ে দিয়ে দেশে পাঠালেন। দুই বেয়াইয়ে কোলাকুলি হল, রাজা সওদাগরকে প্রচুর ধনরত্ন দিয়ে ঝি-জামাই পাঠালেন। মা মঙ্গলচন্ডীর কৃপায় ধনপতি সওদাগর বৌ-বেটা নিয়ে দেশে যাত্রা করলেন।

    এখানে লহনা-খুল্লনা নিয়মমতো প্রতি মঙ্গলবারে মঙ্গলচন্ডীর বারো মাস পূজা করেন। সর্বদা মঙ্গলচন্ডীকে বলেন, ‘মা! যা হবার তা হয়েছে, সওদাগর তো আর ফিরলেন না, এখন দুঃখিনীর ধন, অন্ধের নয়ন, আমাদের শ্রীমন্তকে ফিরিয়ে দাও মা!’ এমনি করে রোজই কাঁদেন। ক্রমে দুঃখের রাত্রি পোহাল; মার দয়াতে ধনপতি সওদাগর সমুদ্দুর পার হয়ে নির্বিঘ্নে নিজের দেশে এসে ঘাটে উঠে দামামায় ঘা দিলেন। অমনি চারিদিকে প্রচার হল—‘ধনপতি সওদাগর, ছেলে-বউ সঙ্গে নিয়ে দেশে এসেছেন।’ এই কথা শুনে চারিদিক হতে লোকজন সব ঘাটে যেতে লাগল। লহনা-খুল্লনা আনন্দে অধীর হয়ে, পাড়ার এয়োসুয়ো নিয়ে ঘাটে ডিঙি বরণ করতে এলেন। লহনা শ্রীমন্তকে কোলে নিলেন, খুল্লনা বউকে কোলে নিলেন। সকলে আনন্দ করতে করতে বাড়ি ফিরলেন। বাড়িতে এসেই মহাঘটা করে মঙ্গলচন্ডীর পূজা করলেন। লহনা-খুল্লনার দুঃখ দূর হল। শ্রীমন্তকে পেয়ে তাঁদের যেন আগুনে জল পড়ল। সকলেই বলতে লাগল, ‘লহনা-খুল্লনার ভক্তির গুণে মা মঙ্গলচন্ডীর কৃপায় পতি-পুত্র-বৌ-বেটা সব পেলে।’ ধনপতি সওদাগর মনের আহ্লাদে বৌ-বেটা ও দুই স্ত্রী নিয়ে সুখে ঘর করতে লাগলেন। তিনি দেশে দেশে মা মঙ্গলচন্ডীর দয়ার কথা প্রচার করতে লাগলেন। সেইথেকে চারিদিকে বারোমেসে মঙ্গলচন্ডীর পূজা প্রচার হল।

    বারোমেসে মঙ্গলচন্ডীর ব্রতকথা সমাপ্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনার হরিণ নেই – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    Next Article রাধার চোখে আগুন – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }