Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. কৈশোর ছাড়িয়ে কানু

    ৪

    কৈশোর ছাড়িয়ে কানু এখন সদ্য যৌবনে পা দিয়েছে। অফুরন্ত প্রাণশক্তিতে সে এখন ছটফটিয়ে মরে। ব্রজ-বৃন্দাবনের সব মানুষ এখন দুর্দান্ত-দুঃসাহসী হিসেবে কানুকে এক ডাকে চেনে। অনেকেই তাকে ভয় পায়।

    সবচেয়ে বেশি ভয় মা যশোমতীর। একসময় কানুর বিপদের কথা ভেবে যশোমতী ভয় পেত কংসের সৈন্য কিংবা দৈত্য-দানোর। এখন তার ভয়, কানু নিজেই কবে কোথায় কোন গণ্ডগোল বাধিয়ে বসে।

    রাখাল দলের সকলেই তার বশ্যতা পুরোপুরি মেনে নিয়েছে। কানু এখন তাদের একচ্ছত্র অধিপতি। একমাত্র বলরামই কোনও দিন কানুর সঙ্গে শক্তি পরীক্ষায় নামেনি, বরং ছোটভাই হিসেবে তাকে সস্নেহ প্রশ্রয় দেয়, কানুর যে-কোনও কাজে সে নিঃশব্দে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে।

    শুধু রাখালি করে তাদের আর আশ মেটে না। তারা এখন নৌকো বায়, ওপারের হাটে গিয়ে উপদ্রব করে। শোনা যায়, তারা হাটের দোকানি-পসারিদের কাছ থেকে নানান ছুতোয় সওদাপত্তর কেড়েকুড়ে নেয় মাঝে মাঝে। আলটপকা কোনও বিদেশি পথিককে নাজেহাল করে ঠেলা দিয়ে। ক্রমেই কানুর অহমিকা বাড়ছে।

    .

    এক অপরাহ্ণে কানু সদলবলে ফিরছে গোষ্ঠ থেকে, এমন সময় দেখল আভীরপল্লির বাইরে, প্রান্তরের মধ্যে একটি বেশ বড় পূজার আয়োজন চলেছে। বয়স্ক পুরুষ ও নারীরা সেখানে সমবেত, সকলেরই পরনে পট্টবস্ত্র। বড় বড় কাঠের বারকোশে সাজানো রয়েছে ফলমূল। আর কত রকম ক্ষীর-ছানা-নবনীর মিষ্টান্ন। নরম মাটিতে সার দিয়ে দিয়ে ধূপকাঠি পোঁতা। সেগুলিকে ঘিরে গোল করে সাজানো অসংখ্য মাটির প্রদীপ। এত আয়োজনেও সবকিছু সম্পূর্ণ হয়নি, এখনও অনেকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসছে পূজার সম্ভার।

    পুরুষেরা একটু দূরে সারিবদ্ধ ভাবে হাঁটুগেড়ে বসা। সকলেরই যুক্তকর। তাদের মাঝখানে বেশি করে চোখে পড়ে আয়ান গোপকে। তার সুঠাম বলশালী শরীর, উন্নত মস্তক। ডান বাহুতে বাঁধা একটা সোনার তাগা। তার মুখখানি থমথমে গম্ভীর। ইদানীং আয়ান কারওর সঙ্গে মেশে না। ক্কচিৎ তাকে জনসমাগমে দেখা যায়। তার কোনও প্রিয় সুহৃদ নেই, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গেও সে প্রায় সম্পর্ক ছেদ করেছে। আয়ানের এই পরিবর্তনের মর্ম কেউ বুঝতে পারে না। শুধু পুজো-আচ্চার ব্যাপারেই তার উৎসাহ এখনও কমেনি।

    রাখালেরা সবাই একধারে দাঁড়াল। কৌতুক দেখার ভঙ্গিতে কানু কোমরে হাত দিয়ে রয়েছে। ফিসফিস করে সে সুদামকে জিজ্ঞেস করল, হঠাৎ এ সব কী হচ্ছে রে?

    পূজা-স্থানের মাঝখানে একটা লাঠি পোঁতা। সেই দিকে ইঙ্গিত করে সুদাম বলল, ওই যে দেখছিস না, ওটার নাম ইন্দ্রাযষ্ঠি। আজ ইন্দ্রের পুজো হবে।

    কেন?

    পর পর দু’বছর যে খরা গেল! ইন্দ্রের পুজো না করলে আর বৃষ্টি হবে না!

    কানু এমন জোরে হা হা করে হাসল যে অনেকেই ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল তার দিকে। অনেক ভুরু কুঁচকে গেল।

    বন্ধুরা কানুর গা টিপে বলল, এই চুপ, চুপ। অত জোরে হাসিস না। পুজোর জায়গায় হাসতে নেই!

    কানু বলল, এমন মজার কথায় হাসব না? পুজো করলে আবার বৃষ্টি হয় নাকি? বৃষ্টি তো হয় মেঘ থেকে। আকাশে একফোঁটা মেঘ নেই, বৃষ্টি হবে কী করে?

    ইন্দ্র সদয় হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে!

    কচু আর ঘেঁচু হবে।

    এই চুপ, চুপ!

    একসময় ইন্দ্রের পূজা ছিল গোপপল্লিতে প্রতিবার্ষিক। ইদানীং একটু আলগা পড়ে গিয়েছিল। পর পর দু’ বছর অতিশয় খরা হবার ফলে আবার সকলের টনক নড়েছে। সকলেই অপরাধী হয়ে ভেবেছে যে পূজায় অমনোযোগের জন্যই ইন্দ্ৰ ক্রুদ্ধ হয়েছেন। ইন্দ্রের দয়া না হলে আকাশে সজল মেঘ আসে না। তাই এবার পূজায় ধুমধাম একটু বেশি।

    একটুক্ষণ থেমে রইল কানু। তারপর আবার বলল, কত ভালো ভালো খাবার দেখেছিস, দেখেই আমার খিদে পেয়ে যাচ্ছে!

    ছিঃ, ও তো দেবতার জিনিস। ওর সম্বন্ধে লোভ করতে নেই!

    দেবতা কি নিজে এসে এসব খাবেন নাকি? দেবতা কি একা এত খাবার খেতে পারে? আমার এদিকে পেট চুঁইচুঁই করছে যে।

    প্রবীণ পুরুষরা ইতিমধ্যে অনেকেই চক্ষু বুজে মন্ত্র-পাঠ শুরু করেছে। তাদের বিঘ্ন ঘটছে কানুর কথাবার্তায়।

    নন্দ ঘোষ দূর থেকে কানুকে দেখতে পেয়ে উঠে এল। ঈষৎ ভর্ৎসনার সুরে বলল, কানু, এখানে গোলমাল কোরো না। মাটিতে বসে পড়ো তোমরা সবাই। হাতজোড় করে মন্ত্র বলো!

    কানু উদ্ধত ভাবে বলল, বাবা, এসব পুজোটুজো করে কী হয়!

    নন্দ বলল, ওসব আবার কী কথা? ইন্দ্রের পুজো করা আমাদের বংশের নিয়ম। ইন্দ্রদেব সদয় হলে পৃথিবীতে সুবৃষ্টি হবে, তাতে ভূমি উর্বরা হবে। ভালো ফসল না হলে মানুষ সুখে-শান্তিতে বাঁচবে কী করে? চুপ করে বোসো!

    কানু তবু বসল না। তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বলল, এসব মন্ত্রটন্ত্র শুনে কি ইন্দ্রদেবতা নিজে আসবেন এখানে?

    নিজে আসবেন কেন? তিনি বৃষ্টি পাঠাবেন!

    তা হলে এত খাবারদাবার কার জন্য? বৃষ্টিতে সব নষ্ট হয়ে যাবে যে!

    নন্দ তর্কবাগীশ নয়। অন্যরা যাতে তার ছেলের ওপর বিরক্ত না হয়, সেইজন্যই সে কানুকে শান্ত করতে এসেছে। কথা ঘুরিয়ে নিয়ে, তার ওপর পিতার ব্যক্তিত্ব আরোপ করার চেষ্টা করে বলল, এসব দেবতার ভোগ! বৃষ্টি পাঠাবার আগে ইন্দ্র নিজে এসে এই ভোগ গ্রহণ করে আমাদের কৃতকৃতার্থ করবেন!

    কতক্ষণের মধ্যে? কত পল? কত দণ্ড?

    আঃ চুপ করে বসো না! এত কথা কেন?

    কানু মানল না। কিছুক্ষণ মাত্র সে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করল। মন্ত্রের গুঞ্জন চলেছে তো চলেছেই। তার কানে একঘেয়ে লাগছে। আকাশের কোনও প্রান্তে মেঘের দেখা নেই। কিছুক্ষণ তার একটু কৌতূহল ছিল। সত্যিই আকাশ থেকে ইন্দ্রদেবতা নেমে এসে এইসব খাবার খেয়ে যাবেন কিনা দেখার জন্য সে আকাশের দিকে তাকিয়েছিল। এখন তাকাতে তাকাতে ঘাড় আর চোখ ব্যথা হয়ে গেছে। আর কিছুই ভালো লাগছে না! দেবতাটেবতা আসবে তো…।

    কানুর সত্যিই খিদে পেয়েছে খুব। উঠতি বয়সের খিদে সব সময় দাউ দাউ করে জ্বলে, সামনে খাবার দেখলে আরও বেড়ে যায়। যশোমতীও এখানে রয়েছেন, এখন বাড়ি গেলেও তাকে কেউ খাবার দেবে না।

    এক সময় সে পূজাস্থলের মধ্যে লাফ দিয়ে পড়ল। চেঁচিয়ে বলল, মিথ্যে কথা! কোনও দিন কোনও দেবতা এসে এসব খাবার ছুঁয়ে দেখবে না! রাখালসেনা! তোমরা এসো, এই খাবার ভাগ করে নাও!

    নিজেই সে দেবতার প্রসাদ আগে মুখে পুরে দিল।

    রাখালসেনারা তার কথায় অবাধ্য হতে পারে না। তারাও হইহই করে ঢুকে পড়ল মাঝখানে। সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিল। ফুল-বেলপাতা মাড়িয়ে, কাঠের বারকোশগুলো উলটে পায়েস-পিষ্টক ক্ষীর-নবনী সব লুটেপুটে চেটেপুটে সাফ করে দিল।

    আয়ান পা দিয়ে ভূমি আছড়ে উঠে দাঁড়াল। তার গনগনে মুখ দেখলে মনে হয়, এক্ষুনি সে এই ধৃষ্ট বালকদের টুঁটি চেপে ধরবে। কিন্তু সে জিতক্রোধ, অস্থির হাত দু’টি বুকের ওপর আড়াআড়ি করে রাখল, তারপর সে নন্দ ঘোষের সামনে এসে বলল, অগ্রজাপতি, আপনাকেই এর দায়ভাগ নিতে হবে।

    আয়ান আর দাঁড়াল না। বিপর্যস্ত পূজাস্থল ছেড়ে তৎক্ষণাৎ সে চলে গেল।

    সেদিন অনেক রাত পর্যন্ত নন্দ আর যশোমতীর চোখে ঘুম নেই! স্বামী-স্ত্রী মুখোমুখি গালে হাত দিয়ে বসা। মাথার মধ্যে কুরে কুরে খাচ্ছে চিন্তার পোকা। জ্ঞাতি বন্ধুদের কাছে কী করে মুখ দেখাবে তারা!

    কানুর সঙ্গে তারপর আর কথা হয়নি। বিকেল থেকেই পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল সে। একটু বেশি রাত্রে চুপি চুপি বাড়িতে ঢুকে নিজের বিছানায় শুয়ে পড়েছে। ঘুমিয়েছে, না মটকা মেরে আছে, তাই বা কে জানে! নন্দ কয়েক বার চেষ্টা করেছে ছেলেকে ডেকে তুলে একটু শাসন করতে। বাধা দিয়েছে যশোমতী। স্বামীর হাত চেপে ধরে মিনতি করে বলেছে, ওগো না, তাতে যদি আমাদের সর্বনাশ হয়ে যায়? কটু কথা বললে যদি একেবারেই বাড়ি ছেড়ে চলে যায় সে। তখন যে দশ দিক আঁধার হয়ে যাবে, পৃথিবী শূন্য হয়ে যাবে! কেঁদে কেঁদে তখন অন্ধ হয়ে যাব না?

    নন্দ সে-কথা অস্বীকার করতে পারেনি। জেদি ছেলে, এমনিতে মারলে বকলে কাঁদে না, কিন্তু যদি অপমান বাজে, তা হলে হয়তো নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে! কিন্তু ওর দুরন্তপনা যেমন দিন দিন বাড়ছে, তাতে একটা কিছু তো করতেই হবে!

    এখন কানুর ঘুমন্ত মুখ দেখলে কে ওর ওপর রাগ করতে পারে? ওই মুখে যেন বিশ্বের মাধুর্যরস মাখানো। কে বিশ্বাস করবে যে ওই কোঁকড়া কোঁকড়া চুলভরা মাথাটার মধ্যেই এমন দুষ্টবুদ্ধি! নিমীলিত চোখ দু’টির মধ্যেও কত রূপ। ঠোঁট দু’খানি ঘুমের মধ্যে হাসি হাসি, এমনই থাকে সব সময়।

    ঘুমের ঘোরে কানু পাশ ফিরল। তার মাথাটা সরে গেল উপাধান থেকে। যশোমতী তাড়াতাড়ি আবার মাথাটা তুলে দিতে গেল। নন্দ কপট ভর্ৎসনায় বলল, যাক, অত আদর দিতে হবে না! এত আদর দিয়ে দিয়েই তো ছেলের মাথাটি খেয়েছ।

    এই সময় একটা ভয়ংকর শব্দ হল। চমকে উঠল নন্দ। যশোমতী স্বামীর জানু আঁকড়ে ধরে একই সঙ্গে হেসে কেঁদে বলল, ওগো, মেঘ ডাকছে।

    দু’জনেই ছুটে এল বাইরে। চড়াৎ করে আর একবার বিদ্যুৎ চমকাল। সন্দেহ কী, কানুর গায়ের রঙের মতন মেঘে ছেয়ে গেছে সারা আকাশ।

    নন্দ্য-যশোমতীর চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ল আনন্দাশ্রু। দেবতা সদয় হয়েছেন। দেবতারা কক্ষনও ছোট ছেলেদের দোষ ধরেন না। ওরা যে এখনও অবুঝ!

    ওরা দু’জন ঘরের দাওয়ায় বসে রইল আকাশের পানে মুখ তুলে। হাত দু’টি প্রার্থনার ভঙ্গিতে উঁচু করা। খানিকক্ষণ পরে যখন বৃষ্টি নামল, তখনই ঘুম নেমে এল ওদের চোখে। বহু দিন পর ওরা পরম শান্তিতে ঘুমোল।

    এর কয়েক দিন পর কানু আর-একটা সাঙ্ঘাতিক কাণ্ড করল!

    দু’-তিন দিন ধরে বলরামের অসুখ। বলরাম খুবই গুরুভোজী বলে প্রায়ই তার পেটের পীড়া হয়। ক’দিন সে আর গোষ্ঠে যায়নি। সে না থাকলে অনেক খেলা জমে না।

    সেদিন সকালবেলা রাখাল ছেলেরা কানুকে ডাকতে এসেছে, কানু বলল, না রে ভাই, আজ আর আমি যাব না। আজ আমি বলাইদাদার কাছে থাকব।

    ছেলেরা অনেক কাকুতিমিনতি, অনেক অনুনয়বিনয় করল, কানু টলল না। তা দেখে খুব খুশি হল যশোমতী। ছেলের তা হলে একটু ভব্যিজ্ঞান হয়েছে। যে-বলাইদাদা তাকে অত ভালোবাসে, তার অসুখের সময় কি কানুর খেলতে যাওয়া ভালো দেখায়!

    একা অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে রোহিণী বিপন্না বোধ করবেন বলে যশোমতী রোজই সেখানে যায় বলাইয়ের শুশ্রূষা করার জন্য। সেদিন কানুকে সঙ্গে নিয়ে গেল।

    পীড়িত অবস্থাতেও বলরাম শয্যায় শুয়ে শুয়ে এক বৃহৎ ভাণ্ড ভরতি দুধ-চিঁড়ে-কলা সাপটাচ্ছে। কানুকে দেখে সে যথার্থ খুশি হল। তাড়াতাড়ি উঠে বসে বলল, মা, কানুকেও আমার মতন খাবার দাও।

    রোহিণী ইতিমধ্যে আরও কৃশ হয়েছেন। মাথার চুলে আরও জট পড়েছে। চোখ দু’টি আরও জ্বলজ্বলে। তাকে দেখলেই যশোমতীর একটু একটু ভয় করে।

    ছেলের অসুখের জন্য রোহিণী একটুও চিন্তিত নন। তিনি কানুকেই দেখতে লাগলেন ভালো করে। তাকে কাছে ডেকে মস্তকের ঘ্রাণ নিলেন, তার চিবুকে, বাহুতে নিজের হাত বুলোলেন। বললেন, বাঃ এ তো বেশ বড় হয়ে গেছে, রীতিমতন শক্ত সমর্থ পুরুষমানুষ।

    কানু লজ্জা পেয়ে চুপ করে রইল। বলরাম বলল, জানো মা, যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় কানুর সঙ্গে এখন কেউ পারে না! রোহিণী বললেন, শুধু খেলায় কেন, আসল যুদ্ধেও কানুর সঙ্গে কেউ পারবে না। ওকে অনেক বড় যুদ্ধ করতে হবে! তাই না কানু?

    যশোমতীকে নিয়ে ঘরের বাইরে এসে রোহিণী কিছুক্ষণ স্থির ভাবে দূরের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর বললেন, বোন যশোদা, এবার তৈরি হও, কানু আর তোমার কাছে বেশি দিন থাকবে না।

    এ কী অলুক্ষুনে কথা! শুনলেই বুক কাঁপে। যশোমতীর মুখ রক্তহীন হয়ে গেল। খুব অস্ফুট ভাবে বলল, এ-কথা কেন বলছ, দিদি?

    রোহিণী যশোমতীর দিকে মুখ ঘুরিয়ে বুঝি আরও কোনও কঠোর কথা বলতে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ থেমে গেলেন। যেন তাঁর মায়া হল। কণ্ঠস্বর নরম করে বললেন, এসব ছেলে বেশি দিন ঘরে থাকে না!

    যশোমতী বলল, কানু আমাকে ছেড়ে কোনও দিন কোথাও যাবে না। সে সে রকম ছেলেই নয়!

    রোহিণী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, আগে থেকে মন শক্ত করে রাখাই ভালো। নইলে পরে বেশি কষ্ট পেতে হয়!

    যশোমতীর আর থাকতে ভালো লাগল না সেখানে। রোহিণীকে আজকাল সে অপছন্দ করতে শুরু করেছে। খানিকটা পরেই সে কানুকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এল।

    কিন্তু দিনেরবেলা একা একা বাড়িতে কানুর মন টিকবে কেন? সে বলল, মা, এখন তা হলে গোষ্ঠে যাই?

    যশোমতীর ডান চোখের পাতা কাঁপছে। কী যেন এক অজানা আশঙ্কা তাকে ঘিরে আছে আজ। সে বলল, থাক না, আজ আর না গেলি! আজ তুই আমার কাছে থাক, কানু!

    কানু বলল, যাই না, একবার ঘুরে আসি! এই তো যাব আর আসব!

    লাফাতে লাফাতে বেরিয়ে গেল সে। আভীরপল্লির পাশ দিয়ে, আখের খেত পেরিয়ে, বনপথ ধরে সে পৌঁছে গেল যমুনার তীরে গোষ্ঠভূমিতে। সেখানে গিয়ে সে চমকে গেল।

    রাখালেরা কেউ মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে, কেউ গাছের গুঁড়িতে ঠেসান দিয়ে বসে আছে, কারওর মুখে কথাটি নেই। কেউ বড় বড় শ্বাস ফেলছে, কারওর চোখে জল।

    এ কী হয়েছে? এ কী হল?

    একজন বলল, হায় কানু, তুই ছিলি না। আজ আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে!

    কী হয়েছে? কীসের সর্বনাশ!

    আমাদের শ্যামলী আর নেই!

    গোষ্ঠের পালের মধ্যে শ্যামলী গাভীটি সবচেয়ে সুলক্ষণা। তার নরম গা থেকে যেন তেল গড়িয়ে পড়ে, তার দীঘল চোখ দু’টি যেন দীঘির জলে ভরা। সুবলের বড় প্রিয় ধেনু।

    অন্য দিন কানুর বাঁশির সুর শুনে গোরুগুলি সব এক জায়গায় থাকে। আজ কানু নেই, আজ খেলা জমেনি, আজ রাখালদের গোচারণেও মন ছিল না। গোরুগুলি ছিটকে গেছে এদিক-ওদিক। হতভাগিনী শ্যামলীর এমনই কুগ্রহ হল আজ, এত বড় যমুনা নদী থাকতেও সে কিনা চলে গেল কালীয়দহের দিকে। সুবল শেষ মুহূর্তে টের পেয়ে ছুটে গিয়েছিল পিছু পিছু, তবু আটকাতে পারল না। জলে মুখ দেবার সঙ্গে সঙ্গে শ্যামলীকে টেনে নিয়ে গেল সেই অজগর সাপটা!

    কানু বিস্ফারিত চোখে বলল, অত বড় ধেনুটাকে সাপে নিয়ে গেল?

    মধুমঙ্গল বলল, তুই জানিস না কানু সেই মহা অজগর কী প্রকাণ্ড! তার দেহটা বটগাছের গুঁড়ির মতন, তার দাঁতগুলো কোদালের মতন, তার চোখ দুটো মশালের মতন, তার ফণাটা সমুদ্রের ঢেউয়ের মতন। সেটা তো শুধু সাপ নয়, নিশ্চয়ই কোনও ছদ্মবেশী দৈত্য! তুই শুনিসনি, দৈত্যরা জলের মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে!

    কালীয়দহের সাপটার কথা কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। দহের জল নাকি বিষ হয়ে গেছে। কেউ ওর ধারে কাছে যায় না। বনের পশুপাখিরাও ওই জল পান করে না, আর শ্যামলীই কিনা মরতে গেল?

    দীর্ঘশ্বাস ফেলে কানু জিজ্ঞেস করল, সুবল কোথায়?

    রাখালরা উত্তর দিল সেই তো হয়েছে আর এক বিপদ। সুবল সেই কালীয়দহের পারে বসে অবিরল চক্ষের জল ফেলছে। শ্যামলী যে ছিল তার প্রাণের পুত্তলি! সুবলকে ফিরিয়ে আনার অনেক চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু সে কিছুতেই আসবে না। অন্য রাখালরা ভয়ে সেখানে থাকতে পারেনি।

    গায়ের উত্তরীয়টা খুলে কোমরে জড়িয়ে শক্ত করে বেঁধে কানু শান্ত ভাবে বলল, আজ আমি ওই সাপটাকে মারব।

    কানু সত্যি সত্যি কালীয়দহের দিকে এগোচ্ছে দেখে সব রাখালরা ঘিরে ধরল তাকে। সবাই সমস্বরে বলল, এ রকম পাগলামি করিস নে কানু! এ তো সাপ নয়, এ তো দৈত্য! মানুষে কখনও পারে এর সঙ্গে!

    কানু বলল, ছাড়, আমি যাবই!

    অংশুমান বলল, তোকে আমরা কিছুতেই ছাড়তে পারি না। এ তো শুধু গায়ের জোরের ব্যাপার নয়, একটু বিষের ছোঁয়াতেই যে মানুষ শেষ হয়ে যায়।

    কানু বলল, আমি এক সাধুর কাছে শুনেছি, জলজ সাপের দাঁতে বিষ থাকে না।

    সুদাম বলল, তা হলে দাঁড়া। আমরা ঘোষপল্লির বয়স্কদেরও খবর দিই, সবাই মিলে একসঙ্গে যদি—

    ঝটকা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে কানু বলল, আমি রাজা না? কোনও বিপদ-আপদ হলে আমাকেই আগে যেতে হবে।

    কানু তিরের মতো ছুটছে। তার ছিপছিপে শরীরটা বাতাস কেটে সাঁ করে বেরিয়ে যায়। অন্য রাখালরা বুঝল তাকে এখন আটকাতে যাওয়া বৃথা। কানু কালীয়দহের কাছে পৌঁছে দেখল, সুবল হাঁটুতে মুখ গুঁজে বসে আছে। দহের জল নিস্তরঙ্গ, সেখানকার বাতাসও কেমন যেন থমথমে।

    কানু এসে সুবলের ঘাড় ধরে হেঁচড়ে টেনে আনল অনেকখানি। ধমক দিয়ে বলল, জলের এত কাছে বসে আছিস কেন! সুবল ঝরঝরিয়ে কেঁদে বলল, কানু, আমার শ্যামলী নেই, আমি আর বাড়ি যাব না! কানু ধমক দিয়ে বলল, আগে তাকে আটকাতে পারিসনি কেন? এখন কেঁদে কী হবে? এখন প্রতিশোধ নিতে হবে। আমি প্রতিশোধ নিচ্ছি, তুই দেখ।

    তারপর তার বাঁশিটা সুবলের হাতে জমা দিয়ে সে তার কাপড়ে মল্লসাঁট বাঁধল। জলের কিনার ঘেঁষে রয়েছে একটা বড় কদম গাছ, কানু তরতর করে উঠে গেল সেই গাছে। একেবারে মগডালে উঠে সেখান থেকে লাফ মেরে গিয়ে পড়ল দহের মাঝখানে।

    .

    এদিকে ভয়-তাড়িত রাখালরা ছুটে গেছে আভীরপল্লিতে। সেখানে খ্যাপার মতন তারা আকণ্ঠ চিৎকার করতে লাগল ওগো, সর্বনাশ হয়েছে! কে কোথাও আছ, শিগগির এসো! কানু কালীয়দহে ঝাঁপ দিয়েছে!

    যে-সমস্ত পুরুষরা গ্রামান্তরে যায়নি, তারা সবাই এল ঘরের বাইরে। নারীরাও বেরিয়ে এল। সকলে মিলে ছুটল দহের দিকে। কালীয়দহের চার পাশ একেবারে ভিড়ে ভেঙে পড়ল। হাট থেকে ফিরছিল গোপিনীরা, তারাও চিৎকার শুনে ছুটে এল।

    বেশ কিছুক্ষণ দহের জল একেবারে শান্ত। কানু কোথায় তলিয়ে গেছে। তার আর চিহ্ন নেই। সকলে হাহাকার শুরু করেছে। কানুর মা যশোমতী এখনও খবর পায়নি, সে যাতে এদিকে না আসে তাই দু’-একজন ছুটে গেল তাকে সামলাতে।

    এক সময় প্রবল জলোচ্ছাসের সঙ্গে সঙ্গে দহের ঠিক মাঝ অংশে ছিটকে ওপরে উঠে এল কানু। তারপর দেখা গেল সেই অজগরের মাথা। তীক্ষ্ণ দংষ্ট্রা মেলে সেটা গ্রাস করতে এল কানুকে, কানু ডুব দিয়ে উলটো দিকে এসে দু’হাতে চেপে ধরল তার ফণা। প্রচণ্ড লড়াইয়ে সমস্ত দহের জল উন্মত্ত হয়ে উঠল।

    গোয়ালারা যে-যা পেরেছে লাঠি, বল্লম, রামদা এনেছে সঙ্গে, কিন্তু এখন কানু আর অজগরটা এমন অঙ্গাঙ্গী হয়ে আছে যে দূর থেকে কোনও সাহায্য করার উপায় নেই। তারা দর্শক হয়েই রইল।

    প্রায় আড়াই দণ্ড ধরে চলল সেই যুদ্ধ। তারপর কালীয়দহের কালো জলে দেখা গেল সরু সরু রক্তের রেখা। কানুরই গায়ের রক্ত। সাপটা তার শরীর ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছে। সাপের গায়ে রক্ত থাকে না। কানু শেষ বারের মতন মুচড়ে দিয়েছে অজগরটার ফণা।

    রক্তাক্ত শরীর নিয়ে কানু উঠে এল ওপরে। কে তাকে আগে ছোঁবে, কে তাকে আগে শুশ্রূষা করবে, তাই নিয়ে পড়ে গেল কাড়াকাড়ি। আজ কানুর সমস্ত দোষ মুছে গেছে। আজ সে বৃন্দাবনের সকলেরই চোখের মণি।

    এতখানি বীরত্ব এই অঞ্চলে কেউ কখনও দেখায়নি। কানু আজ দেখিয়ে দিয়েছে, যে-কোনও ভয়কেই জয় করা যায়।

    সেই ভিড়ের মধ্যে কানু বিশেষ করে দেখল একটি নারীকে। তার রূপ আর সকলকে ছাপিয়ে, এই পৃথিবী ছাপিয়ে যেন আকাশ ছুঁয়েছে। পিঠের ওপর ঢাল হয়ে আছে এক রাশ চুল। ভ্রমর কালো চোখের ওপরে বড় বড় পল্লব। তার গ্রীবা যেন নদীর একটি তরঙ্গ।

    সেই রমণী তার কাছে আসেনি। তবু দূর থেকে তার দৃষ্টিতে যেন ঝরে পড়ছে মুগ্ধতার আলো। শুধু সেই এক জনের দৃষ্টিতেই কানুর সর্বাঙ্গ জুড়িয়ে গেল।

    কানুর মনে হল, সে যে জীবন তুচ্ছ করে ওই সাপটার সঙ্গে লড়তে গিয়েছিল, তা ওই এক জনের দৃষ্টির জন্যই সার্থক হয়ে গেল। অতখানি সুধা মানুষের দৃষ্টিতে থাকে? কানু সেই রমণীকে আরও কাছ থেকে দেখতে চাইল, শুনতে চাইল তার মুখের একটি কথা। কিন্তু পারল না। ভিড়ের মধ্যে যেন সমুদ্রের ঢেউ এসে লেগেছে। রাখাল বালকরা জোর করে কানুকে কাঁধে তুলে নাচতে নাচতে নিয়ে বেরিয়ে গেল। কানু ঘাড় ঘুরিয়েও আর দেখতে পেল না সেই নারীকে।

    কানু তাকে চিনতে পারল না। অনেক দিন দেখেনি তো। সেই রমণীর নাম রাধা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article তালাশ – শাহীন আখতার

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }