Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. গোধূলির সময়

    ৯

    গোধূলির সময় রাখালরা বাড়ি ফিরছে, কোথা থেকে কানু এসে হাজির। সারা দিন তার পাত্তা ছিল না। সে কখন আসে, কখন চলে যায়, তার ঠিক নেই। বলরামই আজকাল বেশির ভাগ যশোমতীর ধেনুগুলির দেখাশুনো করে। নির্বিরোধ বলরাম কানুর কোনও ব্যবহারেই আপত্তি করে না!

    রাখালরা সবাই অবাক।

    সুবল বলল, তোর কি দিনরাতের জ্ঞানগম্যিও চলে গেছে রে, কানু? দেখছিস না দিনমণি অস্তাচলে যাচ্ছেন? তুই বুঝি ভেবেছিস, এখন প্রভাত হল?

    কানু অদ্ভুত ধরনের হেসে বলল, তাই তো, এখন প্রভাত নয় বুঝি? তা হোক না সন্ধ্যা, এখন আবার গোষ্ঠে যেতে ক্ষতি কী?

    কী করবি গোষ্ঠে গিয়ে?

    কেন, খেলব?

    অংশুমান বলল, সারা দিন ওঁর জন্য হাপিত্যেশ করে বসে থাকি—তখন দেখা নেই, এখন উনি এলেন খেলতে। তোর যদি এত শখ থাকে, তা হলে একা খেল গে যা!

    সুদাম বলল, আজ বুঝি শ্রীরাধিকে আসেননি, তাই বাছার আমার খেলার কথা মনে পড়ল!

    কানু বলল, সে আজ আসেনি, কাল আসেনি, অনন্ত কাল আসেনি!

    তাই তো, বড় ভাবনার কথা! আমাদের বলিসনি কেন, বৃন্দের কাছে সন্দেশ পাঠাতুম!

    কানু হঠাৎ কারু নামের বিরাট চেহারার বৃষটির ল্যাজ মুচড়ে দিল। সেটা চমকে গিয়ে, খুরের ধাক্কায় মাটি ছিটকিয়ে লাফিয়ে উঠল। তার ভয়াল শিংসুদ্ধ মাথাটা ঘুরে গেল এদিকে-ওদিকে। তা দেখে অন্য গাভীরাও ভয় পেয়ে ছটফট করে উঠল।

    সব রাখালরা হা-হা করে উঠল। আরে কানু, করিস কী। করিস কী?

    কিন্তু কানু মজা পেয়ে গেছে। সে দৌড়ে দৌড়ে অন্য ধেনুদেরও ল্যাজ মুচড়ে দিয়ে চ্যাঁচাতে লাগল, ইঃ-রে-রে-রে-রে!

    ধেনুদেরও মধ্যে একটা হুলস্থূল পড়ে গেল। কোনওটা এদিক-ওদিক ছুটে যায়, কোনওটা একে-তাকে ঢুঁস মারতে আসে। কানু সেগুলিকে আরও খেপিয়ে দেয়, কোনওটার শিং ধরে দৌড় করায়, কোনওটার কর্ণ মর্দন করে।

    রাখালরা প্রথমে দিশেহারা, পরে একেবারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। কানু আগে কোনও দিন এমন কাণ্ড করেনি! ধেনুগুলিকে সে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসত। আজ এমন নির্দয় ভাবে ওদের কষ্ট দিচ্ছে কেন? অবলা প্রাণীগুলি পর্যন্ত যেন বিমূঢ় হয়ে গেছে। ছেলেটা কি সত্যি পাগল হয়ে গেল শেষ পর্যন্ত!

    রাখালরা সে-সব ধেনুগুলি সামলাল অতি কষ্টে। অভিমানরুষ্ট গলায় তারা বলল, দেখো ভাই কানু, শ্রীরাধিকা আসেনি, সে কি আমাদের দোষ? তবে আমাদের এই বিড়ম্বনা কেন?

    কানু বলল, সে আজ আসেনি, কাল আসেনি, অনন্তকাল আসেনি!

    সেজন্য আজ আমরা আর কী করব? কাল বরং সন্ধান নেওয়া যাবে!

    কানু বলল, আজ আমরা খেলা করি আয়!

    আমাদের এখন খেলায় মন নেই ভাই। সারা দিন রোদে কাটিয়েছি, এখন আমাদের ক্ষুধা-তৃষ্ণায় শরীর জ্বলছে!

    রাখালরা সত্যিই বাড়ির উদ্দেশে হাঁটা দিচ্ছে দেখে কানু বলল, আয়, তোদের মধ্যে কেউ আমার সঙ্গে মল্লযুদ্ধ করবি?

    কানুর সঙ্গে মল্লযুদ্ধে নামার ইচ্ছে কারওরই নেই। কেই-বা এই সন্ধ্যাবেলা হাত-পা ভাঙতে চায়! কানুর যেমন অদ্ভুত শখ।

    কেউ কোনও উত্তর না দিয়ে হাঁটতেই লাগল।

    কানু আহত ভাবে বলল, কী রে, তোরা খেলবিও না, লড়বিও না?

    রাখালরা তখন প্রায় পল্লির কাছাকাছি এসে পড়েছে। কানু তেড়ে ছুটে গেল তাদের দিকে। এক এক জনকে ঠেলে ফেলে দিতে লাগল মাটিতে, কারওর উড়নি, কারওর পাচনবাড়ি কেড়ে নিল। কানু আজ দারুণ অস্থির।

    মাটিতে কয়েক পাক গড়াগড়ি দিয়ে রাখাল ছেলেরা আবার উঠে দাঁড়াল। এখনও তারা ক্রুদ্ধ হয়নি, তবু দুঃখিত অভিযোগে বলতে লাগল, কানু, কেন আমাদের জ্বালাতন করছিস? আমরা তোর কাছে কী দোষ করেছি?

    কানু বলল, কেন তোরা খেলবি না? কেন তোরা লড়বি না?

    তবু কেউ লড়তে রাজি নয়। তবু কানু তাদের টানাটানি করতে ছাড়ল না। এক এক জনকে তুলে তুলে ধরাশায়ী করতে লাগল। শুধু বলরামকে ছাড়া। বলরাম এসব দেখেশুনেও একটিও কথা বলেনি। শুধু এক পাশে দাঁড়িয়ে মিটিমিটি হাসছে।

    কয়েক জন অকারণ মার খাওয়ার বদলে কানুর সঙ্গে লড়তে গেল। এবং অচিরেই কয়েক আছাড় খেয়ে উঃ আঃ করতে লাগল বসে বসে। কানু হা হা করে হাসতে হাসতে বলল, তোরা কেন আমার সঙ্গে ভালো করে লড়তে আসিসনি?

    কানুর ঘামে-ভেজা মুখখানা জ্বলজ্বল করছে। মুখে অন্য রকম একটা দ্যুতি। চোখ দুটো অন্য দিনের চেয়েও বেশি উজ্জ্বল। সে আজ দুর্দান্ত চঞ্চল।

    সমস্ত রাখালরা যখন কাবু হয়ে কোঁকাচ্ছে, তখন কানু কোমরে গোঁজা আড়বাঁশিটা বার করল। তার চাঞ্চল্য একটুও কমেনি। সে বাঁশিতে এক দারুণ ফুঁ দিল।

    এমন সুর কানু নিজেও আগে কখনও তোলেনি। এ যেন এক পাগলের বুকফাটা আর্তনাদ। তবু তার মধ্যে এক অদ্ভুত ছন্দ আছে। বিস্মিত বিহ্বল রাখালদের মাঝখানে নেচে নেচে কানু বাজাতে লাগল সেই প্রাণ-মাতোয়ারা বাঁশি।

    যে-হেতু লোকালয় খুব কাছেই, তাই সেই তীব্র বাঁশির নাদ শুনে একে একে খুলে যেতে লাগল বিভিন্ন গৃহের ঝরোকা। অনেকেই বেরিয়ে এল বাইরে। প্রথমে তারা দূর থেকে বাঁশি শুনল। তারপর আস্তে আস্তে কাছে এগিয়ে এল। আরও কাছে। বিস্ফারিত চোখে দেখতে লাগল কানুকে। একে যেন তারা কেউ চেনে না। এমন বাঁশির সুরও তারা কখনও শোনেনি। সে বাঁশি শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। শরীর দোলে সাপের ফণার মতন। এক সময় তারা সকলেই মন্ত্রমুগ্ধবৎ সেই বাঁশির সুরে গা-ভাসিয়ে নাচতে শুরু করল। তখন দেখা গেল, তারা সকলেই নারী।

    এক সময় কানু ঈষৎ অহংকারের সঙ্গে জনান্তিকে সুবলকে জিজ্ঞেস করল, আমার বাঁশি শুনে শুধু নারীরাই আসে কেন? পুরুষরা কোথায়?

    সুবল শ্লেষের সঙ্গে বলল, কেন ভাই, নারীদের প্রতিই তো তোমার আসক্তি, পুরুষের খোঁজে কী প্রয়োজন? তারা এলে তো তোমার ব্যাঘাতই হত!

    কানু বলল, সে-কথা নয়। তারা আসেনি কেন?

    রাজা কংসের হুকুমে সমস্ত পরিবার-প্রধানরা আজ মথুরায় গেছে। তুই তো আজকাল প্রজাতি বা প্রদেশের কোনও খোঁজই রাখিস না। তাই জানিস না, রাজা কংসের অত্যাচার আজকাল আবার কত বেড়েছে। কত রকম অনুজ্ঞা আর অনুশাসন।

    কানু বেশি খেয়াল করল না সুবলের কথা। এখন অনুযোগ শোনার দিকে তার মন নেই। সে হাঁটতে শুরু করল বনের দিকে। এক সময় বনের মধ্যে পৌঁছে ও দেখল, সমস্ত গোপিনীরা তাকে অনুসরণ করে এসেছে। ক্রমশ তাদের দল বাড়ছে। কানুর বাঁশির সুরে তাদের অঙ্গে দোলা লেগেছে। সুখে আবিষ্ট হয়ে নাচছে তারা বনের মধ্যে। সকলেই মধুর স্বরে বার বার বলছে, কানহাইয়া, আমার কাছে এসো। ওগো মুরলীমোহন, তুমি একবার সামনে এসে এই অধীনাকে ধন্য করো।

    কানু আবার ফিসফিসিয়ে সুবলকে জিজ্ঞেস করল, এত গোপিনীই যখন এসেছে, তখনও, তবুও, রাধা এল না কেন?

    সুবল বলল, কী জানি ভাই! সে তত্ত্ব তো তোমারই ভালো জানবার কথা!

    আমি জানি না, সে কেন এল না!

    হয়তো এত গোপিনী এসেছে বলেই সে আসেনি!

    কেন? এরা এসেছে বলে সে আসবে না কেন? এরা আর সে কি এক? সে-ই তো আমার একমাত্র পুরস্কার। সে কেন এল না? বল সুবল, তুই শিগগির উত্তর দে, রাধা কেন এল না?

    এ তো দেখছি মহা জ্বালাতন! এত সব কথা আমি জানব কী করে? আজ লক্ষ্মীপুজোর দিন, হয়তো ওদের বাড়িতে কোনও ব্রত-পার্বণ আছে—তা ছাড়া জানিস তো ওর ননদিনী কত কুটিলা!

    কানুর আর কিছুই ভালো লাগল না। সে আরও জোরের সঙ্গে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে সকলকে খেপিয়ে দিতে চাইল। নাচের নেশায় সকলেই যখন প্রায় উন্মাদ, সেই সময় কানু কাউকে কিছু না বলে চুপি চুপি পালিয়ে গেল বনের মধ্যে। ছুটতে ছুটতে, একলা, বনের মধ্যে আরও ক্রমশ একলা হতে হতে কানু এক সময় হারিয়ে গেল গভীর থেকে গভীরতর বনে।

    ক’দিন ধরে রাধার দেখা নেই, তার কোনও সংবাদ নেই, সংকেতকুঞ্জ শূন্যতায় হা হা করে। কানু বার বার স্নানের ঘাটে যায়, খেয়ার ঘাটে যায়, কদম্বতরুর তলায় গিয়ে বসে থাকে, তবু রাধাকে দেখে না। কানুর ইচ্ছে করে সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিতে। ক্রুদ্ধ সিংহের মতো সে বনের মধ্যে একা একা গজরায়।

    পরদিন দুপুরবেলা কানুকে আবার আবিষ্কার করল সুবল। নিঃসঙ্গ যমুনাতীরে। কদমগাছের নীচে। দীর্ঘশ্বাসবহুল মলিন মুখ নিয়ে বসে আছে। কালীয়দহের পাড়ে রাধাকে প্রথম দেখার পরের মতন ঠিক একই অবস্থা।

    সুবল প্রথমেই বলল, আমি পাকা খবর নিয়ে এসেছি। রাধা এখন আয়ানের বাড়িতে নেই।

    কানু চকিতে মুখ তুলে বলল, কোথায়?

    সুবল বলল, রাধা গেছে তার বাপেরবাড়ি। কেউ বলছে, আয়ানই সেখানে তাকে পাঠিয়েছে। আবার কেউ বলছে, রাজা বৃষভানু মেয়ের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে শুনে নিজেই তাকে লোক পাঠিয়ে নিয়ে গেছেন। আবার এমন কথাও শুনছি সখীদের মুখে যে, কানু একসঙ্গে অনেক গোপিনীর সঙ্গে লীলা করছে বলেই রাধা অভিমান করে গোকুল ছেড়ে চলে গেছে ব্রজপুরীতে।

    হতেই পারে না!

    কী হতে পারে না?

    রাধা আমার ওপর রাগ করে কখনও যাবে না। সে তো জানে, তাকে এক দিন না দেখলে আমার চোখে দুনিয়া ছারখার হয়ে যায়! সে কি আমাকে এতটা শাস্তি দিতে পারে? তাকে নিশ্চয়ই জোর করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    সে যাই হোক, রাধা যে বৃষভানুপুরীতে গেছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই!

    কানু বলল, আমি বৃষভানু রাজার আলয়ে যাব?

    সুবল তার হাত ধরে টেনে বলল, আরে পাগল, বোস বোস, এখুনি কোথায় যাবি তুই?

    কানু বলল, আমি বৃষভানু রাজার আলয়ে যাব।

    যাব বললেই কি যাওয়া যায়? সেখানে তোকে ঢুকতে দেবে কেন?

    ঢুকতে দেবে না?

    কেন দেবে? আমরা রাখাল ছেলে, ইচ্ছে করলেই কি হুটহাট করে রাজার বাড়িতে ঢুকে পড়তে পারি?

    আমি দ্বার ভেঙে ঢুকব!

    তা তুই পারিস! কিন্তু তা হলেও সান্ত্রী আর প্রহরীরা তোকে ঘিরে থাকবে। দ্বার ভেঙে ঢুকে কি আর রাজনন্দিনীর দেখা পাওয়া যায়?

    .

    কানু একটুক্ষণ চিন্তা করল। তারপর সুবলের যুক্তি মেনে, তাকেই অনুনয় করে বলল, ভাই সুবল, তুই তো অনেক রকম কলাকৌশল দেখাতে পারিস, আমাকে দু’-একটা শিখিয়ে দে না!

    সুবল বলল, তাতে অনেক সময় লাগবে। ওসব জাদুবিদ্যা কি আর এক-আধ দিনে শেখা যায়!

    তবে আমাকে কোনও একটা ভান শিখিয়ে দে। কিংবা আমাকে অন্য রকম কিছু সাজিয়ে দে!

    তুই কী সাজতে চাস?

    আমি নাপতেনি সেজে রাধার পায়ে আলতা পরাতে যেতে পারি, কিংবা চুড়িওয়ালি সেজে গিয়ে রাধার হাতে চুড়ি পরাব!

    তুই এর একটাও পারবি না। ধরা পড়ে যাবি।

    তা হলে একটা উপায় বলে দে।

    চল, আমি তোকে সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি!

    সুবল জাদুবিদ্যা আর নাট্যরঙ্গ বেশ ভালোই জানে। এর জন্য তার বেশ কিছু সাজসরঞ্জাম আর বাদ্যযন্ত্রও আছে। সঙ্গীও আছে তিন-চার জন। তারা সবাই মিলে সাজপোশাক বদলে নাটুয়া সাজল, মুখে লাগাল শন আর পাটের দাড়িগোঁফ। তারপর ডঙ্কা বাজাতে বাজাতে চলল বৃষভানু রাজার পুরীর উদ্দেশে।

    বৃন্দাবনের মাঠ পার হয়ে তারা যখন ব্রজের দিকে যাচ্ছে, তখন দেখল পথের ধারে এক জন সাধুর মতন লোক চিত হয়ে শুয়ে আছে আর চিৎকার করছে, জল, একটু জল, জ্বলে গেল, বুক জ্বলে গেল…

    সুবল তাই দেখে বলল, লোকটা এখনও মরেনি, আশ্চর্য তো!

    কানু বিস্মিত ভাবে বলল, লোকটা কে?

    কী জানি! ভিনদেশি সাধু। ক’দিন ধরেই শুয়ে শুয়ে ওই রকম চ্যাঁচাচ্ছে।

    তা কেউ ওকে জল দেয় না কেন?

    ও নেবে না, মহা পাজি, ও-সব ওর ভান। দেখবি?

    সুবল রাস্তা ছেড়ে নেমে গেল লোকটার দিকে। খানিকটা কাছাকাছি যেতেই বৃদ্ধ চোখ ঘুরিয়ে দেখল সুবলকে, তারপর ধমক দিয়ে বলল, এই, কাছে আসবি না। ছুঁবি না আমাকে, ছুঁবি না, তা হলে শাপ দেব—

    সুবল আবার দৌড়ে পিছিয়ে এসে বলল, দেখলি! ওর কাছে না গেলে ওকে কেউ জল দেবে কী করে? শাপ দেবার ভয় দেখায়? দূর দূর, এই অপয়াটাকে দেখলাম, এখন আমাদের কাজ হলে হয়!

    কেউ আর মাথা ঘামাল না বুড়োকে নিয়ে, রাজবাড়ির দিকে ছুটে চলল। তখন সবে সূর্যাস্ত হচ্ছে, সারা আকাশে ছড়িয়ে গেছে পাকা সোনার রং। সেই রং গায়ে মেখে চলে গেল এই আনন্দ-উচ্ছল তরুণেরা।

    রাজবাড়ির দ্বারে সান্ত্রী এসে বাধা দেবার আগেই সুবল গিয়ে বলল, আমরা ভিনদেশি নাটুয়া। আমরা রাজার মনোরঞ্জন করতে এসেছি। আমরা ক্ষুধার্ত, রাজা অনুগ্রহ করলে আমরা আজ রাজপুরীর প্রসাদ খাব।

    সান্ত্রী বলল, রও, তোমরা এখানে রও, আমি আগে রাজাকে জিজ্ঞেস করে আসি।

    ব্রজপুরে প্রৌঢ় রাজা-রানির নিস্তরঙ্গ জীবন। সন্ধ্যার সময় আমোদ-প্রমোদের উপকরণ সবই চিরাচরিত হয়ে গেছে। নতুন কৌতুকের সংবাদ পেয়ে রাজা খুশি মনেই সম্মতি দিলেন।

    সুবলের দল মহা উৎসাহে রাজসভা মণ্ডপের মধ্যে মঞ্চ নির্মাণ করতে লেগে গেল। মঞ্চের পেছনে একটা গুপ্ত ঘরও বানাল নিজেদের সাজ পরিবর্তনের জন্য। কানুকে বসিয়ে রাখল সেই ঘরে।

    সভামণ্ডপে জ্বালা হয়েছে অনেকগুলি ঝাড়বাতি। তাদের স্বর্ণময় দণ্ডে আলো পড়ে যেন চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। মাথার ওপরের চন্দ্রাতপে হিরে-মুক্তোর চুমকি বসানো। মঞ্চের ঠিক সামনেই রাজা বসেছেন পাত্রমিত্রদের সঙ্গে নিয়ে। তাঁর পেছনে রাজবাড়ির অন্য পুরুষরা। খবর পেয়ে বাইরে থেকে কিছু লোক এসে পেছনে ভিড় করেছে। দু’ পাশের অলিন্দে অতি সূক্ষ্ম বস্ত্রের যবনিকার আড়ালে বসেছে বাড়ির মেয়েরা। জননী কৃত্তিকার পাশে বসেছে রাধা আর তার সখীরা। তাদের রূপের ছটা ওই যবনিকা ভেদ করে আসে।

    যথা সময়ে সংকেত দিয়ে রঙ্গ শুরু হল। প্রথমে একেবারে শূন্য মঞ্চ, আড়ালে নানা রকম বাদ্য বাজছে। হঠাৎ হুড়মুড় করে বৃহৎ একটা বরাহ ঢুকে পড়ল মঞ্চে! এবং ক্রুদ্ধ গর্জন করতে লাগল। মঞ্চের ওপর একটি বন্য বরাহ দেখে প্রথমে চমকে উঠেছিল দর্শকরা। বুঝতে সময় লাগল যে, ওটা একজনের সাজ।

    বরাহের সামনে দুটি তীক্ষ্ণ দাঁত। সেই দাঁত দিয়ে সে মঞ্চের ভূমিতে আঘাত করল। তারপর ঘাড় শক্ত করে এমন চাপ দিল যে একটু বাদেই মনে হল, শুধু মঞ্চ নয়, গোটা সভাগৃহ এমনকী সম্পূর্ণ মেদিনীই দুলছে ওই বরাহের দাঁতের ধাক্কায়। তখন সবাই বুঝল, এটা বরাহ অবতারের অভিনয়। সবাই সাধুবাদ দিল।

    এরপর সুবল মঞ্চের পেছনের গুপ্ত ঘরে এসে অচিরেই বরাহের সাজ বদলে এক বামনে রূপান্তরিত হল। কী করে তার দীর্ঘ শরীরটাও খর্ব করে ফেলল, সেও এক বিস্ময়। এদিকে মধুমঙ্গল সেজেছে বলিরাজা। মঞ্চের ওপর বলিরাজা ও সেই বামনের যুদ্ধ শুরু হল। এক সময় সেই বামন অদ্ভুত কৃতিত্বের সঙ্গে বলিরাজার মাথার ওপর এক পা রেখে এমন চাপ দিল যে বলিরাজা সশরীরে ঢুকে গেল মঞ্চের নীচে! এই বামন অবতারের রূপ দেখেও সকলে সাধুবাদ দিল।

    পরের দৃশ্যে অংশুমান সাজল হিরণ্যকশিপু। সে বালক প্রহ্লাদবেশী শ্রীদামের ওপর নানা অত্যাচার করছে এমন সময় মঞ্চে সদর্পে প্রবেশ করল নৃসিংহ অবতার। কী সাংঘাতিক তার রূপ! নীচের অর্ধেকটা মানুষের মতন, উপরের অংশ যেন প্রকৃত সিংহ, কেশর-ভরতি বিরাট মাথা, ভাঁটার মতন জ্বলন্ত চোখ, হাত দু’টিও সিংহের থাবা। সে অবলীলাক্রমে হিরণ্যকশিপুকে কোলে তুলে নিয়ে তার বুক চিরে দিতে লাগল। এমনই অপরূপ ভেলকি যে সত্যিই মনে হল হিরণ্যকশিপুর বুক চিরে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছে। সেই সঙ্গে সিংহের হিংস্র গর্জন।

    সভামণ্ডপে প্রথমে কিছু অস্ফুট ধ্বনি শোনা গেল। তারপর রীতিমতন ভয়ার্ত চিৎকার। রাজা বৃষভানু উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, থাক থাক, আর নয়! নাটুয়ার দল, তোমরা চমকপ্রদ খেলা দেখিয়েছ। কিন্তু আর দরকার নেই, আমার লোকেরা ভয় পাচ্ছে।

    সুবল তখন সিংহের মুখোশ খুলে ফেলে দুই হাত জোড় করে বলল, মহারাজ, আমাদের আর একটা মাত্র খেলা বাকি আছে, সে-খেলাতে ভয়ের কিছু নেই। তাতে শুধু একটা গীত শুনবেন। সেটা দেখাতে পারি?

    রাজা বললেন, তাই হোক।

    মঞ্চে যবনিকা ফেলে সুবলরা আড়ালে চলে গেল। একটু পরে যখন যবনিকা উঠল, তখন দেখা গেল, মঞ্চের ওপর একটা কৃত্রিম কদম গাছ, তার নীচে রাখালরাজার বেশে দাঁড়িয়ে আছে কানু। তার মাথায় শিখিপুচ্ছের মুকুট, কপালে রক্ত চন্দনের ফোঁটা, গলায় গুঞ্জাফুলের মালা, পীত রঙের কটি-বসন আর উত্তরীয়। কী অপূর্ব মনোহর তার রূপ! অভিনয়ে অপারগ বলে কানুর লজ্জামাখা মুখখানি নীচের দিকে করা। সে আড়বাঁশিটা নিয়ে আস্তে আস্তে ফুঁ দিল। এবার রাখালরা তাকে ঘিরে একটা গান গাইবে!

    কিন্তু গান আর শুরু হল না। অলিন্দে রীতিমতন একটা আলোড়ন পড়ে গেছে। যবনিকার আড়ালে নারীরা শশব্যস্ত। জননী কৃত্তিকার কোলে মাথা ঢলে অজ্ঞান হয়ে পড়েছে রাধা। তাকে সবাই অন্দরমহলে সরিয়ে নিয়ে গেল তাড়াতাড়ি। খবর পেয়ে রাজাও উঠে গেলেন। চলে গেল অন্যরাও। অভিনয় থেমে রইল।

    সোনার করঙ্ক থেকে জল ছেটানো হতে লাগল রাধার চোখে-মুখে। তবু তার কোনও সাড়া নেই। তার দাঁতে দাঁত লেগে গেছে। চোখ দু’টি নিষ্পলক। অনেকগুলি ব্যাকুল মুখ ঝুঁকে আছে তার দিকে। নানা রকম সম্বোধনে জাগাবার চেষ্টা করা হচ্ছে তাকে। কিন্তু সে যেন আর এ-পৃথিবীতে নেই।

    ডাকা হল রাজবৈদ্যকে। তিনি পরীক্ষা করে বললেন, নাড়ির গতি ঠিক আছে, শ্বাস সুস্থির আছে, গায়ের বর্ণ অবিকৃত আছে, তবে এ কী রোগ?

    তাঁর বটিকা রাধার মুখের কশ দিয়ে গড়িয়ে পড়ল। মুখ খুলছে না। ওষুধই যদি পেটে না যায়, তা হলে চিকিৎসা হবে কী করে?

    তখন ডাকা হল দেয়াসিনীকে। সে এল তার জড়িবুটির পুঁটলি নিয়ে। সে-ও রাধাকে পরীক্ষা করে বলল, একে তো ভূত-প্রেতে পায়নি। আমার চিকিৎসায় এর কোনও ফল হবে না। যদি হত কোনও ভূত-প্রেত-দৈত্য-দানো, ঠিক আমার মন্তরের জোরে নাকে দড়ি দিয়ে টেনে বার করতুম—কিন্তু এ তো অন্য অসুখ, এ-অসুখ আমি চিনি না!

    এদিকে মঞ্চের ওপর তখনও দাঁড়িয়ে আছে সুবলরা। ফাঁকা মণ্ডপ। হঠাৎ কী যে হয়ে গেল, কিছুই বুঝতে পারছে না। কানু ভাবছে, এত পরিশ্রম করে কী লাভ হল? এত করেও তো তার দেখা পাওয়া গেল না।

    এক সময় বৃন্দাকে যেতে দেখে সুবল দৌড়ে তার কাছে এসে বলল, ভাই বৃন্দে, সবাই কোথায় গেল? আমাদের খেলা আর কেউ দেখবে না!

    বৃন্দা মুখঝামটা দিয়ে বলল, না। কেউ দেখবে না। এখন বাড়ি যাও। আমার সই অসুখে পড়েছে!

    সুবল ব্যগ্র ভাবে বৃন্দার হাত চেপে ধরে বলল, রাধার অসুখ? কী অসুখ, আমাদের একটু বলে যাও!

    হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বৃন্দা বলল, নিলাজ, আবার কথা বলতো আসো! কেন তোমরা এখানেও এসে কানুর ওই রূপ দেখালে আমাদের রাধাকে!

    সে তো কানুরই অসুখ সারাবার জন্য।

    বৃন্দা আর কোনও কথা না বলে চলে যাচ্ছিল, সুবল আবার তার পেছনে পেছনে গিয়ে বলল, তুমি অন্দরমহলে রাজাকে গিয়ে বলল, আমি শ্রীরাধার রোগ সারিয়ে দিতে পারি। আমি নিদান জানি!

    এক সময় অন্দর থেকে সুবলের ডাক পড়ল। সে গিয়ে দেখল মণিময় পালঙ্কে চিত হয়ে শুয়ে আছে রাধা। তার চোখ খোলা, কিন্তু পলক নেই। হেম বৰ্ণ ঈষৎ পাণ্ডু হয়ে গেছে। চুল ও বসন জলের ছিটেয় ভেজা।

    সুবল গিয়ে রাধার শিয়রের কাছে দাঁড়াল। তারপর ঘরের মধ্যে সমাগত কৌতূহলীদের উদ্দেশে হাত জোড় করে বলল, আপনারা একটু নিভৃতি দিন।

    ঘরটি জনমুক্ত হলে সে রাধার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল, এক দেশে জন্মেছিল চম্পক, আর এক দেশে নীলকমল। তবু স্রোতে ভাসতে ভাসতে একদিন ওদের দেখা হয়ে গেল। ওদের মিলনই ছিল নিয়তি।

    রাধা একটুও নড়ল না।

    সুবল আবার বলল, এক আঙুল মালা গাঁথে, আর এক আঙুল বাঁশি বাজায়। এখন মালাও গাঁথা হয় না, তাই তমালের নীচে কেউ আর বাঁশিও বাজায় না!

    এবার রাধার শ্বাস একটু দ্রুত হল, কিন্তু চোখের পলক পড়ল না।

    সুবল আবার বলল, কেউ কনকশয্যায় শুয়ে কাঁদে। কেউ ভূমিশয্যায়। কিন্তু চোখের জল এক।

    রাধা এবার চোখের পলক ফেলে সুবলের মুখে দৃষ্টি ন্যস্ত করল। তারপর আস্তে আস্তে বলল, সে আমাকে আর মনে রাখেনি।

    তবে, সে এখানে এসেছে কেন?

    শুধু আমায় দুঃখ দিতে।

    শ্ৰীমতী, তুমি নিজের দুঃখটা বড় করে দেখলে, তার দুঃখটা দেখলে না? জীবনটা বড় ছোট, আর যারা ভালোবাসে, তাদের সময় আরও দ্রুত চলে যায়।

    আমায় সে কালসীমার বাইরে ঠেলে দিয়েছিল। আমি জানি না, কেন আমাদের গৃহের দ্বার বন্ধ হয়ে গেল। সে কেন দ্বার ভেঙে আসেনি? আমি জানি না, কেন গোকুল থেকে আমাকে এখানে আনা হল। সে কেন আমার পথ রোধ করল না?

    তোমার একদিনের অদর্শনেই তার কাছে দুনিয়া অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, সে আর কিছুই দেখতে পায়নি। তোমরা দু’জনেই অভিমানী, ভালোবাসাই এমন অভিমানের জন্ম দেয়!

    সে কি আর কোনও দিনও আমার কাছে আসবে?

    সে তো তোমার কাছেই এসেছে।

    রাধা ধড়মড় করে উঠে বসে বলল, আমি যাব— ।

    কোথায় যাবে?

    তার কাছে।

    সুবল তাকে বাধা দিয়ে বলল, এখন না। এখানে তোমাদের দু’জনের দেখা হলে লোকনিন্দা হবে। তুমি তোমার গলার মালা থেকে একটি ফুল ছিঁড়ে দাও কানুর জন্য! আজ থেকে ঠিক দু’দিন বাদে পূর্ণিমা, সেই পূর্ণিমার রাতে তুমি যমুনার ধারে তমালের নীচে এসো। সে আসবে। তুমি সংকেতের জন্য একটা ছোট দীপ জ্বেলে রেখো—

    রাধা বলল, আমি আমার সমস্ত দীপ জ্বেলে রাখব। আর কেউ দেখবে না। শুধু সে দেখবে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article তালাশ – শাহীন আখতার

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }