Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. গঞ্জের হাট

    ৬

    পরদিন ভোরবেলা কানু কাউকে কিছু না বলে চলে গেল নদী পার হয়ে। হাটে গিয়ে দু’-একটা জিনিসপত্র কিনে সে একটু সাজগোজ করল। তারপর, বনের ধার ঘেঁষে, পথ যেখানে খুব নির্জন, সেখানে একটা পাথরের ওপর বসে রইল গ্যাঁট হয়ে।

    হাটের মানুষরা পথ দিয়ে যায়, আর কানুকে দেখে ফিরে ফিরে। কেউ তাকে চিনতে পারে না। তার মাথায় পাগড়ি, পায়ে কাঁচা চামড়ার নাগরা, কোমরে জরির কোমরবন্ধ। ঠোঁটের ওপর বেশ পুরুষ্টু একটা নকল গোঁপ লাগিয়েছে। হাতে একটা বিরাট ধারালো বর্শা। কানুর লোহার দরজার মতন বুক, শালপ্রাংশু বাহু, ওই রকম অপরূপ বেশে তাকে দেখে একটু ভয় করে!

    এই পথেরই এক প্রান্তে গঞ্জের হাট, বহুকালের পুরনো। আশেপাশের অনেক গ্রাম থেকেই মানুষজন আসে। সারাদিন ধরে কেনাবেচা হয়। গ্রামের লোকের যা দরকার, তা এখানেই মেলে। আরও খানিকটা দূরে মথুরা নগরী। সে খুব জমজমে জায়গা। সেখানকার পথঘাটও নাকি কঠিন বাঁধানো! বাড়ির গায়ে বাড়ি। কথায় কথায় সেপাই-সান্ত্রী এসে ধমকে দেয়। গাঁয়ের লোক চট করে সেখানে যেতে সাহস করে না।

    যথাসময়ে ব্রজের গোপিনীরা হাটে সওদা করার জন্য এল এ-পথ দিয়ে। তাদের দেখে কানু একটু নড়েচড়ে বসল। ওরা কাছাকাছি আসতেই সে উঠে পথের মাঝখানে এসে দাঁড়িয়ে হুংকার দিয়ে বলল, এ সুন্দরী! সুন সুন! মো নাম হৃষীকেশ। মো-কে পুছ্‌ না করে চলে যাইছিস যে?

    গোপিনীরা থমকে দাঁড়াল। একজন তার চিবুকে এক আঙুল ঠেকিয়ে, ভুরু তুলে বলল, ওমা! এ আবার কে? এই যমদূতটা আবার এখানে এল কোথা থেকে?

    কানু জলদগম্ভীর স্বরে বলল, মোকে চিন্‌হো না? আমি মহাদানী। মো তুম্‌হারা সকলের পসরা দেখুঁ।

    এক গোপিনী মুখঝামটা দিয়ে বলল, মরণ! তোমাকে কেন আমাদের পসরা দেখাতে যাব হে?

    কানু কোমরে গোঁজা একটা লাল মলাটের খেরো খাতা বার করে বলল, এই দেখো পাঞ্জি! মহাদানীকে শুল্ক দিতে হয় জানো না?

    এতদিন ধরে এই পথে যাচ্ছি-আসছি, কোনও দিন তো বাপু এমন কথা শুনিনি?

    আগে না শুনেছ তো এখন শোনো!

    গোপিনীরা এ-ওর মুখের দিকে তাকাল। হবেও-বা নতুন নিয়ম। তা ছাড়া এড়িয়ে যাওয়া যাবেই বা কী করে? পথ জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে রুদ্রমূর্তি ধরে।

    কানাই একে একে তাদের পসরা পরীক্ষা করতে লাগল। এবং উদার ভাবে এক এক জনকে ছেড়ে দিয়ে বলল যাও, তুম্‌হারা কিছু লাগবে না। যাও তোমাকে আজ ছেড়ে দিলুঁ!

    সব গোপিনীই মহাদানীর কাছ থেকে ছাড় পেয়ে গেল, পেল না শুধু রাধা।

    কানাই রাধার পথরোধ করে দাঁড়িয়ে কর্কশ গলায় বলল, এর কাছে তো অনেক জিনিস দেখছি। বহুত দামি দামি সওদা। আবার হাতে-পায়ে কত গহনা। চুপড়ি নামাও, তোমার সব দেখব।

    অন্য গোপিনীরা একটু দূরে ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে। কানু তাদের দিকে ফিরে এক ধমক দিয়ে বলল, যাও! তোমাদের যেতে বলেছি না?

    এস্ত পায়ে তারা চলে গেল। সভয়ে বার বার পিছন ফিরে দেখতে দেখতে।

    চুপড়ি বাসনপত্র নামিয়ে রাধা আড়ষ্ট ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।

    কানু তাকে ভারিক্কি গলায় জিজ্ঞেস করল, তুমি কে? তোমার ঘর কোথায়? কোন দেশে যাবে?

    রাধা ক্ষীণ ভাবে উত্তর দিল, আমার নাম রাধা, গোকুলে থাকি, গোয়ালা জাতি, গোপিনীদের সঙ্গে আমি মথুরা হাটে যাচ্ছি। তুমি এসব কথা আমাকে জিজ্ঞেস করছ কেন?

    আমি তোমার পসরা দেখব। তুমি কোন কোন বস্তু নিয়ে হাটে যাচ্ছ, আমাকে তার বিচার দাও!

    ঘি, দই, দুধ আর ঘোল—এই আমার পসরা। তুমি কোন কারণে এর বিচার চাইছ?

    এর চেয়ে বিস্তর বেশি মূল্যবান পসরা তোমার আছে।

    কী? আমি তো জানি না!

    তুমি তা জানবে না, অন্যরাই জানবে।

    তুমি কীসের কথা বলছ?

    তোমার রূপ।

    এ আবার কী রকম কথা?

    আমি তোমার রূপের জন্য ভিখারি হতে পারি।

    তুমি মশানের ধারে গিয়ে ভিক্ষে করো গে, এই বিকট মূর্তি ধরে এখানে বসে আছ কেন?

    রাগলে তোমার নীল কমলের মতো চক্ষু দু’টি কোকনদের (রক্তকমল) মতন দেখায়।

    পথ ছাড়ো! এসব অল্পমতি কথা আমাকে শোনাও, তোমার সাহস কী।

    তা হলে আমার শুল্ক দিয়ে যাও।

    কী তোমার শুল্ক?

    প্রতি ভাণ্ডে ষোলো পণ মহাদান দিয়ে তবে হাটে যাও!

    বিস্তর কালে বিস্তর কথা শুনেছি, কিন্তু এমন বিপরীত কথা কখনও শুনিনি! এত দিন পর মথুরার হাটে হঠাৎ ঘি-দুধের মহাদানী নিযুক্ত হল?

    নেকি রাধা, তুমি দেখছি বড় আবালী! এই পাঞ্জির প্রমাণ দেখছ না? আমি রাজার কাছ থেকে এই পথ জমা নিয়েছি!

    রাধা বিরক্তি ও ক্রোধ নিয়ে তাকিয়ে রইল কানুর দিকে। এত বড় এক সা-জওয়ানকে সরিয়ে সে যাবেই বা কী করে? হতাশ ভাবে বলল, এত পণ আমি দেব কোথা থেকে? আমার কাছে নেই।

    কানু সহাস্যে বলল, তোমার অনেক আছে। তোমার কাছে পণের টাকা যদি না থাকে, তুমি জিনিস দিয়ে তা শোধ করো!

    কোন জিনিস!

    বললাম তো আগে। রূপ!

    ক্রুদ্ধা ফণিনীর মতন রাধা মুখ উঁচু করে কানুর চোখে চোখ রাখল। তারপর বলল, তোমার সাহস তো কম নয়! আমাকে এখানে একা পেয়ে তুমি এমন কথা বলছ! প্রান্তরে সোনার ঘট দেখে চোরের মন সাত-পাঁচ করে। তুমি দেখছি সেই চোর!

    দু’ কোমরে হাত রেখে কানু হা-হা করে হাসতে লাগল শরীর দুলিয়ে দুলিয়ে। রাধার ক্রোধ সে বেশ উপভোগ করছে! কৌতুক-চঞ্চল চোখে বলল, আমাকে তুমি চোর বলছ? এর উত্তর আমি তোমাকে দিতে পারি, কিন্তু এখন দেব না!

    রাধা বলল, মর্কটের হাতে নারকোল পড়লে তার সেটা খাওয়ার জন্য খুব সাধ হয়। কিন্তু ভেঙে খাওয়ার সাধ্য তার নেই। তুমি সেই রকম একটি মর্কট। কিংবা তুমি একটি শিশু, তুমি আগুনকে ফুল ভেবে তাতে হাত দিতে চাইছ।

    অত কথার প্রয়োজন কী? তুমি আমার পণ দিয়ে নিজের মান রক্ষা করো!

    রাধা একটা ভাণ্ডের ঢাকনা খুলে বলল, ঠিক আছে, পণের বদলে আমি দ্রব্যই দেব! আমার দই-মাখনের অংশ দিচ্ছি, তাই নিয়ে তুমি দূর হও!

    রাধা তার দ্রব্যসম্ভার ভাগ করতে বসল। খানিকটা বাদেই সে আবার বলল, কিন্তু তোমাকে আমার পসরার ভাগ দিয়ে দিলে বাড়িতে গিয়ে আমি হিসেব দেব কী করে?

    কানু চট করে বলল, এমন দ্রব্যও তোমার কাছে আছে, যার কোনও হিসেব দিতে হয় না।

    কী?

    সত্যিই দেখছি তুমি নাবালিকা! কতবার করে বলতে হবে! সেই দ্রব্যের নাম রূপ।

    রাধা দর্পিতার মতন উঠে দাঁড়াল। আস্তে আস্তে বলল, সাপের মাথায় মণি জ্বলে, বলপ্রকাশ করে কে নিতে পারে?

    তারপর রাধা তার হাঁড়ি-কলসি সব উলটে দিল। দুধ-দই-ঘি-মাখন সব গড়িয়ে পড়ল পথের ধুলোর ওপর। সমস্ত পসরাই নষ্ট করে দিয়ে রাধা বলল, এবার? এবার তুমি কীসের জন্য পণ চাইবে?

    স্তম্ভিত কানুকে সেখানে দাঁড় করিয়ে রেখে রাধা চলে গেল দৃপ্ত পায়ে।

    অনেকক্ষণ ধরে তাকে দেখল কানু। আর অনুসরণ করল না। রাধা দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলে কানু মৃদু হেসে পাশের জঙ্গলে ঢুকল। আর এক এক করে খুলে ফেলল ছদ্মবেশ। সে-সব সেখানেই পড়ে রইল।

    এক কৌশলে হল না দেখে ক’দিন পরে কানু আরেক কৌশল ধরল।

    সেদিন ব্রজাঙ্গনারা হাট থেকে ফিরে এসেছে খেয়ার ঘাটে। হঠাৎ তারা অবাক হয়ে দেখে, তাদের চিরপরিচিত সেই বুড়ো মাঝি সেখানে নেই। তার নৌকোও নেই। তার বদলে একটা ছোট্ট ভাঙা নৌকো নিয়ে এক কচি চেহারার মাঝি দাঁড়িয়ে আছে।

    আকাশে দলা দলা মেঘ। ফিনফিনে হাওয়া দিচ্ছে। বেলা পড়ে এসেছে। এর মধ্যেই একটু ছায়া ছায়া ভাব। সকলেরই বাড়ি-ফেরার তাড়া।

    নবীন মাঝির চুল চুড়ো করে বাঁধা। কপালে ফেট্টি। তাম্বুল-রাঙা ঠোঁট, চাদর দিয়ে মুখের অনেকখানি ঢাকা। গোপিনীদের দেখে সে চেঁচিয়ে উঠল, গেল-গেল-গেল-গেল, কে পারে যাবে জলদি এসো, জলদি, জলদি—

    গোপিনীরা বলল, এমা! এ আবার কী মাঝির ছিরি! আমাদের সেই মাঝি গেল কোথায়?

    নবীন মাঝি বলল, বড় মাঝির উদুরি হয়েছে, সে আজ আর আসবে না। যেতে হয় তো জলদি করো! আমার এক কাহন করে পণ। তা আগে থেকে কয়ে দিলাম কিন্তু!

    অ্যাঁ! এই তো ভাঙা নৌকো, তার আবার এক কাহন!

    ভাঙা নাও দেখেছ, কন্নধারের গুণ তো দেখোনি!

    এক গোপিনী আর এক জনকে বলল, কী জানি বাপু, কেলটে ছোঁড়ার নৌকায় উঠতে আমার ভয় করছে। শেষে ডুবিয়ে মারবে কিনা কে জানে!

    অন্য গোপিনী রঙ্গ করে উত্তর দিল, এর জন্য কেউ আবার ইচ্ছে করেই ডুবে না মরে! নতুন কর্ণধারের মোহন রূপটি দেখেছিস? বুড়ো মাঝি ছিল বলেই আমাদের ওনারা এতকাল ভরসা করে ছেড়ে দিয়েছে!

    অন্য সখী বলল, আমি কিন্তু অত কালো রং দেখে মজি না, ছুঁলে যেন হাতে কাঁচা রং উঠে আসবে।

    আরেক জন বলল, ওরে, তোরা কি গল্প করেই বেলা পার করে দিবি? বাড়ি যেতে হবে না?

    কিন্তু এর নৌকোয় যে বাড়ি ফিরতে পারব, তার ভরসা কী?

    এ কি সেই বুড়ো মাঝির ছেলে? আগে তো একে দেখিনি?

    কী ঠোঁটকাটা বাবা! প্রথমেই বলে কিনা এক কাহন পণ! আগে ভালোয় ভালোয় পারে পৌঁছে দেবে, তবে তো পণ চাইবে!

    মাঝি চেঁচিয়ে বলল, যাবে কি যাবে না, সাফ কথা বলে দাও। আমার নাও এখুনি ছাড়বে!

    তখন গোপিনীরা দেখল আর উপায়ান্তর নেই, প্রাণ সংশয় করে এই টুটোফুটো নৌকোতেই যেতে হবে। কখন ঝড়বৃষ্টি নামবে তার ঠিক নেই। সবাই হুড়মুড় করে চলে এল জলের কাছে।

    মাঝি আঁতকে উঠে বলল, আরে, রও রও রও, করো কী, করো কী! সবাই মিলে উঠে কি আমার নাও ডোবাবে নাকি? আমার এ ভাঙা নাও-এ একবারে একজনের বেশি যায় না!

    এই বলে সে টপ করে রাধার হাত ধরে টেনে তুলে নিল নৌকোর ওপর। তারপর পায়ের ধাক্কায় নৌকো কূল-ছাড়া করল। মুখ থেকে তার সরে গেছে চাদরের ঢাকনা।

    তখন তীরের গোপিনীরা সবিস্ময়ে বলল, আরে, এ সেই কানু ছোঁড়া না? দেখেছ ছোঁড়ার কাণ্ড? গাল টিপলে দুধ বেরোয়, তার এত রস?

    কানু ততক্ষণে পাকা মাঝির ভঙ্গিতে মুখ দিয়ে হে-হে লহে লহে লহে লহে লহে শব্দ করে খুব জোরে জোরে বৈঠা চালাচ্ছে। রাধা অবাক হয়ে দেখছে তাকে। কানুর সুঠাম শরীর, বালকের মতন মুখ, দুষ্টুমি-ভরা চোখ।

    রাধা জিজ্ঞেস করল, তুমি তো কানাই! তুমি একী করছ?

    কানু বলল, তোমাকে একলা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছি!

    ছিঃ, ও-কথা বলে না। তুমি এ রকম পাগলামি করছ কেন?

    আমি তো পাগলই, কিন্তু তুমিই তার জন্য দায়ী।

    ওমা, সে কী কথা? আমি তোমার কী করেছি?

    তুমি আমায় সর্বস্বান্ত করেছ। এখন তুমিই আবার আমায় ধনী করতে পারো।

    আমি সখীদের সঙ্গে হাটের পথে যাই-আসি। কোনও দিন তো অন্য কারওর পানে তাকাইনি। তুমি কেন আমায় দোষারোপ করছ? আমি তোমায় সর্বস্বান্ত করব কেন, পাগলই বা করব কী করে?

    হ্যাঁ, তুমিই আমাকে পাগল করেছ। কালীয়দহের পাড়ে, সেদিন তুমি কেন অমন করে চোখ দিয়ে হেসে ছিলে? কেন তোমার এমন ভুবন আলো-করা রূপ? তোমার যাওয়া-আসার পথের ধারে আমি কত দিন দাঁড়িয়ে থেকেছি, তুমি ভ্রূক্ষেপও করোনি! যেন আমাকে দেখতেই পাও না। আসলে কিন্তু দেখতে পেতে। একদিন তুমি যমুনার ঘাটে যাচ্ছিলে, আমাকে দেখে কেশবন্ধনের ছলে কেন বাহু তুললে? সে-তো আমাকে পাগল করার জন্যই। মুখ মোছার জন্য তুমি যে-ই তোমার বুকের রেশমি আঁচল ঘোচালে, অমনি আমি তোমার কুচভার দেখলাম। তা দেখে আমি প্রায় মূৰ্ছিত হয়ে পড়ছিলাম। নদীতে জল তোলার সময়, তুমি যেন জলের সঙ্গেই চুপি চুপি মধুরসবাক্য বলছিলে—এসব কি আমাকে পাগল করার জন্য নয়?

    রাধা এস্তে বলে উঠল, না, না, তুমি ভুল বুঝেছ। তুমি প্রায়ই আমাদের পেছনে পেছনে আসতে, সেদিন তোমাকে অত কাছাকাছি দেখে আমি ভয় পেয়ে দ্রুত যেতে গেলাম, সেইজন্য আমার কেশ এলিয়ে গেল। তাই দু’হাত তুলে আমি কেশ সংযত করেছিলাম। বাতাসে আমার বুকের আঁচল খসে গিয়েছিল, দৈবাৎ সেই সময়েই তুমি তাকিয়েছ। আমাকে দেখে যদি তোমার মন বিচলিত হয়, তবে তো আমার বেঁচে থাকাই উচিত নয়। আমি কি তবে আজ থেকে স্বেচ্ছাবন্দি হয়ে থাকব?

    কিন্তু সেই সময় তুমি তোমার চোখ দু’টিও তরল করেছিলে।

    চোখ তরল করেছিলাম? সে তো ভয় ও লজ্জায়।

    না।

    .

    নিশ্চয়ই! কানু, তুমি এসব কী বলছ? আমি যমুনার জলের সঙ্গে তো মধুরসপূর্ণ কথা বলতেই পারি, কিন্তু তোমার সঙ্গে তা বলব কেন? তোমার জন্য এখনও আমি ভয় পাচ্ছি। যাকে আপদে পায়, সে নিজেকে চিনতে পারে না। তুমি মতিচ্ছন্ন-হেতু পাগল হয়েছ!

    তা যদি সত্যও হয়, তবু এখন আমাকে আবার সুস্থ করে তোলার উপায়ও তোমার হাতে।

    কী সে উপায়?

    তোমার আলিঙ্গন।

    লজ্জায় রাধার কর্ণমূল ও গালে রক্তিম আভা ছড়িয়ে পড়ল। মুখখানি যেন কুঙ্কুম-মাখানো স্থলকমল। সে কানুর দিকে আর ভালো করে তাকাতে পারল না। মুখখানি পাশের দিকে ফিরিয়ে জল দর্শন করতে করতে বলল, আমাকে ওসব কথা বোলো না, বলতে নেই।

    কানু বলল, তুমি স্নানের ঘাট থেকে ফিরছিলে, আমি দেখেছিলাম। সে যেন আমার দিব্যদর্শন। তোমার ভিজে চুল দিয়ে জল ঝরছে, যেন মুখশশীর ভয়ে আঁধার কাঁদছে। মুখের ওপর এসে পড়েছে চূর্ণ অলক, যেন মধুলুব্ধ ভ্রমর। কুচ যুগল যেন দু’টি সুন্দর চক্রবাক—কোন দেবতা তাদের এনে মিলিয়েছে—আর পাছে উড়ে না যায় তাই ভুজপাশে বেঁধে রেখেছে। হাত দুটো যখন একটু সরালে, তখন আবার অন্য রকম মনে হল—যেন দুটো সোনার বাটি উলটো করে বসানো। কিংবা ঠিক হল না। তোমার পয়োধরের ওপর সিক্ত বসন—ঠিক যেন মনে হয় সোনার বেলফলের ওপর হিম পড়েছে। সত্যি এ রকম মনে হয়েছিল। তোমার মনে হচ্ছে না, এসব পাগলের প্রলাপ?

    রাধা এবার সর্বাঙ্গ বসনে ভালো করে ঢেকে, বাহুতে মুখ লুকিয়ে বলল, কানু, এসব কথা তুমি কোথা থেকে শিখলে? আমাকে এসব বোলো না। আমি তোমার থেকে বয়সে বড়। তা ছাড়া সম্পর্কে তোমার আত্মীয়!

    কানু ঝাঁঝের সঙ্গে বলল, ইস ভারী তো আত্মীয়! সাতজন্মে দেখা নেই, তার আবার আত্মীয়তা! তুমি আমাদের বাড়িতে কখনও এসেছ?

    কারওর বাড়িতে যাওয়া আমার নিষেধ।

    তবে? আর বয়সের কথা বলছ? সুন্দরের কোনও বয়স আছে নাকি?

    আত্মীয়তা যদি না-ও মানো, তবু এ-কথা তো মানবে যে আমি পরের ঘরণী?

    হঠাৎ এই কথা বলে রাধা কেঁদে ফেলল। কানু সে-কান্নার মানে বুঝতে পারল না। সে রাধার কম্পিত শরীরের দিকে চেয়ে রইল।

    রাধা আবার বলল, কানু আমার এমনিতেই অনেক কষ্ট। তুমি আর আমাকে কষ্ট দিয়ো না।

    কানু বলল, আমার কষ্ট তোমার চেয়ে মোটেও কম নয়। তুমি তা বোঝে না, কারণ তুমি আমার দিকে চেয়ে দেখো না! সে যাই হোক, তুমি যেখানে ঘরণী আছ, তা থাকো— কিন্তু এখানে তো এটা কারওর ঘর নয়। এখানে মাথার ওপরে আকাশ, চারদিকে কোনও দেওয়াল নেই—এখানে আমার মনে হয়, আমিই সবকিছুর অধিপতি। এখানে তুমি আমার!

    রাধা বলল, তুমি চোরের মতন আমাকে চুরি করে নিতে চাও! তোমার ছেলেবেলার অনেক দুরন্তপনার কথা শুনেছি—কিন্তু তুমি যে এ রকম চোর হয়ে উঠেছ, তা জানতাম না।

    কানু মিটিমিটি হেসে বলল, তুমি এর আগেও একদিন আমাকে চোর বলেছিলে—

    কবে আবার বললাম?

    বলেছিলে, তোমার মনে নেই। সেদিন তোমায় উত্তর দিইনি। আজ দিই? আসলে তুমিই চোর।

    আমি?

    নিশ্চয়ই। তুমি, শ্রীমতী রাধা, একটি মস্ত বড় চোর।

    আমি কবে কী চুরি করেছি?

    শুনবে? তুমি রাজকন্যা কিনা, তাই তোমার পক্ষে চুরি করা অনেক সহজ। দেখো, তুমি স্বর্ণের বর্ণ চুরি করে নিজের অঙ্গে লুকিয়ে রেখেছ। চন্দ্রের কিরণ চুরি করে রেখেছ নিজের চন্দ্রাননে। মদনের ধনুকটা চুরি করে রেখে দিয়েছ ভুরুর মাঝখানে। বনের হরিণীর কাছ থেকে তুমি হরণ করেছ তার চোখ দু’টি। পক্ক বিম্বের শোভা চুরি করে তুমি রেখেছ তোমার ওষ্ঠে। কোকিলের স্বর চুরি করে রেখেছ নিজের কণ্ঠে। সাদা বেগুনের মসৃণতা চুরি করে তুমি রেখেছ তোমার চিবুকে। কোন মরালীকে নিঃশেষ করে তৈরি হয়েছে তোমার গ্রীবা। সুমেরু পর্বতকে বঞ্চিত করে শোভিত হয়েছে তোমার কুচযুগ। সিংহের কাছ থেকে চুরি করেছ তার কোমরের খাঁজ। গজের কাছ থেকে চুরি করেছ তার গতি। কদলীকাণ্ডের গড়ন চুরি করে রেখেছ নিজের উরুতে। তম্বুরা বাদ্য হরণ করে রেখেছ তোমার নিতম্বে। পদ্মফুলের কোমলতা রেখেছ তোমার পায়ে। একসঙ্গে এতগুলো চুরি আর কে করতে পারে? এর চেয়েও বড় কথা, তুমি চুরি করেছ আমার চিত্ত। তুমি আবার আমাকে চোর বলো?

    আকাশে মেঘ জমাট হয়ে এসেছে। আর রাধার খুব কাছে নৌকোর ওপর বসে আছে এক মেঘবর্ণ যুবা। রাধার বুকের মধ্যে গুড়গুড় করে উঠল। এখনই বুঝি ঝড় উঠবে, শুরু হবে প্রলয়।

    নৌকো রয়েছে মাঝনদীতে। কানুর আর নৌকো বাওয়ার দিকে মন নেই।

    রাধা কানুকে কী উত্তর দেবে কিছুতেই ভেবে পেল না। বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর সে হঠাৎ বলে ফেলল, আমার ভয় করছে।

    কানু জল থেকে বৈঠা তুলে ফেলল। বাতাসের বেগ বেড়েছে, স্রোতের ধাক্কায় দুলতে লাগল নৌকো।

    কানু হাসতে হাসতে বলল, আমি তো রয়েছি, ভয় কী! তুমি শুধু আমায় একটি বার আলিঙ্গন দাও!

    যেন নিজেকেই বেশি করে শোনানো দরকার, সেইজন্য রাধা জোরে জোরে তিন বার উচ্চারণ করল, না, না, না!

    দু’টি আঙুল তুলে, সামান্যতর ভঙ্গি করে কানু বলল, তুমি যদি আমাকে একটুখানি, এই এতটুকুও দয়া করো—

    না, না, না।

    দেখো, এই যে আকাশ, বাতাস, দশ দিক—এখন আমার মনে হয় আমিই এই সবকিছুর অধীশ্বর। আমার মনে এই জোর আছে যে আমি ইচ্ছে করলেই সব কিছু পেতে পারি। সেই আমি, তোমার কাছে দয়া চাইছি। তুমি আমার হও।

    তা হয় না, কানু, তোমার সঙ্গে আমি কথায় পারব না— কিন্তু তুমি আমাকে আর কষ্ট দিয়ো না!

    কানুর তন্ময় ভাবটা কেটে গেল, আবার জেগে উঠল তার মধ্যে দুর্দান্তপনা। সে ইচ্ছে করে পা দিয়ে নৌকোটা দুলিয়ে দিল। তারপর কড়া গলায় বলল, শোনো রাধা, ভালোমানুষের ঝি, তোমাকে একটা কথা বলি! দেখো, শনশন করে বায়ু বইছে, আমার ফুটো নৌকো দিয়ে কলকল করে জল উঠছে, এখন যদি আমার কথা না শোনো, তা হলে নৌকো ডুবে গেলে আমি দায়ী হব না!

    রাধা ব্যাকুল ভাবে বলল, না, না, এই গহীন নদীতে ডুবে গেলে আমি আর কূল পাব না।

    ডুবতে তোমাকে হবেই মনে হচ্ছে।

    কানু, তুমি আমাকে বাঁচাবে না?

    তোমাকে বাঁচাবার জন্যই তো আমি এসেছি। কিন্তু সেজন্য আমাকে অবলম্বন করে থাকতে হবে তোমায়। আমাকে শক্ত করে ধরে না-থাকলে স্রোতে তোমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে যে।

    কানু, তুমি আমাকে ভয় দেখাচ্ছ! তুমিই তো আমাকে জোর করে তুলে এনেছ নৌকোয়!

    আমি না-আনলে তুমি নদী পার হতে কী করে?

    কিন্তু এখন মাঝনদীতে তুমিই আমাকে ডুবিয়ে দিতে চাইছ।

    ডুবতে গেলে মাঝনদীতেই ডোবা ভালো।

    না, কানু, আমি ডুবতে চাই না। কেন ডুবব?

    ভয় নেই, ডুবলে আমরা দু’জনেই ডুবব, বাঁচলে আমরা দু’জনেই বাঁচব। তুমি আমায় ধরে থাকো।

    দেখো, নদীতে কত খরস্রোত। নৌকোটা জোরে জোরে দুলছে। তোমার এই ভাঙা নৌকোয় এক্ষুনি বুঝি জল উঠবে।

    নৌকো ভাঙা হোক না, আমি মাঝিগিরি জানি ভালো। তুমি ভয় পেয়ো না। আমিই তোমাকে তোমার সঠিক ধামে নিয়ে যেতে পারি।

    সে যে অনেক দূর। এ-নৌকো কি তত দূর পৌঁছোবে?

    তোমার সঙ্গে এত চুপড়ি-প্যাঁটরা, তাই তো নৌকো বেশি ভারী হয়ে গেছে!

    কানু আবার ইচ্ছে করে জোরে নৌকোটা দুলিয়ে দিল।

    রাধা সঙ্গে সঙ্গে বলল, ফেলে দিচ্ছি, আমার বাসনপত্র ফেলে দিচ্ছি জলে।

    রাধা নিজে একটা দধিভাণ্ড জলে ফেলে দিতেই কানু উৎফুল্ল ভাবে অন্য হাঁড়ি-কলসিগুলোও জলে ছুড়ে ফেলতে লাগল।

    কিন্তু দুষ্টু কানু তাতেও যেন ঠিক সন্তুষ্ট নয়। সে কপট দুশ্চিন্তার সঙ্গে বলল, উঁহু! এখনও যেন নাওটা ভারী ঠেকছে!

    রাধা বলল, আমার যা-কিছু ছিল সবই তো ফেলে দিয়েছি!

    কানু বলল, না তো! সব তো দাওনি। ওই যে তোমার গলায় রয়েছে মুক্তামালা। বাজুতে সোনার তাগা। কোমরের গোঠ, পায়ের মল। ওগুলোও কি কম ভারী নাকি? দেখো, আমি রাখাল, আমার কিছুই নেই। তোমার এত কিছু আছে বলেই তো এত জ্বালা!

    রাধা গা থেকে একটি একটি করে অলংকার খুলতে খুলতে পরম মায়াভরে বলল, এগুলো সবই ফেলে দিতে হবে?

    তা তো হবেই!

    সব অলংকার টুপটাপ করে খসে পড়ল যমুনার জলে। তবু নৌকো টলমল করে!

    কানু বলল, এখনও একটু ভারী ভারী লাগছে!

    রাধা জিজ্ঞেস করল, এবার তো আমার যথাসর্বস্ব জলাঞ্জলি দিয়েছি! তবু কেন ভয় দেখাও?

    না, সব তো দাওনি!

    দিইনি? আর কী বাকি আছে?

    লাজলজ্জা!

    পরক্ষণেই নৌকো এমন ভয়ংকর ভাবে দুলে উঠল যে রাধা আর পারল না। মহা ত্রাসে সে উঠে এসে দু’ হাতে কানুকে জড়িয়ে ধরল।

    কানুর চোখে, ওষ্ঠে, চিবুকে, বুকে, সারা শরীরে, এমনকী মাথার চুলে পর্যন্ত খুশি উছলে উঠল। সে বলল, আমাকে এমন ভাবে যদি ধরে থাকো, তা হলে আমি তোমাকে যে-কোনও নদী পার করে দিতে পারি।

    কানুর কাঁধে গণ্ড স্থাপন করে রাধা আবেশভরে বলল, আমি প্রাণ-ভয়ে যদি তোমাকে আলিঙ্গন করি, তাতে কি কোনও পাপ হয়?

    কানু বলল, কী জানি, পাপ-পুণ্যের কথা অন্য লোকে ভাবে। ওসব আমি জানি না। ওসব আমার মাথাতেই আসে না!

    তারপর সহর্ষে, রাধাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে, কানু পায়ের ধাক্কায় নৌকোটা উলটে দিয়ে জলে লাফিয়ে পড়ল।

    মরকতমণি দিয়ে গড়া তরণীর মতন কানু ভাসতে লাগল জলে। তার বুকের ওপর রাধা যেন এক অজানা দেশের শ্বেতহংসী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article তালাশ – শাহীন আখতার

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }