Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    সৌভিক চক্রবর্তী এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    শ্মশানকোকিলের ডাক

    মার্কশিটটা হাতে নিয়ে থ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল পলাশ৷ আজ উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরিয়েছে এবং সে তিনটে সাবজেক্টে ফেল করেছে৷ যদিও পলাশ ফেল করার মতোই পরীক্ষা দিয়েছিল৷ তবু পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকে রেজাল্ট বেরনোর মাঝের এই দীর্ঘ সময় সে মনে মনে একটা কিছু মিরাকলের প্রার্থনা করছিল৷ পৃথিবীতে কত কিছুই তো ঘটে যার ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না৷ পলাশ খুব আশা করেছিল যে কোনও এক অলৌকিক উপায়ে সেও হয়তো পাশ করে যাবে৷ কিন্তু আর সবাই পাশ করলেও সে ফেল করেছে৷ তাও যেমন তেমন ফেল নয়, ভয়াবহ ফেল৷ বিমান সব ক’টা পরীক্ষায় পলাশের হাতে দেখে লিখেছিল৷ পলাশ বলেছিল, আমার দেখে লিখিস না, ফেল করবি৷

    বিমান শোনেনি৷ সেই বিমান পর্যন্ত দিব্যি থার্ড ডিভিশনে পাশ করে গেছে৷ বিমানদের পরিবারে এই প্রথম কেউ উচ্চমাধ্যমিক পাশ করল৷ বিমানের জ্যাঠা তাই বিশাল এক কমলাভোগের হাঁড়ি নিয়ে স্কুলে ঢুকে পড়েছে৷ তার চারপাশে মাছির মতো ভিড় করেছে ছেলেরা৷ বিমানের জ্যাঠা চেঁচাচ্ছে, খাও বাবাসকল, খাও৷ পেট ভরে খাও৷ আরও দু’হাঁড়ি মিষ্টি আসছে৷ এই হাঁড়ি শেষ করতে না করতেই চলে আসবে৷

    হাঁড়ি শেষ৷ সারা হাতে মুখে রস মেখে ছেলেরা পরের হাঁড়িগুলোর জন্য অপেক্ষা করছে৷ কে একজন চুপি চুপি তার রসের হাত পলাশের জামায় মুছে দিয়ে চলে গেল৷ পলাশ বুঝতেও পারল না৷ সে মার্কশিটটা হাতে নিয়ে ভবিষ্যতের ভয়াবহ দিনগুলোকে আঁচ করার চেষ্টা করছিল৷ আসলে কপালটাই খারাপ পলাশের, নইলে তার ভালমানুষ মা কি অমন ভাবে আগুনে পুড়ে মরত? মা চলে যাওয়ার পর থেকেই পলাশের শনির দশা শুরু হয়েছে৷ হঠাৎই মায়ের কথা মনে পড়ায় চোখে জল এল পলাশের৷ সবাই ভাবল, সে ফেল করেছে তাই কাঁদছে৷

    পাড়ার সবাই পলাশের মাকে দুগগাঠাকুর বলত৷ সত্যিই বড় সুন্দর দেখতে ছিল মাকে৷ একমাথা কোঁকড়ানো চুল৷ তুলি দিয়ে আঁকা টানা টানা চোখ৷ আর মায়ের সেই অদ্ভুত সুন্দর হাসি৷ মা কখনওই বকত না পলাশকে৷ তবে বাবা খুব মারত৷ বাবা অবশ্য মাকেও মারত প্রায়ই৷ খুব সুন্দর ছবি আঁকত মা, আর গান গেয়ে ঘুম পাড়াত পলাশকে৷ মায়ের কাছেই তো পলাশ ছবি আঁকতে শিখেছিল৷ বড় ভাল ছিল মা৷ পলাশ বইতে পড়েছিল, ভাল মানুষেরা বেশিদিন পৃথিবীর এই ধুলো, ধোঁয়ার মধ্যে থাকতে পারে না৷ ঠিক তাই হল৷

    পলাশের তখন ক্লাস নাইন৷ একদিন স্কুল থেকে ফিরে দেখল, বাড়ির সামনে খুব ভিড়৷ তাকে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হল না৷ পাশের বাড়ির ময়নাপিসি তাকে নিয়ে গেল৷ সে শুনল, তার মা ইটভাটার চুল্লির মধ্যে পড়ে মারা গেছে৷ মাকে শেষবারের মতো দেখার জন্য আছাড়িপিছাড়ি হয়ে কেঁদেছিল পলাশ৷ কিন্তু দেখতে পায়নি৷ সে স্কুল থেকে ফেরার আগেই মায়ের ঝলসানো দলা পাকানো দেহটাকে সৎকার করে ফেলেছিল বাবা৷ বাবা না কি বলেছিল, ওর দেখার দরকার নেই৷ একে বাচ্চা মানুষ, তার ওপর মায়ের ন্যাওটা ছিল৷ মনে আঘাত পাবে৷

    আজও হিসেবটা ঠিকমতো মেলাতে পারে না পলাশ৷ বাবা ইটভাটার ম্যানেজার ছিল৷ তাদের বাড়ি থেকে ইটভাটা অনেকটা দূর৷ বাবা রোজ দুপুরে খেতে আসত৷ যেদিন আসত না, সেদিন খাবার নিয়ে যাওয়ার জন্য লোক পাঠাত৷ সেদিন বাবা খেতে আসেনি৷ খাবার নিতে কোনও লোকও পাঠায়নি৷ মা তাই নিজেই বাবার খাবার নিয়ে ইটভাটায় গেছিল৷ বাবা কেন খেতে আসেনি সেদিন? অন্য কারুর হাত দিয়ে খাবার না পাঠিয়ে কেন নিজেই গেল মা? আর যদি বা গেল চুল্লিতে পড়লই বা কীভাবে? এসব নানা উত্তরহীন প্রশ্ন আজও তার মাথায় ঘুরপাক খায়৷ তবে এই হিসেব মিলুক আর না মিলুক, পলাশের জীবনের অন্যসব হিসেব খিচুড়ি পাকিয়ে গেল মা মারা যাওয়ার পরেই৷ ময়নাপিসির মা বলেছিল, মা মরলে বাপ আর তালুইমশাইতে কোনও তফাত থাকে না৷ কথাটা তখন বুঝতে পারেনি পলাশ৷ বুঝল মাস দু’য়েক পর যখন বাবা আর একটা বিয়ে করল৷ বিয়ের পর পরই বাবা তাকে জোর করে নতুন মায়ের বাপের বাড়িতে রেখে এল৷ সেটা অবশ্য খুব দূরে নয়, পাশের গ্রামেই৷ কিন্তু ওই বাড়ির লোকগুলো যেন কেমন৷ ওদের বাড়ির লাগোয়াই লেদ কারখানা ছিল৷ সারাদিন সেখান থেকে লোহা কাটার বিশ্রী শব্দ আসত৷ ওরা পলাশকে দিয়ে লোহা বওয়াত আর ছুতোনাতায় খুব মারত৷ খেতেও দিত না ঠিক মতো৷ স্কুলে যাওয়াও লাঠে উঠেছিল প্রায়৷ সব মিলিয়ে পলাশের তখন পাগল পাগল দশা৷ দিনরাত মায়ের কথা ভেবে লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদত৷ শেষে আর থাকতে না পেরে পালিয়ে চলে এসেছিল পলাশ৷ বাবা তাকে লাথি মেরে বের করে দিয়েছিল৷ চোখ লাল করে বলেছিল, নেমকহারাম কোথাকার৷ যারা খাওয়াচ্ছে, পরাচ্ছে, ইস্কুলে পাঠাচ্ছে তাদের নামেই কুচ্ছো গাইছিস? মায়ের রক্ত যাবে কোথায়? চুপচাপ চলে যা৷ যদি কোনও বেচাল দেখি গলা কেটে রেখে আসব৷

    পলাশের খুব ইচ্ছে হয়েছিল পালিয়ে যায়, কিন্তু যেতে পারেনি৷ সাহস পায়নি মোটে৷ অবশ্যও আরও একটা কারণ ছিল৷ অন্তরাকে ছেড়ে কোথাও চলে যাওয়ার কথা ভাবতে খুব কষ্ট হয়েছিল তার৷

    বছর খানেক পরে বাবা নিজেই একদিন পলাশকে বাড়ি ফিরিয়ে এনেছিল৷ আনন্দে, কৃতজ্ঞতায় চোখে এসে গেছিল পলাশের৷ বাবার ওপর সব রাগ, অভিমান হাপিস হয়ে গেছিল৷ পলাশের সমস্যা হল, সে কারও ওপরেই খুব বেশিক্ষণ রাগ করে থাকতে পারে না৷ কেউ একটু ভাল করে কথা বললেই সে গলে যায়৷ কেউ তাকে ভালবাসলে তার চোখে জল চলে আসে৷ অন্তরা তো বলে, পলাশদা তুই বড় ছিঁচকাঁদুনে৷ যা তো৷ পুরুষ মানুষ কোথায় একটু শক্তপোক্ত হবি তা না৷ পাগল কোথাকার৷

    পলাশ উত্তর দেয় না৷ হাসে৷ মা চলে যাওয়ার পর এই একটাই তো ভরসার জায়গা পড়ে আছে৷ পলাশদের কয়েকটা বাড়ি পরেই অন্তরাদের বাড়ি৷ পলাশের মা বেঁচে থাকতে খুব আসত অন্তরা৷ সন্ধেবেলা মা, পলাশ আর অন্তরা উঠোনে মাদুর পেতে বসত৷ মাঝখানে রাখা থাকত একটা হ্যারিকেন৷ একটা দু’টো করে তারা ফুটত আকাশে৷ ঠান্ডা হাওয়ায় ভেসে আসত মাধবীলতার গন্ধ৷ গানের লড়াই খেলা হত৷ মা গাইত, ‘যাক, যা গেছে তা যাক…’

    তার পর অন্তরাকে বলত, ‘ক’ দিয়ে গান ধর, এবার তোর পালা৷

    অন্তরা গাইত, ‘ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু…’

    গানের লড়াইতে যে পুরো গানটা গাইতে নেই, এটা ভুলে যেত অন্তরা৷ বিভোর হয়ে গাইত৷ মা আর পলাশও তার ভুল ধরিয়ে দিত না৷ পলাশের মনে হত সারারাত ধরে গাইতে থাকুক অন্তরা৷

    নতুন মায়ের বাপের বাড়ি থেকে পালিয়ে মাঝে মাঝেই অন্তরার সঙ্গে দেখা করতে আসত পলাশ৷ জামা তুলে পলাশের পিঠ দেখে শিউরে উঠত অন্তরা, এভাবে মেরেছে? ওরা কি জানোয়ার? তুই আটকাসনি?

    পলাশ বলত, ও বাবা! আটকাব কী করে? ওদের সঙ্গে গায়ের জোরে পারব না কি?

    রেগে যেত অন্তরা৷ চিৎকার করত, তা বলে পড়ে পড়ে মার খাবি?

    তো কী করব?

    তুই উল্টে মারতে পারিস না?

    ছি ছি! গুরুজন যে৷

    গুরুজন বলে মাথা কিনে নিয়েছে? তোর বাবাটা তো এক নম্বরের শয়তান, কিন্তু তুই এত ক্যাবলা কেন পলাশদা? তোকে আমার অসহ্য লাগে৷

    রেগেমেগে হন হন করে হেঁটে চলে যেত অন্তরা৷ কিছুটা গিয়ে আবার ফিরে আসত৷ কোঁচড় থেকে কয়েকটা তিলের তক্তি বার করে হেসে ফেলত, পিসি বানিয়েছে৷ সারাক্ষণ মিলিটারির মতো পাহারা দিচ্ছে৷ তার মধ্যেই চুরি করে নিয়েছি৷ আয় দু’জনে খাই৷

    তিলের নাড়ু বা তক্তি পলাশ দু’চক্ষে দেখতে পারে না৷ কিন্তু অন্তরার দেওয়া তিলের তক্তি খেতে খেতে তার মনে হত, মানুষের শ্রেষ্ঠতম আবিষ্কার হচ্ছে তিলের তক্তি৷ এই খাবারকে এখনই জাতীয় খাদ্য করে দেওয়া উচিত৷ আর যারা এটা খেতে অস্বীকার করবে তাদের কোনও ক্ষমা নেই৷ সরাসরি কোর্টমার্শাল৷

    বাবার বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণটা অবশ্য খুব তাড়াতাড়ি ধরে ফেলেছিল পলাশ৷ পলাশের ভাই-বোন হবে, তাই নতুন মায়ের বিশ্রাম দরকার৷ লোহা তুলে পলাশের গায়ে এখন বেশ জোর হয়েছে৷ সে দিব্যি ঘরের কিছু কাজ করতে পারবে৷

    পলাশের একটা ভাই হল৷ ছোট্ট মানুষটাকে দেখে আনন্দে কেঁদে ফেলল পলাশ৷ সে সারাদিন ভাইকে পাহারা দিত৷ কিন্তু নতুন মা একটু সুস্থ হতেই, তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিল বাবা৷ আবার তার ভাই-বোন হবে৷ তাই মাস তিনেক আগে বাবা তাকে নিয়ে এসেছে৷ নতুন একটা কাজের লোক রাখা হয়েছে বটে, কিন্তু সেও বুঝে গেছে, পলাশ চাকরেরও অধম৷ এ বাড়িতে কাক-কুকুরের যতটুকু সম্মান আছে পলাশের তাও নেই৷ তাই সে তার নিজের কাজগুলো যথাসম্ভব পলাশকে দিয়ে করিয়ে নিতে চায়৷ মুখ বুজে সব কাজ করে পলাশ৷ বিদ্রোহ করার মতো সাহস নেই তার৷

    কোনওমতে টেনেটুনে মাধ্যমিকটা পাশ করে গিয়েছিল পলাশ৷ বুঝতেই পেরেছিল, উচ্চমাধ্যমিকটা আর হবে না৷ কিন্তু পাশ করাটা দরকার ছিল৷ সে ভেবে রেখেছিল, পাশ করলেই বাড়ি ছেড়ে পালাবে৷ শান্তিনিকেতন চলে গিয়ে ছবি আকার কলেজে ভর্তি হবে৷ বুদ্ধিটা দিয়েছিল অন্তরা৷ সেই আশাতেও ছাই পড়ল৷

    মার্কশিট হাতে বাড়ি ফিরতেই পলাশের পিঠে আস্ত একটা চ্যালাকাঠ ভাঙল পলাশের বাবা৷ তার পর দুই গালে জুতো মারতে মারতে বলল, কাঁড়ি কাঁড়ি পয়সা নষ্ট করে তোকে পড়িয়ে কী লাভ হল শুনি? আর পড়তে হবে না৷ কাল থেকে ইটভাটায় লেবারের কাজ করবি৷ তোর পেছনে এত খরচ করার এই প্রতিদান দিলি? মায়ের রক্ত যাবে কোথায়? নেমকহারাম কোথাকার৷

    পলাশের খুব ইচ্ছে করছিল, বাবার জিভটা ছিঁড়ে দেয়৷ তারপর সেটাকে মাটিতে ফেলে পা দিয়ে মাড়িয়ে দেয় খুব করে৷ কিন্তু সে কিছুই করতে পারল না৷ তার রক্তে সাহস বস্তুটার বড়ই অভাব৷ সে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ৷ তার বলতে ইচ্ছে করছিল, পড়াশোনা বস্তুটা ছেলেখেলা নয়, তাকে সময় দিতে হয়৷ সময়টা সে আদৌ পেয়েছে কি? কিন্তু তীব্র অপমানবোধ আর ব্যর্থতায় তার মাথার ভেতরটা গুলিয়ে গেল৷ সে অনুভব করল, এই পৃথিবীতে তার প্রয়োজন বড়ই কম৷ পাশাপাশি আরও এক বছর নরকযন্ত্রণা ভোগ করার ভয় তাকে জাপটে ধরল আষ্টেপৃষ্ঠে৷ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে যন্ত্রচালিতের মতো শ্মশানের দিকে হাঁটতে শুরু করল পলাশ৷

    দুই.

    লোহার পোল পেরিয়ে খালের ধার বরাবর বাঁদিকে বেশ কিছুটা হাঁটলে তবে শ্মশানের সীমানা শুরু৷ কয়েক বছর আগেও আশেপাশের সাত-আটটা গ্রামের লোক এখানে মরা পোড়াতে আসত৷ বড় বড় কাঠের চুল্লি জ্বলত দাউ দাউ করে৷ ঘি আর চামড়া পোড়া গন্ধে ভারী হয়ে থাকত এখানকার বাতাস৷ দাহকাজ শেষ করে শ্মশানবন্ধুরা স্নান করতে নামত খালে৷ সুন্দর করে ঘাট বাঁধানো ছিল৷ ছিল শ্মশানবন্ধুদের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার ঘর৷ শ্মশানের বাইরেই ছিল কয়েকটা দোকান৷ দাহকাজে লাগে এমন সব জিনিস বিক্রি হত সেখানে৷ সব মিলিয়ে বেশ একটা জমজমাট ব্যাপার৷ কিন্তু হঠাৎ শ্মশানে এক পাগলির আবির্ভাব হল৷ খালের ধারে এক মহানিম গাছের তলায় সে আস্তানা গাড়ল৷ মরা পোড়াবার সময় সে চুল্লির কাছে এসে বসত৷ চুল্লির দিকে তাকিয়ে থাকত একদৃষ্টে আর হি হি করে রক্তজল করা শব্দে হেসে উঠত৷ আগুন বাড়লেই সে দু’হাতে তালি দিয়ে নাচতে শুরু করত আর বলত, এবার কলজেটা ধরছে, কলজে৷ টাটকা কলজে৷ কলজে পুড়ে তুকতুকে নরম হয়ে যাবে৷ বড় স্বাদ হবে৷ কে কে খাবি? আয় আয়৷

    সেই স্বাদের কথা ভেবেই কি না কে জানে সে পাগলির ফোকলা মুখের কষ বেয়ে লালা গড়াত আর তার ওই ডাক শুনে রাজ্যের কাক ভিড় করত সেই খানে৷ তাদের ‘খা খা’ ডাকে তালা ধরে যেত কানে৷ চুল্লির অনেকটা ওপরে গোল হয়ে চক্কর কাটত এক পাল শকুন৷ সে বড় ভয়ের দৃশ্য৷

    একদিন পাগলির কী খেয়াল হল, চুল্লির মধ্যে থেকে আধপোড়া একটা হাত নিয়ে দৌড় লাগাল৷ লোকজন এমনিতেই পাগলির কাণ্ডে বিরক্ত ছিল তার ওপর এই ঘটনা তাদের একেবারে খেপিয়ে তুলল৷ কয়েকজন শ্মশানবন্ধু ছুটে গিয়ে তাকে কাছের একটা ঝোপের আড়াল থেকে টেনেহিঁচড়ে বার করল৷ সে তখন দু’টো শকুনকে পরম যত্নে হাতটা খাওয়াচ্ছিল৷ নিজেও খাচ্ছিল একটু একটু করে৷ ওখানেই তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলল সবাই৷ এই ঘটনার পর থেকেই শ্মশানটায় শ্মশানকোকিল ডাকতে শুরু করল৷

    প্রথমটায় কেউ বুঝতে পারেনি৷ ঘোষপাড়ার ছেলেদের একটা দল ছিল৷ তারা সবার সঙ্গেই শ্মশানবন্ধু হত৷ তাদেরই একজন হাবু, প্রথম শুনল শব্দটা৷ তখন বেশ রাত হয়েছে৷ দাহকাজ শেষ করে ওরা খালের জলে স্নান করতে নেমেছে৷ হাবু বলল, বুড়োদের মতো গলায় কে কাশল রে?

    ছেলেদের দলে বুড়ো আসবে কোত্থেকে? বাকিরা হাবুকে বলল, তুই ভুল শুনেছিস৷

    হাবু জোর গলায় বলল, না রে আমি ঠিক শুনেছি৷ বুড়োদের গলায় কফ জমলে যেমন ঘড় ঘড় করে শব্দ হয়৷ তেমন গলায় কেউ কাশল৷ ওই তো আবার কাশছে৷ স্পষ্ট শুনছি৷

    বাকিরা কেউ কিছু শুনতে পেল না৷ তারা ভাবল, হাবুর বোধ হয় নেশাটা একটু বেশিই ধরেছে৷ হাবুকে নিয়ে খুব আমোদ করল তারা৷ কিন্তু স্নান সেরে বাকিরা উঠে এলেও হাবু উঠল না৷ পরদিন দুপুরে তার দেহ ভেসে উঠল খালে৷

    হাবুর পর সনাতন বসাক৷ দীনেশপল্লিতে তিনদিন ধরে যাত্রা হবে৷ কলকাতা থেকে দল এসেছে৷ সিনেমার একজন নায়িকাও আছে সেই দলে৷ তাকে নিয়ে জোর গুজব রটেছে৷ কেউ বলছে, সে নাকি ঘোড়ায় চড়েই স্টেজে চলে আসে৷ আবার কেউ বলছে, ঘোড়ায় চড়াটা তেমন কোনও ব্যাপার না৷ সে না কি স্টেজের ওপরেই জামাটামা সব খুলে ফেলে৷ সে এক্কেবারে হইহই কাণ্ড! ঘোড়ায় চড়ার থেকে জামা খোলার গুজবটা লোকে খেয়েছে বেশি৷ মেয়েমানুষের জামাটামা খোলায় সনাতনের আবার খুব উৎসাহ৷ তার ওপর সেই মেয়েমানুষ যদি সিনেমার নায়িকা হয় তাহলে তো মাখোমাখো ব্যাপার৷ তাই কাজ শেষ করেই জোর সাইকেল ছুটিয়েছিল সনাতন৷ শ্মশানের ভেতর দিয়ে শর্টকাট হয়৷ হঠাৎ সে শুনল, শ্মশানের ভেতর কোনও বুড়ো লোক খুব কাশছে৷ সে একেবারে মরণ কাশি৷ সনাতন সাইকেল থেকে নেমে খুঁজেপেতেও কাউকে দেখতে পেল না৷ তার গা ছমছম করে উঠল৷ বাড়ি ঢুকে উঠোনে হাত মুখ ধুতে ধুতে সে যখন তার বউকে কাশির গল্পটা বলছে, আচমকা একটা কেউটে তার ডান পায়ের ডিমে ছুবলে দিল৷ হাসপাতালের পথেই মারা গেল সনাতন৷

    এরপর আরও কয়েকজন ওই কাশির শব্দ শুনল এবং তারাও নানা ভাবে মারা পড়ল৷ গ্রামের পুরোহিত মশাই বললেন, এ হল শ্মশানকোকিলের ডাক৷ ও ডাক যে শোনে সে আর ফেরে না৷ আমি শ্মশানকোকিলের কথা শুনেছিলুম অনেক আগে৷ শ্মশানকোকিল পাখি নয়, আসলে দুষ্ট আত্মা৷ পাখির ভেক ধরে থাকে৷ ভেবেছিলুম গল্পকথা৷ কিন্ত এখন দেখছি, নির্জলা সত্যি৷ একটা যখন এসেছে, টানে টানে আরও আসবে৷ শ্মশানকোকিলে ভরে যাবে জায়গাটা৷ বাঁচতে চাও তো কেউ ওই শ্মশানের ধার মাড়িও না৷ খুব সাবধান৷

    সেই থেকেই পরিত্যক্ত হয়ে গেল শ্মশানটা৷ এমনিতেই শ্মশান মশান নির্জন জায়গা৷ তার ওপর লোক চলাচল বন্ধ হতে পায়ে চলার পথটাও মুছে গেল৷ হাঁটু সমান বুনোঘাস আর চোরকাঁটা গজিয়েছে৷ বড় বড় জারুল, শিরিষ, কুল, বাবলা, তেঁতুল, আর মহানিম গাছগুলো জড়ামড়ি করে যেন আরও ঝুপসি করে তুলেছে জায়গাটাকে৷ দিনের বেলাতেই ভাল করে আলো ঢোকে না, সেখানে এখন তো প্রায় সন্ধে৷ কিছুই পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে না৷

    পলাশের পায়ের তলায় মট করে কী যেন একটা ভাঙল৷ পলাশ দেখল, একটা মেটে হাঁড়ি৷ এক সময় এখানে যে দাহকাজ হত তার টুকরোটাকরা প্রমাণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এখনও৷ ছড়িয়েছিটিয়ে পড়ে আছে প্রচুর কাঠকুটো৷ কাঠচোরেরাও এই শ্মশানের ত্রিসীমানায় আসে না৷ সবারই প্রাণের মায়া আছে৷ শুধু যারা ভালবাসে তাদের ভয়ডর একটু কম৷ মাঝে মধ্যেই দু’-একটা জোড়া এদিকে চলে আসে৷ নির্জনে বসে দু’টো ভালবাসার কথা বলার মতো জায়গার বড় অভাব এই পৃথিবীতে৷ তাই তাদের আসতেই হয়৷ তারা অবশ্য শ্মশানের ভেতরে ঢোকে না৷ কিছু দূরে খাল যেখানে বাঁক নিয়েছে সেখানে বসে থাকে৷ আজও দু’জন বসেছিল৷ পলাশকে শ্মশানের ভেতর ঢুকতে দেখে অবাক চোখে তাকিয়ে রইল৷

    একটা মহানিম গাছের গুঁড়িতে শরীরটা ছেড়ে দিল পলাশ৷ এখন শুধু অপেক্ষা কতক্ষণে সেই কাশির শব্দ শোনা যাবে৷ রাগ, দুঃখ অভিমান কিছুই হচ্ছে না পলাশের৷ শুধু মাথার ভেতরে এটা ভোঁতা যন্ত্রণা হচ্ছে৷ অন্য যে কোনও ভাবেই আত্মহত্যা করা যেত৷ কিন্ত মৃত্যুকে নিশ্চিত করতেই শ্মশানকোকিলের ডাকের অপেক্ষায় বসে রইল সে৷

    চারদিকটা অসম্ভব নিস্তব্ধ৷ শুধু মাঝে মাঝে ঝিঁঝি ডেকে উঠে সেই নিস্তব্ধতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে৷ হঠাৎই কীসের যেন একটা শব্দ হল৷ কান খাড়া করে শুনল পলাশ৷ না কাশির শব্দ তো এটা নয়৷ শুকনো পাতার ওপর দিয়ে কিছু একটা হেঁটে যাচ্ছে৷ বুকে হাঁটছে৷ তারই শব্দ হচ্ছে৷ খুব কাছেই শব্দটা হচ্ছে৷ সাপ-টাপ হবে৷ যে মানুষ মরতে এসেছে তার মৃত্যুভয় থাকে না৷ ফের চোখ বুজল পলাশ৷

    প্রথমেই একটা সাদা আলোয় পলাশের চোখ ধাঁধিয়ে গেল৷ তার পরেই কান ফাটানো আওয়াজে চমকে উঠল সে৷ কাছেপিঠেই কোথাও বাজ পড়েছে৷ নাকে একটা পোড়া গন্ধ আসছে৷ অনেকক্ষণ বসে থাকায় সময়ের হিসেব গুলিয়ে গেছে৷ ঠিক কতটা রাত হয়েছে বুঝতে পারল না পলাশ৷ আর তখনই আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামল৷ একেবারে তুমুল বৃষ্টি যাকে বলে৷ গাছের শামিয়ানা ভেদ করে জল পড়তে লাগল৷ পুরো ভিজে গেল পলাশ৷ আর শুধু বৃষ্টি তো নয়, তার সঙ্গে বাতাসও বইছে৷ বাজ পড়ছে ঘন ঘন৷ দুর্যোগ বোধ হয় একেই বলে৷ তার একটু শীত করতে লাগল৷ হাঁটু দুটো বুকের কাছে জড়ো করে বসতেই হাঁটুর নীচে একটা খোঁচা খেল সে৷ বুক পকেটে হাত দিয়ে বস্তুটা বার করে আনতেই পলাশের মনে পড়ে গেল, সে না ফিরলে অন্তরা রেওয়াজ করতে পারবে না৷

    পকেটে ছিল একটা হারমোনিয়মের চাবি৷ অন্তরার হারমোনিয়ামটা কয়েকদিন ধরে গোলমাল করছিল৷ অন্তরা বলেছিল, এই চাবিটা একটু বিজন সামন্তের দোকান থেকে সারিয়ে এনে দিবি পলাশদা?

    পরশু দিনই চাবিটা সারিয়ে রেখে দিয়েছিল পলাশ৷ দিতে ভুলে গেছিল৷ ভেবেছিল, আজ গিয়ে দিয়ে আসবে৷ কিন্তু মার্কশিট পাওয়ার পর ঘটনা পরম্পরায় ভুলে গেছিল৷ পলাশ ভাবল, অন্তরা তার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে৷ জিনিসটা গিয়ে দিয়ে আসা উচিত৷ কিন্তু তার পরেই সে ফের হেলান দিল গাছের গায়ে৷ তার মতো একটা হতভাগার জন্য অপেক্ষা করার কোনও মানে হয় না৷ সে মরে গেলে অন্তরা কষ্ট পাবে৷ সে কত কিছুতেই তো মানুষ কষ্ট পায়৷ অত ভাবলে আর মরা যায় না৷ তবে দিন কয়েক আগে অন্তরা কী যেন একটা জরুরি কথা বলবে বলেছিল৷ মরে গেলে সেটা আর শোনা হবে না৷ এটাই যা আফশোস৷

    অন্তরার ঘরে নতুন রং হয়েছে৷ অন্তরা আবদার করেছিল, আমার ঘরের দেওয়ালে একটা ছবি এঁকে দিবি পলাশদা?

    পলাশ এক মনে ছবি আঁকছিল৷ অন্তরা পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল৷ বলেছিল, উচ্চমাধ্যমিকটা পাশ করেই এখান থেকে পালিয়ে যাস৷

    পলাশ অবাক হয়েছিল, কোথায় যাব?

    তুই এত ভাল ছবি আঁকিস৷ শান্তিনিকেতনে যাস৷ ছবি আঁকা শিখবি৷ তোর দ্বারা লেখাপড়া হবে না৷ আর এখানে থাকলে তোকে বাঁচাতে পারব না৷

    উচ্চমাধ্যমিকটা মনে হয় পাশ করতে পারব না৷

    আমারও তাই ধারণা৷ তবু বলছি৷

    যদি ফেল করি?

    ফেল করলে করবি৷ আরও একটা বছর তোর কপালে দুর্ভোগ৷ তার পর পালাবি৷ একই ব্যাপার৷ এত শুকোস কেন তুই?

    কত সহজ করে ভাবতে পারিস তুই৷ তোকে যত দেখি অবাক হই৷

    নে আর অবাক হতে হবে না৷

    না রে বানিয়ে বলছি না৷ সত্যি৷

    চুপ কর, তোকে একটা জরুরি কথা বলার আছে৷

    বল না৷

    এখন বলা যাবে না৷ পরে বলব৷

    এখান বলা যাবে না কেন?

    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে একটা গান গেয়ে উঠেছিল অন্তরা৷ গান শেষ হতে বলেছিল, পলা দা, এক-একটা কথা বলার এক-একটা নির্দিষ্ট সময় আছে৷ গানটা শুনলি তো? যেদিন এমন হবে সেদিন আসিস৷ বলব৷

    পলাশের মনে পড়ে গেল, গানটায় ঠিক এমনই একটা দিনের কথা বলা ছিল৷ তাকে জরুরি কথা বলার জন্য অন্তরা নিশ্চয়ই বসে আছে৷ তার হঠাৎ মনে হল, কথাটা শোনা খুব দরকার৷ কথাটা না শুনে মরে যাওয়ার কোনও মানে হয় না৷ উঠে দাঁড়াল সে৷ তার পর অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে শ্মশান থেকে বেরনোর রাস্তা খুঁজতে শুরু করল৷

    তিন.

    অনেকদিন পর শ্মশানে মানুষ আসতে দেখে শ্মশানকোকিল দু’টি বড়ই অবাক হয়েছিল৷ বয়সে নবীনটি উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটছিল৷ সে তখনই ডাকতে গেছিল৷ তাকে নিবৃত্ত করেছিল প্রবীণটি৷ বলেছিল, কোনও কিছুতেই তাড়াহুড়ো করতে নেই৷ যে ঘটনা ঘটবেই তা নিয়ে আদেখলামো করা উচিত নয়৷ ছেলেটা তো মরবেই, কারণ সে নিজেই মরতে চায়৷ ওকে আর কিছুক্ষণ বাঁচতে দেওয়া উচিত৷ আমরা আর একটু পরে ডাকব৷

    তারা দু’জনে ছেলেটির গতিবিধি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে জরিপ করছিল৷ হঠাৎই বৃষ্টি নেমে গেল৷ বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে একটু ঝিমিয়ে গেছিল প্রবীণ শ্মশানকোকিলটি৷ ছেলেটি উঠে দাঁড়াতেই নবীনটি নড়েচড়ে বসল৷ সে ডেকে তুলল তার বয়োজ্যেষ্ঠকে৷ তারা দেখল, অন্ধকারে হোঁচট খেতে খেতে শ্মশান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে ছেলেটি৷ কেমন যেন একটা একবগগা ভঙ্গি তার৷ শিকার ফসকে যাওয়ার আশঙ্কায় ব্যস্ত হয়ে ডেকে উঠল তারা৷ সেই বুড়ো মানুষের কাশির শব্দের মতো ডাক৷

    আওয়াজটা কী ছেলেটির কানে পৌঁছয়নি? সে তো একটুও থমকাল না! চমকাল না! দিব্যি হেঁটে চলেছে৷ এমনটা তো হওয়ার কথা নয়৷ শ্মশানের সীমানা পেরিয়ে গেলেই এই ডাকের কোনও শক্তি থাকবে না৷ শ্মশানকোকিল দু’টি গলার শিরা ফুলিয়ে ডাকতে শুরু করল৷ কিন্তু ছেলেটি নির্বিকার৷ শ্মশানকোকিলের অমোঘ মৃত্যুডাক তাকে স্পর্শটুকুও করছে না৷ করবে কী করে? ছেলেটার কানে তো সে ডাক ঢুকছেই না৷ তার সমস্ত চেতনা জুড়ে বেজে চলেছে একটা গান৷ তার রক্তপ্রবাহে মিশে যাচ্ছে সে গানের কথা আর সুর৷ সে গুনগুন করছে গানটা…

    ‘ব্যাকুল বেগে আজি বহে বায়
    বিজলি থেকে থেকে চমকায়
    যে কথা এ জীবনে
    রহিয়া গেল মনে
    সে কথা আজি যেন বলা যায়
    এমন ঘনঘোর বরিষায়…
    এমন দিনে তারে বলা যায়
    এমন ঘন ঘোর বরিষায়
    এমন দিনে মন খোলা যায়…’

    এ ঘটনা শ্মশানকোকিলদের অভিজ্ঞতায় নেই৷ তারা জানে না মরতে আসা মানুষ কীসের টানে ফিরে যায় জীবনের দিকে! আর একবার কেউ জীবনের দিকে ফিরলে তাকে মারা বড় কঠিন কাজ৷ নিজেদের ব্যর্থতায় বিরক্ত হয়ে শ্মশানকোকিল দু’টি গুম হয়ে বসে রইল৷

    সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    সৌভিক চক্রবর্তী

    নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }