Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    সৌভিক চক্রবর্তী এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শশাঙ্কবাবু ও শ্যামাপোকা – সৌভিক চক্রবর্তী

    শশাঙ্কবাবু ও শ্যামাপোকা

    শশাঙ্কবাবু টিভিতে সিনেমা দেখছেন কিন্তু তাঁর কোলের ওপরে একটা মোটা খাতা খোলা৷ তাঁর হাতে কলম৷ সিনেমা দেখতে দেখতে দেখতে মাঝে মাঝে তিনি সেই খাতায় নোট নিচ্ছেন৷ তিনি আসলে একটা গম্ভীর প্রবন্ধ লিখছেন৷ প্রবন্ধের শিরোনাম ‘ভারতীয় সিনেমায় ইটের পাঁজা, তরিতরকারি, স্টেশনারি দ্রব্য ও অন্যান্য আসবাব প্রসঙ্গ’৷ খুবই জটিল বিষয়৷

    শশাঙ্কবাবু গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ৷ জটিল বিষয়েই তাঁর আগ্রহ৷ হালকা জিনিসপত্র তিনি পছন্দ করেন না৷ তিনি লক্ষ করেছেন, সিনেমায় মারপিটের দৃশ্যগুলোতে ভিলেনরা নায়কের হাতে মার খেয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ইটের দেওয়াল, শাকসব্জি ভর্তি ভ্যানগাড়ি, বিভিন্ন স্টেশনারি দোকান এবং চেয়ার টেবিলের ওপরে আছাড় দিয়ে পড়ে৷ এই ব্যাপারটা তাঁর খুবই ইন্টারেস্টিং লেগেছে৷ তিনি ইতিমধ্যেই আড়াইশো সিনেমা দেখে ফেলেছেন৷ তাঁর ধারণা আরও গোটা পঞ্চাশ সিনেমা দেখার পরে একটা সিদ্ধান্তে আসা যাবে৷ তাই এখন তিনি শুধুই নোট নিচ্ছেন৷ মোট তিনশোটা সিনেমা দেখা শেষ করে প্রবন্ধটা লিখতে শুরু করবেন৷

    রোজ সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফিরে তিনি দু’ঘণ্টা সিনেমা দেখেন৷ এই সময় তাঁকে বিরক্ত করা বারণ৷ আজ তিনি একটা বাংলা ছবি দেখছেন৷ নায়কের ঘুসিতে ভিলেন একটা ভ্যানের ওপরে গিয়ে পড়েছে৷ সব তরিতরকারি ছত্রখান হয়ে পড়ে আছে রাস্তায়৷ তিনি জায়গাটা পজ করে দ্রুত হাতে নোট নিতে শুরু করলেন, ‘রাস্তায় যে সব সব্জি দেখা যাচ্ছে তার মধ্যে আছে বাঁধাকপি (ছোট সাইজ), গাজর, পালং শাক, কুমড়ো (লম্বা কুমড়ো, এই কুমড়োয় জল ভাব বেশি, মিষ্টি কম), টমেটো, পোকা বেগুন…’

    এই পর্যন্ত লিখেই তিনি থামতে বাধ্য হলেন৷ ঘরের ভেতর কথাবার্তার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে৷ তিনি ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলেন, তাঁর দশ বছরের ছেলে বুবাই টেবিলের ওপর ঝুঁকে পড়ে একটা গঙ্গাফড়িংয়ের সঙ্গে কথা বলছে৷ তিনি বুবাইয়ের কথাগুলো শোনার চেষ্টা করলেন৷ বুবাই গঙ্গাফড়িংটাকে বলছে, ‘কী বলতে চাও পরিষ্কার করে বলো৷ আমার অত ধানাইপানাই ভাল লাগে না৷ বাবাকে কী বলব? বাগানে ব্লিচিং পাউডার না দিতে? আচ্ছা বেশ বলব৷’

    শশাঙ্কবাবু টিভি বন্ধ করে বুবাইয়ের পেছনে এসে দাঁড়ালেন, ‘বুবাই৷’

    বুবাই তার বাবাকে খুবই ভয় পায়৷ ভয় পাওয়ার সঙ্গত কারণ আছে৷ শশাঙ্কবাবু মনে করেন, কোনও অবস্থাতেই বাচ্চাদের আশকারা দিতে নেই৷ তাতে তারা বাঁদর হয়ে যায়৷ কিন্তু মায়েরা আশকারা দেওয়ায় ওস্তাদ৷ তাই ছেলেপুলের শাসনের ব্যাপারটায় নজর রাখা একজন সৎ বাবার অবশ্য কর্তব্য৷ সে জন্য তিনি প্রতি পনেরো দিন অন্তর তাঁর দুই ছেলেকে ধরে কিছুক্ষণ ধোলাই দেন৷ ছেলেরা দোষ না করলেও তিনি দোষ খুঁজে বার করতে পারেন৷ এ ব্যাপারে তাঁর মধ্যে একটা প্রচ্ছন্ন গর্ব আছে৷ তাঁর বড় ছেলে টুকাই এ বছর কলেজে উঠেছে৷ সে এখন হস্টেলে থাকে৷ তাই ইদানীং পাক্ষিক ধোলাইটা বুবাই একাই খাচ্ছে৷ বাবার গলার আওয়াজে সে চমকে উঠে বলল, ‘কী বাবা?’

    ‘তুমি এখানে কী করছ? তোমার মা কোথায়?’

    ‘মা একটু বেরিয়েছে৷’

    শশাঙ্কবাবুর মেজাজটা আরও গরম হয়ে গেল৷ তাঁর স্ত্রী চন্দ্রিমা বড়ই আড্ডাপ্রবণ৷ কোনও গম্ভীর জটিল বিষয়ে তার আগ্রহ নেই৷ তিনি কয়েকবার এই প্রবন্ধটা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দেখেছেন চন্দ্রিমা হাত আড়াল করে হাই তুলছে৷ আজও সে আড্ডা দিতে বেরিয়েছে৷ সে নিশ্চয়ই এখন পাশের বাড়িতে গিয়ে বেড়ালদের আদর করছে আর তালের বড়া আরও নরম করার নতুন পদ্ধতি শিখছে৷ তিনি বুবাইকে বললেন, ‘তোমাকে আমি বলেছিলাম, আমি যখন প্রবন্ধ লিখব আমায় বিরক্ত করবে না৷ তুমি কথা শোনোনি৷’

    বুবাই গঙ্গাফড়িংটাকে দেখিয়ে বলল, ‘সরি বাবা৷ আসলে ও উড়তে উড়তে এ ঘরে চলে এল৷’

    ‘তুমি আবার পোকাদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছ?’

    ‘আমি বলতে চাই না বাবা৷ ওরা নিজে থেকেই বলে৷’

    ‘বুবাই তুমি যথেষ্ট বড় হয়েছ৷ তোমাকে বুঝতে হবে পোকারা কথা বলতে পারে না৷ তুমি যেটাকে কথা বলা ভাবছ সেটা তোমার কল্পনা৷ বুঝতে পেরেছ?’

    ‘হ্যাঁ বাবা৷’

    ‘যাও পড়তে বোসো৷ আর যদি তোমায় উঠতে দেখি তা হলে চড় মেরে হালুয়া টাইট করে দেব৷’

    বুবাই চলে যাওয়ার পরে শশাঙ্কবাবু কিছুক্ষণ ফড়িংটার দিকে তাকিয়ে রইলেন৷ তিনি বুঝতে পারলেন, তাঁর মাথা দাউদাউ গরম হয়ে যাচ্ছে৷ হঠাৎই তিনি একটা মোটা ডিকশনারি তুলে ধাঁ করে ফড়িংটার ওপর বসিয়ে দিলেন৷

    বিষয়টা হল, বুবাই পোকাদের কথাবার্তা বুঝতে পারে৷ ঘটনাটা ঘটেছিল গত বছর কালীপুজোর ঠিক আগের রাতে৷ বাজি পোড়ানোয় বুবাইয়ের প্রবল উৎসাহ৷ সে বিছানার ওপরে বসে বাজি গোছাচ্ছিল আর লাইটের সামনে কতগুলো শ্যামাপোকা উড়ে বেড়াচ্ছিল৷ হঠাৎই দু’টো শ্যামাপোকা উড়তে উড়তে বুবাইয়ের হাতে এসে বসল৷ বুবাই স্পষ্ট শুনল তারা বলছে, ‘বুবাই তুমি তো ভাল ছেলে৷ তুমি এত বাজি পোড়াও কেন? তুমি তো জানো আগুন দেখলে আমরা ঠিক থাকতে পারি না৷ আগুনের মধ্যে ঝাঁপ দিয়ে পড়ি৷ আমাদের ব্যথা লাগে, কষ্ট হয়৷ তুমি আর বাজি পুড়িও না৷’

    শ্যামাপোকাদের কথা শুনে সেবার একটাও বাজি পোড়ায়নি বুবাই৷ সেই শুরু, তার পর থেকেই সে খেয়াল করে দেখেছে পোকারা তার সঙ্গে কথা বলে৷ মাঝে মাঝেই তারা নানারকম খবর দেয় তাকে৷ একবার একটা কাঠ পিঁপড়ে তাকে বলেছিল, ‘কাল খুব বৃষ্টি হবে৷’ বুবাই পাত্তা দেয়নি কিন্তু পরের দিন সত্যি সত্যিই তুমুল বৃষ্টি হল৷ পাড়ার মোড়ে একহাঁটু জল জমে গেল৷

    বুবাই যে পোকাদের সঙ্গে কথা বলে এটা বাড়ির কেউই বিশ্বাস করত না৷ কিন্তু একটা ঘটনার পর থেকে বুবাইয়ের মা ব্যাপারটা অল্প অল্প বিশ্বাস করতে শুরু করেছে৷ ঘটনাটা হল, বুবাইদের বাড়িতে মশারি টাঙিয়ে শোয়ার রেওয়াজ নেই৷ একদিন রাতে শোয়ার সময় বুবাই তার মাকে বলল, ‘মা আজ ভোরবেলায় বাবাকে একটা ডেঙ্গির মশা কামড়াবে৷ ওরা আমাদের তিনজনকেই কামড়াবে বলেছিল কিন্তু আমি অনেক দরাদরি করে একে নামিয়েছি৷ বাবাকে যাতে ছেড়ে দেয় সে জন্য খুব রিকোয়েস্ট করেছিলাম৷ ওরা শোনেনি৷ বাবার ওপরে ওদের খুব রাগ৷ বাবাকে ওরা কামড়াবেই৷ বাবাকে বলো আজ মশারির মধ্যে শুতে৷’

    বিষয়টা শুনে শশাঙ্কবাবু গম্ভীর হয়ে গেছিলেন৷ স্ত্রীকে বলেছিলেন, ‘আমার ছেলে যে দিন দিন পীর হয়ে উঠছে বুঝতে পারছিলাম৷ কিন্তু তুমি যে তার এক নম্বর শিষ্য হয়েছ এইটা বুঝতে পারিনি৷ ছেলেকে তো আর নাম ধরে ডাকা যাবে না দেখতে পাচ্ছি৷ পোকাদের কথা শুনে সে ভবিষ্যৎদ্রষ্টা হয়েছে৷ তাকে তো পোকাবাবা বলতে হবে৷ আর এই বাড়িটা হবে পোকাবাবার মাজার৷ ফারদার যদি তুমি আমাকে এ সব গাঁজাখুরি কথা বলো তা হলে কিন্তু বিরাট সমস্যায় পড়ে যাবে৷’

    মশারি ছাড়াই শুয়ে পড়লেন শশাঙ্কবাবু৷ দু’দিন পরে তাঁর ধুম জ্বর এল৷ রক্ত পরীক্ষা করে দেখা গেল ডেঙ্গি৷ ছ’ দিন হাসপাতালে কাটিয়ে তিনি বাড়ি ফিরলেন৷ বুবাই ভেবেছিল, বাবা তাকে খুব মারবেন৷ কিন্তু শশাঙ্কবাবু কিছুই বললেন না৷ গম্ভীর হয়ে রইলেন৷ পরের দিন বাড়িতে পেস্ট কন্ট্রোলের লোক এল৷ তারা সারা বাড়িতে, বাড়ির চারপাশে এবং বাগানে পোকা মারার ওষুধ ছড়াল৷ বিকেলের দিকে সেই শ্যামাপোকা দু’টো বুবাইকে খবর দিল, ওষুধ ছড়ানোয় সব মিলিয়ে মোট লাখ খানেক পোকা মারা গিয়েছে৷ তাদের মধ্যে বেশির ভাগই পিঁপড়ে৷ তারা জানাল, এই ঘটনায় পোকারা খুবই ভয় পেয়েছে৷ তারা আর বুবাইদের বাড়ির ত্রিসীমানায় আসতে চাইছে না৷

    সে রাতে মায়ের বুকে মুখ গুঁজে অনেকক্ষণ ধরে কেঁদেছিল বুবাই৷

    দেখতে দেখতে দুর্গাপুজো শেষ হয়ে ফের কালীপুজো এসে পড়েছে৷ বাগানের শিউলি গাছগুলো এখনও ঝেঁপে ফুল দিচ্ছে৷ ভোরবেলায় উঠলে দেখা যায় বাগানটা পুরো সাদা হয়ে রয়েছে৷ বুবাই বরাবারই ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে পড়ে৷ তার পরে কিছুক্ষণ বাগানে হাঁটাহাঁটি করে পড়তে বসে৷ আজও সে এক আঁজলা শিউলি ফুলের গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে হেঁটে বেড়াচ্ছিল, হঠাৎই একটা শ্যামাপোকা তার বুড়ো আঙুলের ওপর এসে বসল৷ এ সময় প্রচুর শ্যামাপোকা দেখতে পাওয়া যায়৷ তবে পোকাটাকে দেখেই বুবাই বুঝল, এ তার সেই বন্ধু শ্যামাপোকা দু’টোর একটা৷ সে বলল, ‘সুপ্রভাত৷’

    পোকা কোনও উত্তর দিল না৷ বুবাই বলল, ‘তুমি আজ একা কেন? তোমার বন্ধু কোথায়?’

    পোকা মনমরা হয়ে বলল, ‘বন্ধু নেই৷ কাল পুড়ে গেছে বাজির আগুনে৷ আমার মন ভাল নেই কিন্তু তোমাকে একটা জরুরি কথা বলতে এলাম৷’

    বুবাইয়ের মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল৷ সে কেঁদে ফেলল৷ তাকে কাঁদতে দেখে পোকা বলল, ‘শোনো এটা কান্নাকাটির সময় নয়৷ তোমার বাবার খুব বিপদ৷ বাবাকে বোলো আজ যেন একা একা বাড়ি না ফেরে৷’

    ‘কেন? বাবার কী হবে?’

    ‘অত কথা বলার সময় নেই৷ তোমায় যেটা বললাম মনে রেখো’, পোকা উড়ে গেল৷

    চিন্তায় পড়ে গেল বুবাই৷ বাবার জন্য তার খুবই টেনশন হচ্ছে৷ সে জানে, পোকারা ফালতু কথা বলার লোক নয়৷ কিন্তু তার এই কথা তো বাবা বিশ্বাস করবেন না৷ উল্টে মেরে দিতে পারেন৷ অনেকক্ষণ চিন্তা করে বুবাই সিদ্ধান্ত নিল, বাবা যাই বলুন না কেন বাবাকে সাবধান করে দেওয়া তার কর্তব্য৷ বাবাকে সে ভয় পায় ঠিকই কিন্তু ভালও বাসে৷ বাবার যদি কিছু হয় সে খুব কষ্ট পাবে৷ বাবা যেবার ডেঙ্গি হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল, বুবাই খুব কেঁদেছিল৷ তার বাবাটা রাগী বটে কিন্তু খারাপ নয়৷

    শশাঙ্কবাবু খবরের কাগজ পড়ছিলেন৷ বুবাই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়াল এবং ভয়ে ভয়ে গোটা ব্যাপারটা বলল৷ শশাঙ্কবাবু কাগজটা ভাঁজ করে উঠে দাঁড়ালেন এবং ছেলের গালে প্রচণ্ড এক চড় বসিয়ে দিলেন৷ স্ত্রীকে ডেকে বললেন, ‘ছেলের মাথা খারাপের লক্ষণ দেখা দিয়েছে৷ আজ অফিস থেকে ফিরে ওকে সায়কিয়াট্রিস্টের কাছে নিয়ে যাব৷ ছেলেকে নিয়ে তৈরি হয়ে থাকবে৷ তোমার আশকারায় ছেলের মাথার স্ক্রু আলগা হয়ে গেছে৷ তুমি সামনে দাঁড়িয়ে দেখবে ডাক্তার কেমন করে ওই ঢিলা স্ক্রু টাইট দেয়৷ কাঁদবে না, ডোন্ট ক্রাই৷ মা-ছেলেতে মিলে কান্না জুড়েছ! এটা কি কোনও দুঃখের সিনেমা?’

    ছেলেকে ভবিষ্যৎদ্রষ্টার ভূমিকায় দেখে সকাল থেকে মেজাজ গরম ছিল কিন্তু বোনাসের টাকাটা হাতে পেয়ে শশাঙ্কবাবুর মনটা ভাল হয়ে গেল৷ শশাঙ্কবাবু যে অফিসে চাকরি করেন সেখানে পুজোর বোনাস দেওয়া হয় কালীপুজোর সময়ে৷ বোনাসের টাকা ছাড়াও এবার তিনি সারা বছরের ওভার টাইমের একটা টাকা পেয়েছেন৷ টাকার অঙ্কটা সব মিলিয়ে বেশ মোটাসোটা৷ এর পরে তাঁর মনটা মারাত্মক টাইপের ভাল হয়ে গেল যখন এক সহকর্মী তাঁকে একটা ডিভিডি এনে দিলেন৷ এই ডিভিডিতে সাত-সাতটা ঝাড়পিটের ছবি আছে৷ সিনেমাগুলো দেখার জন্য শশাঙ্কবাবু ছটফট করতে শুরু করলেন৷ কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও বেরতে বেরতে সাড়ে পাঁচটা বেজে গেল৷ আটটার সময় বুবাইয়ের জন্য ডাক্তারের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট৷ ডাক্তার অবশ্য বাড়ির কাছেই বসেন৷ যেতে বেশি সময় লাগবে না৷

    গোটা রাস্তায় খুব জ্যাম৷ বাস গোটা পথটাই প্রায় ঠোক্কর খেতে এল এল৷ শশাঙ্কবাবু যখন নামলেন তখন সোয়া সাতটা বেজে গেছে৷ বাসস্ট্যান্ডে একটাও রিক্সা নেই, চারদিক অন্ধকার, লোডশেডিং৷ টাকার বান্ডিলটা প্যান্টের চোরা পকেটে ঢুকিয়ে দ্রুত হাঁটা দিলেন তিনি৷ সোজা রাস্তায় হাঁটতে গেলে অনেকটা সময় লাগবে তার চেয়ে মিত্তিরদের পোড়ো বাড়ির পাশ দিয়ে শর্টকাট হবে৷ রাস্তাটা বড় জঙ্গুলে৷ ইদানীং পৌরসভা থেকে বড় বড় আলো লাগানো হয়েছে৷ দু’বছর আগেও ভূতের ভয়ে লোকে রাস্তাটা এড়িয়ে চলত৷ কিন্তু এই লোডশেডিংয়ে তো সে সব আলো কোনও কাজেই লাগবে না৷ এ সব ভেবে শশাঙ্কবাবু একটু থমকালেন কিন্তু তার পরেই সব দ্বিধা ঝেড়ে মেন রাস্তা থেকে নেমে গলিপথে ঢুকে গেলেন৷

    বেশ খানিকটা এগিয়ে আসার পরে তাঁর মনে হল, কাজটা ঠিক হয়নি৷ রাস্তাটা এত অন্ধকার যে এক হাত দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছে না৷ ঝিঁঝিঁর ডাকে নৈঃশব্দ্যটা যেন চেপে বসছে গলায়৷ তিনি ঠিক করলেন, আর এগোবেন না৷ পিছিয়ে গিয়ে মেন রাস্তায় উঠবেন৷ কিন্তু পেছন ঘুরতেই কোমরে একটা আলতো খোঁচা খেলেন শশাঙ্কবাবু৷ খোঁচাটা মৃদু হলেও জিনিসটা যে ধারালো সেটা স্পষ্ট বুঝলেন তিনি৷ ঘোরটা কাটিয়ে ওঠার আগেই দু’টো লোক তাঁকে ঘিরে ধরল৷ দুঃসহ অন্ধকারেও তাদের হাতের ইস্পাতের ফলাগুলো চকচক করছে৷ একজন চাপা গলায় বলল, ‘টাকাটা দিয়ে দিন৷ তার পরে ভালয় ভালয় বাড়ি চলে যান৷’

    শশাঙ্কবাবু বুঝতে পারলেন, তাঁর পা কাঁপছে৷ গলা শুকিয়ে যাচ্ছে৷ তীব্র এক মৃত্যুভয় তাঁর পা বেয়ে উঠে আসছে কোমর বরাবর৷ একটা লোক তার হাতের ফলাটা শশাঙ্কবাবুর গালে ছুঁইয়ে দিয়ে বলল, ‘জলদি করুন৷’

    গাল কেটে রক্ত বেরচ্ছে৷ আর কোনও উপায় না দেখে শশাঙ্কবাবু পকেটে হাত ঢুকিয়ে টাকার বান্ডিলটা বার করে আনলেন আর ঠিক তখনই দপ করে রাস্তার আলোগুলো জ্বলে উঠল৷ সেই আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে গেল তাঁর৷ সামলে নিয়েই তিনি এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখলেন; আলোর কাছ থেকে নেমে এসে ঝাঁকে ঝাঁকে শ্যামাপোকা লোক দু’টোর নাকে মুখে চোখে ঢুকে পড়ছে আর তারা পোকাদের কবল থেকে বাঁচতে অন্ধের মতো এদিক ওদিক হাতড়াচ্ছে৷ তিনি দেখলেন এই সুযোগ৷ সামনের লোকটাকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে প্রাণপণে ছুটতে শুরু করলেন৷ ওই তো বড় রাস্তা… আর একটু… আর একটু৷

    বাড়ি ফিরে শশাঙ্কবাবু স্নান করে সোজা ঘরে ঢুকে লিখতে বসে গেলেন৷ স্ত্রীকে বললেন, ‘বুবাইকে এখনই ডাক্তার দেখানোর দরকার নেই৷ আর আমাকে এখন ডিস্টার্ব করবে না৷ খুবই জটিল একটা বিষয় নিয়ে কাজ করছি৷ ও রকম হাঁ করে দেখছ কী? হাঁ করা লোকজন আমি একদম পছন্দ করি না৷’

    শশাঙ্কবাবু নতুন একটা খাতা বার করলেন৷ নতুন প্রবন্ধটার নাম দিলেন, ‘শ্যামাপোকার উপকারিতা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’৷ সিনেমার প্রবন্ধটা এখন ক’দিন পরে লিখলেও চলবে৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    সৌভিক চক্রবর্তী

    নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }