Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন

    May 15, 2026

    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ : সাহিত্যের সেরা গল্প

    May 15, 2026

    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় : সাহিত্যের সেরা গল্প

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ : সাহিত্যের সেরা গল্প

    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এক পাতা গল্প215 Mins Read0
    ⤷

    হরবোলা ছেলেটা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    হরবোলা ছেলেটা

    সকাল থেকে সাদেরালির মনে ধাঁধা, ছেলের পেণ্টুল কাচতে গিয়ে পকেটে কাঁইবিচির সঙ্গে একটা দু টাকার নোট পেয়েছিল।

    বছর দশেক বয়েস হল ছেলেটার। এখনও মাঝে মাঝে বিছানা ভেজায়। শোবার আগে মাথায় ফুঁ, তুকতাক, পীরের সিন্নি, মৌলবির তাবিজ, এমন কী মা ষষ্ঠীর থানের ধুলোতেও ফল ফলেনি।

    পাশের বাড়ির আয়মন বুড়ির এক পেল্লায় মোরগ আছে। ভোরবেলা দরমা থেকে ছাড়া পেলেই সে সাদেরালির খড়ের চালে নখের আঁচড় কাটতে কাটতে মটকায় ওঠে। আর তক্ষুণি টের পায় সাদেরালি। তার কলজেয় নখের আঁচড় পড়ছে খর খর খর খর। একঠেঙে ভিখিরী-সিখিরী মানুষ সে। ক্রাচে ভর করে কষ্টেসিষ্টে সারাটা শীতকাল মাঠে মাঠে ঘুরে চেয়েচিন্তে ওই খড়গুলো এনেছিল। আয়মনের মোরগ চালটা ঝাঁঝরা করে ছেড়েছে। মটকায় চড়ে বাং দিলে পাড়ার মুর্গির ঝাঁকও তার সঙ্গে প্রেম করতে আসে।

    তাই রোজ ভোরে সাদেরালির প্রথম কাজ মোরগ তাড়ানো। দ্বিতীয় কাজ কাঁথাকানির তলায় হাত চালিয়ে ছেলের পেণ্টুল পরখ। ভিজে থাকলে ছেলের ঘরপালানী মায়ের নামে একনাগাড়ে গালমন্দ দেয়। শুকনো থাকলে ওর কপালে হাত রেখে ডাকে, সোনা রে! মানিক রে! হরবোলা রে!

    হরবোলা বলার কারণ, ছেলেটা পাখপাখালি আর জন্তু জানোয়ারের ডাক নকল করতে পারে। যখন আপন মনে একলা হেঁটে যায়, দুপুরবেলার নিঃঝুম ঘোরলাগানো ঘুমঘুম স্বরে ঘু ঘু ডাকে—ঘু ঘু ঘু…ঘু ঘু ঘু। ওই তার যেন নিজের ডাক।

    আগে জীবন্তীর বাজারে বেড়ালের ঝগড়া শুনিয়ে দুটো লেবনচুস কী একটা জিলিপি রোজগার করত। রিকশোওলারা কুকুর শেয়ালের ডাক শুনতে চাইত। এক গেলাস চায়ের লোভে ছেলেটার কচি গলা চিরে যেত। সাদেরালি বারণ করেছিল। খামোকা গলার কষ্ট করা। লোকেরা মাঙনি আমোদ লুটতে চায়। দুনিয়া জুড়ে খালি আমোদগেঁড়ের ভিড়।

    আজকাল বাপব্যাটা আলাদা হয়ে বেরোয়। খোঁড়া মানুষ। খানতিনেকের বেশি গাঁ ঘুরতে বেলা গড়িয়ে যায়। আর ছেলেটা ধুকুর ধুকুর হেঁটে পাঁচ-সাতটা গাঁ সেরে আসে। বাজারের মুখে খালের ধারে বটতলায় দুজনের দেখা হয়। ওখানেই সকালবেলা ছাড়াছাড়ি, সন্ধেবেলা ফের দেখা। কাল সাদেরালি ভেবে সারা হচ্ছিল। মাঠে তখন বুনোপায়রার পাখনায় মুখ গুঁজে থাকার মতো ছাইরঙা সন্ধেবেলাটা ঝিম মেরে আছে। গাঁয়ের গোরস্থানে শিমুল গাছটা কুয়াশার জোব্বা আর টুপি পরে নমাজে দাঁড়িয়েছে। তাকিয়ে তাকিয়ে চোখ ব্যথা। এমন সময় খালের ওপরে কোথাও ঘুঘু ডাকল। ঘু ঘু ঘু…ঘু ঘু ঘু। সাদেরালির বাপের হৃদয় খুব নাড়া খেয়েছিল।

    কিন্তু তখনও টের পায়নি ওর পেণ্টুলের পকেটে একগুচ্চের তেঁতুল বিচির সঙ্গে একটা লালচে নোট আছে।

    একসঙ্গে কে ওকে দু-দুটো টাকা দিতে পারে, কে এমন দয়াল দাতা, সাদেরালির মনে পোকা ঢুকেছে। বটতলা থেকে বাজার, বাজার থেকে কয়েক একর নীচু মাঠ পেরিয়ে বাড়ি পৌঁছনো অব্দি ছেলে তাকে সারাদিনের পুরো বৃত্তান্ত খুঁটিয়ে বলতে ভোলে না। সাদেরালিও জিগ্যেস করতে ছাড়ে না, কারণ তার বাপের মন। আর ছেলেও বাপেরটা জেনে নেয়। কে কত কামাতে পেরেছে, তাই নিয়ে ঠাট্টাতামাশাও চলে। হঠাৎ কাল সন্ধে থেকে তাল কেটে গেছে, সাদেরালি আজ সকালে সেটা ঠাহর করেছে।

    কাল সন্ধে থেকে ছেলেটার মুখে অন্য ভাব। টুকটুকে ফর্সা ছেলেটা ধোঁয়াটে নীল চোখ। মাছের মতো তাকাচ্ছিল লম্ভের আলোয়। আঙুলের ডগায় ভাত ঘাঁটছিল।

    আর কী যেন বলতে যাচ্ছিল অন্ধকারে বিছানায় শুয়ে, সাদেরালির চোখে ঘুমের পাথর তখন। সকালে পেণ্টুল কাচতে গিয়ে তেঁতুলবিচি আর লাল রঙের নোট দেখে একে একে সব মনে পড়েছিল। তারপর থেকে লাল নোটটা তার খুলির ভেতর খসখস করে নড়ে চড়ে বেড়াচ্ছে। মাথা থেকে ভাপ বেরুচ্ছে। বার বার ছেলেকে জেরা করছে। ঠিকঠাক জবাব নেই। খালি বলে, পেয়েছি।

    পেয়েছিস, তো বুলিস নি ক্যানে? ধমক দেয় সাদেরালি। থাপ্পড় তুলে চ্যাঁচায় ফের, একটো লয় আধটো লয়। দু-দুটো টাকা। টাকা কি গাছের ফল?

    ছেলেটা ঘাড় গুঁজে আবার বলে, পেয়েছি।…

    বেরুতে খানিকটা দেরি হল আজ। আলপথে গিয়ে ইটভাটার কাছে সাদেরালি হঠাৎ দাঁড়াল। ছেলেটা পিছনে হাঁটছে। কেমন ঝিমধরা আড়ষ্ট চেহারা। ফাঁড়ির সেপাইদের কাছে পাখপাখালির ডাক শুনিয়ে কবে একটা খাকি পেণ্টুল পেয়েছিল। হিসির দিন ওটা অনিচ্ছাসত্বেও পরতে হয়। পেণ্টুলটা হাঁটু পেরিয়ে ঝোলে। আর এই শীতের হিম থেকে বাঁচতে ওই সাইজেরই একটা ঘিয়ে রঙের সোয়েটার আছে। মেদীপুরের হিঙন আলি হাজি পেল্লায় মানুষ। তার বাড়ি দিনকয়েক রাখালী করতে গিয়েছিল গত বছর। দাতা হাজিসায়েব তাকে টুটাফাটা ওই সোয়েটার পরিয়ে বলেছিলেন, যা ব্যাটা! বাদশা বানিয়ে দিলাম। কদিন পরে হাজিসায়েবের বদনার গুঁতো খেয়ে পালিয়ে আসে। গায়ে তখন সোয়েটারটা ছিল। তারপর আর বাপ ব্যাটা ভুলেও মেদীপুরের দিকে পা বাড়ায় না।

    সাদেরালি চাপা স্বরে বলল, হ্যা রে বাছা, চুরিচামারি করিস নি তো?

    ছেলেটা জোরে মাথা দোলায়।

    ভয় পাওয়া গলায় সাদেরালি ফের বলে, বাপ নাদেরালি! এখনও খুলে বল। আমি তোর জন্মদাতা। চুরি করিস নি তো?

    ছেলেটা এবার ভাঙা গলায় চেঁচিয়ে ওঠে, ন্না।

    তবে কে দিলে টাকা?

    দিয়েছে।

    কে দিয়েছে রে?

    সেই ধোঁয়াটে নীল চোখ। নিষ্পলক মাছের মতো চাহনি। নাকের ফুটো একটু একটু ফুলছে। পাতলা চিমসে রুক্ষু ঠোঁট চাটল একবার। দুপায়ে শিশিরভেজা ঘাসের কুটো, নিস্পন্দ দু একটা পোকাও লেগে আছে।

    উঁচু রাস্তায় এক্সপ্রেস বাসটা জীবন্তীর বাজার ছেড়ে জোরে বেরিয়ে গেল। রোজ সকালে দুজন গিয়ে নৈমুদ্দির চায়ের দোকানে বসে এই বাসটার অপেক্ষা করে। দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে বাসটা। যাত্রীরা চা খেতে নামে। সাদেরালি আর তার ছেলে নাদেরালি দু গেলাস চা আর অন্তত এক টুকরো পাঁউরুটির পয়সা কামিয়ে নেয়। সাদেরালি হেঁড়ে গলায় সুর ধরে বলে :

    ঘরবাড়ি বালাখানা…

    নাদেরালি চেরা গলায় বলে ওঠে :

    রবে না রবে না।

    ধনদৌলত খানাপিনা…

    রবে না রবে না।।

    রূপযৌবন পোশাক আশাক…

    রবে না রবে না।।

    সাদেরালি ফোঁস করে নিশ্বাস ফেলে পা বাড়াল। ছেলের স্বভাব সে জানে। একবার গোঁ ধরলে আর কিছুতেই নোয়ানো যাবে না। জবাই করতে গলায় ছুরি ঠেকালেও না। তবে একথা ঠিক, চুরিচামারি করা স্বভাব নয় ছেলেটার। সেই এতটুকু থেকে দেখে আসছে। শিক্ষা সহবতও দিয়েছে। ন্যায়-অন্যায় ভালমন্দ সমঝে দিয়েছে। বার বার বলেছে, দ্যাখ বাপ! কপালদোষে ভিক্ষ মেঙে খাই বটে, আমরা ভিখমাঙা বংশ নই। নেহাৎ এই পাটা কাটা গেল, শরীলে আধিবেধি ঢুকল। গতর খাটিয়ে খেতে পারিনে বলেই ভিখ মাঙি দোরে দোরে। তুই বড়োসড়ো হ। খাটতে শেখ। তখন আমার জিরেন।…ছেলে বাপের কথা কান করে শুনেছে। জিগ্যেস করেছে, পা কিসে কাটা গেল বাপজী? সাদেরালি একটু হেসেছে।…সে শুনে তুই কী করবি বাছা? সে বড়ো অনাছিষ্টির কথা।

    না শুনে ছাড়বে না। ছেলেটার এই স্বভাব। কথাবার্তা কমই বলে। হাসেটাসেও যৎকিঞ্চিৎ। কিন্তু জেদ ধরলে খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেবে। ঘাড় গোঁজ করে দাঁড়িয়ে থাকবে। একঠেঙে কমজোরী মানুষের পক্ষে তাকে নড়ানো কঠিন। অগত্যা সাদেরালি তার পা খোয়ানোর কাহিনী ইনিয়ে-বিনিয়ে শুনিয়েছে। শোনালে মনটাও হাল্কা হয়। কতজনকে তো শুনিয়ে ছেড়েছে।

    আমার এই পা, বুঝলি বাপ—এই পায়ে হেসোর কোপ মেরেছিল তোর মা। বলেই সাদেরালি ছেলের মুখের দিকে তাকিয়েছে। মনের ভাবটা আঁচ করতে চেয়েছে। মায়ের কথা জানতে-টানতে ওর আগ্রহ নেই কোনদিনও। মা কী জিনিস, হয়তো বোঝেও না। সেই দেড় বছর বয়সে মায়ের সঙ্গছাড়া।

    ক্যানে মেরেছিল বাপজী?

    এই প্রশ্ন শুনে সাদেরালি মুশকিলে পড়ে গেছে। সত্যি কথাটা অতটুকু ছেলেকে বলা যায় না। অথচ খালি মনে হয়েছে, ও জানুক। ওর জানা উচিত। অগত্যা ভেবেচিন্তে সাদেরালি বলেছে, তোর মায়ের সঙ্গে আমার কাজিয়া হয়েছিল।

    ক্যানে বাপজী?

    ভুরু কুঁচকে নিষ্পলক চোখে তাকিয়েছে সাদেরালি। বলবে নাকি, বলা কি উচিত হবে অতটুকু দুধের বাচ্চাকে—তোর মা ছিল খানকী মেয়ে?

    মুখে বলবে কী, মনের ভেতর ছবি এখনও স্পষ্ট। সেই খরার দুপুরবেলাটা চোখের সামনে এখনও জ্বলজ্বল করছে। কাঁকরগড়ার সোলেমান ঠিকেদার রাস্তা মেরামতের কাজে মুনিশ খুঁজতে আসত এ গাঁয়ে। তখন সাদেরালির শরীরে জোর ছিল। মাটি কোপানোর কাজে তার জুড়ি ছিল না। সেই সুবাদে সোলেমান সাইকেলে চেপে তার বাড়ি আসত। বোকাসোকা সরল মানুষ সাদেরালি হুঁশ করে নি কেন ঠিকেদার সকালসন্ধে তার মতো মুনিশখাটা লোকের বাড়ি আড্ডা দেয়। তারপর একটু করে সন্দ জেগে উঠেছিল। এক খরার দুপুরে মাথা ধরেছে বলে সাদেরালি কাজ ফেলে হুট করে বাড়ি ফিরেছিল। এসেই দেখে, উঠোনে দেড় বছরের বাচ্চাটা আপনমনে খেলছে। ঘরের দরজাটা বন্ধ ছিল, ঠেলতেই খুলে গেল। আর সঙ্গে সঙ্গে তাকে ঠেলে বেরিয়ে গেল হারামজাদা সুলেমান ঠিকেদার। ভেতরে আবছা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে মেয়েটা তখন আলুথালু চুল আর গতরের কাপড়খানা সামলাচ্ছে। ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সাদেরালি। গলা টিপে ধরতে গিয়েছিল কিন্তু মেয়েটা যেন তৈরী ছিল। আচমকা হেসো ছুড়েছিল। হেসোটা হাটুর নীচে লাগল। সাদেরালি আর্তনাদ করে বসে পড়েছিল।

    সেই ফাঁকে মেয়েটা বেরিয়ে যায়। দেড় বছরের ছেলেটা তখন মোরগঝুঁটি ফুলগাছটা ছিঁড়ে কুচিকুচি করছে।

    পরে পায়ের ঘা বিষিয়ে যায়। ওই নিয়ে মুনিশ খেটেছে। জলকাদা ঘেঁটেছে। ছেলেটাকে বাঁচিয়ে রাখতে মেহনত করেছে। পা ফুলে ঢোল হয়েছে। যন্ত্রণা বেড়েছে। তখন অগত্যা জীবন্তীর হাসপাতালে গিয়েছিল সাদেরালি। ছেলেটাকে রেখে গিয়েছিল আয়মন বুড়ির কাছে। মাস দুই পরে ক্র্যাচে ভর করে বাড়ি ফিরল। দয়াবতী আয়মন ছেলেটার যত্নআত্তির ত্রুটি করেনি।

    ভেবেছিল, হারামজাদী মেয়েটা ছেলের টানে ফিরে আসবে। আসে নি। আরও কিছুদিন পরে তার বাপ এসে তালাক চাইল মেয়ের জন্যে! লোকের পরামর্শে সাদেরালি পাঁচশো টাকা চেয়েছিল। শেষঅব্দি দুশোয় রফা হয়। সাদেরালি পরে জেনেছিল, টাকাটা সোলেমানের।

    টাকাগুলো পুঁজি করে তিন-চারটে বছর সে কত কী করেছে। একটা গাই গরুও কিনেছিল। দুধ বেচে খাওয়া-পরাটা জুটছিল। তার কপাল! গাইগরুটার কী অসুখ হল। পিরিমল হাড়ি নামকরা গোবদ্যি। সারাতে পারল না। ব্লকে পশুডাক্তার আছেন। সেও ছমাইল দূরে। শেষঅব্দি হাল ছেড়ে দিয়েছিল। নকড়ি কসাই এসে নিয়ে গেল। পঞ্চাশ টাকার বেশি দেয় নি। সেই টাকায় অল্পস্বল্প মনোহারী জিনিস কিনে জীবন্তীর বাজারে হাটবারে গিয়ে বসত। চুড়ি, সেপটিপিন, চুলের ফিতে আর প্লাস্টিকের কাঁটা বেচত। ছেলেটা ভারি বশ। বাপের সঙ্গে ধুকুর ধুকুর হেঁটে আসে। তেলেভাজা খায়। চটের কোনায় চুপ-চাপ বসে থাকে। খোঁড়া সাদেরালি দোকানদারি করে। পুঁজি ভাঙিয়ে পেট চালায়।

    এইসব কথা ছেলেকে ইনিয়েবিনিয়ে অনেকবার বলেছে। শুধু ওই কেলেঙ্কারিটুকু গোপন করেছে। অথচ যত দিন যাচ্ছে তত মনে হচ্ছে, ওকে সবটাই বলা উচিত। ওর জ্ঞান বুদ্ধি হয়েছে। জানুক ওর মা মেয়েটা কেমন ছিল। আজ আট-নটা বছর কেটে গেল। নিদয়া মেয়েটার মনে একবারও ছেলের কথা বাজল না। বড় তাজ্জব লাগে সাদেরালির। লোকের কাছে বরাবর খবর পেয়েছে, হারামজাদী কাঁকরগড়ায় সোলেমান ঠিকেদারের ঘর করছে। খুব সুখেই আছে। কয়েকটা বাচ্চাকাচ্চাও বিইয়েছে! দামী শাড়ি আর গয়নাগাঁটি পরে মাঝেমাঝে শহরে সিনেমা দেখতে যায়। সাদেরালি গাঁয়ে-গাঁয়ে ঘোরে বলেই আবছা নানান কথা কানে আসে।

    কিন্তু ভুলেও সে কোনদিন কাঁকরগড়া যায় নি। না খেয়ে মরে গেলেও ওদিকে পা বাড়াবে না। আর ছেলেটাকেও বলা আছে, হুঁশিয়ার বাপ! কাঁকরগড়ায় যদি পা দাও, আমার মরা মুখ দেখবে।

    ক্যানে বাপজী?

    প্রশ্ন শুনে মুশকিলে পড়েছে সাদেরালি। ছেলেটা মায়ের খবর জানতে চায় না। সাদেরালি তাকে ভুলেও বলে নি, তার মা আছে কাঁকরগড়ায়! অন্য কেউ বলেছে কি না, তাও কৌশলে জেনে নিয়েছে। ছেলেটা এমন কিছু বলে না যাতে বোঝা যায়, ব্যাপারটা সে টের পেয়েছে।

    ফের প্রশ্ন করলে সাদেরালি একটা রূপকথার গল্প শুনিয়েছে ছেলেকে। আহিরজান নামে এক বাদশার ব্যাটা ছিল। সে গেল শিকারে। বনের মধ্যে হরিণ চরে। বাদশার ব্যাটা তীর ছুঁড়ল। সেই তীর বিঁধল হরিণের বুকে। কিন্তু মারা পড়ল না। পালিয়ে গেল গহন বনের ভিতরে। আহিরজান তাকে ঢুড়ে হয়রান। হেনসময়ে দেখা এক ফকিরের সঙ্গে। ফকির বললেন, হরিণ গেছে উত্তরে। কিন্তু হেই বাপ হুঁশিয়ার। ক্যানে? না—সবদিকে যাও, উত্তরে যেও না। গেলেই বিপদ। কি বিপদ? না, ওই হরিণ হরিণ না। তবে কী? না—আক্ষুসী। মানুষের কলজে খায়।…

    দম নিয়ে সাদেরালি অনেক বলেছে, তাই বলি নাদেরালি, সব বাগে যেও। খোদাতালার দুনিয়াটা অনেক বড়ো। ইচ্ছেমতো চরে ফিরে খেও। কিন্তু হুঁশিয়ার, উত্তরে পা দিও না। আর দ্যাখো বাপ, আমি একদিন গোরে যাব। তুমি লায়েক হবে। তখনও কথাটা মনে রেখো।

    উত্তরে কাঁকরগড়া মাইল তিনেকের বেশি দূরে না। পাকা রাস্তায় যাওয়া যায়। মাঠের পথেও যায়। কতবার ওই মাঠ পেরিয়ে দুজনে দূর-দূরান্তের গাঁয়ে গেছে। সাদেরালি ওদিকে তাকালেই চোখে কাঁকর পড়ে। তাকায় নি। ছেলেকেও নানান কথায় ভুলিয়ে রেখেছে। যদি কখনও বলেছে, চলো না বাপজী, আজ ওই গাঁয়ে যাই।

    অমনি সাদেরালি রেগে ধমক দিয়েছে। কতবার বলেছি না ওদিকে যেতে নেই? গেলেই বিপদ। কাঁকরগড়ায় কলজেখাকী ডাইনী আছে।

    ছেলেটা যেদিন থেকে আলাদা হয়ে ঘুরছে, সেদিন থেকে সাদেরালি আরও হুঁশিয়ার। কাঁকরগড়ার কথাটা রোজ সকালে তুলতে ভোলে না। সন্ধ্যাবেলায় ও ফিরে এসে বটতলায় দাঁড়ালো। ছল করে জেনে নেয়, ও তল্লাটে গিয়েছিল নাকি। তবে সাদেরালি বুঝেছে, ছেলে বাপকে ভীষণ মানে। এতটুকু অবাধ্যতা তো কোনদিন করে নি। যা বলে তাই শোনে।

    তবু মাঝে মাঝে কাঁটার মতো সংশয় বেঁধে। নাবালক ছেলে। দৈবাৎ গিয়ে পড়তেও তো পারে। শেষে ভাবে, যদি গিয়েও পড়ে, মাকে তো চিনবে না। আর ও নিদয়া হারামজাদীও ছেলেকে কি চিনতে পারবে? কত ছেলে-পুলে ভিখ মেঙে গাঁয়ে-গাঁয়ে।

    কাল সন্ধেবেলা কি যে হয়েছিল, কাঁকরগড়ার কথাটা অভ্যাসমতো জিগ্যেস করে নি। সকালে পেণ্টুলের পকেটে কাঁইবিচির সঙ্গে লাল নোটটা পেল, তখনও মাথায় আসে নি।

    এতক্ষণে নৈমুদ্দির চায়ের দোকানে বসে চা আর পাঁউরুটি তারিয়ে তারিয়ে খাওয়ার পর সাদেরালি সেই লাল নোটটা বের করল এবং সঙ্গে সঙ্গে তার কলজেয় কী চিড়িক করে উঠল। তার খুলির ভেতরটা ফাঁপা মনে হল কয়েক মুহূর্ত। তারপর দেখল, হাতটা কাঁপছে।

    কোনরকমে পয়সা মিটিয়ে কাঁপা-কাঁপা হাতে সে বাকি পয়সাগুলো ফতুয়ার পকেটে রেখে ক্রাচটা ওঠায়। রোজকার মতো ছেলেটা তাকে অনুসরণ করে। পীচের রাস্তায় ক্রাচটা আওয়াজ করে সাদেরালি একটু জোরেই হাঁটতে থাকে। সাঁকো পেরিয়ে খালের ধারে বটতলায় গিয়ে দাঁড়ায়।

    এখানেই দুজনে ছাড়াছাড়ি হবে। কে কোন গাঁয়ে যাচ্ছে, পরস্পরকে জানাবে।

    কাল সকালে ছাড়াছাড়ির সময় ছেলেটা হাসি মুখে বলেছিল, আজ আমি চণ্ডীতলা যাব বাপজী! নাককাটীর গান শুনে অনেক চাল দিয়েছিল।

    নাককাটীর গানটা সাদেরালি শেখায় নি! কী ভাবে কোথায় শিখেছে কে জানে।

    …নাকটি ছিল বাঁশির মতো

    কতজনায় দেইখ্যে যেতো

    পথেঘাটেতে হায় গো…

    মোড়লবুড়া বদের গোঁড়া

    কেইট্যে লিলে নাকের গোড়া

    পথেঘাটেতে হায় গো…

    গানটা শুনলে সাদেরালি হাসিতে গা ঘুলোয়। সে বলেছিল, তাই যাস চণ্ডীতলা।

    তা পরে যাব কাপাসী।

    তাই যাস বাপ! যেথা মোন চায় যাস। হরবোলার খুব কদর হয়েছে। তার কুকুর ডাক শুনে গাঁয়ের সব কুকুর ছুটে এসেছিল। বাপ-ব্যাটায় হেসে খুন। খানিক পরে ছেলেটা খালের ধার দিয়ে চলে গেল। ঘু ঘু ঘু…ঘু ঘু ঘু…দূর থেকে ভেসে আসছিল তার ঘুঘুপাখির ডাক।

    আজ বটতলায় দুজনের মনে অন্য ভাব। মুখে থমথমে ছায়া কাঁপছে। সাদেরালি ভুরু কুঁচকে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। ছেলেটা তাকিয়েই দৃষ্টি সরালো। ধোঁয়াটে নীল চোখে দূরের দিকে তাকাল। রুক্ষু ঠোঁটটা চাটল একবার। তারপর ঘড়ঘড়ে গলায় সাদেরালি ডাকল, নাদেরালি!

    হাঁ?

    তুই কাল কাঁকরগড়া গিয়েছিলি, তাই না?

    হুঁ।

    দম আটকানো স্বরে সাদেরালি বলে, হুঁ! তাই বটে। তো টাকাটা তোকে কাঁকরগড়ায় দিয়েছে?

    ছেলেটা গলার ভেতরে বলে, হুঁ।

    হাঁ করে দম নেয় সাদেরালি। তারপর শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে বলে, তো মরদমানুষ দিলে, কী মেয়েমানুষ দিলে টাকাটা?

    ছেলেটা মুখের দিকে তাকায়।

    সাদেরালি গর্জন করে, মরদমানুষ, কী মেয়েমানুষ?

    বাপের মূর্তি দেখে নাদেরালি কাঁপা-কাঁপা স্বরে বলে, একটা মেয়েমানুষ দিলে। আমি…আমি তেঁতুলতলায় কাঁইবিচি কুড়িয়ে দীঘির ঘাটে গেলাম। পানির পিয়াস লেগেছিল। তাপরে—তাপরে কলজেখাকীটা ধরে নিয়ে গেল।

    হঠাৎ হু হু করে কেঁদে ওঠে ছেলেটা। তখনি খোঁড়া লোকটা তার কাঁধ খামচে ধরে। থাপ্পড় মারে গালে। নেমকহারাম!

    ছেলেটা পড়ে যায়। কান্না সঙ্গে সঙ্গে থেমে গেছে। নিষ্পলক তাকিয়ে বাপের মার খায়। সাদেরালি হাঁফাতে হাঁফাতে তাকে টেনে ওঠায় ফের। বেধড়ক মারতে থাকে। কষা কেটে রক্ত ঝরে। হিঙন হাজির ঘিয়ে রঙের সোয়েটারে ধুলো আর রক্তের ছোপ।

    সাদেরালি চ্যাঁচায়, আজ থেকে তুই ফের আমার সঙ্গে ঘুররি। তারপর পকেট থেকে সেই পয়সাগুলো ছুড়ে ফেলে খালের জলে। বার বার থুতু ফেলে। ছেলেটা আস্তে আস্তে উঠে বসল।

    কিছুক্ষণ পরে ছেলেটার কাঁধ খামচে ধরে সে মাঠের পথে নেমেছে। খোদাতালার আসমানকে শুনিয়ে বলছে, আজ আমি শুওর খেলাম। যতদূর যায়, খোঁড়া লোকটা ধুয়োর মতো আওড়ায় কথাটা।

    কাঁকরগড়ার দীঘির ঘাটে আনমনে দাঁড়িয়ে আছে সোলেমান ঠিকেদারের বউ। পাড়ের তেঁতুলবনে বৃষ্টি। কাঁকে একটা পেতলের ঘড়া।

    ঘু ঘু ঘু…..ঘু ঘু ঘু!

    তেঁতুলবনে ঘুঘু ডাকল। হরবোলা ছেলেটা এসে গেছে। হেই বাপ! আর অমন করে গাঁয়ে গাঁয়ে ভিখ মেঙে ঘুরিস নে। সোনার গতর কালি হয়ে যাবে। রোজ এই তেঁতুলতলায় এসে দাঁড়াস। রোজ তোকে টাকা দেব। চাল দেব। খন্দ দেব। পেণ্টুল দেব। জামা দেব। সব দেব।

    চঞ্চল চোখে চারদিকটা দেখে নিয়ে সোলেমানের বউ পাড়ে ওঠে। কেয়া ফণিমনসা নাটাকাঁটার জঙ্গলে চুপিচুপি হেঁটে যায়। ঘুটিঙ কাঁকরে ঢাকা মাটিতে পায়ের তলায় কষ্ট। আর ওই ঘু ঘু আজ তুরপুনের মতো ঘুরে ঘুরে কলজের শুকনো ঘায়ে ঢুকে যাচ্ছে। বড্ড টাটায়।

    ঘু ঘু ঘু…ঘু ঘু ঘু!

    বুকের কাছে চালের পুটুলিটা লুকোনো, তাতে একটা দশ টাকার নোট। ঠিকাদার টের পেলে জবাই করবে। রূপসী বউয়ের আর সে রূপ নেই। চুলেও পাক ধরেছে একটা দুটো। ঠিকেদারের চোখে আর সেই নেশার রঙটা খেলে না। কথায় কথায় তেড়ে আসে। শহরের মেয়ে নিকে করে আনবে বলে শাসায়।

    তেঁতুলবনে ঢুকেই সোলেমান ঠিকেদারের বউ থমকে দাঁড়ায়। জাং দুটো ভারী লাগে। মাথার ওপর ডালপালায় বসে একটা ঘুঘু ডাকছে।

    রাগে দুঃখে সে বলে ওঠে, মর মর! তারপর মাঠের দিকে তাকিয়ে থাকে ঝাপসা চোখে। বিশাল মাঠ হু হু করে জ্বলে। কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর আস্তে আস্তে ঘাটে ফিরে আসে। ভাবে, তাহলে কি একটা স্বপ্ন দেখেছিল? ঘড়ায় জল ভরে তেঁতুলবনের দিকে তাকাতে তাকাতে সে বাড়ি ফেরে। হরবোলা ছেলেটা এল না। কিন্তু কাল থেকে তার মাথার ভেতর যে ঘুঘু পাখিটা ঢুকে গেছে সে সমানে ডাকছে আর ডাকছে।

    আর তখন দূরের গাঁয়ে এক মোড়লের বাড়ির উঠোনে হরবোলা। ছেলেটাকে মেয়েরা সাধাসাধি করছে ঘুঘু পাখি ডাকতে। সে পাথরের মতো চুপ। তার খোঁড়া বাপটা তার চুল খামচে ধরলে এবার সে কাঁদে আর শুধু বলে জানি না।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসন্দীপন চট্টোপাধ্যায় : সাহিত্যের সেরা গল্প
    Next Article এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন

    May 15, 2026
    Our Picks

    এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন

    May 15, 2026

    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ : সাহিত্যের সেরা গল্প

    May 15, 2026

    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় : সাহিত্যের সেরা গল্প

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }