Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ : সাহিত্যের সেরা গল্প

    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এক পাতা গল্প215 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আত্মজ – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    আত্মজ

    সোনাবাবুর বৃত্তান্ত শুনে গদীতে সবাই হেসে খুন। এ আর নতুন কথা কী, সবাই জানে শ্রীমান পাঁচু ওরফে পঞ্চানন্দ কী ছেলে। মাল ফেরত দিয়েছে এই যথেষ্ট। বোঝা যাচ্ছে, সোনাবাবুকে ভীষণ ভয় ভক্তি করে। তা না হলে এতক্ষণ দুতিনদিনের মতো কোথায় উধাও হয়ে যেত। ফিরে এসে মার খেলেই বা কী? ওর গায়ের চামড়া কালক্রমে দারুণ শক্ত হয়ে গেছে। পাঁচু বরং খুশি হয়ে বলে ভালো হল। অনেকটা খারাপ রক্ত জমেছিল—সব বেরিয়ে গেল! এখন আমার কী মজা!

    সেই সঙ্গে দুহাত তুলে ধেই ধেই নৃত্য করাও ওর অভ্যাস। ফের তাড়া করলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। সে-বেলার মত দুমাইল দূরে একটা ব্রীজে গিয়ে বসে থাকে। জলের দিকে তাকিয়ে নিজের প্রতিবিম্বকে ভ্যাংচায়। থুথু ফেলে। নাক ঝাড়ে। ঢিল ছোঁড়ে।

    সোনাবাবু এটা আবিষ্কার করল বিকেলের দিকে। আচমকা পিছন থেকে জামার কলার ধরতেই পাঁচু তন্ময়তা ভেঙে বলে উঠল, আবার কী দাদু?

    ও এত নির্বিকার। সেইজন্যে সোনাবাবুর মাথা খারাপ হয়ে যায়। উঠন্ত হাতের মুঠো খুলে অবশ শরীরে সোনাবাবু হাসে।… ব্যাটা জ্যান্ত মানুষ নয়, সাক্ষাৎ প্রতিমূর্তি।

    তবে এই প্রতিমূর্তিটির চেহারা বড় সুন্দর। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকলে এবং ফরসা জামাকাপড় পরলে ওকে ভদ্রপরিবারের ছেলে মনে হওয়া স্বাভাবিক। বেথুয়াডহরির জ্যাঠশ্বশুর সেদিন সোনাবাবুর বাড়ি এসেছিলেন। পাঁচু তাকে কিংবা তিনি পাঁচুকে এমনভাবে গ্রাস করেছিলেন যে সামান্যতেই ‘সতী, তোর দেওরটি কোথা রে’ বলে সারাটি দিন হাঁক-ডাক। সোনাবাবু যথারীতি ততবার জানিয়ে দিচ্ছিলেন, ও আমাদের ইয়ে—বয়…মানে চাকর ফাইফরমাস খাটে। তার বউ সতী মুখ টিপে হাসছিল। আড়ালে সোনাবাবু তাকে ধমকেছিল—হেসোনা ত, গা জ্বালা করে! যেমন উনি, তেমনি এই শুয়ারটা, আর তেমনি হচ্ছ তুমি! আজই ওর ঘাড় ধরে বের করে দেব!

    সেটা সম্ভব হয়নি। সোনাবাবুর পায়ে সবে বাত ধরেছে। রাত্রের দিকে পাঁচু হাঁটুর নীচে থেকে পায়ের আঙ্গুল অব্দি ম্যাসেজ করে দেয়। চোখ বুজে সোনাবাবু বলে, আঃ, বাঁচালি বাবা! রাত্তিরটা ঘুমুতে পারব মনে হচ্ছে।

    ওদিকে সতীর কোমরে বেদনা আছে আজ সাত বছর। তার ওই জ্যাঠা আবার হোমিওপ্যাথির ডাক্তার। তিনি বলেছিলেন, পিকচঞ্চু অস্থিপ্রদাহ। ফস্ফরাস থেকে শুরু করা যাক। কিন্তু ফস্ফরাস থেকে সুরু হয়ে ফস্ফরাসেই শেষ হয়ে গেল। সোনাবাবুর বুকে এসে সতী দেখেছে, সেই টু হান্ড্রেড এক্স ফস্ফরাস (হোমিওপ্যাথি গুরু হ্যানিম্যান মতে) আচমকা ঝাঁকুনি খেয়ে শক্তি বাড়তে-বাড়তে থাউজেন্ড এক্স হয়ে উঠেছে। তুষের আগুন কোষে ধিকধিকি জ্বলে।

    সে রাতে অন্য রাতের মতই সতী উপুড় হয়ে শুলে চিরকিশোর পঞ্চানন কোমরে পালোয়ানি করছে, সোনাবাবু আড়চোখে জুলজুল চোখে তাকিয়ে দেখছে—যেন সবুজ মখমল ঘাসের জমিতে চিতা বাঘের বাচ্চা খেলা করছে আপন মনে। রাগ হয়, ভয় করে আবার ভালোও লাগে।

    মনসাতলা ব্রীজ থেকে ওকে নিয়ে যখন সোনাবাবু ফিরে এল, সতী ঘর বার করছিল এতক্ষণ যেন। বিকেলে পশ্চিমের আকাশে থাকে থাকে রাঙা মেঘ জমে আছে। ইট ভাটার ওদিকে খোলামেলায় মজুরনীরা উনুন জ্বেলেছে—সেই ধোঁয়া উঠছে সবুজ গাছপালায় মাখামাখি। খাল পোলের কাছে রেলিঙে হেলান দিয়ে রিকশোওলারা চায়ে গ্লাস হাতে জালে মাছ পড়া দেখছে। রাস্তার দুপাশে সারবাঁধা দোকান পাটে আশেপাশের গ্রামের লোকেরা আড্ডা দিচ্ছে। দত্তর গদির সামনে একটা লরি দাঁড় করানো। পাটের গাঁট বোঝাই করছে কুলিরা। দালাল হবিবুর সোনাবাবুকে দেখে বলল, পেলেন? যাবে আর কোথা? তবে সবই বরাতের ফের সোনাবাবু বুঝলেন? হয়ত কোন সদ্বংশের ছেলে—তার নসীবে কী ছিল দেখে নিন। …হবিবুর পানখেকো লাল বিচ্ছিরি মুখব্যাদান করে হাসল। ….চেষ্টা করে দেখুন, স্বভাব চরিত্তির শোধরায় নাকি। তবে সাবধান হতে ভুলবেন না কিন্তু।

    সোনাবাবু গজগজ করে উঠল। …আমার দায় পড়েছে! যাদের দায়, তাদের হাতেই তুলে দেব ব্যাটাকে। রামধোলাই খেলেই ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। মানুষের আত্মাসুদ্ধ তারা ধুয়ে সাফ করে দেয়।

    টের পেয়ে সুরসিক পাঁচু খিলখিল করে হাসল। …তাতেও পাঁচু মরবে না! আমার আত্মাটা খুব চালাক। আমিই হয়রান হয়ে যাই। বাপরে! বাপ!

    সোনাবাবু ঘাড় ঘুরিয়ে বদরাগী মোষের মত পাঁচুর মুখটা দেখে নিয়ে বলল, ব্যাটা বিদ্যেদিগগজ। আত্মা! আত্মা কী দেখেছিস? জানিস?

    পাঁচু তা জানে না। দেখতেও পায় না। শুধু বোঝে। বুঝতে পারে আত্মা আছে একটা। পাঁচু খুশি হয়ে বলল, দাদাবাবু হই যে—দেখুন, নিশানা করে দেখুন—দেখতে পাচ্ছেন—চাঁইপাড়ার কাছে খালের ওপারে একটা লঙ্কার ক্ষেত—দেখতে পেলেন?

    হাঁ করে সোনাবাবু বলল, তা কী হয়েছে?

    গম্ভীর—ঈষৎ বিষণ্ণ পাঁচু ভ্রূ কুঁচকে সেইদিকে তাকিয়ে বলল, এ্যাদ্দুর থেকে আমি দেখি দাদাবাবু—পষ্ট দেখি। কি না, একখানা লঙ্কার খেত। ঝাড়গুলো সব মস্তো বড়। থোকা থোকা লঙ্কা ধরেছে।

    সোনাবাবু অবাক। এত অবাক যে কথা বলতে ভুলে যান।

    পাঁচু বলে…এ্যাদ্দুর থেকে পষ্ট দেখছি। নোলায় জল ঝরছে দাদাবাবু। আঃ!

    ব্যাটা হনুমান! সোনাবাবু ওর হাত ধরে টানেন। অদূরে দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে সতী। সেইদিকে চোখ গেছে। হাতে চিরুণী, এলানো চুল বুকের ওপর। কপালে লাল টিপ। সাদা ঝকঝকে তাঁতের শাড়ী পরেছে। হাতাকাটা লাল জামার দুপ্রান্তে দুটো নিটোল বাহুতে আগুন জ্বলছে। মাথা কাত করে চুলে চিরুণী চালিয়ে ঠোঁটটা চাপা হাসির বাঁকা ছাঁদে রেখে সতী এদের দেখছে। হঠাৎ সোনাবাবুর মনে হয়, জীবনের সব ব্যাপারেই সতী বড় নিশ্চিন্ত যেন। যেন কী কী হবে বা না হবে, সব জেনে বসে আছে ও।

    দরজার মুখে এসে সোনাবাবু বলেন, লঙ্কাকাণ্ড করবে তোমার হনুমান। সামলে রেখো। ওখানে কোথায় কার লঙ্কাখেত রয়েছে—ওর দৃষ্টি এবার সেইখানে। দেখো, কাল আবার চাঁইপাড়া থেকে কেউ নালিশ না আনলে বাঁচি।

    সতী জবাব না দিয়ে ভিতরে ঢুকল। একটুকরো উঠোন—দুকামরা সেকেলে একতালা ঘর, বারান্দায় দরমা-বেড়া দিয়ে তৈরী রান্নাঘর। পিছনে পেত্নীঝোপ নাটাকাঁটা ভাঁড়ুলে গাছে ভরা একটুকরো পোড়ো জমি পেরোলেই খাল। এখন সেচদপ্তরের দৌলতে খাল বলা হয়। আগে ছিল ছোট্ট নদী—বাঁকে বাঁকে চলে গঙ্গাবাহিনী দ্বারকায় মিশেছে বহু দূরে। উত্তরে দিগন্তবিস্তৃত বিল তেলকার থেকে জল নিষ্কাশনের জন্যে নদীটা ভদ্রচেহারা পেয়েছে একালে।

    হাইওয়ের দুপাশে এমনি সব বাড়ি আর দোকানপাট। খুব বেশি নয়—ত্রিশ থেকে চল্লিশ বড় জোড় সংখ্যায়। ক্রমশ বাড়ছে বসতির সীমানা। এলাকার সেরা ব্যবসাকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এরা সবাই বাইরের লোক। অবাঙালীর সংখ্যা কম নয়। সোনাবাবু লছমনজীর গদীতে চাকরী নিয়ে এখানে এসেছে। বহরমপুরে মূল আড়ত—এখানে তার নতুন শাখা। খৈল তেল লঙ্কা ডাল—নানান পাইকারী কারবার। লছমনজীর ভাইপো নন্দলাল এখানে দেখাশোনা করে। সোনাবাবু সদর থেকে একরকম বদলী হয়েই এখানে এসেছে।

    নন্দলালের জীপ আছে। বয়সে নবীন এবং খামখেয়ালী। মাঝে মাঝে প্রায়ই কোথায় উধাও হয়ে যায়। সব জিম্মা দিয়ে যায় সোনাবাবুকে। প্রবীণ বিশ্বাসী কর্মচারী। পাই পয়সাও গরমিল হয় না। সেই পুরস্কারে বাড়িভাড়া লাগে না তার। বাড়িটা কোম্পানী কিনেছিল পাশের গ্রামের রাজীব ডাক্তারের কাছে। ওটা ছিল তার ডিসপেনসারি। ডাক্তারের ছেলে ডাক্তার হয়নি। হয়েছে প্রাইমারি শিক্ষক। অভাবে বেচে ফেলেছিল।

    বাড়ি ঢুকে সোনাবাবু বলল, নাও, মানিককে দেখ। আমি গদীতে যাই। আর…এবেলা কী রান্না করছ?

    কয়েকমিনিট অপেক্ষা করেও কোন জবাব না পেয়ে বিরক্তমুখে সোনাবাবু চলে যান। এবার সতী আঁচড়ানো চুল গুছিয়ে খোঁপামত করে পাঁচুকে বলে, কী রে রাজপুত্তুর? দুপুরে খেলি কোথায়? হুঁ…মুখ দেখেই বুঝেছি, কোথায় কার ঘাড় ভাঙা হয়েছে।

    আল্হহলাদিত পাঁচু কলতলায় সযত্নে হাত পা ধুতে ধুতে বলে, আমার মুখখানাই এরকম।

    সতী একটু এগিয়ে আসে। …প্যাণ্টটা কী করেছিস রে! ছি, ছি! ধুলোয় ঘষেছিস হতভাগা?

    চোঙা প্যাণ্টের পাছা ঝাড়ে পাঁচু—শশব্যস্তে। কাঁচুমাচু হাসে। তারপর পা ধুয়ে সাবধানে হাওয়াই স্লিপার তুলে নেয়। এবার তার আচরণে বেশ ভদ্রতার লক্ষণ ক্রমশ প্রকট হবে।

    সতী হঠাৎ জামাটা খামছে ধরেছে।…কালকের কাচা জামার এ—ই ছিরি করেছিস? তুই কি কচি ছেলে, গাল টিপলে দুধ বেরোয়?

    পাঁচু মাথা দুলিয়ে জানায়, বেরোয়।

    জামা ছেড়ে মাথায় আলতো চাঁটি মারে সতী। বলে, ঘড়ি পরার খুব সখ হয়েছে তো বললেই পারতিস! মিছেমিছি মারধোর খেলি।

    তুমি দিতে বুঝি? পাঁচু ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে বলে।

    সতী হাসে মাত্র।

    পাঁচু বলে, চুরি তো করিনি। আমি চুরি করি নে। চোর নই।

    কী করিস তবে? সতী সকৌতুকে বলে।

    পাঁচুর জবাব : ফক্কুরি।

    সেটা অন্তত আজকের ব্যাপারে ঠিকই। ভোরবেলা থেকে বাড়ির জিনিসপত্র ওলটপালট করে ফেলা হচ্ছে, সোনাবাবু ষাঁড়ের মত সবখানে গুঁতো মেরে চলেছেন, হাতঘড়িটার পাত্তা নেই। হঠাৎ পাঁচুর দিকে চোখ যেতেই মনে পড়ে গিয়েছিল, আরে তাই তো! পাঁচু ছাড়া এ কীর্তি আবার কার? জীবন্তীবাজারে পাঁচু এ কারণে বিখ্যাত। জেনেশুনেই জায়গা দেওয়া হয়েছে তাকে—নিতান্ত মায়ার বশে। অত সুন্দর ছেলেটা শুধু মারধোর খায় আর টো টো করে ঘোরে! হয়ত নেয় তুচ্ছ সামান্য কিছু জিনিস—মার খায় অসামান্য। ও রাতের চোর নয়,—ওর প্রকৃতি ভিন্ন। যাকে বলে হাত-লপকা, কিঞ্চিৎ ছিঁচকেমি মাত্র। তার জন্যে দত্তরা ওর মুখে রক্ত তুলে দিচ্ছিল দেখে ঝোঁকের মুখে সোনাবাবু—কতকটা জেদেও বটে, ওকে নিজের বাড়ি এনে রেখেছিল। টুকিটাকি ফরমাস খাটবে আর থাকবে। অল্পস্বল্প সখআহ্লাদ বা সাজপোশাক যা লাগবে, দেবে। তিনকূলে কে আছে, হদিস নেই। ছেলেবেলায় কোন লরির ড্রাইভার ওকে কোত্থেকে এনে এখানে নামিয়ে দিয়েছিল, সেই থেকে এখানে ও বেঁচে আছে। মুখ দেখলে মায়া হয়—কী একটা আছে ওর মুখে। লোকে জ্বালায় পড়ে মারেও যত, ভালবাসেও ততখানি। আর পাঁচুও জীবন্তী ছেড়ে কোথাও যাবার নাম করে না। সোনাবাবু ভেবেছিল, মানুষের এই একটা ব্যাপার আছে। ঘর পাওয়ার ব্যাপার। মানুষের জীবনটা কেবল ঘর খোঁজার তালেই কেটে যায়। ভাগ্যে কারুর মিলে গেলে তার আর নড়া হয় না—গাছের মত শেকড় বসিয়ে স্থির থেকে যায় আমরণ। পাঁচু তার ঘর পেয়েছে। সেই ড্রাইভারকে তার প্রণাম করা উচিত। …আর আমি? আমি সোনাবাবু কি পেয়েছি? পেলাম ঘর? পাগল! ও ঘর তো সতীর। সতী তাই নিশ্চিন্ত—পাঁচুর মতই।

    হ্যাঁ, পাঁচু ঘড়ি ফেরত দিয়েছিল সঙ্গে সঙ্গে। হেসে না ফেললে হয়ত কবুল করানো যেত না। দিব্যি তলপেটের কাছে ঝুলিয়ে রেখেছিল প্যাণ্টের আড়ালে। বলল, মজা দেখছিলাম এতক্ষণ।

    ওই কথাটা না বললে মার খেতো না সে। এমন কি সতীও দূরে দাঁড়িয়ে মজা দেখত না। সতীর হাতে ছিল ঝুলঝাড়াটা—সেই দিয়ে যতখানি পারা যায়, পাঁচুর খারাপ রক্ত বের করা হল। এক ফাঁকে পাঁচু উধাও। তখন খবর গেল গদীতে। সোনাবাবু এল। খুঁজতে বেরল। সতী চোখমুখ লাল করে বসে আছে।

    জেনেশুনেই তো বিষ গিলছি। সোনাবাবু বলছিল। স্বগতোক্তি কতকটা। আর একটা ছড়া কাটল শেষে।…বেদের মরণ সাপের হাতে। নির্ঘাৎ!

    সন্ধ্যার দিকে সতী যখন রান্না করছে, পাঁচু পাশে বসে ময়রামালির বাড়ি ফুলফলের গাছপালা দেখার কথা বলছে, কারণ ওখানে বসেই সে অবিকল সব দেখতে পাচ্ছে তার খুঁটিনাটি বর্ণনা—সেইসময় একবার হন্তদন্ত সোনাবাবু বাড়ি এল। সোজা ঘরে ঢুকে খুটখাট কী নাড়াচাড়া করে ফিরে গেল। সতীর ওপর তখন থেকে সম্ভবত কিঞ্চিৎ অভিমান—কী রাঁধবে বলেনি সে।

    সোনাবাবুর চলে যাওয়া দেখে পাঁচু বলে, কী হল দাদাবাবুর?

    সেদ্ধডিমের খোসা ছাড়াচ্ছিল সতী। চোখ তুলে তাকায়। কী হবে?

    পাঁচু কেমন হাসে।… কেমন যেন! খুব তোলপাড়—জলে ঢিল পড়ে দেখেছ?

    সতী গম্ভীরমুখে বলে, তুই দেখিস, তাহলেই হবে। আদিখ্যেতা।

    এ বেলা খাঁকি একটা হাফপ্যাণ্ট পরেছে পাঁচু। গায়ে একসাইজ গেঞ্জী। উবু হয়ে বসে আছে—হনুমানের মত। ফরসা ঊরু বা হাঁটুর নীচে অব্দি কালচে লোম। সতী চোখ ফিরিয়ে নেয়। কোমর কটকট করছে সারাটা দিন। সকাল থেকে বিকেল ওই ঝামেলা—পাঁচুর পাত্তা ছিল না। রান্না হয়ে গেলে শোবে একবার। তখন টিপিয়ে নেবে। সতী হঠাৎ চমকে উঠল। পাঁচু তার দিকে তাকিয়ে আছে এতক্ষণ! কী দেখছে?

    চাউনি দেখে পাঁচু আমতা হাসে। বলে, দাদাবাবুর কথা ভাবছি।

    সতী ধমকায়।….খুব ভাবুক তুই!

    হ্যাঁ। দাদাবাবুকে মোমবাতির মতন লাগছে। কেন গো বউদি?

    কিসের মত?

    মোমবাতি।

    মুহূর্তে হেসে গড়াগড়ি সতী। বড় মজার-মজার কথা বলে ছোঁড়াটা। হাঁরে, এতসব শিখলি কোথায়?

    গুরুমশায়ের পাঠশালায়। পাঁচুর সপ্রতিভ জবাব।

    সে আবার কোথায়? সতীর সকৌতুক প্রশ্ন ফের।

    পাঁচু বলে, জানো বউদি—আমি যা ইচ্ছে দেখতে পাই। এই যে তুমি বসে রয়েছ, কথা বলছ—পষ্ট দেখছি তোমার মনটা।

    সতী বলে, ইস! কই, বল তো কী দেখছিস?

    তুমি—তুমি আজ অনেকক্ষণ কোমর টেপাবে। কিন্তু আমার হাতের আঙ্গুল মেরে ফাটিয়ে দিয়েছ—এই দ্যাখো না—পাঁচু দেখায়। তারপর বলে, তাই ভাবছ। আর…

    আর কী রে?

    দাদাবাবু কাল একগাদা টাকা এনেছেন গদী থেকে—বালিশে ভরা আছে। ভাবছ, তাই তো পেঁচো রয়েছে…

    কী বললি? সতীর হাতের কাজ কাজ থেমে গেছে।

    হুঁ। আমি জানি।

    জানিস? দেখেছিস?

    হুঁউ।

    সতী চুপ করে যায়। গত পরশু, নন্দলাল গদীতে নেই, ক্যাশের টাকা এনে রেখেছে সোনাবাবু। বুদ্ধি করে বালিশের ভিতর রাখাই সঙ্গত মনে করেছিল ওরা। কিন্তু তাও পাঁচু টের পেল কোন মন্ত্রবলে?

    কিছুক্ষণ নিঃশব্দে ডিমের খোসা ছাড়িয়ে সতী ওঠে। পা বাড়াতে গিয়ে কি ভেবে এনামেলের গামলায় একটা থালা চাপিয়ে দেয়। তারপর বলে, গুঁড়ো হলুদ ফুরিয়েছে। এক্ষুনি এনে দে। এই নে পয়সা।

    পাঁচু উঠে কাঁচুমাচু মুখে বলে, পাঁচটা পয়সা দেবে?

    সিগ্রেট খাবি তো? সতী চোখ পাকায়।…ওই থেকে নিস। আর দ্যাখ, পটলীর মাকে একবার ডেকে দিস। বলিস, ভীষণ দরকার, বউদি ডাকছে। এক্ষুনি। কেমন?

    কিছু সন্দেহাকুল দৃষ্টে তাকিয়ে থেকে পাঁচু বেরোয়। সতীর বুকে হাতুড়ি পড়ছিল। কী সুন্দর চাউনি—অথচ এ কী চোখ ছেলেটার? যেন হৃৎপিণ্ডটা দেখছে ধুকধুক করতে। আর তার হাত? সেও কম ডাকাত নয়। অনেক গভীরকে ছোঁয় যেন। সেই তো কোমর টেপার আরাম!

    ঘরে ঢুকে আগে বালিশ নিয়ে পড়ে সতী। ওয়াড় খুলে ক্ষিপ্র হাতে তুলোর ওপরটা টেপে। এক…দুই…তিন…চার…পাঁচ! ঠিক সাজানো আছে বাণ্ডিলগুলো। ভাগ্যিস নেয়নি! বেডকভারের নীচে বালিশটা ঠেসে দিয়ে (ওটা সোনাবাবুর বালিশ) সে বেরিয়ে আসে। দরজায় তালা দেয়। চাবির গোছা ব্লাউজের ভিতর রাখে।

    তবু অনেকক্ষণ বুক কাঁপে সতীর। জ্বরোভাব সর্বাঙ্গে—এ কী অচেনা আড়ষ্টতা—মাথা ধরা বমির উদ্রেক। বড় বিচ্ছিরি একটা অস্বস্তি!

    একটু পরেই পাঁচু এল। নিজের মনে হলুদের কৌটো খুলে প্যাকেটের হলুদ ঢালে সে। ঢালতে ঢালতে বলে, পটলীর মাকে কেন? আবার বাবার বাড়ী যাবে নাকি? সর্বনাশ!

    সতী মধ্যে মধ্যে বাবার বাড়ী গেলে পটলীর মা এসে থাকে। রান্না বান্না কাজ কর্ম করে। সোনাবাবু তো কুটো ভেঙ্গে দুটো করবে না—এমন গোঁফখেজুরে মানুষ। পাঁচুর প্রশ্ন শুনে সতী মুখ টিপে হাসছে। বলে, গেলে তোর খেতে দেতে কষ্ট হয় নাকি রে?

    হাত দুটোয় বিকট গলাটেপা ভঙ্গী করে পাঁচু বলে, হাত নিসপিস করে। মাইরি বউদি!

    নিসপিস করলে দাদাবাবু তো আছেন।

    মাথা নাড়ে পাঁচু। বলে, ধুস! শুধু হাড়—মটমট করে যে!

    সতী কেমন হাসে নিষ্পলক তাকিয়ে। কথা বলে না।

    পাঁচু তিরিক্ষি গলায় বলে ওঠে, হেসো না—গলা জ্বলে যায়!

    জ্বলজ্বলে চোখে তাকিয়ে সোনাবাবু দেখছে—টেবিল বাতির অল্প আলোর মৃদু আভা ঘরে, উপুড় হয়ে চোখ বুজে শুয়ে আছে সতী, পীঠে হাঁটু গেড়ে বসেছে অসুরের মত চিরকিশোর পঞ্চানন্দ, এবং ফাটা আঙ্গুলে সাবধানে পিকচঞ্চু অস্থিটিতে চাপ দিচ্ছে। ঘন ঘন করে নোংরা ফ্যানটা ঘুরছে বিছানার ওপর। শরতের প্যাচপ্যাচে গরম। নন্দলালের সবিশেষ অনুগ্রহ ছাড়া ঘুমানো দায় হত। আর ওই পেঁচোটা—চোর ছ্যাঁচোড় যাই হোক, না জুটলে অনেক অশান্তি থাকত জীবনে। এখন তো মোটামুটি সুখী সোনাবাবু। সুখী—তবে নিশ্চিন্ত নয়। হতে পারছে না নিশ্চিন্ত। ওই তো সতী আরামে ঘুমিয়ে গেল হয়ত, গভীর ঘুম তার—সোনাবাবুর ঘুম কুরে খায় সে এক অদ্ভুত ঘুণপোকা। কটাস কটাস শব্দ ওঠে মাথার ভিতর দিকে।

    পা দুটো ক্রমশ অতিষ্ঠ। সোনাবাবু ডাকল, পাঁচু আয়। পাঁচু মুখ নামিয়ে বউদির মুখটা পরীক্ষা করে উঠে এল পাশের শরীরে। পায়ে হাত দিলে সোনাবাবুর চমক লাগছিল আজ। হাত-লপকা ছিঁচকে ছেলে—কত কী হাতিয়ে নিতে পটু। সতী যেমন, তেমনি তার স্বামীরও কত হালকা তুচ্ছ জিনিস মেরে দিচ্ছে কে না জানে!

    কিছুক্ষণ পরে ভারী গলায় সোনাবাবু ডাকে, পাঁচু?

    উঁ?

    ধর, আমরা যদি কোথাও চলে যাই, তুই আমাদের সঙ্গে যাবি?

    টেপা থামিয়ে পাঁচু একটু হাসে।…কোথায় যাবেন?

    যেখানেই যাই—তুই কি যাবি?

    কবে?

    আজই। বলতে গলাটা কেঁপে যায় সোনাবাবুর। অতিকষ্টে ফের বলে, একটু পরেই।

    পাঁচুর হাত চলে। শুধু মাথা নাড়ে।

    সোনাবাবু চমকে ওঠে।…..যাবিনে তুই?

    নাঃ।

    একটু ইতস্তত করে সোনাবাবু বলে, যদি তোর বউদি বলে যেতে?

    তাও না। পাঁচুর সোজা জবাব।

    কেন যাবিনে বল তো?

    পাঁচু নির্দ্বিধায় বলে, আপনারা টাকা মেরে পালাচ্ছেন যে। ওরে বাবা!

    মুখের ওপর আচমকা মুগুর খেয়ে সোনাবাবু চুপ। ভোঁতা নাকে শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট হয়। রক্ত ঠাণ্ডা একেবারে। পা গুটিয়ে নিয়ে বলে, শো গে যা। তোর মন যাচাই করছিলাম—বুঝলি পাঁচু? তুই আমাদের কতটা ভালবাসিস—মেপে দেখছিলাম।

    তবু বেজার মুখে পাঁচু চলে যায়। বাইরে বারান্দায় খাটিয়া আছে। সেখানেই শোবে সে। মশারিও দেওয়া আছে। পরস্পর দয়া করেই মানুষ বেঁচে আছে পৃথিবীতে।

    দরজায় খিল এঁটে সোনাবাবু ডাকে—ঘুমোলে?

    সতী ঘুমকাতুরে হলেও ঘুমোয়নি আজ। বলে, না।

    শুনলে তো কথা?

    শুনলাম। কিন্তু হঠাৎ ওকে এসব আজেবাজে কথা বলবার কী দরকার হল আবার?

    ইচ্ছে গেল বলতে। যদি—ধরো যদি, তাই হত!

    তার মানে? সতী সাপের মত ফণা তোলে।

    আমতা জবাব দেয় সোনাবাবু—না, মানে—এমনি বলছিলাম। এমন হতেও তো পারত!

    আদিখ্যেতা!…ব’লে সতী পাশ ফেরে। পাশ ফিরেও রাগ পড়ে না। ফের বলে, তুমি খুব নীচমনা! কান না করে সোনাবাবু বিষণ্ণকণ্ঠে বলে, থাক, কালই টাকাটা জমা দিয়ে আসব সদরের আড়তে। নন্দ তো আজও ফিরল না। এমন করে ব্যবসাতে লালবাতি জ্বলে যাবে। একা আর কতদিক সামলাই!

    তারপর দুজনে পাশাপাশি শুয়ে থাকে কিছুক্ষণ। এবার সতীর গলা শোনা যায়।…শুধু টাকা দিয়ে আসা নয়, কালই বিদেয় করো ছোঁড়াটাকে—নৈলে মাথা খুঁড়ে মরব বলে দিচ্ছি।

    সোনাবাবু বলে, পাগল! ওকে একটু রয়েসয়ে নিও—ছেলেমানুষ তো! এবং মনশ্চক্ষে একখণ্ড সবুজ মখমল ঘাসে ঢাকা জমির ওপর একটা সুন্দর চিতাবাঘের বাচ্চাকে আপনমনে খেলা করতে দ্যাখে। গা ছমছম করে সোনাবাবুর। রাগ হয়—আবার ভালোও লাগে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসন্দীপন চট্টোপাধ্যায় : সাহিত্যের সেরা গল্প
    Next Article এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }