Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প158 Mins Read0
    ⤶

    সোনালী দুঃখ – ১৫

    ১৫

    ত্রিস্তান আবার ফিরে চলেছে ব্রিটানিতে। ধীর মন্থন তার পদক্ষেপ। যেন সে জানে না, কেন সে আবার ফিরে যাচ্ছে কাহারডিনের রাজ্যে, রুপালির রাজ্যে। যেন সে জানে না, কেনই বা সে গিয়েছিল সোনালির কাছে।

    বন পেরুলেই দুর্গ। বনের মধ্যে দিয়ে যাবার সময় একটি সুদর্শন তরুণ অশ্বারোহীর সঙ্গে দেখা হলো তার। যুবকটির বয়স আঠারো-উনিশ। সশস্ত্র। যুবকটি বললো, সেও ব্রিটানিতে যাচ্ছে। বীর ত্রিস্তানের খোঁজ করতে।

    ত্রিস্তান মৃদু হেসে জিগ্যেস করলো, বালক, ত্রিস্তানকে তোমার কি দরকার

    —তার সঙ্গে আমার বিশেষ প্রয়োজন!

    ত্রিস্তান বললো, তুমি আমাকেই সে প্রয়োজনের কথা বলতে পারো। আমিই ত্রিস্তান।

    যুবকটি সন্দেহের চোখে তাকালো। এমন ছিন্নভিন্ন পরিচ্ছদ, অদ্ভুত চেহারা, এই নাকি বিখ্যাত ত্রিস্তান? সে বললো, যাও, তা কখনো হয়। ত্রিস্তান তো অভিজাত রাজপুরুষ!

    ত্রিস্তান বললো, আমার কেন এ চেহারা সে অনেক গল্প। কিন্তু আমিই যে ত্রিস্তান—তাতে সন্দেহ নেই। আমার মাথা এখনো সম্পূর্ণ খারাপ হয়নি। বলো, কি তোমার প্রয়োজন?

    যুবকটি কর্কশ কণ্ঠে তখন বললো, যদি তুমি ত্রিস্তান হও, তবে যুদ্ধের জন্য তৈরি হও! তোমার সঙ্গে আমার হিসেব মেটাতে হবে!

    —কিসের হিসেব?

    —আমার বাবার নাম মর্গান। তিনি লিওনেস রাজ্য জয় করেছিলেন। তারপর লিওনেসের ত্রিস্তান তাঁকে খুন করে। আমি এসেছি পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে।

    ত্রিস্তান হেসে বললো, প্রতিশোধ? এই আমি হাত তুলছি, আমায় মারো।

    মর্গানের ছেলে ঘৃণায় মুখ কুঁচকে বললে, আমরা ক্ষত্রিয়, বিনা যুদ্ধে কারুকে হত্যা করি না। এসো যুদ্ধ করো।

    ত্রিস্তান বিরক্তির সঙ্গে বললো, না, না, না, আমি আর যুদ্ধ করতে চাই না! ঢের যুদ্ধ করেছি। ঢের মানুষ মেরেছি। আর না, এবার আমি নিজে মরতে চাই। তোমার বাবাকে আমি মেরেছিলাম-আমার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে। তুমি এসেছো আমাকে মেরে তোমার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেবে! আবার, আমার যদি কোনো সন্তান থাকে-সে যাবে তোমাকে মারতে। এই কি চলবে চিরকাল? এই পরপর প্রতিশোধ? কোনোদিন থামবে না? তোমাকে আমি বলিছ, আমার কোনো সন্তান নেই। তুমি আমাকে মেরে রেখে যাও। এখানেই শেষ হোক-এই প্রতিশোধের পালাবদলের!

    যুবক বললো, তুমি কেন আমাকে অপমান করছো? বিনা যুদ্ধে আমি মারবো না! তোমার অস্ত্র নেই, এই নাও তলোয়ার। তৈরি হও!

    ত্রিস্তান ম্লান হেসে বললো, ঐখানেই তো তোমার বিপদ। যুদ্ধে আমার মরণ নেই। যুদ্ধে আমি হারতে জানি না বিশ্বাস করো, আমি অহংকার করছি না, আমি আজ পর্যন্ত কোনো যুদ্ধে হারিনি, সেই আমার দোষ! তুমি আমাকে এমনি মারো!

    যুবকটি ক্রুদ্ধভাবে একটি তলোয়ার তুলে দিল ত্রিস্তানের হাতে। নিজে আর একটি তলোয়ার নিয়ে দূরে সরে তৈরি হয়ে দাঁড়ালো। ত্রিস্তান তলোয়ার হাতে নিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলো। কি যেন এক গুরুভাব উদাসীনতা ভর করেছে তাকে। যুবকটির দিকে একদৃষ্টে চেয়ে আছে। এ যেন তারই বালক বয়সের প্রতিমূর্তি। একে মেরে কি হবে!

    যুবকটি উত্তেজিত হয়ে বারবার লড়াইয়ের জন্য ত্রিস্তানকে আহ্বান করতে লাগলো। তারপর আর থাকতে না পেরে নিজের তলোয়ারটা ছুঁড়ে মারলো ত্রিস্তানের দিকে। তলোয়ারটা গভীরভাবে বিদ্ধ হয়ে গেল ত্রিস্তানের দক্ষিণ বাহুতে। বিদ্ধ হয়ে সেখানেই ঝুলে রইলো। তখন চোখ জ্বলে উঠলো ত্রিস্তানের। তীব্র স্বরে বললো, এই বুঝি এখানকার যুদ্ধের নিয়ম? এসো খোকা, তোমার যুদ্ধের সাধ মিটিয়ে দিচ্ছি।

    বাহু থেকে নিজেই টান মেরে বার করে আনলো তলোয়ারটা। আবার সেটা ছুঁড়ে দিল ছেলেটির দিকে। রক্তে ত্রিস্তানের হাত ভেসে যাচ্ছে। বাঁ হাতে তলোয়ার ধরে ত্রিস্তান এগিয়ে গেল ছেলেটির কাছে।

    অল্প একটুক্ষণ যুদ্ধ চললো। তার মধ্যেই ত্রিস্তান নিরস্ত করলো যুবকটিকে। ক্রোধে যন্ত্রণায় সে তাকে হত্যা করার জন্য অস্ত্র তুললো। কিন্তু মারতে গিয়েও মারলো না, ছেলেটার মুখের দিকে তাকিয়ে। তারপর বললো, না থাক্। বালক, তোমার বয়স কম-তোমার সামনে দীর্ঘ জীবন পড়ে আছে উপভোগের, আনন্দের। আমার আর মরলেই বা কি ক্ষতি! ত্রিস্তান নিজের তলোয়ারও দূরে ছুঁড়ে ফেলে দিল। যুবকটি চেঁচিয়ে উঠলো, না, আমাকে অপমান করে যেও না। আমাকে মেরে রেখে যাও!

    ত্রিস্তান বললো, নাঃ! আমি আর অস্ত্র হাতে নেবো না। আমি পিছন ফিরে চলে যাচ্ছি। তুমি ইচ্ছে হলে পিছন থেকে আমাকে খুন করতে পারো!

    এই বলে ত্রিস্তান আবার হাঁটতে আরম্ভ করলো। তখন যুবকটি অনুতপ্ত কণ্ঠে চিৎকার করে উঠলো, ত্রিস্তান, আমি আগেই একটা মহা অন্যায় করেছি! আমার তলোয়ারে বিষ মাখানো ছিল! মৃত্যু তোমার হবেই!

    ত্রিস্তান একটু থমকে দাঁড়ালো। তারপর অদ্ভুতভাবে হেসে পিছনে তাকিয়ে বললো, মৃত্যু আর কি এমন বেশি কথা! মৃত্যু এখন আমার প্রাপ্য।

    ত্রিস্তান যখন দুর্গে এসে পৌঁছুলো-তার সর্বাঙ্গ বিষে জরজর। কাহারডিন এবং সকলেই ত্রিস্তানের জন্য বিষম উৎকণ্ঠিত হয়েছিলেন। কোথায় ত্রিস্তানের ফিরে আসার জন্য উৎসব করবে, তার বদলে হাহাকার পড়ে গেল। ত্রিস্তানের চিকিৎসার জন্য প্রাণপণে আয়োজন করতে লাগলো। রাজকুমারী রুপালি এসে সেবা করার জন্য বসলেন স্বামীর পাশে। রুপালি স্বামী সম্ভোগের সুখ পাননি, স্বামীকে সেবা করার সুখটুকু অন্তত পেতে চাইলেন। কি অদ্ভুত ধরনের স্বামী তাঁর। এমন রূপবান, গুণবান স্বামী পেয়েও তিনি সবচেয়ে দুর্ভাগিনী। রুপালি কিছুই জানেন না সোনালির কথা।

    সব চিকিৎসা ব্যর্থ হলো। এক একজন কবিরাজ, বৈদ্য এসে এক একরকম চিকিৎসা করেন। কত জড়ি-বুটি, শিকড়, মন্ত্র—কিছুই কাজে লাগলো না। ক্রমশ বিষ ছড়িয়ে যেতে লাগলো ত্রিস্তানের সমস্ত শরীরে। বিছানার সঙ্গে একেবারে লেগে রইলো ত্রিস্তানের কঙ্কালসার দেহ। শরীরের সমস্ত হাড়গুলো গোনা যায়। এই নিয়ে তিনবার নিশ্চিত মৃত্যু এলো তার কাছে। লোকে বলে, মৃত্যু কখনো তৃতীয়বার ফিরে যায় না।

    শরীর দুর্বল হবার সঙ্গে সঙ্গে তার মনও দুর্বল হতে লাগলো। বিছানায় শুয়ে ছটফট করতে করতে সে ভাবে- সোনালির সঙ্গে আর একবার দেখা না করে সে মরবে কি করে? এ জীবন যে সোনালির সঙ্গে বাঁধা। সে যতই ঘৃণা করুক, অপমান করুক- সোনালিকে না জানিয়ে এ জীবন সে ছেড়ে যেতে পারে না।

    একদিন রাজকুমার কাহারডিন এসে ত্রিস্তানের শয্যার পাশে বসে অশ্রুতপাত করছেন, তখন ত্রিস্তান বললো, তার সঙ্গে একটা গোপন কথা আছে। এবং সে চোখের ইশারায় রুপালিকে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে অনুরোধ করলো।

    নারীর কৌতূহল। ত্রিস্তানের এই অবস্থাতেও কি তার গোপন কথা। রুপালি তখন দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে গোপনে ওদের কথা শুনতে লাগলেন।

    ত্রিস্তান কাহারডিনকে বললো, বন্ধু তুমি জানো আমার এ রোগ আর সারবে না। আমার এ বিষের চিকিৎসা রানী সোনালি ছাড়া আর কেউ জানে না। এ বিষ ছাড়াও আমার শরীরে এক এক রকম বিষ আছে, সোনালিকে না দেখলে সে বিষের জ্বালা যাবে না। তুমি একবার সোনালির কাছে আমাকে নিয়ে চল!

    —অসম্ভব ত্রিস্তান! তোমার শরীরের এই অবস্থায়, তোমাকে কোথাও নিয়ে যাওয়া যায় না। অসম্ভব!

    —তবে তুমি সোনালিকে আমার কাছে এনে দাও।

    —তুমি পাগল হয়েছো ত্রিস্তান? সোনালির সঙ্গে আমি দেখা করবো কি করে? আর দেখা করলেও তিনি আমার কথা শুনে আসবেন কেন?

    ত্রিস্তান তখন সেই সবুজ পাথরের আংটিটা বার করে দিল কাহারডিনকে। বললো, তুমি বণিকের ছদ্মবেশে কোনোরকমে রাজসভায় গিয়ে যদি রানীকে এই আংটি দেখাও, সে চিনতে পারবে। তা হলে, তোমার কথায় নিশ্চিত আসবে সে। হ্যাঁ, আসবেই। সে বলেছিল, আমার ডাক শুনলে রাজবাড়ির হাজারটা দেওয়াল ভেঙেও সে বেরিয়ে আসবে। পৃথিবীর কোনো শক্তি তাকে আটকাতে পারবে না। তুমি যাও, বন্ধু! আজই যাও!

    কাহারডিন নিরুপায় হয়ে শেষ পর্যন্ত যেতে রাজী হলো। ত্রিস্তান তাঁকে আবার ডেকে বললো, যদি অনুকূল বাতাস পাও, তোমার যেতে আসতে অন্তত পনেরো দিন লাগবে। ততদিন আমি বাঁচবো কিনা জানি না। আমার শরীরে অসহ্য যন্ত্রণা। কিন্তু সোনালিকে একবার দেখবার জন্য আমাকে বাঁচতেই হবে। তুমি আমাকে এই দুর্গের চূড়ায় সবচেয়ে উঁচু ঘরে শুইয়ে দাও! সেখান থেকে আমি সমুদ্রের দিকে চেয়ে থাকবো। প্রতীক্ষায় থাকবো তোমার জাহাজের। আর শোনো, যখন তুমি ফিরে আসবে-তোমার জাহাজে উড়বে রাজপতাকা। আর, জাহাজে দু’রঙের পাল নিয়ে যাও। যদি সোনালি আসে, সাদা পাল উড়িয়ে দিও। যদি সে না আসে-উড়িয়ে দিও কালো পাল। সে আসবেই। মনে রেখো- সাদা পাল আর কালো পাল। দূর থেকে তোমার জাহাজের সাদা পাল দেখতে পেলে আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বেঁচে থাকার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানাবো। আমি কতবার মরতে চেয়েছি। এখন আমার বাঁচতে ইচ্ছে হয়। খুব বাঁচতে ইচ্ছে হচ্ছে। শুধু সোনালির জন্য। সোনালিকে ছেড়ে আমি মরতে পারি না। কাহারডিন, ভাই আমাকে বাঁচাও! আমি মরতে চাই না! আমি কাঙালের মতন বেঁচে থাকতে চাই! আমি আরও বেঁচে থাকতে চাই সোনালির জন্য! তুমি আজই যাও।

    কাহারডিন সেই দিনই যাত্রা করলো। আর পাশের ঘর থেকে সব শুনলেন রাজকুমারী রুপালি। এই সেই রহস্য? তাঁর স্বামী অন্য নারীকে ভালোবাসে সারা জীবন! তাকে না দেখলে বাঁচবে না! আমি কেউ নই? আমি, আমি-রাজকুমারী অঝোর ধারায় কাঁদতে লাগলেন। কেঁদে কেঁদে তাঁর শরীর অবশ হয়ে গেল। তাঁর সমস্ত দুর্ভাগ্যের জন্য দায়ী সেই সর্বনাশিনী। ত্রিস্তান সেই রাক্ষসীর জন্যই সারা জীবন তাঁকে অপমান করলো?

    কান্না শেষ হবার পর রুপালির শরীর জ্বলতে লাগলো ক্রোধে। তিনি ছটফট করে ঘুরতে লাগলেন সারা দুর্গে। কোথাও তিনি এক মুহূর্ত দাঁড়াতে পারেন না, বসতে পারেন না। বাতাসের স্পর্শেও যেন তাঁর গায়ে ছ্যাঁকা লাগছে। স্বামীর অবহেলায় এতদিন তিনি ছিলেন বিষণ্ন, আজ স্বামীর মুখে অন্য নারীর নাম শুনে এক মুহূর্তে তাঁর সারা শরীর অস্থির।

    দুর্গের এ কোণ থেকে ও কোণ ঘুরছেন রুপালি। এক সময় তাঁর চোখ পড়লো, দুর্গের দরজার কাছে দাঁড়ানো শৃঙ্খলিত রিওলের দিকে। ত্রিস্তান ওর জীবন ভিক্ষা দেবার পর, রাজকুমার কাহারডিন দুর্গের সিংহদ্বারে ওকে শিকলে হাত বেঁধে দাঁড় করিয়ে রেখেছেন। রিওলের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে রুপালি ভাবলেন, এর চেয়ে তাঁর যদি ঐ পশুর মতো কুৎসিত রিওলেরও সঙ্গে বিয়ে হতো, তাও বোধহয় ছিল ভালো। তবু তো ও একটা পুরুষ। এবং ও রুপালিকেই পাবার জন্য যুদ্ধে নেমেছিল। আর, বীর ত্রিস্তান, যে তাঁর উদ্ধারকারী, সে তাঁকে একবার ছুঁয়েও দেখলো না! রুপালি একা একা কাঁদতে লাগলেন।

    রুপালি ত্রিস্তানকে সত্যিই ভালোবাসতেন অন্তর দিয়ে। পূজারিণী যেমন মন্দিরের দেবতাকে ভালোবাসে। যদিও তাঁর ভালোবাসা এক দিনের জন্যও চরিতার্থ হয়নি। আজ যেন সেই দেবতার মূর্তির মধ্যে খড় কাদা-মাটি দেখতে পেলেন। মৃত্যুকালেও স্বামী চেয়ে আছেন অন্য নারীর পথের আশায়! পাশে নিজের বিবাহিতা স্ত্রী অথচ গ্রাহ্য নেই। রুপালি ভাবলেন, তিনি দারুণ প্রতিশোধ নেবেন। কিন্তু কি সেই প্রতিশোধ?

    মেয়েদের রাগ আর মেয়েদের ভালোবাসা- কোন্‌টা বেশি প্রবল তা বলা মুশকিল। কোমল, রূপশ্রীময়ী রুপালি এত অপমান সত্ত্বেও ত্রিস্তানকে স্বার্থহীনভাবে ভালোবাসতেন। আর এখন প্রতিশোধের চিন্তায় জ্বলতে লাগলেন।

    এদিকে ত্রিস্তান জানলার সামনে বসে থাকে দিনরাত। দিনের পর দিন যায়, ক্রমে পনেরো দিন পার হয়ে গেল। জাহাজের দেখা নেই। ত্রিস্তানের আর বসে থাকারও ক্ষমতা নেই। বিছানায় মরার মতো পড়ে থাকে। সেখান থেকে সমুদ্র ভালো দেখা যায় না। বারবার রুপালিকে ডেকে বলে, দেখো তো, রাজকুমারের জাহাজ আসছে কিনা! তবে কি সে আসবে।

    একদিন দূরে সত্যিই দেখা গেল জাহাজ। উপরে পতপত করছে পতাকা। ত্রিস্তানের তখন চোখে দেখারও সাধ্য নেই। চোখ ঝাপসা হয়ে গেছে। বালিশ থেকে মাথা তুলতে পারে না। জানলার কাছ থেকে সরে এসে রুপালি বললেন, জাহাজ আসছে, রাজকুমারের জাহাজ। ত্রিস্তান, তোমার জন্য দাদা ওষুধ আনছেন, নিয়ে আসছেন এক মায়াবিনীকে!

    জাহাজ? ত্রিস্তান অসহায় চোখে তাকালেন রাজকুমারীর দিকে। তারপর করুণভাবে ভিক্ষে চাওয়ার মতো বললো, রাজকুমারী, দয়া করে বলো সে জাহাজে কি রঙের পাল? সাদা নিশ্চয়ই!

    রাজকুমারীর ঠোঁট থরথর করে কাঁপতে লাগলো, তিনি কথা বলতে পারলেন না। ত্রিস্তান নিদারুণ অনুনয়ের স্বরে বললো, রুপালি একবার দেখো, কি রঙের পাল? আমার দেখার সাধ্য নেই যে।

    জানলার ধারে সরে গিয়ে রাজকুমারী একবার তাকালেন সেই সাদা পালের জাহাজের দিকে। তারপর ক্ষিপ্তের মতো তীব্রকণ্ঠে বললেন, কালো, কালো! ভয়ঙ্কর, কুৎসিত, বীভৎস রঙের কালো!

    —কালো? না না, তা হয় না, রুপালি তুমি আর একবার দেখো!

    —আমি বলিছ কালো! ঝড়ের মেঘের মতো কালো! সর্বনাশের মতো কালো পাল তুলে আসছে জাহাজ!

    —রুপালি, তোমার দয়ার প্রাণ। তুমি সত্যি কথা বলো। আমি চোখে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। আমি অন্ধ হয়ে গেছি! কিন্তু আমি বাঁচতে চাই। যদি তুমি মিথ্যে কথা বলো, আর এক মুহূর্তও আমার বাঁচার সামর্থ্য নেই। তুমি বিধবা হবে। আর একবার দেখে বলো, জাহাজ কোন রঙের পাল উড়িয়ে আসছে?

    রুপালি কঠিন মুখে বললেন, কালো!

    —কালো? হঠাৎ ত্রিস্তানের চোখ ঘূর্ণিত হতে লাগলো। বুকের খাঁচাটা প্রবলভাবে ওঠানামা করতে লাগলো নিঃশ্বাস নেওয়ার চেষ্টায়।

    তা দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠলেন রুপালি, না, না, না, আমি দেখেছি, সাদা! মেঘ কেটে গেছে, আমি এখন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি সাদা রঙের পাল। জাহাজ এসে বন্দরে লেগেছে!

    ত্রিস্তান ক্ষীণভাবে বললো, তাহলে সোনালি এসেছে?

    —হ্যাঁ, সে এসেছে। আমি নিজে তাকে নিয়ে আসছি। রুপালি ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। কিন্তু কত দূরে যাবেন। যদি এর মধ্যেই ত্রিস্তান মরে যায়-একা ঘরে, অসহায়? দরজার পাশে একটুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে, রুপালি আবার এসে ঘরে ঢুকলেন।

    শব্দ শুনে ত্রিস্তান বললো, কে? সোনালি?

    ধরা গলায় রুপালি বললেন, হ্যাঁ, ত্রিস্তান আমি এসেছি।

    –সোনালি! আমি চোখে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।

    রুপালি আবার বললেন, ভয় নেই ত্রিস্তান, আমি এসেছি।

    —সোনালি, তোমাকে দেখতে পাচ্ছি না আমি। তুমি আমার বুকের কাছে এসো। তুমি মুছে নাও আমার শরীরের বিষ। সোনালি, আমার বড় বাঁচতে ইচ্ছে করে। এসো!

    রুপালি এসে ঝাঁপিয়ে পড়লেন ত্রিস্তানের বুকে। এই প্রথম তাঁর স্বামীস্পর্শ ।

    কিন্তু মুহূর্তে মৃগীরোগীর মতো, এক ঝঙ্কায় তাকে দূরে ঠেলে দিল ত্রিস্তান! হাঁপাতে হাঁপাতে বললো, চোর! পাপিষ্ঠা! এ সোনালি নয়! সোনালির স্পর্শ আমি চিনি। তাঁর স্পর্শ আমার সারা শরীরে লেগে আছে। আমি চোখে দেখতে পাচ্ছি না, কিন্তু তার একটি আঙুলের স্পর্শে আমি চিনতে পারবো।

    একটু দম নিয়ে ত্রিস্তান আবার বললো, রুপালি, কেন আমায় কষ্ট দিচ্ছ? তোমার প্রতি আমি অন্যায় করেছি, কিন্তু জীবনের শেষ সময়টুকুতে আমায় তুমি দয়া করে শান্তি দাও! তুমি সত্যি করে বলো, সোনালি এসেছে কিনা!

    মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন রুপালি। সেখান থেকে ধুলো ঝেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, এগিয়ে গেলেন জানলার পাশে। সেখান থেকে শান্ত স্বরে বললেন, ত্রিস্তান, সে আসবে না। আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি আমার দাদার জাহাজে শোকের চিহ্ন। শুধু কালো রং। কালো পতাকা, কালো পাল।

    —কালো! ত্রিস্তান জোরে নিঃশ্বাস ফেললো একবার। তারপর যেন মন্ত্রবলে শক্তি পেয়ে উঠে বসলো বিছানার ওজর সোজা হয়ে। তীক্ষ্ণ কণ্ঠে তিনবার ডাকলো-সোনালি-সোনালি-সোনালি। সেই ডাক যেন ছিন্নভিন্ন করে দিল বাতাস। সেই করুণ ডাক যেন কালো মেঘ ফুঁড়ে চলে গেল স্বর্গের দিকে। ত্রিস্তান প্রাণপণে চেষ্টা করলো পাখির মতো শিস দিয়ে উঠতে। গলা ভেঙে গেল, পারলো না। ধপ্ করে ত্রিস্তান পড়ে গেল বিছানায়।

    রাজকুমারের জাহাজ যখন লাগলো-তখন সমস্ত দুর্গে কান্নার রোল। জাহাজ থেকে প্রায় ঝাঁপিয়ে নেমে এলো এক নারী। তার রুক্ষ সোনালি চুল, উদ্‌ভ্রান্ত চোখ, ছুটে চললো দুর্গের দিকে। পথের লোকেরা অবাক হয়ে বলাবলি করতে লাগলো, কে এই দেবী-মূর্তির চেহারায় উন্মাদিনী নারী? সেই নারী তখন যাকে সামনে পাচ্ছে, জিজ্ঞেস করছে, ত্রিস্তান কোথায়? ত্রিস্তান কোথায়? এই রকম প্রশ্ন করতে করতে উঠে এলো দুৰ্গেল উচ্চতম ঘরে। সেখানে ত্রিস্তানের বুকের উপর উপুড় হয়ে পড়ে আছে রুপালি। রানী সোনালি সেখানে এসে শান্তভাবে বললেন, বোন, তুমি একটু সরে যাও। আমাকে একবার কাঁদতে দাও। বিশ্বাস করো, ওর চেয়ে আপনজন-আপনার এ বিশ্বসংসারে কেউ ছিল না!

    সোনালি উঠে এলেন ত্রিস্তানের খাটে। ত্রিস্তানকে নিবিড় ভাবে আলিঙ্গন করে ওর মরা ওষ্ঠে চুম্বন করতে করতে বললেন, ত্রিস্তান, আমি রাজবাড়ির দেওয়াল ভেঙে বেরিয়ে এসেছি। আমিও তোমার সঙ্গে যাবো সেই দেশে। আমি একা থাকবো না!

    সেই ভাবেই সোনালির মৃত্যু হলো। ত্রিস্তানকে আলিঙ্গন করে।

    রাজা মার্কের কানে যখন ওদের দুজনেরই মৃত্যু-সংবাদ পৌঁছুলো, তিনি নিজে এসে দুটি বহুমূল্য শবাধারে ওদের দুজনের দেহ সাজিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন নিজের দেশে। তারপর একটি নির্জন গির্জার দু’পাশে ওদের দুজনকে কবর দিলেন। সেই দিন থেকে তিনি সত্যিকারের বৃদ্ধ হয়ে গেলেন। তাঁর মাথার সব চুল সাদা হয়ে গেল। রাজা মার্কের এতদিনেও সন্তান হয়নি, ত্রিস্তানকে হারিয়ে তিনি সম্পূর্ণ নিঃসন্তান হলেন।

    কয়েক মাস বাদে ত্রিস্তানের কবর থেকে একটি অদ্ভুত লতানে গাছ বেরিয়ে আসে। তীব্র গন্ধময় তার ফুল। সেই গাছটা গির্জার ছাদ পেরিয়ে ঝুঁকে পড়ে ওপাশের সোনালির কবরে। তিন তিনবার কবরের রক্ষকরা সেই গাছ কেটে দিল। তিনবারই আবার গজিয়ে উঠলো সেই গাছ। রক্ষকরা তখন গিয়ে সেই অলৌকিক ঘটনা রাজাকে জানাতে, রাজা নিজে এসে সেই গাছ দেখলেন। তারপর ওদের নিষেধ করলেন আর সেই গাছ কাটতে। তখন ক্রমশ সেই গাছটা দিনে দিনে লক্লক্ করে বেড়ে উঠে গির্জার ছাদ পেরিয়ে এসে ছড়িয়ে পড়লো সোনালির কবরে। সেখানে ওর ফুল ফুঠে উঠলো অজস্র।

    প্রভুগণ, যুগ যুগ ধরে কবিরা এই গান শুনিয়েছে! ত্রিস্তান আর সোনালির ভালোবাসা আর দুঃখের গান। আমি সামান্য কবি- একদা পূর্ববঙ্গবাসী, অধুনা ভ্রাম্যমাণ—গঙ্গোপাধ্যায় বংশীয় সুনীল আমার নাম। যদিও ব্রাহ্মণকুলে জন্ম, কিন্তু জ্ঞানের অভিমানের বদলে ভালোবাসার শক্তিতেই আমার বেশি বিশ্বাস! তাই ভালোবাসার এই অমর গাথা আমি শোনাতে চেয়েছি। আমার বাকশক্তি সীমিত, আমার ভাষাজ্ঞান সীমিত, আমি জানি না শব্দের ঝংকার, জানি না বর্ণনার ছটা! আপনারা গুণীজন, আপনারা বহুদর্শী, রসজ্ঞ সহৃদয়-আপনাদের সভায় ভরসা করে এ গান শোনালাম। এ গান শুনলে, যে দুর্বল সে আবার শক্তি ফিরে পায়। ভালোবাসায় যত অবিশ্বাস এসেছে, সে আবার ভালোবাসায় বেঁচে ওঠে। যার জীবনে কখনো ভালোবাসা জাগেনি, এ গান শুনলে সেই পাথরের বুক ভেদ করে বেরিয়ে আসে ঝরনা। এই ভালোবাসার গান শুনলে মানুষ মরতে ভয় পায় না। ভালোবাসা ছাড়া জীবন হয় না, যেমন দুঃখ ছাড়া ভালোবাসা হয় না! ভালোবাসার জাত নেই, গোত্র নেই, ধর্ম নেই।

    ত্রিস্তান আর সোনালি যদি আবার জন্মায়, জানি ওরা পরস্পরকে আবার ঠিক এই রকম ভালোবাসতে চাইবে-এক জীবনের শত সহস্র দুঃখের কথা জেনেও। কি জানি, হয়তো ওরা আবার জন্মেছে, সব বিপদ তুচ্ছ করেও আবার ভালোবেসেছে! আপনারা ওদের আশীর্বাদ করুন।

    সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুনের রঙ – সম্পাদনা: সমরেশ মজুমদার, অনীশ দেব
    Next Article কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }