Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প158 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনালী দুঃখ – ৯

    ৯

    অরণ্যের অন্য প্রান্তে গিয়ে ওরা আবার বাসা বাঁধলো। কয়েক দিন পর ওরা আবার খানিকটা নিশ্চিন্ত হয়ে গেল।

    একদিন কুটিরের সামনে ওরা বসে আছে, বসে বসে নানান্ গল্প করছে, এমন সময় সামনে দিয়ে ছুটে গেল একটা সুন্দর হরিণ। হরিণটা একটু অন্যরকম, সবুজ ঘেঁষা রং, সারা গায়ে হলুদ ছিট ছিট। সোনালি বললো, আমায়ঐ হরিণটা ধরে দাও না! মেরো না, জীবন্ত ধরে দাও, আমি ওটাকে পুষবো।

    হুজুর, এই জায়গাটা শুনে আপনাদের রামায়ণের কথা মনে পড়ে না? সেই দণ্ডক বনের কুটির প্রাঙ্গণে বসে আছেন রাম আর সীতা, সামনে দিয়ে ছুটে গেল সোনার মায়া হরিণ! কিন্তু ত্রিস্তান তো রামায়ণ গাথা জানে না!

    তখনি ত্রিস্তান তীর ধনুক নিয়ে ছুটলো। ছুটতে ছুটতে যে কতদূর চলে গেল তার ঠিক নেই। তরুণ মৃগ বিদ্যুৎ গতিতে ছুটছে, তার সঙ্গে ত্রিস্তান ছুটে পারবে কেন? অথচ ত্রিস্তান বাণও মারতে পারছে না, কারণ সোনালি ওটা জীবন্ত চেয়েছে। ছুটতে ছুটতে ত্রিস্তান ক্লান্ত হয়ে গেল। দূরে মিলিয়ে গেল হরিণটা। ক্লান্ত ত্রিস্তান সেখানেই ঘাসের উপর শুয়ে পড়লো।

    মাথার ওপর পরিষ্কার আকাশ। ঠাণ্ডা বসন্তের হাওয়া দিচ্ছে। একদৃষ্টে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ত্রিস্তানের হঠাৎ মনে হলো, রাজা কি সেদিন সত্যিই ভয় পেয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন? কেন, আমি তো ছিলাম ঘুমিয়ে। আমার প্রাণ তো ছিল রাজারই হাতে। অথবা, আমার তলোয়ার সরিয়ে নিয়ে উনি তো আমাকে জীবন্ত অবস্থাতেও বন্দী করতে পারতেন! যদি আমার তলোয়ার সরিয়ে নিলেনই, তবে আবার নিজের বহুমূল্য তলোয়ারটা রেখে গেলেন কেন? মহারাজ, মহারাজ, আমি তোমাকে চিনি। তোমার বুকের স্নেহ মমতা আবার ফিরে এসেছে। আমাকে মারতে গিয়ে তোমার মনে পড়েছে সেই বালকটির কথা, যে তোমার পায়ের কাছে বসে বীণা বাজাতো। তুমি আমাকে ক্ষমা করেছো! কিংবা ক্ষমা হয়তো নয়, রাজা বুঝতে পেরেছেন, ঈশ্বর আমারই পক্ষে। নইলে বারবার আমি বেঁচে গেলাম কেন? গির্জার জানালা দিয়ে লাফিয়েও মরিনি, তার মানে ভগবান আমাকে মারতে চান না। হয়তো আমাকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখে রাজার সব পুরনো কথা মনে পড়েছিল। মোরহল্টের সঙ্গে আমার যুদ্ধ, আয়ার্ল্যান্ড অভিযান, ওঁর জন্য আমার নিজের রাজ্য ছেড়ে আসা।

    কিংবা উনি হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন যে উনি অন্যায় করেছেন। আমাকে বিনা বিচারে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। কেন, আমি কি যে-কোনো লোককে দ্বন্দ্বযুদ্ধে আহ্বান করিনি? কার সাধ্য ছিল আমার নামে অভিযোগ আনার? রাজা হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন, আমার মতো বন্ধু উনি আর পাবেন না। ওঁর বিপদের সময় আমার মতো নিঃস্বার্থভাবে আর কে ওঁর পাশে দাঁড়াবে? আবার কি উনি আমায় ফিরিয়ে নিতে চান ওঁর রাজ্যে? আবার আমি বর্ম পরে যুদ্ধে যাবো রাজার শত্রুকে জয় করতে? আবার আমি ওঁর সামনে বসে বীণা বাজাবো? না।…এসব আমি কি আবোলতাবোল ভাবছি! আমার কি মাথা খারাপ! রাজার কাছে আমার ফিরে যাওয়া মানেই তো সোনালিকে ফিরিয়ে দেওয়া। আমার কাছ থেকে সোনালিকে নেয় কার সাধ্য!

    মহারাজ, মহারাজ, তুমি ঘুমের মধ্যে সেদিন আমাকে হত্যা করলে না কেন? সে যে অনেক ভালো ছিল। এ আমি কি দুর্ভাবনায় পড়লাম! সোনালিকে আমি বারবার জয় করেছি। আয়ার্ল্যান্ড থেকে, তোমার হাত থেকে, কুষ্ঠরোগীদের কাছ থেকে। কিন্তু তুমি সেদিন যে করুণা দেখালে, তাতে এই একবার তুমিও জয় করেছো, তুমিও রানীকে জয় করেছো।…সোনালি ছিল তোমার পাশে রানী, আর এখানে,

    আমার পাশে এসে, ও হয়েছে ভিখারিনী। ওর সোনার যৌবন বনে-জঙ্গলে রোদে পুড়ে, জলে ভিজে নষ্ট হচ্ছে। কত মখমল, সিল্কের পোশাক ছিল ওর, আজ ভালো করে লজ্জা নিবারণ করতে পারে না। সোনার পালঙ্কে কি কোমল শয্যায় ও শুয়ে থাকতো, আজ শুয়েছে কঠিন পাথরে। আমারই জন্য। সবই আমার জন্য। আমি ওকে এই দুর্ভাগ্যের মধ্যে টেনে এনেছি। হা ঈশ্বর, আমাকে বাঁচাও। আমার নিজের সুখের জন্যে সোনালিকে এত কষ্ট দেবো কেন? ঈশ্বর, আমাকে শক্তি দাও, শক্তি দাও, আমি সোনালিকে ফিরিয়ে দিয়ে আসি।

    রাজাই তার স্বামী, পবিত্র ধর্মমতে ওঁকে বিয়ে করেছেন সকলের সামনে। আমি কে? আমি একটা চোর।

    সেদিন সারারাত আর ত্রিস্তান কুটিরে ফিরে গেল না। ঐখানে, বনের মধ্যে মাটিতে শুয়ে একা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো। তার কান্না শুনলো অরণ্যের পশুরা আর আকাশের তারাদল। হয়তো সেই কান্না শুনেই হিংস্র জন্তুরা ত্রিস্তানের ক্ষতি করতেও এলো না।

    ওদিকে কুটিরে সোনালি সারারাত জেগে আছেন। এতদিনের মধ্যে এই প্রথম এক রাত্রিতে ত্রিস্তান তাঁর সঙ্গে নেই। নিজের জন্য ভয় নেই তাঁর, ভয় হচ্ছে ত্রিস্তানের জন্য। হরিণ ধরতে গিয়ে কোথায় গেল? রাজা মার্কের ফিরিয়ে দেওয়া আংটিটা দেখে সোনালির অনেক কথা মনে হতে লাগলো। যে লোক আমাকে কুষ্ঠরোগীদের হাতে ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, সেই লোকই এবার আমাকে না মেরে, আংটিটা শুধু ফিরিয়ে দিয়ে গেলেন! রাজার মনে ফিরে এসেছে স্নেহ, মমতা। আমাকে উনি কত স্নেহ করেছেন, ভালোবেসেছেন। এই বিদেশে আমাকে কোনো দুঃখ পেতে দেননি। কিন্তু আমি এলাম এ রাজ্যে কুগ্রহ হয়ে। রাজা কত ভালোবাসতেন ত্রিস্তানকে আর আজ! যে ত্রিস্তান রাজা মার্কের জন্য নিজের রাজ্য পর্যন্ত ছেড়ে এলো, আজ সেই রাজ্যই ওর প্রধান শত্রু। কার জন্য? ত্রিস্তানের ছেলেবেলার নাম দুঃখ। সারাজীবন ওকে দুঃখই পেতে হলো কার জন্য? আমার, আমার-। আজ ত্রিস্তানের কোথায় থাকার কথা, সে এই রাজ্যের শ্রেষ্ঠ বীরপুরুষ, তার বীরত্বের খ্যাতি পৃথিবীময়, জমকালো পোশাক পরে সে সাদা ঘোড়ায় রাজপথ দিয়ে যাবে- লোকে তার দিকে তাকাবে গভীর সম্মানের চোখে…তার বদলে, আজ সে ছন্নছাড়ার মতো বনে-জঙ্গলে ঘুরছে, তার পোশাক নেই, তার কোনো আনন্দ নেই। বীরযোদ্ধা কখনও দিনের পর দিন যুদ্ধ না করে, নিজের শক্তির পরিচয় না দিয়ে থাকতে পারে? পাখি যেমন ওড়ে, বীর নাইট তেমনি যুদ্ধের চর্চা করে। তার বদলে এখানে সামান্য জীবজন্তু শিকার করা তার একমাত্র কাজ। রাজার যে সৈন্যরা একসময় তাকে দেখলেই অভিবাদন করতো, আজ তারাও ওকে দেখলে পশুর মতো তাড়া করবে শুধু আমার জন্য। শুধু আমার জন্য! হে ভগবান, আমার জন্য ত্রিস্তানের এই দুর্ভাগ্য! বীরপুরুষকে সামান্য মানুষের মতন জীবন কাটাতে দেখলে মেয়েরা কখনও সুখী হয় না।

    এক সময় বাইরে পদশব্দ পাওয়া গেল। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ত্রিস্তান ফিরে আসছে। বিষণ্ন তার মুখ। আজ সে এসেই সোনালিকে জড়িয়ে ধরলো না। সোনালি তাড়াতাড়ি এসে ত্রিস্তানের পোশাক খুলে দিতে লাগলেন। তলোয়ারটা যখন ত্রিস্তানের কোমর থেকে খুলেছেন, তখন ত্রিস্তান গম্ভীর স্বরে বললো, এ তলোয়ার রাজার, এটা তিনি আমাদের বুকে বসিয়ে দিতে পারতেন, তার বদলে উপহার দিয়ে গেছেন।

    সোনালি সেই তলোয়ারের মুক্তো বসানো বাঁটে চুমু খেলেন। দু’ফোঁটা জল এলো তাঁর চোখে। সেদিন দুজনে কেউ আর কোনো কথা বলতে পারলো না। হয়তো, মনে মনে ওরা দুজনে ভাবছে একই কথা।

    দু’তিন দিন পর, ত্রিস্তান ধীরস্বরে সোনালিকে বললো, সখী, আমি ভেবে দেখলাম তোমার রাজার কাছে ফিরে যাওয়াই উচিত। রাজার মন থেকে রাগ পড়ে গেছে, তিনি তোমাকে বোধহয় ফিরে পাবার জন্য কাতর। আমার জন্য তুমি এত কষ্ট সহ্য করবে এ যে আমি আর সহ্য করতে পারি না। তুমি রাজার মেয়ে, তোমার কি এত কষ্ট সহ্য করবার কথা ছিল? আমি ছেলেবেলা থেকেই দুঃখ-কষ্টকে চিনি। কিন্তু, তোমার এই সোনার অঙ্গ-না, না, সোনালি-তোমার রাজার কাছে ফিরে যাওয়াই ঠিক, রাজা যদি আমাকেও ফিরিয়ে নেন, তবে আমি তাঁর সেবা করবো অথবা আমি চলে যাবো অন্য রাজ্যে। আমার ভাগ্যে যা আছে, তাই হবে। কিন্তু আমার জন্য তোমাকে আর কষ্ট সইতে দেবো না।

    সোনালি একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন। একটা গোপন দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তারপর বললেন, সত্যি ত্রিস্তান, আমার জন্য তুমি কেন এত কষ্ট সহ্য করবে? আমি এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে তোমার দুঃখ যাবে না। ত্রিস্তান, তুলে নাও তোমার তলোয়ার। আমার বুকে বসিয়ে দাও। ত্রিস্তান, ভালোবাসা কোনো মূল্য চায় না। তোমাকে ভালোবেসে আমি স্বর্গ পেয়েছি, কিন্তু তার জন্যে তোমার জীবনে এত মূল্য দিতে হবে কেন। আমার মৃত্যুই একমাত্র সমাধান।

    ত্রিস্তান দুই করতলে তুলে ধরলো রানীর মুখ। দেখলো, সে মুখ বড় বিমর্ষ, ম্লান। আস্তে আস্তে সে বললো, সোনালি, মৃত্যু যদি সমাধান হয় তবে মৃত্যু আসা উচিত আমার। সে মৃত্যু তো আমি পেয়েছি, বহুবার, তোমার ঐ বুকের মধ্যে। তোমার বুকে মাথা রেখে আমি সে সুখ পেয়েছি, তা মৃত্যুর মতোই তীব্র। কিন্তু সত্যি সত্যি শারীরিকভাবে মরতে আমি পারি না, তাহলে যে তোমাকে আর দেখতে পাবো না। কিংবা দেখতে যদি নাও পাই, তুমি কোথাও বেঁচে আছো, সুখে আছো, জানতে পারলেই আমার সুখ। তুমি আমার দুঃখের কথা বলছো? দেখো, আমার জন্ম থেকেই আমার সারা শরীরে দুঃখের অজস্র চিহ্ন-যেদিন থেকে আমার মা মারা যান। দুঃখ- কষ্ট আমার অঙ্গের ভূষণ। সোনালি, আমার মায়ের মৃত্যুর কথা আমি অনেক পরে শুনেছি। বড় দুঃখ পেয়ে মরেছেন তিনি। তোমাকে দেখলেও আমার মায়ের কথা মনে পড়ে। তোমাকে আর আমি দুঃখ সইতে দিতে পারি না। দুঃখ তোমাকে মানায় না। আমার সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে কখনো তো তুমি দুঃখের মুখ দেখোনি!

    —ত্রিস্তান, আমার দুঃখ কোথায়। তোমার সঙ্গে দেখা হবার আগেই তো আমার সারাজীবন দুঃখে কেটেছে। তোমার ভালোবাসা আমাকে যে সুখ দিয়েছে, পৃথিবীতে কোনো নারী সে সুখ কখনও পায়নি!

    —না, সোনালি, আমার মনে অপরাধবোধ এসেছে। আমার মনে হয় এখন, রাজার কাছ থেকে আমি তোমাকে ছিনিয়ে এনেছি শুধু আমার নিজেরই স্বার্থে তোমাকে দেবার মতো আমার আছে শুধু ভালোবাসা, আর তো কিছু নেই। তোমার এই জীর্ণ পোশাক, আজ তোমার শরীরের রং জ্বলে যাচ্ছে রোদ্দুরে, শীতে, এ তো আমারই জন্যে।

    —আর তোমার রুক্ষ শরীর, ছেঁড়া-পোশাক আজ কার জন্য!

    সে তো আমার প্রাপ্য! আমি হীন চোরের মতো পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি-আমাকে এ চেহারাতেই মানায়। কিন্তু তুমি রানী, আমার জন্য তোমার এই দুর্দশা কেন? তুমি রাজার কাছে ফিরে যাও। তাঁর সেদিনের ব্যবহার দেখে মনে হয়, তিনি আমাদের ক্ষমা করেছেন। তিনি আবার তোমাকে ভালোবাসবেন, তোমার যোগ্য সম্মান দেবেন। আমি দূরে সরে যাবো।

    সোনালি একটা বিরাট নিশ্বাস ফেললেন। তারপর বললেন, চলো ত্রিস্তান, আমরা ঋষি অগরুর আশ্রমে গিয়ে ঈশ্বরের কাছে দয়া প্রার্থনা করি।

    হাঁটতে হাঁটতে ওরা আবার চলে এলো ঋষির আশ্রয়ে। ঋষি ওদের দেখে চমকে উঠলেন। বললেন, ইস্, একি চেহারা হয়েছে তোমাদের? দেখো, ভালোবাসা তোমাদের কতদূর নিয়ে গেছে! ত্রিস্তান, এখনও অনুতপ্ত হও, অনুতাপ ছাড়া মুক্তি নেই।

    ত্রিস্তান গম্ভীরভাবে বললো, ঋষি, আপনি রাজার সঙ্গে আমাদের শান্তি স্থাপনের একটা ব্যবস্থা করে দিন। আপনি রাজাকে চিঠি লিখে দিন যে রানীকে ফেরত পাঠাতে প্রস্তুত আমি, যদি তিনি তাঁকে সসম্মানে গ্রহণ করেন। আমি নিজে এ রাজ্য ছেড়ে চলো যাবো-তাঁর আর চক্ষুশূল হবো না, কিন্তু রানীর সম্পূর্ণ সম্মান রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে তাঁকে!

    সোনালি অগরুকে বললেন, প্রভু, আমি আমার ভালোবাসার জন্য একটি অনুতাপের বাক্যও উচ্চারণ করতে চাই না। কিন্তু আমাদের এ অবস্থার শেষ হোক।

    ঋষি অগরু তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন, হে রাজার রাজা, শেষ পর্যন্ত তুমি সব মানুষকেই সুমতি দাও! ধন্য তোমার করুণা।

    ত্রিস্তান তা দেখে অভিমানী মুখে, মনে মনে বললো, না, আমি ঈশ্বরের ভয়ে সোনালিকে ফিরিয়ে দিতে আসিনি। পাপের জন্য আমি অনুতাপও করছি না। আমি সোনালিকে ফিরিয়ে দিতে চাই অন্য কারণে। ঋষি, তুমি বন বাসী ব্রহ্মচারী, তুমি সে কথা বুঝবে না!

    ঋষি তারপর চিঠি লিখতে বসলেন। চিঠি লেখা শেষ হলে তিনি ওদের চিঠিটা পড়ে শোনালেন। ত্রিস্তান চিঠিতে নিজের আংটির ছাপ দিয়ে দিলেন।

    ঋষি জিগ্যেস করলেন, কে চিঠি নিয়ে যাবে?

    ত্রিস্তান উত্তর দিল, আমি।

    —না, না, তা হয় না। তোমাকে দেখলে প্রহরীরা কোনো কথা শোনার আগেই হয়তো হত্যা করবে। না, ত্রিস্তান তুমি না!

    —ঋষি, যদি মরার হতো, বহু আগেই তাহলে আমি মরে যেতাম। আমার পক্ষে মরা বড় কঠিন। ও চিঠি আমিই নিয়ে যাবো!

    সেদিন সন্ধের অন্ধকার নেমে আসার পর ত্রিস্তান ঋষির কাছ থেকে একটা কালো কাপড় চেয়ে নিয়ে সেটা দিয়ে মুখ ঢেকে ঘোড়ায় চেপে বেরিয়ে পড়লো। বন পেরিয়ে সোজা চলে এলো দুর্গের প্রাচীরের কাছে। ততক্ষণে প্রায় মধ্যরাত। সেখানে ঘোড়া বেঁধে, লাফিয়ে পার হল প্রাচীর। তারপর উদ্যানের মধ্য দিয়ে হেঁটে চলে এলো রাজার শয়ন ঘরের নীচে। কেউ তাকে সন্দেহ করেনি। তাছাড়া সন্দেহ করবেই বা কে? কেউ কি কল্পনা করতে পারে ত্রিস্তান একা এসে ঢুকবে রাজপুরীতে? ওকে কেউ চিনতে পারলেও বিশ্বাস করতো না। হয়তো ভাবতো ভূত দেখছে।

    ত্রিস্তান অনুচ্চ স্বরে তিনবার ডাকলো, মহারাজ, মহারাজ, মহারাজ!

    সেই ডাক শুনে রাজা মার্কের ঘুম ভেঙে গেল। তিনি ভাবলেন, তিনি কি স্বপ্ন দেখছেন? তাড়াতাড়ি জানলার কাছে এসে বললেন, কে ডাকছো আমায় এত রাত্রে? কে তুমি?

    —মহারাজ, আমি ত্রিস্তান।

    —কে, কি নাম বললে?

    —ত্রিস্তান।

    —ত্রিস্তান? কোন ত্রিস্তান? এদিকে আলোর কাছে এসো!

    —আমি সেই পুরনো ত্রিস্তান। মহারাজ, আপনার কাছে একটা চিঠি দিচ্ছি, কাল এর উত্তর লিখে ঝুলিয়ে দেবেন বনের সীমান্তে শুকনো ওক গাছে!

    ঠক্ করে শব্দ হয়ে একটা তীর এসে পড়লো রাজার পায়ের কাছে। তার মাথায় বাঁধা চিঠি। রাজা ডেকে উঠলেন, ত্রিস্তান, ত্রিস্তান, একটু দাঁড়াও!

    কোনো উত্তর নেই আর। রাজা তাড়াতাড়ি ছুটে এলেন বারান্দায়। বাগান তখন শূন্য যতদূর দেখা যায় শুধু চাঁদের আলোর স্তব্ধতা। রাজা আর্তকণ্ঠে চেঁচিয়ে উঠলেন, ত্রিস্তান, ত্রিস্তান, ওরে একটু দাঁড়া, একবার তোকে দেখি, ত্রিস্তান, ত্রিস্তান-

    রাজার আকুল ডাক হাওয়ায় ভেসে বেড়াতে লাগল। ত্রিস্তান তখন বহু দূরে। চিৎকার শুনে প্রহরীরা ছুটে এসে দেখলো রাজা বারান্দায় দাঁড়িয়ে পাগলের মতো কাঁদছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুনের রঙ – সম্পাদনা: সমরেশ মজুমদার, অনীশ দেব
    Next Article কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }