Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প158 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনালী দুঃখ – ৩

    ৩

    রাজা মার্কের রাজ্যে এখন নিরবচ্ছিন্ন সুখ। দেশ শত্রুমুক্ত, ত্রিস্তান ফিরে এসেছে। রাজা মুগ্ধ হয়ে ত্রিস্তানের বীণার বাজনা শোনেন।

    কিন্তু হুজুর, আপনারা জানেন, দিনের আলোয় যখন সারা দুনিয়াটা ঝমক্‌ করে, তখনও মানুষের ছায়া পড়ে। জীবন কখনও সরল পথে চলতে জানে না! যতই আলো থাক্, তার মধ্যেও ছায়া থাকবে। রাজা মার্কের রাজ্যে সবাই ত্রিস্তানকে ভালোবাসে, শুধু চারজন নাইট ছাড়া। এই চারজনই রাজার একটু একটু আত্মীয়, আগে ছিল রাজার প্রিয়পাত্র, এখন ত্রিস্তান এসে সে জায়গা কেড়ে নিয়েছে। সুতরাং ত্রিস্তানের ওপর ওদের ঈর্ষা হবে-এ তো মানুষেরই ধর্ম।

    এ চারজন সারা রাজ্যে ফিসফিস গুজগুজ করে রটাতে লাগলো যে, ত্রিস্তান একজন যাদুকর। নইলে এরকম অসম্ভব অলৌকিক ঘটনা একটা মানুষের জীবনে বারবার ঘটে কি করে? মোরহল্টের মতো অমন একজন দৈত্যের মতো বীরপুরুষকে মারলো সেটাই আশ্চর্যের কথা। তারপর ওরকম মুমূর্ষু অবস্থায় সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া হলো-তবু বেঁচে ফিরে এলো কি করে! রাজার ছেলেপুলে নেই, শেষ পর্যন্ত ত্রিস্তানকেই হয়তো যুবরাজ করবেন। শেষ পর্যন্ত দেশটা চলে যাবে যাদুকরের হাতে। সে যুগের মানুষ মায়াবী বা যাদুকরের নাম শুনলেই ভয় পেতো! কত মেয়েকে ডাইনী মনে করে পুড়িয়ে মেরেছে আপনারা জানেন! হা কপাল, ডাইনীই যদি হবে, তবে সে পুড়ে মরবে কেন?

    তখন তারা ধরে পড়লো রাজাকে বিয়ে করতে হবে। রাজার একটি বংশধর চাই। রাজা এ কথাতে কান দিতে চান না। অথচ সেই নাইট চারজন প্রত্যেকদিন রাজসভায় এসে এ-কথা বলতে লাগলো।

    যেদিন ত্রিস্তান বুঝতে পারল ঐ নাইট চারজনের উদ্দেশ্য কি, তখনই লজ্জায় তার মরে যেতে ইচ্ছে হলো। ছি, ছি, তাকে এত নীচ ভাবে ওরা! সে কি নিজের রাজ্য ছেড়ে দিয়ে আসেনি? রাজা মার্ককে যে সে ভালোবাসে, সে কি রাজ্যের লোভে? তখন ত্রিস্তান রাজাকে জোর করতে লাগলো বিয়ে করার জন্য। নইলে ত্রিস্তান রাজ্য ছেড়ে চলে যাবে। রাজ্যের লোকের সন্দেহের কারণ সে হতে চায় না।

    রাজা মার্ক দেখলেন মহা মুশকিল। কিছুতে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। ত্রিস্তান থাকতে তাঁর আর পুত্রের দরকার কি! কিন্তু হঠাৎ উপায় পেয়ে গেলেন। একদিন তিনি স্নান করছেন, এমন সময় জানলায় দুটো দোয়েল পাখি উড়ে এসে বসলো। তারপর ফুরুত করে উড়ে যাবার সময় মুখ থেকে একগাছি সোনালি চুল ফেলে গেল একটা পাখি। রাজা তুলে দেখলেন সাধারণ সোনালি চুল নয় ঠিক যেন সোনার পাতলা সুতো—সেই রকম রং, সেই রকম উজ্জ্বলতা, অথচ চুল যে তাও অবিশ্বাস করা যায় না।

    রাজা সেই চুলটা এনে রাজসভায় বললেন, আমি বিয়ে করতে পারি একটি মাত্র মেয়েকে। সে কোথায় আছে আমি জানি না। কিন্তু এই তার মাথার চুল। একে তোমরা খুঁজে দিতে পার তো বিয়ে করবো! এমন মুচকি হাসলেন রাজা, যার মানে, কেমন জব্দ করেছি তোমাদের! এরকম মেয়ে তো আর কোথাও পাবে না কেউ!

    এ কথায় নাইটরা সবাই কালো মুখে ত্রিস্তানের দিকে তাকালো। সকলেই ভাবলো, এ নিশ্চয়ই ত্রিস্তানের কারসাজি। ত্রিস্তানই রাজাকে এই পরামর্শ দিয়েছে তাদের ঠকাবার জন্য।

    সেই সোনালি চুলটা দেখে ত্রিস্তানের যেন অস্পষ্টভাবে একটা ছবি মনে পড়লো। একটি প্রস্ফুটিত সুন্দর মুখ, দুটি হ্রদের মতো গভীর চোখ আর এক মাথা সোনালি চুল। তার শিয়রের পাশে বসেছিল। হ্যাঁ মনে অরছে, সে যখন মাথা দুলিয়ে হেসেছিল, তখন ঝিলমিল সোনালি চুলের গুচ্ছ কেঁপে উঠেছিল শরৎকালে সোনাঝুরি গাছের মতন! স্বপ্নের মতো মনে পড়ে ত্রিস্তানের সেই মুখ। সেই কন্যা তাকে তাঁর রাজ্যে থাকতে বলেছিলেন। তাঁর চাঁপার কলির মতো আঙুল বুঝিয়েছিলেন ত্রিস্তানের কপালে।

    ত্রিস্তান যেন ঘুম ভেঙে উঠে বললে, রাজা, আমি জানি কোথায় আছে সেই কন্যা। কিন্তু সে যে আমার পক্ষে বড় ভয়ঙ্কর দেশ। আমি সেখানে গেলে বোধহয় প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারবো না। তবু আমাকে যেতেই হবে। নইলে আপনার নাইটরা ভাববে, আমি আপনার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে সোনালি চুলের কথা বলেছি। আপনি আশীর্বাদ করুন, আমি এবারও যেন জয়ী হয়ে ফিরে আসতে পারি।

    সঙ্কটের মধ্যে পড়ে রাজার শরীর কাঁপতে লাগলো। তাঁর মুখে ভাষা নেই। ত্রিস্তান নতজানু হয়ে রাজার সামনে বসে বললো, মহারাজ, যদি শেষ পর্যন্ত প্ৰাণ থাকে, আমি সেই রাজকন্যাকে জয় করে এনে আপনার হাতে সঁপে দেবো। এই আমার শপথ!

    ত্রিস্তান একশোজন বাছা বাছা সৈন্য সঙ্গে নিয়ে একটা বিরাট জাহাজ সাজালো। সঙ্গে নিল প্রচুর খাদ্য ও মদ, মধু, রেশমী পোশাক, জরির কিংখাব। সৈন্যদের সাজালো ব্যবসায়ীর বেশে। তারপর জাহাজ ছেড়ে দিলো।

    দু’দিন যাবার পর সৈন্যরা জিগ্যোস করলো, প্রভু, আমরা কোন দেশে যাচ্ছি?

    —আয়ার্ল্যান্ড! সোজা হোয়াইটহ্যাভেন বন্দরের দিকে জাহাজ চালাও।

    —আয়ার্ল্যান্ড? সে কি? সৈন্যরা ভয়ে কাঁপতে লাগলো। ত্রিস্তানের কি মাথা খারাপ হয়েছে? এই সেদিন মোরহল্টকে হত্যা করার পর আয়ার্ল্যান্ডের সৈন্যরা অপমানে ফিরে গেছে। এখন ত্রিস্তানকে হাতে পেলে ওরা ছিঁড়ে ফেলবে না? তাও ত্রিস্তান যাচ্ছে মাত্র একশোজন সৈন্য সঙ্গে নিয়ে?

    —ভয় কি, আমরা তো যাচ্ছি ছদ্মবেশে! বুকে যদি সাহস থাকে কেউ ছদ্মবেশ ছিঁড়তে পারবে না।

    আয়ার্ল্যান্ডের বন্দরে এসে জাহাজ ভিড়লো। সবাই জানলো দূর দেশ থেকে একটা বাণিজ্য জাহাজ এসেছে। অবশ্য এ জাহাজের বণিকরা একটু অদ্ভুত ধরনের। ব্যবসায়ে বিশেষ মন নেই, দিনরাত তাশ পাশা খেলে কাটায়। দিন কাটতে লাগলো, ত্রিস্তান রাজবাড়িতে যাবার কোনো সুযোগ পেল না। কিছুটা অভিমান ও ঝোঁকের মাথায় সে চলে এসেছে, কিন্তু জানে না কি করে শত্রুপুরীর রাজকন্যাকে জয় করবে। কোনো উপায় সে ভেবে পায় না।

    হঠাৎ এক সকালে সুযোগ এলো। ভোরবেলা ত্রিস্তান বন্দরের পাড় দিয়ে হাঁটছে, হঠাৎ পালাও রব উঠলো। লোকজন ছুটে পালাতে লাগলো, একজন অশ্বারোহী ভীত মুখে পালিয়ে গেল ঝড়ের বেগে। ত্রিস্তান একজন পলায়মানা রমণীর হাত চেপে ধরে বললো, কি ব্যাপার, পালাচ্ছেন কেন? কি হয়েছে?

    রমণী কাতরস্বরে বললো, আমায় ছেড়ে দাও, তোমার পায়ে পড়ি।

    —কেন পালাচ্ছেন, না বললে কিছুতেই ছাড়বো না।

    —তুমি জানো না? ড্রাগন এসেছে। রোজ এসে শহর থেকে একটা করে মেয়ে ধরে নিয়ে গিয়ে খায়। আজ একেবারে ভিতরে ঢুকে পড়েছে।

    —ঠিক আছে, ভয় নেই। আমি যাচ্ছি ওটাকে আটকাতে। -খবরদার, ওরকম মূর্খোমি করো না। তুমি পাগল নাকি! –কেন, ওকে মারা কি মানুষের পক্ষে অসম্ভব?

    —তা জানি না, তবে এটুকু জানি কুড়িজন নাইট ওকে মারতে গিয়ে নিজেরাই মরে গেছেন। এদেশের রাজা ঘোষণা করেছে, যে ওটাকে মারতে পারবে, তার সঙ্গেই রাজকুমারীর বিয়ে দেবেন।

    একথা শুনে ত্রিস্তান হাসলো। হারলে মৃত্যু জিতলে রাজকুমারী। এই তো সে চেয়েছিল! তারপর জাহাজে ফিরে বর্মে সজ্জিত হয়ে আবার বেরিয়ে এলো। সব লোক যেদিক থেকে ছুটে পালাচ্ছে ত্রিস্তান একা এগিয়ে গেল সেদিকে সাদা ঘোড়ায় চড়ে। তার তরুণ মুখে কোনো ভয়ের চিহ্ন নেই। একটু পরে ত্রিস্তান জানোয়ারটাকে দেখতে পেল। মুখটা শুয়োরের মতো জ্বলন্ত কাঠকয়লার মতো দুটো চোখ, সিংহের মতো থাবা, কিন্তু শরীরটা কুমীরের। এই সেই ভয়ংকর ড্রাগন। ত্রিস্তান সোজা ঘোড়া চালিয়ে গিয়ে বর্শা দিয়ে আঘাত করলো ওকে। ঠক্ করে লেগে বর্শাটা ভেঙে গেল, হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেল ঘোড়াটা। ত্রিস্তান তখন খোলা তলোয়ার হাতে দাঁড়ালো। ড্রাগনটা এগিয়ে আসতেই ত্রিস্তান তলোয়ার চালালো, কিন্তু ঠাস করে শব্দ হলো শুধু, একটুও আঘাত লাগল না ওর। ড্রাগনটা থাবা মেরে ত্রিস্তানের বর্ম ধরে টান মারতেই, বর্মটা সামনের দিকে খানিকটা ভেঙে গেল। ত্রিস্তানের বুক তখন উন্মুক্ত। এবার শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে তলোয়ার চালালো ত্রিস্তান, কিন্তু বৃথাই, জন্তুটার শরীর যেন ইস্পাতের তৈরি। জন্তুটা নাক দিয়ে এমন আগুনের হল্কা ছাড়লো যে বুকের কাছটা সম্পূর্ণ ঝলসে গেল ত্রিস্তানের। ত্রিস্তান বুঝলো সে আর দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু মরার আগে প্রতিশোধ নিয়ে যাবে না? আর এক পা সামনে এগিয়ে এলো ত্রিস্তান। ড্রাগনটা এবার হাঁ করে ওকে গিলতে এলে, ত্রিস্তান সোজা তলোয়ার চালিয়ে দিল ওর মুখের মধ্যে। সেই এক আঘাতেই জন্তুটার হৃদপিন্ড চিরে গেল। বিকট চিৎকার করে পড়ে গেল জন্তুটা। ত্রিস্তান ও তখন টলছে। নিচু হয়ে ওটার জিভটা কেটে নিয়ে নিজের মোজার মধ্যে রাখলো। তারপর কয়েক পা এগিয়ে আসতেই হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেল ত্রিস্তান। গড়াতে গড়াতে নিচের ঝোপে গিয়ে আটকালো। জন্তুটার বিষ নিঃশ্বাসে ত্রিস্তানের বুক পুড়ে গেছে।

    প্রথমেই ত্রিস্তান ঝড়ের বেগে যে অশ্বারোহীকে পালাতে দেখেছিল, সে হচ্ছে লাল-চুলো নাইট। তার মাথার চুল লাল বলে লোকে তাকে লাল-চুলো বলে। লোকটা নাইট হলেও, ভীতুর ডিম আর লোভী। রাজকুমারীকে বিয়ে করার খুব ইচ্ছে ওর, রোজই একবার ড্রাগনটাকে মারার জন্যে সেজেগুজে আসে, তারপর ড্রাগনটার প্রথম ডাক শুনেই পালিয়ে যায়। আবার পরের দিন আসে। ভালোবাসার এমনই টান যে কাপুরুষকেও দুঃসাহসী হতে লোভ দেখায়! সেদিন হঠাৎ কি হলো, প্রথমবার পালিয়ে যাবার পর লাল-চুলোর মনে অনুতাপ এলো। রোজই এরকম পালিয়ে যাওয়া? নাঃ, আজ একটা হেস্তনেস্ত হয়ে যাক্, হয় ড্রাগন মরুক নয় আমি মরি।

    লাল-চুলো ফিরে এসে দেখে ড্রাগনটা মরে পড়ে আছে, আশেপাশে আর কেউ নেই। তখন আনন্দে সে একা একাই একটু নেচে নিলো! সে ভাবলো, ভগবানই বুঝি তার হয়ে ড্রাগনটাকে মেরেছেন। লাল-চুলো তখন তাড়াতাড়ি এসে পুচিয়ে পুচিয়ে ড্রাগনটার মাথা কেটে ফেললো, তারপর সেই ছিন্নমুণ্ড হাতে নিয়ে ছুটতে ছুটতে রাজার কাছে গিয়ে বললো, কই মহারাজ, এবার রাজকুমারীকে ডাকুন।

    আয়ার্ল্যান্ডের রাজকুমারীর নাম সোনালি চুল ইসল্ট। অনেকে তাঁকে ডাকে সোনালি চুল বলে, অনেকে ডাকে শুধু সোনালি। রাজকন্যা সোনালি যখন শুনলেন ঐ ভীতুর ডিম লাল-চুলো নাইটই ড্রাগনকে মেরেছে এবং সে-ই তাকে বিয়ে করবে-তখন তিনি হাসতে হাসতে আর বাঁচেন না। তারপর নিজের দুর্ভাগ্যের কথা ভেবে হাসতে হাসতেই কাঁদতে লাগলেন। ঐ লাল-চুলো মেরেছে ঐ ড্রাগন। সূর্য তো পশ্চিম দিকে ওঠেনি। পাখিরা তো বোবা হয়ে যায়নি। সমুদ্র তো নিস্তব্ধ হয়নি, হঠাৎ, তবু এই অসম্ভব কাণ্ড হলো কি করে? নিশ্চয়ই কোনো জোচ্চুরি আছে! রাজকন্যা ঠিক করলেন, সখীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি গোপনে মরা ড্রাগনটা দেখে আসবেন।

    ড্রাগনের পাশে একটা গোড়া মরে আছে। ঘোড়ার এরকম সাজ-পোশাক তো এদেশের নয়। রাজকন্যা বুঝলেন, কোনো বিদেশী এসে ড্রাগনটা মেরেছে, কিন্তু কোথায় সে বিদেশী? সে কি এখনও বেঁচে আছে! সখীরা খোঁজাখুঁজি করতে লাগলো। শেষে প্রিয়সখী বিরজা দেখতে পেল, দূরে ঝোপের মধ্যেকার শিরস্ত্রাণ চক্‌চক্ করছে। ছুটে গেলেন সবাই। তখন জ্ঞান নেই ত্রিস্তানের, কিন্তু অল্প অল্প নিশ্বাস পড়ছে। ধরাধরি করে গোপনে ত্রিস্তানকে নিয়ে আসা হলো রাজপুরীর মধ্যে। সোনালি তাঁর মাকে শুধু বললেন সব কথা, দেখালেন সেই বীরপুরুষের অজ্ঞান দেহ। ওর মা তাড়াতাড়ি ওষুধ লাগাবার জন্য, ত্রিস্তানের পোশাক খুলতে গিয়ে জুতোর মধ্যেদেখতে পেলেন সেই ড্রাগনের জিভ। মা আর মেয়ে চোখাচোখি তাকালেন। তারপরখুব তেজী ওষুধে অল্প সময়েই জ্ঞান ফেরালেন ত্রিস্তানের।

    চোখ মেলতেই রানী বললেন, বিদেশী, তুমি কে জানি না, কিন্তু এ কথা বুঝেছি, তুমিই ড্রাগনকে হত্যা করেছো। এদিকে লাল-চুলো নামে একজন নাইট দাবী করছে সে-ই মেরেছে ড্রাগনটাকে। তুমিই আমার মেয়ের যোগ্য স্বামী, তোমার সঙ্গেই ওকে মানাবে। ঐ কাপুরুষটার সঙ্গে নয়! এমন সোনার প্রতিমা আমার মেয়ে, তার সঙ্গে কি ঐ বাঁদরটাকে মানায়! তুমি দুদিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠে ওর সঙ্গে লড়াই করে ওকে হারাতে পারবে? তোমাকে পারতেই হবে। তোমাকে যে আমার খুব পছন্দ হয়েছে!

    প্রভুগণ, দেখুন, ঈশ্বরের কি কৌতুক। রানী একপলক দেখেই ত্রিস্তানকে পছন্দ করে ফেললেন। অথচ ওই রানীই ত্রিস্তানের মৃত্যুসংবাদ শুনলে নিজের গলার মুক্তামালা দেবেন, ঘোষণা করেছেন!

    রাজপুরীর মধ্যে গোপনে ত্রিস্তানের সেবা করছেন রাজকন্যা সোনালি নিজে! পরদিন সকালে ত্রিস্তানকে স্নান করিয়ে ক্ষতের জায়গায় মলম লাগাতে এসেছেন রাজকুমারী। ত্রিস্তান তখনও ঘুমিয়ে। ত্রিস্তানেরতেজস্বী সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে রাজকুমারী একটা আদরের দীর্ঘনিশ্বাস ফেললেন। সে মুখ যেন অল্প অল্প চেনা লাগছে। হয়তো, পূর্বজন্মে ওর সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল! ইস্, এর সঙ্গে বিয়ে না হয়ে যদি লাল-চুলোর সঙ্গে বিয়ে হত? লজ্জায় আত্মহত্যা করতে হত তাহলে। এই বিদেশী আমাকে বাঁচিয়েছে। কালকে এর পক্ষে লাল-চুলোকে হারানো তো কিছুই না!

    ঘুম ভেঙে ত্রিস্তান দেখলো সোনালিকে। একদৃষ্টে তাঁর মুখের দিকে চেয়ে রইলো। মনে মনে ভাবলো, সোনালি চুল রাজকন্যাকে তাহলে আমি সত্যিই খুঁজে পেলাম। এই ভেবে ত্রিস্তান একটু হাসলো। সেই হাসি কেমন যেন অদ্ভুত রাজকন্যা দেখে চমকে উঠলেন। ওরকম ভাবে হাসলো কেন বিদেশী? আমার কি কিছু ভুল হয়েছে? আমার পোশাক অগোছালো না তো! তবে, ওরকম ভাবে হাসলো কেন? কি জানি!

    রাজকুমারী তখন ত্রিস্তানের অস্ত্রশস্ত্র পরিষ্কার করার জন্য বার করলেন। আহা, কি সুন্দর শিরস্ত্রাণ, ওর মতো বীরেরই যোগ্য। কি বিশাল তলোয়ার দিয়ে ড্রাগনকে মেরেছে, কাল লাল-চুলোকেও মারবে! একি, তলোয়ারের ডগাটা ভাঙা কেন? ড্রাগনকে মারতে গিয়ে ভাঙলো! ভাঙা তলোয়ার দেখে সোনালির কি রকম যেন অস্বস্তি লাগলো। যতখানি ভাঙা, সে রকম একটা টুকরো যেন তিনি কোথায় দেখেছেন। কোথায়? ওঃ! শঙ্কায় সোনালির বুক দুলে উঠলো। তাঁর মামা মোরহল্টের মাথার খুলির মধ্যে তো এই রকম একটা টুকরো ঢুকেছিল। হে ভগবান, যেন তা না হয়! তাড়াতাড়ি গিয়ে হাতির দাঁতের বাক্স খুলে টুকরোটা বার করে আনলেন। জোড়ে জোড় মিলে গেল। ওঃ! এই বিদেশীই তবে লিওনেসের ত্রিস্তান! মোরহল্টকে খুন করেছে এই লোকটাই! হায়, আমার ভাগ্য!

    রাগে রাজকুমারী তলোয়ার হাতে ছুটে এলেন ত্রিস্তানকে খুন করার জন্যে। ত্রিস্তান তখন স্নান করছে, জলভর্তি বড় গামলার মধ্যে শুয়ে, দুর্বল, অসহায় নিরস্ত্র ত্রিস্তান। তলোয়ার উঁচিয়ে ক্রোধে কঠিন গলায় ত্রিস্তানকে বললেন রাজকুমারী, শয়তান, তুমিই মোরহল্টের হত্যাকারী? সত্যি করে বলো, তুমিই কি লিওনেসের ত্রিস্তান? তাহলে এবার মৃত্যুর জন্য তৈরি হও।

    ত্রিস্তানের পালাবার উপায় নেই। সে শুয়ে থেকে মৃদু হেসে বললো, রাজকুমারী, তোমার হাতে মরবো, তাতে আমার দুঃখ কি। এ জীবন তো তোমারই। মরার আগে একটা কথা বলবো। আমার জীবন তুমিই দু’বার বাঁচিয়েছো! মনে আছে সেই মুমূর্ষু বীণাবাদকের কথা? জেলেরা তোমার কাছে এসেছিল? সে আমি। তখনও তুমিই আমাকে বাঁচিয়েছো। এবারও ড্রাগনকে হত্যা করার পর আমি ঝোপের মধ্যে পড়েছিলাম, আমার বাঁচার কথা ছিল না- তুমিই তুলে এনে আমাকে বাঁচিয়েছো। দু’বার আমার প্রাণ বাঁচালে, এখন একবার হত্যা করবে, এ আর বেশি কথা কী আমাকে হত্যা করলেও আমি তোমার কাছে ঋণী থেকে যাবো।

    রাজকুমারী বললেন, প্রথমবারই যদি জানতুম তোমার সত্যিকার পরিচয় তখনই তোমাকে মেরে ফেলতাম।

    —তার বদলে এখন মারো! এরপর লাল-চুলো নাইটকে বিয়ে করে সুখে থাকবে তুমি। একবারও তোমার দীর্ঘনিশ্বাস পড়বে না এ কথা ভেবে যে একজন বিদেশী তোমাকে পাবার জন্য নিজের জীবন তুচ্ছ করে ড্রাগনের সঙ্গে লড়াই করেছিল। তারপর অসহায় অবস্থায় পেয়ে স্নানের ঘরে তুমি তাকে হত্যা করেছো।

    —এসব কি অসম্ভব কথা? তুমি মোরহল্টকে হত্যা করেছো- এদেশ তোমার শত্রুর দেশ। আর তুমিই এসেছো এ দেশের রাজকন্যাকে পেতে। বুঝেছি, মোরহল্ট গিয়েছিল তোমাদের দেশ থেকে ক্রীতদাসী আনতে তার বদলে তুমি এসেছো রাজকন্যাকে ক্রীতদাসী করে নিয়ে যেতে।

    —রাজকুমারী, না, না, ও কথা ভেবো না। একদিন একটা দোয়েল পাখি মুখে করে এনেছিল একগাছি সোনালি চুল। তা দেখে আমার মনে পড়েছিল তোমার কথা। তাই তোমাকে পাবার জন্য আমি জীবন তুচ্ছ করে এসেছি এ দেশে। দেখো, আমার জামার সঙ্গে সেই সোনালি চুলটা সেলাই করা আছে। তোমাকে সঙ্গে না নিয়ে আমি আর বেঁচে ফিরতে চাই না!

    তলোয়ার হাতে নিয়ে থরথর করে কাঁপতে লাগলেন রাজকুমারী। এই লোকটাই হত্যা করেছে তাঁর মায়ের একমাত্র ভাইকে। রাজ্যের শ্রেষ্ঠ বীরকে। ওকে মারতে তাঁর হাত কাঁপছে কেন? কেনই বা গলা রুদ্ধ হয়ে আসছে, ডাকতে পারছে না প্রহরীদের?

    ত্রিস্তান আবার বললো, দ্বিধা করছো কেন, রাজকুমারী? আমাকে মারো, আমি বুক পেতে দিয়েছি। আমি তোমার হাতেই মরতে চাই। পরের জন্মে আমি আবার আসবো তোমার কাছে, তোমাকে জয় করতে। সেবারও হয়তো আমি মরবো তোমার হাতে। তখনও হয়তো তোমার রাগ যাবে না। কিন্তু আমি বারবার জন্ম- জন্মান্তরে ঘুরে আসবো তোমাকে জয় করতে। আমি তোমাকে চাই।

    তলোয়ার ফেলে দিয়ে সোনালি কান্নায় ভেঙে পড়লেন। এই বিদেশী এসেছে তাঁকেই ভালোবেসে, একে কি করে খুন করবেন নিজের হাতে।

    —কেন এলে নিষ্ঠুর বিদেশী, কেন এলে এই দেশে? কেন আমাকে এই দ্বিধার মধ্যে ফেললে!

    —রাজকুমারী, আমি এসেছি শুধু তোমারই জন্য, আমি আমার নিজের জীবনের কথাও ভুলে গেছি। তুমি অথবা মৃত্যু, এই দুজনের একজন এসো আমার কাছে।

    রাজকুমারী আর স্থির থাকতে পারলেন না। এরকম কথা তিনি কখনও শোনেননি। সোনালি এগিয়ে এসে দুর্বল ত্রিস্তানের ওষ্ঠ চুম্বন করে বললেন, আমি হেরে গেলাম। আজ থেকে তুমি আমার চিরদিনের বন্ধু, তুমি আর কখনও আমার ওপর নিষ্ঠুর হয়ো না! ত্রিস্তান তখন আবার সেই আগের মতো অদ্ভুতভাবে হাসলো। তার গৌরবর্ণ মুখে সেই হাসিটুকু যেন অন্ধকারের মতো দেখালো। রাজকুমারী এবারও তার মানে বুঝতে পারলেন না।

    রানী ও রাজকন্যা রাজাকে ডেকে সব কথা বুঝিয়ে বললেন। ত্রিস্তানের পরিচয়, তার বীরত্বের কথা। রাজা প্রথমে খুব রেগে উঠলেন সে-ই মোরহল্টের হত্যাকারী শুনে। তারপর বুঝলেন, ত্রিস্তান ন্যায় যুদ্ধেই মোরহল্টকে হারিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ত্রিস্তানকে ক্ষমা করলেন তিনি।

    লাল-চুলো নাইট ত্রিস্তানের পরিচয় শুনে ভয়ে আর লড়াই করতে চাইলো না। রাজা তাকে জেলে পুরলেন। ঠিক হলো কয়েক দিন পর ত্রিস্তানের সঙ্গে রাজকুমারীর বিয়ে হবে।

    বিরাট জমকালো রাজসভায় ত্রিস্তান ও সোনালিকে পাশে নিয়ে রাজা ঘোষণা করলেন বিবাহের কথা। ত্রিস্তান ছাড়া কেউ ড্রাগনকে হত্যা করতে সাহস পায়নি সে-ই রাজকন্যার যোগ্য অধিকারী। রাজসভায় ত্রিস্তানের সেই একশোজন সৈন্য ছদ্মবেশে দাঁড়িয়ে। হঠাৎ রাজার কথার মধ্যেই বাধা দিয়ে ত্রিস্তান বললো- মহারাজ, আমি ড্রাগনকে হত্যা করেছি। এবং আপনার প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী আমি রাজকন্রাকে আমার জাহাজে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারি। কিন্তু আমার অন্য একটা প্রস্তাব আছে। আমি এসেছি কর্নওয়ালের রাজা মার্কের অনুচর হিসেবে। মহারাজ, আমি কেউ নই। আমি রাজা মার্কের ভৃত্য মাত্র। রাজকুমারীকে আমি বিয়ে করবো না, ওঁকে বিয়ে করবেন রাজা মার্ক। তার ফলে আয়ার্ল্যান্ডের সঙ্গে কর্নওয়ালের চিরকালের বিবাদ মিটে যাবে। সমস্ত কর্নওয়ালের লোক রাজকুমারী সোনালির অনুগত হবে তাদের রানী হিসাবে।

    একথা শুনে কেউ আশ্চর্য হলো না। হায়, পদমর্যাদার প্রতি মানুষের এমন ভক্তি। সবাই ভাবলো, এদেশের রাজকন্যার সঙ্গে ওদেশের রাজার বিয়ে হবে, সেই তো স্বাভাবিক! ত্রিস্তান আবার কে? সে তো ভৃত্য মাত্র! সবাই আনন্দে জয়ধ্বনি দিয়ে উঠলো। রাজা এ প্রস্তাবে আন্তরিক ভাবে খুশী হলেন।

    রাজা ত্রিস্তানের হাতের ওপর রাজকন্যার হাত রেখে বললেন, ত্রিস্তান, তুমি রাজা মার্কের প্রতিনিধি হিসাবে আমার মেয়েকে গ্রহণ করলে। এখন প্রতিজ্ঞা করো, তুমি সম্পূর্ণ বিশ্বস্তভাবে একে স্বামীর কাছে পৌঁছে দেবে?

    রাজকুমারী সোনালি তখন লজ্জায়, অপমানে, রাগে থরথর করে কাঁপছেন। এই ছিল লোকটার মনে? ভণ্ড, মিথ্যাবাদী, জোচ্চোর! সোনালি চুলের কথা, ভালোবাসার কথা সব মিথ্যে। নিজে জয় করে এখন অবহেলায় দিয়ে দিচ্ছে অন্যকে! নিজের হাতে সে তাঁকে অন্যের হাতে তুলে দেবে! ওঃ, এর আগে তাঁর মৃত্যু হলো না কেন? বিশ্বাসঘাতক ত্রিস্তান! ও লোকটার হৃদয় নেই। রাজকন্যা সভার মধ্যেই অজ্ঞান হয়ে পড়লেন!

    ত্রিস্তান রাজার সামনে প্রতিজ্ঞা করলো।

    যেদিন জাহাজে ত্রিস্তান রাজকুমারীকে নিয়ে যাবে, সেদিন রানী তাঁর মেয়ে সোনালিকে সাজিয়ে দিয়ে বললেন, ঐ অচেনা অজানা দেশে তুই যাবি, তোর সখী বিরজাও তোর সঙ্গে যাক্। যাক্ আরও দাস-দাসী। তাহলে তোর একা একা লাগবে না। ভয় করবে না। সোনালি বললেন, মা, আমাকে তোমরা পাঠাচ্ছো শত্রুর দেশে। আমি আর ক’দিন সেখানে বাঁচবো? আমার কিছু দরকার নেই। রানী বললেন, আমার চোখে জল আসছে, কিন্তু তবু আমি কাঁদবো না। ওরা যে তোকে জয় করে নিয়েছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুনের রঙ – সম্পাদনা: সমরেশ মজুমদার, অনীশ দেব
    Next Article কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }