Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤷

    শেষ কৌরব

    শল্যপর্বের গোড়ায় মহাভারতের অনুবাদক কালীপ্রসন্ন সিংহ লিখছেন, কর্ণের মৃত্যুর পর কৌরবপক্ষের নৈতিক বল একেবারে তলানিতে এসে ঠেকল। অর্জুন যেভাবে রণভূমি কাঁপিয়ে সিংহনাদ করতে লাগলেন তা শুনেই ক্ষত-বিক্ষত কৌরব সেনাদের মধ্যে এমন ভীতি দেখা দিল যে সমুদ্রে নৌকা ভগ্ন হলে বণিকেরা যেমন একটি ভেলায় করেও বাঁচার অভিলাষ করে তেমনি কৌরব সেনারা শীর্ণভ্রষ্ট টরগের মতো (বিষদাঁত ভাঙা সাপের মতো) সিংহাদ্দিত মৃগযূথের মতো (সিংহের আক্রমণে হরিণদের মতো) তারা একযোগে রণভূমি ছেড়ে যে যেখানে পারল পালাতে শুরু করল। ভীত সৈন্যদের মধ্যে ধারণা হতে লাগল এই অর্জুন বুঝি আমাকেই বধ করতে আসছেন, এই বুঝি ভীম আমাকে ধরতে আসছেন। এই সব কথা ভাবতে ভাবতেই অনেকে মাটিতে পড়ে মূর্ছা যেতে লাগলেন। কেউ হাতিতে চড়ে, কেউ রথের মুখ ঘুরিয়ে দিয়ে দলে দলে কৌরব সৈন্য ও বিভিন্ন রাজ্য থেকে আগত রাজারা পালাতে লাগলেন। অনেকে নিকটবর্তী বনে তস্কর ও বন্য জন্তুদের মধ্যে আশ্রয় নিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে পদাতিক সৈন্যরা তখনও লড়ে যাচ্ছিল। দুর্যোধন যুদ্ধভূমে দাঁড়িয়ে সব কিছুই দেখছিলেন। তখনও তিনি হতোদ্যম নন। বলে চলেছেন সমুদ্র যেমন তীরভূমি আতিক্রম করতে পারে না, তেমনি পাণ্ডব সৈন্যরাও আমাকে স্পর্শ করতে পারবে না। সারথিকে বললেন, তুমি অবিলম্বে অশ্বচালনা করো। আজ আমি অর্জুন, বাসুদেব অভিমানী (অহংকারী) বৃকোদর এবং অবশিষ্ট শত্রুদের নিহত করে সূতপুত্র কর্ণের ঋণ থেকে মুক্ত হব। রণক্ষেত্রে তখনও কৌরবদের ৫০ হাজার পদাতিক বাহিনী পড়েছিল। তারা রণভূমি ত্যাগ করেনি। দুর্যোধন তাদের নিয়ে আবার আক্রমণ হানতে চললেন।

    দৈবক্রমে দুর্যোধন বৃকোদরের সামনে পড়ে গেলেন। ভীম রথ থেকে গদা নিয়ে যুদ্ধ করতে লাগলেন। কখনও খঙ্গ হাতে নিয়ে সবাইকে বিনাশ করতে এগিয়ে গেলেন। তার সঙ্গে যোগ দিলেন স্বয়ং ধনঞ্জয়, নকুল, সহদেব, সাত্যকি। অর্জুনকে দেখে ২৫ হাজার পদাতিকের বাহিনী এগিয়ে গেল। প্রতিরোধে এগিয়ে এলেন মহাবীর মাদ্রীতনয় নকুল। দ্রৌপদীর পাঁচ পুত্র ও শিখণ্ডী। সবাই মিলে কৌরবপক্ষের অসংখ্য সৈন্যকে নিঃশেষ করে ফেলল।

    শেষে ধনঞ্জয় এসে এমন হুঙ্কার ছাড়লেন যে তা শুনে বাকি সৈন্যরাও পালাতে শুরু করল। রাজা দুর্যোধন তাই দেখে ভীত না হয়ে একাই সংগ্রামে নামলেন। দুর্যোধন পলায়মান কৌরব সেনাদের উদ্দেশে শুধু বললেন, হে যোদ্ধাগণ, তোমরা যেখানেই পালাও না কেন, পাণ্ডবদের চোখ এড়াতে পারবে না। তারা তোমাদের ধরে বিনাশ করবেই। তবে পলায়নের প্রয়োজন কী? তোমরা কি দেখছ না, পাণ্ডব সৈন্যরা কীভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে। ওদের সাত অক্ষৌহিণী সেনা ছিল। এখন তাদের মধ্যে গুটিকয়েক মাত্র জীবিত আছে। দেখছ না কৃষ্ণ ও অর্জুনও কীরকম ক্ষত-বিক্ষত হয়েছেন। এখনই তোমাদের উপযুক্ত সময়, এইবার একত্র হয়ে একবার আঘাত হানো। তোমরা পাণ্ডবদের হাতে বিনষ্ট না হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে বীরের মতো প্রাণ দাও। সংগ্রামে মৃত্যু হলে আর মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করতে হবে না। পরলোকেও সমস্ত সুখ-সম্ভোগের অধিকারী হওয়া যায়। দুরাত্মা ভীমসেনের সঙ্গে সংগ্রাম করাই তোমাদের কর্তব্য। ক্ষত্রিয়কুলের ধর্ম পালন করে তোমরা যুদ্ধ করো। ক্ষত্রিয়ের পক্ষে রণক্ষেত্র থেকে পলায়ন মহাপাপ।

    দুর্যোধনের কথা শুনে পলায়ন্মুখ কিছু রাজা আবার ঘুরে দাঁড়ালেন।

    .

    কুরুক্ষেত্রের প্রান্তরে আর একদিকে দাঁড়িয়ে কৌরবদের অস্ত্রগুরু কৃপাচার্য যুদ্ধক্ষেত্রটি নিরীক্ষণ করছিলেন। কৃপাচার্য দ্রোণাচার্যের শ্যালক। অস্ত্রগুরু দ্রোণের সহকারী। তিনিও একজন ব্রাহ্মণ অস্ত্রগুরু। যুদ্ধের প্রথম দিন থেকে তিনি কৌরবদের হয়ে লড়াই করছেন। কিন্তু যুদ্ধের গতি যেদিকে চলেছে, মহারথীদের মৃত্যু, লক্ষ লক্ষ সৈন্যের জীবনাবসান; সেই জনারণ্যে ভরা কুরুক্ষেত্রে আজ মাত্র কয়েক সহস্র মানুষ এখনও লড়াই করে চলেছে।

    কৃপাচার্য ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন। এখন দ্বিপ্রহরের সূর্যালোক অস্তমিত হয়ে আসছে। যুদ্ধক্ষেত্র জুড়ে পড়ে রয়েছে শত শত ভগ্ন রথ। ছোট ছোট পর্বতের মতো শত শত হস্তির মৃতদেহ। পদাতিক সৈন্যদের মৃতদেহ ঠেলে এক পা হাঁটার মতো জায়গা নেই। গৃধিনীরা আকাশে উড়ছে আর মাঝে মাঝে মৃতদেহ থেকে মাংস তুলে মুখে দিয়ে আবার উধাও হয়ে যাচ্ছে।

    কৃপাচার্য মৃতদেহ ঠেলে কোনোক্রমে কুরুক্ষেত্রের আর এক প্রান্তে পৌঁছলেন। সেখানে ভগ্নহৃদয় দুর্যোধন পলায়মান যোদ্ধাদের শেষ মিনতি করছেন, তোমরা ফিরে এসে যুদ্ধক্ষেত্রে বীরের মতো আত্মাহুতি দাও। আমি স্বয়ং ভারত ঈশ্বর দুর্যোধন তোমাদের আহ্বান জানাচ্ছি। এই আহ্বান মৃত্যুর আহ্বান। ভীমসেনের ক্রীতদাস রূপে বেঁচে না থেকে তোমরা এই যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ দিয়ে অক্ষয় স্বর্গলাভ করো। সবাই বলো ভারতেশ্বর দুর্যোধনের জয়’। মহাবীর ভীষ্ম, কর্ণ, দ্রোণ, জয়দ্রথ, সবাই অন্যায় যুদ্ধে মৃত। তাদের আত্মার নামে শপথ নিয়ে আমি তোমাদের আহ্বান করছি।

    সেই সময় কৃপাচার্য দুর্যোধনের কাছে এসে বললেন, হে দুর্যোধন, আমি যা বলছি একবার শোনো। দেখো যুদ্ধধর্ম ছাড়া ক্ষত্রিয়দের শ্রেষ্ঠ পথ কিছু নেই। তারা এই ধর্ম আশ্রয় করেই পুত্র-মাতা-পিতা ও স্বামীর একান্ত বান্ধবদের সঙ্গেও যুদ্ধ করে থাকে। ক্ষত্রিয়দের বাঁচার জন্য পলায়ন করা যারপরনাই অধর্ম। দেখো এই যুদ্ধে মহাবীর ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ—সবাই নিহত হয়েছেন। তোমার ভাইরাও নিহত। তোমার নিজের ছেলে লক্ষ্মণ—সেও মৃত। আমরা যে সমস্ত বীরের হাতে যুদ্ধভার অর্পণ করে নিষ্কণ্টক রাজ্যভোগ করার অভিলাষী হয়েছিলাম তারা সকলেই মৃত। আমরাই কিন্তু তাদের মৃত্যুর কারণ। তবে একথা ভুলে যেও না, ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ জীবিত থাকতেও কেউ পাণ্ডবদের পরাজিত করতে পারেননি। এর কারণ ওই বাসুদেব। তিনি অর্জুনের চক্ষু। দেবগণও তাকে পরাজিত করতে পারবে না। ওই দেখো অর্জুনের গাণ্ডীব নির্ঘোষ, পাঞ্চজন্যের আওয়াজ, ভীমসেনের সিংহনাদ আমাদের অন্তকরণে ভীতির সঞ্চার করার জন্য তাদের কি কুশলী প্রচেষ্টা। ওই দেখো অর্জুনের গাণ্ডীব শরাসন আকাশে অলাতচক্রের মতো (কুমোরের চাকের মতো) শোভাধারণ করেছে। জলধর মধ্যস্থিত চপলার মতো (মেঘের মধ্যে বিদ্যুতের মতো) চতুর্দিকে বিরজিত হয়েছে। সবার দৃষ্টি সেদিকে। দাবানল যেমন অরণ্যের তৃণরাশিকেও দগ্ধ করে তেমনি ধনঞ্জয়ের শরানলে আমাদের সৈন্যরা দগ্ধ হচ্ছে। তুমি ওদের সঙ্গে কিছুতেই পেরে উঠবে না। তাই তোমায় বলছি, তুমি এঁদের নতুন করে ডেকে এনে যুদ্ধ করতে বলায় সকলেরই প্রাণ সঙ্কট উপস্থিত হয়েছে। অতএব তুমি আত্মরক্ষার যত্নশীল হও।

    আত্মাই সকলের মূল। আত্মা না থাকলে কেউই আর বশীভূত থাকবে না। আমি দেবগুরু বৃহস্পতির উপদেশ অনুসারে বলি, যদি শত্রুর চেয়ে দুর্বল হও, বা তার সমান হও তাহলে তার সঙ্গে সন্ধি করবে। আর শত্রু যদি তোমার চেয়ে প্রবল হয়, তাহলে তুমি তার সঙ্গে যুদ্ধ করবে। এখন আমরা পাণ্ডবদের চেয়ে বিক্রমে ন্যূন হয়ে পড়েছি। অতএব তাদের সঙ্গে সন্ধি স্থাপন করাই আমাদের কর্তব্য। এখন আমরা রাজা যুধিষ্ঠিরের কাছে বিনত হয়ে রাজ্যটি যদি রক্ষা করতে পারি তাতেই আমাদের মঙ্গল।

    দুর্যোধন বললেন, আপনি কী বলছেন আচার্য। আমি যুধিষ্ঠিরকে রাজ্য দিয়ে তার দাসত্ব করে বাকি জীবন নির্বাহ করব? এইজন্যই কি আমার ভাইদের উৎসর্গ করলাম? পিতামহ ভীষ্ম, পরম সুহৃদ কর্ণ, গুরু দ্রোণকে হারালাম?

    কৃপাচার্য বললেন, দেখো, যুধিষ্ঠির অত্যন্ত দয়ালু। তিনি রাজা ধৃতরাষ্ট্রের কথায় এবং বাসুদেবের উপদেশে তোমাকেই রাজ্য ফিরিয়ে দেবেন। আমি তোমায় একরকম প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছি। তুমিই ভারতেশ্বর থাকবে। ধৃতরাষ্ট্র অনুরোধ করলে কৃষ্ণ কিছুতেই না করতে পারবেন না। অতএব পাণ্ডবদের সঙ্গে সন্ধি করাই তোমার কর্তব্য। আর যুদ্ধ নয় মহারাজ। অনেক হয়েছে। আমি প্রাণরক্ষার জন্য একথা বলছি না। আমি যা হিতকর তাই বলছি। এটি শ্রেয় কি না, তা তুমি মৃত্যুর পর উপলব্ধি করবে।

    দুর্যোধন কৃপাচার্যের কোনো কথার উত্তর দিলেন না। শুধু বললেন, আপনার ভাগিনেয় অশ্বত্থামা এখন কোথায়? তিনি কী জীবিত? আমি তো তাঁকে আমার পাশে দেখতে পাচ্ছি না। তিনি কুশলে আছেন তো?

    কৃপাচার্যের প্রস্তাবে দুর্যোধনের ভাবাত্তর লক্ষ্য না করে কৃপাচার্য আবার বললেন, আমিও তাঁর খোঁজ পাইনি মহারাজ। এই অসংখা মৃতদেহস্তূপের মধ্য থেকে কারও দেহ শনাক্ত করা সম্ভব নয়। তবে তিনি নিশ্চয়ই কুশলে আছেন। হয়তো কোথাও একাই দ্বৈরথ লড়ছেন। তিনি জীবিত থাকলে নিশ্চয়ই তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

    কৃপাচার্য অপেক্ষা করছিলেন দুর্যোধন তাঁর প্রস্তাবে কী বলেন তার জন্য। দুর্যোধন একটু পরে একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, আচার্য, আপনি অমিত পরাক্রম। আপনি যেসব কথা বললেন, তা উৎকৃষ্ট এবং হিতকর। কিন্তু মুমুর্ষু ব্যক্তির যেমন ঔষধে অভিরুচি হয় না তেমনি আপনার হিতবাক্যে আমার কোনো অভিরুচি হচ্ছে না। কেননা যে মহাবল নরপতিকে আমি রাজ্যছাড়া করেছিলাম, দ্যূতক্রীড়ায় পরাজিত করেছিলাম তিনি আমাদের কথায় বিশ্বাস করবেন কেন? বিশেষ করে আমরা একটা ভুল করেছি। বাসুদেব কৃষ্ণ যখন পাণ্ডবদের সঙ্গে বিবাদ মিটিয়ে নিতে বলেছিলেন তখন আমরা রাজি হইনি। তিনি এখন আমাদের বাক্য কীভাবে গ্রহণ করবেন? সভাস্থলে দ্রৌপদীর রোদন এবং পাণ্ডবদের রাজ্য হরণ বাসুদেবের মনে বড় লেগেছে এটা বুঝতে পারছি। অভিমন্যুর বিনাশবার্তা শ্রবণের পর বাসুদেব খুব দুঃখ পেয়েছেন শুনেছি। মহাবীর অর্জুনও অভিমন্যুর বিনাশে শোকার্ত হয়ে রয়েছেন। তিনি কীভাবে আমাদের হিতসাধনে তৎপর হতে পারেন আমি বুঝে উঠতে পারছি না। আর ভীমসেন তো অত্যন্ত উগ্র স্বভাবের। সে আমাদের বিনাশের জন্য ঘোরতর প্রতিজ্ঞা করেছে। সে স্বয়ং ধ্বংস হবে তবু প্রতিজ্ঞা লঙ্ঘন করবে না। কালান্তক যমের মতো নকুল-সহদেব। মহাবীর ধৃষ্টদ্যুম্ন ও শিখণ্ডী আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করে আসছে। তারা কীভাবে আমাদের হিতসাধনে প্রয়াসী হবে তা আমার মাথায় আসছে না। দুঃশাসন সভামধ্যে রজস্বলা দ্রৌপদীকে বিবস্ত্রা করতে চেষ্টা করেছিল, পাণ্ডবরা দ্রৌপদীর সেই ক্লেশ ভুলে যায়নি। আপনি কখনই তাদের নিবৃত্ত করতে পারবেন না। দ্রৌপদী আমাদের হাতে অপমানিত হয়ে আমাদের বিনাশ কামনায় নিত্য তৃণশয্যায় শয়ন করে দুশ্চর ব্রত পালন করে আসছেন। যতক্ষণ না আমাদের বিনাশ হচ্ছে ততক্ষণ তিনি ব্রতভগ্ন করবেন না। কৃষ্ণের বোন সুভদ্রা নিতান্ত দাসীর মতো সর্বসুখ জলাঞ্জলি দিয়ে দ্রৌপদীর সেবা করছেন। দ্রৌপদীর অপমান ও অভিমন্যু বধের জন্য পাণ্ডবেরা সবাই রোষানলে জ্বলছে। এই রোষানল এত সহজে নির্বাপিত হওয়ার নয়। আমি সসাগরা ধরিত্রীর অধিপতি হয়ে কীভাবে পাণ্ডবদের অনুগ্রহে রাজ্যভোগ করব? আমি সূর্যের মতো প্রখর তেজে সাজ্বল্যমান ছিলাম, এখন কীভাবে দাসের মতো যুধিষ্ঠিরের অনুগমন করব আর কীভাবেই বা এতদিন বিপুল ধনভোগ করে সুখভোগে জীবন কাটিয়ে শেষ জীবনে দীনজনের মতো দিন কাটাব? হে আচার্য, আপনি যা বললেন, তা হিতকর। আমি আপনার একটি বাক্যও উপেক্ষা করছি না। কিন্তু আমি অনেক চিন্তা করেই বলছি পাণ্ডবদের সঙ্গে সন্ধি করা সমুচিত হবে না। যুদ্ধ করাই আমার পক্ষে শ্রেয়। দেখুন আচার্য, আমি কিন্তু শ্রেয় জীবনযাপন করে এসেছি। আমি যা চেয়েছি সব পেয়েছি। আমি বেদ অধ্যয়ন করেছি। আমার সব বিরোধীদের পদানত করেছি। বহুবিধ যজ্ঞ করে ব্রাহ্মণদের সেবা করেছি। আমার ভৃত্যেরা সবাই উচ্চ বেতনে প্রতিপালিত হচ্ছে। আমি সর্ববিধ রাজধর্ম পালন করে আসছি। আমার রাজ্যে কেউ অসুখী নেই, আমি দুঃখিতদের দুঃখ দূর করি। আমি পররাষ্ট্রদের পরাজিত করেছি। আন্তরিকভাবে স্বরাজ্যে প্রজা উন্নয়নে যাবতীয় অর্থ বিনিয়োগ করেছি। বিভিন্ন ভোগ্যদ্রব্য তারা উপভোগ করে, আমি নিজে অকুণ্ঠ চিত্তে ধর্ম অর্থ ও কামের সেবা করেছি। আমার সমস্ত পিতৃঋণ আমি পরিশোধ করেছি। পাণ্ডবদের সঙ্গে সন্ধি করা আমার কদাচ সুখের হবে না। এই পৃথিবীতে কীর্তি স্থাপন করে যাওয়াই একমাত্র সুখ। যুদ্ধ ছাড়া তা সম্ভব নয়। ক্ষত্রিয়দের কাছে গৃহে মৃত্যু অধম এবং নিন্দনীয়। যে ক্ষত্রিয় বিভিন্ন যজ্ঞ করে অরণ্যে অথবা যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ বিসর্জন দিতে পারেন তিনিই গৌরব লাভ করে থাকেন। আমি যুদ্ধ করে দেবলোকে প্রবেশের অধিকার দাবি করি। আমার জন্য যুদ্ধ করে ক্ষত-বিক্ষত ও নিহত হয়ে শোণিত কলেবরে মৃত্যুশয্যায় শুয়ে রয়েছেন কত বীরেরা। তাঁরা সবাই স্বর্গে গেছেন। আমি আমার পিতামহ ও ভ্রাতাদের মৃত্যুর মুখে ফেলে নিজের জীবন যদি রক্ষা করি তাহলে লোকে আমায় কি বলবে! হে আচাৰ্য, আমি বন্ধু-বান্ধবহীন হয়ে ধর্মরাজের কাছে নত হয়ে তাঁর অনুগ্রহে রাজ্যলাভ করলে সেটি আমার কাছে প্রীতিপ্রদ হবে না। দেখুন আমার জন্যই সবার পরাভব হয়েছে। অতএব ধর্মানুসারে যুদ্ধে নিহত হয়ে স্বর্গলাভ করাই আমার শ্রেয়বোধ হচ্ছে। রাজ্যলাভে আমার কোনও অভিরুচি নেই।

    দুর্যোধন তাঁর পরাজয়ে বিন্দুমাত্র অনুতাপ প্রকাশ করলেন না দেখে কৃপাচার্য বিস্মিত হলেন। তিনি খণ্ড বিক্ষিপ্ত অবশিষ্ট কৌরব সেনা নিয়ে জয়ের জন্য নয়, মৃত্যুর জন্য যুদ্ধ করায় আগ্রহী হয়ে উঠলেন। তিনি সরস্বতীর তীরে গিয়ে অবগাহন করে নিলেন। অঞ্জলি ভরে জলপান করলেন। রাজা দুর্যোধনের বাক্যে উৎসাহিত হয়ে অবশিষ্ট ক্ষত্রিয়রাজরা অপেক্ষা করতে লাগলেন দুর্যোধনের প্রত্যাবর্তনের।

    দুর্যোধন স্নান করে ফিরলেন। ততক্ষণে কৌরব সেনাপতিদের মধ্যে খবর চলে গেছে মহারাজ দুর্যোধন দ্বিপ্রহরে তাঁদের উদ্দেশে কিছু বলবেন।

    তখন অশ্বত্থামা

    যুদ্ধক্ষেত্রের অদূরে বিষণ্ন মনে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন দ্রোণপুত্র অশ্বত্থামা। পিতার মৃত্যুর পর থেকে তিনি ক্রুদ্ধ, বিমর্ষ। পিতৃহতাদের শাস্তি দেবার জন্য তিনি ভেতরে ভেতরে আগ্নেয়গিরির মতো উত্তপ্ত হচ্ছিলেন। কিন্তু যুদ্ধের স্তিমিত গতি, লাখ লাখ কৌরব সেনাদের পিঁপড়ের মতো মরে যেতে দেখে তিনি ভাবছিলেন এই মৃত্যুমিছিলে তিনি যোগ দেবেন না। যুদ্ধ করেও প্রাণ বিসর্জন দেবেন না। বৃথা আত্মক্ষয় না করে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেবার জন্য সুযোগের অপেক্ষা করবেন। তিনি খবর পেলেন আজ দ্বিপ্রহরে দুর্যোধন তাঁর অবশিষ্ট বান্ধব ও যোদ্ধাদের ডেকেছেন। তিনি সন্ধি করবেন না। যুদ্ধে প্রাণ বিসর্জন দেবেন। এই ঘোষণাই করবেন।

    অশ্বত্থামা দ্রুত অশ্ব সঞ্চালন করলেন দুর্যোধনের শিবিরের দিকে।

    যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে তাকিকে বিষণ্নতায় মন ভরে এলো অশ্বত্থামার। পিতার মৃত্যুর পরও তিনি প্রবল বিক্রমে পাণ্ডব সৈন্যদের নিধন করেছেন। তখনও যুদ্ধক্ষেত্র জুড়ে দু’পক্ষেই বিক্রম উদ্দীপনা ছিল। ঝড়ের সময় প্রবল ধ্বংসের মধ্যেও প্রকৃতির উদ্দীপনা থাকে। মহীরুহের সঙ্গে সঙ্গে ছোট ছোট গাছগুলির পাতাও আন্দোলিত হয়। যখন বর্ষণ হয় নদী স্ফীততর হয়ে ওঠে, কিন্তু সমতল পথও জলপ্লাবিত হয়ে যায়। কিন্তু আজ তিনি দেখলেন স্থানে স্থানে খণ্ডযুদ্ধ হচ্ছে। কিন্তু অন্যত্র নিঃসীম নীরবতা। শুধু মৃতদেহের স্তূপ জমছে। অশ্বত্থামার রথ তার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলল।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Our Picks

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }