Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপারেশন কোডেক্স : ডান্স অফ দ্য ডেভিল – রণদীপ নন্দী

    রণদীপ নন্দী এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    (১৩) ডোন্ট এভার ডাউট মি ডার্লিং

    “সম্বুদ্ধ… মানে সম্বুদ্ধ চক্রবর্তী? সে তো আমার ক্লাসমেট।”

    “হ্যাঁ। শুধু ক্লাসমেট নয়, আপনারা একই হস্টেলে তিন বছর থেকেছেন।” টেবিলের ওপর একটা পেপারওয়েট ঘোরাতে ঘোরাতে বললেন আলফা।

    “হ্যাঁ হ্যাঁ। আমার ঘরের ঠিক উলটোদিকেই ছিল সম্বুদ্ধর ঘর। কিন্তু আপনারা কি শিয়োর যে, সম্বুদ্ধর কাছেই সেই পৃষ্ঠাগুলো ছিল?”

    মিস্টার পাই হেসে উঠলেন। বললেন, “উই আর ড্যাম শিয়োর, ডার্লিং। ইন ফ্যাক্ট আমরা এটাও জানি যে, এই মুহূর্তে সেই পৃষ্ঠাগুলো কোথায় আছে। কিন্তু মুশকিল হল, সেখানে গিয়ে পৃষ্ঠাগুলো নিয়ে কে আসবে!”

    চোখের ইশারায় পাইকে থামিয়ে আলফা আবার বলতে শুরু করলেন, “ব্যাপারটা আপনাকে গোড়া থেকে বুঝিয়ে বলা প্রয়োজন। আপনি নাইটস টেম্পলারদের নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন?”

    “হ্যাঁ, অবশ্যই শুনেছি। প্রথম ক্রুসেডের সময় যখন মুসলিম আর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল, তখন নাইটস টেম্পলাররা খ্রিস্টধর্মের হয়ে যুদ্ধ করেছিল। সেই সময় ইউরোপের যে-কোনও মনার্কের থেকে তাদের প্রাচুর্য এবং শৌর্য দুইই বেশি ছিল। তারপর একসময় ফ্রান্সের তৎকালীন রাজার ষড়যন্ত্রে নাইটস টেম্পলারকে ভেঙে দেওয়া হয়।”

    “রাইট ইউ আর। এই অবধি ইতিহাস আমরা সকলেই কমবেশি পড়েছি। কিন্তু যেটা আমরা জানি না, সেটা হল নাইটস টেম্পলাররা খুব অল্পসংখ্যক হলেও আজও ভীষণভাবে অ্যাকটিভ। কিন্তু তারা এখন একটা সিক্রেট অর্গানাইজেশন হিসেবে কাজ করে। ইউরোপে যখন তাদের মেরে ফেলা শুরু হয়, তারা কোনওভাবে ইউরোপ থেকে পালিয়ে এসে প্রথমে দীর্ঘদিন রোমানিয়া, এবং পরবর্তীকালে রোমানিয়ার অত্যাচারী শাসক ভ্লাদ টেপোরের সঙ্গে অটোমান সুলতান এবং হাঙ্গেরির রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হলে সেখান থেকে চলে আসে আমাদের ভারতবর্ষে। কারণ সেই সময় ভারতবর্ষে অখণ্ড হিন্দু রাজ চলছে। গোটা বিশ্বের নিরিখে ভারত তখন পলিটিক্যালি স্টেবল। মোগলরা তখনও ভারতবর্ষ আক্রমণ করেনি। সেই থেকে এখন অবধি নাইটস টেম্পলাররা ভারতবর্ষে বিভিন্ন জায়গায় আপনার-আমার মতো সাধারণ মানুষের বেশে আত্মগোপন করে আছে। হয়তো আপনি জানেন না, আপনার বহু বছরের পরিচিত প্রতিবেশী অথবা আপনার কলেজের টিচার এই অর্গানাইজেশনের একজন অ্যাকটিভ মেম্বার। কোডেক্স গিগাস-এর বারোটা পৃষ্ঠা এবং একটা ‘হোলি নেল’ অর্থাৎ যে পেরেক জিশু খ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করার সময় তার পায়ে বিদ্ধ করা হয়েছিল, সেই দুটো জিনিস নাইটস টেম্পলাররা সযত্নে নিজেদের কাছে গচ্ছিত রেখেছিল। তাদের বিশ্বাস, সেই বারোটা পৃষ্ঠায় এমন কিছু উপাচার লেখা রয়েছে, যার দ্বারা স্বয়ং শয়তানকে পৃথিবীতে আমন্ত্রণ জানানো যায়। এবং সেই শয়তানকে আমন্ত্রণকারী নিজের দেহে জায়গা দেন। ফলত সেই ব্যক্তি হয়ে উঠবেন সর্বশক্তিধর। প্রায় অমর। তখন তাকে হত্যা করার একমাত্র অস্ত্র হল সেই ‘হোলি নেল’। যা-ই হোক, মিথলজি অ্যাপার্ট, একটা কাচের ক্যাপসুলে স্টোর করে রাখা সেই কোডেক্স গিগাস-এর বারোটা পৃষ্ঠা নাইট টেম্পলারদের মেম্বারদের মধ্যেই একজন বিশ্বাসঘাতকতা করে চুরি করে নিয়ে পালায়। পরে সেটাকে গোপনে দেশের বাইরে পাচার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়। আর সেই ক্যাপসুলটাই ঘটনাচক্রে হাত ঘুরে এসে পড়ে আপনার বন্ধু সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর হাতে, যাঁকে নাইট টেম্পলাররা অপহরণ করে। কারণ তিনি ছিলেন দক্ষ ইতিহাসবিদ, একনজরেই জিনিসটাকে চিনে গিয়ে থাকবেন। আমার বিশ্বাস, নাইটস টেম্পলাররা নিজেদের এবং সেই ক্যাপসুলটার অ্যানোনিমিটি বজায় রাখার জন্য সম্বুদ্ধকে কিডন্যাপ করে। কারণ তাঁকে সেই রাতের পর থেকে জীবিত বা মৃত কোনওভাবেই পাওয়া যায়নি।”

    বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে ইন্দ্র। তারপর বলে, “সেদিন রাত্রিবেলায় আমাকে ফোন করেছিল সম্বুদ্ধ। সম্ভবত এই বিষয়েই কিছু বলার জন্য। আমি বলেছিলাম, বাড়ি ফিরে আমি কল করে নেব। কিন্তু…”

    “আমাদের কাছে খবর আছে, উত্তরাখণ্ডের গভীর জঙ্গলের মধ্যে একটা ভীষণ সুরক্ষিত জায়গায় ওরা এই ক্যাপসুলটাকে রেখেছে। আমাদের মিশন হল সেই ক্যাপসুলটা সেখান থেকে এক্সট্রাক্ট করে আমাদের এমপ্লয়ারের হাতে তুলে দেওয়া।”

    “তার মানে কি এয়ারপোর্টে আমার ওপরে যারা নজর রাখছিল, তারাও নাইটস টেম্পলারের মেম্বার?”

    “এলিমেন্টারি ওয়াটসন!” হাততালি দিয়ে বলে উঠলেন মিস্টার পাই। তারপর মুচকি হেসে আবার বললেন, “তাদের কাছে ইনফর্মেশন ছিল যে, সম্বুদ্ধর সঙ্গে শেষ কথা তোমারই হয়েছে। তাই তারা তোমাকে টার্গেট করছিল। সম্ভবত ভেবেছিল তোমার কাছে কোনও ক্রিটিক্যাল ইনফর্মেশন সম্বুদ্ধ লিক করেছে।”

    “বেশ। বুঝলাম। কিন্তু এবার আমি একটা ব্যাপার জানতে চাই। মিস্টার আলফা একটু আগে বললেন যে, আমাকে রিক্রুট করার পিছনে আরও একটা কারণ আছে। সেটা কী?”

    “আলবাত!” আলফা নিজের চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। তারপর হাত বাড়িয়ে ল্যাপটপটা অন করে ওদের মাথার পিছনের দেওয়ালে ঝোলানো স্লাইডে একটা ছবি দেখালেন। ছবিতে একটা ন্যাপকিনের ওপর পেন দিয়ে কয়েকটা কথা লেখা রয়েছে;

    “Diabolus est numerus veniet Non enim aliud faciam a facie diaboli”

    এইবার ইন্দ্রর চোখের দিকে তাকিয়ে আলফা বললেন, “সম্বুদ্ধবাবুর কিডন্যাপ হওয়ার পর থেকে তাঁর সঙ্গে আমাদের লিংক বলতে শুধু এই ন্যাপকিনটা। কিডন্যাপ হওয়ার পর সম্বুদ্ধবাবুর বাড়ির ডাস্টবিন থেকে এটা উদ্ধার করা হয়। যেহেতু ওঁর সঙ্গে শেষকথা আপনারই হয়েছিল, তাই এটা সহজেই অনুমান করে নেওয়া যেতে পারে যে এই কথাগুলো আপনাকে উদ্দেশ্য করেই লেখা।”

    “হুম। ক্লাসিক্যাল ল্যাটিন। এর লিটারেল ট্রানস্লেশন করলে দাঁড়ায় ‘দ্য ডেভিল’স নাম্বার উইল কাম। বাট ডোন্ট ট্রাস্ট দ্য ডেভিল’। অবশ্য টু বি – ফ্র্যাঙ্ক, এটা দিয়ে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছে সম্বুদ্ধ, তা আমি বুঝতে পারছি না।”

    *

    ঘড়িতে রাত প্রায় বারোটা। চারদিক নিস্তব্ধ। বেসমেন্টে ইন্দ্ৰ টার্গেট প্র্যাকটিস করছে। অবশ্য আসল বন্দুকে নয়, ওদের বেসটা লোকালয়ের মধ্যে। আসল বন্দুকে টার্গেট প্র্যাকটিস করতে গেলে আওয়াজ যাবে বাইরে। তাই ওরা বিবি গান ব্যবহার করে। দেখতে বা ব্যবহারের পদ্ধতি আসল বন্দুকের মতো হলেও, গুলির বদলে থাকে লোহার ছোট ছোট বল। আর গানপাউডারের দলে ব্যবহৃত হয় গ্রিন গ্যাসের ছোট সিলিন্ডার। দূরে একটা প্রমাণ সাইজের মানুষের আকারের কার্ডবোর্ডের কাটআউট ঝোলানো। ইন্দ্র হলঘরের অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে সেই কাটআউটটায় টার্গেট প্র্যাকটিস করছিল। সে সামান্য অন্যমনস্ক। মাথায় ঘুরছে হাজারো চিন্তা। এখনও চোখ বুজলে সম্বুদ্ধর গলাটা কানে ভেসে উঠছে। সেদিন কী যেন একটা আর্জেন্ট কথা বলতে গিয়েও বলেনি সম্বুদ্ধ। সেই সময় সে রাস্তার ধারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে পরমার জন্য অর্কিড কিনছিল। খুব সম্ভবত ততক্ষণে ফুল কেনা হয়েও গিয়েছিল। সে বাঁ হাতে ফুলের তোড়াটা ধরে ডান হাতে গাড়ির দরজা খুলে ভিতরে বসতে যাবে, ঠিক সেই সময় এসেছিল ফোনটা। প্রায় বছর পাঁচেক বাদে হঠাৎ সম্বুদ্ধর ফোন পেয়ে বেশ অবাকই হয়েছিল ইন্দ্র। মনে মনে ভেবেছিল, বাড়ি, ফিরে রাত্রিবেলা ফোন করে পুরোনো বন্ধুর সাথে আড্ডার মৌতাতে অনেক কথা হবে। যদি ও কলকাতায় থাকে তাহলে একদিন বাড়িতে ইনভাইটও করবে। কিন্তু কী থেকে যে কী হয়ে গেল…

    সেইদিনের কথা ভাবলে আজও ইন্দ্রর সারা গা কেঁপে ওঠে আতঙ্কে। অ্যাপার্টমেন্টের চারতলায় লিফ্ট দিয়ে উঠে একদম সোজাসুজি নাক বরাবর পড়ে ইন্দ্রর চারশো দুই নম্বর ফ্ল্যাট। দরজার কলিং বেল টিপে সাড়া না পেয়ে পরমাকে একটা ফোন করে ইন্দ্র। কোনও উত্তর নেই। এমনকি তার লাস্ট হোয়াট্সঅ্যাপ মেসেজটাও সিন করেনি পরমা। পকেট হাতড়ে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভিতরে ঢুকেই ইন্দ্র যা দেখে, তাতে তার হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায়। ইন্দ্র দেখে, ঘরের এককোণে অসহায়ের মতো গুটিশুটি হয়ে বসে আছে পরমা। তার দু-চোখে তীব্র আতঙ্কের ছাপ। চোখের কোলে জল টলটল করছে। ছোট্ট লিলিকে দু-হাতে আঁকড়ে ধরে আছে সে। লিলির সারা শরীরও তিরতির করে কাঁপছে। ফরসা মুখ আতঙ্কে ফ্যাকাশে। আর তাদের ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে আছে একটা অদ্ভুতদর্শন মানুষ। অবশ্য তাকে মানুষ বলা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। কারণ মানুষের মতোই দুটো চোখ, একটা নাক আর দুটো কান থাকলেও, সেটা আদপে একটা পশু। দু-চোখের মণিতে যেন ধিকধিক করে জ্বলছে লাল আগুনের শিখা। কান দুটো অস্বাভাবিকরকম সুঁচালো। মুখের সামনের দিকটা কোনও হিংস্র শ্বাপদের মতো হিংসায় পরিপূর্ণ। তীক্ষ্ণ শলাকার মতো সরু সরু ধারালো দাঁত। কানের পাশ থেকে দুটো পাকানো শিং যেন মাথা ফুঁড়ে বেরিয়েছে। আর সেই হিংস্র মুখের ভিতর থেকে উঁকি মারছে সাপের মতো চেরা জিব। সারা ঘরে সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালিয়েছিল পরমা। সেই আলো-আঁধারিতে ওই অদ্ভুতদর্শন জীবটাকে যেন আরও বিকট, আরও ভয়ংকর লাগছে। আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠে ইন্দ্র। আর সেই আওয়াজ শুনে অদ্ভুতদর্শন প্রাণীটা মাথা ফিরিয়ে ইন্দ্রর দিকে তাকায়। কী ঠান্ডা, কী নির্মম সে চাহনি। ইন্দ্রর সারা শরীরে যেন বিদ্যুৎ খেলে যায়। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে মূর্তির মতো স্থির দাঁড়িয়ে থাকে সে। হাত থেকে পড়ে যায় সাদা অর্কিড, চাবির থোকা। এইবার সেই বিকটদর্শন প্রাণীটা পায়ে পায়ে এগিয়ে আসে ইন্দ্রর দিকে। তার ডান হাত আস্তে আস্তে ওপরের দিকে তোলে। ইন্দ্র দেখতে পায় সেই হাতের আঙুলগুলো অস্বাভাবিকরকম লম্বা। নখগুলো তীক্ষ্ণ, বাঁকানো। ঠিক সেই সময় দূরে টেবিলের ওপর রাখা পরমার ফোনটা সশব্দে বেজে ওঠে। প্রাণীটা চকিতে মাথা ঘুরিয়ে সেই ফোনের দিকে তাকায়। এই সুযোগ! ইন্দ্র ভাবে, নিজেকে না হোক, পরমা আর লিলিকে তাকে বাঁচাতেই হবে। নিজের সর্বশক্তি দিয়ে আচমকা ধাক্কা মারে সেই প্রাণীটাকে। প্রাণীটা নিজের জায়গা থেকে একচুল নড়ে না। নিজের ধাক্কার প্রতিঘাতে ইন্দ্র ভারসাম্য হারিয়ে পিছনের খোলা দরজা দিয়ে ছিটকে পড়ে ফ্ল্যাটের বাইরের করিডরে। আর সেই মুহূর্তে ইন্দ্রর জুতো আটকে যায় মেঝেতে পেতে-রাখা কার্পেটে। ইন্দ্র ভারসাম্য হারিয়ে শূন্যে কিছু চেপে ধরার জন্য হাত বাড়ায়। ওর হাতে এসে যেটা ঠেকে, সেটা ওদের ফ্ল্যাটের দরজার হাতল। মুহূর্তের মধ্যে ফ্ল্যাটের দরজা সশব্দে বন্ধ হয়ে যায়। ইন্দ্র দরজার বাইরে করিডরে ছিটকে পড়তে পড়তে দরজাটা বন্ধ হওয়ার আগের মুহূর্তে দেখতে পায়, তার পায়ে আটকে যাওয়া কার্পেটের হ্যাঁচকা টানে টেবিলের ওপরে রাখা জ্বলন্ত মোমবাতি পুরু কার্পেটের ওপর উলটে পড়ে লাল আগুনের লেলিহান শিখা আস্তে আস্তে ঘরের ভিতরটা অধিকার করে নিচ্ছে। ফ্ল্যাটের মূল দরজা বাইরে থেকে টেনে দিলে ভিতর থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হয়ে যায়। চাবি ছাড়া সে দরজা খোলার আর কোনও উপায় নেই। ইন্দ্ৰ পাগলের মতো দু-পকেট হাতড়ে চাবি খুঁজতে থাকে। কিন্তু চাবি সে ঘরের ভিতরেই ফেলে দিয়েছে। সে উন্মাদের মতো দরজা ধাক্কাতে থাকে, কিন্তু নিষ্ফল প্রচেষ্টা। ভিতর থেকে পরমা আর লিলির আর্তচিৎকার ভেসে আসে। অ্যাপার্টমেন্টের প্রতি তলায় দুটো করে ফ্ল্যাট। ইন্দ্রর পাশের ফ্ল্যাট মিস্টার বানসালির। বানসালি এখানে থাকেন না। ইউএসএ-তে নিজের মেয়ের কাছেই থাকেন। অবরে-সবরে কলকাতায় এলে এই ফ্ল্যাটে এসে ওঠেন। ইন্দ্ৰ দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে সেই খালি ফ্ল্যাটের দরজাতেও ধাক্কা দিতে থাকে। কিছুক্ষণ পর সংবিৎ ফিরলে সিঁড়ি বেয়ে ছুটে যায় ওপরের তলায়। চিৎকার ও চেঁচামেচি শুনে সেখানকার বাসিন্দারা ততক্ষণে সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে আসছিলেন। এরপরের কাহিনি খুব সংক্ষিপ্ত। যতক্ষণে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকা হয়, ততক্ষণে পরমা আর লিলির পুড়ে কালো হয়ে-যাওয়া দেহ দুটো থেকে ধিকিধিকি ধোঁয়া বেরোচ্ছে।

    .

    ম্যাগাজিনে গুলি অনেকক্ষণ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। ইন্দ্র তবুও কতকটা যন্ত্রচালিতের মতো ট্রিগারটা টিপে যাচ্ছিল বারংবার। ব্ল্যাংক বন্দুকে খটাখট আওয়াজ উঠছিল, কিন্তু ইন্দ্রর মন সেদিকে ছিল না। হঠাৎ তার সংবিৎ ফেরে কাঁধে রাখা একটা হাতের স্পর্শে। চমকে মাথা ঘুরিয়ে তাকায় সে। গামা। ইন্দ্র অপ্রস্তুতের মতো হাসে। গামা সে হাসির প্রত্যুত্তর না দিয়ে বললেন, “যতক্ষণ হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকবে, ততক্ষণ কোনওভাবে মনকে ডাইভার্ট হতে দেবেন না। এই ভয়ংকর পৃথিবীতে বন্দুকের নলের থেকে ভয়ংকর যদি কিছু থাকে, তা হল সেই বন্দুকধারীর অন্যমনস্কতা।”

    পাশের টেবিলে বন্দুক রেখে ওরা দু-জন এসে বসে একটু দূরে, সিঁড়ির ধাপে। ইন্দ্র গামাকে প্রশ্ন করে, “আপনি ঘুমোননি?”

    “আমি অনেক রাত অবধি জেগে থাকি। ঘুম আসে না সহজে। ওপর-নীচে একা একাই ভুতের মতো ঘুরে বেড়াই,” বলে সামান্য হাসলেন গামা। তারপর বললেন, “হঠাৎ নীচ থেকে বন্দুকের আওয়াজ শুনে নেমে এলাম। আসলে রাত্রিবেলা চারপাশ এত নিঝুম থাকে, এয়ারগানের আওয়াজও দোতলা অবধি অনায়াসে পৌঁছে যায়। যা-ই হোক, অন্যমনস্ক হয়ে কী ভাবছিলেন? অতীত?”

    “হ্যাঁ। ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে এতটাই আনপ্রেডিক্টেবল যে সেটা নিয়ে আর বিশেষ কিছু ভাববার নেই,” কথা শেষ করে হেসে ফেলল ইন্দ্র। সে হাসিতে গামাও যোগ দিলেন। বেশ কিছুক্ষণ হেসে অবশেষে হাসি থামিয়ে ইন্দ্ৰ গামাকে প্রশ্ন করল, “আচ্ছা, আপনার পরিবারের কেউ নেই?”

    “ছিল,” গামার সংক্ষিপ্ত উত্তর।

    ইন্দ্র একটু অপ্রস্তুত হয়ে যায়। কী বলবে বুঝতে না পেরে চুপ করে থাকে। গামা অবশ্য নিজের মনেই বলে চলেছেন, “দু-বার…. দু-বার আমি নিজে গুলি খেয়েছি। একবার পেটের সামান্য নীচের দিকে, অন্যবার থাইতে। নিজে গুলিবিদ্ধ অবস্থাতেও চিকিৎসা করে গেছি। দুটো ব্রেভরি অ্যাওয়ার্ড রয়েছে আমার ঘরে,” কথাটা বলেই নিজের মনে হেসে নিজেকেই শুধরে নেন গামা, “সরি, ছিল। এখন আর নেই।”

    “কী? অ্যাওয়ার্ড?”

    “না, ঘর। জানেন তো, আমার শেষ পোস্টিং যেখানে ছিল, সেখানে প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটারের মধ্যে কোনও হসপিটাল নেই। যদি আপনার সীমিত মেডিক্যাল সাপ্লাই শেষ হয়ে যায় তাহলে চোখের সামনে আপনার নিজের প্রিয় বন্ধুকে মারা যেতে দেখবেন তিলে তিলে। চারপাশে শুধু পাহাড় আর বরফ। শালা, যারা পাহাড় আর বরফ দেখতে বেড়াতে যায়, তারা যদি মাস দুয়েক ওখানে থাকে তো সব রোমান্টিসিজম চচ্চড়ি হয়ে যাবে।” কথা বলতে বলতেই হঠাৎ পিছনে পায়ের শব্দ পেয়ে দু-জনেই ফিরে তাকিয়ে দেখে বিটা, মানে ইভানি সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে আসছে। ওদের দু-জনকে দেখতে পেয়ে একগাল হেসে বলে, “আরেব্বাবা! দুই মক্কেল এখানে বসে কী করছে!” গামা ইভানির কথায় মুচকি হেসে হালকা চালে বলেন, “এই তো, তোমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।”

    ইভানি কাঁধ ঝাঁকিয়ে উত্তর দেয়, “সে তো সবসময়ই হচ্ছে। তোমরা ভাবো আমি টের পাই না। সব শালা আমার শত্রু।”

    গামা হাসতে হাসতে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে চলে যান। ইভানি নেমে এসে ইন্দ্রর পাশে সিঁড়িতে বসে বলে, “মাঝরাতে কী করছিলেন শুনি?”

    ইন্দ্র হেসে চোখের দৃষ্টিতে পাশের টেবিলে রাখা বন্দুকটার দিকে দেখায় ইভানি ভ্রূ তুলে অবাক হবার ভঙ্গি করে বলে, “আরে বাবা! এ তো জেমস বন্ড!”

    ইন্দ্র হেসে ফেলে। তারপর জিজ্ঞেস করে, “আচ্ছা, গামার পরিবারের সঙ্গে কী হয়েছিল, তুমি জানো?”

    এই প্রশ্নে ইভানি হঠাৎ গম্ভীর হয়ে যায়। তারপর কেটে কেটে বলে, “গামা আর্মিতে থাকার সময় একজন আহত গুলিবিদ্ধ সোলজারকে বাঁচানোর জন্য এক্সপেরিমেন্টাল ড্রাগ ইউজ করে, যা ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয়। মানে ওই টোটকা জড়িবুটি আর কী। সম্ভবত সেই সময় হাতের কাছে অ্যাপ্রুভড ড্রাগ না পেয়ে সেখানকার স্থানীয় লোকেদের ব্যবহার করা এক ধরনের জড়িবুটি সে তার পার্টনারের ক্ষতস্থানে ব্যবহার করে। দুর্ভাগ্যবশত জায়গাটা বিষিয়ে যায় এবং সেই সোলজার সেপটিসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এরপরে গামার মেডিক্যাল প্র্যাকটিশনের লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং তাকে ইন্ডিয়ান আর্মি থেকে সাসপেন্ড করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে এবং নন-অ্যাপ্রুভড ড্রাগ ব্যবহারের জন্য সম্ভবত জেলও হয়। জেল খেটে গামা যখন নিজের বাড়িতে ফেরে, জানতে পারে, তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।”

    ইন্দ্র মাথা নীচু করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। তারপর স্বগতোক্তির স্বরে বলে, “আই গেস উই অল আর ফাক্ড আপ।”

    ইভানি তার কাঁধে মাথা রাখে। ফিশফিশ করে বলে, “সাম ফাক্‌ড আপ পিপ্‌ল কেম টুগেদার টু ফর্ম আ ফাক্ড আপ টিম।” ইন্দ্র উত্তর না দিয়ে নেমে আসে নীচে। হাতে বন্দুক তুলে নিয়ে ম্যাগাজিন ভরতি করে তাক করে। সামনের টার্গেটের দিকে। পায়ে পায়ে পাশে এসে দাঁড়ায় ইভানি। ইন্দ্রর প্রথম গুলিটা টার্গেটের বুকের ডানদিকে এসে লাগে। ইভানি মুচকি হেসে বলে, “নট আ ফ্যাটাল পয়েন্ট। এভাবে গুলি করলে ইউ আর আ ডেড ম্যান।” ইন্দ্ৰ মুচকি হেসে বলে, “তাহলে আপনি দয়া করে আমাকে দেখিয়ে দিন হাউ নট টু বি আ ডেড ম্যান। আমরা সবাই রেগুলার টার্গেট প্র্যাকটিস করি। কিন্তু তুমি কখনও বন্দুক হাতে তোলো না।”

    “আমার আঙুল বন্দুকের ট্রিগারের তুলনায় কম্পিউটারের কিবোর্ডে বেশি সাবলীল।”

    “সে না-হয় বুঝলাম। কিন্তু আমাদের মিশন কিন্তু খুব বিপজ্জনক হতে চলেছে। ডোন্ট ইউ নিড টু ডিফেন্ড ইয়োরসেল্ফ?”

    “নো আই ডোন্ট। তার জন্য তুমি আছ তো। নেই?” ইভানি এগিয়ে এসে ইন্দ্রর কানের লতি কামড়ে ধরে। ইন্দ্র চোখ বুজে ফেলে আবেশে। ইভানি কামড়ের জোর বাড়ায়, ইন্দ্রর মুখ থেকে একটা অস্ফুট আওয়াজ বেরিয়ে আসে। আস্তে আস্তে ইভানি কানের লতি ছেড়ে ওর ঠোঁটের দিকে নিজের ঠোঁট এগিয়ে নিয়ে যায়। ইন্দ্র নিজের গালে ইভানির গরম নিঃশ্বাসের স্পর্শ পায়। ইভানির নিলয়-অলিন্দে চলকে ওঠা রক্তের শব্দ পৌঁছোয় ইন্দ্রর কান অবধি। তারও নিঃশ্বাস ঘন হয়ে আসে। ক্রমশ দু-হাতে ইভানির কোমর জড়িয়ে ধরে। এক ঝটকায় নিজের কাছে টেনে নেয়। ইভানির ঠোঁটের আদরে আস্তে আস্তে নিজেকে ডুবিয়ে দিতে থাকে, হঠাৎ পরপর গুলির আওয়াজে চমকে ওঠে সে। ইন্দ্রর অজান্তেই ইভানি পাশের টেবিলে রাখা বন্দুকটা তুলে নিয়ে দূরের সেই টার্গেটে গুলি করেছে পরপর চারটে। চারটে গুলিই সেই কাট-আউটটার দুই ভ্রূর মাঝবরাবর ফুটো করে বেরিয়ে গেল। অব্যর্থ লক্ষ্যভেদ। ইভানি ইন্দ্রর চোখের দিকে মুখ তুলে তাকায়। তার চোখের চঞ্চল তারায় অবাধ্য দুষ্টুমির ঝিলিক। ইন্দ্রর কানের কাছে মুখ এনে ফিশফিশিয়ে বলে, “ডোন্ট এভার ডাউট মি ডার্লিং।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত
    Next Article শব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }