Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপারেশন কোডেক্স : ডান্স অফ দ্য ডেভিল – রণদীপ নন্দী

    রণদীপ নন্দী এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    (১৮) মাই ব্লাড ব্লিডস ব্লু

    আলফা উঠে চলে যাবার পর অনেকক্ষণ সেখানেই বসে রইল ইন্দ্র। ঝিঁঝির ডাক ছাপিয়ে দূরে জঙ্গলের মধ্য থেকে বিভিন্ন অচেনা পশুপাখির ডাক ভেসে আসছে। দূরে কোথাও জঙ্গলের মধ্যে বোধহয় হাতির পাল বেরিয়েছে। মড়মড় শব্দে গাছপালা ভেঙে তাদের চলার শব্দ এত দূর থেকেও মৃদু হয়ে কানে আসছে। আর এসব শব্দ ছাপিয়ে একটা অদ্ভুত বিষণ্ণতা ধীরে ধীরে গ্রাস করেছে। সমস্ত জঙ্গলকে। বহু দূরে পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে মিটিমিটি আলো জ্বলছে। যেন মনে হচ্ছে, মাথার ওপরের নক্ষত্রখচিত আকাশের প্রতিচ্ছবি এসে পড়েছে ওই কালচে সবুজ পাহাড়ের ওপর। ওইদিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকলেই ইন্দ্রর কেমন যেন একটা ঘোরে লাগে। নেশাতুর গাউরের মতো সে সেখানে বসে থাকে স্থির। হঠাৎ নীচে চোখ পড়তেই চমকে ওঠে ইন্দ্র। বাড়ির পাঁচিল-ঘেরা চৌহদ্দির বাইরে যেখান থেকে জঙ্গল শুরু হয়েছে, সেই পায়ে-চলা মাটির রাস্তায় কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ইভানি। মাথা উঁচু করে ইন্দ্রর দিকেই তাকিয়ে আছে সে। ইন্দ্রর চোখে চোখ পড়তেই ইভানি হাতছানি দিয়ে তাকে নীচে ডাকে। এই মেয়েটা পুরো পাগল! নিজের মনেই হেসে ওঠে ইন্দ্র। তারপর কার্নিশে উঠে দাঁড়িয়ে ছাদ বেয়ে নেমে এসে সে নিজের ঘরে ঢোকে। বিছানার ওপরে রাখা জ্যাকেটটা তুলে নিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে আসে ঘরের বাইরে। ইন্দ্রর ঘর দোতলায়। ঘর থেকে বেরিয়ে লম্বা কাঠের লবি। সেখান থেকে ঘোরানো সিঁড়ি নেমে গেছে ডাইনিং রুমে। বাড়ির মূল ফটক খুলে বাইরে এলেই খামার ঘর। তার পাশ দিয়ে এগিয়ে এসে কাঠের দরজা খুলে বেরিয়ে আসে ইন্দ্র। বাইরে ইভানি তখনও কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে। তার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে ইন্দ্র প্রশ্ন করে, “এত রাত্রে বাইরে বেরিয়েছ কেন?”

    “এমনি। ইচ্ছে হল। চলো ঘুরে আসি।”

    “এখন! কোথায় যাব? এখানকার জঙ্গলে অনেক হিংস্র বন্য জন্তু আছে। রাতবিরেতে এভাবে নিরস্ত্র হয়ে জঙ্গলে ঘোরা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।”

    “তোমায় কে বলল আমি নিরস্ত্র?” কোমর থেকে একটা রিভলভার বের করে ইন্দ্রর নাকের সামনে নাচাতে থাকে ইভানি। ইন্দ্র মুচকি হাসে। বলে, কোনও বড় বাইসন বা হাতির সামনাসামনি পড়লে এই রিভলভারের ৩২ বোরের পুঁচকে গুলি কোনও কাজেই আসবে না।”

    ইভানি উত্তর না দিয়ে ঠোঁট উলটে কাঁধ ঝাঁকায়। তারপর গুনগুন করতে করতে জঙ্গলের গভীরে হাঁটা দেয়। ইন্দ্র মুখ থেকে একটা বিরক্তিসূচক আওয়াজ করে ইভানিকে অনুসরণ করে। গভীর অরণ্য। উঁচু উঁচু গাছপালা মাথার ওপরে ঘন কালচে-সবুজ মেঘের মতো ঢাল সৃষ্টি করেছে। তা ভেদ করে আকাশের একটা তারাও আর চোখে পড়ছে না। এখানে দিনের বেলাতেও হয়তো সূর্যের আলো মাটি অব্দি পৌঁছোয় না। কেমন যেন মায়াবী, স্যাঁতসেঁতে পুরো জায়গাটা। ইভানি নির্বিকারভাবে এগিয়ে চলেছে সেই পায়ে হাঁটা রাস্তা ধরে। পায়ে হাঁটা রাস্তা মানে কিন্তু মানুষের চলাচলের ফলে সৃষ্ট রাস্তা নয়। বিভিন্ন জন্তুজানোয়ারদের দীর্ঘদিনের চলাচলের ফলে প্রকৃতির খেয়ালে এইরকম রাস্তা সৃষ্টি হয়েছে। ইংরেজিতে এই ধরনের রাস্তাকে বলা হয় গেম-ট্র্যাক। আগেকার দিনে শিকারিরা শিকার করার সময় জঙ্গলের ভিতরে এইরকম কোনও গেম-ট্র্যাকের পাশে উঁচু গাছে মাচা বাঁধতেন। সন্ধ্যাবেলা পশুরা এই রাস্তা ধরেই কাছাকাছি কোনও নুনিতে জল খেতে আসত। আর সেই সুযোগেই তারা সেইসব প্রাণী শিকার করতেন। অবশ্য শ্বাপদ প্রাণীদের, অর্থাৎ বাঘ বা চিতার কথা আলাদা। তারা গেম-ট্র্যাকের ধার ধারে না। জঙ্গলের সর্বত্রই তাদের অবাধ বিচরণ। চলতে চলতে মাঝে মাঝে থমকে দাঁড়িয়ে চারপাশ দেখছিল ইভানি। একটা অদ্ভুত মায়াবী পরিবেশ। চারপাশে আলো-আঁধারি আর আবছায়ায় ঘেরা এই জঙ্গলে যেন শুধু তারা দু-জন ছাড়া আর কেউ নেই। অবশ্য ইন্দ্ৰ জানে যে আপাতদৃষ্টিতে তাদের একা মনে হলেও আদপেই তা নয়। জঙ্গলের আলোছায়ার ফাঁকফোকর দিয়ে হয়তো অনেক জোড়া চোখ তাদের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। দূরে কোথাও খুসখুসে বৃদ্ধের হাসির মতো হায়নার ডাক শোনা যায়। ইন্দ্ৰ হঠাৎ সেই ডাক শুনে চমকে গিয়ে কেঁপে ওঠে। তা দেখে ইভানি খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে বলে, “তোমাকে একটা জায়গায় নিয়ে যাব। ম্যাজিক দেখাব। আমি কাল রাতেও সেখানে গিয়েছিলাম।”

    “কী ম্যাজিক?” এদিক-ওদিক তাকাতে তাকাতে প্রশ্নটা করে ইন্দ্র।

    “ধুর বাল! কী ম্যাজিক সেটা বলে দিয়ে কেউ ম্যাজিক দেখায় নাকি? চুপচাপ এসো তো।”

    পায়ে পায়ে ওরা জঙ্গলের অনেকটা ভিতরে চলে এসেছে। হন্দ্র বুঝতে পারে যে, আস্তে আস্তে জমাট-বাঁধা অন্ধকারটা কেমন যেন ফিকে হয়ে আসছে। আরেকটু এগিয়ে এসে ইন্দ্র স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। দ্যাখে জঙ্গলের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে একটাও বড় গাছ নেই। জঙ্গলের ঠিক মাঝামাঝি শুধু হাঁটু অবধি উঁচু ঘাসে ভরা বিস্তীর্ণ অঞ্চল। আর সেই বিস্তীর্ণ প্রান্তরের ঠিক মাঝখানে একটা ছোট্ট জলাশয়। এগুলোকেই নুনি বলে। বন্য জন্তুরা এই জলাশয়গুলোতে সন্ধে নামলে ভিড় করে জড়ো হয় জল খেতে। ইভানি ইন্দ্রর হাত ধরে তাকে একটা উঁচু পাইন গাছের পিছনে টেনে নিয়ে আসে। বলে, “এখানে চুপ করে বসে থাকো। ম্যাজিক দেখতে পাবে।”

    ইন্দ্ৰ অগত্যা হাঁটু মুড়ে সেখানে বসে থাকে। কিন্তু তার সন্ত্রস্ত নজর ঘুরছে চারপাশে। জংলি বাতাস অবাধ্য হরিণীর মতো তাদের ছুঁয়ে চলে যাচ্ছে। সেই বাতাসের দাপটে ইন্দ্র বারবার চমকে উঠছে। তার মনে হচ্ছে কোনও অতিকায় বন্য বাইসন তার খুব কাছে দাঁড়িয়ে। তারই আর্দ্র নিশ্বাস তার ঘাড় ছুঁয়ে যাচ্ছে। আবার কখনও মনে হচ্ছে, পিছনের জমাট কালো অন্ধকার থেকে দুটো জ্বলজ্বলে হলুদ চোখ যেন তাদের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে। অপেক্ষা করছে মুহূর্তের অসাবধানতার। ইন্দ্রকে উশখুশ করতে দেখে চোখের ইশারায় শাসন করে ইভানি।

    একটু পরেই দূর থেকে একটা মৃদু শব্দ ভেসে আসে। কান পেতে শব্দটা শোনার চেষ্টা করে ইন্দ্র। অদ্ভুত! এই জায়গায় এই পরিবেশে সে এই শব্দ আশা করেনি মোটেই। ঘোড়ার খুরের শব্দ। ইন্দ্র অবাক চোখে ইভানির দিকে তাকায়। ইভানির মুখে তখন দুষ্টু-দুষ্টু হাসি। একটু পরে ঘোড়ার খুরের আওয়াজ স্পষ্ট হয়। গভীর জঙ্গলের ভিতরের আলোছায়া থেকে আস্তে আস্তে সেই বিশাল প্রান্তরে এসে দাঁড়ায় একটা দুধসাদা পূর্ণবয়স্ক ঘোড়া। এত বড় ঘোড়া ইন্দ্র এর আগে কখনও দেখেনি। তার ঝকঝকে সাদা রং মাথার ওপরের মখমলি আকাশের গায়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা তারাদের মিটমিটে আলোতেও যেন আলো বিকিরণ করছে। অদ্ভুত এক মায়াবী কুয়াশা ঘিরে রয়েছে সেই অনন্যসুন্দর প্রাণীকে। মাথার লম্বা কেশর ঘাড় ঝাঁপিয়ে কাঁধে নেমেছে। বলিষ্ঠ অপূর্ব সুন্দর দেহসৌষ্ঠব। ইন্দ্র তার পারিপার্শ্বিক সবকিছু বেমালুম ভুলে গিয়ে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে হয়, যেন তার সর্বাঙ্গ দিয়ে একটা আবছা দ্যুতি ঠিকরে বেরোচ্ছে। ইন্দ্র ঘাড় ঘুরিয়ে ইভানির দিকে তাকিয়ে দ্যাখে সে-ও মুগ্ধ দৃষ্টিতে সেদিকেই তাকিয়ে। এই গভীর জঙ্গলের মধ্যে ঘোড়া কী করে এল, তা ইন্দ্রর কিছুতেই বোধগম্য হয় না। কারণ জংলি ঘোড়া এই অঞ্চলে আছে বলে ইন্দ্ৰ শোনেনি। অসম বা নর্থ-ইস্টের হাতে গোনা কিছু অভয়ারণ্য ছাড়া ভারতে জংলি ঘোড়া সাধারণত দেখা যায় না। সে ইভানির কানের কাছে মুখ এনে ফিশফিশিয়ে জিজ্ঞেস করে, “এত গভীর জঙ্গলে ঘোড়া কী করে এল? এটা কি জংলি না পোষা?”

    ইভানি উত্তর না দিয়ে ঠোঁট ওলটায়। তারপর বলে, “সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে কী লাভ?”

    ইন্দ্র কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলে, “হুম। তা-ও ঠিক কথা। জানো তো, যখন আমি ছোট ছিলাম, তখন স্বপ্ন দেখতাম, ঠিক এইরকম একটা দুধসাদা

    ঘোড়ায় চড়ে আমি কোনও দূর দেশে চলে যাব। তারপর সে দেশের রাজকন্যাকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আমার ঘোড়ার পিছনে বসিয়ে টগবগিয়ে চলে যাব অনেক দূরে।”

    এইবার ইভানি দু-হাতে মুখ ঢেকে হাসি চাপে। সে হাসিতে যোগ দেয় ইন্দ্ৰও। বেশ কিছুক্ষণ চাপা স্বরে হেসে ইন্দ্র পিছনের একটা বড় গাছে হেলান দিয়ে বসে উদাস গলায় বলে ওঠে, “এখন তোমার হাসি পাচ্ছে বটে, কিন্তু সে সময় পৃথিবী অন্যরকম ছিল। ইট ওয়াজ অ্যান এরা উইদাউট ফেসবুক। আমরা ভালোবাসার মানুষের জন্য টিউশন শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার মোড়ে সাইকেল দাঁড় করিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে জানতাম। আর ভালোবাসা একটা ধাঁধার নাম ছিল। সোশাল নেটওয়ার্কে মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে খুঁজে নেওয়ার অপশন ভালোবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করার সেই জাদুটাকেই যেন ফ্যাকাশে করে দিয়েছে। আমরা ধৈর্য ধরার অনুভুতি ভুলে যাচ্ছি। মানুষ বড় সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে, ইভানি। মানুষ বড় সস্তা হয়ে গিয়েছে।”

    কথা শেষ করে ইন্দ্র ইভানির দিকে তাকায়। ইভানি তখন অন্যমনস্কভাবে তাকিয়ে আছে সেই নুনির দিকে। ঘোড়াটা ততক্ষণে জল খেয়ে আস্তে আস্তে মিলিয়ে গিয়েছে গভীর জঙ্গলের অন্ধকারে। ইভানি সেদিকেই তাকিয়ে থেকেই প্রশ্ন করে, “আচ্ছা ইন্দ্র, তুমি কি আমাকে ভালোবাসো?”

    ইন্দ্র কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে উত্তর দেয়, “জানি না… হয়তো। তুমি?”

    “নাহ্,” ইভানির সংক্ষিপ্ত উত্তর।

    ইন্দ্র মুচকি হেসে প্রশ্ন করে, “তাহলে তোমার কাছে আমি কী?”

    ইভানি চোখ তুলে ইন্দ্রর চোখের দিকে তাকায়। তারপর ভীষণ মিষ্টি করে হেসে বলে, “ভীষণ বৃষ্টির দিনে মাথার ওপরের টিনের শেড।”

    তারপর ইন্দ্রর চোখ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে নরম স্বরে প্রশ্ন করে, “কষ্ট পেলে?”

    ইন্দ্ৰ মৃদু হাসে। বলে, “নাহ্! তোমাকে আমি চিনি। এই উত্তরটাই এক্সপেক্ট করেছিলাম।”

    “নাহ্! চেনো না।” ইভানি সরে আসে ইন্দ্রর গা ঘেঁষে। তারপর ইন্দ্রর কানের কাছে মুখ এনে ঘাড়ে আলতো কামড় বসায়। ফিশফিশিয়ে বলে, “শরীর চিনলেই বুঝি মানুষ চেনা যায়, মিস্টার বন্ড?”

    এরপর খানিকটা সরে এসে একটা গাছে হেলান দিয়ে অন্যমনস্কভাবে দূরের জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে থাকে। গাছগাছালির ফাঁক গলে এক টুকরো অবাধ্য আলো এসে পড়েছে ইভানির মুখের ডানদিক জুড়ে। আধো-অন্ধকারে চোখের মণিটা চিকচিক করছে তার। চোখের কোলে ওটা কি জল? ইভানি চাপা গলায় গুনগুনিয়ে গান ধরে….

    I’ll break down
    All eyes on me
    I see you right
    Right inside of me
    Turned my back on the battle
    ‘Cause there’s not much to lose
    I’ll beat my fists
    ‘til my blood bleeds blue
    I’m trying not to break down
    I’m holding on too tight now
    Let go
    Let go.

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত
    Next Article শব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }