Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপারেশন কোডেক্স : ডান্স অফ দ্য ডেভিল – রণদীপ নন্দী

    রণদীপ নন্দী এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    (২২) দ্য উন্ডেড টাইগ্রেস

    ওয়েস্ট পাইপের মুখটা প্রায় ফুট দুয়েক চওড়া, সেই মুখে মোটা স্টিলের জালি লাগানো। জলের তলায় দৃষ্টি বেশি দূর পৌঁছোয় না। লেকের গভীরে জল তুলনামূলকভাবে ঘোলা। নীচে ইন্দ্রদের চারপাশে ছোট্ট ছোট্ট মাছ এবং জলজ প্রাণী নিজের খেয়ালে ভেসে চলেছে। ইন্দ্র বা বিটাদের উপস্থিতি তারা মোটেই গ্রাহ্য করছে না। জল কেটে সবার আগে এগিয়ে চলেছেন আলফা, তাকে অনুসরণ করে বাকি সবাই। আলফা ওয়েস্ট পাইপের মুখের কাছে এসে কোমর থেকে একটা ছোট্ট যন্ত্র বের করে স্টিলের জালি কাটতে লাগলেন। ইন্দ্র এগিয়ে গিয়ে তাকে সাহায্য করছিল, হঠাৎ পিছন থেকে একটা অস্পষ্ট চাপা আওয়াজে সকলে পিছন ফিরে তাকাল। ওয়েস্ট পাইপের মুখটা জলের পৃষ্ঠতলের ঠিক ওপরেই মাথা তুলে রয়েছে। সেখানে শরীরটাকে জলের ওপর সামান্য ভাসিয়ে রেখে যতটা সম্ভব নিজেদের আড়াল করে তারের জালিগুলো একটু একটু করে কাটছিল ওরা। বাকিরা জলের পৃষ্ঠদেশের নীচে আত্মগোপন করে রয়েছে। আওয়াজটা এসেছে তাদের পিছনে জলের নীচ থেকেই। শব্দটা শুনে আলফা এবং ইন্দ্র একসঙ্গে মাথা নামিয়ে জলের তলায় নেমে আসে। জলের তলায় সকলের মুখে অক্সিজেন মাস্ক থাকায় কথা বলার উপায় নেই, আকারে-ইঙ্গিতেই নিজেদের মধ্যে কথা বলতে হয়। তর্জনী আর বৃদ্ধাঙ্গুলি ব্যবহার করে অল রাইট সাইন করে বোঝাতে হয়, সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। ইন্দ্র, আলফা, পাই এবং গামা ওকে সিগন্যাল দিলেও ইভানি কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিল। ঘোলা জলের মধ্যে চোখ সইতে একটু সময় লাগছিল, কিছুক্ষণ পর ইন্দ্র খেয়াল করল, ইভানি একটু দুরে জলের নীচে ভেসে আছে। সে কাঁধের কাছে হাত বুলিয়ে কিছু একটা বোঝার চেষ্টা করছে। ইন্দ্র সেদিকে এগিয়ে যায়। দ্যাখে তার কাঁধের কাছে পোশাক ছেঁড়া, আর সেই ছেঁড়া জায়গা থেকে লাল রক্ত চুঁইয়ে মিশছে জলে। ফোঁটা ফোঁটা রক্ত লালচে-কালো ধোঁয়ার মতো জলের মধ্যে ভেসে যাচ্ছে। ইন্দ্র ইশারায় জিজ্ঞেস করে, “কী হয়েছে?”

    ইভানি দু-হাতের তালু উলটে জবাব দেয়, সে জানে না। আলফা ইশারায় সকলকে জলের পৃষ্ঠতলের ওপর ভেসে ওঠার নির্দেশ দেয়। ইভানির ক্ষত পরীক্ষা করে গামা বলেন, “কিছু একটা কামড়েছে। কী কামড়েছে, সেটা বলা শক্ত। তবে ক্ষত কিন্তু বেশ গভীর। ইমিডিয়েট ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন। আমি জানি না প্রাণীটা বিষাক্ত কি না। যদি বিষাক্ত না-ও হয়, তা-ও নোংরা জলে ওই সামনের ওয়েস্ট পাইপের নোংরার ভিতর দিয়ে গেলে ক্ষতস্থান বিষিয়ে গিয়ে গ্যাংগ্রিন বা সেপটিসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তার ওপর বিটার ক্যানসার আছে। ইট’স টু ডেঞ্জারাস ফর হার টু কন্টিনিউ ইন দিস কন্ডিশন। আমাদের উচিত আপাতত এই মিশনটাকে অ্যাবোর্ট করা। বিটার হেল্প ছাড়া আমরা মিশনের পরবর্তী স্টেপগুলো ক্যারি আউট করতে পারব না। কিন্তু এই অবস্থায় বিটাকে এই নোংরা পাইপের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়াটা ভীষণ রিস্কি।”

    ইন্দ্র মাথা নাড়িয়ে গামার কথায় সায় দিল। বলল, “আমরা দু-একদিন রেস্ট নিয়ে আবার অ্যাটেম্পট নেব। এই অবস্থায় বিটার পক্ষে মিশনে মুভ ফরওয়ার্ড করা অসম্ভব।”

    হঠাৎই আলফার মুখের অভিব্যক্তির সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়ে গেল। একটা চাপা হিংস্রতা দুই চোখের মণিতে ঝিলিক দিয়ে উঠেই মুহূর্তে মিলিয়ে গেল। তিনি নীচু স্বরে বললেন, “মিশন ক্যানসেল করার প্রশ্নই ওঠে না। উই হ্যাভ টু মুভ অ্যাহেড অ্যাট এনি কস্ট। আজ দিনের শেষে আমার হাতে ওই পৃষ্ঠাগুলো থাকবে, ব্যাস।”

    গামা বললেন, “অসম্ভব! এভাবে একটা আনট্রিটেড ক্ষত নিয়ে এগোলে বিটার লাইফ রিস্ক হতে পারে।”

    এইবার দাঁতে দাঁত ঘষে আলফা বললেন, “তাহলে টিমে আপনার জায়গা কোথায়? আমরা যে মিশনে যাচ্ছি, সেখানে আমাদের আহত হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই আমি টিমে একজন ডাক্তারকে রিক্রুট করেছি। সে যদি কোনও কাজেই না আসে, তবে ফালতু টিমের বোঝা বাড়ানোর প্রয়োজন কী!”

    “ওয়েল, আমি এই মুহূর্তে টিম ছাড়ছি। বেসে ফিরে যাচ্ছি, আপনারা মিশন কমপ্লিট করে দেখা করুন।”

    গামা উলটোদিকে মুখ ফেরাতেই চোখের পলকে আলফা গামার দিকে আগ্নেয়াস্ত্র ত্যাগ করলেন। নিস্তব্ধ পরিবেশ খানখান করে দিল পিস্তলের সেফটি লক খোলার খটাস শব্দ। ইন্দ্র দেখল, আলফার দু-চোখে ধিকধিক করে যেন আগুন জ্বলছে। ভীষণ চাপা অথচ দৃঢ়কণ্ঠে আলফা বললেন, “ সবাই একে একে চুপচাপ পাইপের মধ্যে ঢুকুন। আমার আইডিয়া ছিল না যে আই হ্যাভ বিন ওয়ার্কিং টুগেদার উইথ আ বাঞ্চ অফ কাওয়ার্ডস।”

    মুহূর্তের মধ্যে ইন্দ্র, গামা এবং পাইয়ের হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র উঠে এল। আলফা এবং পাই যথাক্রমে ইন্দ্র এবং গামার দিকে বন্দুকের নল উঁচিয়ে তাকিয়ে আছে নিষ্পলক। এবার তাদের মাঝখানে এসে দাঁড়াল বিটা। বলল, “ওয়েল, নাও বয়েজ আর ফাইটিং ওভার মি। হাউ সেক্সি!” তারপর ইন্দ্রর চোখে চোখ রেখে বলল, “তুমি জানো, অন্য কেউ আমার হয়ে ডিসিশন নেয়, সেটা আমার পছন্দ নয়। নিজেদের মধ্যে এইসব ড্রামা করার আগে একবার কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে নিলেই পারত যে আমার ডিসিশন কী!”

    কথা শেষ করেই বিটা মুহূর্তের মধ্যে এক অদ্ভুত কায়দায় নিজের শরীরটাকে গুটিয়ে নিয়ে পাইপের ভিতর ঢুকিয়ে দিল। আগ্নেয়াস্ত্র নামিয়ে নিয়ে বিটাকে অনুসরণ করল বাকিরা। সরীসৃপের মতো বুকে ভর দিয়ে সবাই শরীরটাকে টেনেহিঁচড়ে সরু পাইপের মধ্যে দিয়ে নিয়ে চলেছে। আবর্জনার কটু গন্ধে নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। ইন্দ্ৰ যতটা ধারণা করেছিল, পাইপটা তার থেকে ঢের বেশি লম্বা। পাইপের মধ্যে দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে অপর প্রান্তে পৌঁছোতেই প্রায় মিনিট পনেরো লেগে গেল। পাইপের শেষ প্রান্ত যেখানে গুহার মূল করিডরের সঙ্গে মিশেছে, সেই অবধি পৌঁছে পাইপের গোল দেওয়ালের সঙ্গে শরীর মিশিয়ে দিয়ে রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করতে লাগল ওরা। সামনে মাথার একটু ওপরেই কিছুক্ষণ পরপর মানুষের হেঁটে যাওয়ার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। করিডরে হেঁটে-যাওয়া গার্ডদের চলমান পায়ের ছায়া এসে পড়ছে পাইপের আধো অন্ধকারের ভিতর। ইন্দ্রর মনে হতে থাকে এই অপেক্ষা যেন অন্তহীন। বুকের মধ্যে একটানা ঢাক বেজে চলেছে, মনে হচ্ছে, হৃদ্যন্ত্র বিকল হয়ে পড়বে অকস্মাৎ। নিশ্বাসের চাপা শব্দও অন্ধকার গুমোট বদ্ধ পাইপের ভিতর দামামার মতো শোনাচ্ছে। ইন্দ্রর ভয় হচ্ছে, তার নিজের হৃৎপিণ্ডের স্পন্দনের শব্দও যেন কেউ বাইরে থেকে শুনে ফেলবে। নিশ্বাস বন্ধ করে নিজের শরীরটাকে পাইপের অন্ধকারে আবর্জনার আড়ালে মিশিয়ে দেয় সে। উত্তেজনা, উৎকণ্ঠা, ভয় সবকিছু মিলেমিশে ওর সমস্ত সত্তাকে যেন গ্রাস করছে ধীরে ধীরে। মুখ ঘুরিয়ে বাকিদের দিকে তাকিয়ে দেখে, আলফা এবং পাই ছাড়া বাকিদের মুখেও থমথমে আশা-আশঙ্কার মেঘ দানা বেঁধেছে। ভিতর থেকে বাইরের করিডরের খুবই সামান্য অংশ দৃশ্যমান। ভিতর থেকে বোঝার উপায় নেই যে, দূর থেকে কেউ আসছে কি না। অকস্মাৎ বেরোতে গেলেই ধরা পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে নিস্তব্ধে অপেক্ষা করার পর বুকে ভর দিয়ে এগিয়ে আসে বিটা। সঙ্গে রাখা ছোট্ট ব্যাগ থেকে একটা লম্বা সরু পাইপের মতো যন্ত্র বের করে। সেটার এক মাথায় ছোট্ট একটা ক্যামেরা লাগানো, অন্যদিকটায় একটা ইউএসবি পোর্ট। মোবাইলের মতো একটা ছোট্ট যন্ত্রের সঙ্গে সেটা কানেক্ট করে পাইপটার ক্যামেরাযুক্ত দিকটা ওপরে বেরোবার মুখে লাগানো জালির ফাঁক গলিয়ে বের করে দেয় বিটা। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে একদৃষ্টে। একটু পরে ফিশফিশিয়ে বলে, “দু-পাশে দুটো সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। তবে ডানদিকের ক্যামেরাটার রেঞ্জ খুব সম্ভবত এই পাইপের মুখ অবধি আসবে না। কিন্তু বাঁদিকের ক্যামেরাটা খুব বেশি দূরে নেই। আমরা এখান থেকে বেরোলেই ক্যামেরায় ধরা পড়ে যেতে পারি।”

    “তাহলে কী হবে?” শুকনো মুখে প্রশ্ন করে ইন্দ্র। বিটা ইন্দ্রর মুখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে একটা ছোট্ট যন্ত্র তার মুখের সামনে তুলে ধরে। দেখতে কতকটা মার্কার পেনের মতো।

    বিটা ফিশফিশিয়ে ইন্দ্রকে জিজ্ঞেস করে, “এটা কী বলো তো?”

    ইন্দ্র ঠোঁট উলটে নিজের অপারগতা ব্যক্ত করে বলে, “হবে কোনও ঘ্যামা যন্ত্র। আমি এইসব অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যাপারে একটু কম বুঝি।”

    বিটা ঠোঁটের কোণের সেই দুষ্টু হাসিটা বজায় রেখেই ফিশফিশিয়ে বলে, “ধুর শালা! এ কি জেমস বন্ডের মুভি নাকি! এটা সাধারণ লেজার পয়েন্টার আইনস্টাইন মশাই। যেগুলো তোমরা প্রফেসররা কলেজে লেকচারের সময় ইউজ করো, সেই মাল। যদি সিসিটিভি ক্যামেরা লেন্সের ওপর একদম ঠিকঠাক প্রিসিশনে লেজার পয়েন্ট করা যায় তাহলে লেন্স ধাঁধিয়ে যায়। ফলে ভিডিয়োতে রঙিন আলোর বিচ্ছুরণ ছাড়া কিছু দেখা যায় না। পরে কোনওদিন নিজে ট্রাই করে দেখো। আমরা কলেজের ল্যাব থেকে এটা-ওটা ঝাঁপার সময় এই টেকনিক কাজে লাগাতাম। সব সময় সব কাজে কি আর অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি লাগে? কিছু কিছু সময় মাথা খাটিয়ে কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান বের করে নিতে হয়। বুঝলেন মিস্টার বন্ড?”

    তারপর লেজার পয়েন্টারটা সিসিটিভি ক্যামেরার দিকে পয়েন্ট করে সামনের সেই ছোট্ট স্ক্রিনে চোখ রেখে বিটা বলে, “হারি আপ! করিডরে এই মুহূর্তে কোনও লোক নেই। ঝটপট ড্রাইভিং স্যুট খুলে করিডরে বেরিয়ে পড়ো।’

    গুহার ভিতরটা ইন্দ্র যেরকম কল্পনা করেছিল, আদপে একেবারেই অন্যরকম। প্রায় কুড়ি ফুট চওড়া করিডর, ছাদও প্রায় ফুট পনেরো ওপরে। যেন একটা বিশাল লম্বা হলঘর, শুধু দু-পাশের দেওয়াল শেষ না হয়ে অন্ধকারে কোথায় যেন মিলিয়ে গেছে। পাথুরে দেওয়ালের খাঁজে খাঁজে পরজীবী লতা পাথরকে আশ্রয় করে ধীরে ধীরে পুরো দেওয়ালটাই যেন অধিকার করে নিয়েছে। কোথাও কোথাও কালো স্যাঁতসেঁতে পাথরের খাঁজে ফুটে আছে ছোট্ট ছোট্ট সাদা অর্কিড। করিডরের ভিতর আলো জোরালো নয়। একটা টিমটিমে হলুদ আলোর আভা সম্পূর্ণ করিডরটাকে আলো-আঁধারিতে মুড়ে দিয়েছে। সেই আলোও মাঝে মাঝে একটা যান্ত্রিক চিড়চিড় আওয়াজ করে দপদপিয়ে উঠছে। আলফা এবং পাই ইশারায় বাকিদের এগিয়ে যেতে বলে পিছনের আধো-অন্ধকারে নিমেষের মধ্যে ভোজবাজির মতো মিলিয়ে গেলেন। তারপরেই সেদিকের নিকষ অন্ধকারের ভিতর থেকে চাপা, ভোঁতা শব্দ এবং মানুষের দেহ পাথরের গায়ে আছড়ে পড়ার শব্দ ভেসে এল। গামা, বিটা এবং ইন্দ্র রইল অন্য টিমে। তাদের প্রধান কাজ হল জ্যামার খুঁজে বের করে সেটাকে বিকল করা। কারণ ওদের মেনফ্রেম হ্যাক করতে গেলে সবার আগে ইনটারনেট কানেক্টিভিটি দরকার। এই গুহার মধ্যে ইনটারনেট ওয়্যারলেস নয়। সেটা আসে টেম্পলারদের নিজস্ব ফাইবার অপটিক্স কেবলের মাধ্যমে। ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক না-হওয়াতে জ্যামার চলায় সমস্যা হয় না। কিন্তু ইন্দ্রদের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক জ্যামার চলাকালীন সম্পূর্ণভাবে বিকল। বাইরের ইনভেশন বা নজরদারি আটকানোর জন্যই এই জ্যামারের ব্যবস্থা করা।

    বিটা ফিশফিশ করে বলে, “আমাকে সিস্টেমের মেইনফ্রেম হ্যাক করে ঢুকে সিসিটিভি ফুটেজ ডিলিট করে সব ক-টা সিসিটিভি-কে অকেজো করতে হবে। তা ছাড়া ভল্টের অ্যালার্ম ডিসএল করতে হবে। যদি জ্যামার না খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে আমি রিমোটলি সেটা পারব না। আমায় ওদের কোনও নিজস্ব সিস্টেমের অ্যাকসেস পেতে হবে হ্যাক করার জন্য। সে শালা বহুত হ্যাপা।”

    ইন্দ্রদের উদ্দেশ্য হল যতটা সম্ভব নিজেদের অদৃশ্য রেখে জিনিসটা বের করে আনা। ভল্টের রুমে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। বাইরের কড়া পাহারার চোখে ধুলো দিয়ে যদি তারা কোনওভাবে ভল্টরুমে ঢুকে পড়তে পারে, তাহলে বাকি কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু সিসিটিভি ক্যামেরা বিকল না করতে পারলে পরে সেই ফুটেজ দেখে তাদের খুঁজে বের করা নাইটস টেম্পলারদের মতো অর্গানাইজড সিন্ডিকেটের পক্ষে অসম্ভব নয়।

    ওরা খুঁজতে খুঁজতে বেশ খানিকটা এগিয়ে এসেছে। মাঝে দু-একজন গার্ডের সঙ্গে মুখোমুখি হলেও তাদের পরনে গার্ডের ইউনিফর্ম এবং গুহার ভিতরে আধো-অন্ধকারে মুখ বোঝা না-যাওয়ার কারণে ধরা পড়েনি। বিটা অধৈর্য হয়ে এদিকে-সেদিকে উদ্ভ্রান্তের মতো তাকাচ্ছে। ঠিক তখনই ইন্দ্রর চোখ পড়ল বিটার কাঁধের দিকে। ক্ষতচিহ্ন থেকে নিঃসৃত রক্ত জমাট বেঁধে কালচে-বাদামি বর্ণ ধারণ করে পোশাকের উপর একটা কালো ছোপ রেখে গিয়েছিল। কিন্তু এখন সেখান থেকে আবার তাজা রক্ত চুইয়ে বেরোতে শুরু করেছে। গামারও চোখে পড়েছে সেটা। তিনি চোখের ইশারায় বিটাকে দেওয়ালের আধো-অন্ধকারের দিকে সরে আসতে নির্দেশ দিলেন। তারপর কোমর থেকে একটা ছুরি বের করে কাঁধের কাছে জামা কেটে ক্ষতচিহ্নটা ভালো করে পরীক্ষা করলেন। ক্ষতের চারপাশে গোল হয়ে চামড়া ফুলে উঠেছে। সেখানে কালচে-বাদামি রক্ত জমাট বেঁধে আছে। আর দগদগে লাল ক্ষতচিহ্ন চুঁইয়ে লালচে-হলুদ পুঁজরক্ত গড়িয়ে নামছে কাঁধ বেয়ে। গামা ছুরির হাতল দিয়ে ক্ষতচিহ্নের পাশে ফুলে-থাকা চামড়ার ওপর আলতো চাপ দিয়ে বিটাকে প্রশ্ন করলেন, “ব্যথা লাগছে?”

    বিটা সামান্য হেসে জবাব দিল, “নাহ্! তেমন কিছু না।” ইন্দ্র লক্ষ করল, বিটা সর্বশক্তি প্রয়োগ করে নিজের দুই হাত শক্ত করে মুঠো করে আছে।

    “এখান থেকে সোজা কিছুটা এগিয়ে গেলেই ভল্টরুমের দিকে সোজা করিডর ঢুকে গেছে। এই করিডরের ভিতরে নো-এন্ট্রি জোন। কোনও গার্ড বা সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। করিডর শুরু হওয়ার ঠিক আগেই ডানদিকে সিকিয়োরিটি রুম। আমার বিশ্বাস, মেইনফ্রেম সার্ভার ওখানেই রয়েছে। জ্যামার যখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তখন তোমাকে ওই রুমে ঢুকে মেইনফ্রেম সার্ভার হ্যাক করে সিসিটিভি ফুটেজ ডিলিট করে করিডরের মুখে লাগানো মোশন সেন্সর আর অ্যালার্ম ডিসএল করতে হবে।” চাপাস্বরে একনিশ্বাসে কথাগুলো বলে থামলেন আলফা। ভল্টের করিডর অব্দি রেইকি করে এসে ওদের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেই পথ যে খুব একটা মসৃণ হয়নি, সেটা তার জামার গোটানো হাতায় লেগে-থাকা রক্তের ছাপ এবং দ্রুত ঘনঘন নিশ্বাসের শব্দে অনুমান করা যায়। কথা বলতে বলতেই তারা পায়ে পায়ে এগিয়ে এসেছে সিকিয়োরিটি রুমের কাছে। বাইরে দরজা আগলে দু-জন সশস্ত্র গার্ড দাঁড়িয়ে আছে। ভিতরে আরও কমপক্ষে চার-পাঁচজন। প্রত্যেকেই আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রে সুসজ্জিত। মিস্টার আলফা সেদিকে তাকিয়ে চাপাস্বরে বললেন, “কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে যাও। তোমরা হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাটে অতটা পারদর্শী নও। আর আমার একার পক্ষে এতজন সশস্ত্র মানুষকে মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না। পাইয়ের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।”

    বিটা একটু চুপ করে থেকে বলল, “এই মুহূর্তে আমাদের হাতে সময় কম। জ্যামার ডিসএবল করতে পারিনি, পাইয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার কোনও উপায় নেই। এখন ওর আশায় হাঁ করে বসে থাকার কোনও মানে হয় না। আমার ওপর ছেড়ে দিন। যখন আমি হ্যাক করব, তখন ওরা দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আমাকেই পাহারা দেবে।”

    কথা শেষ করেই বিটা একটা অদ্ভুত কাজ করল। কাঁধের কাছ থেকে তখনও তাজা রক্ত গড়িয়ে আসছে। বিটা দু-হাতে সেই রক্ত মেখে নিয়ে হঠাৎ এগিয়ে গেল সার্ভার রুমের দরজার দিকে। চোখ-মুখ কুঁচকে চাপা অস্ফুট আওয়াজ করতে করতে রুমের দরজার কাছে এসে দাঁড়াল। তারপর ভিতরে বসে-থাকা গার্ডদের উদ্দেশে রাগত কণ্ঠে বলল, “ওয়াশরুমে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা কী করতে বসে থাকে? পাক্কা আধ ঘণ্টা হল দাঁড়িয়ে আছি হাঁ করে। ইমার্জেন্সির সময় যদি মানুষ ওয়াশরুম ইউজ করতে না পারে তাহলে সেটা বানানোর কী দরকার? অসহ্য!” তারপর মুখ তুলে লোকগুলোর দিকে তাকিয়ে প্রচ্ছন্ন আদেশের সুরে বলে, “আমাকে এক মিনিটের জন্য ঘরটা ছেড়ে দিন।”

    একজন গার্ড একটু এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করে, “কী হয়েছে?”

    বিটা তার দিকে এমনভাবে জ্বলন্ত দৃষ্টিতে তাকায় যে, কলিযুগ না হলে সে বেচারার কপালে নির্ঘাত দুঃখ ছিল। গার্ডটা দু-পা পিছিয়ে গিয়ে আমতা আমতা করে জানায়, “পুরো সিকিয়োরিটি রুম ছেড়ে দেওয়া তো একটু অসুবিধা…” বিটা উত্তর দেওয়ার বদলে দাঁতের ফাঁক দিয়ে হিংস্র নেকড়ের মতো চাপা গর্জন করে। লোকটা থতোমতো খেয়ে বলে, “ঠিক আছে, ঠিক আছে। কিন্তু বেশিক্ষণ নেবেন না প্লিজ। সিকিয়োরিটি ইণ্ড্য বোঝেন তো। আমরা দরজার কাছে দাঁড়াচ্ছি।”

    “ডান।”, উদ্বিগ্ন মুখে প্রশ্ন করে ইন্দ্র।

    “হুঁ। মোশন সেন্সর আর অ্যালার্ম ডিসএব্লড। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ডিলিট করে পুরোনো ফুটেজ লুপে চালিয়ে দিয়েছি। এখন সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটর চলবে অথচ আমরা অদৃশ্য হয়ে যাব।” মুচকি হাসে বিটা।

    তার কাঁধের কাছে ওষুধ আর ব্যান্ডেজ দিয়ে ড্রেসিং করছে গামা। বিটা মাটিতে পা ছড়িয়ে বসে। নরম মাটিতে আঙুল বুলিয়ে আঁকিবুকি কাটছে। আড়ালে গামার চোখের দিকে তাকিয়ে ইশারায় ক্ষতস্থানের কন্ডিশন জিজ্ঞাসা করে ইন্দ্র। গামা হতাশ ভঙ্গিতে দু-দিকে মাথা নাড়ায়। ক্ষতস্থান ফুলে উঠছে ক্রমশ। যা-ই কামড়ে থাকুক, সেটা যে বিষাক্ত, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই। বিটার যে স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে তা তার ঘনঘন নিশ্বাস ফেলা এবং এই পাহাড়ি ঠান্ডাতেও কপালে জমা ঘাম থেকে স্পষ্ট। অবশ্য সে নিজের মুখে সেটা স্বীকার করতে রাজি নয়।

    ড্রেসিং সেরে নিয়ে উঠে পড়ল ওরা। ততক্ষণে পাই এসে দাঁড়িয়েছেন পাশে। আরেকটু এগিয়ে গুহাটার রাস্তাটা ডানদিকে বেঁকেছে। একটা সরু করিডর, তার মুখে দু-জন সশস্ত্র প্রহরী দাঁড়িয়ে। আলফা সেদিকে তাকিয়ে চোখের ইশারায় পাইকে কিছু বললেন, তারপর ইন্দ্রদের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে হঠাৎ তিরবেগে ধেয়ে গেলেন সেই গার্ড দুটোর দিকে। মুহূর্তের মধ্যে পাইও হিংস্র বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল অন্য লোকটার ওপর। আলফা প্রথমে ডানদিকে দাঁড়িয়ে-থাকা লোকটার তলপেটে সর্বশক্তি দিয়ে অতর্কিতে আঘাত হেনেছিলেন, লোকটা সেই আঘাত সামলাতে না পেরে ছিটকে পড়ে একটু দূরে। তার হাতে ধরে-থাকা আগ্নেয়াস্ত্রও ছিটকে যায় দূরে। প্রথমে অতর্কিত আক্রমণ প্রতিহত না করতে পারলেও নিজেকে সামলে নিয়েই উঠে এসে আলফাকে আঘাত করতে যায়। কিন্তু আলফা এই আক্রমণের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত ছিলেন। তিনি নিজের শরীরটাকে অদ্ভুত কায়দায় নীচু করে মাটির সঙ্গে প্রায় মিশিয়ে সেই আক্রমণকে প্রতিহত করেন। ফলত তাঁর দিকে ধেয়ে আসা ঘুসি শূন্যে খেই হারায়। লোকটা ভারসাম্য হারিয়ে টলোমলো পায়ে সামনের দিকে কিছুটা এগিয়ে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে লোকটার কাপের কাছে অব্যর্থ আঘাত হানেন মিস্টার পাই। লোকটা জ্ঞানশূন্য হয়ে মাটিতে। লুটিয়ে পড়ে। ততক্ষণে অন্য লোকটার সংবিৎ ফিরেছে। সে ছুটে যায় কিছুটা দূরে পড়ে-থাকা তার আগ্নেয়াস্ত্রের দিকে। কিন্তু তা হস্তগত করার সুযোগ সে পায় না। তার আগেই ইন্দ্র ছুটে এসে হাঁটু দিয়ে লোকটার গলায় সজোরে আঘাত করে। লোকটার মাথা পিছনের পাথুরে দেওয়ালে সশব্দে ঠুকে যায়। আর্তনাদ করে ওঠার আগেই মুহূর্তের মধ্যে আলফা লোকটার মাথাটা ধরে ডানদিকে আচমকা মুড়িয়ে দেন। লোকটা একটা চাপা শব্দ করে কাটা কলা গাছের মতো মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। ইন্দ্র আর পাই ধরাধরি করে বডি দুটো লুকিয়ে ফেলে করিডরের কোণে পাথুরে খাঁজের অন্ধকারের আড়ালে।

    “শুনুন, এখানে প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর গার্ডের শিফ্ট চেঞ্জ হয়। তা ছাড়া কিছুক্ষণ পরপরই গার্ডেরা টহল দিতে দিতে করিডরের সামনে দিয়ে নজরদারি করে যায়। সুতরাং, এই করিডরের মুখ পুরোপুরিভাবে আনঅ্যাটেন্ডেড রেখে আমরা সবাই ভিতরে ঢুকতে পারব না। একটু আগে আমরা যখন এখানে রেইকি করে গেলাম, তখনই একটা শিফট শেষ হয়েছে। অর্থাৎ এখনও দেড় ঘণ্টামতো সময় আছে শিফ্ট চেঞ্জ হওয়ার। তার মানে আমাদের মধ্যে তিনজন ভিতরে যাবে। দু-জন এখানে দাঁড়িয়ে আমাদের হাপিস করে দেওয়া গার্ডদের হয়ে প্রক্সি দেবে। অর্থাৎ আমার সঙ্গে আরও দু-জন ঢুকবে। ডেল্টাকে আমার লাগবে ভিতরে। এখানে দু-জন গার্ডই পুরুষ ছিল। সুতরাং বিটা বাইরে থাকতে পারবে না। তাহলে এখানে বাইরে থাকার জন্য বাঁচছে পাই এবং গামা।’ “সেটা সম্ভব নয়। বিটা অসুস্থ। গামাকে আমাদের সঙ্গে আসতেই হবে” দু-পা এগিয়ে এসে আলফার চোখে চোখ রেখে বলে ইন্দ্র।

    “আমি ঠিক আছি। বেশিক্ষণের ব্যাপার না। ডোন্ট ওয়ারি।” বিটা ইন্দ্রর কাঁধে হাত রেখে আলতো চাপ দেয়। ইন্দ্র ঘুরে বিটার দিকে তাকায়। বিটার ঠোঁটের কোণে তখনও লেগে আছে এক টুকরো আলগা হাসি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত
    Next Article শব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }