Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপারেশন কোডেক্স : ডান্স অফ দ্য ডেভিল – রণদীপ নন্দী

    রণদীপ নন্দী এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    (৯) নেসেসারি ইভিল

    (৯) নেসেসারি ইভিল

    সেদিন বেসে ফিরে বেশ কিছুক্ষণ নিজের বিছানায় চুপচাপ শুয়ে রইল ইন্দ্র। মাথার ভিতর হাজারটা সাইক্লোন যেন একসঙ্গে পাকিয়ে উঠছে। ঠান্ডা মাথায় এখনও অব্দি ঘটে-যাওয়া সব ঘটনা পরপর সাজাতে চেষ্টা করতে লাগল। কীভাবে যেন ঝড়ের গতিতে সবকিছু হয়ে যাচ্ছে। এক জায়গায় থিতু হয়ে ভাবার সময়টুকু পায়নি ইন্দ্র। আজ মনের ভিতর জমে থাকা সব উৎকণ্ঠা যেন ইন্দ্রর মাথার ভিতরটা বিষিয়ে দিচ্ছে। উঠে গিয়ে দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ করে ও। তারপর পকেট থেকে ছোট্ট কাগজের মোড়কটা বের করে খোলে। ছোট্ট শক্ত কোনও একটা জিনিস একটা সাদা চিরকুট দিয়ে মোড়ানো। মোড়কটা খুলতেই হাত কেঁপে যায় ইন্দ্রর। হঠাৎ গলার ভিতরটা শুকিয়ে আসে। ঘনঘন নিঃশ্বাস পড়ছে। কোনওরকমে সামনের চেয়ারের হাতল ধরে বসে পড়ে। ইন্দ্রর হাতে ধরা লিলির মাথার ক্লিপ। ধীরে ধীরে মাথা নামিয়ে দুই হাঁটুর মধ্যে গুঁজে ফুঁপিয়ে ওঠে ইন্দ্র। ধনুকের মতো বেঁকে-থাকা পিঠ নিশ্বাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কেঁপে কেঁপে ওঠে। নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, সে চেয়ার ছেড়ে নীচে মেঝেতে শুয়ে পড়ে। ওর হাতে ধরা লাল রঙের স্টিলের ক্লিপটা। লিলির ভীষণ পছন্দের ছিল সেটা। আগের বছর দুর্গাপুজোর সময় ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে এটা কিনে দিয়েছিল ইন্দ্র। সে একমনে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ক্লিপটা দেখতে থাকে। ওর চোখের কোল বেয়ে জল গড়িয়ে নেমেছে মাটিতে। পাশেই মেঝেতে পড়ে-থাকা কাগজটাও হাওয়াতে তিরতির করে উড়ছিল। ইন্দ্র হাত বাড়িয়ে সেটা কুড়িয়ে নেয়। ছোট্ট একটা কাগজে লেখা কয়েকটা লাইন :

    অভিমন্যু মহাবীর, বন্দে দেবজন
    সহস্র হস্তীসম তার দৃঢ় সে মনন।
    সম্মুখে উপস্থিত এক অত্যন্ত অত্যয়
    নাহি জানে মুক্তিপথ, তবু মনে বরাভয়।
    প্রবেশিল চক্রব্যূহে তার শৌর্য দুর্নিবার
    শোনো বীরত্ব নহে, ইহা কহে বুদ্ধি অপ্রখর।

    নীচে একটা ছোট্ট আঁকা। তার পাশে তারিখ আর সময় লেখা। তারিখ আগামীকালের। আর সময় সন্ধ্যা সাতটা পনেরো। পাশের ছবিটা একঝলক দেখেই চিনতে পারল ইন্দ্র। ইন্ডিয়া গেটের ছবি। ইন্দ্ৰ কাগজটা মুড়িয়ে পকেটে রাখল। তারপর মেঝেতেই চোখ বুজে চুপচাপ শুয়ে থাকল।

    *

    ইন্ডিয়া গেট বিশাল বড় জায়গা নিয়ে। মূল স্থাপত্যটাই বিশাল, তাকে ঘিরে বিশাল মাঠ। সেখানে রীতিমতো মেলা বসে গিয়েছে। দুটো বাচ্চা দৌড়াদৌড়ি করছে, তাদের বাবা-মা মাঠে খবরের কাগজ পেতে বসে হালকা আড্ডায় মেতেছে। আরও অনেকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসে, দাঁড়িয়ে। টুকরো টুকরো গল্প অনাবিল হাসি, বাদাম ভাজার খোলা ভাঙার শব্দ, চিপসের প্যাকেটের খচম্য আওয়াজ। ইন্দ্র এসব থেকে বেশ কিছুটা দূরে একলা বসে। কানে ইয়ারফোন গোঁজা। বেশ কিছুক্ষণ আগে অব্দিও এদিক-ওদিক তাকিয়ে ঠাওর করার চেষ্টা চালাচ্ছিল যে, কে হতে পারে সেই সম্ভাব্য পত্রপ্রেরক। কারও হাবভাব বিন্দুমাত্র সন্দেহজনক ঠেকলেই খুব ভালো করে তার গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল। কিন্তু বলা বাহুল্য, এখনও অব্দি সে হতাশই হয়েছে। কবজি উলটে হাতঘড়ির ডায়ালে একবার চোখ বোলায় ইন্দ্র। প্রায় আটটা বাজে। নাহ্। সে লোক আর আসবে না। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়ায় ইন্দ্র। ইতিমধ্যে এক বাদামওয়ালা এসে তাকে বাদাম গছানোর তাল করছিল। দৃঢ়কণ্ঠে তাকে প্রত্যাখ্যান করে বেরিয়ে আসতে যাবে, ঠিক এমন সময়ে পিছন থেকে একটা ডাক শুনে ঘুরে দাঁড়াল। সেই বাদামওয়ালা! চোখের ইশারায় তাকে অনুসরণ করতে বলে সে সোজা হাঁটা লাগাল পিছনের দিকে। ইন্দ্র বেশ অবাক হয়ে গেল। কারণ এই লোকটাকে সে আসার পর থেকেই দেখছে। আশপাশের অনেককেই বাদাম বেচল, ইন্দ্রকেও আগে দু-বার বাদাম বিক্রি করার চেষ্টা করেছে, ইন্দ্র গুরুত্ব না দিয়ে হাতের ইশারায় প্রত্যাখ্যান করেছে।

    বেশ কিছুটা হেঁটে পিছনের দিকে এসে পৌঁছোল ওরা। একটা ছোট্ট পার্ক মতো, এখন অবশ্য প্রায় জনশূন্য। কিছুটা দূরে দূরে গাছের গুঁড়ির চারপাশ সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো। তাদের মধ্যে দু-একটির নীচে প্রেমিক-প্রেমিকা বসে প্রেমালাপ করছে। অস্পষ্ট গুঞ্জন ভেসে আসছে সেদিক থেকে। লোকটি কাঁধ থেকে ঝাঁকাটা নামিয়ে রেখে বেশ সশব্দে একটা নিশ্বাস ফেলে সেইরকমই একটা সিমেন্ট-বাঁধানো চাতালে মৌতাতি আমেজে পা তুলে হাঁটু মুড়ে বসল। পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে ধরাল, তারপর বাকি প্যাকেটটা ইন্দ্রর দিকে বাড়িয়ে ধরল। ইন্দ্র সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করায় লোকটা মুচকি হেসে বলল, “আমি কিন্তু জানি, আপনি স্মোক করেন না। তবু অফার করাটা দস্তুর তাই করলাম। বাজে জিনিস, মশাই। একদম বাজে জিনিস, খাবেন না।” কথা শেষ করে মাথা উঁচু করে ঠোঁটটা গোল করে শূন্যে ধোঁয়ার রিং ছাড়ার চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না। একঝলক দমকা বাতাস এসে ধোঁয়াটাকে ঘেঁটে দিয়ে চলে গেল। লোকটা একটু বিরক্তির সঙ্গে ‘ধুস!’ বলে উঠে দাঁড়াল। তারপর ইন্দ্রর দিকে তাকিয়ে খুব ক্যাজুয়াল বৈঠকি গলায় বলল, “তাহলে চলুন!”

    “কোথায়? আমি আর কোথাও…” ইন্দ্র কথা শেষ করতে পারে না—হঠাৎ একটা তীক্ষ্ণ শিসের মতো আওয়াজ কানে আসে ইন্দ্রর, সঙ্গে সঙ্গেই একটা ছোট্ট সুচালো কিছু এসে গেঁথে যায় তার বাহুতে। ব্যাপারটা বোঝার আগেই হঠাৎ চোখের পাতা ভারী হয়ে আসতে থাকে, এক-সমুদ্র ক্লান্তি এসে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে ইন্দ্রকে। ইন্দ্র ভারসাম্য হারিয়ে হাঁটু মুড়ে বসে পড়ে তারপর আস্তে আস্তে জ্ঞান হারায়।

    জ্ঞান ফেরার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশের পরিবেশ কেমন ধোঁয়া-ধোঁয়া লাগে ইন্দ্রর। বেশ কিছুটা সময় লাগে তার ধাতস্থ হতে। তারপর আস্তে আস্তে চোখের সামনে সম্পূর্ণ ঘরটা যেন একটু একটু করে স্পষ্ট হতে থাকে। সে বসে আছে একটা সোফার ওপর। ঘরটা প্রায় ফাঁকা। ইন্দ্র যে সোফায় বসে আছে, তার ঠিক মুখোমুখি একটা দরজা। দরজার ডানদিকে একটা ছোট্ট টেবিল, টেবিলের ওপর একটা হ্যারিকেন রাখা। সেই হ্যারিকেনের আবছা কালচে-হলুদ আলোয় তার নিজের ছায়া পিছনের দেওয়ালে এক বিশাল কালো অবয়ব তৈরি করেছে। হ্যারিকেনের আগুনের সরু শিখার মৃদু মৃদু কম্পন সেই কালো অবয়বের মধ্যে যেন প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছে। সেটাও ওই আলোকশিখার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মৃদু মৃদু দুলছে। ইন্দ্রর মুখোমুখি মোটা কাঠের দরজা। দরজার ডান পাশে আরেকটা কাঠের চেয়ার রাখা। মজবুত গড়ন, মোটা কাঠের হাতল। এতটা দূরে বসেও ইন্দ্র স্পষ্ট বুঝতে পারছে যে দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ। ততক্ষণে তার মনে পড়ে গিয়েছে যে সে অপহৃত হয়েছে, আর সেই ব্যাপারটা অনুধাবন করামাত্র তার সারা শরীর বেয়ে একটা ভয়ের শিহরন খেলে গেল। এক ঝটকায় সোফা থেকে উঠতে চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না। তার হাত-পা বাঁধা নেই বটে, কিন্তু শরীর যেন সায় দিচ্ছে না। একটা অদ্ভুত নেশার বাঁধনে যেন বন্দি হয়ে রয়েছে তার শরীর। মস্তিষ্কের নির্দেশ মানতে চাইছে না কিছুতেই। ইন্দ্ৰ বুঝল, সেই ইনজেকশনের মধ্যে দিয়ে তার ওপর কোনও মাদকদ্রব্য প্রয়োগ করা হয়েছে। আজ থেকে কয়েক মাস আগে হলে এই মুহূর্তে ইন্দ্র নিজের ওপর সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস হারিয়ে দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে যেত। কিন্তু অদ্ভুতভাবে ইন্দ্র আবিষ্কার করল যে, এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তার নার্ভ একদম ঠান্ডা রয়েছে। সে সোফা ছেড়ে আর ওঠার চেষ্টা করল না। চারপাশে চোখ বুলিয়ে ঘরটাকে ভালো করে দেখতে লাগল। সোফা, চেয়ার এবং দূরে ওই টেবিলের ওপর রাখা হ্যারিকেনটা ছাড়া ঘরে অন্য কোনও আসবাব নেই। ইন্দ্র মাথা ঘুরিয়ে সোফার পিছনের দেওয়ালটা দেখল। তার নেশা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। চোখের সামনে সবকিছু হঠাৎ হঠাৎ মৃদু দুলে উঠছে। মাঝে মাঝে চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছে। সে দু-হাতে চোখ কচলে দেওয়ালের গায়ে হাত বোলাতে লাগল। অসমান খসখসে দেওয়াল। দেওয়ালে প্লাস্টার করা হয়েছে, কিন্তু তার ওপর রঙের পরত চাপেনি। ইন্দ্রর ডান পাশের দেওয়ালে একটা বেশ বড় জানালা। জানালার পাল্লা বন্ধ। ইন্দ্র নিজের শরীরটাকে প্রায় টেনেহিঁচড়ে এগিয়ে নিয়ে চলল সেই জানালার কাছে। সে জানে, দরজা বাইরে থেকে শক্ত করে বন্ধ রয়েছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু ঘরের জানালা সাধারণত ভিতর থেকেই বন্ধ করার ব্যবস্থা থাকে। বাইরে থেকে বন্ধ করা যায় এমন জানালা সে অন্তত এখন অব্দি দেখেনি।

    জানালার সামনে পৌঁছে অন্ধকারে হাত বাড়িয়ে ছিটকিনি খোঁজার চেষ্টা করতে লাগল ইন্দ্র। সেটা হাতে ঠেকতেই এক ঝটকায় ছিটকিনিটা খুলে ফেলে জানলার পাল্লা ঠেলে খুলতে গিয়েও পারল না। সেটা যেন কিছুতে আটকে গেল। এতক্ষণে ব্যাপারটা বুঝতে পারল ইন্দ্র। জানালার পাল্লা দুটি বাইরে থেকে ছিটকিনি আটকানো না হলেও মোটা মোটা চ্যালা কাঠ ফ্রেমের সঙ্গে পেরেক দিয়ে আটকে বাইরে থেকে জানালাটা বন্ধ করে রাখা আছে। সেই কাঠের ফাঁক দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ইন্দ্র বুঝল, সে যেখানে বন্দি রয়েছে, সেই বাড়িটা একটা জঙ্গলের মধ্যে। সম্ভবত কোনও পাহাড়ি এলাকায়। বাইরে থেকে একটানা ঝিঁঝির ডাক ভেসে আসছে। ইন্দ্রর মাথার ঝিমঝিম ভাবটা এখন খানিকটা কমেছে। সে পায়ে পায়ে ফিরে গিয়ে আবার সেই সোফাতে বসে পড়ল। তার মাথায় এখন বয়ে চলেছে অজস্র চিন্তার স্রোত। সে যে সেই চিরকুটের নির্দেশমতো ইন্ডিয়া গেট-এর নীচে এসেছিল, সেটা টিমের বাকি কেউ জানে না। অর্থাৎ কোনওভাবেই তাদের পক্ষে তাকে উদ্ধার করতে আসার কোনও সম্ভাবনা নেই। ইন্দ্র এই মুহূর্তে অন্তত তার মুক্তির অন্য কোনও সম্ভাবনা দেখতে পায় না। হঠাৎ তার চিন্তার তার কেটে যায় উলটোদিকের দরজায় একটা খুটখুট শব্দে। দরজাটা বাইরে থেকে খোলা হচ্ছে। ইন্দ্র শরীরটাকে সোফার ওপর সম্পূর্ণ এলিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখে। দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করেন একজন ব্যক্তি। ইন্দ্রর চোখ বন্ধ তাই তাকে দেখার উপায় নেই, কিন্তু সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে যে, সেই ব্যক্তি সামান্য খুঁড়িয়ে খুড়িয়ে হাঁটছেন। পা-টাকে মেঝের সঙ্গে টেনে টেনে হাঁটায় জুতোর সঙ্গে মেঝের ঘর্ষণে একটা ঘ্যাসঘেঁসে শব্দ উঠছে। লোকটা দরজার পাশে রাখা সেই চেয়ারটাকে সশব্দে টেনে নিয়ে ইন্দ্রর সামনে বসে পড়েন। তারপর হঠাৎ হো হো করে হেসে উঠে বলেন, “আপনি চোখ খুলে সোজা হয়ে বসতে পারেন, ডঃ ইন্দ্র। ঘরের কোণে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো আছে, আপনার সমস্ত অ্যাকটিভিটির ওপর লক্ষ্য রাখা হচ্ছে পাশের ঘর থেকে।”

    ইন্দ্র নিজের ভুল বুঝতে পেরে চোখ খুলে পিঠ সোজা করে কিছুটা সামনের দিকে ঝুঁকে বসে। লোকটা ইংরেজিতেই কথা বলছেন। ইংরেজির উচ্চারণ ব্রিটিশ বা আমেরিকানদের মতো না হলেও কথার টানে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে তিনি ভারতীয় নন। লোকটা আবার হালকা চালে বলে ওঠেন, “আপনি নিশ্চয়ই আমাদের ওপর খুব রেগে আছেন। আপনাকে এভাবে নিয়ে আসা উচিত হয়নি, সেটা আমি মানছি, কিন্তু ট্রাস্ট মি, আপনার সঙ্গে একান্তে কথা বলা ভীষণ প্রয়োজন ছিল। তাই এইসব অকারণ হয়রানি পোহাতে হল আপনাকে। এজন্য আমি যারপরনাই লজ্জিত। যা-ই হোক, আমার নাম লিওনার্দো। আপনি চিন্তা করবেন না। আপনার সঙ্গে আমার কিছু জরুরি আলোচনা রয়েছে, সেগুলো শেষ হয়ে গেলেই আপনাকে আবার সসম্মানে দিল্লিতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আশা করি, আমাদের এই ধৃষ্টতা আপনি নিজ গুণে মাফ করে দেবেন।”

    লোকটার কথা অসম্ভবরকম মার্জিত, ভদ্র। কেটে কেটে থেমে থেমে কথা বলেন। যেন একটা বাক্য শেষ করার পর একটু সময় নিয়ে ভেবে নেন, পরের কথাটা ঠিক কী বলতে চলেছেন। ভদ্রলোক অসম্ভবরকম মোটা। পরনে টু-পিস স্যুট। হাতের দশ আঙুলেই আংটি। ঠোঁটের কোণে সবসময় এক টুকরো মুচকি হাসি। ইন্দ্র একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিল ভদ্রলোকের দিকে। বেশ কিছুক্ষণ দু-জনেই চুপচাপ। তারপর ইন্দ্রই মুখ খুলল, “আপনি আমায় কেন এভাবে ধরে এনেছেন, আমি জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি, আমি আপনার খুব একটা কাজে আসব না।”

    ইন্দ্রর কথা শুনে লোকটা হঠাৎ উচ্চস্বরে হেসে উঠলেন। বিশাল ভুঁড়ি দুলিয়ে বেশ কিছুক্ষণ হেসে হঠাৎ সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে ভীষণ গম্ভীর মুখে বললেন, “আসুন আমার সঙ্গে।”

    লোকটা চেয়ার ছেড়ে ধীরপায়ে উঠে গেলেন দরজার কাছে। দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করা ছিল, লোকটা ভিতর থেকে দরজায় মৃদু টোকা দিতেই দরজাটা খুলে গেল। লোকটা এবার মাথা ঘুরিয়ে ইন্দ্রর দিকে তাকালেন, তারপর চোখের ইশারায় তাকে অনুসরণ করার নির্দেশ দিলেন। ইন্দ্র নিজের সোফা ছেড়ে উঠে এল। লোকটা ঘর থেকে বেরিয়ে সামনের করিডর বরাবর হেঁটে চললেন বাড়ির মূল ফটকের দিকে। ইন্দ্র লোকটার পিছু পিছু বেরিয়ে এল ঘর থেকে। লম্বা করিডর, দুইপাশে আরও দুটো ঘর। দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আছে দু-জন ব্যক্তি। আপাদমস্তক কালো পোশাকে ঢাকা। মুখ ঢাকা কালো কাপড়ে। কোমরের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচু হয়ে আছে। লোকটা সোজা এগিয়ে গিয়ে সামনের দরজা খুলে বেরিয়ে এলেন বাইরে। দরজা খুলে কাঠের ব্যালকনি। সেখানে এসে দাঁড়াতেই অবাক হয়ে গেল ইন্দ্র। তারা যেন এক অদ্ভুত জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। বিশাল এক পাহাড়ের পাথুরে খাঁজে এই বাড়িটা বানানো। ব্যালকনি থেকে সরু পাথুরে রাস্তা নেমে গেছে পাহাড়ের গায়ে খাঁজ বরাবর। একপাশে খাড়া উঁচু পাথরের দেওয়াল, অন্যদিকে গভীর খাদ। লিওনার্দো ব্যালকনির কাঠের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে বুকভরে নিঃশ্বাস নিলেন। ইন্দ্র এগিয়ে এসে তার পাশে দাঁড়াল। রেলিঙের ওপারে তাকাতেই মাথাটা দুলে উঠল। কাঠের রেলিং আঁকড়ে ধরে ভারসাম্য বজায় রাখল ইন্দ্র। ব্যালকনির ঠিক নীচেই গভীর খাদ। এতটাই গভীর যে, তাদের কিছুটা নীচ থেকেই ঘন ধূসর কুয়াশা নীচের দৃশ্য যেন ঘেঁটে দিয়েছে। লিওনার্দো পায়ে পায়ে নেমে গেলেন কাঠের সিঁড়ি বেয়ে নীচের সরু বিপজ্জনক রাস্তায়। কয়েক মুহূর্ত ইতস্তত করে ইন্দ্রও নেমে এল নীচে। বেরোনোর আগে দরজার পাশে হেলান দিয়ে রাখা একটা লাঠি হাতে নিয়েছেন লিওনার্দো। সেটাতেই ভর দিয়ে আস্তে আস্তে হেঁটে যাচ্ছেন পাহাড়ের গা ঘেঁষে। প্রথম প্রথম ডানদিকে অতল খাদের দিকে চোখ পড়লেই শিউরে উঠছিল ইন্দ্র। এখন বেশ কিছুটা গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে। পাহাড়ের খাড়া দেওয়াল জুড়ে সবুজ জঙ্গল। কচি সবুজ ফার্ন, নাম-না-জানা অর্কিডে রংবেরঙের ফুল ফুটেছে। পাথরের খাঁজে খাঁজে শ্যাওলা জমেছে। ইন্দ্ৰ সন্তর্পণে পা ফেলছে। মাথার ওপর তাকিয়ে যেন আরও অবাক হয়ে গেল সে। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে উঁচু উঁচু গাছ মাথার ওপর ছাতার মতো বিস্তৃত। সেই গাছের পাতা থেকে টুপটাপ শিশিরবিন্দু ঝরে পড়ছে ইন্দ্রর কাঁধে, হাতে, মাথায়। দূর থেকে পাখির কিচিরমিচির ছাপিয়ে কর্কশ ময়ূরের ডাক ভেসে আসছে। ওদের মাথার ওপর গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে দিয়ে উড়ে চলেছে একজোড়া গ্রেটার ইন্ডিয়ান হর্নবিল। যেন চুপিসারে পিছু নিয়েছে তাদের।

    লিওনার্দো বেশ কিছুক্ষণ হেঁটে একটা উঁচু পাথরের সামনে এসে থামলেন। প্রকৃতির খেয়ালে একটা পাথর যেন ঢালু পাহাড়ের কোল বেয়ে গড়িয়ে পড়তে পড়তেও কোনও এক অজানা মন্ত্রবলে থমকে গিয়েছে। পাথরের ওপরটা চ্যাপটা, মসৃণ। লিওনার্দো পাথরের খাঁজে পা রেখে পাথরটার ওপরে উঠে দাঁড়ালেন। অত ভারী শরীর নিয়ে উঠতে গিয়ে একসময় প্রায় ভারসাম্য হারাচ্ছিলেন। ইন্দ্র অজান্তেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল, কিন্তু তার আর দরকার পড়ল না। তিনি হাতের লাঠিটা পাশে রেখে পাথরের শেষ প্রান্তে আরাম করে পা ঝুলিয়ে বসলেন। ইন্দ্রও ততক্ষণে উঠে এসেছে সেই পাথরের ওপর। সে-ও লিওনার্দোর পাশে পা ঝুলিয়ে বসে। ওর পায়ের নীচে অসীম শূন্য। কিন্তু ওর আর ভয় করছে না। এই পুরো সময়টা ওরা নিজেদের মধ্যে। একটাও কথা বলেনি। ইন্দ্র নিজে থেকে হয়তো কথা বলতও না। ওর কেমন যেন মনে হচ্ছে এই মায়াময় পরিবেশে ওরা অনাহূত অনুপ্রবেশকারী। মানুষের গলার আওয়াজ শুনলে হয়তো এই গাছ, দূরের ওই পাহাড়, মাথার ওপরের ওই হর্নবিল দুটো ভারী অসন্তুষ্ট হবে। ইন্দ্র মাথা উঁচু করে দু-হাতে ভর দিয়ে শরীরটাকে পাথরের গায়ে এলিয়ে দেয়।

    লিওনার্দোই প্রথম মৌনতা ভেঙে গম্ভীর গলায় প্রশ্ন করেন, “ডঃ ইন্দ্ৰ, আপনি নেসেসারি ইভিলে বিশ্বাস করেন?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত
    Next Article শব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }