Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প321 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভাড়াবাড়ির আত্মীয়রা – অর্পিতা সরকার

    ভাড়াবাড়ির আত্মীয়রা

    ফাল্গুনী সকালের নরম আলোর প্রথম রেখাটা এখন জানলার গ্রিলে এসে পড়েছে। কেমন একটা কুয়াশা কুয়াশা ঝাপশা আঁধার ছড়িয়ে আছে এখনও। শীত যেতে না যেতেই একটা উষ্ণ হাওয়ার আবেশ ছড়িয়ে পড়েছে। এই সময়টা সন্ধের দিকে গরম ভাব, আর ভোরের দিকে একটা হালকা ঢাকা পেলে আয়েশি ঘুমের সুবিধা হয় গোছের ব্যাপার হয়েছে। ভোরের দিকেই ঘুমটা ভেঙে গিয়েছিল অনামিকার, পাশেই সুদীপ্ত জড়সড় হয়ে শুয়ে আছে দেখে বেড কভারটা টেনে দিল ওর গায়ে।

    ভোরে ওঠা ওর নিত্যদিনের অভ্যাস হয়ে গেছে। সকলের আগে টাইমকলের নীচে একটা বালতি পেতে লাইন দেওয়াটা ছিল নিত্যকাজের একটা। তখন থেকেই এই সময় মাথার ভিতরের এলামটা সতর্ক ভাবে বেজে ওঠে।

    এপাশ ওপাশ করে আর লাভ নেই, নির্ঘুম চোখের ওপর জোর করে বন্ধ করে রাখার অত্যাচার আর না চালিয়ে উঠেই পড়ল অনামিকা।

    উঠোনের মাঝে বাঁধানো বকুল তলাটার নীচে কেউ একজন গুটিসুটি মেরে বসে আছে। এই বাড়িরই সদস্য নিশ্চয়।

    শিবু জ্যেঠু বোধহয়। বয়স্ক মানুষদের নিদ্রাবিহীন রাতগুলো বড় অত্যাচার করে। তাই ভোর না হতেই দম বন্ধ করা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে মুক্ত হাওয়ায়, বোঝার চেষ্টা করে সত্যিই সকাল হয়েছে কিনা?

    পাশের ঘর থেকে একটা মৃদু কান্নার রেশ কানে এল?

    তবে কি আশা কাকিমা চলে গেলেন?

    তিনদিন ধরে শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল কাকিমার। অনামিকাকে কাছে ডেকে বলেছিলেন, কি রে মেয়ে তোদের যাবার আগেই বোধহয় আমি এ বাড়ি ছাড়ব। ভিতরটা কঁকিয়ে উঠেছিল অনামিকার, ওদের নতুন ফ্ল্যাটে উঠে যাওয়া আর কাকিমার চলে যাওয়ার মধ্যে যে বিস্তর ফারাক! বয়েস হয়েছিল ঠিকই, তবে মৃত্যুর তো সঠিক বয়েস নেই, তাই মনে হয় আর দুটোদিন কি গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া যেত না?

    দরজাটা খুলে পাশের ঘরের দিকে যেতেই চোখে পড়ল, আশা কাকিমা একটা সাদা চাদরে শুয়ে আছেন, হয়তো প্রতিটি পল গুনছেন প্রাণবায়ু বেরোনোর অপেক্ষায়।

    প্রতিবেশী হলেও একটা ঢেউ ওঠেই। অনামিকারও মনে পড়ল, ওর দোপাটি গাছগুলোতে মাঝে মাঝে আশা কাকিমা জল দিয়ে দিতেন, আবার ফুলের সময় সাদা দোপাটি তুলতেন কৃষ্ণ পুজোর জন্য।

    আজ আবার সুদীপ্তর সাথে যেতে হবে নতুন ফ্ল্যাটে। প্রথমদিন তো ঝাঁ চকচকে নতুন ফ্ল্যাটে পা দিয়েই চমকে উঠেছিল অনামিকা। সুদীপ্ত ওকে না জানিয়েই এত বড় ফ্ল্যাট পছন্দ করেছে! ওকে তো শুধু বলেছিল একটা ফ্ল্যাট বুক করেছে। সেটা এত বড়! ইন্টিরিয়ার ডেকোরেশনের লোকও হাজির, শুধু অনামিকার নির্দেশের অপেক্ষা। সুদীপ্ত এখন আইটি সেক্টরের যন্ত্রমানব। তার সব কিছুই নিখুঁত চাই। অনামিকা পরদা, সিলিং, কর্নার ডেকোরেশন সমস্ত কিছুর একটা মোটামুটি স্কেচ করে দিয়েছিল, এবার তো ওদের হাতে। ”টাকার জন্য চিন্তা করবেন না, শুধু মনের মতো করে সাজিয়ে তুলুন।” বলেছিল সুদীপ্ত।

    স্যুটের কাপড় থেকে পায়ের স্যু পর্যন্ত এখন অহংকারে পরিপূর্ণ সুদীপ্তর। অবশ্য নিজের স্বামীর এই উন্নতি অনামিকার কাছেও যথেষ্ট গর্বের। তবে মাটির সাথে সম্পর্কবিহীন ওই ছ-তলার ফ্ল্যাটটা যেন হাওয়ায় ভাসমান। শিকড় ছাড়া বাড়ি, যেখানে ধরে রাখার টান নেই। অনামিকার এই ভাবনা সুদীপ্তর বিরক্তির কারণ। আজ বোধহয় কোথায় কী ফার্নিচার থাকবে তার আলোচনা হবে। নিজের এত বড়ো ফ্ল্যাট হচ্ছে জেনেও কেন যে অনামিকার মনে স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ নেই, সেটার কারণ হয়তো ওর নিজেরও অজানা।

    সুদীপ্ত ব্রাশ করছে, অনামিকার দিকে তাকিয়ে বলল, একটু তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাও, প্রথমে ফার্নিচারের দোকানে যাব তারপর ফ্ল্যাটে। দুপুরে বাইরে কোথাও একটা লাঞ্চ করে নিলেই চলবে।

    অনামিকা আশা কাকিমার কথাটা বলতেই সুদীপ্ত বলল, ভদ্রমহিলা যে ভাবে কষ্ট পাচ্ছিলেন তাতে বেঁচে থাকাটাই শাস্তি।

    কী সহজ হয় এদের উত্তরগুলো, জন্ম-মৃত্যুর রহস্যগুলোর সমাধানও যেন জলের মতোই সোজা। এদের স্মৃতিতে ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে আশা কাকিমার হাতের কচুর শাকের স্বাদ ম্লান হয়ে যায় সহজেই।

    শুধু অনামিকার স্মৃতির পাতাগুলোতেই ধুলো জমে না বা লালচে হয়ে জ্বলে যায় না।

    মৃত্যুপথযাত্রিনীকে পিছনে ফেলে অনামিকা আর সুদীপ্ত এগিয়ে গেল ওদের নতুন আশ্রয়ের ঠিকানায়।

    অন্যমনস্ক অনামিকা বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের জন্য, আরামদায়ক, সুবিধাজনক সমস্ত নামী দামি ফার্নিচার পছন্দ করল।

    সুদীপ্ত ফ্ল্যাটের দরজার সামনে উত্তেজিত হয়ে বলল, অনু আমাদের নিজেদের গেটের সামনে থাকবে একটা নেমপ্লেট তাতে আমাদের দুজনেরই নাম থাকবে। ক্লান্ত হাসি হেসে সম্মতি জানাল অনামিকা। ভাগের কলতলা, বারোয়ারি উঠোন, সার্বজনীন ডাকবক্স— কোনোটাই আর প্রয়োজন হবে না।

    বাড়ি ফিরতে প্রায় ঘণ্টা তিনেক লেগে গেল। গলির মোড়ে ওরা ট্যাক্সি থেকে নেমে পড়ল। এই ব্যানার্জী লেনের বাড়িটার গলিতে গাড়ি ঢোকে না বলে প্রায় প্রতিনিয়তই অসন্তুষ্ট হয় সুদীপ্ত।

    বাড়িতে ঢুকেই নিজের নয়নতারার চারাগুলোতে জলসিঞ্চনের কাজে লেগে পড়ল অনামিকা। আহা রে! মাটিটা শুকিয়ে গেছে। সামান্য জলটুকুও যদি না পায় তাহলে ফুল দেবে কী করে।

    নিজের মনেই ভাবতে লাগল ও। ফ্ল্যাটের কর্নারে বেশ কিছু ক্যাকটাস আর অর্কিড লাগাবেন বলেছিলেন ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনের লোকেরা।

    নিশ্চয় তাদের জল লাগে না, তারা নিশ্চয় সুদীপ্তর মতোই পাথুরে। ফুলের ভারে তারা গর্ভবতীর মতো নুয়েও পরবে না।

    অনামিকার মন অভিমানে পরিপূর্ণ… একটা কি উঠোনওয়ালা ছোট্ট বাড়ি কিনতে পারল না সুদীপ্ত! যেখানে বৃষ্টি পড়লে সোঁদা মাটির গন্ধ পাওয়া যাবে। ওই আকাশচুম্বি ফ্ল্যাটের কী খুব দরকার ছিল!

    বাড়ি থেকে পালিয়ে যখন সুদীপ্তকে বিয়েটা করেছিল, তখন সুদীপ্তর এক মামা এই ভাড়া বাড়িটা দেখে দিয়েছিল ওদের জন্য। সুদীপ্তর বাবা আগেই গত হয়েছিলেন। দুই দাদার সংসারে ওর মা থাকতেন। সেখানে অনামিকাকে দুই জা মোটেই মেনে নেয়নি। তখন থেকেই এই বারোয়ারির কলতলায় ঠেলা ঠেলি করে জল নিয়ে অনামিকার ছোট্ট পুতুল পুতুল অনভিজ্ঞ সংসার চলতে শুরুর করেছিল। তখন সুদীপ্ত ছোট্ট একটা চাকরি করত। তাই এর থেকে আর বেশি সামর্থ ছিল না ওর।

    সুদীপ্তকে বিয়ে করে একটা অনিশ্চয়তার পথে পাড়ি জমাতে সেদিন ভয় করেনি অনামিকার। মনে হয়েছিল ওর ভীষণ চেনা মানুষটা তো আছে ওর সাথেই। অনামিকাকে সেদিন অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী বন্ধুবান্ধব বলেছিল, ভবিষ্যৎ না ভেবে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ওর জীবনের চূড়ান্ত ভুল হতে চলেছে। অনামিকা বিশ্বাস করত, সুদীপ্ত পারবেই নিজেকে প্রমাণ করতে। সেদিন শুধু নিজের স্বচ্ছল জীবনের আকাঙ্ক্ষাটাই মূল্যবান ছিল না ওর কাছে, গুরুত্বপূর্ণ ছিল ওদের ভালোবাসাকে পরিণতি দেওয়া। অনেক যুদ্ধের শেষে রাত্রির ঘন অন্ধকার কেটে গিয়ে প্রকৃতির চিরাচরিত নিয়মের মতোই আবছা হলেও আলো এসেছিল ওদের জীবনে। আর সেই আবছা আলোটুকু তখন বহন করে এনেছিল, এই ভাড়াবাড়ির এককুঠুরী ঘরটাই।

    ওদের বিয়ে হয়েছে প্রায় তিন বছর। গতবছর অনামিকা নিজের গর্ভে নতুনের আগমন বার্তাও শুনেছিল কিন্তু সুদীপ্ত তখন বাবা হতে চায়নি। এই নিম্ন মধ্যবিত্তের ভাড়ার বাড়িতে নাকি তার সন্তান আসবে না। তাতে নাকি বাবা হিসাবে সুদীপ্তর অক্ষমতা প্রকাশ পাবে। তারও অবুঝ মন কাঁদছে, মাকে চাক্ষুস না দেখতে পেয়ে। আবার ফিরে আসবার প্রতিশ্রুতি পেয়ে সে বিদায় নিয়েছিল ভ্রূণেতেই।

    অনেক টাকা রোজগারের চেষ্টায় কবে যে সুদীপ্ত যন্ত্রমানবে পরিণত হয়ে গেল, অনামিকা বুঝতেও পারল না। হয়তো সুদীপ্ত শুধুমাত্র অনামিকাকেই সাচ্ছন্দ্য দেবার চেষ্টা চালায় প্রতিনিয়ত। অনামিকার আত্মীয়দের কাছে জামাই হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ে সুদীপ্ত নিমগ্ন, কিন্তু ওর তো পলেস্তরা খসা, দিনের বেলাতেও লাইট জ্বেলে রাখা ঘরটাকেই নিজের মনে হয়। এখানে নুন, চিনির কৌটোগুলো, সিঁড়ির নীচের রান্না ঘরটাকে ওর বড় আপন মনে হয়। নিজের হাতে বসানো দোপাটি, জবা গাছগুলোকে আত্মীয় মনে হয়। এদের ছেড়ে যেতে হবে ভেবেই মনের ভিতরটা গুমরে ওঠে অনামিকার।

    জিনিসপত্র প্যাকিং শুরু হয়ে গেছে অনামিকার। পাশের ঘরে বউদিরা যারা প্রায় আট-দশ বছর ওই ভাড়া বাড়িতেই কাটিয়ে দিল জীবন, তারা অনামিকার ভাগ্যকে হয়তো ঈর্ষা করছে। কিন্তু বিয়ের পর এই ভাঙা উঠোনই যেন ওকে বউ রূপে বরণ করেছিল, নাই বা ছিল আলতা চোবানো পা। তবুও বউ হয়ে প্রথম পদচিহ্ন রেখেছিল এই উঠোনটায়। এই ছোট্ট রান্নাঘরই ওকে দিয়েছিল, ঘরণীর অধিকার। আজ এদেরকে কী এক নিমেষে ভুলে যেতে বসেছে অনামিকা! ভিতরের ঘুণপোকার দংশনের আওয়াজটা যন্ত্রণাদায়ক। কাউকে হয়তো বোঝানোও সম্ভব নয়, পুরোনো বট গাছ কেটে দিলেও কেন তার শিকড়টা সেই মাটির অন্তরেই থেকে যায়।

    ওই আল্ট্রামর্ডান ফ্ল্যাট দেখে আসার পরও কেন এই গলির বাড়িটার জন্য অনামিকার মন হু হু করছে!

    কাল থেকে ওই বল্টুর মা আর বলবে না, ”অনামিকা তোমার কাছে তেজপাতা আছে গো? দুটো দাও না আমাকে!” অনামিকা কয়েত বেলের আচার মেখে ওই উঠোনের এক কোণে শুকোতে দেবে না যেটা থেকে পাশের ঘরে রঞ্জু চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে বলবে, ”কাকিমা একটু খেলাম, দারুণ মেখেছ। আমাদের স্কুলের সামনে এত ভালো মাখে না তো!”

    হয়তো শিবানী বউদি তিনটে বাড়ির পরের রায়েদের বাড়ির কর্তা গিন্নির ঝগড়া রসিয়ে বলতেও আসবে না আর অনুর কাছে।

    কাজের মেয়ে শিউলি, মুখ ঝামটা দিয়ে বলবে না, এই এবড়োখেবড়ো উঠোনে বাসন মাজা যায় না বাপু, আর কোনোদিন ওই শ্যাওলা ধরা কলতলাতেও পড়ে হাত-পা ভাঙবে, কাল থেকে লোক দেখে নিও, আর কাজ করতে পারবুনি।

    শিবু জ্যেঠু আর বলবে না, খবরের কাগজের এই ছোট্ট ছোট্ট লেখার পাতাটা একটু পড়ে দেবে, এত ছোট লেখা নজর হয় না।

    বৃষ্টির দিনে রাতুল কাগজের নৌকা বানিয়ে জল জমে যাওয়া উঠোনে ভাসানোর জন্য আর বায়নাও তো করবে না।

    অনামিকার আজও মনে আছে, এই বাড়ির রেলিংবিহীন খোলা সিঁড়ি দিয়ে ও, শিবানী বউদি আর বল্টুর মা তিনজনে চিলেকোঠার ঘরের জানলায় চোখ রেখেছিল, পাশের বাড়ির নতুন বর-বউয়ের কথা শুনবে বলে। আর যেদিন প্রথম অনামিকা সয়াবিন আলুর ঝোল রান্না করতে গিয়ে পুড়িয়ে ফেলে মন খারাপ করে বসেছিল, সেদিন আশা কাকিমা ওদের ঘর থেকে ফুলকপির তরকারি দিয়ে গেছিস লুকিয়ে লুকিয়ে। সুদীপ্ত জানতেও পারেনি অনামিকা রান্না করতেই পারে না। এদের কাছ থেকেই অনভিজ্ঞ অনামিকা প্রতিদিন একটু একটু করে সংগ্রহ করেছে সব টুকিটাকি।

    যখন সুদীপ্ত তিন দিনের জন্য টাটায় চলে গিয়েছিল ট্যুরে, তখন তো ভূতের ভয়ে নতুন বাড়িতে ঘুমুতেই ভয় করত অনামিকার। শিবানী বউদির একটাই শর্ত ছিল রাতে অনামিকার কাছে শুতে পারে, কিন্তু অনেক রাত পর্যন্ত গল্প করতে হবে।

    এই চৌকি টাইপের খাটটা যেটা সুদীপ্তর নতুন ফ্ল্যাটে বেমানান বলে বেচে দিচ্ছে সুদীপ্ত… সেটাতেই ওদের পালিয়ে বিয়ের ফুলশয্যা হয়েছিল।

    প্রথম সুদীপ্তর স্পর্শে অনামিকা মেয়ে থেকে স্ত্রী হয়ে উঠেছিল।

    শুধু ঘরের রংচটা সিলিংটা সব জানে। বাবা-মায়ের জন্য রোজ মনখারাপের নোনতা জলে ভিজে যেতে যেতে এই বালিশটাই ওকে সান্ত্বনা দিত, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। এই পরম আত্মীয়দের ছেড়ে অনামিকা কি পারবে ওই কংক্রিটের জঙ্গলে আবার নিজের সংসার গোছাতে! পারবে হয়তো! কারণ মেয়েরা তো জলের মতো।

    বিয়ের পর এমন একটা ভাড়া বাড়িতে নিম্নমধ্যবিত্তের মতো থাকে বলে, প্রায় কোনো আত্মীয়ই ওর সাথে সহজ ভাবে সম্পর্ক রাখেনি, তা সত্ত্বেও কখনো একা মনে হয়নি ও নিজেকে। গ্রীষ্মের সন্ধেতে দড়ির ক্যাম খাটে ওরা বসত মশলামুড়ি মেখে। কখনো অনু খালি গলায় গাইত, রুমকি নাচতে শুরু করত হাত পা ঘুরিয়ে। হাজার অভাব অভিযোগের মধ্যেও কোথায় একটা আত্মার টান ছিল, সম্পূর্ণ অপরিচিত অন্য জায়গা থেকে আসা মানুষগুলোর মধ্যে। সুদীপ্ত এগুলোর কিছুই জানে না, বরঞ্চ ওদের সাথে বেশি মিশলে ও বিরক্ত হত।

    ভোরবেলা উঠে টাইমকলে প্রথম বালতি রাখতে পারার উত্তেজনাটাই ছিল আলাদা, ভুটান বাম্পার লটারিতে প্রাইজ জেতার মতো।

    তারপর বাড়িওয়ালার গাছে ঝড়ের দিনে লুকিয়ে আম কুড়োনো তো ছিলই।

    এসব ভাবতে ভাবতেই সন্ধ্যা নেমেছে। আজ আর ভাড়াবাড়ির তুলসী তলায় প্রদীপ জ্বলেনি। আশা কাকিমা চলে গেছেন বলে অপেক্ষায় রয়েছে এ বাড়ির সমস্ত অনাত্মীয়েরা।

    এই অনাত্মীয়েরাই একদিন অনামিকাকে একাকীত্বের জ্বালা অনুভব করতে দেয়নি।

    হয়তো এই অনামিকাই ওই ফ্ল্যাটের গৃহপ্রবেশে সকলকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নিজের ঐশ্বর্য দেখাতে ব্যস্ত থাকবে। তখন নিশ্চয় মনেই থাকবে না বিপদের দিনে আশ্রয় দেওয়া এই ভাড়ার বাড়িটাকে। কারণ সে তো নিজের নয়, সে সমস্তটুকু দিয়ে আপন করে নিলেও কখনো অধিকার ফলাতে পারে না… বলতে পারে না ”এখানেই থেকে যাও, আমাকে ফাঁকা করে যেও না।” সময়ের ব্যবধানে সেও তখন আবার নতুন গলার স্বর শোনার জন্য প্রস্তুত হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }