Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প321 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হিসেব না মেলা অঙ্ক – অর্পিতা সরকার

    হিসেব না মেলা অঙ্ক

    মা শুনেছো আল্পনা কাকিমা তো মারা গেছে। আমি কলেজ থেকে ফেরার পথে শুনে এলাম। আমায় অনুপমদা বললো। ওরা বোধহয় কাল রাতে বুকে ব্যথা ওঠায় নার্সিং হোমে নিয়ে গিয়েছিল, স্ট্রোক নাকি কে জানে? মা অনুপমদা এখন কোথায় খাবে?

    হাতের কাজ সারতে সারতে রেবতী বলল, তুই হাত মুখ ধুয়ে খেতে বস টুয়া। আল্পনাকে এনেছে নাকি বাড়িতে?

    অনুপমের ওপরে সব দায়িত্ব পড়বে। তোর থেকে বছর খানেকের তো বড়। কথাটা বলতে বলতেই রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে গেলো রেবতী। সারাটা জীবন মানুষের মৃত্যু স্বচক্ষে দেখতে দেখতে ইদানীং আর অবাক হয় না। ওটির নার্স হওয়ার সুবাদে জন্ম আর মৃত্যুকে পাল্লা দিয়ে উপভোগ করার সুযোগ দিয়েছেন ভগবান। তাই জন্মের সময় যেমন সদ্যজাতের চিল-চিৎকারের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চারে নরম হাসি ফোটে ঠোঁটে তেমনই অনেকক্ষণ লড়াই করার পরে যখন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের দৃশ্যটা দেখে রেবতী তখন দীর্ঘশ্বাস ছাড়া ইদানীং আর কিছুই হয় না। হত এককালে। যখন মাত্র চব্বিশ বছরে হসপিটালে ঢুকেছিল নার্স হিসাবে তখন কারোর মৃত্যু দেখলেই কেঁদে ফেলত ও। মনের মতো চোখের ভিতরের শিরাগুলোও তখন ছিল বড্ড স্পর্শকাতর।

    টুয়া খেতে খেতেই বলল, জানো মা সুদীপকাকু পরশু রাতেও মদ খেয়ে এসে চেঁচাচ্ছিলো। আল্পনা কাকিমা তাড়াতাড়ি ওদের বাড়ির দরজা-জানালাগুলো বন্ধ করতে ব্যস্ত ছিল। যাতে বাইরে আওয়াজ না বেরোয়। কেন মা? আল্পনা কাকিমা এত কষ্ট সহ্য করেছিল?

    সুদীপকাকুর অসভ্যতামি লোককে লুকিয়ে কী লাভ হত? রেবতী মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, নিজের ঘরের আওয়াজ অনেকে বাড়ির বাইরে চর্চা করতে পছন্দ করে না রে। সবাই তো আর পা ছড়িয়ে নিজের দুর্দশার কথা লোককে বলে বেড়াতে পারে না! আল্পনাও চায় না, পাড়ার লোক ওদের অভাবের সঙ্গে সঙ্গে অভাবের কারণটাও জানুক। টুয়া বলল, মা আল্পনা কাকিমার সেলাই করে রোজগার করা সব টাকায় সুদীপকাকু মদ খেত জানো?

    রেবতী কাজ সারতে সারতে বলল, জানি। আল্পনা মরেছে বেঁচে গেছে। কিছু কিছু জীবন বয়ে চলা বড্ড কষ্টকর। মুক্তি পেয়েছে।

    সন্ধের দিকে সৈকত অফিস থেকে বাড়ি ফিরতেই রেবতী বলল, সুদীপ মিস্ত্রির স্ত্রী মারা গেছে জানো তো?

    সৈকত ক্লান্ত স্বরে বলল, হ্যাঁ শুনলাম অনুপমের মা মারা গেছে। ওদের বাড়ির সামনে জটলা রয়েছে।

    রেবতী বলল, তুমি খেয়ে রেস্ট নিয়ে নাও। যাবে তো শ্মশানে নাকি?

    সৈকত একটু ইতস্তত করে বলল, আমি? আমি কেন যাব? আমার শরীরটা আজ ভালো লাগছে না। তাই শ্মশানে যাব না ভাবছি। অনুপমের বন্ধুরা, পাড়ার ছেলেরা সব এসেছে তো।

    রেবতী ফোনে কাউকে বলছিল, নীলিমা আজ নাইট ডিউটিটা একটু ম্যানেজ করে নেবে গো? আজ আমার পাড়ায় একটা মিস হ্যাপ ঘটেছে। তাই যেতে পারব না ডিউটিতে।

    সৈকত নিজের মনেই হাসল। মনে পড়ে গেলো আগেকার একটা কথা। যখন এই রেবতীই সৈকতকে বলেছিল আল্পনাদের গলির রাস্তাটা না ধরে ও যেন প্রাইমারি স্কুলের পাশের রাস্তাটা ধরে যায়।

    আজ প্রায় ছাব্বিশ বছর ধরে আল্পনাদের বাড়ির সামনের রাস্তাটা ধরে যায় না সৈকত। হাজার তাড়াহুড়ো থাকলেও নয়।

    আজ মোড়ের মাথায় আসতেই চায়ের দোকানের শিবু জানালো, দাদা তোমাদের পাড়ার সুদীপ মিস্ত্রির বউটা মারা গেছে তো দুপুর বেলা। নার্সিং হোমে না হসপিটালে জানি না। তবে শুনলাম সুদীপ মানে ওর মাতাল বরটা নাকি খুব কাঁদছিল। সৈকত শুধু অস্ফুটে বলেছিল, ওর নাম আল্পনা, আল্পনা শীল।

    আজ প্রায় ছাব্বিশ বছর পরে আল্পনাদের বাড়ির গেটের সামনে একটুখানি দাঁড়িয়ে ছিলো সৈকত। ভিতরে ঢোকেনি অবশ্য।

    রেবতী বিয়ের চারমাসের মধ্যেই বলেছিল, সৈকত আমার একটা কথা তোমায় রাখতে হবে। আমি তোমার মায়ের দেখাশোনা করি। তোমার সবকিছু করে দিই, এর বিনিময়েই ধরো একটা কথা তোমায় রাখতে হবে। আরেঞ্জড ম্যারেজ হলেও সৈকত এই কয়েকমাসে বেশ বুঝেছিল রেবতী অত্যন্ত শান্ত ভদ্র মেয়ে। চাঁদ চাইবে না এটুকু বুঝেই নির্দ্বিধায় কথা দিয়েছিল, হ্যাঁ রাখব।

    রেবতী সুন্দরী শিক্ষিতা, চাকুরিরতা মেয়ে। অত্যন্ত শিক্ষিত পরিবেশে বড় হয়েছে। কথা বলার ভঙ্গিমাটিও দৃষ্টি আকর্ষণ করে। রেবতী দৃঢ় অথচ অনুনয়ের ভঙ্গিমায় বলেছিল, তুমি সুদীপ মিস্ত্রীদের বাড়ির সামনের রাস্তাটা দিয়ে অফিস যেও না আজ থেকে। প্রাইমারি স্কুলের সামনে রাস্তা দিয়ে স্টেশন চলে যেও। হয়তো মিনিট দুয়েক ঘুর পথ হবে। সে হোক, ওখান দিয়েই যেও।

    সৈকত অবাক হয়ে বলেছিল, কারণটা জানতে পারি?

    রেবতী অন্যমনস্ক গলায় বলেছিল, শুনেছি ওর স্ত্রী নাকি দুশ্চরিত্রা। আল্পনার নাকি স্বভাব খারাপ। আমি চাই না, তুমি ওদের বাড়ির সামনে দিয়ে যাও। সৈকত নিজেকে সামলে নিয়ে বলেছিল, আমার স্বভাব তো খারাপ নয় রেবতী, তাহলে?

    রেবতী হেসে বলেছিল, তুমি কথা দিয়েছিলে রাখবে। যদি না রাখো তাহলে জোর করব না। নিঃশব্দে ঘর ছেড়েছিল রেবতী। আর কখনো কিছু বলেনি, এদিকে সৈকতও রেবতীর কথা মতো নিজের রাস্তা পাল্টে নিয়েছিল।

    আল্পনার ছেলে হয়েছে শুনেছিল রেবতীর মুখেই। টুয়ার থেকে বছর খানেকের বড় হবে অনুপম। ছেলেটাকে মাঝে মাঝে রাস্তার মোড়ে দেখেওছে সুদীপের সঙ্গে।

    সুদীপের হাতের কাঠের কাজ দেখার মতো। মোড়ের মাথায় চালু দোকান ছিল ফার্নিচারের। বিয়ের অর্ডার পেত খুব। সুদীপ এমনিতে ছেলে খারাপ ছিল না, কিন্তু অল্প বয়েস থেকে মদের নেশায় পড়ে টাকাপয়সা পকেটে টিকত না মোটেও। দিনে কাজ করে ইনকাম করত হাজার দুয়েক, তো রাতে শেষ করত পাঁচ হাজার।

    ছেলেটার মুখটা আল্পনা বসানো ছিল। ছেলেটা লেখাপড়াতেও খুব ভালো শুনেছে লোকমুখে।

    সৈকতের মা যতদিন বেঁচেছিল ততদিন পর্যন্ত এ বাড়ির সমস্ত কিছু মায়ের নির্দেশ মতোই হত।

    রেবতীকে হসপিটাল থেকে ফিরে শুধু স্নান করলেই চলত না, গায়ে গঙ্গাজল ছেটাতে হত। নাহলেই মা অশান্তির চূড়ান্ত করত।

    নিচু জাত, ছোঁয়াছুঁয়ির বিচার ছিল মায়ের মারাত্মক। মা মারা যেতে সংসারের হাল ধরেছিল রেবতী। তখন টুয়ার বয়েস বছর ছয়েক।

    তখনই একদিন অফিস বেরোনোর আগে দেখেছিল, টুয়া আর অনুপম ওদের উঠোনে ব্যাডমিন্টন নিয়ে খেলছে। আর রেবতী রান্নাঘর থেকে হাঁক পাড়ছে, তোদের দুটোকে কী কান ধরে টেনে আনতে হবে …নাকি এসে জলখাবার খাবি?

    আল্পনার বাড়ির রাস্তায় যাওয়া নিষেধ ছিল সৈকতের অথচ আল্পনার ছেলেকে এবাড়িতে ডেকে ব্রেকফাস্ট খাওয়ায় রেবতী? অদ্ভুত তো। রেবতী অবশ্য সত্যিই বড্ড অদ্ভুত। ওর মুখ দেখে আজ অবধি মনের গভীরের তল খুঁজে পেল না সৈকত। এক সঙ্গে ছাব্বিশ বছর একই ছাদের নীচে কাটিয়েও ঠিক চিনতে পারল না রেবতীকে।

    অনুপম ছেলেটিকে সৈকতের বেশ ভালো লাগত। বাবার মতো রগ চটা নয়। অত্যন্ত ভদ্র, মিশুকে ছেলে। পাড়ার কারোর কিছু প্রয়োজনে দাঁড়াতেও দেখেছে অনুপমকে। পড়াশোনাতেও খুব ভালো। বাবার ওই চিৎকার চেঁচামেচির মাঝেই এত ভালো রেজাল্ট করেছে দেখে সত্যিই অবাক হয়েছিল সৈকত। রেবতী যদি কিছু ভাবে বলেই খুব ইচ্ছে থাকলেও অনুপমের হাতে কখনো একশো টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলতে পারেনি, মিষ্টি খেও। আবার যদি রেবতী ভাবে আল্পনার ছেলের সঙ্গে অত গল্প করার দরকার নেই, বড্ড মানে লাগবে সৈকতের। তাই ওই কখনো মুখোমুখি হলে, পড়াশোনা কেমন চলছে… এর বাইরে কিছু বলা হয়ে ওঠেনি। চোখের সামনে অনুপমকে অভাব অনটন আর নোংরা পরিবেশের মধ্যেই বড় হতে দেখল সৈকত। টুয়ার সঙ্গে সেই ছোটবেলা থেকে বন্ধুত্ব বলেই হয়তো টুয়া এখনও ওকে দরকারে অদরকারে ডাকে। কিন্তু দুজনেই আর ছোট নেই। টুয়ার কলেজের সেকেন্ড ইয়ার, অনুপমও থার্ড ইয়ারে পড়ে। এখনও কেন মাঝে মাঝেই অনুপমকে এ বাড়ি থেকে বেরোতে দেখে সৈকত কে জানে! রেবতীকে একদিন নিজের আশঙ্কার কথা বলেছিল সৈকত, মেয়েটা তো বড় হচ্ছে? পাড়া প্রতিবেশী আবার কিছু যদি বলে?

    রেবতী অজানার ভান করে বলেছিল ঠিক কী বিষয়ে বলত? অনুপম আর টুয়ার মেশা নিয়ে? ওরা তো ছোট থেকে বন্ধু। আজ আবার নতুন করে লোকে কী দেখবে? না পাত্তা দেয়নি সৈকতের কথায়। সৈকত মনে মনে ভেবেছিল, তাহলে ওই বাড়ির সামনে দিয়ে যেতে বারণ করে অপমান শুধু ওকেই করেছে রেবতী!

    যদিও এই নিয়ে কথা বলা হয়নি কখনো সৈকতের। এরমধ্যে কারণ একটা অবশ্যই আছে। সেটা অবশ্য রেবতীর জানার কথা নয়।

    ইজি চেয়ারে বসে বাঁশিটাতে একবার হাত বোলাল সৈকত। বাজানো হয় না বহুদিন। রেবতী বিয়ের পর উৎসাহের সঙ্গেই বলেছিল, তুমি বাজাতে পারো? তাহলে বাজাও না কেন? বাজাও আমি শুনব। না ইচ্ছে করেনি সৈকতের। বাঁশি বাজানোর অনুপ্রেরণা রেবতী কোনোদিনই হতে পারেনি হয়তো। অথবা সৈকতেরই আর সুর তুলতে ইচ্ছে করেনি। কিছু জিনিস ছেড়ে দেওয়ার মধ্যে কষ্টর সঙ্গে সঙ্গে অন্য একটা তৃপ্তিও কাজ করে। মনে হয় থাকুক না। ঠিক যেমন মা মারা যাবার পরে বারো দিন হবিশ্যি করেছিল। কোনো আমিষ খাবার খায়নি সৈকত। আমিষ ছাড়া যার মুখে ভাত ওঠে না সেই সৈকতের একদিনের জন্যও মাছ-মাংস খেতে ইচ্ছে করেনি। বারবার মনে হচ্ছিল, মাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এটুকু ত্যাগ স্বীকার করার মধ্যে অনেকটা তৃপ্তি লুকিয়ে থাকে।

    মনে হয় মানুষটা তো অনেক করেছে একদিন আমার জন্য, সে চলে যাবার পরে এটুকু নাহয় করলাম তার জন্য। বাঁশিটাও কী এমনই একটা ত্যাগ সৈকতের কাছে?

    রেবতীর গলা শোনা যাচ্ছে। টুয়া, ছুটে গিয়ে একবার অনুপমকে ডেকে নিয়ে আয় তো। না খেয়েই বেরিয়ে গেল নাকি কে জানে? আর আল্পনাকে আনা হল কিনা দেখে আয়। আমার কয়েকটা কাজ আছে, যেতে হবে আল্পনার বাড়ি।

    সৈকত অবাক হয়ে শুনছিল রেবতীর বলা কথাগুলো। আচমকা রেবতীর এত আল্পনা প্রীতি হল কেন? মারা গেছে বলে? বেঁচে থাকতে তো তাকে দুশ্চরিত্রা বলতে মুখে বাঁধেনি। কোনো প্রমাণ ছাড়াই তো বদনাম দিয়ে দিয়েছিল। আল্পনা তো কোনোদিনই পাড়ায় চড়ে বেড়ানো মেয়েও ছিল না, গৃহবন্দি রাখতেই পছন্দ করত নিজেকে।

    তারপরেও তার নামে এমন একটা বদনাম দিয়েছিল রেবতী।

    টুয়া এসে খবর দিল মা, আল্পনা কাকিমাকে নিয়ে এসেছে এই মাত্র। আর অনুপমদা আসছে এখুনি।

    সৈকত কানটা খাড়া করে রেখেছে। এই রেবতীকে ও চেনে না। অদ্ভুত রকমের আচরণ করছে রেবতী আজকে। অনুপম আসতেই সৈকত নিজের ঘরের লাইট নিভিয়ে দরজার পাশে এসে দাঁড়াল। ওকে কেউ দেখতে পাচ্ছে না, কিন্তু ও পাচ্ছে সবাইকে।

    রেবতী খুব অভ্যস্ত ঢঙে বলল, আগে খেতে বস। সারারাত খাওয়া হবে না। অনুপমের মুখটা থমথম করছে। ধরা গলায় বলল, কাকিমা মাকে বাঁচাতে পারলাম না। রেবতী অনুপমের সামনে খাবার ধরে দিয়ে বলল, তোর মা বাঁচতে চায়নি যে। দিনের পর দিন বারণ সত্ত্বেও মুঠো মুঠো ঘুমের ওষুধ খেয়েছে হতভাগী। তাতেও কী চোখে ঘুম নেমেছিল নাকি? ধীরে ধীরে হার্টে এফেক্ট হল। শোন, বাবার ওপরে এখন চেঁচাস না। পাঁচটা লোক আছে দেখবে। তাছাড়া তোর মা বাড়ির অশান্তির কথা সবসময় ঢেকে রাখতে চেয়েছিল।

    অনুপমের খাওয়া শেষ হবার আগেই রেবতী এদিকওদিক তাকিয়ে ওর হাতে টাকা গুঁজে দিয়ে বলল, ঘাট খরচ ভালো করে করবি। আমি তোর কাকুকে পাঠাচ্ছি। তোর পাশে থাকবে। অনুপম জল খেতে খেতে বলল, তুমি আর কত দেবে বলতো? আমার পড়ার খরচও তো তুমিই দিয়ে আসছ সেই কবে থেকে। রেবতী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, তুই আর টুয়া কী আলাদা আমার কাছে? আল্পনা না থাকলে টুয়াকে হয়তো বাঁচাতেই পারতাম না রে। তোর মায়ের কাছে আমার ঋণ কী কিছু কম?

    সৈকত চমকে যাচ্ছে রেবতী কথা শুনে। ঋণ? আল্পনা না থাকলে টুয়া বাঁচত না? অনুপমের পড়াশোনার খরচ রেবতী দেয়? ছাব্বিশ বছরের বিবাহিত জীবনে একই বাড়িতে থেকে এত কিছু জানে না ও! আশ্চর্য লাগছে।

    অনুপমকে টুয়া বলল, অনুপমদা আমি বিকাশদাকে বলে দিয়েছি রে তোর কাছা কিনে রাখতে। গঙ্গায় স্নান করে ওটা পরতে হয়। টুয়ার দিকে তাকিয়ে অনুপম বলল, তুইও কত বড় হয়ে গেলি।

    সৈকত নিজের ঘরে বসে আকাশ-পাতাল ভাবছিল। এ রহস্যের সমাধান করতে পারছে না কিছুতেই। রেবতী যদি আল্পনাকে ঘৃণাই না করবে তাহলে ওই পথ দিয়ে ওর যাওয়া-আসা বন্ধ করেছিল কেন?

    প্রশ্নগুলো আস্তে আস্তে ধূসর হয়ে যাচ্ছে।

    রেবতী ঘরে এসে বিছানায় একটা সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি আর তোয়ালে রেখে বলল, রেডি হয়ে নাও। অনুপমের সঙ্গে শ্মশানে যাবে।

    সৈকতের ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এমনিতেই মনটা ভালো নেই। তারপর রেবতীর এত গোপন তথ্য জেনে মেজাজটাই খিঁচিয়ে গেছে।

    একটু গলাটা চড়িয়েই বলল, তোমার কথা মতো আমায় চলতে হবে নাকি? আল্পনাদের সঙ্গে যখন এতই ভাব রেখেছিলে তখন আমায় কেন বলেছিলে ও পথ যেন না মাড়াই? মানুষ যে কী করে এত হিপোক্রিট হতে পারে কে জানে!

    রেবতী হিমশীতল গলায় বলল, আজ থেকে ছাব্বিশ বছর আগে যদি এভাবে গলা তুলে কথা বলতে পারতে সৈকত তাহলে আজ মিসেস সৈকত মুখার্জী বোধহয় আল্পনা হত তাই না। তুমি ওকে আল্পনা নয় বরং সুদীপ মিস্ত্রির স্ত্রী বলে ডাকো। আল্পনা ডাকার অধিকার তুমি সেদিন

    হারিয়ে ফেলেছিলে, যেদিন একটা মেয়ের স্বপ্নকে দু পায়ে থেঁতলে দিয়ে মায়ের কথায় ব্রাহ্মণ মেয়ে দেখতে গিয়েছিলে। তুমি আল্পনা ডাকার অধিকার সেদিন হারিয়ে ফেলেছো যেদিন তোমার সামনে দিয়ে ওর বাবা ওর মতের বিরুদ্ধে মদ্যপ সুদীপের সঙ্গে ওর বিয়ে দিয়ে দিয়েছিল আর তুমি ঘরের মধ্যে লাইট নিভিয়ে বসে ছিলে। তাই চিৎকার করে কথা বলো না সৈকত। চিৎকারটা সেদিন করা উচিত ছিল।

    সৈকত বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়ে বলেছিল, তুমি কী করে জানলে আমার আর আল্পনার কথা?

    রেবতী নরম হেসে বলল, বিয়ের পর পর তুমি বেরিয়ে গেলেই আমি ছাদে উঠতাম জানো। যতদূর তোমায় দেখ যায় দেখব বলে। সৈকত আনমনে কেমন হাঁটে দেখতে ইচ্ছে করত তখন। তুমি আস্তে আস্তে দূরে চলে যেতে ছোট হয়ে যেত তোমার অবয়ব, আমিও চলে যেতাম ডিউটিতে। একদিন দেখলাম, আমি যেমন তুমি বেরিয়ে যাওয়ার পরে হাত জোর করে দুগ্গা দুগ্গা বলি, আরেকজনও গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে দুগ্গা দুগ্গা বলে। না, তুমি তাকে দেখতে পাও না। কিন্তু সে তোমার উদ্দেশ্যেই ঈশ্বরকে ডাকে। রোজই দেখছিলাম ব্যাপারটা। একদিন তুমিও বেরোলে আমিও প্রায় তোমার পিছু পিছুই গেলাম।

    দেখলাম, শ্যামলা রোগা রোগা মিষ্টি মুখের মেয়েটা একটা নিতান্ত সাধারণ আটপৌরে শাড়ি পরে অগোছালো চুলেই সংসারের যাবতীয় কাজ অর্ধসমাপ্ত রেখেই পড়িমরি করে বেরিয়ে এসেছে তোমায় পিছন থেকে এক পলক দেখবে বলে। মেয়েটা বাড়িতে ঢুকতেই তার স্বামী চিৎকার করে বলছে, দুশ্চরিত্রা, লজ্জা করে না তোর। রোজ এ সময় ছুটে কেন দরজায় গিয়ে দাঁড়াস আমি জানি না বুঝি? ওকেই যদি এত ভালোবাসিস তাহলে বিয়ে কেন করেছিলিস আমায়? দু-চার ঘা পড়লোও হয়তো পিঠে। মেয়েটা তাড়াতাড়ি দরজা, জানালা বন্ধ করতে ব্যস্ত। সে যে অত্যাচারিত হয় স্বামীর হাতে, এ কথা যেন পাড়ার লোক টের না পায়। আরও দু-এক দিন দেখার পরে তোমার মাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ওই বাড়িটা কাদের? ওখানে যে বউটা থাকে তার নাম কী?

    তোমার মা অত্যন্ত অশ্রদ্ধা আর বিরক্তি মিশিয়ে বলেছিলেন, ওর নাম আল্পনা। অল্পবয়েসে মাকে খেয়েছে। পাশের পাড়ায় বাড়ি ছিল। মরতে এখন এ পাড়ার চোখের সামনে বিয়ে করে এসেছে। বাচাল অসভ্য মেয়ে। চাঁদ ছোঁয়ার ইচ্ছে হয়েছিল, আমার ছেলের দিকে নজর দিয়েছিল। তারপর দিলাম ওর বাপটাকে বলে। সুদীপ মিস্ত্রির সঙ্গে বিয়ে হল।

    জানো সৈকত খুব ইচ্ছে হয়েছিল মেয়েটার সঙ্গে একদিন পরিচয় করতে। মেয়েটা কি একাই ভালোবেসেছিল নাকি তুমিও….

    একদিন গেলাম আল্পনার বাড়িতে। সে তো অবাক। আমায় কোথায় বসাবে ঠিক করতে পারছে না। পারলে মাথায় বসায় যেন। সম্ভ্রমের গলায় বলল, বউদি আপনি যদি ভেবে থাকেন সৈকতদার দোষ তাহলে ভুল ভাবছেন। আমিই বোকার মতো এমন অবাস্তব কল্পনা করেছিলাম। সৈকতদা খুব ভালোমানুষ। অবাক হয়েছিলাম জানো! এমন মেয়েও আছে? নিজের সব স্বপ্ন চুরমার হয়ে যাবার পরেও এমনভাবে তোমার সম্মান রক্ষা করতে ব্যস্ত? ভারী লক্ষ্মীশ্রী মুখ আল্পনার।

    আস্তে আস্তে সব জানলাম। তোমাদের প্রেম, তোমার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া, তারপর তোমার মায়ের অমত। ওর বাবাকে ধমকি…পাড়া ছাড়া করার, সব শুনলাম আমি। তোমাদের চৈত্রমাসের মেলা থেকে ও তোমায় একটা বাঁশি কিনে দিয়েছিল। তুমি ভালো বাঁশি বাজাও বলে। আল্পনাই ছিল তোমার একনিষ্ঠ শ্রোতা। কথা বলতে বলতে দু-চোখ জলে ভরে গিয়েছিল আল্পনার। তবুও সে হতভাগী বলে কিনা, সৈকতদা নির্দোষ। মায়ের অমতে ও কী করে বিয়ে করবে বলো বউদি? তাছাড়া তুমিই ওই বাড়ির যোগ্য বউ। আমি তোমায় রোজ দেখি। কী সুন্দরী তুমি, কত শিক্ষিতা, চাকরি করো, তুমি খুব ভালো।

    আমি অবাক হয়েছিলাম সৈকত। যে ওর ভালোবাসাকে কেড়ে নিল, যে ওর স্থান দখল করে নিল তার প্রতি ওর রাগ নেই। বরং ও আমায় ভালোবেসে দেখে। আল্পনারা শুধু ভালোবাসতে জানে জানো। নিজেকে নিঃস্ব করে দিয়ে ভালোবাসতে জানে।

    আমি বলেছিলাম, তুমি যে রোজ সৈকত অফিস যাওয়ার সময় বাইরে গিয়ে দাঁড়াও, তোমার বর তো মারে। কেন যাও?

    বোকার মতো হেসে বলেছিল, হ্যাঁ ও বলে আমি নাকি দুশ্চরিত্রা। ধুর, সৈকতদা ছাড়া আমি কোনোদিন কারোর দিকে তাকালামই না।

    সেদিনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যাকে সম্মান দিয়ে ঘরে আনোনি তাকে রোজ রোজ তোমার কারণে মার খেতে দেব না। তাই তোমায় ও পথ দিয়ে যেতে নিষেধ করেছিলাম। তুমি হয়তো ভাবছো আমি নিষ্ঠুর। অভাগীর একপলক দেখার সৌভাগ্যটুকুও কেড়ে নিলাম। কিন্তু কী বলতো সৈকত, এতে সুদীপ মিস্ত্রি ওকে মারত, আর পাড়ার লোকে খারাপ বলত, লাভ কিছুই হত না।

    কী করে যেন ওই অল্পশিক্ষিতা, অত্যন্ত সাধাসিধে মেয়েটা আমার বন্ধু হয়ে গেল। অনুপম জন্মানোর আগে আমায় বলছিল, বউদি আমার খুব ভয় করছে। যদি আমার সন্তান সুদীপের মতোই রগচটা মদ্যপ হয়? আমি বলেছিলাম, ধুর বোকা, মায়ের মতো হবে। আমিই ওকে আমায় হসপিটালের আউটডোরে দেখিয়ে দিয়েছিলাম। অনুপম জন্মের সময় আমিই ছিলাম ওটিতে। আল্পনা নয় আমিই অনুপমকে প্রথম ছুঁয়েছি।

    সৈকত দীর্ঘশ্বাস গোপন না করেই বলল, তুমি যে বললে আল্পনা ছাড়া টুয়াকে বাঁচাতে পারতে না, কেন?

    রেবতী ধরা গলায় বলল, মনে আছে টুয়া জন্মাবার পরেই জন্ডিস হয়েছিল। অথচ আমার ব্রেস্টমিল্ক ছিল না। তখন টানা দু-মাস আমি ডিউটিতে যাবার সময় আল্পনার কাছে টুয়াকে দিয়ে যেতাম। ওই বুকের দুধ খাইয়ে টুয়াকে বড় করেছে। তোমার মা জানতেন আমি টুয়াকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই। সুদীপ মিস্ত্রি একটু ভয় পেত আমায়। আমি বলেছিলাম, আর যদি কখনো আল্পনাকে মারতে দেখেছি তাহলে পুলিশে খবর দেব। তারপর থেকেই মারের মাত্রা কমেছিল।

    টুয়া আর অনুপমকে ঘিরে আমাদের অনেক কথা হত। আল্পনা বলেছিল, ওরা যেন দুই ভাইবোন। আমিই অনুপমের লেখাপড়ার ভার নিয়েছিলাম।

    দেরি হচ্ছে সৈকত, রেডি হয়ে নাও। একসঙ্গেই যাব আল্পনাদের বাড়ি।

    সৈকত রেবতীর হাত দুটো ধরে বলল, সময়ে সাহস জুগিয়ে উঠতে পারিনি গো। আমার জন্যই হয়তো আল্পনাকে আজীবন এত কষ্ট পেতে হল। তাড়াহুড়ো করে ওর বাবা বিয়ে দিয়ে দিল সুদীপের সঙ্গে। আল্পনা লেখাপড়ায় খারাপ ছিল না। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছিল। তারপর ওর বাবাটাই আর পড়াল না।

    রেবতী বলল, অল্পনার অনেক গুণ ছিল জানো। সে ভালো রান্না করতে পারত। সে ভালো সেলাই জানত। সব থেকে বড় গুণ ছিল, ও কখনো কারোর নিন্দে করতে জানত না। যে পৃথিবীর সবাই ভালো ছিল ওর চোখে। সৈকত, আল্পনার মতো মেয়েরা নিঃস্বার্থে ভালোবাসতে পারে। অনুপম হয়েছে মায়ের মতোই ধৈর্যশীল ছেলে। এত কম বয়েসের ছেলে যে এত দায়িত্ববান ভাবা যায় না।

    বেরোনোর আগে আলমারি খুলে একটা গোলাপি রঙের নতুন শাড়ি বের করল রেবতী।

    সৈকত বলল, এটা কী?

    রেবতী হেসে বলল, তোমার গোলাপি রং পছন্দ ছিল বলে বাবার কাছে গোলাপি রঙের একটা শাড়ি কেনার জন্য বায়না করেছিল ও। ওর বাবা রেগে গিয়ে পিঠে খুন্তি দিয়ে মেরেছিল জানো। সে দাগ এখনও ছিল। হেসে বলেছিল, এটা বায়না করার দাগ। মেয়েটার যেন অদ্ভুত এক শক্তি ছিল। সব সহ্য করার শক্তি। নিজেকে ক্ষয় করে হাসি মুখে থাকার শক্তি।

    এটা আজ পরিয়ে দেব ওকে।

    আল্পনা ঘুমাচ্ছে। নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। প্রায় বছর ছাব্বিশ, সাতাশ পরে আবার ওকে দেখল সৈকত। এত রোগা হয়ে গিয়েছিল?

    মেলা থেকে বাঁশিটা কিনে এনে বলেছিল, এই নাও সৈকতদা তুমি বাজাবে। কেউ যদি না শোনে আমি শুনব। তুমি একদন সন্ধেবেলা তোমাদের ছাদে বাজাচ্ছিলে আমি শুনেছি।

    সৈকতকে দেখলেই লজ্জা পেত ও। সৈকত বলেছিল, ভালোবাসো আমায় আল্পনা?

    আল্পনা চোখ নামিয়ে বলেছিল, শুধু তোমাকেই বাসি। তোমায় আমায় ভালোবাসতে হবে না, আমি একলাই বাসবো। সৈকত বলেছিল, বিয়ে করবে আমায়?

    আল্পনা মুখ নিচু করে বলেছিল, করব। সৈকত ওর দিকে তাকিয়ে দেখেছিল, ওর শ্যামলা রঙে একমুঠো আবির রঙের মাখামাখি।

    সৈকত প্রথম চাকরি পেয়ে ওকে একটা হাতঘড়ি উপহার দিয়ে বলেছিল, সময়টা খেয়াল রেখো। বিকেল পাঁচটায় অফিস থেকে যখন ফিরব তখন যেন রাস্তার মোড়ে তোমায় দেখি। আল্পনার বাড়িতে যত কাজই থাক, ও ঠিক সৈকতের জন্য অপেক্ষা করত রাস্তার মোড়ে। ওই দূর থেকে একটু দেখা এটুকুই প্রাপ্তি ছিল। তখনও আল্পনারা এ পাড়ার বাসিন্দা ছিল না।

    রেবতী আল্পনার গায়ের ওপরে গোলাপি শাড়িটা দিয়ে ঢেকে দিয়ে ফিসফিস করে বলল, দেখো তোমার সৈকতদা এসেছে। সৈকত কাঁদছে আল্পনা তোমার জন্য। চিন্তা করো না, আজ থেকে আমি অনুপমের মা। ওর সব দায়িত্ব আমার।

    অনুপম, সৈকত আর পাড়ার দুজনের কাঁধে চেপে আল্পনা চলল স্বর্গের পথে।

    ফিরে আসছিল রেবতী, সুদীপ আস্তে করে বলল, এত মেরেছি তবুও কোনোদিন বলাতে পারিনি সৈকত মুখার্জী খুব খারাপ লোক। মার সহ্য করেছে তবুও বলেছে, সৈকত ভালো লোক। আমার ওপরে কর্তব্যের কখনো ত্রুটি করেনি। তবুও কোথায় যেন…..

    সুদীপের কথাগুলো আর না শুনেই বাড়ি ফিরে এল রেবতী। ছাদে দাঁড়িয়ে দেখছিল, সৈকতের কাঁধে চেপে আল্পনা চলেছে স্বর্গযাত্রায়। কিছু কিছু হিসাব এমন অমিলই রয়ে যায় জীবনে। যেমন আল্পনার একনিষ্ঠ ভালোবাসা, যেমন সৈকতের ভীরু স্বভাব, যেমন সুদীপের অকারণ আক্রোশ, যেমন রেবতীর প্রতি আল্পনার টান আর আল্পনার সঙ্গে রেবতীর লুকানো বন্ধুত্ব… এমন কত হিসেব মেলে না কিছুতেই…মেডিকেল সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করেও কিছু হিসেব কোনোদিন মেলাতে পারল না রেবতী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }