Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প321 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তেরোটা বছর – অর্পিতা সরকার

    তেরোটা বছর

    নতুন স্কুল, নতুন চাকরি, স্বাভাবিকভাবেই একটু ভয়জনিত উত্তেজনা কাজ করছে মোহরের মধ্যে। অন্য শিক্ষকরা ঠিক কেমন জানা নেই ওর। ক্লাস ফাইভে যখন নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছিল তখন যেমন অনুভূতি হয়েছিল সেরকম নয়, তবে একটু অস্থির অস্থির তো লাগছেই। ফরম্যালিটিস মেইনটেন করে তারপর টিচার্স রুমে বসে আছে মোহর। আজ ওকে কোন কোন ক্লাস নিতে হবে সেটা বুঝিয়ে দেবেন কেকাদি মানে অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার। তিনি এখনও অফিসে ঢোকেননি। তাই অপেক্ষা…

    তিনজনের সঙ্গে অলরেডি আলাপ হয়েছে, তার মধ্যে অর্চনাদি বেশ মিশুকে, বাকি দুজন নতুনকে অত প্রায়োরিটি দিতে নারাজ।

    ঘরে ঢুকলেন কেকাদি।

    এই মহিলাকে বড্ড চেনা লাগছে, কিন্তু কিছুতেই চিনে উঠতে পারছে না মোহর।

    অনেকক্ষণ একই দৃষ্টিতে অপরিচিত মানুষের দিকে তাকিয়ে থাকাটা ভীষণ অশোভন তাই দৃষ্টি সরিয়ে নিল মোহর।

    কেকাদি সাবলীলভাবে বললেন, আজ তো নতুন… তাই ফাইভ, সিক্সের ক্লাস দিলাম না। বিচ্চুগুলোকে না হয় তিন দিন পর থেকেই হ্যান্ডেল করো। মুখে মৃদু একটা হাসি ঝোলানো আছে মহিলার। বয়স প্রায় চল্লিশ কী তার একটু কমই হবে, ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।

    অনেক মহিলাই যেমন নিজের বয়স ঢাকতে উগ্র রংকে সঙ্গী করেন, কেকাদি তা নয়। একটা হালকা আকাশি তাঁতের জামদানি পরেছেন, গলায় আর কানে হালকা মুক্তোর একটা সেট। এক হাতে রিস্টওয়াচ অন্যটাতে সরু চুরি একগাছা।

    মহিলাকে এক ঝলক দেখেই মোহরের পঁচিশ বছরের চোখে যেটা মনে হল সেটা হল, ওর বয়সে মহিলা অনেকের হার্টথ্রব ছিলেন। হয়তো এককালে ওনাকে দেখে অনেকেই ‘কে তুমি নন্দিনী’ আওড়াতেন। কেকাদি নাম প্রেজেন্টের খাতাটা মোহরের হাতে তুলে দিয়েই ফোর্থক্লাস স্টাফ রমলাকে হাঁক পাড়লেন, নতুন ম্যাডামকে সেভেন এ’তে পৌঁছে দিয়ে এসো।

    মোহরের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হেসে বললেন, বেস্ট অফ লাক। মোহরের মাথার মধ্যে তখনও অস্বস্তিটা চলতেই থাকছে, কেন এত পরিচিত মনে হচ্ছে কেকাদিকে! ওর পরিচিত কোনো মুখের সাথে কী সামঞ্জস্য রয়েছে কেকাদির। নিজের পিসি, মাসি, গানের দিদিমণি মোটামুটি ওই বয়সের সকলের মুখই একবার করে ভেবে নিল মোহর। একমাত্র ওর ছোটো মাসির সাথেই একটু-আধটু মেলে, কিন্তু ছোটো মাসির রং কেকাদির মতো আকর্ষণীয় নয়। কেকাদি দুধে আলতা ফর্সা নয় কিন্ত একটা বাদামি জৌলুশ… যেন ওনার ব্যক্তিত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    কেকাদির কথা ভাবতে ভাবতেই নতুন ম্যাডাম ঢুকল ক্লাস সেভেনের বাংলার ক্লাসে।

    নতুন ম্যাডাম দেখে স্টুডেন্টদের মধ্যে বেশ একটা চাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যায়। মোহরদের স্টুডেন্ট লাইফেও এটা ঘটত। প্রথম দিন পড়তে ইচ্ছা করত না। নতুন ম্যাডামের সাথে গল্প করতে ইচ্ছা করত।

    এই ক্লাসেরও তাই ইচ্ছে। মোহর কিছুটা গল্প করে, কিছুটা পড়িয়ে কাটাল ওদের সাথে। তারপর গিয়ে ঢুকল ক্লাস নাইনের ইতিহাস ক্লাসে। যাক এতক্ষণে নিজের সাবজেক্ট পেয়ে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়ল ওর।

    বইয়ের পাতায় একটা গ্রিক ভাস্কর্যের ছবি। মোহরের মাথায় কোনো গোপন প্রকোষ্ঠে রাখা আরেকটি মুখ উঁকি দিয়ে গেল। এমনি কাটা কাটা তীক্ষ্ন একটা মুখ, এমনি বলিষ্ঠ শরীর। চোখের চাহনিতে আত্মবিশ্বাস।

    ওহ মনে পড়েছে, ওদের জিমনাস্টিক ক্লাসের রজতকাকু। রজতকাকু ঠিক পাশেই দেখেছিল একটা অল্প বয়সি তরুণীকে। তখন মোহর ক্লাস সেভেনের ছাত্রী।

    রজতকাকুর সাথে মোহরের বাবার সম্পর্কটা বরাবরই নিজের ভাইয়ের মতোই। তাই মোহরকেও কাকু ভীষণ ভালোবাসত।

    ম্যাডাম, আপনার বাড়ি কোথায়? বাড়িতে কে কে আছে? কৌতূহলী স্টুডেন্টদের কৌতূহল মেটানোটাও মোহরের দায়িত্ব।

    টিচার্স রুমে ঢুকতেই কেকাদি বললেন, কেমন হল প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা?

    মোহর হেসে বলল, স্টুডেন্টরা আজ চূড়ান্ত স্মার্ট আমিই একটু নার্ভাস ছিলাম। ওর উত্তর শুনে কেকাদি একটু হাসলেন, দৃষ্টিটা দেখে মনে হল নিজেও বোধহয় নিজের জয়েনিং ডেটের কথা ভাবছিলেন।

    গলার বাঁদিকের তিলটা আরও সন্দেহ মুক্ত করল মোহরকে, কিন্তু প্রথম দিনেই অল্প আলাপে কিছু জানতে চাওয়াটা বড় বেমানান।

    যদিও মোহর আর পুরোনো পাড়ায় থাকেও না, চলে এসেছে নতুন ফ্ল্যাটে। তাছাড়া হয়েও গেল তো বারো তেরো বছর আগেকার ঘটনা। কী একটু তার বেশিই হবে। রজতকাকু আর মোহররা একই পাড়ায় থাকত, রজতকাকু বাবার থেকে অনেকটাই ছোট ছিল, তবুও কী করে যে বাবার চা খাবার বন্ধু হয়ে গিয়েছিল তা মন্টুদার চায়ের দোকানের লিকার চা-ই জানে। রজতকাকু কবি সুকান্ত ক্লাবে জিমনাস্টিক শেখাত। পাড়ার ছেলেমেয়েরা শিখতে যেত। মেয়েদের ক্লাস ছিল বিকালে আর ছেলেদের সন্ধেবেলা। মোহরকেও ক্লাস সিক্সে বাবা রজতকাকুর ক্লাবে ভর্তি করে দিয়েছিল। কাকু যখন একবারও না থেমে ভোল্ট মারত তখন মোহর অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকত। কাকুর পেশিগুলো পরিশ্রমে ফুলে উঠত। মোহরের কাকু হলেও পাড়ার বেশিরভাগ মেয়ের যে রজতকাকুকে পছন্দ ছিল সেটা বুঝতেও পারত মোহর। ওদের পাড়ার চন্দ্রাদি মোহরের হাত দিয়েই তো কাকুর জন্য চিঠি পাঠিয়েছিল। কাকু মোহরের মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিল, শোন পাগলি তোকে যদি কেউ এসব চিঠি দেয় তুই নিবি না। বলবি, আমাকে কাকু বকবে।

    কৌতূহলবশে চিঠিটা ফাঁক করতেই ‘ভালোবাসি’ কথাটা দেখে ফেলেছিল মোহর।

    ওর কিশোরী মনে তোলপাড় হয়েছিল, তার মানে চন্দ্রাদি রজতকাকুকে ভালোবাসে?

    পাড়ার অনেক দিদিই রজতকাকুর সম্বন্ধে মোহরের কাছে খোঁজ নিত। সকালের দিকে বোধহয় কাকু একটা বেসরকারি ফার্মে চাকরি করত, বিকালের দিকে জিমনাস্টিক ক্লাস।

    কাকু যে মজার কথা বলত, সেটা মোহর শুনলেও ক্লাবের কেউই খুব একটা শুনতে পেত না কারণ ক্লাসে কাকু ভীষণ ডিসিপ্লিন মেইনটেইন করত।

    তখন মোহর ক্লাস সেভেন কী এইটের ছাত্রী হঠাৎ একদিন রাধামাধবের পুরোনো মন্দিরটার সামনে একটু আলো-আঁধারিতে দেখল, রজতকাকুর সাথে একজন ভীষণ সুন্দরী তরুণী দাঁড়িয়ে আছে। কাকু হয়তো মোহরকে খেয়াল করেনি কিন্তু মোহর মুগ্ধ হয়ে দেখছিল, মেয়েটির হাতের ওপর কাকুর হাত। না ঠিক হাত ধরে আছে এমন নয়, বোধহয় কোনো প্রতিশ্রুতির হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে দুজনে দুজনের দিকে।

    মেয়েটির ছলছলে চোখ নজর এড়ায়নি মোহরের।

    পরে বহ্নিকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারে মেয়েটির মামার বাড়ি ওদের পাড়াতেই, সান্যাল জেঠু ওর বড়মামা। বোধহয় গরমের ছুটিতে ঘুরতে এসেছে। ওরা ওই সুন্দরী মেয়েটিকে নন্দিনী বলেই সম্বোধন করত, আসল নাম জানার চেষ্টাও কেউ করেনি, অথবা বললেও গুরুত্ব পায়নি। মেয়েটি রোজ ওদের ক্লাসের সময় মাঠের কোণে দাঁড়িয়ে থাকত, অবশ্যই অপলক তাকিয়ে থাকত রজতকাকুর দিকে। রজতকাকুও শেখানোর ফাঁকে ফাঁকে আড় চোখে দেখে নিতে ভুলত না। প্রেম প্রেম গন্ধ পেয়ে মোহরদেরও যথেষ্ট ইন্টারেস্ট জন্মেছিল। চুপচাপ গোয়েন্দাগিরি চালিয়ে যেত ওরা বান্ধবীরা।

    কয়েকদিন পরেই পাড়ায় হই হই পড়ে গিয়েছিল, নন্দিনীকে নিয়ে নাকি রজতকাকু কোথায় পালিয়ে গেছে। সান্যাল জেঠু পুলিশ লাগিয়েছিল, কিন্তু খুঁজে পায়নি। তারপর তো মোহরদের ক্লাস বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কবি সুকান্ত ক্লাবে একটা গানের স্কুল খুলেছিল কিন্তু জিমনাস্টিক আর শুরু হয়নি।

    মাস খানেক পর রজতকাকুকে আবার রাস্তায় দেখে মনে হয়েছিল, আবার বুঝি কাকুর কাছে ক্লাসে যাবে। কিন্তু ততদিনে পাড়ার লোকেরা রজতকাকুকে বয়কট করেছিল। কারোর মেয়েকেই নাকি আর ভরসা করে ওর কাছে পাঠানো যাবে না। মোহরের বাবা তারপর বালিগঞ্জে ফ্ল্যাট কিনে চলে এলে পুরোনো পাড়ার সাথে সমস্ত সম্পর্কই ছিন্ন হয়ে যায় মোহরের। তবে আসার আগে পর্যন্ত রজতকাকুকে যতবারই দেখেছে ততবারই খেয়াল করেছে একটা বিষণ্ণতার চাদরে মুখটা ঢাকা। সকাল হলেই আর রাস্তায় জগিং করতে দেখতে পায়নি মোহর। শুধু অফিস টাইমে একটা ব্যাগ বগলে রজতকাকুকে অন্যমনস্কভাবে হেঁটে যেতে দেখেছিল।

    মা ডাকল ডিনার টেবিল থেকে, অগত্যা হঠাৎ খুঁজে পাওয়া স্মৃতির ঘরে আপাতত তালা ঝুলিয়ে রেখে যেতেই হল ডাইনিং টেবিলে।

    বাবা-মা দুজনেই মেয়ের প্রথম দিনের স্কুলের এক্সপিরিয়্যান্স শুনতে উৎসাহী, কিন্তু কেন জানে না মোহরের উৎসাহ নেই। হঠাৎ এলোমেলো কথার ভিড়ে মোহর বাবাকে জিজ্ঞেস করল, বাবা তোমার রজতকাকুকে মনে আছে?

    বাবা কিছু বলার আগেই মা বলল, কেন তোর সঙ্গে দেখা হল বুঝি? বেশি কথা বলতে যাস না, কিছু কিছু মানুষের তো আবার বয়স হলেও চরিত্র ঠিক হয় না!

    বাবা বিরক্তির সুরে বলল, রজতকে কিন্তু আমি কোনো দিনই খারাপ কিছু করতে দেখিনি।

    মা স্বভাব সিদ্ধ ঢঙে বলল, গোটা পাড়া জানত সান্যালদের ভাগ্নীটাকে কোথায় নিয়ে গিয়ে খারাপ কাজ করতে গিয়েছিল, কেন তুমি জানতে না? রজত তো দু-দিন জেলও খেটেছিল!

    এবার আশ্চর্য হবার পালা মোহরের, কাকু জেল খেটেছিল!

    বাবা বলল, জেল লোক বিনা কারণেও খাটে। মিথ্যে দোষারোপ যে নয় কে বলতে পারে?

    মোহর আর বাকবিতণ্ডার মধ্যে না গিয়ে চুপচাপ খেয়ে উঠে গেল।

    যতক্ষণ না ঘুম এল ততক্ষণ শুধু রজতকাকুর প্রেমিকা নন্দিনীর মুখটাই মনে পড়ে যাচ্ছিল ওর। সত্যিই কি কাকু রেপ করতে গিয়েছিল? মোহর তো তখন এইটে পড়ে, খারাপ পুরুষের চোখের ভাষা বা ছোঁয়া বোঝার বয়েস তো হয়েছিল ওর, কই রজতকাকুকে তো কোনোদিন অমন মনে হয়নি। বরং যখন মাথায় হাত বুলিয়ে দিত মনে হত বাবার মতোই স্পর্শটা।

    পরের দিন স্কুলে গিয়ে থেকে মোহর শুধু একটু ফাঁক খুঁজছিল। বারবার চোখ চলে যাচ্ছে গলার ওই আকর্ষণীয় তিলটার দিকে।

    কেকাদি একটা কথা বলব?

    মোহরের দিকে মিষ্টি হেসে কেকাদি বললেন, বলো…

    বাঁদিকের গজ দাঁতটা দেখতে পেয়ে আরো স্যাঙ্গুইন হল ও।

    আপনি রজত অধিকারী বলে কাউকে চিনতেন? জিমনাস্টিক শেখাত…

    মোহরকে কথা শেষ করতে না দিয়েই কেকাদি উদ্বিগ্ন গলায় বললেন, কেন রজতের কী হয়েছে? কোনো অ্যাক্সিডেন্ট?

    মোহর সামলে নিয়ে বলল, না না সেরকম কিছু নয়। আপনার ফুলবাগানের রায়পাড়া, সান্যাল বাড়ি মনে আছে?

    এতক্ষণে ঢোক গিলে কেকাদি বললেন, তুমি কে? আমাকে কী করে চিনলে?

    মোহর আশ্বস্ত করার ঢঙে বলল, সেরকম কিছু নয়। আসলে আমি রজত কাকুর কাছে জিমনাস্টিক শিখতাম, তখন আপনি হয়তো কলেজে পড়েন, রায় পাড়ায় আপনাকে দেখেছি বহুবার।

    কেকাদি হঠাৎ মোহরের হাত ধরে বললেন, তাহলে তো তুমি ওখানেই থাকো, আমাকে বলতে পারো রজতদা কেমন আছে? বিয়ে করেছে? ওর বউ কেমন দেখতে? কটা বাচ্চা? এখনও জিমনাস্টিক করে? বয়েস হল তো আর বোধহয় পারে না।

    এতগুলো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে বুঝতেই পারেনি মোহর। আসলে ওর নিজের একটা কৌতূহল মেটাতে গিয়ে যে এরকম একটা পরিস্থিতির শিকার হবে কল্পনার বাইরে ছিল ওর। মোহর ভেবেছিল রজতকাকুর মতো একজন রেপিস্টের কথা শুনে হয়তো ঘৃণায় মুখ বাঁকাবে কেকাদি। কিন্তু এখন দেখছে কেকাদির চোখে জল! কোনো চরিত্রহীনের জন্য কোনো মহিলা এত বছর পর কাঁদতে পারে বলে তো মোহর শোনেনি কখনো।

    স্কুল ছুটির পর কেকাদি আর মোহর সামনাসামনি বসে আছে একটা কফি শপে।

    বলতে শুরু করেছেন কেকাদি, ভিজে গলা চোখও ভিজে… ধুলো ঝাড়াতে বসেছে তেরো বছর আগেকার কোনো এক সন্ধ্যার হঠাৎ পাওয়া মুহূর্তের।

    ভালোবাসতাম আমরা দুজন দুজনকে। রজতদা বলেছিল, আমার পড়াশোনা কমপ্লিট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। আর নিজেও আর একটু ভালো চাকরির চেষ্টা করবে। কথা দিয়েছিলাম, কোনোদিন কোনো পরিস্থিতিতেই হাত ছাড়ব না কেউ কারোর।

    সেদিন সন্ধ্যায় আমরা কেউ কোথাও পালাইনি। শুধু বড় মামা দেখে ফেলেছিল আমাদের একসাথে। হ্যাঁ সেদিন আমরা একটু ঘনিষ্ঠভাবেই দাঁড়িয়েছিলাম বাগানের অন্ধকারে। মামা আমাকে টেনে নিয়ে গিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিল ঘরের ভিতর। শুনেছিলাম রজতকে পুলিশে দিয়েছে মামা। মামা আর বাবার প্রচুর প্রতিপত্তির সাথে রজত পেরে উঠবে না জানতাম। তাই বাবার কাছে লিখে দিয়েছিলাম, রজতকে জেল থেকে ছাড়িয়ে দিলেই আমি ওকে ভুলে যাব। তারপর তো আর কখনো মামার বাড়ি আসতে দেয়নি বাবা। রজতের ফোনে ফোন করেছিলাম একবার, সেটাও বাবা ধরে ফেলেছিল। আমার জন্য ছেলেটার জীবন নরক হয়ে গিয়েছিল।

    মোহরের মনে হচ্ছে চোখের সামনে কোনো সিনেমা দেখছে। সান্যাল জেঠুর মুখটা মনে পড়ে যাচ্ছে ওর। ঠিক হিন্দি সিনেমার ভিলেনের মতো চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে যেন ওর মুখের রেখাগুলো।

    কেকাদি বলল, ভাগ্যের কী পরিহাস। এক বছরের মধ্যেই বিয়ে দিয়ে দিল আমার, আর দু-বছরের মধ্যেই বিধবা হলাম। ফিরে এলাম বাবার বাড়ি। আবার পড়াশোনা করতে শুরু করলাম, পরীক্ষা দিয়ে পেয়ে গেলাম এই চাকরিটা।

    মোহর বলল, তারপর আর কখনো খোঁজ করেননি রজতকাকুর?

    কেকাদি মাথা নাড়ল। না, মামি বলেছিল রজত বিয়ে করেছে, তাই আর…

    কেকাদির সাথে মোহরের এই মিষ্টি সম্পর্কটা স্কুলে অনেকেরই একটু ঈর্ষার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওরা ঠিক কী নিয়ে কথা বলে সেটাই সকলের জানার আগ্রহ।

    কখনো কেকাদি বলে, মোহর তোমার মনে আছে আমি মাঠের কোণের দিকে দাঁড়িয়ে থাকতাম আর রজতদা আড়চোখে তাকাত। মোহর হেসে বলে, আমাদের গোয়েন্দাগিরির চোটে তোমাদের প্রেম তখন ধরা পড়ে গেছে। আশ্চর্যভাবে একজন চল্লিশের মহিলা অবলীলায় পৌঁছে যায় সেই উচ্ছ্বল তারুণ্যে।

    পুরোনো ডায়রি ঘেঁটে মোহর সেদিন বহ্নিদের ফোন নাম্বারটায় রিং করল। যদিও এখন আর সেই নাম্বার আছে কিনা তাও জানা নেই মোহরের। যা ভেবেছিল তাই, নাম্বারটা বন্ধ হয়ে গেছে। ফেসবুকে বহ্নিশিখা বসু সার্চ করতেই পেয়ে গেল রায়পাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের বহ্নিকে। মেসেজ নয় ডিরেক্ট ম্যাসেঞ্জারে কল করল ও। বার চারেক পর বহ্নির গলা।

    মোহর শুনে আনন্দে আত্মহারা বহ্নিকে ও প্রথমেই জিজ্ঞেস করল, এই তোর রজতকাকুর কী খবর রে?

    বহ্নি বলল, তিনদিন আগেও দেখেছি বাজার করে ফিরছে। তবে বয়সের তুলনায় বুড়িয়েছে বেশি।

    আর বিয়ে থা?

    বহ্নির গলায় আক্ষেপের সুর! বিয়ে তো করল না রে। বরঞ্চ বছর তিনেক আগে মা হারা হয়ে একাই থাকে এখন।

    মোহর শুধু জেনে নিল ওই বাড়িতেই আছে কিনা।

    দরজার বাইরে সেই মাধবীলতার ঝোপটা আর নেই। মোহররা তখন কত মাধবীলতার ঝাড় তুলে খেলা করেছে। পড়ন্ত সূর্যের আলোয় বাড়িটাকে দেখেই মনে হচ্ছে বড্ড ক্লান্ত, শীর্ণ। এই বাড়ির মালিক বোধহয় শুধুই দুঃসংবাদ আশা করে, কোনো সুসংবাদ-এর খবর ওর কল্পনার অতীত।

    বেলটা দু-বার বাজতে দরজা খুলল রজতকাকু। না, ট্র্যাকসুট আর স্কিনটাইট গেঞ্জি পরে নেই। একটা সাদাটে জামা আর পায়জামা পরে বেরিয়ে এল।

    মোহরকে চিনতে পারেনি বোঝাই যাচ্ছে। চেনার কথাও নয়, ক্লাস এইটে ফ্রক পরা মোহরের সাথে আজকের শান্তিনিকেতনি সুতোর শাড়ি পরা মোহরের অনেক পার্থক্য। চোখ কুঁচকে তাকিয়ে আছে কাকু। মোহর ভণিতা না করেই বলল, মন্মথ রায়ের মেয়ে মোহর। এবার চিনতে পেরেছ?

    একমুখ হেসে কাকু বলল, ওমা এত বড় কী করে হলি?

    মোহরের হাসি পেয়ে গেল কাকুর কথায়। ও বলল, যেমন করে তুমি এত বুড়ো হলে!

    হ্যাঁরে, মন্মথদা ভালো আছেন তো? আর বউদি? সবাই ভালো আছে শুনে বলল, বল এতবছর পর কী মনে করে?

    মানুষটার দিকে তাকিয়ে মোহরের প্রথমেই যে কথাটা মনে হল, পাড়ার এত লোকের মিথ্যাচারণের বিরুদ্ধে কোনোদিন কেন রুখে দাঁড়ায়নি কাকু? কেকাদির অসম্মানের ভয়ে নয় তো!

    কাকু আজ তোমাকে একটা সারপ্রাইজ দেব আমি।

    ভ্রু কুঁচকে বলল, কী রে তোর বিয়ের নিমন্ত্রণ করতে এলি নাকি?

    মোহর বাড়ির বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে কাকু বলল, কী রে না বলেই কোথায় যাচ্ছিস?

    কেকাদি তখন বাইরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘামছে। মোহরকে দেখতে পেয়েই বলল, ভালো আছে রজতদা?

    মোহর বলল, ভালোই।

    কেকাদি কাঁপা গলায় বলল, তাহলে চলো ফিরে যাই, আর দেখা নাই বা করলাম! আশ্চর্য চোখে তাকিয়ে মোহর কেকাদির হাতটা ধরে টেনে নিয়ে চলল, কাকু তখনও বাইরে দাঁড়িয়ে আছে।

    কেকাদিকে এক নজরেই বোধহয় চিনতে পেরেছে। নাকি মুখের আদল দেখে অনুমান করেছে সেটা কাকুই বলতে পারবে।

    কেকাদি বলল, শরীরের কী হাল করেছো?

    কাকুর চোখের পাতা থেকে সিগারেটে পোড়া ঠোঁটটা পর্যন্ত অভিমানে কেঁপে উঠল যেন।

    ওরা ঘরে ঢুকে সোফায় বসেছে। ওদের বারণ না শুনেই মোহর বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। তেরোটা বছর তো খুব কম সময় নয়!

    অনেক অনেক কথা জমে আছে ওদের, অনেক না বলা অনুভূতি, অভিমান, কষ্ট ভাগ করে নেবে আজ ওরা। এই মূল্যবান সময়টুকু মোহর কিছুতেই কেড়ে নিতে পারবে না ওদের কাছ থেকে। কল্পনা করছিল মোহর, হয়তো রজতকাকু বলবে, তোমার গলার তিলটা এখনও তোমাকে হাজারের ভিড়ে আলাদা করে। আর কেকাদি চল্লিশেও লজ্জা পেয়ে চোখ নামিয়ে নেবে। ওদের আজ অফুরন্ত সময় চাই… নিভৃতে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }