Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প321 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সময় থমকে গেছে – অর্পিতা সরকার

    সময় থমকে গেছে

    এই অর্চি, দেখ না বেনারসির রংটা কী রকম হবে? পিক গ্রীন ওরা কিনেছে আমি রেডিস কিছু নিই কী বল?

    অন্যমনস্ক স্বরে একট পেঁয়াজখোসা রঙের জারদৌসির ওপর হাত রেখে বলল, আজ তো মল্লারকে সঙ্গে আনতে পারতিস।

    কথা শেষ হবার আগেই অদ্ভুত চোখে তাকাল রুমি।

    মল্লার! ও আমার সাথে বিয়ের শপিংয়ে এসে কী করবে?

    একটু উষ্ণ স্বরে অর্চি বলল, কেন, বিয়েটা তো তুই ওকেই করছিস।

    রুমি একটা শাড়ি গায়ের উপর ফেলে বলল, সে তো বাবার বন্ধু শ্যামল কাকুর ছেলে, বাড়ির সকলের পছন্দ বলে!

    আর তোর? আলতো করে কথাটা হাওয়ায় ভাসিয়ে দিল অর্চি।

    রুমির দুই ভ্রুর মাঝে একটা বিরক্তির ভাঁজ খেলেই মিলিয়ে গেল যেন।

    অর্চির হাতের পেঁয়াজ খোসা রঙের বেনারসিটা টেনে নিয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে রুমি বলল, একমাত্র তুই আমার পছন্দ বুঝিস, হয়তো আমার থেকেও কিছুটা বেশিই।

    রুমির এই উচ্ছ্বাসটা আগেও দেখেছে অর্চি, সেই ক্লাস থ্রি থেকে দেখে আসছে। যখনই মানসিক দ্বন্দ্ব থেকে বেরোনোর পথ খুঁজে পায় না তখনই ওর মুখটা আনন্দে ভরে ওঠে।

    রুমি ছোট্ট থেকেই খুব আদুরী। একটুতেই ঠোঁট ফোলানো বোধহয় ওর অভ্যাস ছিল। তখন ওদের দুজনেরই ক্লাস থ্রি। টিফিন টাইমে অর্চি দেখল, একটা গোলাপি গায়ের মেয়ের দু-চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে গাল বেয়ে পড়ছে। মেয়েটা মোছার চেষ্টাও করছে না।

    কাউকে কিছু বলছেও না। শুধু চুপটি করে এক কোণে বসে কেঁদে চলেছে।

    অর্চি তখন বন্ধুদের সাথে গোল্লা ছুটে মেতেছিল।

    সেকশন বি এর দিকে পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল ও।

    মেয়েটার কাছে গিয়ে বোঝার চেষ্টা করল ঠিক কী হয়েছে!

    হাতের বুড়ো আঙুল থেকে রক্ত পড়ছে।

    অর্চি ছুটে স্কুলের বাগান থেকে অনেকটা গাদা পাতা এনে চটকে রসটা ওর আঙুলে লাগিয়ে দিয়েছিল। মিনিট খানেক পরেই রক্ত বন্ধ দেখে মেয়েটি উচ্ছ্বসিত হয়ে বলেছিল… তুই ম্যাজিশিয়ান? পিসি সরকারের মতো ম্যাজিক জানিস?

    ওর পিঠে আলতো করে ঠেলা দিয়ে রুমি বলল, তাহলে এই শাড়িটা নিলাম বুঝলি। অর্চি সম্মতিসূচক ঘাড় নাড়ল।

    চল চল, রুমি এবার তাড়া লাগাল, এখনও কসমেটিক্স কেনা বাকি। অর্চি বলল, লিপস্টিকটা কিন্তু ওই বিশেষ ব্র্যান্ড ছাড়া নিস না। মনে আছে তো তোর অ্যালার্জি বেরোয় কিন্তু অন্য কিছুতে।

    আমার সবকিছু তোর কী করে এত নিখুঁত মনে থাকে রে অর্চি?

    মন থেকে ভালোবাসলে বোধহয় সবটুকু মনে রাখা যায় রে রুমি!

    না, কথাটা যাতে কোনওভাবেই রুমির কানে না পৌঁছায় তাই ও জোর করে কণ্ঠনালীর মধ্যে চেপে রাখল কথাটাকে।

    রুমির বাড়িতে অর্চির অবারিত দ্বার। রুমির বেস্ট ফ্রেন্ডের তকমাটা অনেক বছর আগেই বেশ শক্ত করে এঁটে গেছে অর্চির কপালে। রুমিও কথায় কথায় বলে, ”ইউ আর মাই বেস্ট ফ্রেন্ড অর্চি। বড্ড বিশ্বাস করি তোকে।”

    বন্ধুত্ব শব্দটা অনেকটা ছোট হলেও বেশ ভার বহন করতে হয়। তাই রুমির প্রতি অর্চির বন্ধুত্ব ভিন্ন অনুভূতিরা গোপন প্রকোষ্ঠে গুমরে মরেছে এতকাল।

    এই অর্চি জানিস, আমি তো মল্লারকে ঠিক বুঝতেই পারছি না রে। আরে ও অনুপমের গান ভালোবাসে না। স্মরণজিতের গল্প পড়েনি। আরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা খায়নি কোনোদিন! তুই জাস্ট ভাবতে পারছিস, এই এলিয়ানকে নিয়ে আমি কী করে সংসার করব। তারপর আরো শোন, মল্লার পার্কস্ট্রিটের নামি রেস্তোরাঁ ছাড়া কোনোদিন ডিনার করেনি। তার মানে আমাদের ওই বেশি করে পেঁয়াজ দিয়ে টক জল দেওয়া অবনীদার ঘুগনির টেস্টই জানে না রে।

    অর্চি ক্লান্ত হাসি হেসে বলল, এরপর থেকে তুইও এসবের স্বাদ ভুলে যাবি রুমি।

    ধুর তুই কী যে বলিস!

    রুমি হেসে উড়িয়ে দিল অর্চির অবান্তর কথা।

    শুধু একটাই খটকা রয়ে যাচ্ছে ওর মনে, কেন যতই বিয়ের দিন এগিয়ে আসছে ততই মনে হচ্ছে ওর চারদিকটা একটা অপরিচিত কুয়াশাচ্ছন্ন চাদরে ঢেকে যাচ্ছে।

    সেই ঘন কুয়াশার ওপারে একটা অপরিচিত মুখ, যে মুখটার আদলটা অনেকটা মল্লারের মতো। মুখের প্রত্যেকটি রেখাকে চেনার শত চেষ্টা করেও বিফলে যাচ্ছে রুমি। রুমি বুঝতে পারছে, মল্লারের মনের গভীরে ডুব দিয়ে আসল মানুষটাকে খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। ওর বাইরের আবরণটা এতটাই দৃঢ় যে অন্তরের প্রবেশদ্বার নেই বললেই চলে।

    অন্যমনস্ক রুমিকে ডেকে অর্চি বলল, এই পাগলি ওই দেখ তোর প্রিয় চিকেন মোমো… চল খাবি তো? আজ আমি তোকে পেট ভরে মোমো খাওয়াবো। রুমি আবিষ্ট হয়ে তাকিয়ে আছে অর্চির দিকে। মোমোর স্টলটা রুমি অনেক আগেই খেয়াল করেছে, খেতে ইচ্ছে করেছে, শুধু নিজের ইচ্ছেটাকে প্রকাশ করতে মন চাইছিল না। হয়তো অপেক্ষা করছিল, আদৌ অর্চির মনে আছে কিনা সেটাই পরীক্ষা করছিল রুমি।

    না, এক্ষেত্রেও রুমি হেরেই গেল। অর্চি ঠিক মনে রেখেছে চিকেন মোমো ওর ফেবারিট। ভীষণ ভালোলাগাগুলো কখনো কখনো কষ্ট দেয়। এই মুহূর্তে রুমির মনে একটা কষ্ট কষ্ট সুখের উদ্ভব হচ্ছিল। যে অর্চি ওকে এতটা চেনে, এতটা বোঝে তাকে ছেড়ে চলে যেতে হবে ভেবেই কষ্ট হচ্ছে, আর আরেকদিকে রুমি ভাবছে, এমন কেউ পৃথিবীতে আছে যে রুমিকে সম্পূর্ণ ভাবে চেনে। হয়তো রুমির নিজের থেকেও বেশি।

    সেই জন্যই তো অর্চি ওর বেস্ট ফ্রেন্ড সেই ক্লাস থ্রি থেকে।

    রুমির ঠোঁটের কোণে হঠাৎ একটা আলগা হাসি খেলে গেল। ক্লাস ফাইভেও ওরা কোয়েড স্কুলেই পড়েছে। কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ম্যামেদের যত্নের পর প্রথম হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছে রুমি। প্রথম থেকেই ওর চিন্তা ও আর অর্চি কি একই সেকশান পাবে। নাম ডাকার সময় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে রুমি, নিজের নাম শোনার জন্য নয়। অর্চির নামটা কখন বলবে। অর্চি ওর পাশে বসে বসে বকে চলেছে।

    অস্থির রুমিকে দেখে অর্চি বলল, তুই কী জন্য এত টেনশন করছিস রে?

    রুমি বলেছিল, তোর নাম তো বলল না, এ সেকশানে বলল না রে। অর্চি হেসে বলল, পাগলি ফার্স্ট নামটাই তো আমার বলল। তুই এতো টেনশান করছিস তাই শুনতে পাসনি হয়তো।

    আনন্দে পাগলের মতো লাফিয়ে উঠেছিল রুমি। একটাই মজা ও আর অর্চি টিফিন ভাগাভাগি করে খেতে পারবে, অর্চিটা ম্যাথে বড় ভালো, রুমির অঙ্কের হোমওয়ার্ক নিয়ে কোনো চিন্তা থাকবে না।

    অর্চির মনে হয়েছিল, ভালোই হল রুমি ওর সেকশানে পড়ল, না হলে যা ছিঁচকাঁদুনে মেয়ে, কেউ কিছু বললেই কাঁদতে শুরু করবে, অর্চি থাকলে না হয় সামলে দেবে রুমিকে। ক্লাস ফাইভের ছেলের এই আত্মবিশ্বাস দেখে রুমি বলেছিল, তুই আজ থেকে আমার সুপার হিরো।

    রুমির একটা প্রশংসা বাক্যে অর্চির রক্ত কণিকারা দাপাদাপি শুরু করে দিত, আজও দেয়।

    নিজেকে মনে হত স্পাইডারম্যান। মাঝে মাঝে দুঃখ হত, যখন রুমি ক্লাসের অন্য ছেলেদের সাথে হেসে হেসে কথা বলত। কেন যে কষ্ট হত সেটা আজও বুঝতে পারল না অর্চি।

    রুমি রাস্তার অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে হাত নাড়িয়ে ডেকে যাচ্ছে, কী রে কোন জগতে আছিস তুই! এদিকে আয়…

    রাতুল পিছন থেকে এসে অর্চির পিঠে জোরে একটা থাপ্পর কষিয়ে বলল, কী রে খোঁজ খবর নেই কেন? অনেক দিন বাদে দেখা হল রাতুলের সাথে। রাতুল আর অর্চি একই মাঠে ক্রিকেট খেলতে যেত। একবার রাতুলকে নো বলে আউট দিয়েছিল বলে ফাঁকায় পেয়ে আম্পেয়ারকে পিটিয়েছিল দুই বন্ধু মিলে। সেসব বহু দিন আগের কথা। রাতুল বলল, কীরে রুমির সাথে তোর প্রেমটা কেমন চলছে?

    অর্চি সামলে নিয়ে বলল, কী যাতা বলছিস? রুমি আর আমি ভালো বন্ধু। রাতুল রেগে গিয়ে বলল, রামক্যালানের মতো কথা বলিস না তো, ভালো বন্ধু! তোরা কি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির লোক নাকি রে যে ‘ভালো বন্ধু’ কথাটা ব্যবহার করতে ধরেছিস।

    অন্তত আমার কাছে লুকোস না অর্চি। আমি জানি তুই ম্যাচের মাঝখানে সকলের গালাগাল খেয়েও বেরিয়ে এসেছিল রুমি সন্ধের টিউশান থেকে একা ফিরবে বলে… এটা শুধুই বন্ধুত্ব! নারে ভাই মানতে পারলাম না। অর্চি ক্লান্ত হেসে বলল, সামনেই রুমির বিয়ে। মল্লার, রুমির বাবার বন্ধুর ছেলের সাথে। রাতুলের মুখটা হাঁ হয়ে গেছে। বিস্ফারিত চোখে রাতুল বলল, আমাদের রায়দিঘীর সবাই জানে তোরা মেড ফর ইচ আদার, এখন রুমি অন্য কাউকে বিয়ে করছে আর তুই ওর সাথে শপিং-এ এসেছিল?

    অর্চি ধীরে ধীরে বলল, বন্ধুত্ব কথাটা ছোট্ট হলেও এর ভারটা যে বড় বেশি রে রাতুল, তাই আর ভালোবাসি কথাটা বলে উঠতে পারিনি।

    রাতুল বলল, চল আমি রুমিকে বলছি, সব কথা বলছি অর্চি। অর্চি ঘাড় নেড়ে বলল, না, কিছুতেই না।

    রুমি জানে, তুই প্রথম বল মারতিস রুমির নাম করে। রুমিকে আনন্দ একবার সেক্সিবেবি বলেছিল বলে তুই আনন্দর গালে ঘুষি মেরেছিলিস। জানে এসব রুমি?

    অর্চি প্রসঙ্গ পালটানোর জন্য বলল, তুই এখন কী করছিস? জব করবি, নাকি তোর বাবার ওই বিশাল ফার্নিচারের দোকানে বসবি? কাকু, কাকিমা সব ভালো তো?

    রুমি কখন ওদের পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে ওরা খেয়াল করেনি।

    রুমি রাতুলকে চেনে। কুশল বিনিময় করতে দেরি হল না। অর্চির মনে অজানা আতঙ্ক, রুমি কিছু শুনে ফেলেনি তো! ওর এতদিনের লুকিয়ে রাখা গোপন কথাটা ফাঁস হয়ে যায়নি তো রুমির কাছে?

    রুমির মুখের শিরা উপশিরায় স্বাভাবিকত্ব দেখে তবেই অর্চি নিশ্চিত হল।

    রাতুল চলে গেছে। রুমি আর অর্চি আনমনে হাঁটছে। অন্য সময় দু-জনের মধ্যে কম্পিটিশন চলে কে আগে কথা বলবে, যদিও রুমিই যেতে। রুমিকেই বলতে হয় ওর না বলা কথাগুলো। অর্চি কোনোদিনই প্রথমে চান্স পায় না। তবে রুমির ওই অভিমানী গোলাপি ঠোঁট দুটো যখন নড়ে তখন অর্চি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে রুমির দিকে। কতবার রুমির কাছে বকুনিও খেয়েছে, ওর বলা গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো শোনেনি বলে।

    ওদের সব কথা আজ যেন নিঃশেষ হয়ে গেছে। দুজনেই চুপচাপ হেঁটে চলেছে। মাঝে মাঝে দুজনের কড়ি আঙুল ছুঁয়ে যাচ্ছে হালকা ভাবে।

    ওই বিশেষ আঙুল ছুঁইয়ে কতবার দুজনে আড়ি করেছে, কথা বলেনি একদিন। সেই আঙুলই যেন মনের বার্তাবাহক।

    অসাবধানে এই ক্ষণিক ছোঁয়া কি পারবে রুমির কাছে অর্চির মনের কালবৈশাখির আভাস পৌঁছে দিতে?

    নিস্তব্ধতা ভেঙে রুমি বলে উঠল, জানিস অর্চি, মল্লার না তোর মতো নয়।

    ইচ্ছে করছে না কিছু বলতে, শুধু শুনতে ইচ্ছে করছে অর্চির। রুমির মুখে নিজের কথা। রুমি বলে চলেছে, এই যেমন তুই রাস্তা পার হবার সময় আমার হাতটা ধরিস, বা বলিস সাবধানে, দু-দিক দেখে… মল্লার বড্ড বেখেয়ালি। আমি ওর পাশে আছি তবুও ও ফোনে হয়তো গুরুত্বপূর্ণ কোনো মিটিং-এর আলোচনায় ব্যস্ত।

    অর্চি নিজের গলার কেঁপে যাওয়াটাকে অতি সাবধানে সংযত করে বলল, বিজি ম্যান, কাজ তো থাকবেই।

    রুমি অন্যমনস্ক ভাবে ঘাড় নাড়ল। রুমি বলল, চল অর্চি আজ আর শপিং করতে ভালো লাগছে না, গঙ্গার ধারে বসি।

    এভাবে নিজেকে লুকিয়ে নিয়ে রুমির সামনে অভিনয় করে চলাটা সত্যিই বড্ড কঠিন। মনের সবকটা দরজাকে প্রবল চেষ্টায় বন্ধ করে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে অর্চির কাছে।

    রুমি মল্লারের বাড়ির সম্পর্কে কিছু বলে চলেছে, অর্চি অন্যমনস্কভাবে ওর সব কথাতেই সায় দিচ্ছে।

    ভীষণ ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরল রুমি। নিজের বিছানায় শরীরটাকে এলিয়ে দিয়ে মল্লারকে কল করল।

    মল্লারের জন্য যে অফ হোয়াইট কালারের পাঞ্জাবিটা কিনেছে সেটাই বলতে চাইল ওকে, মল্লার একটু ঝাঁঝালো গলায় বলল, আচ্ছা রুমি তুমি কি বাচ্চা! আমার ইম্পর্টেন্ট প্রজেক্ট বাদ দিয়ে এখন আমি বিয়ের শপিং-এর গল্প শুনব?

    মল্লার নিজেই কেটে দিল ফোনটা। এ প্রান্তে রুমি তখনও ফোনটা ধরেই আছে।

    অন্যপ্রান্তে তখন একটা যান্ত্রিক আওয়াজ।

    মনে পড়ে গেল রুমির বছর দুয়েক আগে মেজমাসির ছেলের পৈতেতে ওর বাবা আর মা মাসির বাড়ি গিয়েছিল, রুমির শরীরটা খারাপ ছিল বলে ওর যাওয়া হয়ে ওঠেনি। কথা ছিল বাবা-মা রাতেই ফিরে আসবে। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ায় ওরা মাসির বাড়িতেই থাকতে বাধ্য হয়েছিল। রাত তখন প্রায় বারোটা। রুমি কোনোদিন একা বাড়িতে থাকেনি। অনেকক্ষণ টিভি দেখে, বই পড়ে বেশ কাটছিল। কিন্তু মধ্য রাতে ভয়টা শুরু হয়েছিল। কেমন একটা গা ছমছমে ব্যাপার। ঘরেতে টিউব লাইট জ্বালিয়েও ভয়টা কিছুতেই কাটলি না। ওর এ পর্যন্ত দেখা সমস্ত ভূতের মুভি মনে পড়ে যাচ্ছিল এক এক করে। এমনকী ঠাকুমার কাছে ছোটবেলায় শোনা ভূতের গল্পগুলোও যেন সব চোখের সামনে ভাসছিল। নিজের ছায়াটাকেই ভয় করতে শুরু করেছিল।

    সেদিন রুমি অর্চিকে ফোন করেছিল। হয়তো সবে ঘুমিয়েছিল অর্চি। অত রাতে রুমির ফোন পেয়ে চমকে উঠেছিল অর্চি। ভয় পেয়ে বলেছিল, কী হয়েছে তোর? এমন লাগছে কেন তোর গলাটা!

    সেই একলা থাকার রাতেও অর্চি ওর সাথে ছিল। রুমি খুব ছোট থেকেই দেখেছে, ওর সব না বলা কথা অর্চি যেন কী অদ্ভুত উপায়ে বুঝে ফেলে। আজও ঠিক তেমনি একটা ভয়ের রাত রুমির কাছে। সেদিন রুমির ভূতে ভয় করছিল আর আজ নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়েছে রুমি। মন মুখের আয়না এই সূত্র ধরেই ফুটে উঠেছে রুমির দ্বিধাবিভক্ত মনের ছবি। একদিকে রয়েছে পারিবারিক সম্মান আর মল্লার, অন্যদিকে রুমিকে আপন করে বোঝার মানুষটাকে হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা। একটা শিরশিরে অনুভূতি ওর শিরদাঁড়া দিয়ে নেমে যেতে বোধহয় বলে গেল, এখনও ভাবো!

    দু-চোখে নোনতা জলের ধারাটাকে না মুছেই ফোন করল অর্চিকে। খুব সোজাসুজি একটা কথা আজ জানতে চাইবে রুমি।

    অর্চির মতামতটা খুব জরুরি ওর জন্য।

    অর্চি রিসিভ করতেই রুমি জিজ্ঞেস করল, এই অর্চি একটা কথা সৎ ভাবে বলবি?

    অর্চি বলল, তেমন মিথ্যে তো বলিনি তোর কাছে। শুধু একদিন সিগারেট খেয়ে লুকিয়েছিলাম আর আরেকবার তোর হোমওয়ার্কের খাতা থেকে টুকেছিলাম তোকে না জানিয়ে। এর বাইরে আর মিথ্যে তো মনে পড়ছে না। শুধু অর্চির অন্তরাত্মা বলছে, সব থেকে বড় প্রবঞ্চনা তো করেছ নিজের সাথে। রুমিকে ভালোবাসে অর্চি, এই সত্যিটাও অবশ্য লুকিয়ে গেছে অর্চি।

    রুমি সিরিয়াস গলায় বলল, আমার মজা করার মুড নেই। সিরিয়াসলি শুনে বল।

    মল্লার কি আমার জন্য পারফেক্ট? নাকি আদৌ নয়?

    নিজের হৃৎপিণ্ডের ধুক পুক আওয়াজটা অর্চির কানে এসে হাজির। রুমি কী কোনোভাবে টের পেয়ে গেছে অর্চির না বলা কথা ! আর কিছু কী অপেক্ষা করছে অর্চির জন্য! এক এক সেকেন্ডের প্রহর বড়ো দীর্ঘ লাগছে অর্চির কাছে।

    রুমি বলল, কীরে তুই কি ভাবতে ভাবতে রাত কাটিয়ে দিবি? বলবি কিছু?

    মল্লারের মতো অমন যন্ত্রমানবের কি নেতিবাচক ঘাড় নাড়াটা রুমি দেখতে পাচ্ছে না? অর্চি ঘাড় নেড়ে না বললেও মুখে বলল, কিন্তু তোর বিয়েটা তো আঙ্কেল ঠিক করেছিল, আর এতদিন তো তুইও মত দিয়েছিস, আর মাত্র ক-দিন বাকি তোদের বিয়ের, এখন এসব কথা কেন ভাবছিস?

    মল্লার যে রুমির কোনো অনুভূতিরই মূল্য দেবে না সেটা অর্চি বুঝেছিল রুমির গত বছরের জন্মদিনের দিন। মল্লারের তো আগ্রহই ছিল না রুমিকে বোঝার বা জানার। রুমি যে অন্য মেয়েদের মতো লাল গোলাপ একেবারেই পছন্দ করে না সে টুকু পর্যন্ত মল্লার জানে না। একগুচ্ছ লাল গোলাপ হাতে নিয়ে হাজির হয়েছিল সেদিন। গেটের কাছেই অর্চির সাথে দেখা, রুমির ফোনে মল্লারের ছবি দেখে দেখে ওকে চিনতে কোনো অসুবিধাই হয়নি অর্চির। মল্লারের হাতে লাল গোলাপের ব্রাঞ্চ দেখেই প্রমাদ গুনছিল অর্চি। গোলাপ হাতে রুমির সামনে ঢুকলেই যে জন্মদিনের পুরো মেজাজটা নষ্ট হয়ে যাবে সেটা খুব ভালো করে জানত অর্চি। রুমির খুব প্রিয় বড় জেঠিমা নাকি রেগুলার একটা করে লাল গোলাপ খোঁপায় আটকাত, জেঠিমা অল্প বয়সে মারা যান। তারপর থেকেই লাল গোলাপে রুমির আপত্তি। ওটা শুধু জেঠিমারই থাক, এই মত নিয়েই চলছে ও। অর্চি মল্লারকে বোঝাতে চেয়েছিল কিন্তু একগুঁয়ে মল্লার অর্চির কথা না শুনেই গোলাপ হাতে ঢুকেছিল জন্মদিনের পার্টিতে।

    ফুলটা হাতে নেবার আগে রুমি বলেছিল, আমি লাল গোলাপ পছন্দ করি না। গোলাপি টিউলিপের ব্রাঞ্চটা রুমির হাতে দিয়ে অর্চি বলেছিল, মল্লার এটাই এনেছিল। তোকে বাগানোর জন্যই হয়তো ওটা তোর হাতে দিয়েছিল। রুমি ভ্রু কুঁচকে বলেছিল, অর্চি যে কারণে আমি লাল গোলাপ পছন্দ করি না সেটা মোটেই কোনো ফানি বিষয় নয়।

    মল্লার চুপ করে বিরক্ত মুখে সরে গিয়েছিল। তারপর থেকে অর্চির সাথে সামনা-সামনি হলেও কথা বলতে চায়নি মল্লার।

    রুমি ফোনে তাগাদা দিল, কী রে বললি না! মল্লার কি আদৌ পারফেক্ট আমার জন্য?

    অর্চি ঢোক গিয়ে বলল, অনেক রাত হল ঘুমিয়ে পর। কাল তো আবার তোর শপিং আছে। রুমি কিছুক্ষণ ধরে থেকে, ফোনটা কেটে দিল।

    ঠিক কী বলত অর্চি রুমিকে? মল্লার কেন কেউই রুমির সব না বলা কথা বুঝতে পারবে না একমাত্র ও ছাড়া। কী করে বলত অর্চি, ভালো বন্ধুর আড়ালে অর্চি শুধু রুমিকেই ভালোবাসে আর হয়তো ভবিষ্যতেও বাসবে। রুমি অন্যের হয়ে গেলেও বাসবে।

    অ্যাপ্লিকেশনটা অফিসে জমা দেওয়ার আজই লাস্ট ডেট। অর্চি চায় রুমির বিয়ের আগেই ট্রান্সফার নিয়ে ওদের হায়দ্রাবাদের ব্রাঞ্চে জয়েন করতে। কলকাতায় বসে রুমির বিয়ের সানাইয়ের সুর, রুমির গায়ের বেনারসির লালিমা, ওর সিঁথির রক্তবর্ণ সিঁদুর আর রজনিগন্ধার সুবাস সহ্য করা অর্চির পক্ষে সত্যিই অসম্ভব।

    মল্লারের সঙ্গে আজ শপিংয়ে বেরোনোর কথা আছে রুমির। ওর হাতের আংটিটা কিনবে দুজনে মিলে।

    রুমি হালকা আকাশনীল সালোয়ারটা পরতেই মনে হল, অর্চি পাশ থেকে বলল, এই কালারটা তোর জন্য পারফেক্ট। একটা এক্সপোতে গিয়ে একবার ও আর অর্চি পছন্দ করে কিনেছিল সালোয়ারটা।

    রেডি হয়ে বেরোতে যাবে ঠিক সেই সময় মল্লার জানাল, সরি রুমি, আজ যাওয়া ইমপসেবেল, প্রোগ্রামটা আগামী কাল করো।

    রুমি নিশ্চুপ।

    ছোটবেলায় একবার মা বাবার সঙ্গে রুমি সিকিম বেড়াতে গিয়েছিল। একটা পাহাড়ের ধার ঘেঁষে গাড়িটা চলছিল। রুমি চোখ বন্ধ করে মায়ের হাতটা ধরে ছিল। বারবার মনে হচ্ছিল খাদের একেবারে ধারে ও দাঁড়িয়ে আছে। একটু অন্যমনস্ক হলেই পা পিছলে নীচে পড়ে যাবে। একটা ভয় ভয় শিহরণে কেঁপে উঠছিল রুমি।

    আজ আবার সেই ছোটোবেলায় পুরোনো অনুভূতিটা ফিরে এল ওর মনে। ঠিক সেই সময়েই একটুও অস্পষ্ট নয়, স্পষ্ট একটা মুখ রুমির খোলা চোখের সামনে ভেসে উঠল। এরপর সময় নষ্ট করলে বোধহয় চূড়ান্ত দেরি হয়ে যাবে। কাঁধে ব্যাগটা নিয়ে ট্যাক্সি ধরে সোজা ছুটল নির্দিষ্ট ঠিকানায়। না আজ আর ওর সামনে কোনো আবছা পথ নির্দেশ নেই, খুব পরিষ্কারভাবে সম্মুখের পথটা ও দেখতে পাচ্ছে।

    অফিসের লিফটে যথেষ্ট ভিড়। এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করার সময় যেন রুমির হাতে নেই। ওর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে। শুধু জানাতে হবে ওকে। অফিসের সিড়ি বেয়ে রুমি ছুটছে। প্রায় হাঁফাতে হাঁফাতে ঢুকল রুমি।

    ওকে দেখেই অর্চি চমকে উঠেছে। এভাবে ফোন না করে সোজা ওর অফিসে তো কখনো রুমি আসেনি। ওর তো মল্লারের সঙ্গে শপিংয়ে বেরোনোর কথা। নিশ্চয় মল্লার আবার কোনো গন্ডগোল করেছে। রুমির মুখটাও লাল হয়ে রয়েছে। অর্চির ইচ্ছে করছে ছুটে গিয়ে মল্লারের গালে ঠাসিয়ে একটা থাপ্পড় দিতে। অকারণে রুমিকে এত কষ্ট কেন দিচ্ছে ছেলেটা!

    একটা চেয়ারে বসেছে রুমি। অর্চি জলের বোতলটা এগিয়ে দিল। রুমি কথা না বলে জলটা খেয়ে বলল, তোর সঙ্গে কথা আছে।

    অর্চি বলল, অফিসের পরে বললে হয় না। রুমি ঘাড় নেড়ে জানাল না হয় না।

    অফিসের অনেকেই দেখছে দেখে রুমিকে নিয়ে নিজের কিউবের মধ্যে ঢুকে এল অর্চি। রুমির ঠোঁট দুটো থর থর করে কাঁপছে। চোখ দুটোও চিক চিক করছে যেন।

    খুব আস্তে আস্তে রুমি বলল, ঠিক তেত্রিশ মিনিট আগেই আমি প্রথম বুঝতে পারলাম আমি মল্লারকে চাই না। আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি অর্চি। তুই হয়তো বুঝতে পারছিস আমি কাকে ভালোবাসি।

    অর্চি হাত দিয়ে রুমির মুখটা চেপে ধরে বলল, একটু চুপ কর। অনেকদিন স্বপ্নে দেখেছি আমি তোকে প্রোপোজ করছি। ভোরের পাখিরা জাগিয়ে দিয়ে বলে গেছে ওটা নিছকই স্বপ্ন। আজ সেই বহুবার দেখা স্বপ্নের পুনরাবৃত্তি হোক বাস্তবের মাটিতে। হাঁটু গেড়ে সবুজ কার্পেটের ওপর বসে আছে অর্চি। হাতে আজ টিউলিপ নেই। নিজের পকেটের পেনটা নিয়ে সিনেমাটিক ঢঙে ও বলল, তুই আমার সবটুকু জানিস। তুই তো ক্লাস থ্রি থেকেই জানিস আমি ম্যাজিক জানি। তাই আজ তোর সব দুঃখটুকু নেব, আর তোকে দেব সবটুকু সুখ।

    রুমি বলল, এবার চল আমার বাবাকে প্রোপোজ করবি। অর্চির পকেটে তখন ট্রান্সফারের অ্যাপ্লিকেশনটা মুচকি মুচকি হাসছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }