Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প321 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রসব বেদনা – অর্পিতা সরকার

    প্রসব বেদনা

    মৃন্ময়ী যেদিন এই বিশাল জমিদার বাড়িতে বউ হয়ে ঢুকেছিল, সেদিন বড় বড় ঘরের ছাদ পর্যন্ত দেখতে দেখতে তার ঘাড়ে যন্ত্রণা করছিল। চোদ্দোর মৃন্ময়ীকে সবাই জমিদার গিন্নি বলে সম্বোধন করছিল। ভিতরে ভিতরে একটু ঘাবড়ে গেলেও সামনে ভয় প্রকাশের মেয়ে মৃন্ময়ী কোনোকালেই ছিল না। দীনবন্ধুবাবুর ছোট মেয়ে মৃন্ময়ী যে কথার পিঠে কথা সাজিয়ে ঘায়েল করতে পারে প্রতিপক্ষকে, তা নিশ্চিন্তপুরের কারোরই অজানা নয়।

    দীনবন্ধুবাবুর ওই ছোটমেয়েটির জন্য চণ্ডীমণ্ডপে বিচার সভাও বসেছে বহুবার। গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তির সামনে ওই একরত্তি মেয়ে কোমরে হাত দিয়ে বলেছে, অন্যায়টা সে কী করেছে? বিষ্ণু জ্যাঠার বাগানে এক বাগান আম পেকে পেকে পচে যাচ্ছে দেখেই সে ওই লক্ষ্মী ঠাকুমাকে খান দশেক পেরে দিয়েছে। ঠাকুমার কিনে খাওয়ার সাধ্য নেই বলে কি খেতে সাধ জাগে না বুঝি?

    তার অকাট্য যুক্তির সামনে গ্রামের প্রধান হার মেনেছে। সেই মৃন্ময়ীর যে এমন রাতারাতি গুপ্তিপাড়ার জমিদার বাড়িতে বিয়ে হয়ে যাবে, এ বোধহয় নিশ্চিন্তপুর গ্রামের জনপ্রাণীও ভাবেনি।

    জমিদারি প্রথা উঠে গেছে বহু বছর হল। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে গুপ্তিপাড়াতেও। গ্রাম পঞ্চায়েতও আছে। এই পঞ্চায়েতেও প্রধান আছেন। তবু গুপ্তিপাড়ার রামনারায়ণের এই বিশাল বাগানওয়ালা বাড়িটাকে লোকে জমিদার বাড়ি বলেই সম্মান করে আজও। গ্রামের গরিব, দুঃখী মানুষেরা বিপদে পড়লে আজও এই জমিদার বাড়িতে এসেই সুরাহা চায়। এই বাড়িতে নিত্যদিন প্রায় পঞ্চাশ থেকে সত্তর জনের পাত পড়ত এক সময়। সেসব দিন অতীত হলেও তিন মহলা বাড়িটা আজও জমিদার বাড়ির গর্ব নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আজও গুপ্তিপাড়ার মানুষ রামনারায়ণবাবুকে দেখলে দু-হাত তুলে প্রণাম করে।

    রামনারায়ণবাবুর দুই ছেলে। বিজয়নারায়ণ আর জয়নারায়ণ।

    বিজয়নারায়ণের বিয়ে হয়েছে আজ বছর ছয়-সাত হল। দু দুটো কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েই বিজয়ের স্ত্রী জমিদার বাড়ির সকলের আশায় জল ঢেলে দিয়েছে। আপাতত সব আশা ভরসার কেন্দ্রস্থল জয়নারায়ণের স্ত্রী মৃন্ময়ী।

    যদিও মৃন্ময়ীকে এ বাড়ির কেউই ঠিক বিশ্বাসযোগ্য মনে করে না। বছর ষোলোর মৃন্ময়ী যেন কেমন এলোমেলো। প্রায় দু-বছর বিয়ে হয়েছে তার, তবুও যেন সংসার সম্পর্কে বড্ড উদাসীন সে, আর পাঁচটা বয়েসি বউ-র মতো তার স্বভাব নয়। রান্নাঘরে নুন-তেলের কৌটোর হিসেব রাখা তার চরিত্রে নেই। আনমোনা হয়ে ছাদের কার্নিশে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির জল মাখে, আকাশের সাথে কী সব কথা বলে।

    রামনারায়ণের স্ত্রী পান্নাবালা রেগে গিয়ে বলেন, কপাল করে বউ এনে ছিলাম বটে! একটা দুটো মেয়ে দিয়েই ক্ষান্ত হল। আরেকটার তো পোয়াতি হবার কোনো লক্ষণই নেই। সবই তাদের পাপের ফল। নাতির হাতের জল পেয়ে স্বর্গে যাওয়া তাদের কপালে আর নেই।

    এদিকে জয়নারায়ণ এখনও পর্যন্ত কাউকে বলে উঠতেই পারেনি যে মৃন্ময়ীর সাথে তার এখনও কোনো শারীরিক সম্পর্কই তৈরি হয়নি।

    ফুলশয্যার ঘরেই মৃন্ময়ী কোমরে হাত দিয়ে চোখ পাকিয়ে বলেছিল, যেদিন আমি তোমাকে বন্ধু ভাবব সেদিনই আমার শরীরের অধিকার পাবে। আগে আমার মন জয় করে দেখাও।

    দু-বছর ধরে একই ঘরে থেকে, একই বিছানায় শুয়েও পঁচিশের জয়নারায়ণকে সন্ন্যাসীর মতোই জীবন কাটাতে হয়। পাশেই নিশ্চিন্তে ঘুমোয় লাল শাড়িপরা তার ফুটফুটে বউ মৃন্ময়ী।

    এখনও শর্ত পূরণ করতে পারেনি জয়নারায়ণ।

    মৃন্ময়ীকে এখনও বেশ কিছুটা শেখানোর বাকি আছে ইংরেজি সাহিত্যের। বাংলা সাহিত্য সে বাবার বাড়িতে দাদার কাছেই অনেকটা শিখে এসেছে। বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র, বিভূতিভূষণ পড়ে ফেলেছে সে। রবিঠাকুরের সাথে নাকি তার মন দেওয়া নেওয়ার পালাও চুকেছে।

    ইংরাজি জানা স্বামী জয়নারায়ণের কাছে তার একটাই দাবি, তাকে শেক্সপিয়র, শেলী, কীটস, বায়রন পড়াতেই হবে। A B C D আর ওয়ার্ড বুকের ইংরাজি জানা মানুষকে শেক্সপিয়র পড়াতে গিয়ে জয়নারায়ণ নিজেই সব ভুলতে বসেছে। তবুও পড়ার সময়টুকুই যা মৃন্ময়ী নিজের কাছে ঘেঁষতে দেয় ওকে। বাদবাকি সময় হয় জমিদার গিন্নির দায়িত্ব পালন, না হয় বই পড়া। জয়ের খুব ইচ্ছে করে ওই পুতুল পুতুল মেয়ের নরম ঠোঁটটাতে একবার ঠোঁট রাখতে, কিন্তু মৃন্ময়ী বা বেআক্কেলে! হয়তো চেঁচিয়ে লোক জড়ো করে ফেলবে। নয়তো বাবার বৈঠকখানার ঘরে গিয়ে তার ছোট ছেলের অভব্যতা নিয়ে নালিশ ঠুকে আসবে মৃন্ময়ী। কোনোটাই তার কাছে খুব কঠিন নয়। অগত্যা মৃন্ময়ীর শর্তেই রাজি হতে হয়েছে ওকে।

    মৃন্ময়ী বলেছে, যেদিন ওর ইংরাজি শেখা শেষ হবে সেদিনই নাকি জয়নারায়ণ মহেন্দ্রের মতো করে আশালতাকে আদর করতে পারবে।

    কেন যে ইংরাজি শিখতে গিয়েছিল জয়!

    জমিদার জয়নারায়ণের বাবার প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি এখন সরকারি স্কুলে পরিণত হয়েছে। সেই স্কুলের ইংরাজির শিক্ষক জয়নারায়ণের মনের দুঃখের হেতু কেউ বোঝে না। সকলেই মনে করে হয়তো সন্তান হচ্ছে না বলেই জয়ের এমন মন খারাপ।

    যতই জমিদারি রক্ত ধমনিতে বহাল থাক, মৃন্ময়ীর তেজের কাছে তা কিছুই নয়।

    একদিন মৃন্ময়ীকে একটু জোর করেই কাছে টানতে গিয়েছিল জয়।

    মৃন্ময়ী আলগোছে বলল, মন বিহীন শরীর আর ছন্দ বিহীন কবিতা পড়ে যারা সুখ পায়, তুমিও কি তাদের দলেই পড়ো জয়নারায়ণ?

    নিজের নামটি স্পষ্ট স্বরে স্ত্রীর মুখে শুনেই চমকে উঠেছিল জয়।

    স্কুলের গণ্ডী না পেরিয়েও এমন দার্শনিকদের মতো কথা তার ষোল বছরের বউ কোথা থেকে শিখল?

    কবি গুরুর ওপর রাগটা ক্রমশ চেপে বসেছিল জয়ের। তবুও মৃন্ময়ী তার বিবাহিত স্ত্রী, এ বাড়ির ছোট বউ, এটা অস্বীকার করার ক্ষমতা নেই জয়নারায়ণের।

    বয়স বাড়ছে রামনারায়াণের। আগের মতো পরিশ্রম করার ক্ষমতা কমছে।

    হঠাৎই রামনারায়ণের শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ল। পান্নাবালা বলতে লাগলেন এত বড় জমিদার বংশ রক্ষা করার মতো কাউকে রেখে যেতে পারলেন না তিনি, এ বড়ই দুর্ভাগ্যজনক। বিজয়ের স্ত্রী শিবানী নিজের দুই মেয়ে নিয়ে অপরাধীর মতোই বিশাল জমিদার বাড়ির আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ায়। এমনকী বিজয়ের ধারণা তার বউ-র দোষেই তার পুত্র সন্তান হল না। জমিদারের বীর্যের এত তেজ তবুও একটা ছেলে হয় না!

    নিজেকে অপরাধী ভাবা বড় জাকে মৃন্ময়ী অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছে যে, কন্যা সন্তানকে সঠিকভাবে মানুষ করতে হবে। তাদের বাপ ঠাকুরদা তাদের অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করতে হবে।

    মৃন্ময়ীর মুখে হাত দিয়ে তার কথা বন্ধ করার চেষ্টা করেছে শিবানী।

    মৃন্ময়ী বড় জা শিবানীকে ‘শেষের কবিতা’-র বই থেকে শুনিয়েছে লাবণ্য চরিত্রের দৃঢ়তার কাহিনি। তবুও সে নিজেকে অপরাধী ভেবে ঈশ্বরের কাছে পুত্র সন্তান কামনায় কাতর হয়েছে।

    ইদানীং জয়নারায়ণ খেয়াল করেছে, তার তেজী স্ত্রী একটু একটু লজ্জা পাচ্ছে। সেদিন যেমন, কবিতায় নারীর শরীর বর্ণনা করার সময় সে লজ্জা পেল।

    তার সতেরোর স্ত্রী এখন বেশ ইংরাজি শিখেছে। মনযোগী ছাত্রী মৃন্ময়ী, অধ্যাবসায়ের জোরে সে ইংরাজি সাহিত্যের মতো কঠিন বস্তুও ধাতস্থ করে ফেলেছে।

    সাহায্য ছাড়াই পড়তে পারছে বায়রন। কতটা বুঝছে সেটা অবশ্য জয় জানে না।

    জয়নারায়ণও আর দেরি না করেই বলল, মৃন্ময়ী তুমি তো এখন সব শিখেছ, তাহলে তোমার শর্ত পূরণ করো, আমাকে স্বামীর অধিকার দাও!

    মৃন্ময়ী নির্দ্বিধায় বলেছিল, স্বামীর অধিকার তুমি সেদিনই পেয়েছ, যেদিন আমায় সিঁদুর পরিয়েছিলে। আজ তুমি আমার মনের অধিকারও নাও।

    গত তিন বছর তুমি আমায় ভালোবেসে, আমার কথার মর্যাদা দিয়ে আমার মন জয় করেছ, তোমাকে অদেয় কিছুই নেই।

    উপন্যাসের ফুলশয্যার মতো মধ্যরাতে জুঁইয়ের গন্ধে বিভোর হয়ে দুটো শরীর-মন একাত্ম হয়েছিল।

    জয়নারায়ণ বুঝেছিল তার স্ত্রী রত্নটি আর পাঁচজনের মতো ফেলনা নয়। একে খুব যত্নে ব্যবহার করতে হয়, একটু একটু করে।

    মন আর শরীর মিশে গিয়ে পরিপূর্ণ হয়েছিল ওদের দীর্ঘ অপেক্ষার রাত।

    রামনারায়ণ বয়স জনিত কারণে অসুস্থ হওয়ায়, এখন জমি জায়গা সম্পত্তির দায়িত্ব নিয়েছে বিজয়নারায়ণ। জয় চিরকালই একটু অগোছালো। নিজের লেখাপড়া আর স্কুল নিয়েই সে ব্যস্ত। আবার বছর পাঁচেক পরে চৌধুরী বাড়িতে একটা খুশির হাওয়া বইছে। এ বাড়ির ছোট বউ সন্তান সম্ভবা। অদ্ভুতভাবে একইসময় বড় বউও সন্তান সম্ভবা।

    বিজয় এবার আশাবাদী। দুই মেয়ের পরে এবার নিশ্চয় তার ছেলেই হবে।

    জয়নারায়ণ অবশ্য এত ভাবেনি। সে বাবা হতে চলেছে এতেই সে খুশি।

    তবুও দুই ভায়ের যখন একই সাথে সন্তান ভূমিষ্ঠ হবে তখন স্বাভাবিকভাবেই গুপ্তিপাড়ায় এটাই এখন আলোচ্য বিষয়কে জমিদার রামনারায়ণ চৌধুরিকে নাতির মুখ দেখাতে পারে?

    বড় বউ শিবানী ভারী শরীর নিয়ে দিন রাত পুজো দিয়ে বেড়াচ্ছে।

    ছোট বউ মৃন্ময়ী দিনরাত নভেল মুখে নিয়ে বসে আছে।

    জয়নারায়ণ মৃন্ময়ীর পেটে হাত বোলাতে বোলাতে বলল, মিনু, আমাদের মনে হয় ছেলেই হবে! একটুও উত্তেজিত না হয়ে মৃন্ময়ী বলল, আমাদের সন্তান হবে। আমি চাই আমাদের একটা সুস্থ সন্তান হোক।

    ওর চোখের দিকে তাকিয়ে আর কথা বলার সাহস হয়নি জয়ের।

    পান্নাবালা দুই বউকে ছেলে হবার মাদুলি পরিয়ে দিয়েছেন। ছোট বউ দু-দিন পরেই সে মাদুলি হারিয়ে ফেলেছে।

    অলক্ষুণে বাচাল মৃন্ময়ীকে এবাড়ির কেউ কোনোদিন পছন্দ করে না।

    বড় ছেলের মেয়ে দুটো একটু অবহেলাতেই মানুষ হচ্ছে এবাড়িতে। যদিও কাকা স্কুল শিক্ষক বলে, তারা স্কুল যাচ্ছে, তবু ষোলো হলেই বিয়ে দেবে ঠিক করেই রেখেছে বিজয়নারায়ণ।

    শিবানী সেদিন মৃন্ময়ীর ঘরে ঢুকে কাঁদতে কাঁদতে বলেছে, এবার যদি মেয়ে হয়, তাহলে নাকি সে বাড়ির পিছনের পদ্ম পুকুরে গলায় কলসী বেঁধে ডুবে মরবে।

    মৃন্ময়ী কোনোদিন দিদিকে বুঝিয়ে কিছু শেখাতে পারেনি। এমনকী বিজয়নারায়ণ তার দুই মেয়ে সবিতা আর রমিতাকে কাকিমার কাছে ঘেঁষতে অবধি দেয় না। যদি মৃন্ময়ী ওদের মাথায় বিষ ঢোকায়, তাই! মৃন্ময়ী যেন বাড়ির মধ্যে থেকেও চৌধুরী বাড়ির নিয়ম কানুনের বাইরে তার নিজস্ব জগৎ তৈরি করে নিয়েছে। ওর গঠিত এই জগতে ওর অনুমতি ব্যতীত কারও প্রবেশ নিষিদ্ধ।

    তেমনি রামনারায়ণের বাড়ির আঁতুড় ঘরে কোনো পুরুষ ডাক্তারের প্রবেশ নিষিদ্ধ।

    শহর থেকে কোনো এক মহিলা ডাক্তারকে গাড়ি করে তুলে আনা হয়েছে, দুই বউ-এর প্রসবের জন্য।

    একই দিনে দুজনেরই প্রসব বেদনা উঠল। বড় বউ অবশ্য দু-দিন ধরেই কাতরাচ্ছিল কিন্তু প্রসব বেদনায় নীল হয়ে গেছে মৃন্ময়ীর ফর্সা মুখ। দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করেছে মৃন্ময়ী। ডাক্তার বলল, মৃন্ময়ীর আর হয়তো বাচ্চা নাও হতে পারে। জয়নারায়ণের কপালের জোরেই নাকি এই সন্তানটি সুস্থভাবে চিৎকার করল, চৌধুরীদের জমিদার বাড়ির আঁতুড় ঘরে।

    চৌধুরীদের বাড়িতে সকলে বলাবলি করছিল, শিবানীর ডাক ঠাকুর শুনেছে, তার একটি ফুটফুটে ছেলে হয়েছে।

    মৃন্ময়ীর কোলে মেয়ে।

    যাক অবশেষে বংশ রক্ষা করতে পেরেছে বিজয়ের স্ত্রী। তাকে আর পদ্ম পুকুরে ডুবেও মরতে হয়নি।

    রামনারায়ণ নাতির নাম রেখেছে কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী।

    শিবানীর গলায় উঠেছে শ্বশুরের আশীর্বাদ স্বরূপ সোনার বিছে হার। গরবিনী শিবানী এতদিনে চৌধুরী বাড়ির বড় বউ-এর সম্মান পেয়েছে। কোল আলো করা ছেলে নিয়ে সে এখন পান্নাবালাদেবীর বড় আদরের বউ হয়েছে।

    মৃন্ময়ীর মেয়েকে কেউ অবহেলা করতে পারেনি। যা একখানা দজ্জাল বউ, তার মেয়ে হলেও তাকে সম্মান দেখাতেই হবে।

    জয়নারায়ণ ক-দিন মন খারাপ করে ছিল বলেই, মৃন্ময়ী বলেছিল, মেয়ে নিয়ে সে বাপের বাড়ি চলে যাবে। গুপ্তিপাড়ায় ঘরে ঘরে জেনে যাবে জমিদার বাড়ির বউ ছাড়া হয়েছে।

    সকলেই ওই পাগলাটে বউ-এর জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়েই থাকে। কৃষ্ণেন্দুর অন্নপ্রাশনের সাথে জয়শ্রীরও অন্নপ্রাশন করতে হবে বলে বাড়িতে প্রথম অশান্তি বাঁধাল মৃন্ময়ী।

    তাকে যতই বোঝানো হোক যে, মেয়েদের জন্মটাই নাকি অভাগীর, তার আবার ঘটা করে মুখে ভাত কী করে হবে?

    মৃন্ময়ী শ্বশুর-ভাসুর না মেনেই বলল, তাহলে আমিই আমার গয়না বেচে গ্রামবাসীকে নিমন্ত্রণ করে আসব। জয়নারায়ণ অনেক বুঝিয়েও স্ত্রীকে শান্ত করতে না পেরে, জয়শ্রীরও বেশ ঘটা করে অন্নপ্রাশন করা হল।

    দিনরাত মেয়েকে নিয়ে আদিখ্যেতা করে চলেছে মৃন্ময়ী। আড়ালে সকলেই বলে, ছোট বউ-এর মাথায় একটু আধটু গন্ডগোল তো আছেই। তবে প্রাণে দয়া-মায়া আছে। গরিব মানুষদের দান-ধ্যান করতে জানে।

    রামনারায়ণ একদিন ছোট বউমাকে ঘরে ডেকে বললেন, তোমার এই মেয়ে নিয়ে আদিখ্যেতা মোটেই পছন্দ করি না। লোকজন হাসাহাসি করে এ নিয়ে। কৃষ্ণেন্দুর সঙ্গে একই ক্ষণে জন্মেছে মানেই তোমার মেয়ে এ বংশের মান বাড়িয়েছে, তা কিন্তু মোটেই নয়।

    তুমিও আর একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দাও, তাকেও চৌধুরীবংশ মাথায় করে রাখবে!

    মৃন্ময়ী নিজের ঘোমটা শ্বশুরের সামনে খুলে, চোখ তুলে উঁচু গলায় বলল, মেয়েটা যখন এই চৌধুরীদের ঔরসেই হয়েছে, তখন এই বংশের সমস্ত সম্পত্তির ওপর জয়শ্রীর সমান অধিকার আছে। দেশে আইন বলেও তো একটা কথা আছে।

    রামনারায়ণ বোধহয় স্বপ্নেও কল্পনা করেনি ওই এক রত্তি মেয়ে তার মুখের ওপর এমন কথাও বলতে পারে!

    মৃন্ময়ী বলেছিল, আমার মেয়েকে আমি ডাক্তার করব। যেমন ডাক্তার কলকাতা থেকে এসেছিল আমাদের বাড়িতে, তেমন ডাক্তার।

    শুনেই হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল পান্নাবালার। সত্যিই বউ-এর মাথার ব্যামো আছে। এমন বেআক্কেলে কথা কি কেউ বলে?

    ভয়ে হোক আর জমিদার গিন্নির ভক্তিতেই হোক এবাড়িতে কেউ মৃন্ময়ীর মুখের ওপর কথা বলে না।

    ও মেয়ে তো বলেই দিয়েছে, তার মেয়ের ভবিষ্যতের সামনে যদি কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ায়, আঁশবটির এক কোপে তার গলা নামাবে।

    মৃন্ময়ী স্বামী, শ্বশুর, ভাসুর কাউকে মানে না! ছোট বউ-এর মুখের কথা আর কাজের মধ্যে বিস্তর ফারাকও কেউ কোনোদিন দেখেনি চৌধুরী বাড়িতে। অগত্যা সকলেই সমঝে চলে এসেছে ওকে। সেই মৃন্ময়ীর ঝুলপিতে এখন রূপলী চুলের রেখা। রামনারায়ণ চৌধুরী মারা গেছেন। বিজয়নারায়ণই এখন জমি জায়গা দেখাশোনা করছে। জয়নারায়ণ আর বছর দুয়েক পরেই রিটায়ার করবে।

    পান্নাবালার বয়স হলেও সংসারের কতৃত্ব এখনও তার হাতে। শিবানী বড় বউ হলেও মৃন্ময়ী আর পান্নাবালার নির্দেশেই নিজেকে ভাসিয়ে দিতে বেশি পছন্দ করে এসেছে আজীবন। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ষোলোর মৃন্ময়ীর সাথে আজকের মৃন্ময়ীর পার্থক্য একটাই, আগে সে সকলকে বোঝাতে চেষ্টা করত, সকলের কাছে অনুমতি চাইত, আর এখন সে তার দৃঢ় সিদ্ধান্ত জানায়।

    আজ জমিদার বাড়িতে রান্নার বড় ঘটা। আজ দুই ছেলে মেয়ে ফিরছে। কৃষ্ণেন্দু আর জয়শ্রী। কৃষ্ণেন্দু পেশায় অধ্যাপক, কয়েক বছর বিদেশে থেকে আজ সে ফিরছে। কৃষ্ণেন্দু সত্যিই খুব ভালো ছেলে। কাকিমা মৃন্ময়ীর প্রতি তার আলাদা একটা সম্মান আছে।

    মৃন্ময়ীর মেয়েও বিদেশ থেকে ফিরছে। মৃন্ময়ী গলা উঁচু করে বলেছে আমার মেয়ে বিলেত ফেরত ডাক্তার।

    এতদিনে মৃন্ময়ীর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এই গ্রামের বাধানিষেধের বেড়াজাল থেকে বের করে সে মেয়েকে কলকাতার হোস্টেলে রেখে পড়িয়েছে, বিজয়নারায়ণের সাথে আর পান্নাবালার সাথে সংঘর্ষ করে মেয়ের বিদেশ যাবার টাকা আদায় করতে হয়েছে তাকে। জয়নারায়ণ কোনোদিনই মা আর দাদার মুখের ওপর কিছু বলে উঠতে পারেনি। জয়শ্রী মাকে ফোন করে জানিয়েছে, সে আজ সকাল দশটা নাগাদ ঢুকবে। কৃষ্ণেন্দু ফিরেছে ভোর রাতে।

    পেল্লাই বাড়ির বাইরে অনেকেই ভিড় জমিয়েছে, এ বাড়ির ডাক্তার মেয়েকে দেখবে বলে।

    একমাত্র, বিজয়নারায়ণই একটু বিরক্ত। তার দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছে সে। তাদের ছেলে পুলে হয়ে গেছে। আর এই বত্রিশের ধিঙ্গি মেয়ে ডাক্তার হয়ে বাড়ির মান-সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। যেমন নির্লজ্জ ছোট বউমা, তেমন তার মেয়ে।

    কৃষ্ণেন্দু আবার গর্ব করে বলছে, ভাবতেই ভালো লাগছে আমার বোন এফ আর সি এস পেয়েছে।

    বিরক্ত বিজয়নারায়ণ মাকে গিয়ে বলল, মা দয়া করে এবার জয়ের মেয়ের একটা বিয়ে দাও। এই বয়সে জয়ীর জন্য পাত্র পেলে হয়!

    জয়শ্রী বাড়িতে ঢুকেই ছুটে এসে তার মাকে জড়িয়ে ধরেছে। মৃন্ময়ীর চোখের জলে ভিজে যাচ্ছে জয়শ্রীর জামা।

    মনে পড়ে যাচ্ছে মৃন্ময়ীর, কত বছর এই মেয়ের জন্য লড়াই করেছে সে। সকলে চেয়েছিল,জয়শ্রীর বিয়ে দিয়ে দিতে। ঠিক সেই সময়ই মৃন্ময়ী জেদ করে মেয়েকে কলকাতায় পাঠিয়ে দিয়েছিল। কতদিন জয়নারায়ণ স্ত্রীর সাথে কথা বলেনি ওই অপরাধে। সকলেই বলত, বড্ড অলক্ষুণে বউ মৃন্ময়ী। তার মেয়েও নাকি তার মতোই বাচাল হবে। সব অপমানের উপযুক্ত জবাব দিতে আজ জয়শ্রী ফিরে এসেছে ডাক্তার হয়ে।

    হঠাৎ বিজয়নারায়ণ নিজের বুকের বাঁদিকটা হাত দিয়ে চেপে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।

    কৃষ্ণেন্দু কিছু না বুঝেই তাকিয়ে আছে বাবার মুখের দিকে।

    জয়শ্রী বলল, দাদাভাই! হারি আপ…

    মুখে ব্লো করো, বুকে পাম্প করছি আমি। নিজের ব্যাগ খুলে ইনজেকশন পুশ করল জয়শ্রী।

    কৃষ্ণেন্দু শুধু বোনের কথা মতো কাজ করে চলেছে।

    বিপদকালীন পরিস্থিতির জন্য বেশ কিছু জিনিস সর্বদাই জয়শ্রীর হাতের কাছে থাকে। এর আগেও ট্রেনে-বাসে বহুবার অনেক মানুষের জীবন রক্ষা করতে পেরেছে জয়শ্রী, এই এমার্জেন্সী ওষুধের সাহায্যে।

    ধীরে ধীরে চোখ খুলল বিজয়নারায়ণ। তখনও একটা আঙুলকে ছেদ করে ব্লাড বের করে যাচ্ছে জয়শ্রী।

    পান্নাবালা বলছেন, জানতাম ওই অলক্ষুণে মেয়ে বাড়িতে পা দিলেই কিছু অঘটন ঘটবেই। ঘরের মেয়ে বিদেশে অজাত-কুজাতের সঙ্গে মিশে বাড়ি ফিরলে, সে বাড়িতে আর লক্ষ্মী টেকে না। মুখে গজগজ করে কপাল চাপড়াচ্ছেন পান্নাবালা। শিবানীও স্বামীর এমন অবস্থা দেখে বিহ্বল হয়ে বলে বসল, জয়শ্রীর জন্যই কি তবে এমন হল?

    শুধু পরীক্ষা দিয়ে চলেছে মৃন্ময়ীর মেয়ে।

    বিজয়নারায়ণ চোখ খুলতেই জয়শ্রী বলল, জ্যেঠু তুমি রেগুলার প্রেসার চেক করাও? ওষুধ খাও?

    বিজয়নারায়ণ ধীরে ধীরে বলল, প্রায় দিন পাঁচেক প্রেসারের ওষুধটা খাওয়া হয়নি।

    মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে এই প্রথম জয়শ্রীর মাথায় হাত বোলাল বিজয়নারায়ণ চৌধুরী।

    গুপ্তিপাড়ায় নিমেষে রটে গেল, জয়নারায়ণের মেয়ে বিখ্যাত ডাক্তার হয়ে ফিরেছে।

    রান্নাঘরে বড় জা শিবানী আর মৃন্ময়ী খাবার সাজাচ্ছিল। শিবানী বলল, মিনু একটা কথা বলি…

    তোর দাদা যখন জয়শ্রীকে মেনেই নিলেন, তখন সত্যিটা বলতে আর দোষ কোথায়?

    মৃন্ময়ী রাগ আর ঘৃণা মিশ্রিত চোখে তাকিয়ে বলল, কেন দিদি? সাত ভরির হার গলায় দুলিয়ে, ছেলে কোলে নিয়ে সৌভাগ্যবতী সাজার সময় তো তোমার সত্যিটা বলতে ইচ্ছা করেনি? কখনো তো কাউকে বলোনি যে, কৃষ্ণেন্দু আমার ছেলে, সেদিন রাতে তোমার আবার মেয়েই হয়েছিল! আমি যখন ডাক্তারকে বলেছিলাম, ছেলেটাকে দিদির পাশে দিন আর মেয়েটাকে আমার পাশে, আমি তোমাকে পদ্ম পুকুরে ডুবে মরা থেকে বাঁচিয়ে ছিলাম, বুঝেছিলাম অল্প হলেও তোমারও জ্ঞান ছিল তখন। কই তুমি তো সেদিন প্রতিবাদ করোনি দিদি?

    আজ যখন আমার বুকের রক্ত দিয়ে আমি আমার মেয়েকে মানুষ করেছি, সে দাদার জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে, তখন তুমি তোমার মেয়ের পরিচয় দিতে চাইছো? নিজের ছেলেকে তোমার কোলে বড় হতে দেখে বুকটা ফেটে যেত আমার, কই তখন তো তুমি আমার ছেলেকে কোলে দিয়ে বলোনি, সত্যিটা বলে দে ছোট। আজ বত্রিশ বছর পর তুমি সত্যি খুঁজতে চেও না দিদি। সেদিনও বলেছিলাম, বঁটির এক কোপে শেষ করব তাকে যে আমার মেয়ের দিকে তাকাবে। আজও ওই একই কথা বললাম দিদি।

    রান্না ঘরের বাইরে থেকে সবটা শুনে জয়শ্রী কিছু না শোনার ভান করে ভিতরে এসে বলল, জানো মা, আমাকে সকলে বলে, তোমার মা নিশ্চয় কোনো মহিয়সী মহিলা, তাই তোমার এত সাহস!

    আমি সকলকে গর্ব করে বলি, আমার মায়ের নাম মৃন্ময়ী চৌধুরী।

    মৃন্ময়ী সেই ছোটবেলার মতো মেয়ের গালে গাল ঘষে বলল, তুই আমার মেয়ে জয়ী। তুই আমার মেয়ে। আমর গর্ভেই তোর জন্ম। তোর জন্যই সারারাত আমি প্রসব বেদনা সহ্য করেছিলাম। তুই শুধুই মৃন্ময়ী চৌধুরীর মেয়ে জয়শ্রী চৌধুরী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }