Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প239 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তম পুরুষ – ১৩

    তেরো

    পরদিন খুব ভোরে একটা গোলমাল শুনতে পেলাম; ঘুম গেল ভেঙে। এমন সময় সমস্ত বাড়িটাকে প্রকম্পিত করে আব্বার আওয়াজ ভেসে এলো :-র-ম-জা-ন!

    এই ডাকটির সঙ্গে রমজান অত্যন্ত পরিচিত। কেয়ামতের দিনে ইসরাফিলের সিঙাকেও বুঝি সে এত ভয় করবে না। বলির পাঁঠার মতো কাঁপতে কাঁপতে সে আব্বার সামনে এসে দাঁড়ালো।

    আব্বার ক্ষুদ্র চোখ দুটি তখন জ্বলজ্বল করছে; রাগে পা টলছে; সমস্ত শরীর থরথর করে কাঁপছে। খোঁচা খোঁচা দাড়িতে পরিপূর্ণ মুখের অভিব্যক্তি আরো ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে। তাঁর সেই মূর্তির সামনে আসতে অতি বড় সাহসীরও বুক কাঁপবে।

    —হারামজাদা, মুরগি কোথায়?

    —জি আমি তো জানি না।

    এই নেতিবাচক জবাব আব্বার পছন্দ হলো না।

    —জি আমি তো জানি না! ব্যাটা ন্যাকা।

    আব্বার দৃষ্টি রুক্ষ থেকে হয় রুক্ষতর; পেশিগুলো দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর। গত রাত্রেই এই মুরগিটি কেনা হয়েছে। বহু কষ্টের সঞ্চিত উদ্বৃত্ত থেকে এই মুরগিটি কেনা হয়েছে। আব্বা এসেছেন, সাদা কোর্মা রান্না করা হবে। সেই মুরগিটিই সকালবেলা কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেল। গোলমাল করে আব্বা বাড়ি মাথায় তুললেন। শেষ পর্যন্ত স্থির করলেন জীবটির অন্তর্ধানের সঙ্গে নিশ্চয়ই রমজানের কোনো যোগাযোগ আছে।

    রমজান আমাদের বাড়ির ভৃত্য। যাকে কন্দর্প বলে, হতভাগা দেখতে তেমন কিছু নয়। রমজানের কদম-ছাঁট কেশগুচ্ছ ওপরের দিকে সাঁড়াশির মতো তোলা; কেশ থেকে অনবরত বহুদিনের পচা মাংসের গন্ধ বের হয়; চোখ দুটি কোটরের মধ্যে এত বেশি ঢোকা যে, আছে কি নেই তাও ঠাহর করে দেখতে হয়।

    আব্বার জেরার সম্মুখীন হয়ে রমজান ঠকঠক করে কাঁপতে থাকে।

    —কোথায় উঁ? কোথায়?

    রমজান নিরুত্তর দাঁড়িয়ে থাকে। আব্বা তাঁর নীরবতাকে অপরাধের স্বীকারোক্তি বলে ধরে নেন।

    এবার এক প্রবল চপেটাঘাতে রমজান ঘুরে পড়ল।

    আমি বড্ড দমে গেলাম। সুপ্রভাতে দিনটি শুরু হলো বলা চলে না। আব্বা যে কটি দিন কলকাতায় থাকবেন, সে কটি দিন আমাকে বাড়িতেই থাকতে হবে। সারাটা দিন বাড়িতে থাকা আমার পক্ষে কম বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা নয়। তাছাড়া আব্বার মেজাজ কখন কেমন থাকে, আগে থেকে কেউ বলতে পারে না। সবচাইতে মুশকিল, কিসে যে তিনি প্রসন্ন হন আর কিসে রুষ্ট, তা পূর্বাহ্ণে অনুমান করা অসাধ্য।

    আজকের দিনটি যে খুব সুদিন হবে না সেটা অন্তত অবধারিত। সারাটা দিন যে কিভাবে কাটবে সেই কথা মনে করে আম্মার পিছনে পিছনে ছায়ার মতো ঘুরে বেড়াতে লাগলাম।

    চারপাশে শাক-সবজি, আলু, মাছ আর তারই মাঝখানে বসে আম্মা বঁটি দিয়ে পটল কাটছিলেন! আমিও সেখানেই বসে পড়লাম।

    —আব্বার রাগ খুব বেশি, তাই না?

    আম্মা এবার মুখ তুললেন। আম্মা আজ খুব সকাল সকাল গা ধুয়ে সারাদিনের জন্য তৈরি হয়ে নিয়েছেন। একটা ধোপার ধোয়া শাড়িও পরেছেন। গত সন্ধ্যায় তাঁর মুখে যে হাসি দেখি, এখনো তা অপরিম্লান আছে। আম্মাকে যেন আজ এক দৃষ্টিতে দেখলাম। এতদিন আমার ধারণা ছিল আম্মা বুঝি দেখতে ভালো নয়। মুশতাকের আম্মা আর নিজের আম্মাকে কল্পনায় পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে একটা তুলনামূলক বিচারও করে নিয়েছি। এই বাজিতেও আমি মনে মনে মুশতাকের জিত মেনে নিয়েছি। সমস্ত মন-প্রাণ দিয়ে আমি বরাবর কেবল এই মোনাজাতই করেছি, মুশতাক বা সেলিনা বা তাদের মা যেন কোনোদিন আমাদের বাড়ি না আসে; আমার আম্মাকে পরীক্ষকের দৃষ্টিতে দেখবার সুযোগ যেন তাদের কোনোদিনই না হয়।

    কিন্তু এই মুহূর্তে এক অভাবিত আবিষ্কারে আমার মন যুগপৎ বিস্ময়ে ও আনন্দে ভরে গেল। কে বলে আম্মা দেখতে ভালো নয়। এই মুহূর্তে মুশতাকের আম্মা একবার দেখে গেলে পারতেন।

    আম্মা বঁটির ওপর থেকে মুখ তুললেন। তারপর কতকটা যেন আনমনেই বলে গেলেন :

    —ওঁর মেজাজ! এখন আছে তো এখন নেই।

    —আচ্ছা আম্মা! তুমি রোজ ফর্সা জামা-কাপড় পর না কেন?

    আম্মা যেন হঠাৎ বিব্রত হয়ে পড়লেন। তারপর কতকটা সামলে নিয়ে বললেন :

    —তুই যখন রোজগার করে এনে দিবি, তখন দেখবি রোজ ফর্সা জামা-কাপড় পরব।

    সে কথায় আমি কান দিই না। পুনশ্চ বলি :

    —মুশতাকের আম্মা সবসময় কেমন ফিটফাট থাকেন।

    আম্মার মুখ হঠাৎ গম্ভীর হয়ে গেল! সে এক মুহূর্ত মাত্র। তারপর হাঁটুর ওপর চিবুক নাবিয়ে

    এনে তিনি তাঁর মুখের হাসি গোপন করতে চেষ্টা করলেন।

    —মুশতাকের আম্মা যদি তোর আম্মা হতেন, তাহলে তুই খুব খুশি হতিস—তাই না!

    —যাঃ। তাই বই কি। তা নয়। কিন্তু…

    আমার মুখে আর কোনো কথা যোগালো না। এক নব আবিষ্কারের বিস্ময়ে আমি হতবুদ্ধি হয়ে গেলাম। পরক্ষণেই এক নিদারুণ ধিক্কার বোধে আমি অধোবদন হয়ে গেলাম। বস্তুত এইমাত্র আম্মা যে-কথাটি বললেন, সেই কথাটি ঠিক সেইভাবে কখনোই আমার মনে আসে নি। কিন্তু এখন হঠাৎ কথাটি শুনে আমার মনে হলো, কথাটি যে ঘুণাক্ষরেও মনে আসে নি তা নয়। হঠাৎ এক দুস্তর লজ্জায় মাথাটা আপনা থেকেই নিচু হয়ে গেল।

    আম্মা আড় চোখে আমাকে দেখছিলেন। এবার হাসতে হাসতেই বললেন :

    —কি রে! মুখে যে কোনো কথা নেই। যা বললাম ঠিক না?

    আমি মাথা নিচু করে বসেই থাকলাম। হঠাৎ দু’চোখ প্লাবিত করে অশ্রুর বন্যা নেবে এলো।

    আম্মা দু’হাত দিয়ে আমাকে কোলের ওপরে টেনে নিলেন। বললেন :

    —আচ্ছা পাগল ছেলে তুই যা হোক।

    অনেকক্ষণ কারো মুখে কোনো কথা নেই। এক সময় আমিই বললাম—কিছুতেই কি আর গলা থেকে কথাগুলো বেরুতে চায়। তবু শুরু করলাম :

    –সে দিনের সেই দুটি টাকা—

    কিছুতেই কথা শেষ করতে পারলাম না।

    আম্মা তেমনি হাসতে হাসতেই বললেন :

    —তুই থাম তো। বকবক করিসনে। আমার হাতে অনেক কাজ।

    বলেই আম্মা উঠে পড়লেন। তক্তার ওপর থেকে একটা মাটির হাঁড়ি নাবিয়ে কি সব নাড়াচাড়া করতে লাগলেন।

    টাকার প্রসঙ্গ যে এখানেই শেষ তা বুঝলাম। সিদ্ধান্ত আমার পক্ষেও কিছুমাত্র অরুচিকর মনে হলো না।

    এবার আমিও উঠে পড়লাম।

    কিন্তু খানিকক্ষণ এদিক-ওদিক ঘুরে-ফিরে আবার রান্নাঘরেই এসে উপস্থিত হলাম। বাড়িতে বন্দি হয়ে থাকলে এছাড়া আর উপায়ই-বা কি! আব্বা একটা প্রকাণ্ড ইজি-চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে পড়েছিলেন। তাঁর দুই পাশে দুটি মোড়ার ওপর বড় ভাই আর মেজ ভাই বসে অপেক্ষা করছিলেন।

    অপেক্ষা আর কিছুরই নয়।

    বহুদিন পর কলকাতা ফিরে এলে আব্বা ছেলেদের কাছে ডেকে এনে তাঁর অবর্তমানকালের যাবতীয় ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ শুনতে চান। ইজি-চেয়ারে শুয়ে কখনো বড় ভাইকে একটি প্রশ্ন করেন, আবার কখনো মেজ ভাইকে একটি প্রশ্ন করেন। তাঁরা যে সময়টায় জবাব দিতে থাকেন সেই অবসরে আব্বা চোখ মুদে হুঁকোর নলে টান দিতে থাকেন এবং তারই মাঝে আরো দু’-একটা অতিরিক্ত প্রশ্ন করে জ্ঞাতব্য তথ্যের মধ্যে কোথাও কোনো রন্ধ্র থাকলে তাও পূর্ণ করে নেন।

    আজও দেখলাম আব্বার দুই পাশে দুটি মোড়ায় বসে বড় ভাই আর মেজ ভাই তাঁদের জবানবন্দি দিচ্ছিলেন। প্রশ্নোত্তরের সময় বড় ভাইয়ের আচরণ অনেকটা স্বচ্ছন্দ; কিন্তু বেচারা মেজ ভাইয়ের করুণ মুখভাব দেখে আমার চিত্তও আর্দ্র হয়ে উঠল।

    আমি আর ওদিকে ভিড়তে সাহস করলাম না। আমাকে অবশ্য কখনোই এই কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয় নি; হলে নির্ঘাত ফেল করতাম। কারণ আব্বার সব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকার নয়, আর থাকলেও সে উত্তর আব্বার কাছে কিছুতেই সদুত্তর বলে মনে হতো না। কিন্তু এখন তো আমি বড় হয়েছি। পাছে আমাকে দেখলে তিনি আমাকেও ডাক দেন, সেই ভয়ে আম্মার কাছে নিরাপদ কোণে ফিরে এলাম।

    আম্মা জিজ্ঞাসা করেন:

    —আবার কি চাস? এখানে ফিরে এলি কেন? যা না তোর আব্বা এসেছেন, তাঁর কাছে গিয়ে একটু বস না। কত খুশি হবেন।

    আমি সে কথার কোনো জবাবই দিলাম না। সামনেই একটা মিঠা আলু পড়ে ছিল, তাই নাড়াছাড়া করতে লাগলাম। কিছুকাল নীরবতার পর যখন আমি কথা বললাম, প্রসঙ্গ তখন একেবারেই ভিন্ন।

    —আমরা বড় গরিব, তাই না?

    ফের সেই কথা। তুই সবসময় গরিব গরিব করিস কেন রে? কিসে গরিব? তোর আব্বা শুনতে পেলে কত কষ্ট পাবেন জানিস?

    আমি আমার পূর্ব উক্তিরই সূত্র ধরে আবার বললাম :

    —বাড়িতে সাবান দিয়ে কেচে নিয়েও তো তুমি ফর্সা জামা-কাপড় পরতে পার। তাই কেন কর না?

    –কেন আবার। ইচ্ছে করে না তাই।

    –ইচ্ছে কেন করে না?

    —যা যা পালা। বকাস নে। মার খাবি।

    আব্বা যে কখন পিছনে এসে দাঁড়িয়েছেন, একেবারেই টের পাই নি। হঠাৎ খুব কাছে থেকেই সিগার আর জবাকুসুম তেলের গন্ধ ভেসে এলো। এ গন্ধ সুগন্ধই যেমন লোবানের গন্ধও সুগন্ধ; কিন্তু কেমন করে যেন মওতের কথা মনে করিয়ে দেয়। অন্তত আমাকে। আমি কাঠ হয়ে বসে থাকলাম। সকালবেলার রুদ্র মূর্তির কথা মনে পড়ে গেল।

    আমি অচৈতন্যের মতো তেমনি মাথা নিচু করে বসে থাকলাম; গলায় শব্দ নেই, শরীরে এতটুকু কম্পন নেই। যেন পাষাণ হয়ে গেছি।

    পিছনের ছায়া তেমনি নীরবে সরে গেল। খড়মের আওয়াজ একটু একটু করে দূরে চলে গেল। এইবার আমি মুখ তুললাম।

    —ওঁকে দেখে তোরা অমন কাঠ হয়ে যাস কেনরে?

    আম্মার কণ্ঠ অত্যন্ত কঠিন।

    উত্তরের জন্য অপেক্ষা না করেই তিনি উঠে চলে গেলেন।

    অপেক্ষা করলেও অবশ্য সেদিন উত্তর দিতে পারতাম না। বাড়ির অভিভাবকের অশেষ স্নেহ শুভেচ্ছা আর কল্যাণ কামনা সত্ত্বেও তাঁকে এড়িয়ে চলার এই যে একটা প্রবণতা, এর ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া সহজ না হলেও, ব্যাখ্যা একটা থাকেই! শৃঙ্খলা বস্তুটি সভ্য জীবনযাত্রার পথে সম্পূর্ণ অপরিহার্য হলেও মানুষের আদিম প্রবৃত্তি বোধ করি বিশৃঙ্খল থাকতেই ভালোবাসে। সকাল হলেই হাতমুখ ধুয়ে নাস্তাপানি খেয়ে পড়তে বসতে হবে এবং রাত ন’টা বাজতেই বিছানায় যেতে হবে এই বাধ্যবাধকতাটুকু মোটেই রুচিকর ঠেকে না। সকাল ন’টা পর্যন্ত ঘুমুতে পারলেই এবং রাত ন’টার পর পড়াশোনা শুরু করতে পারলেই, অন্তত সেই স্বাধীনতাটুকু থাকলেই আমরা যেন খুশি হই। কিন্তু বাড়িতে আব্বা থাকলে সেটি হবার জো নেই। যখন খুশি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাব, সারাটি রাত বন্ধুর বাড়িতে কাটিয়ে আসব, রৌদ্র-দগ্ধ দুপুরে ঘুড়ি-লাটাই নিয়ে ছাতে উঠব, এসব কিছুই হবার উপায় নেই।

    অবশ্য অন্য কারণও ছিল।

    আমাদের অভিভাবক অত্যন্ত স্নেহপ্রবণ। এককালে, তাঁর বাপদাদার আমলে, আব্বার সামাজিক মর্যাদা শিখরে ছিল। চতুর্দিক থেকে সকলেই এত সম্মান প্রদর্শন করত যে, সেই অফুরন্ত উপঢৌকনের ফলে সম্মানিত হওয়া তাঁর স্বভাবে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। এর যে অন্যথা হতে পারে, ব্যতিক্রম ঘটতে পারে সে ছিল তাঁর কাছে অচিন্তনীয়। অথচ একদিন চাকা গেল ঘুরে—দাদার মৃত্যু হলো। আব্বাকে চাকরি নিতে হলো। অপেক্ষা করবার উপায় ছিল না। হাতের কাছে যে চাকরি পাওয়া গেল, হাত পেতে তাই নিতে হলো।

    অথচ তাঁর এই পদমর্যাদা তাঁর সামাজিক মর্যাদার সমতুল্য ছিল না। বংশ-পরম্পরায় সঞ্চিত মর্যাদার ভাণ্ডার অপর্যাপ্ত হলেও অফুরন্ত হয় না! একদিন সে ভাণ্ডারও শূন্য হয়। এই পরিবর্তনটুকু কেবল যে মর্মান্তিক তাই নয়, অনেকের পক্ষেই এই পরিবর্তন স্বীকার করে নেয়া সহজও নয় সম্ভবও নয়।

    একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে আব্বা তেমন কিছু উচ্চপদস্থ ছিলেন না; কিন্তু তবু একজন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তাঁর হাতে যে ক্ষমতা ছিল তাও তুচ্ছ নয়। তার চোখের ঈষৎ কম্পনে শত শত অপরাধীর হৃৎকম্প হতো, কলমের এক একটি আঁচড়ের ফলে আসামি মুক্তির নিশ্বাস ফেলত বা কয়েদ হতো। তাই আব্বার ব্যক্তিত্বে এক প্রকার হাকিমী—নৈর্ব্যক্তিকতা ছিল যা কাছে টানত না, দূরে সরিয়ে দিত। অবশ্য অনেক সময়ই স্ত্রী-পুত্রের সান্নিধ্যে এই নৈর্ব্যক্তিকতার পর্বত সূর্যের সান্নিধ্যে বরফের মতো গলে যেত। সে দৃশ্য দুর্লভ হলেও এবং দুর্লভ বলেই, আমাদের সকলের চোখই সিক্ত করে দিত।

    চাকরি জীবনের শেষের দিকে তিনি একটা মহকুমার শাসন ভার পেয়েছিলেন। কিন্তু যেদিন তিনি শাসনভার একজন ইংরেজ আই-সি-এস কর্মচারীকে বুঝিয়ে দিয়ে অবসর ভোগ করতে কলকাতা চলে এলেন, সেদিন তাঁর চোখে পানি। শ্বাসরুদ্ধকর খাটুনির মাঝে মাঝে খোদার কাছে তিনি বরাবরই এই মোনাজাত করেছেন এমনি শান-শওকতের মধ্যেই যেন তাঁর জীবন শেষ হয়। ট্রেন ছাড়বার প্রাক্কালে উর্দিপরা আরদালি, ইউনিফর্ম-পরা কনস্টেবল এবং অন্যান্য অধীন কর্মচারী প্লাটফর্মের ওপর ভিড় করে দাঁড়িয়েছিল। সকলের মুখেই বিদায়বেলার বেদনার ছায়া। আব্বার মুখে রিক্ততার পাণ্ডুরতা। ট্রেন ছেড়ে দিল। আরদালি বললো : হুজুর সালাম। কনস্টেবল দিল স্যালুট।

    আব্বার চোখে পানি। সব শেষ। আরদারি সালাম, কনস্টেবলের স্যালুট, সব শেষ। বাকি জীবনটা কি নিয়ে থাকবেন? আদালত নেই, আসামি নেই, মামলা-মোকদ্দমা কিছুই নেই। জীবনটাই যে নিঃশেষ হয়ে গেল।

    অবসরপ্রাপ্ত হাকিমকে কেউ আর ভয় করে না। পথের যে-কোনো লোকের একজনের মতোই সাধারণ লোক বলে মনে করে। যে ব্যক্তি পূর্বে দশ হাত দূরে থেকে সালাম করত, এখন পাশ দিয়ে যাবার সময়, পথের ওপর অত্যন্ত ঘটা করে পানের পিক্ ফেলে একবার জিগ্যেস করে :

    —কি, মৌলবী সাহেব কেমন আছেন?

    নিয়তির এই নিদারুণ পরিহাসকে হাসিমুখে মেনে নিতে পারে ক’জন। বাইরে বিড়ম্বিত হয়ে, অন্দরে বিড়ম্বনার সৃষ্টি করাই অধিকাংশ লোকের অভ্যাস হয়ে যায়। তাদের শক্তির সমারোহ শুরু হয় বাড়িরই লোকজনের ওপর, নির্ভরশীলদের ওপর। তখন বাড়ির কুকুরটি পর্যন্ত ঘেউ ঘেউ করতে সাহস করে না—টিকটিকিগুলো আওয়াজ করতে ভয় পায়—ঘড়ির টিকটিক শব্দ এক প্রচণ্ড বেয়াদবির মতো মনে হয়।

    আব্বা কিন্তু জায়নামাজে বসে খোদাকে ডাকতে থাকেন। এক নীরব নিঃসঙ্গ কোণে নিজের একটি জগৎ সৃষ্টি করে নেন। মাঝে মাঝে সেখানে আম্মাকে ডেকে নিয়ে বিগত দিনের সুখ- দুঃখের কথা আলোচনা করেন।

    কিন্তু এ আমি কি করছি।

    অনেক পরের কথা অনেক আগেই বলে ফেলছি।

    সেদিন বিকেলেই এক কাণ্ড হয়ে গেল।

    রমজান এসে খবর দিল :

    —ছোটবাবু, আপনার কাছে দোস্ত এসেছে।

    –লোক এসেছে? আমার কাছে? বাড়িতে আব্বা থাকতে? কে? কেমন লোক?

    —তা জানিনে বাবু। লম্বা পানা দেখতে। দহলিজে বসে সিগ্রেট খাচ্ছে।

    সিগ্রেট খাচ্ছে! আমার বন্ধু!

    হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসি। এসে দেখি সলিল বসে আছে।

    —আমার মাসিমা তোদের পাড়াতেই থাকেন। দেখা করতে গিয়েছিলাম। ভাবলাম একবার তোর এখান থেকেও ঘুরে যাই।

    আমার মুখ চুন। গলায় রা নেই।

    বেশ কিছুটা সময় বিমূঢ়ের মতো দাঁড়িয়ে থেকে এক সময় কোনোমতে বললাম :

    —তোর সিগারেটটা ফেলে দে না ভাই। এখুনি হয়তো বাবা এসে পড়বেন।

    সলিলের পরনে ফিনফিনে ধুতি, আদ্দির পাঞ্জাবি, মাথার মাঝখান থেকে কাটা লম্বা টেরি। হাতে আঙুলের ফাঁকে একটা জ্বলন্ত সিগারেট, যার গন্ধ হয়তো এতক্ষণে অন্দরমহলে আব্বার নাসিকা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

    সলিলকে আজ এইভাবে এখানে উপস্থিত দেখে আমার কেবলই মনে হতে লাগল, তার সঙ্গে বন্ধুত্বের কোনো সন্তোষজনক কৈফিয়তই আমি আব্বাকে দিতে পারব না।

    সলিল একবার অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো। জানালার ভিতর দিয়ে সিগারেটটাও ছুঁড়ে ফেলে দিল; কিন্তু তারপর পায়ের ওপর পা তুলে দিয়ে দিব্যি গুছিয়ে আরাম করে বসল।

    এদিকে আমার হার্ট-প্যালপিটেশন শুরু হয়ে গেছে।

    সলিল আর একটিবারও আমার দিকে ভ্রূক্ষেপ করল না। তার দুটি চোখের দৃষ্টি জাহাজের সন্ধানী আলোর মতো কামরাটির চতুর্দিকে কখনো-বা পর্দার ফাঁক দিয়ে অন্দরমহল পর্যন্ত ঘুরে বেড়াতে লাগল। পর্দার ফাঁক দিয়ে ভিতরে যতদূর দেখা যায়, বারবার দেখতে লাগল।

    এমন সময় আমার নাকে জবাকুসুম তেল আর সিগারের গন্ধ আবার ভেসে এলো। আমার হৃৎপিণ্ড বুকের ভিতর কাটা ছাগলের মতো আছাড় খেতে লাগল।

    সলিল হঠাৎ জিগ্যেস করল :

    —তোদের বাসায় কে কে আছে রে?

    —আমার মা, বাবা আর ভাইরা।

    —তোরা ক’ভাইবোন?

    —তিন ভাই শুধু।

    — বাস্!

    হঠাৎ সলিল উঠে পড়ল।

    —চলি। অনেক কাজ আছে। আরো দু’একটি বাড়ি যেতে হবে।

    বলেই সে হনহন করে বেরিয়ে গেল।

    ঠিক সেই মুহূর্তে পর্দা তুলে আব্বা ঘরে ঢুকলেন।

    —ছেলেটি কে?

    —আমার ক্লাস-ফ্রেন্ড।

    —ক্লাস-ফ্রেন্ড! হারামজাদা। ইয়ার আর খুঁজে পাও নি।

    বলা বাহুল্য, তারপর আমার যে-অভ্যর্থনাটি হলো সেটিকে ঠিক উত্তম পুরুষের উপযোগী বলা যায় না।

    দু’তিন দিন পর।

    অন্তর্হিত মুরগিটিকে কলাগাছের তলায় মৃতাবস্থায় পাওয়া গেল।

    কলাগাছের বাগানে সাপেরও উপদ্রব ছিল। হয়তো সর্পদংশনই মুরগিটির মৃত্যুর কারণ। তার ওপর কুকুর-বিড়ালের নখের আঁচড়ে মুরগিটির সর্বশরীর ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। রক্ত ও পালকশূন্য মৃত মুরগিটি ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে আছে।

    আব্বা বুঝলেন, এ মানুষের কাজ নয়।

    রমজান শয়তান হলেও এতটা শয়তান হতে পারে না।

    অত্যন্ত মোলায়েম ও অশ্রু ভারাক্রান্ত কণ্ঠে আব্বা ডাক দিলেন :

    —রমজান!

    এই আহ্বানও রমজানের সুপরিচিত।

    —জি হুজুর, যাই।

    আব্বা গভীর কণ্ঠে দুঃখ প্রকাশ করে বললেন :

    —তোকে মিছিমিছি মেরেছিলাম রে!

    তৎক্ষণাৎ মুনিবের পায়ের ধুলো মাথায় ঠেকিয়ে একগাল হেসে রমজান জবাব দিল :

    —ছিঃ হুজুর। দুঃখ করবেন না। তার বদলে আর একটি থাপ্পড় মারুন। খোদার কাছে

    হাজার শুকুর, আপনার মতো মুনিব পেয়েছি।

    —নে নে এই দুটো টাকা নে। বায়োস্কোপ দেখবি

    দ্রুতপদে রমজান সেখান থেকে পালালো। অবশ্য তার আগে দ্রুততর হস্তে টাকা দুটি পকেটস্থ করতে ভুল করে নি।

    সেদিন দুপুরে আব্বা খেতে বসেছেন।

    আম্মা দস্তরখানের সামনে বসে হাত পাখা নাড়ছেন। এক সময় আম্মা বললেন :

    —রমজান কি বলছিল জানেন?

    মুখের মধ্যে এক লুকমা ভাত পুরতে পুরতে আব্বা জিগ্যেস করেন :

    —কি বলছিল?

    —বলছিল, আপনি যদি রোজ ওকে একবার করে মার দেন তো ও খুশি হয়।

    –সে কি! কেন?

    —দুটো করে টাকা বকশিশ পাওয়া যাবে।

    —বলেছে! হারামজাদা বলেছে। র-ম-জা-ন!

    আম্মা মুখে আঁচল চাপা দিয়ে হাসি গোপন করলেন।

    আজ আব্বা চলে যাচ্ছেন।

    বাইরে ফিটন গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। কোট-প্যান্ট-হ্যাট পরে আব্বা তৈরি হয়ে নিয়েছেন। ট্রেনের সময় হয়ে এসেছে। বিরাট দেহ, বিশাল ছাতি, প্রচণ্ড ব্যক্তিত্ব; কিন্তু এই মুহূর্তে আব্বাকে আমার চাইতেও অসহায় আর দুর্বল মনে হচ্ছিল। আলনার ওপর থেকে ছড়িটা টেনে নিলেন। তারপর আমাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিয়ে অশ্রুরুদ্ধ কণ্ঠে বললেন :

    —রোদে রোদে ঘুরে বেড়ানে বাবা। কত রোগা হয়ে গেছিস্।

    আর কিছু বলতে পারলেন না। কেবল আমার দুই গালের ওপর চুমু খেলেন। কান্নার ঢেউ এসে আমার গলার কাছে আছাড় খেতে লাগল। মনে মনে বারবার বলতে লাগলাম : আমি বাইরে যেতে চাই না, বন্ধুদের বাড়ি রাত কাটাতে চাই না, আমি কিছুই চাই না, কেবল চাই আব্বা বরাবর আমাদের সঙ্গে থাকুন।

    এক পা এক পা করে আব্বা দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন। কিছুতেই তাঁর পা উঠতে চায় না। এইবার আবার আমাদের দিকে ফিরে আম্মাকে উদ্দেশ করে বললেন :

    —আব্বাসের মা চলি। খোদা হাফেজ। যাই।

    আম্মার গলা থেকে অস্ফুটে বেরিয়ে আসে :

    —খোদা হাফেজ।

    ঘোড়ার ক্ষুরের শব্দ আস্তে আস্তে মিলিয়ে গেল। জানালার গরাদ ধরে আমি আর আম্মা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলাম, জানালার বাইরে শূন্য দৃষ্টি মেলা। যেন ঘোড়ার ক্ষুরের মিলিয়ে যাওয়া শব্দটুকুর দিকেই তাকিয়ে আছি। সেইটুকুই ধরে রাখতে চাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম
    Next Article চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    Related Articles

    রশীদ করীম

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    রশীদ করীম

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }