Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤷

    প্রসন্ন পাষাণ – ১

    এক

    That is my home of love; if I have ranged,
    Like him that travels, I return again-
    Shakespeare

    জীবনের লেনদেন সবকিছু চুকিয়ে-বুকিয়ে অস্তাচলের কাছে যখন পৌঁছে গেছি, তখন অকস্মাৎ আত্মকাহিনীর অলিখিত পাণ্ডুলিপিটি চোখের সম্মুখে মেলে ধরে আজ কত প্রকার দ্বিধাই-না বাধা দিচ্ছে। বলবার মতো কথা যে একেবারেই কিছু নেই তা নয়, তবু আমার জীবনের ঘটনাবলি সাধারণ মানব জীবনের সুখ-দুঃখকে কোথাও অতিক্রম করে নি।

    এক মুসলিম পরিবারের কন্যা আমি। অন্যান্য আর দশটি মেয়ের মতোই শৈশবের ক্রীড়ায়, কৈশোরের স্বপ্নচয়নে, এবং যৌবনে সমর্পিত চিত্তে স্বামীর ক্রোড়ে আমার এই জীবন তরীটি সুখ-দুঃখের জোয়ার-ভাটায় আছাড় খেয়ে সহজেই তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে পারত। কিন্তু বয়স যখন অল্প, বুদ্ধি অপরিপক্ক, তখন থেকেই কেমন করে যেন আমার জীবনের সহজ ঘটনাগুলো একটির পর একটি জটিল পাঁকে জড়িয়ে যেতে লাগল। পরিণামে অলক্ষ্যে বহু অশ্রুপাত করতে হয়েছে, বুকের মধ্যে বহু গোপন কথা দুঃখের পাহাড়ের মতো বসে থেকেছে। তবু জীবনের কাছে আমার দেনা আর পাওনার হিসাব-নিকাশ যখন মিলিয়ে দেখি তখন মনে হয়, এই বুঝি ভালো হয়েছে। দুঃখের দহনে আমাকে পুড়তে হয়েছে আর দশজনের চাইতে বেশি; কিন্তু বিধাতা তারই তুল্য সহনশক্তিও আমাকে দিয়েছিলেন। আমার কোমল বক্ষের কম্পান্বিত তন্ত্রীগুলো জীবনের কোনো কোনো অভিজ্ঞতায় শুষ্ক তৃণের মতো নির্জীব হয়ে গিয়েছিল সত্য। সেসব অভিজ্ঞতার বেদনা যে কি সে আমিই জানি; কিন্তু তার মধ্যে কি সুখ একেবারেই ছিল না? ছিল!

    সে কথাই আজ বলতে বসেছি। এবং বলতে বসে বারবার এই কথাই আজ মনে হচ্ছে, স্বচ্ছন্দ সার্থকতায় মণ্ডিত জীবন আমি চাই নে। আমি যা পেয়েছি সেই আমার ভালো।

    আজকের এই শিথিল চর্ম বিরল কেশ অর্ধবৃদ্ধার ছবি দেখে তার যৌবনের রূপ তুমি কল্পনাই করতে পারবে না। বলবে—এটা রূপের দেমাক? তা বল। কিন্তু রূপ যে আমার ছিল গো। কপালে এত দুঃখ ছিল বলেই অঙ্গে এত রূপ ছিল। একই অঙ্গে এত রূপ কি করে ধরতে পারে মনে করে কবি অবাক হয়েছিলেন। আমার পরিমণ্ডলে যাদের বিচরণ ছিল তারা কেউ বৈষ্ণব ছিল না; তাই হয়তো তাদের মধ্যে বাক্যের কিছু আধিক্যই পরিলক্ষিত হতো। আত্মীয়মহলের যুবক সম্প্রদায় ভাবের যেসব ফানুস উড়িয়ে দিত, নিশ্চয়ই আমিই ছিলাম সেগুলোর মাধ্যাকর্ষণ; কারণ ফানুসগুলো আমারই পদপ্রান্তে এসে লুটিয়ে পড়ত। এবং তার ভাবসম্পদকে অন্য যে নামই দেওয়া যাক, নির্মল আধ্যাত্মিকতা দোষ তার ছিল না। বরঞ্চ বলতে পারি, সে ভাবের মধ্যে সোমরসেরই কিছুটা আতিশয্য থাকত।

    এই বাহুল্যতে কি আমার অরুচি ছিল? এই প্রশ্নের যে উত্তরটি শোভন হবে সেটি সত্য হবে না। কিন্তু সত্য কথা বলবার অঙ্গীকারেই এই কাহিনী শোনাতে বসেছি।

    না—অরুচি আমার ছিল না। স্তাবকের দলটির যে বস্তুটিকে আমি এড়িয়ে চলতাম সেটি হচ্ছে তাদের নিকট সান্নিধ্য। এবং যে বস্তুটিকে এড়িয়ে না চললেও ক্ষতি ছিল না, এমনকি মনে হতো এড়িয়ে চললেই ক্ষতি, সে হচ্ছে তাদের গুণগ্রাহিতা। আমাদের দৃষ্টি বা কর্ণের পরিধির মধ্যে দেখতে পেলেই, তাদের পিরান ও চাপকানের জেবের ভিতর দিয়ে যেসব কাব্যকণিকা স্ফুলিঙ্গের মতো বেরিয়ে আসত, যদিচ আমিই ছিলাম সেগুলোর প্রেরণাস্থল, আমার বক্ষকে দগ্ধ করাই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য।

    হাতের মুঠি কতটা আলগা করলে লোকসানের আশঙ্কা নেই আমি জানতাম; এবং ততটা আলগা না করলে আমার ভালোও লাগত না। সত্য কথাটি হচ্ছে এই। কিন্তু একথা ঠিক, আমি আমার অনুগ্রহ প্রার্থীদেরকে এক কঠিন ঔদাসীন্যের পারাবারের নিরাপদ পার্শ্বটিতেই দাঁড় করিয়ে রাখতাম। তাদের মধ্যে এত বড় দুঃসাহসী কাণ্ডারি কেউ ছিল না যে সেই ব্যবধান পেরিয়ে আসবে।

    তোমরা বলবে, বেশ মেয়ে যা হোক। ধরবে কিন্তু ধরা দেবে না। অন্যকে কাছে টানবে, নিজে যাবে দূরে সরে।

    মুখে যাই বল না কেন, কিন্তু বুকে হাত রেখে বলতে পার, তোমরাও এ খেলা খেল নি? আমিও তো মেয়েমানুষ। আমার চোখকেই-বা কি করে ফাঁকি দেবে? স্বজাতিকে কি আমি চিনি নে।

    দুই কুড়ি পাঁচের চৌকাঠে পা দিয়ে আজ বলতে পারি, মেয়েমানুষের অতটা স্বাধীনতা ভালো নয় যতটা আমার ছিল। এ স্বাধীনতায় আজ আর আমার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু এককালে, সেই বহুদিন আগে, যখনকার কথা দিয়ে এই আখ্যান শুরু করেছি, তখন এই বস্তুটিতে আমার বড়ই প্রয়োজন ছিল। সেকালে নারী স্বাধীনতা সম্পর্কে আমার কোনো সু-পরিস্ফুট মতামত হয়তো ছিলই না; থাকলে আজকের এই মতটির সঙ্গে তার কোনো সদ্ভাব থাকবার কথা নয়। কিন্ স্বাধীনতা বস্তুটিই এত অধিক পরিমাণে উপস্থিত ছিল যে অনুপস্থিত মতামত কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে নি।

    আমার আব্বা ছিলেন জিলা ম্যাজিস্ট্রেট। আজ এখানে তো কাল সেখানে এইভাবে তাঁর বদলি হতে থাকত। বিদ্যাভ্যাসের জন্য এই সদা সঞ্চরণশীল অবস্থাটা খুব উপযোগী নয়, তাই আমি থাকতাম আমাদের কলকাতার বাড়িতে। আমার মাথার ওপর ছিলেন চাচা—এবং পশ্চাতে ছায়ার মতো আমার বিধবা ফুপু। যখনকার কথা বলছি তখন আমি সেয়ানা হয়ে গেছি। তাই আমার প্রতিটি পদক্ষেপ আমাকে জাহান্নামের পথে নিয়ে যাচ্ছে কি না এই দুশ্চিন্তায় আমার ফুপুর দ্বিপ্রহরগুলো অনিদ্রার পীড়নের মধ্য দিয়েই অপরাহ্ণের ঘণ্টা বাজাত। অপরাহ্ণ যখন আমাদের বাড়ির বারান্দায় আলোছায়া—আলিমপনের মাদুর বিছিয়ে দিত, তখন কোলের কাছে পানের বাটা আর চারপাশে পড়শিদের বসিয়ে রেখেও নিশ্চিন্ত মনে তিনি সঙ্গসুধা পান করতে পারতেন না। অমন যে বস্তু তাম্বুল তাও বিস্বাদ হয়ে যেত সেই একই কারণে। তারপর আসত রাত্রি—তার আড়াল নিয়ে তার আঁধার নিয়ে তার গোপনীয়তা নিয়ে। আর ফুপুজানের দুটি চোখ এই অন্ধকারেও বিড়ালের মতো জ্বলতে থাকত—আমার গতিবিধির ওপর দৃষ্টি স্থির রেখে। অবশ্য এই সময়টা আমার গতির দৌড় ছিল স্নানঘর পর্যন্ত, এবং বিধির খবর একমাত্র বিধাতাই জানেন।

    অবশ্য শতপ্রকার প্রাকার তুলেও নরজগতের স্পর্শ থেকে আমাকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন করা ফুপুজানের পক্ষে সম্ভব ছিল না। কারণ আমার নরলোকের নাগরিকেরা ছিল আমারই চাচা মামা ফুপা খালা ভাইয়েরা। তাদের যাতায়াত সম্পর্কে ফুপুজানের মনোগত অভিপ্রায়টা যাই হোক না কেন তা অব্যক্তই থাকত। মুখ ফুটে তিনি কিছুই বলতে পারতেন না; কারণ ছেলেরা ভাইয়ের বা বোনের বা কুটুমের সন্তান। এই সন্তান সম্প্রদায়টিও গুরুজনের প্রতি ভক্তিতে আদর্শস্থানীয় ছিল। বিনা ব্যতিক্রমে তারা সকলেই ফুপুজানকে সাড়ম্বরে ভক্তি প্রদর্শন করত, এবং একদিনের অদর্শনেও নিরতিশয় বিচলিত হয়ে পড়ত। তবু এ কথা বলতে পারব না, সন্তানস্থানীয়দের সঙ্গে স্বয়ং ফুপুজানের আচরণে কোনোপ্রকার আর্দ্র কোমলতার পরিচয় থাকত।

    যতসব বিস্ফোরণ আর বিপ্লব সবই ফুপুজানের বুকের মধ্যেই আলোড়ন সৃষ্টি করত। দৃষ্টির এলাকায় যখনই তিনি কোনো পিসিসঙ্গকাতর যুবাকে দেখতে পেতেন, তখনি পাশে পড়ে থাকা হাত-পাখাটি তিনি তুলে নিতেন। তরুণ যতই নিকটবর্তী হতো, ফুপুর পাখাও ততটাই দ্রুত সঞ্চালিত হতে থাকত। গ্রীষ্মকাতরতা এই প্রাণপণ পক্ষ সঞ্চালনের কারণ নয়।

    এই গোলগাল ফর্সা স্নেহপ্রবণ বিপদাশঙ্কাদীর্ণ মানুষটি কিছুই বলতে পারতেন না, কেবল তাঁর হাতের পাখা নড়ত, তাঁর হৃৎপিণ্ড লম্ফ দিত, আর তাঁর শরীর থেকে দরদর করে ঘাম ঝরে পড়ত।

    ছেলেদের মধ্যে সবচাইতে চৌকস ছিল আলীম। ফর্সা ছেলে, মাথায় ঝাঁকড়া চুল, চোখ দুটিতে দুষ্টুমির স্ফুলিঙ্গ।

    বৈকালের ছায়া যখন সম্মুখের লোহার গেটের মাথা পর্যন্ত উঠে আসত, তখুনি আলীমকে আমাদের বাড়িতে দেখা যেত। সন্তর্পণে সেই গেটটি খুলেই সে অন্দরে প্রবেশ করত। লক্ষ্য করবার বিষয়, আলীমের কোনো আচরণেই অকারণ দ্রুততার হঠকারিতা ছিল না। যেন তার সব কাজের পিছনেই দীর্ঘকালের চিন্তা আছে। অন্য ছেলেদের মতো সে গেট খোলা রেখেই চলে আসত না। খুব সাবধানে দুটি হাত দিয়ে গেট খুলত, ততোধিক সাবধানে বন্ধ করত, তারপর মন্থর পায়ে এগিয়ে আসত। তার ভব্যতা আর সুবিবেচনায় সকলেরই খুশি হবার কথা; কিন্তু অন্তত ফুপুজান হতেন না। আলীমকে এইভাবে এগিয়ে আসতে দেখে তাঁর চোখ কান হাত মুখ সবকিছুই কঠিন আকার ধারণ করত। অবশ্য তরুণ সম্প্রদায়ের যে-কোনো প্রতিনিধিই তাঁর শিরঃপীড়ার কারণ; তবু আলীমের যে অভ্যর্থনা হতো তার এক বৈশিষ্ট্য ছিল।

    আলীমের পরনে কালো রঙের ফুটবল খেলার হাফ প্যান্ট, গায়ে সাদা রঙের স্পোর্টস শার্ট—এবং বগলে একটা নতুন টি-শেপড ফুটবল।

    —ফুপুজান, সালাম আলায়কুম।

    আলীম প্রত্যহ এইভাবে সম্মুখে এগিয়ে এসে বিচিত্র ভঙ্গিতে পা দুটির ওপর এইভাবেই দাঁড়িয়ে থেকে, ফুটবল থাকলে তা ঠিক এইভাবেই বগলের নিচে চেপে, এই একই সম্ভাষণ দিয়ে তার আলাপ শুরু করে, এই অনিত্য সংসারে তার চরিত্রের নিত্যতার পরিচয় দিত। মাতৃস্থানীয়ার প্রতি তার এই সম্ভাষণ বা আচরণে অতি বড় ছিদ্রান্বেষীও কোনো ত্রুটি আবিষ্কার করতে পারবেন না। তার দুটি চোখের দৃষ্টির অন্তরালে যে পরিমাণ কৌতুকই নৃত্য করতে থাকুক না কেন, ফুপুজান যে দুটি চোখ দেখতে পেতেন তার দৃষ্টি শ্রদ্ধায় তাঁরই পদপ্রান্তে অবনত।

    ফুপুজান অবশ্য কোনো জবাবই দিতেন না—সেইভাবেই বসে থাকতেন। কেবল তাঁর হাতের পাখা যেভাবে নড়তে শুরু করত তা দিয়ে তামাম দুনিয়া থেকে গ্রীষ্মকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করা চলত।

    ফুপুজানকে এইভাবেই তার সম্মান জানিয়ে আলীম তার মনোযোগের উপঢৌকন আমার কাছে নিয়ে আসত। কিন্তু ফুপুজানের সীমান্ত থেকে আমার মনোরাজ্যের দুয়ার পর্যন্ত পথটুকু দৃষ্টির শরের দ্বারা আকীর্ণ থাকত। সেই শর মনকে বিদ্ধ করলেও শরীরের কোনো হানি ঘটাতে পারে না। তাই আলীম বারংবার তার সেই পরিমিত পদক্ষেপে অগ্রসর হয়ে তার চর্মের অপরিমিত স্বাস্থ্যের পরিচয় দিত। ফুপুজানের দৃষ্টির বিষক্রিয়া তার কোনোই ক্ষতি করতে পারত না।

    বাজে কথা খরচ করাও আলীমের স্বভাব ছিল না। আমার টেবিলে নেসেলস চকোলেটের একটা মোড়ক রেখেই সে নীরবেই ফিরে যেত। এই ছিল তার ধরন।

    কেবল হাতের ফুটবলটিকে সে একবার উপরের দিকে নিক্ষেপ করে আবার লুফে নিত, আর একবার মাটিতে সজোরে আছাড় দিয়ে ধরে ফেলত। এইভাবেই সে গেটের দিকে ফিরে যেত।

    কোনোদিন হয়তো গেটের কাছ থেকেই আবার ফিরে আসত।

    —ফুপুজান আপনার বাগান থেকে একটা ফুল নিতে পারি?

    —বাপ আমার, কোন কাজটির জন্যই তুমি আমার অনুমতির অপেক্ষা রাখ যে এখন এত ঘটা করে জিগ্যেস করতে এসেছ।

    —নেব একটা ফুল?

    যাচ্ছ খেলতে ফুটবল, ফুল কি কাজে আসবে?

    আলীমের ঘাড় নিচু, কণ্ঠে সেই একই প্রশ্ন।

    —ফুপুজান, নেব একটা ফুল?

    এরপর ফুপুজানের রাগের তাপমাত্রা এত বেড়ে যেত যে তাঁর মুখে আর কথা জোগাত না।

    কিন্তু আলীম কি সেই ছেলে যে পরের দ্রব্য বিনা অনুমতিতেই নিয়ে চলে যাবে! সুতরাং আবার সেই প্রশ্ন : নেব?

    —নাও বাছা নাও। নিয়ে আমাকে রেহাই দাও।

    আলীম কোনোরকম আবেগ প্রকাশ করত না। বৃত্ত থেকে একটি লাল গোলাপ ছিঁড়ে নিত

    —ফুপুজান, আসসালাম আলায়কুম।

    সামনের দিকে একটু ঝুঁকে পড়ে ঠিক দস্তুর মতোই সে সালাম করত।

    ফুপুজান তার সালামের কোনো জবাব দিতেন না, এ নিয়ে আলীমের মনে কোনো দুঃখ বা বিকার ছিল না।

    গেট খুলবার শব্দ হতো, ঝনাৎ করে বন্ধ হলো তাও বোঝা যেত আর আলীমের পদশব্দ একটু একটু করে মিলিয়ে যেত।

    যাবার আগে আলীম গোলাপটিকে তার প্যান্টের পকেটে পুরে ফেলত। লাল গোলাপের উপযুক্ত স্থান ফুটবল খেলার প্যান্ট নয়; কিন্তু আলীমের স্থূল হস্তে পুষ্পের এই পরিণামই হতো।

    ফুপুজানের সঙ্গে আলীমের সংলাপের যে নমুনা তোমরা শুনলে বিশ্ব সাহিত্যে স্থান পাবার যোগ্য উপন্যাসের পাত্র-পাত্রীরা সেভাবে কথা বলে না আমিও জানি; কিন্তু কি করব বল? এমন ধারা কথাই যে হতো। বিশ্ব সাহিত্যের স্বার্থে আমার সততার আদর্শটিকে খাটো করে না হয় অন্য প্রকার সংলাপের অবতারণাই করতাম; কিন্তু তোমাদের কি মনে হয় না, তাতে সততাই কেবল খাটো হতো, বিশ্ব সাহিত্যের কোনোই উন্নতি হতো না? প্রথম কথা—উপন্যাসের প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিরা যেসব চিরস্মরণীয় কথা বলেন তা উদ্ভাবন করবার মতো সৃজনীশক্তিই আমার নেই। আমি যা দেখেছি আর শুনেছি, মোটা করে কেবল তাই বলতে পারি। সে কথা যদি তোমরা শুনতে না চাও, আমিও পীড়াপীড়ি করব না; কিন্তু অপরের কথা আবৃত্তি করে হাস্যাস্পদ হতে চাই নে।

    একে ফুপুজান চোখে ভালো দেখতেন না; তার ওপর গোধূলিবেলায় আমার প্রায়ান্ধকার কক্ষটিতে কি ঘটল সেই অনিশ্চয়তা সম্পর্কে কোনো প্রকার তদন্ত না করেই স্থির থাকবেন ফুপুজান সে ধাতেই তৈরি নন। আলীম আমার কক্ষে প্রবেশ করেছে, এবং টেবিলের ওপর কি যেন একটা রেখেই চলে গেল, কেবল এইটুকুই ফুপুজানের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। কিন্তু যে ব্যক্তি তোমার ছায়াসঙ্গিনী, কেবল এইটুকু দেখলেই তার চলবে কেন?

    অবশ্য আমার গতিবিধির স্বাধীনতা কোনো গণ্ডির দ্বারা চিহ্নিত ছিল না। কেবল তাই নয়, যাবতীয় ব্যাপারে আমার মতের মূল্য যাই হোক না কেন, আমার মর্জি সকলকে মেনে চলতে হতো। সংসারে যে এরই মধ্যে আমার ব্যক্তিত্ব এভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছিল বিনা আন্দোলনে তা সম্ভব হয় নি। তবে স্বয়ং আমাকে আমার অধিকারের জন্য কোনোদিন সংগ্রাম করতে হয় নি; আমার হয়ে এই দুরূহ কাজটি সেরে নিয়েছিলেন আমার ছোট চাচা। আমার বয়স ছিল সবে বারো, তবু আমার শুভবুদ্ধির ওপর ছোট চাচার অগাধ আস্থা ছিল। তাছাড়া তিনি বলতেন, জীবনে ভুল না করলে ঠিক জিনিসটি কি মানুষ অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করতে পারে না। তাই ভুল করবার অধিকার তিনি আমাকে দিয়েছিলেন। তবে যতটা সহজে বললাম, অত সহজে এই অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এই নিয়ে তাঁকে বিস্তর কথা-কাটাকাটি করতে হয়েছে, অজস্র তিক্ত কটাক্ষ হাস্যমুখে অগ্রাহ্য করতে হয়েছে। আমার শিক্ষাদীক্ষা চালচলন সম্পর্কে যখনই কোনো আলোচনা হতো সেই আলোচনার প্রধান নিয়ন্তা আমার ছোট চাচা, প্রথম হন্ত্রী ফুপুজান—এবং আব্বা একেবারে তৃতীয়, ধর্তব্যের মধ্যেই নয়, কারণ তাঁকে কোনো ঝক্কিই পোহাতে হতো না। তবে দ্বিতীয় ব্যক্তিটি কমজোর ছিলেন না; তাই একদিকে ফুপুজানের শাসন এবং অন্যদিকে ছোট চাচার প্রশ্রয় এই দুই বিপরীত শক্তির মাঝখানে থেকে আমার অবস্থাটা গোড়ার দিকে খুব সুখের ছিল না। ফুপুজান শতপ্রকার অভিযোগে বারবার আমাকে অভিযুক্ত করতেন; ছোট চাচার হাইকোর্টে প্রতিবার আমি বেকসুর খালাস হয়ে যেতাম। শেষ পর্যন্ত ছোট চাচারই জয় হলো। ফুপুজান ঠিক করলেন আমার কোনো কাজেই আর বাধা দেবেন না। কেবল ছোট চাচাকে বলেছিলেন : বেশ, মেয়েকে তোমার হাতেই ছেড়ে দিলাম। কিন্তু বাচ্চু, দেখ মেয়ে যেন মানুষই হয়।

    ছোট চাচা সে কথার কোনো জবাবই দিলেন না। অল্প একটু হাসলেন, তারপর আমাকে একেবারে বুকের কাছে টেনে নিয়ে আমার মাথায় একবার হাত বুলিয়ে দিলেন।

    ছোট চাচা কথা বলতেন খুব কম। তখনো কিছুই বললেন না। কেবল আড় চোখে ফুপুজানের গমনপথের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। পক্ষী যেভাবে তার নীড় আঁকড়ে থাকে, আমি সেইভাবে ছোট চাচার বুকের ওপর মাথা গুঁজে দিলাম।

    তাই বলছিলাম, ফুপুজানের অনিচ্ছাশক্তির সঙ্গে যখন আমার ইচ্ছাশক্তির ঠোকাঠুকি হতো তখন আমিই জয়ী হতাম।

    কিন্তু চোখেরও এক প্রকার ভাষা আছে এবং তার এমনই তেজ যে মুখের ভাষা তার কাছে শিশু। দুটি চোখের দৃষ্টি কি না বলতে পারে। স্নেহ মমতা প্রেম ভালোবাসা ক্রোধ রোষ কোন ভাবের কথাটাই-না মানুষের দুটি চোখ ব্যক্ত করতে পারে। জবাব খামোশ রেখে ফুপুজান আইন বাঁচিয়ে চলতেন; কিন্তু চোখের নীরব ভাষার পীড়নকে তো কোনো আদালতই জুলুম বলবে না। এবং এই নীরব ভাষার ওপর ফুপুজানের দখল ছিল পাকা

    আমার কামরাটির সামনে একটি সরু বারান্দা ছিল, যেখান থেকে একতলায় যাবার সিঁড়ি নেবে গেছে। আলীম চলে যাবার পর ফুপুজান সেইখানেই উঠে আসবেন। তারপর তাঁর অস্থির মনের অধীরতা তাঁর দুটি পায়ের ওপর নেবে আসবে। সেই বারান্দায় তিনি পায়চারি করে বেড়াবেন।

    আলীম রেখেটা গেল কি? যতক্ষণ পর্যন্ত না এই সংশয়াকীর্ণ প্রশ্নটির সদুত্তর পাওয়া যেত ততক্ষণ পর্যন্ত তার পদচালনাও ক্ষান্ত হতো না।

    কিন্তু এমন একটি বৃহৎ প্রশ্নের উত্তর কি অত সহজেই পাওয়া যায়? উত্তরটি আমারই হাতে; কিন্তু হাতের মুঠি আলগা করে রহস্যটিকে অত সহজেই খাঁচা থেকে বের করে দেব আমিই কি সেই পাত্রী?

    এবং আলীম যা রেখে গেল তা অত্যন্ত অশোভন বা গর্হিত এক বস্তু, এইটেই প্ৰমাণ করবার জন্য আমি চট করে ব্লাউজের মধ্যে মোড়কটি লুকিয়ে ফেলতাম।

    এরপর ফুপুজা নের আর সন্দেহই থাকত না যে বুকের ভিতর প্রেমপত্র জাতীয় কোনো বিস্ফোরক পদার্থ লুকিয়ে রাখলাম। আমার ভবিষ্যৎ চিন্তায় তাঁর রাত্রি অনিদ্রায় অতিবাহিত হচ্ছে এ কথা নিশ্চিত জেনে গহন ঘুমের ঘোরে আমি সুখস্বপ্ন দেখতাম।

    পরদিন সকালে ফুপুজানের অনিদ্রাক্লান্ত রক্তিম চোখমুখ দেখে আমার বুকের ভিতর বিবেক কামড় দিত। সম্মুখে যাঁকে দেখতাম তিনি তো ফুপু নন—তাঁর প্রেতাত্মা। এভাবে তাঁর জীবনকে বিষিয়ে তুলবার অধিকার কি আমার আছে?

    সকালে হাত-মুখ ধুয়ে আমি যে মুহূর্তে নাশতা করতে যাব, তদ্দণ্ডেই ফুপুজান আমার কক্ষে প্রবেশ করবেন, এটা আমার জানা ছিল। সারা রাত তাঁকে জ্বালিয়েছি—এবার নিষ্কৃতি না দিলে জাহান্নামেও আমার স্থান হবে না। ফুপুজানের তল্লাশিকে সংক্ষিপ্ত করবার জন্য, নিষিদ্ধ ব্যক্তির উপহারটিকে চোখের সম্মুখেই রেখে যেতাম।

    ফুপুজানের চোখমুখের কঠিন-পণ কাঠিন্য ঝরনার মতো ঝরে পড়ত। চকোলেট? সে আর এমন কি। কিন্তু তাঁর সদ্যলব্ধ প্রশান্তি স্বল্পক্ষণই স্থায়ী হতো। পরক্ষণেই দুশ্চিন্তার রেখা আবার তাঁর ললাটে একটির পর একটি প্রশ্ন চিহ্নের মতো ভিড় করে দাঁড়াত। বাঃ, চকোলেট। এক নাবালিকার সুপ্ত হৃদয়টিকে জাগ্রত করার জন্য চকোলেটের লাল মোড়কটি তাঁর চোখের সামনে বিপদ সঙ্কেতের মতো জ্বলতে থাকত।

    এইসব নানান কারণে আমার অনিশ্চিত মতিগতিকে বিবাহের সুনির্দিষ্ট পথে রওয়ানা করে দেবার জন্য ফুপুজান এরই মধ্যে সচেষ্ট হয়ে উঠলেন।

    সেদিন দুপুরবেলা ছোট চাচা ভাত খেতে বসেছেন। আজ ফুপুজানের পরিবেশন কার্যে যত্নের কিছুটা আধিক্য লক্ষ্য করে ছোট চাচা কিছু বললেন না বটে; তবে এক কৌতুকহাস্য গোপন করলেন।

    —মাছের মুড়োটা কেমন হয়েছে রে?

    —তোফা।

    —আর হাড়িয়া কাবাব?

    —খেলাম কখন! তবে একটু সবুর কর। শেষ পর্যন্ত কতটা পড়ে থাকে তাই দিয়েই তোমার হাতযশ বোঝা যাবে।

    ফুপুজান আর কিছু বললেন না। কাছাকাছি বসে থেকে ছোট চাচাকে হাওয়া করতে লাগলেন। তারপর কোনোরকম নোটিশ না দিয়েই এক বৃহদাকার দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করে হাত- পাখাটি পাশে সরিয়ে রাখলেন।

    ছোট চাচা বুঝতে পারলেন এই দীর্ঘশ্বাসের কুজ্‌ঝটিকার পিছনে আসল কথাটি এখনো অবগুণ্ঠিত আছে।

    –তোরা ছাড়া আমার আর কে আছে। বেঁচে আছি আর কোন সুখে বল?

    -–তা তো বটেই।

    —তাই বলছিলাম, তিশনার জন্য এবার একটি পাত্র দেখলে হয় না।

    হাড়িয়া কাবাব যতই ভালো হয়ে থাক না কেন ছোট চাচার গ্রাস মাঝপথেই থেমে গেল।

    কার জন্য পাত্র দেখব?

    কার জন্য আবার—তিশনার কথা বলছিলাম।

    ছোট চাচা হেসে ফেললেন।

    —হাসলি যে।

    —কাঁদতে পারলাম না তাই।

    —সব তাতেই তামাশা। বারো বছর বয়সে আমার কোলে ছেলে এসেছিল।

    এই বলে ফুপুজান আঁচল দিয়ে চোখ মুছলেন। ঠিক কি কারণে বুঝবার উপায় নেই— বোধ করি তাঁর বিগত পুত্রের শোকে।

    ছোট চাচা উঠে পড়লেন। একটি কথাও বললেন না।

    সুতরাং চকোলেটের দৌরাত্ম্য থেকে আমার জীবনটিকে রক্ষা করা গেল না। বরং আরো নানান দিক দিয়ে বিপদাশঙ্কা উপস্থিত হলো। আমার টেবিলে চকোলেটের পাশে একটি লাল গোলাপও এরপর থেকে স্থান কায়েম করে নিল। লাল পাপড়িতে ফুটবল মাঠের পাঁকের অভিজ্ঞান দেখে বুঝতে কোনো অসুবিধাই হতো না, পুষ্পরসিকটি কে; কেবল এই কথাটিই ফুপুজান কিছুতেই বুঝতে পারতেন না কখন কোন পথে এইসব অবাঞ্ছিত প্রভাব অনুপ্রবেশ করছে। তাহলে কি তাঁর কর্তব্যে ত্রুটি হচ্ছে?

    এই রহস্য সমাধানের গুরুভার চিন্তায় ফুপুজান যখন মুখ অন্ধকার করে বারান্দায় বসে আছেন, হয়তো ঠিক সেই মুহূর্তেই মধুর সম্ভাষণ শোনা যেত : ফুপুজান, আসসালামো আলায়কুম।

    ফুপুজান কোনো জবাব দিতেন না; কিন্তু তাঁর চোখ দুটিতে যে ভাবোদয় হতো তার মধ্যে আর যাই থাক, এক সন্তানস্থানীয়র প্রতি কল্যাণ কামনার বাড়াবাড়ি ছিল না।

    আমি কিছুতেই বুঝতে পারতাম না, আমারই বাগানের ফুল আমার টেবিলে পড়ে আছে— মাঝখানে অন্য একটি হাত ঘুরে এসেছে—তা নিয়ে এত অশান্তি কেন?

    তোমরা নিশ্চয়ই অবিশ্বাসের হাসি হাসছ। বলাবলি করছ : খুকী এতো বোঝ, এটুকু বোঝ না—এইটেই কি বিশ্বাস করতে হবে।

    কিন্তু আমার সব কথা তোমাদের বিশ্বাস করতে বলছেই-বা কে?

    সেই সময় আমার বয়স ছিল বারো। আলীম ষোলো।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম
    Next Article উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    Related Articles

    রশীদ করীম

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    রশীদ করীম

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Our Picks

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }