Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প239 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তম পুরুষ – ৩

    তিন

    বালীগঞ্জ ময়দানে ফুটবল ম্যাচ ছিল : পার্ক ইউনাইটেড ক্লাব বনাম রেইনবো ক্লাব। রেইনবো ক্লাব বালীগঞ্জ পাড়ার ছেলেদের দল আর পার্ক ইউনাইটেড ক্লাব পার্ক সার্কাস পাড়ার। কণিকা মেমোরিয়াল কাপ টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল খেলা।

    টুর্নামেন্টে প্রবেশের একটা শর্ত, খেলোয়াড়দের উচ্চতা চার ফুট দশ ইঞ্চির বেশি হলে চলবে না। সিদ্ধ দৈর্ঘ্যের চাইতে আমি ইঞ্চি দেড়েক লম্বা ছিলাম। তবু ক্লাব কর্তৃপক্ষ নাছোড়বান্দা, আমাকে খেলতেই হবে, ‘লেফট-ইনে’ দলের স্টার খেলোয়াড়।

    সরল পাঠকের মনে হতে পারে এটা কি করে সম্ভব? আমার দৈর্ঘ্য থেকে রাতারাতি দেড় ইঞ্চি প্রমাণ বাহুল্যটুকু ছেঁটে ফেলা কি করে সম্ভব? কিন্তু যাঁরা ফুটবল খেলেন তাঁদের কাছে এ বাঁ-হাতের খেলা। অবশ্য যে খেলোয়াড়ের ওপর হঠাৎ শরীর সংস্কার করবার আদেশ জারি হয়, তার নাজেহালের সীমা থাকে না। আমার দুর্ভোগটাই কি কিছু কম হয়েছিল।

    দৈর্ঘ্য-সঙ্কোচের জন্য আমাদের জানা এক অভিনব কৌশল ছিল, শক্ত করে কোমরে দড়ি বাঁধা। আমাকেও এতো শক্ত করে কোমরে দড়ি বাঁধতে হয়েছিল যে, কোমরের চারপাশে প্রায় ইঞ্চিখানেক গর্ত হয়ে গিয়েছিল। ফলে শারীরিক পরিধির সঙ্কোচ কেবল দৈর্ঘ্যেই নয়, প্রস্থেও সাধিত হয়েছিল।

    আমি ছিলাম রেইনবো ক্লাবের ‘লেফট-ইন’—দলের একমাত্র মুসলমান খেলোয়াড়। সেদিন বৃষ্টির পর মাঠ ছিল ভেজা। ভেজা মাঠে বরাবরই আমার খেলা যায় খুলে। অথচ খেলা শুরু হবার পনের মিনিটের মধ্যেই পার্ক ইউনাইটেড ক্লাব দুটি গোল দিয়ে দিল। খেলা শেষ হবার পনের মিনিট আগে পর্যন্ত তারা দুটি গোলে এগিয়ে থাকল। দুটি গোলই দিল মুশতাক।

    এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের খেলা দেখবার জন্য সেদিন মাঠে অবিশ্বাস্য রকম ভিড়। রেইনবো ক্লাব দু’গোলে হারছে, বালীগঞ্জের ছেলেদের মুখে চুন। খেলা শেষ হতে পনের মিনিট মাত্র বাকি। পার্ক ইউনাইটেডের মুশতাকের খেলা দেখে সবাই চমৎকৃত। এমনকি প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকরাও হতবুদ্ধি।

    সুন্দর ছিপছিপে ফর্সা ছেলে; পায়ে বুট, হাঁটুতে ‘নি-কাপ’, পরনে কালো রঙের ফুটবলপ্যান্ট, গায়ে সাদা-লাল জার্সি! মাথায় ঝাঁকড়া চুল কখনো কপালের ওপর নেবে আসছে, কখনো মাথার এক ঝাঁকানিতে আবার পেছনে সরে যাচ্ছে। লিকলিকে পা দিয়ে বল নিয়ে আসার ভঙ্গিটাও অপূর্ব। মাঠসুদ্ধ লোক তাকেই দেখছে, তারই খেলা দেখছে।

    এমন সময় ঝমঝম করে বৃষ্টি নাবল। আশেপাশেই কোথায় যেন বাজ পড়ল। দর্শকদের উত্তেজনা গেল আরো বেড়ে।

    আমি এ পর্যন্ত কিছুই করতে পারি নি। আমার দল দু’গোলে হারছে। সেদিন যে আমার কি হয়েছিল আল্লাহ্ই জানে। পায়ের ফাঁক দিয়ে বলা যায় গলে, পায়ে পা যায় জড়িয়ে, কখনো যদি বল ধরতে পারি তো পরক্ষণেই প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় নেয় কেড়ে। আমি যেন খেলছি না, মুশতাকের খেলা দেখছি।

    এমন সময় এলো বৃষ্টি

    পকেট থেকে রুমাল বের করে মুখে পুরলাম, সেকালে এই আমার একটি অভ্যাস ছিল। কুকুর যেভাবে দাঁত দিয়ে হাড় কামড়ে ধরে সেইভাবে রুমালটি দাঁতে চেপে বল পায়ে ছুটলাম। মাথাটি নিচু করে ছুট, ঠিক যেন ষাঁড়ের মতো। ডাইনে বাঁয়ে সম্মুখে পশ্চাতে কোনোদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে ছুট। বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়রা ঢিল খাওয়া মৌমাছির মতো আমার পিছনে পিছনে ছুটে এলো। আমার দলের সমর্থকরাও উত্তেজনায় চিৎকার করে উঠল। গোলপোস্ট একদিকে আর আমি বল নিয়ে অন্ধের মতো ছুটছি আর একদিকে। বল নিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে বিপক্ষ দলের কর্নার লাইনের কাছে এসে থমকে দাঁড়ালাম। বেশ বুঝতে পারছিলাম, সকলের নিশ্বাস তখন বন্ধ।

    ডান পা দিয়ে বলটি থামালাম। একবার দেখলাম ধাবমান বিপক্ষ খেলোয়াড়রা তখন কোথায়। একবার ভালো করে দেখে নিলাম গোলপোস্টটা কোথায়। তারপর তবলচি যেভাবে তবলা ঠুকে ঠুকে দেখে সেইভাবে ডান পা দিয়ে বলটি টিপে টিপে দেখলাম।

    কিন্তু এসবই এক নিমেষের মধ্যেই ঘটে গেল।

    তারপর বাঁ পায়ের এক মার। জ্যা-মুক্ত শরের মতো বলটি পাঁচজন ছেলের মাথার ওপর দিয়ে পোস্টের মধ্যে গলে গেল।

    এক গোল শোধ হলো।

    খেলা শেষ হতে আর মাত্র মিনিট তিনেক বাকি।

    তার পরের কাহিনী যেমন ক্ষিপ্র তেমনি সংক্ষিপ্ত।

    আমি তখন অপ্রতিরোধ্য। আমি জানি প্রবল উত্তেজনায় আমার চোখমুখ ঘোলাটে হয়ে ওঠে। সেদিনও নিশ্চয়ই তাই হয়েছিল।

    একটি ক্ষুদ্র চামড়ার বল ধরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর যেন আমার মান-সম্মান, জীবন- মরণ সবকিছু নির্ভর করছে। ভিড়ের মধ্য দিয়ে এঁকেবেঁকে, অন্যের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল গলিয়ে দিয়ে, কখন দৌড়ে, কখন থমকে দাঁড়িয়ে আমি পরপর আরো দুটি গোল দিয়ে দিলাম। মাঠসুদ্ধ লোক বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে অবাক এবং কিছুটা মুগ্ধ দৃষ্টিতে আমাদের খেলা দেখল।

    শেষ গোলটির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের খেলাও শেষ হলো। এইবার আমি মুখ থেকে রুমাল বের করে পকেটে পুরলাম।

    একবার মাত্র ঘাড় ফিরিয়ে মুশতাককে দেখলাম। ভাবভানা যেন এই, খেলা কাকে বলে দেখলে! তারপর ছুট।

    বাঁধ-ভাঙা স্রোতের মতো ভিড়-ভাঙা লোক আমার পিছনে পিছনে ছুটে এলো; কিন্তু সবার আগে এলো মুশতাক।

    শাবাশ! খুব খেলেছ। এমন না হলে খেলা।

    মুশতাকের আব্বা সুপারিনটেনডিং ইঞ্জিনিয়ার। বেনিয়াপুকুর পাড়ার ক্রিমেটোরিয়াম রোডে সুন্দর একতলা বাড়ি। তাঁর নাম এহসান সাহেব। সুন্দর বলিষ্ঠ চেহারা। মুশতাকের বাড়ি এসে আমার চোখ জুড়িয়ে গেল। এ বাড়ির সবকিছুই ছবির মতন। সাজনো-গোছানো বৈঠকখানা, শোবার ঘর, খাবার ঘর।

    মুশতাকের আম্মা একটা মোড়ার ওপর বসে উলের সোয়েটার বুনছিলেন। তার বুবু সেলিনা একটা লম্বা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দুই হাত তুলে খোঁপা বাঁধছিলেন। আমার এ কাহিনী রহস্য-উপন্যাস নয়; সুতরাং এখানেই এ কথা স্বীকার করলে লোকসান নেই যে, সেলিনার প্রসাধনের দৃশ্য আজও আমার চোখের সামনে ভাসতে থাকে।

    সে সময় মুশতাকের আব্বা বাড়ি ছিলেন না।

    মুশতাক আমার অনিচ্ছুক দুটি পায়ের সমস্ত আপত্তিকে উপেক্ষা করে হাত ধরে টানতে টানতে সোজা খাবার ঘরে নিয়ে এলো।

    —ছেলেটি কে রে?

    —হাফেজ রশীদ।

    দুষ্টুমিতে মুশতাকের চোখ নৃত্য করে উঠল

    —বেশ, বাবা বেশ। এই বয়সেই কোরআন শরীফ মুখস্থ করেছ। বলি তোরাও শেখ।… মুশতাকের আম্মা আমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠলেন।

    আমি কিন্তু হতবুদ্ধি হয়ে গেলাম। আমি হাফেজও নই, নামও রশীদ নয়। একি পরিহাস! প্রতিবাদ করে বললাম, আমি হাফেজ নই। নামও রশীদ নয়। আমার নাম শাকের।

    মুশতাক তবু দমবার পাত্র নয়। সে আবার বললো, আম্মা তুমি যদি আজ শাকেরের খেলা দেখতে। কে বলবে হাফেজ রশীদ নয়।

    —তাই না কি। তা তোদের খেলার হলো কি?

    মুশতাক সেদিনকার খেলার পুরো ইতিহাস বলে গেল। বলা বাহুল্য, তার মহাকাব্যের নায়ক আমিই।

    মুশতাকের ভক্তির আতিশয্য দেখে তার আম্মা আর বুবু হেসে ফেললেন। আমি সঙ্কুচিত হয়ে উঠলাম।

    বস্তুত গোড়া থেকেই আমি অস্বস্তি বোধ করছিলাম। আমার কাদা-মাখা ছেঁড়া হাফ প্যান্ট, কোমরে বেল্টের বদলে দড়ি, নগ্ন পা, এলোমেলো রুক্ষ চুল, এ সবের জন্য বড়ই ব্ৰিত বোধ করছিলাম। কেমন করে যেন মনে হচ্ছিল, মহাকাব্যের নায়কের উপযোগী সাজ এ নয়। তাছাড়া এ বাড়ির পরিচ্ছন্ন পরিবেশে নিজেকে খাপছাড়া লাগছিল।

    খাবার টেবিলের সামনে একটা চেয়ার টেনে যখন বসলাম, তখন একেবারে অকস্মাৎ একটা কথা আমার মনে হলো। আমরা বড় গরিব। এ কথাটি এভাবে আগে কখনো মনে হয় নি।

    সচেতনভাবে সূক্ষ্ম মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণের বয়স সেটা নয়। কিন্তু আজ তো বুঝতে পারি। তাছাড়া সে বাড়ির সামগ্রিক প্রভাব আমার মনের মধ্যে এক অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করল। মুশতাকের বাড়ির সুন্দর সচ্ছল পরিবেশের বিরুদ্ধে আমার সেই অপরিণত মন হঠাৎ বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসল। আমি গুম হয়ে বসে থাকলাম।

    মুশতাক তার মনের স্বাভাবিক আনন্দের তাগিদে একটি করে ভোজ্যবস্তুগুলোর সদ্ব্যবহার শুরু করে দিয়েছিল। তালতলার লাড়ুয়া, মাখন-রুটি, নিউমার্কেটের চাকা চাকা পনির, কপির সিঙাড়া, জিলিপি, এইসব সামনে সাজিয়ে মুশতাকের আম্মা আমাদের নাস্তা করতে দিলেন।

    এসবই অতি লোভনীয় বস্তু, তবু আমার হাত সরছিল না।

    বুবু আর আম্মা এক সময় লক্ষ্য করলেন আমি কিছুই খাচ্ছি না। তাঁদের উপস্থিতিটাই তার কারণ অনুমান করে তাঁরা উঠে চলে গেলেন। যাবার আগে মুশতাকের আম্মা বললেন, বাবা খাও। লজ্জা করো না।

    মুশতাক মাত্র একবার তার তশতরি থেকে চোখ তুলে বললো, হ্যাঁ, খা খা। বলেই সে আবার আহারে মনোনিবেশ করল। আমিও কোনোমতে নাস্তা সারলাম। তারপর দু’বন্ধু উঠে পড়লাম।

    মুশতাক আমাকে নিয়ে তার পড়বার ঘরে এলো। বসবার ঘরেই মুশতাকের পড়বার টেবিল। বই খাতা ইনস্ট্রুমেন্ট বক্স, কালার বক্স, ড্রইং বুক, একটা বড় এ্যাটলাস আর সুন্দর একটা লাল ফাউন্টেন পেন টেবিলের ওপর সাজানো ছিল। মুশতাক এরই মধ্যে তার খেলবার সাজ বদলে একটা লাল স্পোর্টস শার্ট আর সাদা প্যান্ট পরে নিয়েছে। তার চুল থেকে একটা মিষ্টি গন্ধ ভেসে আসছে। গন্ধটি যেন সদ্য পরিচিত। একটু আগেই যেন কোথায় খুঁজে পেয়েছি আর একটু আগেই যেন কোথায় হারিয়ে এসেছি। মুশতাক তার পড়বার টেবিলে বসে এটা- সেটা দেখাতে লাগল। এরই মধ্যে আমাদের ভাব বেশ জমে গেছে। বন্ধুত্বের তাগিদটা মুশতাকের দিকেই প্রবল। কিন্তু এ কথাও সত্য, আমিও তার প্রতি বেশ একটা টান বোধ করতে লাগলাম।

    আমরা দু’জনেই ক্লাস নাইনে পড়ি। মুশতাক পড়ে হেয়ার স্কুলে আর আমি তালতলার একটা অখ্যাত স্কুলে। একটু আগেই এই সত্যটি আবিষ্কার করে আমরা অবাক হয়ে গেছি।

    কথায় কথায় বেশ রাত হয়ে গেছে, আমরা টের পাই নি। এক সময় মুশতাকের আম্মা এসে বললেন, ছেলেরা খাবে চলো। রাত ন’টা বাজে।

    পিছনে কুর্তা-পাজামা পরা এক ভদ্রলোক এসে দাঁড়ালেন। ফর্সা সুন্দর চেহারা, সুঠাম বলিষ্ঠ গড়ন। মুশতাকের আব্বা এহসান সাহেব কখন অফিস থেকে ফিরে এসেছেন, কাপড়- চোপড় ছেড়ে ঘরোয়া লেবাজ পরেছেন, আমরা কিছুই জানি না।

    আমি বাড়ি যাব বলে উঠে দাঁড়ালাম।

    মুশতাকের আম্মা কিন্তু বললেন, চললে কোথায়? এখানেই খেয়ে যাও।

    মায়ের এই প্রস্তাবে মুশতাকও উৎসাহে সায় দিল।

    এমন সময় একটা গম্ভীর গলার আওয়াজ ভেসে এলো।

    —তোমার আব্বার নাম কি?

    এহসান সাহেবের প্রশ্ন।

    —সৈয়দ আবু নাসের।

    —তিনি কি করেন?

    —ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।

    এহসান সাহেব কি যেন ভাবলেন। তারপর আবার প্রশ্ন করলেন : তোমরা আগে কোমেদান বাগান লেনে থাকতে না?

    —জি!

    —তোমার আব্বা ডিপুটি—না সাব-ডিপুটি?

    চোর ধরা পড়লে যেমন হতবুদ্ধি হয়ে যায়, আমি সেই রকম মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকলাম! বস্তুত আমার আব্বা সাব-ডিপুটি কালেক্টর। কিন্তু সেই বয়সেই আমার এই এক তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে, আব্বার এই পরিচয়টা তেমন গৌরবের নয়। অন্য নিকট-আত্মীয়রা কেউ ডি-এম, কেউ ডিপুটি সেক্রেটারি। আমি দেখেছি, তাঁরা পর্যন্ত আব্বার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন না। এই রিশতাদের বাড়িতে যখন জেয়াফত থাকে, তাঁরা পরস্পর সহজে কথা বলে যান, সেক্রেটারি আর কমিশনার সাহেবদের অন্দরমহলের কতো কাহিনী, অথচ আব্বার কেমন যেন নম্র বিব্রত অপদস্থ ভাবভঙ্গি, তাঁকে কেউ ভালো করে আমলই দিচ্ছে না। লগি দিয়ে পানি দেখে ডিঙি চালাবার মতো করে তিনি যদি সাবধানে সন্তর্পণে দুটি একটি কথা বলেন, অমনি অন্য পদস্থ ব্যক্তিদের বাক্যালাপ যায় বন্ধ হয়ে, তাঁরা কেমন যেন অবাক দৃষ্টিতে আব্বার দিকে তাকিয়ে থাকেন। সেই থেকে এই পদটাই আমার মনের সমস্ত ধিক্কারবোধের প্রতীক হয়ে আছে।

    তাই এহসান সাহেবকে আমি বলতে পারি নি আমার আব্বা সাব-ডিপুটি, একটু বাড়িয়ে বলেছি, ডিপুটি। কিন্তু এইভাবে ধরা পড়ে গিয়ে আমি ঘামতে লাগলাম।

    ঠিক সেই মুহূর্তে দুটি প্রখর চোখের দৃষ্টি আমার দিকে কঠিন প্রশ্ন-চিহ্নের মতো নির্মম প্রত্যাশায় উদ্যত হয়ে থাকল, সেলিনার চোখের ভ্রূকুটি। তাঁর ঠোঁটের কোণে প্রথমার চাঁদের মতো তির্যক হাসি।

    আমি এহসান সাহেবের প্রশ্নের কোনো জবাব দিলাম না। খেতেও রাজি হলাম না। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলাম। তাঁরাও আর বিশেষ পীড়াপীড়ি করলেন না।

    সেলিনাই বললো, আম্মা জোর করো না। ওর বাড়িতে হয়তো ভাববে। আমি আস্তে আস্তে বেরিয়ে এলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম
    Next Article চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    Related Articles

    রশীদ করীম

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    রশীদ করীম

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }