Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প239 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তম পুরুষ – ২২

    বাইশ

    টেস্ট পরীক্ষা হয়ে গেছে। আজ ম্যাট্রিক পরীক্ষার ফি দেয়ার শেষ তারিখ। বিকেলবেলা প্রবেশিকা পরীক্ষার্থীদের জন্য স্কুলের ছেলেরা এক বিদায় সভার আয়োজন করেছে। স্কুলের পিছনে খোলা মাঠটিতে একটি মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে—চেয়ার এনে বসানো হচ্ছে। ছেলেরা ব্যস্ত হয়ে ছুটোছুটি করছে।

    বেশ দুঃখই হচ্ছিল। একটি অখ্যাত স্কুলের ছেলে আমরা। দু’-একজন ছাড়া ফাইনাল পরীক্ষায় কারোই ফলাফল তেমন উল্লেখযোগ্য হবে না, তাও জানতাম। তবু এই কটি বছর ধরে আমরা প্রতিদিন এই স্কুলের চারটি দেয়ালের মধ্যে যে-বিচিত্র প্রণালিতে জীবনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম—সেই জগৎটিকে চিরকালের মতো পিছনে ফেলে রেখে আসতে কষ্টই হচ্ছিল।

    টেস্ট পরীক্ষায় শেখর হয়েছে ফার্স্ট, আমি সেকেন্ড। অফিস রুমের সামনে বড্ড ভিড়— ছেলেরা ফি দিচ্ছে। আমিও কিউতে দাঁড়িয়ে পড়লাম। এই এক নতুন নিয়ম হয়েছে—সব কিছুতেই ‘কিউ’ করা। ‘র‍্যাশন শপ’ থেকে শুরু করে ‘বাসস্ট্যান্ড’ পর্যন্ত সবকিছুতেই ‘কিউ’। যুদ্ধ বাধবার পর থেকেই এই নিয়মটা চালু হয়েছে। নিয়মটা অবশ্য ভালোই—–সকলেরই সুবিধা।

    হঠাৎ এক সময় চোখে পড়ল, শেখর এক পাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে, মুখ অন্ধকার। কিউ ছেড়ে আমি তার কাছে এগিয়ে এলাম।

    —কি রে! কি হলো তোর? চুপচাপ দাঁড়িয়ে কেন? ফি দিবি না?

    —না। আমার আর পরীক্ষা দেওয়া হবে না।

    —সে কি! কেন?

    —পরশুদিন আমার এক ভাই হয়েছে। বাড়িতে যা টাকা ছিল খরচ হয়ে গেছে। ফি দেয়ার টাকা নেই।

    ফি দেয়ার টাকা নেই। শেখরের মতো ছেলে পরীক্ষা দিতে পারবে না।

    শেখর আবার বললো : মার শরীর এমনিতেই ভেঙে পড়েছে। আমি পরীক্ষা দিতে পারব না বলে কান্নাকাটি করে শরীর আরো নষ্ট করছেন। ছোট ভাইটির গলা টিপে মেরে ফেলতে চাইছিলেন। যত রাগ তারই ওপর।

    —থাকগে সে সব কথা। তোর কাছে টাকা আছে কত?

    —সাড়ে সাত টাকা আছে।

    —লাগবে তো সবসুদ্ধ পঁয়ত্রিশ। তুই এখানেই দাঁড়িয়ে থাক। আমি দেখি কি করতে পারি। খবরদার, কোথাও যাস নে! আমি যতক্ষণ না আসি, দাঁড়িয়ে থাকবি। যতই দেরি হোক…

    কাঞ্জিলাল, শিশির প্রমুখের অবস্থা ভালো। তাদের কাছে গিয়ে সবকিছু খুলে বললাম : শেখর পরীক্ষা দিতে পারবে না, যদি না আজকেই কিছু টাকা সংগ্রহ করতে পারি।

    কাঞ্জিলাল আর শিশির একটু গম্ভীর হলো, মুখ অন্ধকার করলো, তারপর ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল।

    টাকা কোথায় পাব! দুঃখিত।

    কাঞ্জিলালের কাছে টাকা ছিল। সবসময়ই থাকে। স্কুলের ছাত্র হলে কি হবে, টাকা সবসময়ই থাকে। বড় বাজারে কাঞ্জিলালের বাবার বড় দোকান আছে। বাপের এক ছেলে। ওদের বংশে আর কেউ লেখাপড়া করে নি। সে যখন যা চাইত, তাই পেত। দোকানে গিয়ে ক্যাশ খুলে যখন-তখন টাকা নিয়ে আসত।

    শেখরকে উদ্ধার করবার জন্য যে সে টাকা দেবে না, আমি জানতাম। বস্তুত নিজের ক্ষতি করে কাউকে উদ্ধার করবার কথা সে ভাবতে পারে না, তবু তারই কাছে ছুটে গিয়েছিলাম- ছুটে যাবার মতো জায়গা বেশি ছিল না, তাই।

    কাঞ্জিলাল বহুক্ষণ ধরে আমার পকেটে গোঁজা কলমটির দিকে ফিরে ফিরে দেখছিল। এক সময় বললো : কলমটি কোথায় পেলিরে! বেশ সুন্দর তো! বিক্রি করবি?

    কাঞ্জিলালের ব্যবহারে আমার মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল। জবাব দিলাম : ওসব বিক্রি- টিক্রির পেশা আমাদের আসে না। ওসব বড় বাজারেই শোভা পায়।

    সে কথার কোনো জবাব না দিয়ে কাঞ্জিলাল বললো : পরের কাছ থেকে ভিক্ষে করে সাহায্য করার মধ্যে বাহাদুরি কিছুই নেই, ও সবাই পারে। নিজের ট্যাকের পয়সা খরচ করে সাহায্য করলে তবে বুঝি, হ্যাঁ মরদ বটে।

    —আমার কাছে টাকা থাকলে তোর মতো ছুঁচোর কাছে আসতাম না। তাছাড়া বাহাদুরি করবার কোনো উদ্দেশ্যই আমার নেই।

    —টাকার পথ তো বাতলে দিলাম। কলমটা বিক্রি করলেই টাকা আসে।

    —কত দিবি?

    —পনের টাকা দিতে পারি।

    মাত্র পনের টাকা! এরকম একটা কলমের দাম কত জানিস?

    —অত কথা শুনতে চাই না। দিবি তো বল।

    তখন যুদ্ধের বাজার। একে তো কলম পাওয়াই যায় না—তার ওপর লাইফ-টাইম শেফার্স। আশি নব্বুই টাকা দিয়েও কলম মিলবে না। একটু ঘোরাঘুরি করলেই বেশি দাম পাওয়া যায়। কিন্তু সময় কোথায়? আজকেই ফি দেয়ার শেষ দিন।

    —আচ্ছা, তাই দে।

    কলমটা বিক্রিই করে ফেললাম। সেলিনার কলম সেলিনাকেই ফেরত দেব একেবারে স্থির করে ফেলেছিলাম; কিন্তু ঘটনাচক্রে কিসে যে কি হয়ে গেল বুঝবার আগেই কলমটা হাতছাড়া হয়ে গেল।

    —তাহলে বিক্রি-টিক্রির পেশা যে একেবারেই আসে না তা নয়। ঠ্যাকা পড়লে আসে— পকেটে কলমটা গুঁজতে গুঁজতে কাঞ্জিলাল বললো।

    —কোথায় আর আসে! তোদের দোকানে কলমটা কি আর নব্বুই একশ’ টাকায় বিক্রি হতো না। একে তো বড় বাজার তার ওপর কালো বাজার।

    এই বলে আমিও পনেরটি টাকা পকেটে গুঁজলাম। তারপর দু’জন দু’দিকে চলে গেলাম। শেখরকে আমি অপেক্ষা করতে বলে এসেছিলাম। ফিরে এসে দেখলাম সে সেই একইভাবে একই জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। চোখ দুটি তার অফিস-রুমের দিকে নিবদ্ধ যেখানে ছেলেরা ফি দিচ্ছে; কিন্তু তার চোখ দুটি যে কিছু দেখছে মনে হয় না। শেখর এমনই স্থির উদাসীন, সমস্ত সুখ-দুঃখানুভূতির অতীত যে রক্তে মাংসে গড়া মানুষ বলেই তাকে মনে হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, একটা পাষাণ মূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। তারই পায়ের কাছে একটু ছায়া দেখে একটি বিড়াল নিরুপদ্রব শান্তিতে কুণ্ডলী পাকিয়ে ঝিমুচ্ছে। শেখরের কাছ থেকে যে কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই, বিড়ালটিও টের পেয়েছে।

    —রোদে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?

    —তুই যে বললি দাঁড়িয়ে থাকতে।

    —গাধা কোথাকার। রোদ থেকে সরে ছায়া দেখে দাঁড়াতে পারিস না! তারপর, শোন! সুখবর আছে। পনেরটি টাকা যোগাড় হয়েছে।

    —আমিও আরো আড়াইটি টাকা যোগাড় করেছি।

    —তুইতো দেখি মুনি ঋষি হয়ে গেছিস। আমি ছুটোছুটি করে হয়রান হয়ে গেলাম, আর তুই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই আকাশ থেকে টাকা পেড়ে আনলি?

    —আকাশ থেকে না রে। দেউকী দিয়ে গেল।

    —দেউকী? স্কুলের দারোয়ান তোকে টাকা দিয়ে গেল। সে জানল কি করে তোর টাকার দরকার?

    —আমাকে এখানে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সে জিগ্যেস করল, সবার মতো আমিও ফি দিচ্ছি না কেন? তুই তো জানিস, ও কত দিনের পুরোনো লোক, ও সব জানে। আমাকে ছেলেবেলা থেকে দেখেছে, আমিও তাকে সব খুলে বললাম।

    —সব? তোর ভাই হবার কথা, তোর মার কথা, সব বললি? তোর লজ্জা করল না?

    শেখর কিছু বললো না। মাথা হেঁট করে দাঁড়িয়ে থাকল। রাগে আমার সমস্ত গা জ্বালা করছিল।

    —তোর লজ্জা-শরম কিছু বাকি নেই। একটা দারোয়ানের কাছ থেকে তুই টাকা নিস! সে ব্যাটা গেছে কোথায়?

    —সে তার বাড়ি গেছে! তার কাছে আরো পাঁচটি টাকা আছে, তাই আনতে গেছে। তোর মতো সেও আমাকে এখানে অপেক্ষা করতে বলে গেছে।

    শেখর অপরাধীর মতো ম্লান সঙ্কোচে কোনোমতে কথাগুলো উচ্চারণ করল। শেষের দিকে তার গলা ভেঙে এলো। তবু বললো : লজ্জা করা কি আর আমার সাজে। আমি পরীক্ষা দিতে না পারলে মা মরেই যাবে। ছোট ভাইটিকেও গলা টিপে মেরে ফেলবে। তুই জানিস, আজকাল আমাদের ভালো করে খাওয়া জোটে না! যুদ্ধ যবে থেকে শুরু হয়েছে, চাল-ডালের দাম এত বেড়ে গেছে, আমরা দু’বেলা পেট পুরে খেতে পাই না। দেশে একটু বা জমিজমা আছে তার থেকেও কিছু পাই না। দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে। মা-ও একবেলা খায়। মার কষ্ট দেখলে বুক ফেটে যায়। মনে হয় ছুটে যাই, ভিক্ষে করে কিছু চাল-ডাল নিয়ে আসি। শেষ পর্যন্ত পারি না। লজ্জায় মাথা কাটা যায়।

    অবাক হয়ে যাই। শেখরের চোখ থেকে একফোঁটা অশ্রুও গড়িয়ে পড়ল না। দুপুরবেলার রোদের মতো চোখ দুটি জ্বলতে লাগল।

    —চুপ চুপ। আশেপাশে অনেক লোক আছে। তুই এখানেই দাঁড়িয়ে থাক। আমি একটা ব্যবস্থা করবই।

    —আমার আর পরীক্ষা দেওয়া হলো না ভাই।

    –হবে রে হবে। তুই এখানেই থাক, আমি এলাম বলে।

    এই বলে আমি হনহন করে বেরিয়ে এলাম।

    এলাম তো বটে, কিন্তু যাব কোথায়? গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থেকে খানিকক্ষণ ভাববার চেষ্টা করলাম।

    বেলা তখন প্রায় দ্বিপ্রহর। সেলিনা এইমাত্র বই ছেড়ে উঠল। তারও আই.এ পরীক্ষা এসে গেল প্রায়। ড্রেসিং টেবিলের ওপর থেকে তেলের শিশিটা তুলে নিল, ছিপি খুলল, তালুর ওপর একটুখানি তেল ঢালল। তারপর একহাতে খোঁপা খুলে, দুই হাত দিয়ে মাথায় তেল ঘষতে যাবে, এমন সময় আমাকে দেখতে পেল।

    —হঠাৎ এ সময়?

    —আমার কিছু টাকা দরকার।

    এক মুহূর্ত সেলিনা বিস্মিত দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে থাকল। তারপর তার ওষ্ঠাধরে এক বিচিত্র হাসির তরঙ্গ দেখা গেল—তাও এক মুহূর্তের জন্যই।

    অবিচলিত হাত দিয়ে সে বোতলের ছিপি বন্ধ করল। বোতলটি টেবিলের ওপর যথাস্থানে রেখে দিল, তারপর আমাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে জানালার দিকে এগিয়ে গেল। সেখানে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে সে অল্পকাল কি যেন চিন্তা করল। দেয়াল ঘড়ির টিক টিক শব্দ ছাড়া কামরা নিস্তব্ধ।

    এক সময় সেলিনা ফিরে দাঁড়ালো। এগিয়ে এসে জিগ্যেস করল : টাকা? কি করবে টাকা?

    —দরকার আছে।

    —শুনিই না কি দরকার।

    —আছে একটা দরকার।

    —আচ্ছা বাবা আচ্ছা। আমি আর প্রশ্ন করব না।

    তারপর আবার কোনো কথা নেই।

    এক সময় আমার কানের ওপর মুখ নাবিয়ে এনে সেলিনা বললো, ফিসফিস করে :

    —দেব। কিন্তু তোমাকে আমার কথা শুনতে হবে। সব কথা। শুনবে তো?

    সেলিনার কণ্ঠস্বর সাপের নিশ্বাসের মতোই হিসহিস করে উঠল।

    —শুনব। বলেই টাকা নিয়ে আমি সেখান থেকে পালালাম।

    ফি দেয়ার দিন শেখর কিছুতেই ছাড়ল না। তাদের বাড়ি ধরে নিয়ে এলো। বেড়া দেওয়া দুটি ঘর। সামনে একটুখানি উঠান, তাও বেড়া দিয়ে ঘেরা। লাউ আর তরি-তরকারির কিছু কিছু গাছ, অনেকগুলো হাতের যত্নের পরিচয় দিচ্ছে

    শেখর বাইরের ঘরে আমাকে বসিয়ে রেখে অন্দরে চলে গেল। একটু পরই ফিরে এসে বললো : চল, ভিতরে চল। মা ডাকছেন।

    এবার আমরা বেড়ার দ্বিতীয় ঘরটির সামনে এসে দাঁড়ালাম। একটা মাদুরের ওপর ছেঁড়া বালিশে মাথা রেখে শেখরের মা শুয়েছিলেন। তাঁর কোলের কাছে শেখরের “ছোট ভাই”।

    আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম।

    শেখর আমার সমবয়সী। তার মার একটা ছবি আমি মনে মনে কল্পনা করে নিয়েছিলাম— আমার আত্মার ছবির সঙ্গে কোথায় যেন তার মিল ছিল।

    কিন্তু দৃষ্টির অভিজ্ঞতার সঙ্গে আমার কল্পিত ছবির কোনোই মিল নেই।

    শেখরের মার বয়স কম, অবিশ্বাস্যরকম কম, অন্তত দেখে তাই মনে হয়। গায়ে একটা লাল পেড়ে সাদা শাড়ি; কিন্তু সেই দীন বেশেই তাকে রানীর মতো সুন্দর লাগছিল।

    আমি ঘরের ভিতরে প্রবেশ করছিলাম। তিনি ইশারা করে নিষেধ করলেন। বললেন : না বাবা, তোমাকে ভিতরে আসতে বলব না। এক বাটি চা পর্যন্ত দিতে বলব না—বলতে পারি না। কিন্তু তোমার মাথার ওপর মার আশীর্বাদ রইল। দেখবে তুমি বড় হবে, অনেক বড় হবে। অবাক হবার আরো বাকি ছিল। একটি চৌদ্দ পনের বছরের মেয়ে, অবিকল শেখরের মায়ের মতো দেখতে, একটা পেয়ালায় গরম দুধে ফুঁ দিতে দিতে ঘরে প্রবেশ করল। পেয়ালাটি মার শয্যাপার্শ্বে রাখল। দুটি চোখ তুলে একবার আমাকে দেখল।

    আমি বেরিয়ে এলাম। শেখর আমার পিছনে পিছনে বেরিয়ে এলো। বললো : ঐ মেয়েটি আমার বোন। আমার পিঠাপিঠি।

    সারাটা দিন বড়ই উত্তেজনায় কেটেছে। সারাটা পথ আমার মাথার মধ্যে নানান চিন্তা আনাগোনা করছে—কানের মধ্যে নানা কথা বাজতে থেকেছে। সেলিনার কথা “আমার সব কথা শুনতে হবে। শুনবে তো?” বারবার ভাবতে চেষ্টা করলাম, কি সে কথা, কি তার রহস্য, আবার শুনতে পাই শেখরের মার কণ্ঠস্বর : “এক বাটি চা-ও দিতে বলব না—বলতে পারি না!”

    কেন এক পেয়ালা চা-ও দিতে বলতে পারেন না? তাঁরা গরিব বলে? আমি মুসলমান বলে? নিশ্চয়ই আমি মুসলমান বলেই। এই সময় আর একদিনের কথা মনে পড়ল। সেদিন কি কারণে স্কুল হঠাৎ ছুটি হয়ে গিয়েছিল। আমি, শিশির আর মহেন্দ্র নামে একটি ছেলে গল্প করতে করতে শিশিরদেরই বাড়ি পৌঁছে গেলাম। রৌদ্রে হাঁটবার পর আমাদের সকলেরই ভয়ানক তেষ্টা পেয়ে গিয়েছিল। মহেন্দ্ৰ শিশিরকে বললো : “এক গ্লাস জল খাওয়া তো রে!” তৎক্ষণাৎ ভিতর থেকে কাঁসার গ্লাসে এক গ্লাস পানি এলো। এবার আমি বললাম : “আমিও খাব।” হঠাৎ শিশিরের মুখ শুকিয়ে গেল—আমার কণ্ঠের চাইতেও শিশিরের মুখ অধিক শুষ্ক মনে হচ্ছিল। সে অত্যন্ত বিব্রত হয়ে আমতা আমতা করে কোনোমতে বললো : “জল কি খাবি! চল, তোকে ভালো জিনিস খাওয়াব। পাশের পানের দোকানে চল, বোতল থেকে লেমনেড খাবি।”

    অকস্মাৎ আমারও দৃষ্টি পরিষ্কার হয়ে গেল। আমি বললাম : “থাক। লেমনেড খেতে আর ভালো লাগবে না।” বলেই সেদিন বিদায় নিয়েছিলাম।

    তেমনই কোনো বাধা নিশ্চয়ই শেখরের মায়েরও স্বতঃস্ফূর্ত স্নেহশীলতার অথবা কৃতজ্ঞতাবোধের—উৎস মুখ রুদ্ধ করে দিয়েছিল।

    যখন বাড়ি ফিরলাম তখন ক্ষুধায়-তৃষ্ণায় আমি কাতর।

    আম্মা বারান্দার একপাশে চুপচাপ বসেছিলেন। এমনিতেই তিনি গম্ভীর, আজ আরো গম্ভীর।

    —ফি দিলি?

    —দিলাম। বড্ড খিদে পেয়েছে। কিছু খেতে দাও।

    আঁচল থেকে আম্মা এক আনা পয়সা বের করে দিলেন।

    —যা বাবা। আজকের মতো কিছু মুড়ি-মুড়কি কিনে খেয়ে নে।

    —মুড়ি-মুড়কি? মুড়ি-মুড়কি দিয়ে দুপুরের খাবার?

    —হ্যাঁ বাবা। আজকে আর চুলো ধরে নি I

    —চুলো ধরে নি? কেন ধরে নি শুনি?

    —বাজারে কয়লা পাওয়া যাচ্ছে না। যবে থেকে লড়াই শুরু হয়েছে একটা না একটা হাঙ্গামা লেগেই আছে।

    —তুমি কিছু খেয়েছ?

    —হ্যাঁ খেয়েছি। বকাস নে যা।

    –উঁহু। তুমি খাও নি। তোমার মুখ দেখেই টের পাচ্ছি।

    —ভারি লায়েক হয়েছ তুমি, তাই না! মুখ দেখেই টের পাচ্ছ?

    আম্মার প্রশ্নের কোনো জবাব দিলাম না। দেয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। আম্মার পায়ের কাছে বসে পড়লাম। কেউ কোনো কথা বলি না। এইভাবেই অনেকটা সময় কেটে যায়। আমিই এক সময় বললাম : আমি আর পড়ব না। চাকরি করব।

    এত দুঃখেও আম্মার মুখে হাসি এলো। চেয়ে চেয়ে তাঁর এই হাসিই দেখতে লাগলাম। তাঁকে যেন কিছু স্পর্শ করে না—কোনো দৈন্যই যেন তাঁকে ম্লান করতে পারে না।

    —তোকে চাকরি দেবে কে শুনি?

    আমি এবারও কোনো জবাব দিলাম না। কিন্তু আমার দুটি ওষ্ঠের এক বিবিক্ত ভঙ্গিমা এই বলতে চাইল, চাকরি সংগ্রহের মতো অনায়াসসাধ্য কাজ আর কিছুই নেই।

    —কি রে, কথা বলছিস না যে।

    —চাকরির অভাব। যুদ্ধের সময় কত জায়গায় সেধে লোক নিচ্ছে। ইচ্ছে করলে কালকেই ‘এ-আর-পি’তে জয়েন করতে পারি।

    এতক্ষণ আম্মার আচরণের মধ্যে কিছুটা প্রচ্ছন্ন কৌতুক ছিল। মুখে যতই লম্ফঝম্প করি, চাকরির বাজার বড়ই কঠিন তিনি তা জানতেন। কিন্তু যুদ্ধের বাজারে চাকরি যে বাস্তবিকই সস্তা হয়ে গেছে আমার কাছ থেকে তারই ইঙ্গিত পেয়ে তিনি শঙ্কিত হয়ে উঠলেন।

    —ছিঃ বাবা। ও-সব কথা মনে আনতে নেই। যুদ্ধ আজ আছে কাল নেই। যুদ্ধের চাকরিও আজ আছে কাল নেই। তখন করবি কি? লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে এক্ষুণি কাজে ঢুকলে তখন পথে বসবি। এখন মন দিয়ে পড়াশোনা কর। যতই কষ্ট হোক, আর কোনো কথাই ভাববি না। লেখাপড়া কর, তারপর যদি তোকে মোটও বইতে হয়, তার মধ্যেও ইজ্জত আছে।

    —আচ্ছা আচ্ছা, সে হবেখন।

    এই বলে উঠে পড়ি।

    বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে ঘুমাবার চেষ্টা করলাম। কিন্তু পেট খালি থাকলে পোড়া চোখে ঘুমও আসতে চায় না। একটু পরেই বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লাম। গোসলখানায় গিয়ে ঢুকলাম। কাপড় ছেড়ে ভালো করে মাথায় পানি ঢালতে লাগলাম।

    —তুই করছিস কি! অত পানি খরচ করিস নে। অত পানি পাবি কোথায়?

    কি জ্বালা। একটু আয়েস করে গোসল করব সে উপায়ও নেই।

    যুদ্ধের পর থেকে পানি সরবরাহ পর্যন্ত কমে গেছে। তাড়াতাড়ি গা মুছে কাপড় পরে গোসলখানা থেকে বেরিয়ে আসি।

    —এই এলি, আবার যাচ্ছিস কোথায়? একটু সবুর কর, দেখি রান্নার ব্যবস্থা করতে পারি কি না।

    —আমি এই এলাম বলে।

    এই বলে বেরিয়ে পড়লাম। আধঘণ্টা পর একটা ঠোঙায় করে কিছু খাবার কিনে বাড়ি ফিরলাম। ঠোঙাটা আম্মার সামনে তুলে ধরলাম।

    —হালুয়া-কচুরি কোথায় পেলি?

    —কোথায় আবার পাব! কিনে আনলাম।

    আম্মাকে আর কোনো প্রশ্ন করবার অবসর না দিয়েই তাঁর হাত ধরে দু’জনেই মাটিতে বসে পড়লাম।

    —–এই নাও, খাও।

    —তুই খা, আমি খেয়েছি।

    —ওসব চালাকি চলবে না। তুমি খাও নি আমি জানি।

    —আচ্ছা বেশ। আগে তুই খেয়ে নে। আমার জন্য একটু রেখে দিস। আমি হাতমুখ ধুয়ে এলাম বলে।

    কলম-বিক্রি এবং “সব করব” এই প্রতিশ্রুতি-লব্ধ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে কেনা কচুরি খেতে বসে গেলাম।

    আম্মা একটু পরই আঁচলে হাতমুখ মুছতে মুছতে ফিরে এলেন। সারাদিনের অনাহারে ক্ষুৎপিপাসাতুর মুখ এখন অনেকটা প্রসন্ন-উৎফুল্ল। ঠোঙাটা তাঁর দিকে এগিয়ে দিই।

    —তুই খেয়েছিস?

    —না খেয়েই তোমাকে দেব, আমাকে অমন মহাপুরুষ পেয়েছ!

    —আচ্ছা বীর পুরুষ, দে!

    আম্মা ঠোঙাটা হাতে নিলেন।

    এমন সময় কোথা থেকে হঠাৎ মেজ ভাই উপস্থিত হলেন। এক নিমেষে আম্মার হাত থেকে ঠোঙাটা ছোঁ মেরে কেড়ে নিয়ে খেতে শুরু করে দিলেন। আমি বা আম্মা কেউ বাধা দিলাম না।

    এই মেজ ভাই কিছুদিন থেকে আজব বেয়াড়া হয়ে গেছেন। কারো কথা শুনবেন না, কারো মানা মানবেন না। মাথাটা বেজায় গরম। একটা ঝড়ো হাওয়ার মতো সবসময় ঘরের ভিতর ঘুরে বেড়াবেন—হাতের কাছে যখন যা পাবেন তাই তছনছ করে দেবেন। লেখাপড়া সব ছেড়ে দিয়েছেন। হয় সারাটি ঘর দাবড়ে বেড়াবেন নয় বিছানায় গুম হয়ে চুপচাপ শুয়ে থাকবেন, দিনের পর দিন কোনো কথাই বলবেন না। মুখে একটি কথা নেই, চোখে পলক নেই, সারাটি দিন উন্নেত্র হয়ে কড়িকাঠের দিকে তাকিয়ে থাকবেন। বহুদিন পর যখন মৌনভঙ্গ হবে, তখন তাঁর প্রথম বাণী: ‘আমি ভীম ভাসমান মাইন’ সবাই বলাবলি করেন : মেজ ভাইয়ের মাথাটাই না কি গোলমাল হয়ে যাচ্ছে।

    মেজ ভাই বিনা রণেই জয় করলেন—এটা তাঁর মনঃপূত হলো না। আম্মার ভাগের হালুয়া- কচুরি কিছুটা খেয়ে নিয়ে তাঁর কি মনে হলো—ঠোঙাটা আম্মাকে ফেরত দিলেন।

    আম্মা বললেন : তুই খা না।

    বজ্রগম্ভীর কণ্ঠে উত্তর এলো : না তুমি খাও। আমি খেয়েছি। তুমি পয়সা দিয়েছিলে।

    —তাতে কি বাবা। তুই খা। তোর পেট ভরে নি।

    –না। তুমি খাও বলছি।

    এমন সময় হঠাৎ মেজ ভাই আম্মাকে দুই হাত দিয়ে কোলে তুলে নিয়ে নাচতে শুরু করে দিলেন।

    —আরে থাম থাম। করছিস কি। পড়ে যাব যে।

    যেমন হঠাৎ কোলে তুলে নিয়েছিলেন তেমনি অকস্মাৎ কোল থেকে নাবিয়ে দিয়ে কঠোর কণ্ঠে তিনি আম্মাকে প্রশ্ন করলেন : তোমাকে তো লোক ভালোই মনে হয়। কিন্তু তোমার ভাইটি অমন চামার কেন?

    —ছিঃ বাবা ছিঃ। তোর মুরুব্বি না! লোকে বলবে কি?

    মেজ ভাই অনেকক্ষণ আম্মার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর গালে একটা চুমু দিয়ে যেদিক দিয়ে এসেছিলেন সেদিকেই চলে গেলেন। কেবল সিগারেটের ধোঁয়ার মতো মুখ থেকে একটু পরপর বেরুতে লাগল : ভীম ভাসমান মাইন।

    হালুয়ার ঠোঙাটা যে কখন মাটিতে পড়ে গেছে কেউ খেয়াল করে নি। কয়েকটি কাক তারই ভাগ নিয়ে কাড়াকাড়ি মারামারি করছিল।

    আম্মা একটা ছোট্ট নিশ্বাস ত্যাগ করলেন।

    আমরা ম্যাট্রিক পাস করলাম। পরীক্ষার ফলাফল মোটের ওপর ভালোই হলো। মুশতাক আর কাঞ্জিলাল প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হলো, আমি আর শেখর রিপন কলেজে। আমি আর মুশতাক আর্টস। শেখর আর কাঞ্জিলাল সায়েন্স। শিশির আর বদ্রি গেল সেন্ট জেভিয়ার্সে, উভয়েই আর্টস। মফিজ গেল ইসলামিয়া কলেজে, সেও আর্টস।

    সেলিনা আর অনিমাও আই.এ পাস করল। সেলিনা নিল ইংরেজিতে অনার্স, অনিমা ইকনমিকসে—উভয়েই বীটন কলেজেই থেকে গেল।

    দ্রুত সময় কেটে যেতে লাগল। যুদ্ধ ঘরের কাছাকাছি চলে এলো, আর দুর্ভিক্ষ দ্বারে দ্বারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম
    Next Article চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    Related Articles

    রশীদ করীম

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    রশীদ করীম

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }