Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    স্বপ্নময় চক্রবর্তী এক পাতা গল্প230 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চতুষ্পাঠী – ১৩

    তের

    উদ্দালক বলিলেন হে পুত্র, শ্রবণ কর। মনের তত্ত্ব বুঝাইতেছি। দুগ্ধ মন্থনে দুগ্ধের সারাংশ উপরে ভাসমান হয়, তাহাই নবনী। আমরা যে অন্ন খাই, তাহারই সূক্ষ্ম সারাংশ উপরে উঠে এবং তদ্দারাই মন পুষ্ট হয়। এইরূপেই জলের সারাংশ দ্বারা বাক্য পুষ্ট হয়। হে বৎস, আমাদের মন অন্নময়, প্ৰাণ জলময়, বাক্য তেজোময়।

    শ্বেতকেতু বলিলেন, ভগবন, বুঝিতে পারিলাম না। পুনর্বার বলুন। তখন ঋষি আদেশ করিলেন পুত্র, অদ্য হইতে পঞ্চদশ দিন উপবাস কর। কেবল জলপান করিও, কারণ জল প্রাণময়। শ্বেতকেতু তাহাই করিলেন। পঞ্চদশ দিবস গত হইল। শ্বেতকেতু শুষ্ক শীর্ণ হইলেন, বর্ণ কালিমাময় হইল। কিন্তু পিতা তাহাকে তত্ত্বজ্ঞান শিক্ষা দিবেন এই আনন্দে সমস্ত দুঃখ বিস্মৃত হইয়া রহিলেন। ষোড়শ দিবসে শ্বেতকেতু পিতার নিকট উপস্থিত হইলেন। কহিলেন, পিতঃ আমি আসিয়াছি। উদ্দালক আদেশ করিলেন, হ্যাঁ বৎস, ঋক যজুঃ সাম আবৃত্তি কর। শ্বেতকেতু পিতার আদেশ শুনিয়া সমস্ত স্মরণ করিতে চেষ্টা করিলেন। কিন্তু এ কি বিস্মরণ। কিছুই বলিতে পারিলেন না। অত্যন্ত লজ্জিত হইয়া শ্বেতকেতু কহিলেন, ভগবন, কিছুই তো মনে পড়িতেছে না। পুত্রের এই অবস্থা দেখিয়া ঋষি কহিলেন-বৎস, কাতর হইও না। যাও, ভোজন কর। ভেজনান্তে সবই স্মরণ হইল—শ্বেতকেতু চিন্তান্বিত হইলেন। মন কি জড়? মন কি জড় অন্নের অংশ দ্বারা রচিত হয়?…

    —আর নেই। ছান্দোগ্য উপনিষদের বঙ্গানুবাদ। এখন ঠোঙা

    কিছুটা খই খেয়েছিলেন অনঙ্গমোহন। শুকনো খই। গোপনে। ক্ষুধায় গোপন ক্ষুধায়। সন্তর্পণে ঠোঙাটির ভাঁজ খুললেন অনঙ্গমোহন। সাবধানে। ভাঁজ-বিনষ্ট ঠোঙাটিকে দেখলেন। ঠোঙার ভাঁজগুলি দেখলেন। মন দিয়ে দেখলেন। অন্ন মনোময়।

    বাড়ি ফিরেই প্রথমে একটা পুরনো পঞ্জিকা হাতড়ে নিলেন। শক্ত করে ধরলেন, ছিঁড়ে ফেললেন বুধ রাজা, শনি মন্ত্রী, ছিঁড়ে ফেললেন রাশিফল। অতিবৃহৎ প্রকাণ্ড লাল মূলা ছিঁড়ে ফেললেন। ছিঁড়ে ফেললেন শুভদিনের নির্ঘণ্ট। অনঙ্গমোহন যেন বাজারের মুরগিওলা। পালক ছিঁড়বার মতো পৃষ্ঠাগুলো ছিঁড়ে ফেললেন। এবার বের করে আনলেন কাব্যচন্দ্রহার ছিঁড়ছেন। শ্লেষ-যমক উৎপ্রেক্ষা ছিঁড়ছেন…একজন নররাক্ষস যেন। বিলু ঘরে ঢুকেই দেখতে পায় এ দৃশ্য। ঝাঁপিয়ে পড়ে, অনঙ্গমোহনের হাত থেকে কেড়ে নেয় কাব্য চন্দ্রহার। বলে এসব কী করছ, দাদু? অনঙ্গমোহন বলেন, এইসব বই-পুস্তক ছিন্ন কইরা ঠোঙা বানামু। বিলু দু’হাত বিস্তার করে। জলের তোড়ের সামনে পাহাড়ের মতো। বিলুর বাড়ানো হাতে প্রবল নিষেধ। এসব কী করছ দাদু? অনঙ্গমোহন ছর ছর করে কেঁদে ফেলেন। বিলুকে জড়িয়ে ধরেন। বিলুকে তখন ছত্রছায়া মনে হয়। বিলুর গায়ে লেপ্টে থাকেন। বিলু বলেছিল, ঠোঙা যদি বানাতেই হয়, বাইরে থেকে কাগজ নিয়ে আসব। এসব বই ছিঁড়ছ কেন দাদু। অঞ্জলিও কোমরে কাপড় গুঁজে নেয় তখন। একটা একটা করে ছেঁড়া পাতাগুলি কুড়িয়ে দেয়। স্বপ্না পৃষ্ঠা মিলিয়ে ছেঁড়া পৃষ্ঠাগুলো ঠিক করে গুছিয়ে রাখে। অঞ্জলি বলে, পরে সেলাই করে দেব। অনঙ্গমোহনের তখন মনে হয় এই পৃথিবী খুব একটা খারাপ জায়গা নয়।

    এবার পূর্ণচন্দ্র চতুষ্পাঠীতে ঠোঙা তৈরি হতে লাগল নিয়মিত। প্রথম দিকে ঠোঙাগুলোর সাইজ ঠিক ছিল না। বেঁকাতেড়া হয়ে যাচ্ছিল। কাটার মধ্যে গণ্ডগোল হয়ে যাচ্ছিল, এ ব্যাপারে ঠিকমত ট্রেনিং দিল ন্যাড়া, ওরফে স্বপন সরকার। ন্যাড়া বলেছিল, জীবনে অনেকরকম করেছি। বাজি, পুতুল, ফুলুরি, পাঁপড়, ঠোঙা। তবে ঠোঙা হল জাপানি শিল্প। জাপানি শিল্প ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করে দিয়েছিল ন্যাড়া। জাপানে নাকি ফ্যামিলির সবাই একসঙ্গে বসে ঘড়ি, রেডিওর পার্টস ফিটিং করে, ঠোঙাও সেরকম। একা হয় না। একজন কেটে দেবে, সেকেন্ডজন আঠা লাগাবে, থার্ডজন ভাঁজ করবে। এই ঠোঙা তৈরির কর্মশালা পরিবারের সবাইকে কাছাকাছি এনে দিয়েছে, একসঙ্গে হেসে ওঠে, একসঙ্গে চিন্তা করে। স্বপ্না হয়তো বলল, জানো মা, একভাবে রান্না করা যায় তাতে তেল অনেক কম লাগে। রেডিওতে মহিলামহলে শুনেছি। প্রথমে তরকারি সাঁতলাতে হয় না। আগে সেদ্ধ করে নিয়ে পরে তেলে ফোড়ন-টোড়ন মশলাটশলা দিয়ে ঐ সেদ্ধ তরকারিটা ঢেলে দিতে হয়। অনঙ্গমোহন হয়তো বললেন—ঐ তরকারির প্রয়োজন কী। ডাইলের মধ্যে তরকারি দিয়া দাও, ব্যাস। তৈলের দরকার নাই। তৈল খাওয়া ভাল নয়। পিত্তচড়া হয়। স্বপ্না হয়তো বললো—মা, একটা নতুন খাবার খেলাম। আমাদের ক্লাসের একটা মেয়ে দার্জিলিং থেকে এনেছে। সাদা সাদা। চাউচাউ না কি বেশ নাম। লম্বা লম্বা কেঁচোর মতো দেখতে। অ্যা মা…অঞ্জলি মুখ বিকৃতি করে। অনঙ্গমোহনের বেশ লাগে।

    চাকরিটা হারাবার পর, এখন অঞ্জলির মধ্যে যেন প্রাণ এসেছে— অনঙ্গমোহনের মনে হয়। আগে ছিল যেন কাষ্ঠপুত্তলি। হাসত না, রাগত না। এখন অঞ্জলির মুখের হাসি দেখতে পেলে অনঙ্গমোহন খুশি হন। ঠোঙা বানাতে বানাতে হয়তো বিলু বলল-এই ঠোঙাটার কী রাশি বলত মা? অঞ্জলি বলল—তোর দাদুকে জিজ্ঞাসা কর। বিলু বলল-বলতে পারলে না তো, এটা বিরাশি। এই দেখ না লেখা আছে পৃষ্ঠা বিরাশি।

    অঞ্জলি বলে, এই ঠোঙারও একটা রাশি নক্ষত্র আছে, কন বাবা? এরও একটা ভাগ্য আছে। কে বলতে পারে, এটা কিসের ঠোঙা হইব? ডাইলের, বিস্কুটের না চানাচুরের। কেউ হয়তো ঠোঙাটারে যত্ন কইরা রাইখ্যা দিব। কখন কি কাজে লাগে এইসব চিন্তা কইরা। কেউ হয়তো ফালাইয়া দিল, কেউ ফুঁ দিয়া ফাটাইল। অঞ্জলি হাসছে। ওর হাসিকে অম্লান করে রাখতে সাধ যায় অনঙ্গমোহনের, অনঙ্গমোহন গল্প বলেন—সেই এক আছিল জামাই। নোয়া জামাই। জামাই তো বিয়া কইচ্ছে পণ্ডিতের মাইয়া। জামাই উচ্চবংশ। কিন্তু লেহাপড়া জানে না। মূর্খ। বিয়ার পর জামাই গেছে শ্বশুরালয়ে। জামাই জানে, শ্বশুরবাড়ি হইল পণ্ডিতবাড়ি। অনেক পুঁথি পুস্তক আছে। জামাই কইল কী, একখান বই নিয়া মুখের সামনে রাখছে।

    শ্বশুর একটু পরে গিয়ে দ্যাখে, জামাই কাঁদতেছে। জামাইয়ের সামনে মহাভারতের স্ত্রীপর্ব খোলা—

    সহস্র বীরের দেহ গড়াগড়ি যায়,
    ঘরের রমণীবালা করে হায় হায়।

    শ্বশুর ভাবল, আহারে, জামাইয়ের কী নরম মন, শ্বশুর জামাইয়ের পিঠে হাত দিয়া কয়—কাইন্দো না, কাইন্দো না, জন্মিলে মরিতে হয়। মরণের পর আবার জন্ম হয়। কাইন্দো না। বাসাংসি জীর্নানি যথা বিহায়—গীতার ঐ শ্লোকটি স্মরণ কর।

    জামাই কইল, শ্বশুরমশয়, আমি আমার ছোটবেলার কথা স্মরণ করি। তখন বইতে কত বড় বড় অ দেখেছি, কত বড় বড় আ, এই অ্যাত বড় বড় ক খ আছিল—এখন অক্ষরগুলি খাইতে না পাইয়া কত ছোট ছোট হইয়া গেছে গিয়া। এই অক্ষরগুলির দুঃখে আমার চোখে জল আসে।

    হো হো করে হেসে ওঠে অঞ্জলি, হেসে ওঠে সবাই, শীত-শেষের শীর্ণডালে যেমন হেসে ওঠে পলাশ মঞ্জরী।

    ন্যাড়া মাঝে মাঝে দুপুরের দিকে আসে। এই চা বিক্রেতার উৎসাহ দেখে অবাক হন অনঙ্গমোহন। হিতোপদেশের অনেকটাই শেষ করে এনেছে এই স্বপন সরকার। মানুষের উপর আস্থা জাগে। এই ছেলেটির জ্ঞানলাভের তৃষ্ণা আছে। আকাঙ্ক্ষা আছে। ছেলেটি একদিন বলেছে—পণ্ডিতমশাই, আপনাকে দেখে আমার ভুল ভেঙেছে। আগে জানতাম, নামাবলী জড়ানো টিকিওলা ব্রাহ্মণ মানেই অং বং করে দক্ষিণা চায়। আপনি আলাদা। আপনি অন্য একটা লড়াই করছেন। আপনাকে দেখে আমার শ্রদ্ধা হয়।

    ঠোঙা তৈরির সময় আগে কর্মশালার দরজা বন্ধ রাখা হত। এখন খোলাই থাকে। অজিতবাবু উঁকি মারলেন। বললেন-কাল ওঁকে নিয়ে আসছি।

    অঞ্জলি ঘোমটা উঠিয়ে দিয়ে বলল—তাই? ভাল কথা। দিদি ছাড়া বাড়িটা বড় ফাঁকা ফাঁকা লাগছিল।

    শিখার মা হাসপাতালে ছিল বেশ কিছুদিন। অঞ্জলি কয়েকদিন দেখে এসেছে। অনঙ্গমোহনও গেছেন। নাকের ভিতর দিয়ে নল, হাতের চামড়া কুঁকড়ে গেছে। মরাল গ্রীবায় কদাকার ক্ষত। অগ্নি কি নৃশংস। যেদিন প্রথম কথা বলতে পারল, অনঙ্গমোহন সামনে ছিলেন, জয়া বলেছিল, তা হলে বেঁচে গেলাম। ও হাসতে চেষ্টা করছিল। শিখার মা আসবে শুনে অঞ্জলি প্রকৃতই খুশি হল যেন। আঙুলের আঠা মাথার চুলে ঘসে নিয়ে বলল—ঘর-দুয়ার যা হইয়া রইছে।

    বিক্রির ব্যাপারটা অসীম আর বিলু করে। ঠোঙার ব্যাগ হাতে অনঙ্গমোহনকে দোকানে দোকানে যেতে হয় না। আজ অনঙ্গমোহনের মনে হল, এটা অভিভাবকসুলভ কাজ নয়। প্রথমত ঠোঙা তৈরির কারণে ওদের লেখাপড়ার সময় অনেকটাই নষ্ট হচ্ছে, তার উপর বিক্রির জন্যও ওদের সময় ব্যয় হয়। অনঙ্গমোহন ভাবেন, সংস্কার বিসর্জন দিয়ে তাঁরও উচিত, রাস্তায় নেমে যাওয়া। কিন্তু পণ্ডিত অনঙ্গমোহন সেটা পারেন না। উনি জানেন, সামাজিক সম্মান অর্থনির্ভর। বিদ্বান সর্বত্র পূজাতে এখন ভুল। উত্তমা মানমিচ্ছন্তি ধনমিচ্ছন্তি অধমা—একটা মিছে কথা মনে হয়। আসলে এটা একটা সংস্কার। কুলগত সংস্কার। অনঙ্গমোহন কিছু ঠোঙা সরিয়ে রাখেন। ব্যাগে ভরে নেন।

    জয় মা বলে বেরিয়ে পড়েন অনঙ্গমোহন। খগেনের দোকানের সামনে দাঁড়ান। খগেন মুড়ি-তেলেভাজা বিক্রি করে। খগেন বলল, কী খবর ঠাকুরমশাই? অনঙ্গমোহন বলেন, ভালই তো। তাঁর কাঁধের সাইড ব্যাগ চাদরে আড়াল করে বলেন, তুমি ভাল আছ তো? খগেন বলে আজ্ঞে, আপনার আশীর্বাদে। অনঙ্গমোহন বলেন, ব্যবসা কেমন চলছে। আজ্ঞে, আপনার আশীর্বাদে চলে যাচ্ছে। অনঙ্গমোহন চলে যান। ফটিকের দোকানের দিকে যান। অনঙ্গমোহন মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে নেন—এই দোকান থেকে অন্তত পালাবেন না। মনে মনে সংলাপ স্থির করেন।

    —কী ফটিক। কুশল তো? ত, শুন, দরকারি কথা আছে। আমার তো তৈল, গুড় আর শুকনা লঙ্কা বাবদ কিছু বাকি আছে, সেই পয়সাটা লও।

    —দিন, দিয়ে দিন।

    —পয়সায় দিমু না। কিছু ঠোঙা আছে। হিসাব কইরা কিছু ঠোঙা লইয়া লও।

    —সে কী ঠাকুরমশাই! আপনি ঠোঙা বানাচ্ছেন?

    —হ। দিবানিদ্রাটা বড় খারাপ। বায়ুচড়া হয়। দ্বিপ্রহরে করিটা কী? তাই, আলস্য না কইরা ঠোঙা বানাইলাম। ক্ষতি কী?

    তা বেশ, তা বেশ, মাঝে মাঝে দিয়ে যাবেন।

    ফটিকের দোকানের সামনে দাঁড়ালেন অনঙ্গমোহন। বহুদিন ধরে দেখছেন ফটিককে। ফটিক দত্ত। গন্ধবণিক তপ্তকাঞ্চনের মতো রঙ। কিছুদিন ধরে বেশ মোটা হয়ে চলেছে ফটিক। অনঙ্গমোহন শুরু করেন—

    —কী ফটিক কুশল তো?

    —আর কুশল। বেচাকেনা নেই…

    —শুন ফটিক, দরকারি কথা আছে।

    —কী বলুন।

    —তোমার বাবার লগে আমার খুবই সদ্ভাব ছিল।

    —হ্যাঁ, তা তো ছিল।

    —তোমার বাবা খুবই পুণ্যবান লোক ছিলেন।

    —কিছু নেবেন?

    —না, কইতাছিলাম কি যে—আচ্ছা ধারবাকি এখন কত আছে?

    —আর তো কিছু বাকি নেই, অ্যাডজাস্ট হয়ে গেছে, আপনার নাতি এসে কিছু ঠোঙা বিক্রি করে গেল—তা এখন ঠোঙা বিক্রি করছেন ঠাকুরমশাই? বামুন হয়ে ঠোঙা বেচতে হচ্ছে, ঘোর কলি পড়েছে। শাস্ত্রে নাকি লেখা আছে, কলিতে বামুনরা শূদ্রের কাজ করবে, মুনিঋষিরা যা বলেছে সব অক্ষরে অক্ষরে ফলছে। কলিতে মেয়েছেলে ঘরে থাকবে না, চোর-জোচ্চরদের শাসন করার কেউ থাকবে না, রাজা হবে চোর, বলুন ঠাকুরমশাই, সব মিলে যাচ্ছে কিনা…কলিতে আরও কি হবে শুনবেন…

    অনঙ্গমোহনের ওখানে দাঁড়িয়ে ফটিকের মুখে শাস্ত্রকথা ভাল লাগছিল না। বিরামের দোকানে যান অনঙ্গমোহন। কোনো ভণিতা ছাড়াই সোজাসুজি বিরাম ঘোষকে বলে ফেলেন, কিছু ঠোঙা আছে, ঠোঙা। নেবা? বিরাম ঘোষ মুগের লাড্ডু পাকাচ্ছিল। মুখই তুলল না। লাড্ডু পাকাতে পাকাতেই বলল, আর ঠোঙা। শালার বিক্রি নেই মোটে। নুন কে চুন বানিয়ে দিয়েছে প্রফুল্ল সেন। বোঁদে বেচতে আর কটা ঠোঙা লাগে? জানেন না এখন মিষ্টান্ন নিয়ন্ত্রণ।

    অনঙ্গমোহন এবার বাজারের দিকে যান। ব্যাগের থেকে বার করেন এক বান্ডিল ঠোঙা। হাতের মুঠিতে ধরে থাকেন। এইবার প্রকৃত ক্যানভাসার। চাঁদিপুর ঘাটের রাঙাজবা সিঁদুর বিক্রেতার মতো হাত উঁচু করে ধরেন অনঙ্গমোহন কাব্য ব্যাকরণ তীর্থ। বাজারের মুখে একজন ফলওয়ালা। আপেল, আঙুর, কমলালেবু, অনঙ্গমোহন বলেন, এই যে ভাল ঠোঙা, খুব ভাল ঠোঙা আছে। তারপরই ক্যানভাসারের কণ্ঠ ও ভঙ্গিমা রাখতে পারেন না আর। কোমল কণ্ঠে বলেন, নেবা? নেবা ভাই কটা ঠোঙা? ফলওয়ালা উঠে দাঁড়াল। দু’হাত জোড়া করল, নারায়ণের সামনে গরুড় যেমন। বলল, আরে, পণ্ডিতজি, আপ? ঠোঙা বেচছেন?

    —কেন? আমাকে চেন নাকি?

    —হ্যাঁ, তো, জরুর চিনি, আপনি তো রোজ সুবা সুবা গঙ্গামাই যান, আমি ভি যাই। কোতো স্তব করেন, পূজা ভি করেন—আমি আপনার কাছে কী করে ঠোঙা লিব? আপনি আট আনা এমনি নিয়ে যান। ব্রাহ্মণ মহাত্মাকে দান করা তো বহুত পুন্ কী কাজ।

    অনঙ্গমোহন বলেন, না ভাই, দান চাই না, ঠোঙা কটা যদি দয়া কইরা নাও…

    আরে ঠোঙা কেন বেচবেন, আপনি ব্রামভন আছেন না? পইসা জরুরত আছে তো হামি বেবস্থা করিয়ে দিব। সোকাল বেলা কটা মন্ত্র পড়িয়ে দিবেন, বহুত আদমি পইসা দিবে।

    অনঙ্গমোহন ঠোঙা ঢুকিয়ে ফেলেন ব্যাগে। ভাবলেন, এভাবে হবে না। অন্যপাড়ায় যেতে হবে তাঁকে। তোরঙ্গ খুলে জামাটা বার করে নিতে হবে। পণ্ডিতের পক্ষে ঠোঙা বিক্রি করাও কঠিন। চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন অনঙ্গমোহন, এমন সময় সামনের একটা ওষুধের দোকান থেকে একজন ভদ্রলোককে বের হতে দেখলেন অনঙ্গমোহন। তার হাতে কাগজের ঠোঙা নয়। ঠোঙাটি এমন, ভিতরের বস্তু দেখা যায়। বিলুর উপনয়নে এরকম দু’একটা ঠোঙা দেখেছিলেন। পলিথিন ব্যাগ। ঠোঙার শত্রুকে দেখলেন অনঙ্গমোহন। অনঙ্গমোহন তীব্র দৃষ্টিতে তাকালেন। কলিতেও যদি ব্রহ্মতেজ থাকত, তবে ঐ দৃষ্টিতে জন্ম হয়ে যেত কলির পলিথিন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তম পুরুষ – রশীদ করীম
    Next Article শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }