Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    স্বপ্নময় চক্রবর্তী এক পাতা গল্প230 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চতুষ্পাঠী – ৭

    সাত

    মা কালীর কাছে মানত ছিল সুরবালার, সে অনেকদিন আগে। বিলু তখন খুব ছোট। দু’বছরের বিলুর ডিপথেরিয়া হয়েছিল। হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল কলোনির লোকজন। মানতটা সে সময়েরই। বিলু ভাল হয়ে গেলে কালীমাকে পাঁঠা দেবে।

    আজ দেব কাল দেব করে পাঁচ বছর কেটে গেল। শেষকালে সুরবালা মরিয়া।

    সকালবেলা স্নান করেই পতির চরণামৃত পান করার অভ্যেস সুরবালার। একটা ছোট বাটিতে সামান্য জল, অনঙ্গমোহনের ঠ্যাংটা টেনে ঝট করে বুড়ো আঙুলটা স্পর্শ করিয়ে ঢক করে গিলে ফেলে জল। সে দিনও তাই হল। আহ্নিকে বসেছিলেন অনঙ্গমোহন, সুরবালা কোত্থেকে উদয় হয়ে ঠ্যাং টানল। ঢক করে জলটা খেয়েই কানের ফুলদুটো খুলে সামনে রাখলেন—এই দুলজোড়া বেইচ্যা পাঁঠা কিন।

    ক্যান?

    আমি মা কালীরে স্বপ্ন দেখছি রাইতে।

    অনঙ্গমোহন আবার প্রথম থেকে শুরু করে—ওঁ প্ৰজাপতিঋষি গায়ত্ৰীচ্ছন্দ…

    শোনছেননি আমার কথা। স্বপ্ন দেখেছি। এইবারেই কালীপুজোয় সোনাচাকার মাঝের ঘরে মানতের পাঁঠা বলি দিমু।

    সোনাচাকার মাঝের বাড়ি এখন আর পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী-কুমিল্লা সীমান্তের সুপারিগাছ ছাওয়া গ্রাম নয়। দমদম বিমানবন্দরের কাছে এক কাচ-কারখানার চিমনির পাশে টালির চালা আর বাঁশের বেড়ার একটি ঘর। এখানে কামাখ্যা চক্রবর্তী থাকেন। উনি সর্বানন্দ বংশীয়। সোনাচাকায় তাঁদের গ্রামের বাড়িতে পৌষ সংক্রান্তির দিন কালীপুজো হত। এখন এই মতিলাল কলোনির বাড়িতেও হয়। বিশ-পঁচিশ জন সর্বানন্দ বংশীয়রা আসেন। সর্বানন্দ বংশীয়দের বলা হয়ে থাকে সর্ববিদ্যা। সর্বানন্দ ছিলেন মেহারের এক কালীসাধক ব্রাহ্মণ। কামাখ্যা পুরোহিত নিজেকে কামাখ্যাচরণ সর্ববিদ্যা অভিহিত করে থাকেন। পৌষ সংক্রান্তির রাতে সর্বানন্দ সিদ্ধিলাভ করেছিলেন এই কারণে ঐ দিনই কালীপূজা হত সোনাচাকার সর্ববিদ্যাদের ঘরে। একটি কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি ছিল। মেজতরফের ঘরেই স্থাপিত ছিল ঐ কালীমূর্তি। কামাখ্যা সর্ববিদ্যা সেই কালীমূর্তি মাথায় করে বর্ডার পার করেছিলেন।

    পৌষ সংক্রান্তির দিন সকালবেলা একটি পাঁঠা এবং বিলুকে নিয়ে অনঙ্গমোহন, সুরবালা এবং অঞ্জলি হাজির হয়েছিলেন গ্রাম-সোনাচাকার মেজতরফের বাড়ি। নৌকো করে যেতে হত জনাই খালের ভিতর দিয়ে। আজ সাইকেল-রিকশায় এলেন। সুরবালা ও অঞ্জলি। কোলে কালো পাঁঠা। বিলু ও অনঙ্গমোহন পদব্রজে। ষোল নম্বরের বি প্লটের সামনে খেজুরগাছে টিনের পাতে লেখা সর্ববিদ্যা কালীমন্দির।

    সুরবালা সুর তুলে বললেন, ও মা, কী সুন্দর মন্দির হইয়া গেছে।

    পাঁচ ইঞ্চির গাঁথনি, লাল সিমেন্টের মেঝে, এর মধ্যে লাল রঙের পাকা বেদি, বেদির ওপরে কালো পাথরের কালী।

    ওমা, কী সুন্দর গাছ লাগাইছেন আশা বৌদি, কত জবা গাছ।

    কামাখ্যাচরণ পরিকল্পনা করে লাগিয়েছেন সব। সর্ববিদ্যা কালীমন্দির মোটামুটি স্বয়ম্ভর। বারটা জবা গাছ আছে বাড়িতে, কয়েকটা তুলসী ঝোপ, একটা বেলগাছ, একটা আমগাছ। সুতরাং বিল্বপত্র, রক্তপুষ্প, তুলসী এবং আম্রপল্লবের ব্যাপারে এই মন্দির স্বয়ম্ভর। একটি সবৎসা গাভীও আছে। সুতরাং আসনশুদ্ধি, বেদিশুদ্ধি ইত্যাদির জন্য গোময় ও গোমূত্র সংগ্রহের কারণে বাইরের খাটালে দৌড়োদৌড়ি করতে হয় না। দুটি নারকেলের গাছও আছে। নারকেলের নাড়ু তো প্রায়ই লাগে।

    সুরবালা গাছপালাগুলিকে দেখছিলেন। খেজুর গাছের গায়ে পাঁচটি ক্ষতচিহ্ন। পাঁচবার রস দিয়েছে এই গাছ। এখন, এই মুহূর্তে তাঁর পূর্ববাংলার ফেলে আসা ঘরের জন্য আপসোস মনে এল না তেমন, বরং শেঠবাগান কলোনির কথা মনে পড়ল, মাটির কথা মনে পড়ল। ঐখানে টিকে থাকতে পারলে হয়তো দুটো নারকেলগাছ বড় হয়ে যেত এতদিনে।

    কামাখ্যাচরণের বড় ছেলে রেলে কাজ করে। বছরখানেক হল, আলাদা হয়ে রেলকোয়ার্টারে উঠে গেছে। আজ ছেলেটিও সপরিবারে আছে। কামাখ্যা পুরোহিতের ছোট ছেলেটি বেকার। বিবাহযোগ্য কন্যা আছে একটি ।

    আশালতা বলেন, ভালই হইছে আগেভাগে আইছ ভইন। কত কাজ। আস, কাপড় ছাড়, ঠাকুরঘরে আস।

    কামাখ্যাচরণের কত শুদ্ধাচার। এনামেলের বাসন বাসায় ঢোকে নাই। পিতলের আর পাথরের থালে নৈবেদ্য। পাড়াপড়শিরা কেউ সন্দেশের বাক্স এনে দিলে ফেরত দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কারণ, মিষ্টির দোকানে সিঙাড়া, কচুরি এসব তৈরি হয়। শাস্ত্রানুসারে তণ্ডুল জাতীয় পদার্থ-মধ্যে লবণ প্রয়োগে সেই খাদ্য উচ্ছিষ্ট তুল্য হয় এবং ঐ সিঙাড়া-কচুরির স্পর্শদোষে সন্দেশাদি মিষ্টান্ন দ্রব্যও অপবিত্র হয়।

    কামাখ্যাচরণ প্রকৃতই শাস্ত্রানুরাগী ব্রাহ্মণ। জগৎপতি সূর্যদেব উদিত হবার পরে যে দন্তধাবন করে, সে পাপিষ্ঠ। কামাখ্যাচরণ সূর্যোদয়ের এক ঘণ্টা পূর্বে শয্যা ত্যাগ করেন। নিমডালে দন্তধাবন করেন। পুকুরে অবগাহন করেন। গামছা পরিধানরত অবস্থায় পুষ্পচয়নে যান। নিজ গৃহে জবা ও টগর ভিন্ন অন্য ফুল গাছ না-থাকায় প্রতিবেশীর বাড়িতেও যেতে হয়। যেহেতু মায়ের পূজার ফুল, কেউ সরাসরি আপত্তি করে না। তবে মেঘনাস্মৃতি নামে যে ঢঙের বাড়িটা, ও বাড়ির একটা ছোঁড়া, যে নাকি আবার জেসপ কোম্পানিতে কাজ করে, একদিন বলছিল—ঠাকুরমশাই, আপনি এবার থেকে গামছার তলায় একটা আন্ডারপ্যান্ট পরে আসবেন প্লিজ। তখন বারান্দায় তার স্ত্রী হাসছিল। লজ্জাহীনা।

    কলিকালের কিরূপ ধর্ম এই প্রসঙ্গে এই গামছা এবং আন্ডার-প্যান্টঘটিত গল্পটা কামাখ্যাচরণ একদিন অনঙ্গমোহনকে বলেছিলেন। অনঙ্গমোহন তখন মনে মনে ভেবেছিলেন, পণ্ডিত ও পুরোহিতের এই হল তফাত। অনঙ্গমোহন ঠাকুরমশাই নন। উনি হলেন আচার্য। পণ্ডিত।

    কামাখ্যাচরণের কালীমন্দিরের এখন বেশ মাহাত্ম্য। প্রণামী বাক্সে খারাপ টাকাপয়সা হয় না। অনেকেই অফিস যাবার সময় মন্দিরে কপাল ঠেকিয়ে যান, একটু ঘুরপথ হলেও। কলোনিতে নতুন বিয়ে হলে নববিবাহিত দম্পতি এখানে এসে কালীমাতা দর্শন করে যান। এই পাড়ার একজন লটারির টিকিট কিনে কামাখ্যাচরণকে অনুরোধ করেছিলেন, একবার মায়ের পায়ে ঠেকিয়ে দিতে। সেই ভদ্রলোক লটারির সেকেন্ড প্রাইজ পেয়ে গিয়েছিলেন। তার বাড়িটার নাম যদিও বিক্রমপুর ভবন, কিন্তু লৌকিক নাম হচ্ছে লটারি বাড়ি। উনি কালীমাকে একটি সোনার জিহ্বা দান করেছেন। ঐ লটারি বাড়ির গিন্নি ও আজ পূজার দিন সকাল থেকেই রয়েছেন। তাঁরা মিত্র। কায়স্থ নৈবেদ্য স্পর্শ করতে পারবেন না। তবে কালীমায়ের পাশে বসে থাকতেও তাঁর শান্তি।

    বিলু বার বার ঘুরেফিরে এসেই পাঁঠাটাকে আদর করছিল। নরম চকচকে লোম। লোমের মধ্যে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল বার বার। মাথায় ছোট দুটো সদ্য ওঠা শিং-এর ফুটকি। যেন বিসর্গ চিহ্ন। বিলুর জন্যই মরতে হবে একে।

    কামাখ্যাচরণ পাঁঠাটাকে পরখ করলেন। পূজায় চাই নিখুঁত পাঁঠা। পাঁঠাকে খেতে দিলেন কাঁঠালপাতা, তারপর শিশি থেকে এক গণ্ডুষ জল ছড়িয়ে দিলেন পাঁঠাটির গায়ে। সেই শিশির জল, যেখানে গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতী ইত্যাদি নদীর জল মেশানো আছে। শিশির জল শেষ হয়ে এলে আবার পুকুরের জল মিশিয়ে দেন তিনি। অনঙ্গমোহনের ছাত্র জীবন মজুমদার ব্যাপারটা শুনেছিলেন। উনি বলেছিলেন, বাঃ, এ যে হোমিওপ্যাথিক মাহাত্ম্য। যত ডাইলিউট হয় তত শক্তি বাড়ে। কামাখ্যাচরণ সকালবেলা স্নান আহ্নিকের পর যে মায়ের প্রসাদ খান সেটিও মারাত্মক। ড. মজুমদার ঐ জিনিসটির নাম দিয়েছেন মোলাসেসিয়াম। গুড় ইংরিজি মোলাসেস্। কামাখ্যা পুরোহিতের মাতৃবিয়োগ হয় অকস্মাৎ। মরণকালে উপস্থিত ছিলেন না কামাখ্যাচরণ। যজমানিতে পাশের গ্রামে গিয়েছিলেন। মাতৃবিয়োগের সংবাদ পেয়ে দ্রুত ছুটে এসেছিলেন কামাখ্যাচরণ। কাঁদলেন। তারপর এক টুকরো পাটালি গুড় মৃত মায়ের মুখের ভিতর ঠেলে দিলেন। আঙুল দিয়ে মুখের মধ্যে ঘোরাবার চেষ্টা করলেন গুড়ের টুকরোটা, তারপর আঙুল বেঁকিয়ে বার করে আনলেন। বললেন, মায়ের প্রসাদ। কণামাত্র প্রসাদ গ্রহণ করতেন স্নান আহ্নিকের পর। কিন্তু কণামাত্র হলেও তো একদিন শেষ হয়, তাই শেষ হবার আগেই তার সঙ্গে আধ সের গুড় মিশিয়ে দিয়ে কৌটোয় রেখে দিয়েছিলেন যত্ন করে। পার্টিশনের পর দরকারি জিনিসপত্রের সঙ্গে ঐ কৌটোটাও নিয়ে এসেছিলেন। ঐ কৌটোর আবার শেষ হয়ে যাবার আগেই আবার আধ সের যোগ হয়েছে, এই কয় বছরে তিনবার হয়েছে এরকম। মায়ের মুখের প্রসাদ এইভাবে কখনোই শেষ হয় না।

    কামাখ্যাচরণের ছোট ছেলে মানিক পাঁঠাটাকে দেখে গেল একবার। ঘাড়টা টিপল। কালাচাঁদও দেখে গেল পাঁঠাটা। কালাচাঁদ প্রতিদিন সকালে আসে। পুজোর জোগাড়যন্ত্র করে। নারায়ণ পুজোটা কালাচাঁদই করে, আর যে দিন কামাখ্যা যজমানিতে সকাল সকাল চলে যান, কালীপুজোটাও কালাচাঁদকেই করতে হয়। কালাচাঁদ মাসিক বেতন পায়। এই কালাচাঁদকে মাইনে দিয়ে রাখবার কোনোই প্রয়োজন ছিল না, যেখানে মানিকের মতো একটা গাভুর ছেলে রয়েছে। মানিক আই.কম পাস। নাইটে বি.কমও পড়েছিল। পার্ট ওয়ানটা পাস করতে পারেনি। চাকরির চেষ্টা করছে। ও যদি মন্দিরটার দিকে একটু দেখত, একটু পুজোআচ্চা পৌরোহিত্যে মন দিত, তা হলেও ওর ভবিষ্যৎটা মোটামুটি চলে যেত।

    পাঁঠার গলায় জবার মালা। কালাচাঁদ পাঁঠাকে স্নান করিয়ে এনেছে, তাই গায়ের লোমে কার্পেটের মসৃণতা আর নেই, ছোট ছোট শিং দুটোয় সিঁদুরের ফোঁটা। কামাখ্যাচরণ ওঁ অস্ত্রায় ফট্ মন্ত্রে ছাগশিশুটিকে নিরীক্ষণ করলেন, কুশোদক দ্বারা প্রোক্ষণ করলেন। সুরবালা এবং অঞ্জলি হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে রইলেন। মানসিক কার? কামাখ্যাচরণ জিজ্ঞাসা করলেন। সংকল্প বাক্য কার নামে হবে? অঞ্জলি বলল, বিপ্লব ভট্টাচার্য। বিলু কি রকম অপরাধীর মতো দাঁড়িয়ে আছে। কামাখ্যাচরণ মন্ত্রঃপূত জল ছিটিয়ে দিলেন পাঁঠাটার গায়ে। পাঁঠাটার কানের কাছে মুখ দিয়ে বলল, ওঁ হৈং হৌং ইমং পশুং স্বৰ্গং প্রদর্শয় মুক্তিং নিয়োজয় স্বাহা। পাঁঠাকে নিয়ে যাওয়া হল হাড়িকাঠের দিকে। হাড়িকাঠে চাপানো হল। ঠ্যাং ধরল মানিক। কালাচাঁদের হাতে খাঁড়া। খড়গ ওঠাল কালাচাঁদ। চারিদিকে জয় মা, কাঁসর-ঘণ্টা। ইমং ছাগপশু বহ্নি দৈবতং ভূভ্যমহং ঘাতয়িস্যে। সঙ্গে সঙ্গে আর্তনাদ। মানুষের আর্তনাদ। হায়রে…. কী সর্বনাশ হল। সুরবালা কপালে করাঘাত করে মাটিতে পড়ে গেল। পাঁঠার মাথাটা শরীরেই রয়েছে। বলি হয়নি। এ কী করলে মা, মাগো, আবার খড়গ তোলে কালাচাঁদ। হাতের শির ফুলে উঠেছে আরও, শরীরের সর্বশক্তি দিয়ে খড়গাঘাত করে কালাচাঁদ। অখণ্ডই রয়ে গেল, সুরবালা লুটোপুটি খায়। আমারে খা, মা তুই আমারে খা। আমি হতভাগিনী। আমার দান নিলি না ক্যান…অঞ্জলি গড়াচ্ছে। মানিক পাঁঠাটার পা ছেড়ে দিয়েছে। কালাচাঁদ উন্মাদের মতো নিজের মাথায় কিল মারতে থাকে। তখন মাথা ঠাণ্ডা রাখেন অনঙ্গমোহন। সুরবালাকে বলেন, ব্যাকুলা হয়ো না। কামাখ্যাচরণের কানে কানে কিছু বলেন। কামাখ্যাচরণ নিজে হাতে খড়গ তুলে নেন। তারপর কি ভেবে আবার খড়গ তুলে দেন কালাচাঁদের হাতে। নিজে পা দুটি চেপে ধরলেন। বললেন, সবাই স্থির হও। মাতৃনাম উচ্চারণ কর। জয় মা। খড়গ নেমে আসে। এইবার শিরচ্ছিন্ন হয়। ঝটপট করতে থাকে ছাগ-কবন্ধ।

    এবার ছাগরক্তের টিপ পরিয়ে দিলেন কামাখ্যাচরণ বিলুর কপালে—ওঁ ঐং হ্রীং শ্রী ক্লিন্নে মদদ্রব স্বাহা। কামাখ্যা পুরোহিত বললেন, এই ছাগমুণ্ড দেবীকে উৎসর্গ করা যায় না। এটা বিঘ্ন-বলি। একটিমাত্র কোপে ছাগের শিরশ্ছেদন করতে হয়। একাধিক কোপ মানে তো জবাই, সে তো মুসলমানরা করে। বলি-বিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, এককোপে বলি না হলে সেই পশু উৎসর্গ করা চলে না।

    নিয়মানুযায়ী সেই ছাগশিশুকে এক হাজার আট টুকরো করে হোম করা হল।

    ঐ হোমে কি কালী খুশি হবেন? পাড়াপড়শিরা সন্দেহ করতে লাগল। বলিতে বিঘ্ন হলে নানা অমঙ্গল। সংসারে কারো না কারোর ক্ষতি হয়েই থাকে।

    যে দেবী যত উগ্রা, যত হিংসা, সেই দেবীই তত জাগ্রতা। বলিতে বিঘ্ন ঘটার পর ভক্তরা সবাই একটা না একটা অমঙ্গল আশঙ্কা করছিল এবং একটা অমঙ্গল কি কামাখ্যাচরণ নিজেও চাইছিলেন না? এমন একটা অমঙ্গল যা নিজের পরিবারের মধ্যে হল না। যদি কালাচাঁদের উপর দিয়েও অমঙ্গলটা হয়ে যায়?

    কিন্তু কালাচাঁদ কিছুদিনের মধ্যে পোস্ট অফিসের পিওনের চাকরি পেয়ে গেল।

    প্রণামী বাক্সে টাকাপয়সা অনেক কম কম পড়তে লাগল। কালী যদি সত্যিই জাগ্রত হতেন, অ্যাদ্দিনে কাউকে খেতেন।

    মিত্রগিন্নী একদিন শেষ রাতে শুনলেন, ঠাকুরবাড়িতে কান্নার রোল। ধড়মড় করে উঠে বসলেন, মা কালী কাউকে নিয়েছেন বোধহয়। তারপর বুঝলেন স্বপ্ন। সবাই ভাবল, মা-কালী নিশ্চয়ই কাউকে নেবেন। কিন্তু নেওয়া আর হচ্ছিল না। তাই হচ্ছিল না মায়ের গায়ে নতুন কোনো অলঙ্কার, নতুন সোনার চোখ, নতুন কোনো কানের কিংবা গলার অলঙ্কার। কালীর মাহাত্ম্য আর থাকছিল না। মানিক এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের অফিসারকে মোটা কিছু ঘুষ দেবে ভেবেছিল। কালীর ওপর ভরসা নেই।

    ঐ বিঘ্ন-বলির এক বছরের মধ্যেই বিলুর ঠাকুমাকেই খেলেন কালী। ঐ খালপাড়ে। মানসিকটা ওঁরই ছিল কিনা। যেদিন সুরবালা মারা গেলেন, সেদিন ভোরবেলা পেচ্ছাপ করতে উঠে মানিক একবার নাকি মন্দিরে উঁকি দিয়েছিল এবং দেখেছিল, কালীর মুখে যেন রক্ত লেগে আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তম পুরুষ – রশীদ করীম
    Next Article শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }