Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    স্বপ্নময় চক্রবর্তী এক পাতা গল্প230 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চতুষ্পাঠী – ১৪

    চোদ্দ

    আজ দুপুরবেলাটা কোথায় যেন গিয়েছে অঞ্জলি। গায়ে পশমের লাল চাদরটা জড়িয়েছে। বিধবার গায়ে ঐ লাল রঙ ভাল লাগছিল না অনঙ্গমোহনের। তাঁর পূর্বপুরুষের কোনো বিধবাই এভাবে লাল জিনিস পরেনি।

    তাঁর পূর্বপুরুষের কোনো মহিলাই কি চাকরি করতে বেরিয়েছিল কোনোদিন।

    অঞ্জলি যখন বেরিয়ে গেল, তার আঁচল-বাতাসে সুগন্ধ পেয়েছিলেন অনঙ্গমোহন। প্রসাধনের। যাবার সময় কিচ্ছু বলে গেল না অঞ্জলি।

    কোথায় যাচ্ছে কী বৃত্তান্ত কিছুই জিজ্ঞাসা করেননি অনঙ্গমোহন। প্রশ্ন করার জন্য যে জোরটুকু থাকা দরকার, সেটাও তাঁর নেই। আজ সকালেই অঞ্জলি বলে দিয়েছে—বড় বড় কথা বলবেন না বাবা। আপনার স্বার্থের জন্য আমাকে বাইরে পাঠিয়েছেন। তাতেও হল না, আমাকে রাঁধুনির কাজ করতে পাঠিয়েছেন…

    অজিতবাবুর ঘরে অঞ্জলি এখন রান্না করে। অঞ্জলি স্ব-ইচ্ছায় গেছে। জয়া হাসপাতাল থেকে ফেরার পর ওর পক্ষে রান্না করা সম্ভব হচ্ছিল না। অজিতবাবু একজন রাঁধুনির সন্ধানে ছিল। অঞ্জলি তো তখন নিজেই বলল …

    অঞ্জলি বলে দিয়েছে—কাল থেকে অসীমের ভাত রান্না করতে পারবে না। অঞ্জলি কোথাও যাবার সময় অনঙ্গমোহনকে বলে যায়। আজ কিছুই বলেনি।

    যশবাবু এসেছিলেন গতকাল। যশবাবু তো জানেন না যে, অঞ্জলি এখন রাঁধুনি। যশবাবু এসে প্রণাম করেছিলেন অনঙ্গমোহনকে। অনঙ্গমোহন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, চাকরিস্থলের খবর কী। যশবাবু বলেছিল, চেষ্টা চলছে। মালিকের সঙ্গে কথাবার্তা হচ্ছে। আসলে মালিক টিনের কারবার গুটিয়ে দিতে চাইছে। টিন আর তেমন চলছে না, এখন প্লাস্টিক। প্লাস্টিকের যুগ। যশবাবুর গলার স্বর শুনে অঞ্জলি হাত মুছতে মুছতে এল। ওরা কথা বলল রাস্তায় গিয়ে। বিলু বলেছিল, যশবাবু হল মালিকের এক নম্বরের চামচে। অনঙ্গমোহন বুঝে নিয়েছিল ‘চামচে’ শব্দটির আলঙ্কারিক প্রয়োগ।

    স্বপ্নাও নেই এখন। অঞ্জলি বের হবার পর স্বপ্নাও বের হয়েছে ঘর থেকে। ‘দাদু, বন্ধুর বাড়ি থেকে একটু আসছি। আজ তুমি ভাত নিয়ে খেয়ো।’ এই বলে স্বপ্নাও বেরিয়েছে। বাইরের পৌষের রোদ যেন জরির ঝালর। বাইরের দিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকেন অনঙ্গমোহন। ভাবেন, সুমিতার বাড়ি একবার যেতে পারলে ভাল হত। ওর বিবাহটা স্থির করতে পারেননি অনঙ্গমোহন। নগেনের ভাইয়ের সঙ্গে বিবাহটা শেষপর্যন্ত হয়ে উঠল না। ঠিকুজি মেলেনি। নাড়িবেধ যোগ।

    সুমিতার কথা ভাবতে ভাবতেই প্রকাশকটি এল। পুরন্দর গোস্বামী। দি আইডিয়াল পাবলিশার্স-এর মালিক। এসে বললেন—কী স্যার, স্ক্রিপ্ট রেডি তো?

    —পাণ্ডুলিপি তৈরিই আছে। অনঙ্গমোহন খাবার কথা ভুলে গেলেন।

    এই প্রকাশকটিকে সুমিতাই পাঠিয়েছিল কিছুদিন আগে। সুমিতা এঁরই কাজ করছিল। পুরন্দরবাবু বলেছিলেন—আপনি হলেন কোয়ালিফাইড সংস্কৃত—। আপনি কেন টেক্সট বই লিখবেন? আপনাকে দিয়ে অরিজিনাল কাজ করাব। অনুবাদের কাজ। আপনি ভাল করে কয়েকটা অনুবাদ করে দিন তো—যেমন ধরুন, শৃঙ্গাররসাষ্টক, রতিমঞ্জরী, শৃঙ্গার তিলক, পুষ্পবাণ বিলাস কিংবা ধরুন চৌরপঞ্চাশিকা। খাবে ভাল। স্যাংস্কৃটের মার্কেট এখন হায় হায়। বুঝলেন না। যেসব বই কিছুটা খাবে, ঐ সব কিছু করব। বেশ ভাল করে কভার করে বাজারে ছাড়বো। চৌরপঞ্চাশিকা দিয়েই শুরু করুন।

    অনঙ্গমোহন চৌরপঞ্চাশিকার অনুবাদটি নিয়ে আসেন।

    পুরন্দর গোস্বামী বলেন—নিন, পড়ুন তো দেখি।

    অনঙ্গমোহন পদ্মাসনে বসেন। পড়তে থাকেন—আজও তাহাকে স্মরণে আসিতেছে সেই শশীবেদনা নবযৌবনা গৌরকান্তি সুন্দরীকে। আমি তাহাকে শৈত্যদান করিতে পারি। আজও যদি তাহাকে আর একবার প্রাপ্ত হই। সেই পদ্মালোচনা পীনস্তনীকে, তাহাকে আলিঙ্গন করতঃ মধুকর সদৃশ তার সুধা পান করি। তার সম্ভোগ ক্লান্ত দেহের উপর এলায়িত চূর্ণকুন্তলরাজি স্মরণ করিতেছি…

    —আরে না না—এভাবে হবে না পণ্ডিতমশাই। আমরা আক্ষরিক অনুবাদ চাইছি না। ভাবানুবাদ চাইছি। দেখুন, আমি স্যাংস্কৃট জানি না, তবে গোস্বামী বংশের ছেলে। রসটস বুঝি। বিশেষত, বুঝলেন কিনা, আদি রস। এভাবে করুন, চলতি ভাষায়, যেমন ধরুন, আঃ, আজও তাকে মনে পড়ে মদন জ্বালায় জ্বলছে ঐ নবযৌবনা পীনস্তনী সুন্দরী। আমি এখনো তার মদন জ্বালাকে ঠাণ্ডা করে দিতে পারি। আজও তাকে আর একবার যদি পাই সে আয়তনয়না, পীনস্তন ভারে ন্যুব্জ দেহলতা, তাকে আমার দুই বাহুর আলিঙ্গনে রেখে উন্মত্তের মতো তার মুখসুধা পান করি, যেমন মধুকর ফুলের মধু চুষে খায়। আজও তাকে মনে পড়ে, সম্ভোগের পর তার এলিয়ে পড়া চুলগুলি…। এরকম করুন।

    অনঙ্গমোহন বললেন—মূল রচনায় তো ঐরকম নাই, অদ্যাপি তাং কনকচম্পকদাম গৌরীং …

    —আরে রাখুন তো গৌরীং। আপনি ভাবানুবাদ করুন। এখনকার পাঠকের যা ভাব, সেই ভাবে। মহাকাল প্রকাশনী নিষিদ্ধ গ্রন্থমালা সিরিজে এইসব স্যাংস্কৃট ঢুকিয়ে দিচ্ছে। আমরাও ভাবছি, শৃঙ্গার সিরিজ বার করব।

    অনঙ্গমোহন বললেন—আমি পারতাম না।

    ঐ ভদ্রলোকটি চলে গেলে অনঙ্গমোহনের খিদে লাগে ফের। আজ খাবেন না, খিদে পেলেও খাবেন না। আজ উপবাস। কাল থেকে স্বপাকী হবেন। হাঁড়িকড়াই কিনে নিজে রান্না করে খাবেন।

    তারপরই ভাবেন, নিজে একা স্বপাক আহার করলে সমস্যা মিটছে কোথায়? অসীম? অসীমকে নিয়েই তো সমস্যা।

    তবে অসীমও অনঙ্গমোহনের সঙ্গেই খাক। তখন বিলু যদি বলে, দাদু, আমিও তোমার দলে?

    সংসার এভাবে বাড়ালে চলবে না। অনঙ্গমোহন বলবেন, দাদু তুমি তোমার মায়ের সঙ্গে খাও। আমাগোরে নিয়াই যত্ত ঝামেলা, আমি আর অসীম আলাদা খামু

    তবে তো আলাদা হাঁড়ি-কড়াই পাক-পাত্র চাই, শিশি-বোতল চাই, কৌটাকৌটি চাই, উনুন চাই। কেরোসিন স্টোভে রাঁধলে হয় না?

    স্টোভ কই?

    একটা কিনলে হয় না?

    টাকা? স্টোভ, হাঁড়ি, কড়াই…বহু টাকা…

    পাক করব কোথায়?

    কেন, বারান্দায়?

    —টোল বসবে কোথায়?

    তবে অসীম তুই যা। তোরে বাড়ি পাঠাইয়া দি। আমি তোরে রাখতে পারলাম না আর।

    বড় বেশি বয়সে বিবাহ করেছিলেন অসীমের বাবা, বোবাঠাকুর। বোবাঠাকুরের অন্য একটা নাম আছে। হরিদাস। সেই নাম এখন লোকে জানে না। বোবাঠাকুর নামেই তাঁর পরিচিতি। বোবা বলতে যা বোঝায়, উনি ঠিক তাই নন। উনি শুনতে পান। মুখ থেকে আওয়াজও বের হয়। এগার বছর বয়সে উপনয়ন হয়েছিল এবং তাঁর বাবার সঙ্গে থেকে যাজকবৃত্তিও করছিলেন পূর্ব বাংলায়। যে ব্রাহ্মণ সন্ধ্যামন্ত্র পড়ে না—সে শূদ্র সমান। তাঁর হাতের অন্ন বিষ্ঠা তুল্য—একথা শাস্ত্রে লেখা আছে, কিন্তু যে ব্রাহ্মণ পূজাকালে মুখ থেকে গোঁ গোঁ ভিন্ন অন্য শব্দ উৎপাদন করতে পারে না তার সম্পর্কে কী বিধান হবে তা কোনো সংহিতায় লেখা নেই। তবে মনঃ শব্দজাত মন্ত্ৰ মনে মনেই পড়া যায় এরকম ব্যাখ্যা দেওয়া যেতে পারে। তা হরিদাস যাজকবৃত্তি করতে গিয়ে বোবাঠাকুর হলেন। কিন্তু বোবার পক্ষে পাত্রী জোটানো কষ্টকর। বোবাঠাকুরের বিবাহের বয়স অতিক্রান্ত হয়ে গেল। অনঙ্গমোহনের স্ত্রী সুরবালা প্রায়শই ক্যাটক্যাট করতে থাকেন।

    তুমি থাকতে দাদার আমার বিয়া হইল না। দাদারে বুড়া বয়সে কে দেখব? অনঙ্গমোহন সচেষ্ট হলেন, তাঁরই এক দূর সম্পর্কের দুঃস্থ জ্ঞাতি ভাইঝির সঙ্গে বিবাহের বন্দোবস্ত করলেন।

    প্রথম সন্তান হবার বেশ কয়েক বছর পর এপার বাংলায় এসে অসীমের জন্ম। বোবাঠাকুরের বয়স তখন পঞ্চাশের উপর। অসীমের জন্মের পর অনঙ্গমোহন গিয়েছিলেন অশোকনগরে। বোবাঠাকুর নানারকম শব্দ করে কিছু বোঝাতে চেষ্টা করেছিলেন। অনঙ্গমোহন বুঝতে পারছিলেন না। বোবাঠাকুরের স্ত্রী আসলে অনঙ্গমোহনের ভ্রাতুষ্পুত্রী হলেও বিবাহের পর শালাবৌ। ও বলল—আর বল কেন, বুড়া বয়সে …

    আরে বুড়া তো কি, শ্যালক আমার রসবান পুরুষ।

    বোবাঠাকুর আবার দ্বিগুণ শব্দে গোঁ গোঁ করতে থাকেন।

    বোবাঠাকুরের স্ত্রী বলেন—বাচ্চাটারে কে দেখবে, কে মানুষ করবে—

    অনঙ্গমোহন বুকে চাপড় মেরে বলেছিলেন-সোহমস্মি…

    তারপর ঐ দেড় মাসের বাচ্চাটার কাছে মুখ নিয়ে অনঙ্গমোহন বলেছিলেন—ওরে পরাইন্যারে পরাইন্যা, আমার কইলজা, তুই তোর বাপের ন, তুই আঁয়ার।

    অসীমের আট-নয় বছর বয়স হলে বোবাঠাকুর অনঙ্গমোহনের সেই প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন নানা ইঙ্গিতে। অনঙ্গমোহন অসীমকে নিয়ে এসেছিলেন, উপনয়ন দিয়েছিলেন। এইভাবে অসীম গুরুগৃহে এল। পূর্ণচন্দ্র চতুষ্পাঠীর আবাসিক ছাত্র।

    অনঙ্গমোহন থালা চাপা দেওয়া ভাতের দিকে একবার তাকালেন। না, ঐ ভাত কিছুতেই খাবেন না। আজ উপবাসে থাকবেন।

    থালাটা একবার উঠিয়ে পদ কী আছে দেখতে ইচ্ছে হল। থালাটা ওঠালেই গরম মশলার ঘ্রাণ। সে কী, মোচাঘণ্টা কেন? মোচা তো আনেননি অনঙ্গমোহন। একে তো শীতকালে মোচার দাম বেশি, তার উপর তেল লাগে বেশি। ইচ্ছে থাকলেও মোচা আনতে পারেন না অনঙ্গমোহন। মোচা কী করে এল? অনঙ্গমোহন মোচা খেতে ভালবাসেন অঞ্জলি জানে। অঞ্জলি কি অজিতবাবুর ঘর থেকে চুরি করেছে? নাকি, এটা অঞ্জলি চেয়ে এনেছে। আমার শ্বশুরমশাই মোচাঘণ্ট খুব ভালবাসে, একটু নিই?—জয়া তখন কি বলেছে, একটু কেন, নাও, নাও, বেশি করে নাও…অঞ্জলি ওর নিজের ভাগেরটা না খেয়ে শ্বশুরের জন্য রেখে দিয়েছে।

    হঠাৎ অঞ্জলির উপর কৃতজ্ঞ হয়ে ওঠেন মনে মনে। মেয়েটা সত্যিই কী পরিশ্রমটাই না করছে। ভোরে উঠে অজিতবাবুর ঘরের রান্নাবান্না মিটিয়ে নিজের ঘরের রান্নাবান্না। তারপর ঠোঙা তৈরি। ঘর-গৃহস্থালির যাবতীয় কাজকর্ম।

    জয়া যেদিন ফিরল হাসপাতাল থেকে, ঘোমটায় মুখ ঢেকে ফিরল। আগুনে তার মুখ বিকৃতি ঘটেনি। তবু কেন সে অবগুণ্ঠনাবৃত ছিল? মৃত্যু থেকে বেঁচে আসার লজ্জা? শিখা আর বিজুকে দু’হাতে জড়িয়ে কাঁদল কিছুক্ষণ, তারপর অঞ্জলিকে ডেকে নিল। অঞ্জলির সঙ্গে কতই না ঝগড়া করেছে জয়া, কিন্তু সেদিন অঞ্জলির সঙ্গে কী আশ্চর্য সখী ব্যবহার।

    এক মুহূর্তের দুর্বলতায় গায়ে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল জয়া। ঠিক যে কী কারণ, সুমিতার সঙ্গে অজিতবাবুর যে ঠিক কী সম্পর্ক ছিল, অনঙ্গমোহন জানেন না। সুমিতাকেও কখনো জিজ্ঞাসা করেননি তিনি। তবে সুমিতা কথা রেখেছে। সুমিতাকে বলেছিলেন—আর যেও না ও বাড়ি। সুমিতা আসেনি আর।

    অসীম আর বিলুর কাছে অনঙ্গমোহন শুনেছিলেন—সেদিন রাত্রের অজিতবাবুর ঘরে কথা কাটাকাটি। অজিতবাবু বলেছিল, যা করছি বেশ করছি, হাজারবার করব। শিখার মা বলেছিল—এটাই তোমার শেষ কথা? অজিতবাবু বলেছিল- হ্যাঁ।

    তারপর সেই রাত্রেই বিশ্রী ঘটনা।

    মোচার ঘণ্টটার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন অনঙ্গমোহন। একবার কি চাখবেন? একটু? কেউ জানবে না। অঞ্জলি, স্বপ্না, কেউ না। ওরা এসে দেখবে, বুড়োর এতই রাগ যে মোচার ঘণ্টটাও খায়নি।

    ঠং করে ঢাকনাটা ফেলে দেন অনঙ্গমোহন। ব্রাহ্মণের এই লোভ হীনতার লক্ষণ।

    অনঙ্গমোহন আবার ঢাকনাটা ওঠান। ছোট্ট বাটি। বাটির মধ্যে মোচার ঘণ্ট। কোনো ক্ষতচিহ্ন নেই। হাতার দাগ নেই, হাল্কা তৈলাক্ত সর পড়েছে। আর কেউ খায়নি এই মোচাঘণ্ট। অনঙ্গমোহনের জন্য যে থালাটি, বাটিটা সেখানেই বসানো।

    এর আগেও অসীমের ব্যাপার নিয়ে কলহ হয়েছে। অসীমকে দিয়ে আসতেও উদ্যত হয়েছিলেন। অঞ্জলি শেষ সময় বলেছে—না থাক। আপনার কষ্ট হবে। অঞ্জলির কঠিন আবরণের মধ্যে একটা নরম মন আছে। নারিকেলের ভিতরে যেমন স্নিগ্ধ জল থাকে।

    অনঙ্গমোহন ঢাকনাটা খুলে নেন আবার, থালাটা টেনে নেন। জল গড়িয়ে নেন। প্রথমে ডাল, তারপর বাঁধাকপি এবং শেষকালে মোচার ঘণ্টের বাটি ভোজন পাত্রের সংলগ্ন করে নেন। তারপরই হাতে জল নিয়ে ওঁ নাগায় নমঃ ওঁ কূর্মায় নমঃ ওঁ কৃকরায় নমঃ, ওঁ দেবদত্তায় নমঃ, ওঁ ধনঞ্জায় নমঃ করলেন। ভোজন করলেন। তারপর ঐ উচ্ছিষ্ট থালা-বাসনগুলি নিয়ে চললেন কলতলায়। কোনোদিন করেননি এরকম, নিজের বাসন কখনো মাজেননি আগে। অনঙ্গমোহন বাসন মাজতে বসলেন। বাসন মাজার কোনো মন্ত্ৰ নেই, কোনো স্তোত্র কিংবা ধ্যান নেই। অনঙ্গমোহনের মনে হল, এটাও এক ধরনের পূজা। অনঙ্গমোহন আবার উপরে উঠে আসেন। হাঁড়ি, কড়াই, ফেন গালার পাত্র, সবগুলো নিয়ে যান নিচের কলতলায়। ছাই মাখান হাঁড়িতে। হাঁড়িতে মমতা মাখান। ঠাণ্ডা জলে হাত কন কন করে। প্রাণে বড় তৃপ্তি হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তম পুরুষ – রশীদ করীম
    Next Article শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }