Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    স্বপ্নময় চক্রবর্তী এক পাতা গল্প230 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চতুষ্পাঠী – ১৮

    আঠের

    পথ বহুদূর সামনে চড়াই তবুও মিছিল এগিয়ে যাও।
    রাত কত হ’ল প্রশ্ন কোরো না শুধু বোবাদের ভরসা দাও
    মৌন মিছিলে যদি জাগে আজ ভাঙা পাঁজরের যন্ত্রণা
    তবু রোদে পোড়া হাসি মুখে দাও এগিয়ে চলার মন্ত্রণা।…
    হৃদয় এখন প্রশ্ন করো না কী পেতে পারতে পেয়েছ কই
    আজকে মিছিলে স্বপ্না তোমার বাসর পাতার সময় নাই
    তার চেয়ে এসো মৌন মিছিলে বুকের আগুন ছড়িয়ে যাই।

    ১৪ মার্চের বসুমতী কাগজের প্রথম পৃষ্ঠায় বৈদ্যনাথ চক্রবর্তীর লেখা ঐ কবিতাটি জোরে জোরে পড়ছিল বিলু। ১৩ মার্চ কলকাতায় মৌন মিছিল বেরিয়েছিল, বিশাল মিছিল। মিছিলে ছিলেন অনেক বিশিষ্ট লোক। বহু জায়গায় সৈন্য নেমেছে। বাদুড়িয়া, কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর আরও বহু জায়গায় আগুন জ্বলছে। কলকাতায় ট্রাম পুড়ছে, বাস পুড়ছে, গুলি চলছে, মানুষ মরছে, চাল সাড়ে তিন টাকা কিলো। সমস্ত স্কুল বন্ধ। আজ এপ্রিলের ছয়। হরতাল। অঞ্জলিও কাজে যায়নি। আজ অনেক ঠোঙা হবে। বিলু বলে, এই কবিতাটা থাক। এটা কাটব না। এটা দিয়ে ঠোঙা বানাব না। বিলু আবার পড়ে কবিতাটি। যখন বিলু দ্বিতীয়বার পড়ে-আজকে মিছিলে স্বপ্না তোমার বাসর পাতার সময় নাই, তখন অনঙ্গমোহন আচমকা বলেন—স্বপ্নার বিবাহ স্থির করছি আমি…

    প্রত্যেকের চোখ অনঙ্গমোহনের দিকে স্থির। অঞ্জলি ভীষণ অবাক গলায় বলে, কার সাথে।

    —কেন? ন্যাড়া?

    স্বপ্না মাথা নিচু করে দেয়।

    অঞ্জলি বলে, সে তো ব্ৰাহ্মণই নয়।

    অনঙ্গমোহন বলেন, আমিই পরিবারের কর্তা। আমার নামেই রেশন কার্ড। এই আমার সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত শব্দের মধ্যভাগে বড় বেশি জোর দেন অনঙ্গমোহন। ফলে থুথু ছিটোয়। এই অনঙ্গ-সিদ্ধান্ত। অনঙ্গমোহন নিজেই এর টীকাভাষ্য করেন। যেখানে জীবন অরক্ষিত, যৌবন আক্রান্ত, সেখানে প্রতিলোম বিবাহ অবৈধ নয়। ঋতুমতী কন্যার বিবাহ-প্রয়োজনে যদি কালাশৌচ সংক্ষিপ্ত করা যায়, কালপ্রয়োজনে এই বিবাহও অন্যায় নয়। আসুন মহর্ষি গৌতম, পরাশর, মনু, আসুন কল্লুকভট্ট, রঘুনন্দন। আপনারা পূর্ব পক্ষ হন, আমি উত্তর পক্ষ। কেবলং শাস্ত্রমাশ্রিতা ন কর্তব্যোঃ বিনির্ণয়ঃ। আমি ধর্ম নষ্ট করি নাই। ধর্ম কাষ্ঠ পুত্তলিকা নয়। ধর্ম চলচ্ছক্তি যুক্ত। সহায় হন বিদ্যাসাগর। নষ্টেমৃতে প্রব্রজিতে ক্লীবেচ পতিতে পতৌ মনে আছে আমার। আমি বিবাহ দিমু। চরৈবতি।

    ক’দিন আগেই ন্যাড়াকে একাকী পেয়ে অনঙ্গমোহন সোজা প্ৰশ্ন করেছিলেন—আমার নাতিনি স্বপ্নার প্রতি তোমার অনুরাগ কীরূপ?

    ন্যাড়া ভ্যাবাচাকা খেয়ে বলেছিল—না, আমি মানে…

    —সত্য বল ন্যাড়া, তুমি যে সংস্কৃত শিখতে আমার কাছে আস সেইটা শুধুই কি সংস্কৃতের জন্য…

    ন্যাড়া কোনো উত্তর দেয় না।

    অনঙ্গমোহন আবার বলেন—আমি সংস্কৃত সাহিত্যপাঠ করছি। অনুরাগের যে অন্ন নাই…এবং যা বললেন না তা হল অন্নহীন যৌবন প্রাণহীন প্ৰাণী। চিল শকুন উড়ে আসে। কখনো-বা ধর্মের নামে। শাস্ত্রের নামে। অন্নই প্রাণ। মহর্ষি উদ্দালকও তার পুত্রকে বলেননি কি, বৎস শ্বেতকেতো…অন্নই প্ৰাণ? অন্নই মন?

    ন্যাড়া থাকে ওর দাদার সংসারে। একটা ছোট কোম্পানির কেরানি ওর দাদা। অনঙ্গমোহন দেখা করলেন। ন্যাড়ার দাদা বলল—ওর কথা আমি কিচ্ছু বলতে পারব না, ন্যাড়া হল খামখেয়ালি। যতটা পেরেছি করেছি। কাউকে বুঝতে দিইনি যে ন্যাড়া আমার সৎ ভাই। করুক লাভ-ম্যারেজ, নিজেরটা নিজে খাবে, আমার কী?

    এক অদ্ভুত প্রণালীতে বিবাহ দিলেন অনঙ্গমোহন। কোনো সংহিতায়, কোনো স্মৃতিশাস্ত্রে, কোনো পৌরোহিত্য বিধিতে এরকম বর্ণনা নেই। তিনি নিজে সম্প্রদান করলেন, শালগ্রামশিলা সামনে রাখলেন। ওঁ সোমং রাজানং বরুণমগ্নি থেকে এনাং কন্যাং প্রজাপতি দেবাতাকামহং সম্প্ৰদদে পর্যন্ত নিজের সম্প্রদানের মন্ত্র পুরো সংস্কৃতে মন্ত্র পাঠ করলেন। কিন্তু পুরোহিত দর্পণের যেখানে যেখানে সালঙকারাং কথাটা আছে, সেখানে বাদ দিলেন, কারণ স্বপ্নার গায়ে কোনো অলংকার ছিল না। সম্প্রদান শেষে যেখানে ন্যাড়া কিংবা স্বপ্নার মন্ত্রপড়ার ব্যাপার ছিল, সেখানে স্রেফ বাংলায় মন্ত্রপাঠ করানো হল। সম্প্রদানের পর যজ্ঞ হল। যজ্ঞের আগুনে লাজ অর্থাৎ খৈ দিতে বলা হয়, অনঙ্গমোহন বলছিলেন, স্বপ্না—মন্ত্র বল—আমার পতি দীর্ঘায়ু হইয়া শত বৎসর বাঁচুক। জ্ঞাতিরা আমাকে স্নেহ করুক। আমি য্যান সংসারে শ্রী আনতে পারি। স্বপ্না পাথরের শিলে দাঁড়াল, ন্যাড়া মন্ত্র বলল—তুমি এই শিলায় উঠো। পাথরের মতো সহিষ্ণু হও। এইবারে পাণিগ্রহণ। হাত ধর তোমরা। বল হে দেবতা সকল, যদি পারো আশীর্বাদ কর। কও ন্যাড়া, কও—আমরা যেন এক প্রাণ থাকি, একমন থাকি। কও ওঁ অন্নপাশেন মণিনাং প্রাণ সূত্রে গ্রন্থিনা…আহা, বাংলায় কও—অন্নই বন্ধন। অন্নের বন্ধনে তোমারে বাঁধলাম আমি, আহারে দু’গাল অন্নের জন্য ভাতের জন্য, শেষের দিকে এমন হচ্ছিল, কোনটা যে মন্ত্র, কোনটা যে অনঙ্গমোহনের স্বগতোক্তি কিচ্ছু বোঝা যাচ্ছিল না। ব্যাপারটা এমন দাঁড়াল, ললিতমোহনও সুমিতার কানে কানে বললেন—প্রলাপ বকছে যে…

    এই বিয়েতে লোকজন বিশেষ নিমন্ত্রিত হয়নি। তারানাথ বা কামাখ্যাচরণকেও বলেননি অনঙ্গমোহন। ন্যাড়ার সঙ্গে বরযাত্রী এসেছিল ওর আটজন বন্ধু। ন্যাড়ার দাদা-বৌদিও আসেনি। অনঙ্গমোহনের টোলের কয়েকজন কৃতী প্রাক্তন ছাত্রকেও চিঠিতে জানিয়েছিলেন, একজন এসেছে, সে কলেজের অধ্যাপক। সুমিতাও এসেছে। সুমিতার স্বামী আসেনি। ললিতমোহনই নিয়ে এসেছেন সুমিতাকে।

    সুমিতার বিয়ে হয়ে গেছে প্রায় এক মাস আগে। অনঙ্গমোহন গিয়েছিলেন। বিলুও ছিল। অনঙ্গমোহন সেদিন সারাদিন উপবাসী ছিলেন। বিবাহ সম্পন্ন হলে কিছু মিষ্টি খেয়েছিলেন শুধু। বিলু যখন খাচ্ছিল, অনঙ্গমোহন সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, বিলুর খাওয়া দেখছিলেন, ছোলার ডাল যখন রাধাবল্লভীর মধ্যে মিশে যাচ্ছিল, অনঙ্গমোহন তখন বিলুর মুখের খুশি প্রাণের মধ্যে জড়িয়ে নিচ্ছিলেন। অন্ন প্রাণময়। অন্ন আনন্দময়। আনন্দই ব্ৰহ্ম।

    অনঙ্গমোহন পরদিনই গিয়েছিলেন। সুমিতার স্বামী গৌরবর্ণ, দীর্ঘাঙ্গ, সুপুরুষ। মাথার সামনের দিকটা কিছুটা কেশহীন কিন্তু সহাস্য, সপ্রতিভ। সুমিতা পরিচয় করিয়ে দিল—আমার গুরুদেব। এঁর কাছে সংস্কৃত পড়ি। ছেলেটি দু’হাত তুলে নমস্কার করল। বলল—যাবেন মাঝে মাঝে। অনঙ্গমোহন সুমিতাকে বললেন—তোমার প্রস্থান সময় উপস্থিত হল। বলেই বারোধ হল অনঙ্গমোহনের। ছিটের থলের থেকে বের করলেন কয়েকটা বই। জীবানন্দ বিদ্যাসাগরকৃত টীকা সংবলিত শ্রীহর্ষর নৈষধচরিত। আর বাসবদত্তা। বললেন—কবে এইসব ফুটপাতে বিক্রি কইরা দিই ঠিক নাই, তোমার কাছেই থাক। তারপর দিলেন কাব্যচন্দ্রসুধা। দিলেন আরও চার- পাঁচটি বই। বললেন—আমি দরিদ্র, এর অধিক আর কি দিমু।

    সুমিতা অনঙ্গমোহনকে ভূমিষ্ঠ প্রণাম করল। বলল—আমার শ্বশুরবাড়িতে আসবেন। অনঙ্গমোহন বললেন—তোমার শ্বশুরবাড়িতে আনন্দে থাকো। তোমার শ্বশুর বড় ভাল লোক—তাঁর সেবা-যত্ন কইরো…।

    অনঙ্গমোহন যেন মহর্ষি কম্বদেব। শকুন্তলার পতিগৃহে যাত্রার সময় বিদায় দিচ্ছেন।…সুমিতা তুমি সবার প্রিয়া হও, স্বামীর প্রিয়া হও…

    সুমিতা সংস্কৃত শিক্ষা পরিষদ পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারে বড়ই দীর্ঘসূত্রী। যখনই পরীক্ষা হোক, পরীক্ষাটা দিও। ঘরে পড়াশোনা কইরো কিন্তু… সুমিতা বলল—আপনিও যাবেন, অ্যাঁ? সুমিতার স্বামীও বলল-আসবেন, আসবেন।

    সুমিতা গাড়িতে ওঠার সময় সুমিতার মা অনঙ্গমোহনকে প্রণাম করে বলেছিলেন, আপনার এ ঋণ জীবনে শুধতে পারব না। আপনি ঠিক করে দিলেন বলেই যা হোক করে বিয়েটা হয়ে গেল। আমার সেজটাকেও আপনার টোলে পাঠিয়ে দেব। তারপর পাঁচ টাকার কয়েকটি নোট বার করে অনঙ্গমোহনের দিকে ধরেছিলেন। এটা ধরুন। আপনার দক্ষিণা। ঘটককে দিলেও তো দিতাম। অনঙ্গমোহন তখন কোনো কটুবাক্য বলেননি, ভ্রূ কুঞ্চনও করেননি। ‘রজত’ শব্দের অর্থ অশ্রুও হয়। এই ভেবে, সামান্য মৃদু হেসে চলে এসেছিলেন।

    সুমিতার বৌ-ভাতের দিন ললিতবাবুর বাড়িতে নিমন্ত্রণ ছিল অনঙ্গমোহনের। বৌভাত ব্যাপারটা এধারে এসে দেখতে পাচ্ছেন অনঙ্গমোহন। এখন নববধূ চেয়ারে বসে থাকে, ফুলে ফুলে সাজানো, নিমন্ত্রিতরা এসে এসে উপহার দিয়ে যায়। আগে বিবাহের তৃতীয় দিনে হত পাকস্পর্শ। নববধূ সেদিন রান্নাঘরে ঢুকত। নিমন্ত্রিতদের পাতে সামান্য অন্ন পরিবেশন করত।

    অনঙ্গমোহন গিয়েছিলেন। বাড়ির সামনে নহবত আলোর মালা। গাড়ির সারি। কলহাস্য। সুবেশা রমণীদল। যেন সুরলোক। অনঙ্গমোহন পূর্ণকলস ও কলাগাছ লাগানো দরজার সামনে ক্ষণকাল দাঁড়িয়েছিলেন। তারপর ভিতরে না ঢুকেই পালিয়ে চলে আসছিলেন। এমন সময় হা হা করে ছুটে এলেন ললিতবাবু। আরে পণ্ডিতমশাই আসুন আসুন…

    ললিতবাবু উপরে নিয়ে গেলেন। সিংহাসনে রাজরানীর মতো বসে আছে সুমিতা। অনঙ্গমোহন দূর থেকে দেখলেন, কারণ সামনে সুবেশা সমারোহ। অভ্যাগতরা উল্টে অনঙ্গমোহনকেই দেখতে লাগল। যেন কোনো লুপ্ত জীব। শিখা-সূত্র উত্তরীয়ধারী অনঙ্গমোহনের বেশ অস্বস্তি লাগে। ললিতবাবু অন্য ঘরে নিয়ে যান, ঐখানে ললিতবাবুর সংস্কৃতজ্ঞ বন্ধু-বান্ধবরা আছেন। ললিতবাবু পরিচয় করিয়ে দেন—ইনিই অনঙ্গমোহন কাব্যব্যাকরণতীর্থ। অনেকে উঠে দাঁড়ালেন। হাত জোড় করলেন। এঁরা সব অধ্যাপক। সংস্কৃতে এম এ ডক্টরেট। সিল্কের পাঞ্জাবি পরা। কেউ কেউ সিগারেটে ধূম্রপান করছেন। ওদের মাঝখানে সংকুচিত হয়ে বসেছিলেন অনঙ্গমোহন। ফিরিঙ্গিদের মতো ফুলপ্যান্ট ও শার্টপরা একজন অধ্যাপক বললেন, আপনারাই হলেন আসল সংস্কৃতজ্ঞ। দেশ আপনাদের দেখল না। অন্য একজন বললেন, আমিও টোলে ন্যায় পড়েছিলাম কিছুদিন। আপনারই মতো একজন আচার্য ছিলেন। বলা যায়, তিনি বিনা চিকিৎসায়…

    ওরা তারপর অনঙ্গমোহনের সঙ্গে বর্তমান সিলেবাস, পরীক্ষা গ্রহণ পদ্ধতি, শিশুপাল বধ, মেঘদূতম্ আলোচনা করে আবার ডিএ আর ইনকাম ট্যাক্স আলোচনায় নিজেদের মধ্যে ফিরে গেলেন। অনঙ্গমোহন উঠলেন। ললিতবাবু মিষ্টিমুখ করালেন। আর আড়ালে ডেকে নিয়ে দিলেন পঞ্চাশটি টাকা।

    অনঙ্গমোহন বললেন—টাকা কিসের, ঘটক বিদায় নাকি? ললিতমোহন জিভ কাটলেন। বললেন, সামান্য পণ্ডিতবিদায়। অনঙ্গমোহন বললেন, পণ্ডিতবিদায়? কোথায় পণ্ডিত? কোথায় বিতর্ক? পূর্ব পক্ষ নাই, উত্তর পক্ষ নাই, শুনলাম তো মহার্ঘ্যভাতা, পরনিন্দা, প্রফুল্ল সেন, জ্যোতি বসু। ললিতমোহন বললেন—এদের রীতিই এই। অনঙ্গমোহন বললেন—ওরা পণ্ডিত বিদায় কি প্রত্যেকরেই দিতেছেন? অ্যামে পাস রা? ললিতমোহন বললেন—না, না, ওরা নেবেন না। আমিও নিমু না ললিতবাবু। অনঙ্গমোহন আঙুলে চাদরের কোণাটা ঘোরাতে ঘোরাতে বলেছিলেন। তখন ললিতমোহন বলেছিলেন, তবে একটা গাড়িভাড়া… অনঙ্গমোহন টাকাটা নিয়েছিলেন। বুঝেছিলেন—এটা পণ্ডিত বিদায় নয়। ভিক্ষা। অনুকম্পা অথবা ঘটক বিদায়। এই দান যে অনঙ্গমোহন গ্রহণ করতে পারেন এরূপ অনুমিতি ললিতমোহনের হয়েছিল কীভাবে? পর্বতো বহ্নিমান ধূমাৎ। ধূম দেখে অগ্নির সম্ভাবনা প্ৰকাশ পায়, ‘ধূম’ হেতু পদ। অনঙ্গমোহনের কি কোনো দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছিল? যাকে হেতু পদ হিসাবে ভাবা যায়? নাকি এটা সহজ অন্বয়? যেখানে ধূম সেখানেই অগ্নির অস্তিত্ব যেমন, যেখানে দারিদ্র্য সেখানে দুর্বলতা। সরলীকৃত অনুমিতি। অনঙ্গমোহন টাকাটা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। বললেন—মহাশয়, গাড়িভাড়াও দরকার নাই, আমি তো হাঁইট্যাই আইলাম।

    .

    আজ এখানে এই বিবাহবাসরে ললিতমোহন নিমন্ত্রিত। একটা দামী শাড়ি তুলে দিয়েছেন স্বপ্নার হাতে। অঞ্জলি ভেবেছিল, শাড়িটা আগে পাওয়া গেলে এটা পরিয়েই বিয়ে দেওয়া যেত।

    ললিতমোহন আসাতে অনঙ্গমোহন এতটাই খুশি হয়েছিলেন যে, বিবাহকার্যের ফাঁকে একবার উঠে এসে ললিতমোহনকে জড়িয়ে ধরার উপক্রম করেছিলেন। কিন্তু ললিতমোহনের গিলে করা পাঞ্জাবি, সুগন্ধি, চুনোট করা ধূতি আর সর্বোপরি তাঁর অর্থমহিমার প্রচ্ছন্ন প্রাচীর তাকে বিরত করেছিল।

    স্নেহ অতি বিষম বস্তু, অনঙ্গমোহন বহু আগেই বুঝেছিলেন। স্বপ্নার বিয়ের পর দিন এটা বড় বেশি করে অনুভব করছিলেন। নতুন কেনা টিনের ট্রাঙ্কটা ভর্তি হল না। যৌতুক কিছুই প্রায় ছিল না। অনঙ্গমোহন ভাবলেন, ট্রাঙ্কে কয়েকটা কাব্যগ্রন্থ দিয়ে দেবেন, যদি কোনোদিন কাজে লাগে। কিন্তু স্নেহ অতি বিষমবস্তু। অনঙ্গমোহন ঠোঙার জন্য ছ’আনা কিলোয় কেনা শারদীয় উল্টোরথ ট্রাঙ্কের ভিতরে গোপনে ভরে দিলেন।

    কম্ব কহিলেন, আর কেন বিলম্ব কর, বেলা হয়, তখন শকুন্তলা কহিলেন, বনতোষিণীকে সম্ভাষণ না করিয়া যাইব না। এই বলিয়া বনতোষিণীর নিকট গিয়া কহিলেন, বনতোষিণী শাখাবাহুদ্বারা আমাকে আলিঙ্গন কর। কালির কল রে কালির কল—তোর ঘটর ঘটর আর শুনতে পাব না। মাসিমা, শিখাকে চিঠি দিয়েছিলাম। এল না। আমি যাই। দাদু, ঠোঙাগুলো কাটা হয়নি। তোমার কষ্ট হবে। দাদু ঠিকমতো খেয়ো, নিজেই খইগুড় নিয়ে নিও দাদু। কম্ব কহিলেন, বৎসে শান্ত হও। অশ্রুবেগের সম্বরণ কর। সিঁড়ি দিয়া পইড়া যাইবা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তম পুরুষ – রশীদ করীম
    Next Article শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }