Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প199 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তার বিদায়বেলার মালাখানি

    সাদা এসইউভি ভিআইপি রোডে পড়তে হাত থেকে আংটি খুলে মালিনীকে দিল ঐশানী। মালিনী বলল, “ফিট করছে, না লুজ?”

    “ফিট করেছে। তবে এসব জিনিস পরে রাস্তাঘাটে ঘোরাঘুরি করা যায় না,” জবাব দেয় ঐশানী। তার ভিতরে চাপা টেনশন কাজ করছে। টেনশনের কারণ তরুণের ফোন। আশীর্বাদ পর্ব মেটার পরে ছাদে গিয়ে বসকে ফোন করেছিল ঐশানী! “জরুরি তলব কেন? আমি তো ফার্স্ট হাফে ছুটি নিয়েছি!”

    “সেকেন্ড হাফ ক’টায় শুরু হয়?” কাঠখোট্টা প্রশ্ন তরুণের।

    “মনে হচ্ছে ঢুকতে দেরি হবে। তুমি যদি বল, তাহলে সিএল নিয়ে নিই?” পালটা চাপ দিয়েছিল ঐশানী। চাপ বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে তরুণ বলে, “ক’টা নাগাদ ঢুকতে পারবি?”

    “অ্যারাউন্ড চারটে, “ আধ ঘণ্টা দেরি করে সময় বলেছিল ঐশানী।

    “চলে আয়। কথা আছে,” বস লাইন কেটে দিয়েছে। ঐশানী জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিল, কী কথা? করল না। তরুণকে সে খুব ভাল করে চেনে। কিছুতেই মুখ খুলবে না!

    গাড়ির পিছনের আসনে সবাই চুপচাপ। ভোলাদা জানলায় মাথা রেখে নাক ডাকাচ্ছে। প্রতাপ আর মালিনীর সাড়াশব্দ নেই। ঐশানী বলল, “রাজুদা, আমাকে উল্টোডাঙায় নামিয়ে দিয়ে তোমরা বেরিয়ে যাও। আর ভোলাদাকে সামনে বসিয়ে নিও।”

    রাজু ঘাড় নেড়ে বলল, “ভোলাদার বউ ব্যাপক রান্না করে!”

    ঐশানী মৃদু হেসে বলল, “তুমি ভাল করে খেয়েছ তো?”

    “গলা পর্যন্ত।” বাঙ্গুর অ্যাভিনিউয়ের ক্রসিং পেরিয়ে বলে রাজু।

    সব্বাই ভরপেট খেয়েছে। ঐশানী অবশ্য একটা কচুরি, একটা আলু আর একটা বিলাসভোগ খেয়েই সমাপ্তি ঘোষণা করেছে। পারুল দুপুরের খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছিল। সেটা ওখানে খাওয়া হয়নি। দুটো বড় টিফিন বাক্স ভরতি ঘি-ভাত, রুইমাছের মাথা দিয়ে সোনামুগের ডাল, ঝিরিঝিরি করে আলুভাজা, তেল কই, রেওয়াজি খাসির কালিয়া আর জলপাইয়ের চাটনি যাচ্ছে তাসের দেশ থেকে খেলাঘরে। অদ্রীশ বারবার আক্ষেপ করছিল, “আপনাদের প্ল্যানিং ভুল। ঐশানীকে ছাড়ার জন্য আপনার গাড়ি চলে যাক। আপনারা থেকে যান। আমি নিজে আপনাদের পৌঁছে দেব।”

    মালিনী রাজি হয়নি। বিনয়ের সঙ্গে বলেছে, “অন্য একদিন আসব দাদা! আজ ছেড়ে দিন। সন্ধেবেলা পুরুতঠাকুর আর ডেকরেটরের লোককে ডেকেছি।”

    অকাট্য যুক্তি! অদ্রীশ আর জোর করেনি।

    “উল্টোডাঙা থেকে কীভাবে যাবি?” জানতে চায় প্রতাপ।

    “ট্রেন ধরে দমদম চলে যাব। ওখান থেকে মেট্রোয় ময়দান স্টেশন, “ নিজের রুটম্যাপ জানায় ঐশানী, “আসলে একটা নির্দিষ্ট রুটে যাতায়াত করে বদভ্যাস হয়ে গেছে। অন্য রাস্তায় যাবার কথা ভাবলেই ইরিটেশন হয়।”

    “তা বললে চলবে? তোমার জীবন এখন অন্য রাস্তাতেই বইবে। নতুন বাড়ি, নতুন ঠিকানা, নতুন পদবি, নতুন ঘর-গেরস্থালি, নতুন রুটে অফিস যাওয়া…এসব মেনে নিতে হয়। মেয়েদের কোনও বাড়ি থাকে না। কখনও বাপের বাড়ি, কখনও শ্বশুরবাড়ি, কখনও স্বামীর ফ্ল্যাট, কখনও ছেলের আশ্রয়, কখনও বৃদ্ধাশ্রম—এই করে জীবন কেটে যায়,” মন্তব্য করে মালিনী।

    “কী সুইট বললে গো!” হাততালি দেয় ঐশানী, “ব্যাকগ্রাউন্ডে বেহালা আর ফ্রুট বাজলে খুব ভাল হত। বাই দ্য ওয়ে, আমি বিয়ের পরে পদবি চেঞ্জ করব না। ফর দ্য টাইম বিয়িং অ্যাড্রেসও চেঞ্জ করব না। তাহলে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট—সব কিছু বদলাতে হবে। সে মহা হ্যাপা!”

    উল্টোডাঙা চলে এসেছে। ঐশানী গাড়ি থেকে নামল। ভোলাদা চলে এল রাজুর পাশে। রাজু গাড়ি নিয়ে ফুলবাগানের দিকে ঘুরল। ঐশানী লাফাতে-লাফাতে এগল স্টেশনের দিকে।

    *

    নিজের ওয়র্কস্টেশনে বসে ঘড়ি দেখল ঐশানী। সাড়ে তিনটে বাজে। খেয়াল করল, লিমার মেশিন শাট ডাউন করা, ড্রয়ারে চাবি মারা। হয় অ্যাসাইনমেন্টে গেছে, অথবা ডুব দিয়েছে। দ্বিতীয়টা যদি সত্যি হয় তাহলে বসের বারবার ফোন করার একটা মানে পাওয়া যায়।

    মেশিন অন করে কফি ভেন্ডিং মেশিনের কাছে যায় ঐশানী। কাগজের কাপে আধকাপ কফি ঢেলে ছোট চুমুক দেয়। কড়াইশুঁটির কচুরি খেয়ে পেট ভার লাগছে। বসের ডাকের জন্য অপেক্ষা না করে টর্চার চেম্বারে উঁকি মারে। “আমি এসে গিয়েছি।”

    তরুণ মেশিনের দিকে তাকিয়ে ভুরু কুঁচকে বসে রয়েছে। একহাতে বিশাল বড় এগরোল। অন্য হাতে মোবাইল। সেটা কানে গুঁজে “হুঁ…হ্যাঁ…” বলছে। ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।

    ফোন রেখে তরুণ বলল, “উৎপল বসুমল্লিক সেন্টিনেলে ভরতি আছে এটা তুই জানতিস?”

    “না…” ফাম্বল করে ঐশানী। উৎপলকে নিয়ে কী একটা কথা অদ্রীশ বলছিল বটে! সীমান্তর প্রেমে ঐশানী এতই বিভোর ছিল যে, খেয়াল করেনি। সীমান্তও বলেনি!

    “তুই না জার্নালিস্ট!” বাঘের মতো গর্জন তরুণের, “তোর নাং সেন্টিনেলে আছে। আর আমাকে জনাদেশ পার্টির প্রেস মিট থেকে খবর পেতে হচ্ছে? লোকটার স্ট্রোক হয়েছে। লোকটা ইলেকশন ক্যাম্পেন করছে না। নমিনেশন পেপার জমা হয়ে যাওয়ার পরে, ইলেকশনের আগে ক্যান্ডিডেট কোমায় চলে গিয়েছে। জনাদেশ পার্টি এই তথ্য গোপন রেখেছে। ইট ইজ আ হিউজ নিউজ। আর তুই কিছু জানিসই না? হোয়াট ডু ইউ থিঙ্ক? তোর চাকরি থাকবে?”

    “আমি…মানে…আমাকে…”

    “আমার কাছে কাঁদুনি গেয়ে লাভ নেই। পিবি হুকুম করেছে। দিস ইজ় ইয়োর লাস্ট অ্যাসাইনমেন্ট। যদি সাকসেসফুল হোস, যার চান্স ওয়ান পার্সেন্ট, তাহলে আমি তোর কজ় নিয়ে পিবিকে পারসু করব। আর যদি ফেল করিস, যেটা তুই করবিই, তাহলে প্যাক ইয়োর ব্যাগ অ্যান্ড লিভ। তোর টারমিনেশন লেটার কম্পোজ করে রেখেছি। এন্টার মারব, আর তোর মেলবক্সে ঢুকবে!”

    তরুণের গাঁকগাঁক চিৎকার টর্চার চেম্বারের বাইরে সবাই শুনতে পাচ্ছে। ঐশানীর মাথা ঝনঝন করছে। অপমানে মাথা নিচু করে বসে থাকে সে। ঠোঁটে ঠোঁট টিপে, ভুরু কুঁচকে চোখের জল আটকায়। কান্না মানে দুর্বলতা। অশ্রু দেখে তরুণ হাসবে। এখন তাকে তরবারির মতো ধারালো হতে হবে। হতে হবে লঙ্কার মতো ঝাঁঝালো।

    চাকরিটা রাখতে হবে অ্যাট এনি কস্ট। কিন্তু তার আগে বসকে সামলাতে হবে। খানিকটা গরমে। অনেকটা নরমে। ডিপ ব্রিদ করে ঐশানী। রাগলে চলবে না। তবে রাগের অভিনয় করতে হবে।

    তর্জনী তুলে ঐশানী বলে, “এক নম্বর কথা। বিশাখা গাইডলাইন মনে করিয়ে দিচ্ছি। ‘নাং’-এর মতো শব্দ যেন ফারদার না শুনি। এক্ষুনি বলো যে, অন্যায় করেছ। ওয়র্কপ্লেসে মেয়েদের সঙ্গে এইভাবে কথা বলা যায় না!”

    তরুণ অবাক হয়ে দেখছে। রোলে কামড় দিয়ে বলল, “সরি!”

    ঐশানী বলল, “অন্যায় করার পরে লোকে দাঁত বের করে ‘সরি’ বলে। অনেকদিন ধরে এর একটা জুতসই উত্তর খুঁজছিলাম। এক্ষুনি পেয়ে গেলাম।”

    প্রসঙ্গ বদলে যাওয়ায় তরুণ অবাক। বলল, “একটা তো আছে। ‘সরি ওন্ট মেন্ড ইট’।”

    ঐশানী বলল, “ওটা পুরনো হয়ে গিয়েছে। নতুন উত্তরটা শুনে নাও,” তরুণের দিকে আঙুল তুলে বলল, “ইউ উইল বি সরিয়ার। ইট্স আ প্রমিস!”

    তরুণ রোল চিবোতে গিয়ে বিষম খেল, হো হো করে হাসল, তারপর কাশতে কাশতে বলল, “তোর ওই বিশাখা, ললিতা, সুদামা, আয়ান ঘোষ, কোনও গাইডলাইন দিয়ে আমাকে ‘সরিয়ার বা ‘সরিয়েস্ট’ করতে পারবি না। পিবি বলেছে, ইনএফিশিয়েন্টদের ছাঁটতে হবে। দিল্লি অফিসের অর্ডার। একে পিঙ্ক স্লিপ ধরানো বলতে পারিস। বিল্বপত্তর শোঁকানো বলতে পারিস। ডাউনসাইজিং বলতে পারিস। রি-স্ট্রাকচারিং বলতে পারিস। আমি আটজনের একটা লিস্ট বানিয়েছি। নাম দিয়েছি ‘কিল লিস্ট’। দুঃখজনকভাবে লিস্টে তোর নাম আছে। এখন দায়িত্ব তোর ঘাড়ে। নিজেকে এই লিস্টের বাইরে বের কর। প্রমাণ কর, ইউ আর ওয়র্থ ইয়োর টেক হোম স্যালারি। এ তো সরকারি চাকরি নয় যে, কাজ না করলেও মাইনে হবে। এটা প্রাইভেট সেক্টর। এখানে মাইনে উপার্জন করতে হয়। বুঝলি মিস বিশাখা?”

    “লিমা কোথায়?” তরুণের কথায় পাত্তা না দিয়ে জানতে চায় ঐশানী।

    সারকাজমের হাসি হেসে তরুণ বলে, “সেন্টিনেলে, অবভিয়াসলি! এত বড় একটা কাণ্ড ঘটেছে, যেটা হেল্থ রিলেটেড সেখানে লিমা তোর মতো অফিসে বসে থাকবে নাকি! শি ইজ আ স্মার্ট গার্ল। ওর নাম কিল লিস্টে নেই।”

    “হেল্থ বিটে একজন রিপোর্টার দিয়ে কাগজ চলবে?” আবার রেগে গিয়েছে ঐশানী।

    “চলছে তো! তুই কোন কাজটা করছিস আমায় বলবি?”

    “ফরগেট ইট! লিমাকে কী দায়িত্ব দিয়েছ?”

    “উৎপলের হেল্থ কন্ডিশন। কবে হল, কী হল, কী ভাবে সেন্টিনেলে গেল, এখন কেমন আছে, এইসব। আমি জানি যে, এই খবর তুই এক ফোনে জেনে যাবি, তাই তোকে এর বাইরে রেখেছি।”

    “এটা পার্শিয়ালিটি। এটা ইচ্ছে করে আমার হাত পা বেঁধে দেওয়া, আপত্তি করে ঐশানী।

    “এটা পার্শিয়ালিটি নয় মিস ললিতা…” ঠান্ডা গলায় বলছে তরুণ, “একে বলে জঙ্গলের রাজত্ব। একে বলে ‘লিভ অ্যান্ড লেট ডাই’। আমার ভূমিকা নাৎজি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের সেই ইহুদি জহ্লাদের মতো, যার কাজ হল প্রতিদিন একশো ইহুদিকে হত্যা করা। সংখ্যাটা কমে নিরানব্বই হলেই আমার ঘাড়ে কোপ পড়বে। বাঁচার জন্য আমাকে খুন করতে হয় মিস সুদামা! সেন্টিনেলের আইসিইউ নিয়ে স্টোরির কী ডেভেলপমেন্ট? লিমা তো মুখ খুলছে না!”

    “এই নিয়ে পরে কথা বলব,” কথা ঘোরায় ঐশানী। শেলির স্পাই ক্যামের ছবি থেকে অনেক কিছু জানা গিয়েছে। কিন্তু আরও অনেক কিছু জানা বাকি। ইস্কাবনের টেক্কা এখন আস্তিন থেকে বের করতে চায় না ঐশানী। টর্চার চেম্বার থেকে বেরনোর সময় শুনতে পায়, তরুণ নিজের কম্পোজ় করা মেলটা পড়ছে, “অ্যাই অ্যাম এক্সট্রিমলি সরি টু সে দ্যাট ইয়োর সারভিস ইজ় নো লঙ্গার রিকোয়ার্ড। প্লিজ় কনট্যাক্ট এইচ আর ডিপার্টমেন্ট।”

    বাকিটা না শুনে স্টেশনে ফেরে ঐশানী। সীমান্তকে ফোন করতে হবে।

    *

    সীমান্তকে তিনবার ফোন করল ঐশানী। তিনবারই রিং হয়ে হয়ে কেটে গেল। কী করবে বুঝতে না পেরে মেশিন অন করছে ঐশানী, এমন সময় সীমান্তর ফোন। মোবাইল কানে দিয়ে ঐশানী বলল, “ফোন ধরলে না কেন?”

    “ঘুমোচ্ছিলাম পুঁটুরানি। ভালমন্দ খাওয়ার পরে একপ্রস্থ ভাতঘুম না দিলে চলে? তা ছাড়া আজ নাইট ডিউটি আছে। সারা রাত জাগতে হবে।”

    সীমান্ত নিজেই বিষয়ের মধ্যে ঢুকে পড়ায় খুশি হল ঐশানী। বলল, “উৎপল বসুমল্লিক সেন্টিনেলে ভরতি আছে এই কথাটা আমায় বলনি তো!”

    সামান্য থমকায় সীমান্ত। সদ্য ঘুম ভাঙায় রিফ্লেক্স ঢিলেঢালা। চিন্তাভাবনা গুছিয়ে নিয়ে বলল, “ডাক্তার ও রোগীর মধ্যেকার কথাবার্তা সবার সঙ্গে শেয়ার করার জন্য নয়। দিস ইজ় প্রিভিলেজ্ড ইনফর্মেশন।”

    সীমান্তকে থামিয়ে ঐশানী বলে, “তুমি অতীতে আমাকে নন্দিনী সরকারের কথা বলেছ।”

    সীমান্ত বলে, “জনাদেশ পার্টির মনোময় দাশ সেন্টিনেলে এসে ক্যাটিগরিকালি আমাদের বারণ করে গিয়েছেন যাতে আমরা উৎপল সম্পর্কে কোথাও মুখ না খুলি। ম্যানেজমেন্টের তরফে মঞ্জুলা সবাইকে এই কথা বলেছে। জনাদেশ পার্টি ইজ ইন পাওয়ার। রাষ্ট্রের কথা না শুনলে গর্দান যাবে।”

    “তোমার যুক্তি মেনে নিলে সবাই সব জানল কী ভাবে?”

    “সেন্টিনেলের তরফে কোনও প্রেস বিজ্ঞপ্তি করা হয়নি ঐশানী। এটা জনাদেশ পার্টি প্রেস মিট করে জানিয়েছে।”

    “ও…” চুপ করে যায় ঐশানী।

    “এনি প্রবলেম, পুঁটুরানি?” জানতে চাইছে সীমান্ত। জীবনের অভিজ্ঞতা ঐশানীকে শিখিয়েছে, এমন অনেক কথা আছে, যা কারও সঙ্গে শেয়ার করা যায় না। বাবা-মা বা প্রেমিকের সঙ্গেও না। অফিসের জটিলতা কি সীমান্তর সঙ্গে শেয়ার করা যায়? ঐশানী সন্তর্পণে বলল, “হালকা একটা প্রবলেম।”

    “কী ব্যাপার পুঁটুরানি? ঝেড়ে কাশো!”

    “আমার চাকরিটা বোধহয় থাকবে না…”

    “বাঁচা গিয়েছে। ওরকম ঢপের চাকরি করার থেকে না করা ভাল!”

    “পুচুসোনা!”

    “ঢপের চাকরিকে ঢপের চাকরি বললেই দোষ! আচ্ছা, আমার ঘাট হয়েছে। সরি। কে তোমার চাকরিতে থাবা বসাচ্ছে শুনি! আমি তোমার অফিসে গিয়ে তার গুষ্টি উদ্ধার করে আসছি।”

    “ব্যাপারটা ওরকম নয় পুচুসোনা। আমাদের পেশায় কাটথ্রোট কম্পিটিশন। কাজে একটু ঢিলে দিয়েছ কি অন্য একজন তোমার ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠে যাবে।”

    “তুমি আবার কাজে ঢিলে দিলে কোথায়? ক’দিন আগেই তো নন্দিনীকে নিয়ে এক্সক্লুসিভ খবর করলে। তোমার বসের কি মেমরি লস হয়েছে? অশোক লুনিয়া মারা যাবার পরে সিস্টার নমিতাকে পর্যন্ত পটিয়ে ফেলেছ! সে-ও এখন তোমার দলে।”

    সীমান্তর মুখে কথাটা শুনে মৃদু হাসল ঐশানী। অশোকের মৃত্যুর দিন কৃতান্তর সঙ্গে লিফটে চেপে একতলায় নেমে আসার পরে আবার সে সাততলায় উঠেছিল। শেলির সঙ্গে ঢুকেছিল আইসিইউতে।

    সিস্টার নমিতাকে কনভিন্স করতে ঐশানীর কোনও প্রবলেমই হয়নি। মহিলা নিজেই আত্মগ্লানিতে ভুগছে। শেলির মুখে যখন জানল যে, কৃতান্তর মানুষ মারার কারবারের কথা ঐশানী জেনে গিয়েছে, তখন হাতজোড় করে বলল, “ডক্টর চট্টোপাধ্যায় আমার বস। একই সঙ্গে আমার স্বামীর বন্ধু। তাই কিছু করতে পারছি না। না হলে কবেই পুলিশে খবর দিতাম।”

    “দেননি কেন? আপনি নিজেও তো ফাঁসবেন, “ ধমক দিয়েছিল ঐশানী।

    “আমার বরও তাই বলে। এঁকে অনেকবার বারণও করেছে কিন্তু উনি কি শোনার পাত্র? তা ছাড়া উনি মেয়েকে এত ভালবাসেন যে মায়া হয়।”

    “মায়া পরে করবেন। আগে নিজেকে বাঁচান,” সিস্টার নমিতাকে বলেছিল ঐশানী, “এখন আমার প্ল্যানটা শুনুন। খুব মন দিয়ে শুনুন। পরে হয়তো আর বলার সুযোগ পাব না।”

    সিস্টার নমিতার প্রসঙ্গ মাথা থেকে তাড়ায় ঐশানী। এখন ওসব ভাবার সময় নয়। সীমান্ত তার পেশা নিয়ে কিছু কথা বলেছে। তার উত্তর দিতে হবে।

    ঐশানী বলে, “নন্দিনী এখন অতীত পুচুসোনা। অমল সরকার ছাড়া আর কেউ তাকে মনে রাখেনি। খবরের কাগজের আয়ু বেলা ১১ টা পর্যন্ত। তারপর তাকেও আর কেউ মনে রাখে না। ওসব বাদ দাও। আমাকে একটা কথা বলো! বিয়ের প্রসঙ্গ মাথায় ঢোকার পরে আমি কি কমপ্লেসেন্ট হয়ে গিয়েছি? আমার কি কাজে মনোযোগ কমে গিয়েছে?”

    “সেটা আমারও হয়েছে পুঁটুরানি, “ লজ্জা-লজ্জা গলায় বলে সীমান্ত, “উষ্টুম ধুষ্টুম স্বপ্ন দেখছি। যার কোনও মাথামুন্ডু নেই। কখনও দেখছি তোমার সঙ্গে মাসকাবারি বাজার করতে শপিং মলে গিয়েছি। কখনও দেখছি, দু’জন মিলে গোয়া বেড়াতে গিয়েছি। কখনও দেখছি তুমি প্রেগন্যান্ট। কখনও দেখছি আমাদের গুবলু-গুবলু দুটো বাচ্চা হয়েছে!”

    সীমান্তর কথা শুনে ঐশানীর গালে লাল আভা। কান গরম! সে বলল, “ক্যান ইউ ইমাজিন, আমার চাকরি খাবার জন্য বস ছুরিতে শান দিচ্ছে, আর আমি তোমার সঙ্গে সিলি সমস্ত বিষয় নিয়ে কথা বলছি। উফ! লভ ইজ্ সাচ আ হরিবল থিং!”

    “উফ! তোমার কথা শুনে আয়্যাম ফিলিং টেরিলি হর্নি! আবার তোমাকে হরিদাসীর গুপ্তকথায় দেখতে ইচ্ছে করছে!”

    “উম্‌ পুচুসোনা!” মোবাইলে চুমু খায় ঐশানী।

    সীমান্ত বলে, “প্রেম ব্যাপারটা নেচারের চক্রান্ত। একটা ছেলে আর একটা মেয়েকে কাছাকাছি রাখলে শরীর থেকে নানা নিউরো- ট্রান্সমিটার আর হরমোন বেরোয়। জন্তুজানোয়ারের ক্ষেত্রে মেটিং ডান্স হয়। সিংহ কেশর ফুলিয়ে ঘোরে, ময়ূর পেখম তুলে নাচে, কোকিল কুহু কুহু ডাকে, আর মানুষ প্রেম করে। বছরখানেক এক ছাদের তলায় থাকলেই সব প্রেম উড়ে যায়। তখন বাচ্চাকাচ্চা, কাঁথাকানি, রেশনবাজার নিয়ে দু’জনেই ব্যতিব্যস্ত!”

    “কাকু তো সেটাই বলছিলেন। বিরহই নাকি আসল প্রেম! দূরত্বই নাকি ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়।

    “উম্‌ম! পুঁটুরানি, আমার খুব বিরহ পেয়েছে।” ফোনে পুচুত করে চুমু খেল সীমান্ত। ঐশানী চোখের কোণ দিয়ে দেখল, লিমা নিজে আসনে বসল। ঐশানী বলল, “উই উইল টক লেটার। ওকে?”

    “আশেপাশে লোক চলে এসেছে পুঁটুরানি? পুচুত!” সীমান্ত নাছোড়। এক পায়ের উপরে অন্য পা রেখে ঐশানী বলল, “ইয়াপ দ্যাট্স রাইট!”

    “একটা হামি দাও। পিলিজ।” খুকখুক করে হাসছে সীমান্ত। ঐশানী বলল, “বাই দেন। কিপ ইন টাচ!” তারপর ফোন কাটল।

    লিমা মেশিন অন করে কপি লিখতে শুরু করেছে। মোবাইলের ইয়ারফোন কানে লাগিয়ে ইন্টারভিউ শুনছে আর ঝড়ের গতিতে লিখছে। ক্যামেরা থেকে একগাদা ছবি ট্রান্সফার করল মেশিনে। দু’- তিনটে ছবি বেছে নিয়ে চিফ ফোটোগ্রাফারের কাছে পাঠাবে। চিফ ফোটোগ্রাফার যে-ছবিটা অ্যাপ্রুভ করবে, সেটা স্ক্যানে পাঠাবে। পাতা সাজানোর কাজ শুরু হবে তারপর

    সাতদিন আগে স্টেরিলাইজেশন ক্যাম্পে বন্ধ্যাকরণ করতে গিয়ে পাঁচজন বউ মরে গিয়েছে। গতকাল ছানি কাটাতে গিয়ে পঞ্জাবে ৬০জন অন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফ্রি ক্যাম্পের যৌক্তিকতা নিয়ে কপি লিখতে বসল ঐশানী। মেটিরিয়াল রেডি আছে, ঝটপট নেমে যাবে।

    লেখা থামিয়ে, কান থেকে ইয়ারফোন খুলে লিমা হঠাৎ বলল, “তোকে আজ খুব সুন্দর লাগছে।”

    “মানে!” অবাক হয়ে বলল ঐশানী।

    লিমা বলল, “একটা ক্লিশেড কমেন্ট আছে। ইনার গ্লো। তোকে দেখে কথাটা মনে পড়ল। আজ তোর চোখমুখ ঝকঝক করছে। ইউ আর লুকিং ফ্যাব!”

    ক্যালকাটা সিটিজেনে এতদিন চাকরি করার পরে প্রশংসা বা নিন্দা, দুটোকেই সন্দেহের চোখে দেখে ঐশানী। সে জানে, সমস্ত কথার পিছনে উদ্দেশ্য থাকে। ভাল হোক বা খারাপ, উদ্দেশ্য থাকেই। লিমার কমপ্লিমেন্টের পিছনেও উদ্দেশ্য আছে। সেটা কী, জানার চেষ্টা না করে ঐশানী লিখতে লাগল।

    “কী লিখছিস?” একটু বাদে প্রশ্ন লিমার।

    “রুটিন,” জবাব দেয় ঐশানী। কি বোর্ডের টরেটক্কা থামিয়ে লিমা বলল, “উৎপলকে নিয়ে কাজ দেয়নি?”

    “না।”

    “দেওয়া উচিত ছিল। তুই নন্দিনীকে নিয়ে অত ভাল কপি করলি। তারপরে এটা আমার ঘাড়ে চাপানো ঠিক হয়নি। দিস ইজ নট মাই কাপ অফ টি,” হাই তোলে লিমা।

    কোলিগের মতলব ঐশানীর কাছে জলের মতো স্বচ্ছ। বোঝাই যাচ্ছে, লিমা কোনও জম্পেশ স্কুপ জোগাড় করেছে। তার কৃতিত্বে ঐশানী যেন ভাগ না বসাতে পারে, সেইজন্য ভুলভাল বকছে।

    ঐশানী বলল, “ন্যাকামো করছিস কেন? বস কাজটা তোকে করতে দিয়েছে। আমাকে নয়। আর তার কারণটাও জলের মতো পরিষ্কার। এই কাজটা আমি তোর থেকে একশো গুণ বেটার করতে পারতাম। কিন্তু বস সেটা চায় না।”

    “ডোন্ট ক্রস ইয়োর লিমিট!” কপি লেখা বন্ধ করে তর্জনী তুলেছে লিমা, “বস এই কাজটা আমায় দিয়েছে কেন না তুই একটা লেজি বাম! তোর কোনও অ্যাম্বিশন না থাকতে পারে। কিন্তু আমার আছে। আগামী পাঁচবছরের মধ্যে ওই টর্চার চেম্বারের চেয়ারে আমি নিজেকে দেখতে চাই। আগামী ১০ বছরের মধ্যে নিজেকে এডিটরের চেয়ারে দেখতে চাই। ওখানে পৌঁছনোর জন্য যা-যা করার দরকার, আমি সব করব।”

    “এ আর নতুন কথা কী?” ঠান্ডা গলায় বলে ঐশানী, “পিজির ভাড়া যাতে না বাড়ে, সেটা অ্যাশিয়োর করার জন্যে বাড়িওয়ালার সঙ্গে রেগুলার শুচ্ছিস। তোর অ্যাম্বিশন নিয়ে আমার কোনও সন্দেহ নেই।”

    “আমাকে তাহলে ঠিকই চিনেছিস!” উত্তেজনায় লিমার নাকের পাটা ফুলে গিয়েছে। গলার পেশি শক্ত। রগের শিরা দপদপ করছে। গভীর শ্বাস নিয়ে বলল, “তোর মতো কামচোর, অলস, লেজি, ওয়র্থলেস, ফালতু কোলিগকে ছেঁটে ফেলতে আমার এক সেকেন্ডও সময় লাগবে না। ইউ আর গন ঐশানী। জাস্ট গন!”

    প্রশংসার পিছনে উদ্দেশ্য ছিল। গালাগালির পিছনেও উদ্দেশ্য আছে। ঐশানী ঠান্ডা মাথায় ভাবার চেষ্টা করে লিমার আসল প্ল্যান কী? ও কি ঐশানীকে রাগাতে চাইছে?

    ঐশানী মুচকি হেসে বলল, “টিভি সিরিয়ালের ভ্যাম্পের মতো জঘন্য ডায়লগ দিচ্ছিস কেন? মন দিয়ে নিজের কাজ কর। আমার মনটা আজকে খুব ভাল। তুই চেষ্টা করেও আমাকে রাগাতে পারবি না।”

    লিমা মন দিয়ে ঐশানীকে দেখল। গালে হাত দিয়ে বলল, “মাই গড! ইনার গ্লো এই কারণে? আর ইউ ইন লাভ?”

    লিমাকে উসকে দিয়ে ঐশানী আর তার দিকে তাকাচ্ছে না। নিজের মেশিনে ঝড়ের গতিতে টাইপ করছে। কিন্তু লিমার কৌতূহল শেষ হয়নি। “ইউ হ্যাড সেক্স টুডে?”

    দু’জনের কেউ খেয়াল করেনি যে, তাদের কথার মধ্যে পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে তরুণ। কড়া কফির গন্ধ পেয়ে লিমা তাড়াতাড়ি কানে ইয়ারফোন লাগাল। ঐশানী মনিটরের দিকে তাকাল।

    তরুণ বলল, “লিসন এভরিবডি! মোহনপুরের বাই ইলেকশন নিয়ে নতুন ক্রাইসিস দেখা দিয়েছে। জনাদেশ পার্টির প্রার্থী উৎপল বসুমল্লিক নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন, এটা আজ লোকে জেনেছে। নতুন দলের স্বাগত সরকার তারপরে প্রেস মিট করে বলেছেন যে, প্রার্থীর স্বাস্থ্যের অবস্থা গোপন করে জনাদেশ পার্টি ভোটদাতাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। স্বাগত হুমকি দিয়েছেন, এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে ভোটদাতারা মৃতপ্রায় উৎপলের জামানত জব্দ করুক।”

    মহাকরণ বিটের অতনু বলল, “উৎপল বেঁচে থাকলে ভোট হবে, সেটা না হয় বোঝা গেল। কিন্তু বাই ইলেকশনের আগে উৎপল যদি মারা যান, তা হলে কী হবে?”

    “গুড কোশ্চেন।” অতনুর পিঠ চাপড়ে দিল তরুণ, “তা হলে বাই ইলেকশন ক্যানসেল হয়ে যাবে। নতুন করে ভোট হবে। জনাদেশ পার্টি কোনও ইয়ং ক্যান্ডিডেট দাঁড় করাবে। উৎপলের জন্যে সিমপ্যাথি ওয়েভ থাকবে। মোস্ট প্রোব্যাবলি জনাদেশ পার্টি জিতে যাবে।”

    “অর্থাৎ স্বাগত সরকারের প্রেস মিট আসলে আকুতি। যেন ইলেকশন ক্যানসেল না হয়,” বলে অতনু, “উৎপল যদি বেঁচে থাকেন তা হলে অ্যাডভান্টেজ নতুন দলের। উৎপল যদি মারা যান, তা হলে অ্যাডভান্টেজ জনাদেশ পার্টির। মোহনপুরের বাই ইলেকশন জমে গেল।”

    “একদম!” টেবিলে ঘুসি মারে তরুণ, “একদল চাইছে, উৎপল মরুক। আর একদল চাইছে, উৎপল বাঁচুক। আর যাকে নিয়ে এত কথা, সে লোকটা বাঁচা আর মরার মাঝখানে ঝুলে রয়েছে।”

    লিমা বলল, “আমার কপির ভ্যালু কমে গেল। আমি স্বাগতর ইন্টারভিউ করেছিলাম।”

    তরুণ বলল, “লিমা, আই নিড দ্যাট কপি অ্যাজ় রেগুলার নিউজ আইটেম। ওটা কমপ্লিট কর। বাকিদের জন্যে বলছি, কনটেক্সট বদলে গিয়েছে। ফ্রন্ট পেজও বদলাবে। সবাই আমার ঘরে চলে আয়। মিটিং করব। আর ঐশানী…

    ফ্রি ক্যাম্পে বন্ধ্যাকরণ আর ছানি অপারেশনের জটিলতা নিয়ে কপি লিখতে-লিখতে ঐশানী তরুণের দিকে তাকায়। বস এখন কী বলবে?

    তরুণ বলল, “তুই সেন্টিনেলে বেরিয়ে যা। ফারদার ডেভেলপমেন্ট মেল করবি। আজ রাতে বাড়ি ফেরা হবে না।

    যা শোনার, ঐশানী শুনে নিয়েছে। মনের মধ্যে অঙ্ক মেলাচ্ছে। জনাদেশ পার্টির চাহিদা পূরণ করতে হলে উৎপলকে মরতে হবে। সেক্ষেত্রে ডক্টর ডেথের ভূমিকা ভাইটাল। এত দিনে ঐশানী কৃতান্তকে বাগে পাবে।

    ঐশানীর মাথায় রক্ত চলাচল বেড়ে গিয়েছে। সারাদিন ধরে ‘ভাল লাগা’ আর ‘মন্দ লাগা’-র ঢেঁ-কুচকুচ খেলায় ‘ভাল লাগা’ আবার উপর দিকে। ক্যালকাটা সিটিজেনের এই ক্রাইসিসে ঐশানী বস আর কোলিগের কাঁধে কাঁধ দিয়ে লড়বে। চাকরি থাকবে কি থাকবে না, সেটা এখন সেকেন্ডারি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }