Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প199 Mins Read0
    ⤶

    আছে দুঃখ আছে মৃত্যু

    ঐশানী জলের তলায় হাবুডুবু খাচ্ছে। কোনদিকে সাঁতরালে জলতল পাওয়া যাবে আর কোনদিকে সাঁতরালে আরও গভীরে তলিয়ে যাবে, এই বোধটাই নেই। আঁকুপাঁকু করে জল সরায় সে… শ্যাওলা, ঝাঁঝি আর আদিম লতাগুল্ম পা জড়িয়ে ধরে… চিৎকার করতে যায় ঐশানী। নাকে মুখে জল ঢুকে দম আরও আটকে আসে!

    ঐশানীকে ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে সিস্টার নমিতা বলল, “ দুঃস্বপ্ন দেখছ?”

    ঘুম ভেঙে কিছুই চিনতে পারছে না ঐশানী। সে কোথায়, কার বিছানায়? এখন দিন না রাত? হাজার প্রশ্ন মাথায় ধাক্কা মারছে। অকস্মাৎ সব মনে পড়ে যায়। সিস্টার নমিতা তাকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়েছিল। সে এখন সেন্টিনেলের আইসিইউ-এর রিকভারি রুমে শুয়ে রয়েছে। তার পাশের খাটে শুয়ে ঝিমলি। তার মোবাইলে তরুণের ফোন ঢুকছে।

    ফোন কেটে দিয়ে মোবাইলে সময় দেখল ঐশানী। রাত তিনটে বাজে। সে প্রায় ঘণ্টাচারেক ঘুমিয়েছে। খাট থেকে নেমে সে জানালার পাশে দাঁড়াল। বাইরে গাঢ় অন্ধকার। তার মনে পড়ে গেল জ্ঞান ফিরে আসা আর সিস্টার নমিতার ইনজেকশন দেওয়ার মাঝখানের আধঘণ্টার কথা।

    ঐশানীকে মেঝেতে পড়ে যেতে দেখে প্রতাপ আর অদ্রীশ জাপটে ধরেছিল। আইসিইউ-এর বাইরে যে বেঞ্চ পাতা আছে, সেখানে মিনিটদশেক শুয়ে থাকার পরে ঐশানীর জ্ঞান ফেরে। পাগলের মতো কাঁদতে-কাঁদতে, হেঁচকি তুলতে তুলতে, হাত পা ছুড়ে চিৎকার করে সে অদ্রীশকে বলেছিল, “কাকু, এ আমার কী হল? ও কাকু… বলো না!”

    অদ্রীশ শূন্য চোখে ঐশানীর দিকে তাকিয়েছিল। বলেছিল, “সুধা অনেক আগে মারা গিয়েছে। বেগমও মারা গেল। একমাত্র ছেলেটাও ফিরবে কিনা ঠিক নেই! আমার কী হল তুই বলতে পারিস? আমি কেন বেঁচে থাকব?”

    বাজ পড়ে ঝলসে যাওয়া বটগাছের মতো দেখাচ্ছিল অদ্রীশকে। পারুল তার হাত ধরে বলল, “দাদা, নীচে চলুন। গাড়িতে গিয়ে বসুন। এখানে দাঁড়িয়ে থেকে কোনও লাভ নেই।”

    লম্বা করিডর ধরে পা ঘষে ঘষে হেঁটে যাচ্ছিল মোহনপুরের দুদে উকিল অদ্রীশ ঘোষ। কোথায় যাচ্ছিল, কেন যাচ্ছিল, কেউ জানে না!

    ঐশানী দৃশ্যটা জাস্ট নিতে পারেনি। প্রতাপের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলেছিল, “বাবা, সীমান্ত ভাল হবে না? ও বাবা, সীমান্ত ভাল হবে না?”

    মালিনী পাশ থেকে ঐশানীকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল, “তুই একটু শান্ত হ। একটু বিশ্রাম নে। সীমান্তর ভালমন্দ আর আমাদের হাতে নেই। ডক্টর চট্টোপাধ্যায়ের হাতে।”

    ঐশানী বলেছিল, “শয়তানটা কোথায়? এখান থেকে পালায়নি তো?”

    “শয়তান কেন বলছিস?” ঐশানীর মাথায় হাত বুলোচ্ছে মালিনী, “উনি আর সার্জন মঞ্জুলা মিলে সীমান্তর সিটি স্ক্যান করাতে চারতলায় গেলেন। এক্ষুনি আসবেন।” ঐশানী কিছু বলার আগে পুলিশ অফিসার বললেন, “ডক্টর চ্যাটার্জি কোথাও যাবেন না। আপনি চিন্তা করবেন না ম্যাডাম। আমরা ওঁকে নিয়েই এখান থেকে বেরব।”

    “আপনি তো সীমান্তর সঙ্গে এসেছেন!” অবাক হয়ে বলেছিল ঐশানী। অফিসার বলেন, “আপনার বস ক্যালকাটা সিটিজেনের তরুণবাবু আমাকে যা বলার বলে গিয়েছেন। ওঁর ল্যাপটপে স্পাইক্যামে আপনার তোলা কিছু ক্লিপিংসও দেখেছি। উৎপল বসুমল্লিকের আনন্যাচারাল ডেথ নিয়ে আমিই থানায় এফআইআর করব। বড়ির পোস্টমর্টেম হবে।”

    “তরুণদা কি চলে গিয়েছে?”

    “হ্যাঁ,” লিফটের দিকে এগিয়ে যান পুলিশ অফিসার। ট্রলিবয় সীমান্তর ট্রলি ঠেলে আনছে। সঙ্গে আসছেন কৃতান্ত। প্রতাপ ব্যাকুল হয়ে জিজ্ঞাসা করল, “স্ক্যানে কী আছে ডাক্তারবাবু?”

    “কিছু নেই,” গম্ভীর মুখে বলেছিলেন কৃতান্ত।

    “সেটা ভাল খবর না খারাপ?”

    “মাথায় হেমারেজ থাকলে আনকনশাসনেসের ডেফিনিট কারণ পাওয়া যেত। ইমার্জেন্সি সার্জারি করে ব্লাড ক্লট বার করা যেত। কীভাবে আপনাদের বোঝাই!” আঙুল দিয়ে চুলে ব্যাকব্রাশ করেন কৃতান্ত, “মানে… মাথায় চোটের ফলে সার্কিট ঘেঁটে গেছে। কোথায় ঘেঁটেছে, কতটা ঘেঁটেছে, বোঝা যাচ্ছে না। আমাদের ওয়েট করতে হবে।”

    “মিথ্যে কথা! ইউ আর আ লায়ার!” মালিনীর কোলে মাথা রেখে হাউহাউ করে কাঁদছে ঐশানী, “আপনি আমার উপরে প্রতিশোধ নিচ্ছেন।”

    কৃতান্ত ঐশানীকে বলেছিলেন, “তুমি আমার লেডি লাক। তোমার জন্য আমি ঝিমলিকে ফিরে পেয়েছি। আমি তোমার উপরে প্রতিশোধ নিতে পারি? সিস্টার ঐশানীকে একটা ঘুমের ইনজেকশন দিন। শি নিড্স রেস্ট।”

    সিস্টার নমিতা ঐশানীকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়েছিল। সিস্টারের কাঁধে মাথা রেখে রিকভারি রুমের দিকে যেতে যেতে ঐশানী দেখেছিল প্রতাপ আর মালিনী করিডরের বেঞ্চিতে একে অপরকে আঁকড়ে ধরে বসে রয়েছে। মালিনী নীরবে অশ্রুপাত করছে। প্রতাপ চোখের জল মুছিয়ে দিচ্ছে।

    *

    আবার তরুণ ফোন করছে। সবুজ বোতাম টিপে ঐশানী বলল, “বলো।”

    “শোন, তোকে খুব গুরুত্বপূর্ণ তিনটে কথা বলার আছে। তোর পার্সোনাল ক্রাইসিস কত বড়, আই কেয়ার টু হুট্স। দিস ইজ ইমার্জেন্সি।”

    ইনজেকশনের প্রভাবে স্নায়ু শিথিল। শোক বা দুঃখ, আনন্দ বা উত্তেজনা, কিছুই হচ্ছে না। হাই তুলে ঐশানী বলল, “বলো।”

    “লিমা কপি লিখেছে। বাইলাইন যাচ্ছে তোর নামে। ঠিক আছে?”

    “ঠিক আছে।”

    “দু’ নম্বর ঘটনা। তোর চাকরিটা থাকছে।”

    “আচ্ছা,” ঐশানী প্রতিক্রিয়াশূন্য।

    “ডোন্ট রেসপন্ড লাইক আ জম্বি! তিন নম্বর ঘটনাটা মন দিয়ে শোন। তোর ভিডিয়ো ক্লিপিং কেনার জন্য নিউজ চ্যানেল থেকে অফার আছে। অ্যান্ড দে ওয়ান্ট টু পে হ্যান্ডসামলি। আমি বলেছি আমাদের লিগ্যাল সেলের সঙ্গে কথা বলতে। তবে তার আগে ওরা তোকে ফোন করবে।”

    “আমাকে ফোন করতে বারণ করো তরুণদা। তুমি ওদের সরাসরি লিগ্যাল সেলের সঙ্গে কথা বলতে বলো।”

    তরুণ নরম গলায় বলল, “সীমান্ত কেমন আছে?”

    উত্তর না দিয়ে ফোন কাটে ঐশানী। সীমান্ত কোথায়? কেমন আছে সীমান্ত? সে কথা কে বলতে পারবে? সিস্টার নমিতা? কৃতান্ত? ঈশ্বর?

    ঐশানী দেখল কৃতান্ত রিকভারি রুমে ঢুকছেন। ঝিমলির হাত নিজের হাতে নিয়ে ঐশানীকে বললেন, “যে-লোকটা পাঁঠাবলি দেয় অথবা বঁটিতে কুচ করে মুরগি কাটে, তার যেমন পাপবোধ থাকে না, আমারও তেমন পাপবোধ ছিল না। মেয়েটা হঠাৎ ‘বাবা’ বলে ডেকে সব গুলিয়ে দিল।”

    ঐশানী চুপ। সে তো এইটাই চেয়েছিল। তবে তার আনন্দ হচ্ছে না কেন? আর এক ধাপ এগিয়ে বলা যায়, এই খবর শুনে তার মন খারাপ হচ্ছে কেন? হত্যাকারী এই চিকিৎসকের হাতে এখন সীমান্তর বাঁচামরা নির্ভর করছে বলে? কে জানে!

    “আমি আত্মহত্যা করতে পারি, জানো ঐশানী,” ক্যাজুয়ালি বলছেন কৃতান্ত, “এই আইসিইউ-এর মধ্যে এমন অনেক ওষুধ, এমন অনেক সরঞ্জাম রয়েছে, যা দিয়ে নিজেকে কষ্টহীন মেরে ফেলা যায়। ইনফ্যাক্ট আমার এত আত্মগ্লানি হচ্ছে যে, মরে যেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু পারছি না।”

    “সায়ক কোথায়?” জানতে চাইছে ঝিমলি।

    কৃতান্ত বললেন, “তুই উঠে বসতে পারবি?”

    “উঠে? বসতে?” নতুন দুটো শব্দ যত্ন নিয়ে উচ্চারণ করে ঝিমলি।

    কৃতান্ত ধীরে-ধীরে লিভার ঘুরিয়ে খাটের উপরের দিক ৯০ ডিগ্রি কোণে অ্যাডজাস্ট করেন। অনেক বছর বাদে উঠে বসেছে ঝিমলি। খিলখিল করে হেসে হাততালি দিচ্ছে। মুখ দিয়ে বঁধু আওয়াজ করছে। ঝিমলির ঠোঁটের কোণ দিয়ে লালা গড়িয়ে পোশাক ভিজিয়ে দিচ্ছে।

    কৃতান্ত মেয়ের খাটের ধাতব রেলিংয়ে ঠনঠন করে মাথা ঠুকতে- ঠুকতে বললেন, “আমার এখন বেঁচে থেকেও শান্তি নেই। মরে গিয়েও শান্তি নেই। আমি না থাকলে ঝিমলিকে কে দেখবে?”

    কৃতান্তর কপাল ফেটে রক্ত বেরচ্ছে। কালো কোট ধূসর। টাই-এর রং ফ্যাকাশে লাল। আত্মবিশ্বাসী, উদ্ধত, অহঙ্কারী কৃতান্তকে পরাজিত সম্রাটের মতো লাগছে। কপালের রক্ত হাতের উলটো পিঠ দিয়ে মুছে বললেন, “মানুষ কখনও ঈশ্বর হতে পারে না। তার সেই অধিকার নেই।”

    ঐশানী হঠাৎ ঝিমলির জায়গায় সীমান্তকে দেখতে পেল। সীমান্ত আস্তে আস্তে রোগা হয়ে যাচ্ছে। সীমান্তর পেশি শুকিয়ে যাচ্ছে, চামড়া খসখসে হয়ে যাচ্ছে, হাড় দুর্বল হয়ে পড়ছে, চোখের কোণে নেত্ৰমল জমছে, ক্যাথিটারের জন্য ইনফেকশন হচ্ছে…

    কৃতান্তর দিকে তাকিয়ে ঐশানী বলে, “আপনার সঙ্গে একমত হতে পারলাম না ডক্টর চট্টোপাধ্যায়। মানুষকে কখনও-কখনও ঈশ্বরের জায়গা নিতে হয়। মৃতপ্রায় মানুষকে জোর করে বাঁচিয়ে রেখে কষ্ট বাড়ানোর কোনও মানে হয় না।”

    ঝিমলি কাঠিকাঠি হাত দিয়ে কৃতান্তর কপালের রক্ত মুছে বলল, “সায়ক কোথায়?”

    কৃতান্ত পকেট থেকে রুমাল বের করে কপালে চেপে ধরে বললেন, “তুমি কি আমায় কিছু বলতে চাইছ?”

    “হ্যাঁ,” সাফ উত্তর ঐশানীর। “আপনি প্যাসিভ ইউথ্যানেসিয়ার আইনি পদ্ধতি বলুন। আমাকে কি কোর্টে আবেদন করতে হবে?”

    “তুমি করলে হবে না। সীমান্তর বাবাকে আবেদন করতে হবে।”

    “আপনি সীমান্তর লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম খুলে দিন। অন্য কিছু করতে হবে না,” ঢোঁক গিলে বলে ঐশানী।

    ঝিমলিকে পা ঝুলিয়ে বসিয়েছেন কৃতান্ত। একমুখ হাসি নিয়ে ঝিমলি পা দোলাচ্ছে। বলছে, “সায়ক কোথায়?”

    “আমি পারব না ঐশানী। আমাকে মাফ করে দাও,” হাত জোড় করেন কৃতান্ত। “আর একটু পরেই পুলিশ আমাকে থানায় নিয়ে যাবে। শুনছি, মোহনপুরে অলরেডি জনাদেশ পার্টি আর নতুন দলের মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে গিয়েছে। এইসব অশান্তির মধ্যে আমাকে আর জড়িয়ো না। প্লিজ…”

    “শেষবার, ডক্টর চট্টোপাধ্যায়! এর জন্যে আপনার অতিরিক্ত কোনও শাস্তি হবে না। কিন্তু আপনার ছাত্রর যন্ত্রণা লাঘব হবে।”

    “আমি আর মানুষ মারব না ঐশানী!”

    “শেষবার, প্লিজ!”

    দু’জনের কথার মধ্যে সিস্টার নমিতা আইসিইউ-এর দরজা খুলে বলল, “স্যার, ডক্টর ঘোষের জ্ঞান ফিরেছে!”

    “কী?” চিৎকার করে ওঠে ঐশানী। রিকভারি রুমের দু’সারি খাটের মধ্যে দিয়ে হরিণীর দ্রুততায় ছুটে যায় আইসিইউর দরজার দিকে। সিস্টার নমিতাকে এক ধাক্কায় সরিয়ে দেওয়ার সময় তার শরীরে সিংহীর শক্তি। আইসিইউ-এর বেডের পাশে পৌঁছে, খাটের রেলিং ধরে সে বাজপাখির তীক্ষ্মতায় সীমান্তর দিকে তাকায়। মাথাময় ব্যান্ডেজ, সেলাইয়ের ক্ষত, চোখের নীচে জমে থাকা রক্ত, এইসবের মধ্য দিয়ে সীমান্ত স্থিরদৃষ্টিতে ঐশানীকে দেখছে। দৃষ্টিতে কোনও অনুভূতি নেই।

    “বলো পুচুসোনা, কিছু বলো,” সীমান্তর হাত ধরে ঐশানী।

    সীমান্ত কিছু বলতে গিয়ে চুপ করে যায়। অসহায়ভাবে ঘাড় নাড়ে। যেন, কথা কী ভাবে বলতে হয়, সে ভুলে গিয়েছে। তার দু’চোখের প্রান্তে দু’টি ফোঁটা তৈরি হচ্ছে। একটু বাদে ওরা অশ্রু হয়ে ঝরে পড়বে।

    “প্লিজ কিছু বলো পুচুসোনা,” সীমান্তর হাত ধরে ভিক্ষা চাইছে ঐশানী, “আমার নামটা অন্তত বলো।”

    “আমি। বেঁচে। আছি।” ধীরে-ধীরে তিনটে শব্দ উচ্চারণ করে সীমান্ত। পক্ষীমাতার মতো দু’ডানা বাড়িয়ে সীমান্তকে জড়িয়ে ধরে ঐশানী বলে, “হ্যাঁ পুচুসোনা। তুমি বেঁচে আছ। তোমার কিছু হয়নি।”

    ঐশানী চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিচ্ছে সীমান্তর বুক। ওরা দেখতেও পাচ্ছে না যে, আইসিইউ-এর দরজা খুলে যাচ্ছে। দু’জন ট্রলিবয় এসে উৎপল বসুমল্লিকের মৃতদেহ নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ অফিসার এসে কৃতান্তকে বলছেন, “আপনাকে একবার আমার সঙ্গে আসতে হবে।”

    ঝিমলিকে সিস্টার নমিতার হাতে সঁপে দিয়ে কৃতান্ত আইসিইউ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। সেন্টিনেলের সাততলায়, ক্যাফের বাইরে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা দল বেঁধে দাঁড়িয়ে। ফ্ল্যাশবাবের ঝলমলে আলোয় ভোরের আগের এই কয়েকটা মুহূর্তকে দিন বলে মনে হচ্ছে। অজস্র প্রশ্ন করছে সাংবাদিকরা। কৃতান্ত কোনও কথা বলছেন না। আইসিইউ-এর দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

    নিজের থেকেই উঠে বসল সীমান্ত। নিজেই নিজের বাঁ হাত থেকে আইভি লাইন খুলল। ঐশানীকে ধরে রিকভারি রুমের জানালার কাছে এল। এখান থেকে সেন্টিনেলের সামনেটা দেখতে পাওয়া যায়।

    ঝিমলির কট ঠেলে-ঠেলে সিস্টার নমিতাও তাদের পাশে। জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে পেয়ে ঝিমলি খুব খুশি। সিস্টার নমিতাকে বলল, “বাবা কোথায়?”

    সিস্টার নমিতা কাঁদছে। ঝিমলি আর সীমান্তকে ঐশানীর জিম্মায় রেখে সে আইসিইউতে ঢুকে গেল। অন্য পেশেন্টদের দেখাশোনা করতে হবে।

    জানালা দিয়ে নীচে তাকিয়ে ঝিমলি বলল, “ওরা বাবাকে নিয়ে যাচ্ছে।”

    ঐশানী বলল, “নীচের দিকে দেখো না। উপর দিকে দেখো।”

    ঝিমলি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, “ওখানে অন্ধকার।”

    সীমান্তর কাঁধে মাথা রেখে ম্লান হাসে ঐশানী। প্রাক-ঊষা হোক বা গোধূলি, এই সময়টা সবার গুলিয়ে যায়। অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে বোঝা যায় না, এরপর ভোর আসবে, না রাত নামবে। অপেক্ষা করা ছাড়া কোনও উপায় নেই। আলো আর কালো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে লড়াই করবে।

    সীমান্ত বলল, “সন্ধে নামছে।”

    ঐশানী সীমান্তর দিকে তাকিয়ে বলল, “ভ্যাট! সকাল হচ্ছে।”

    সীমান্ত বলল, “যা হোক পুঁটুরানি, বিয়েটা চটপট সেরে ফেলতে হবে।”

    সীমান্তর কথা শুনে ঝিমলি দুলে-দুলে হাসছে।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }