Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প199 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আছে তো হাতখানি

    ঐশানী চেয়েছিল চুপচাপ কাজ সেরে আইসিইউ থেকে বেরিয়ে যেতে। স্পাইক্যামে নিখুঁত ফুটেজ আছে। কৃতান্ত আইসিইউতে ঢুকলেন, এদিক ওদিক তাকালেন, আট নম্বর বেডের পাশে দাঁড়িয়ে কোটের পকেট থেকে সিরিঞ্জ বের করলেন, সিরিঞ্জে হাওয়া ভরে উৎপলের আইভি চ্যানেলে পুশ করলেন। ভেন্টিলেটরের টাচ স্ক্রিনে আঙুল ছুঁইয়ে কী সব করলেন। তার অল্পক্ষণের মধ্যে উৎপলের মৃত্যু হল।

    উৎপল মারা যাবার পরে কৃতান্ত ন’নম্বর বেডের দিকে ঘুরতেই ঐশানী বুঝে গিয়েছিল, তাকে এবার কৃতান্তর মুখোমুখি হতে হবে। ‘অফেন্স ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স’, এই তত্ত্ব মেনে সে কৃতান্তকে যা বলার বলেছিল। . দশ নম্বর বিছানা থেকে খসখসে গলায় ‘গাঁ-গাঁ’ সম্বোধন শোনামাত্র আইসিইউ-এর পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে গেল।

    ঐশানীকে সম্পূর্ণ ইগনোর করে কৃতান্ত ছুটে গেলেন দশ নম্বর বেডের পাশে। তাঁর চিৎকার শুনে সিস্টার নমিতা কাল্পনিক মাথাব্যথা ভুলে স্কেল হাতে সিস্টারদের রেস্টরুম থেকে দৌড়ে এল। ঐশানী ওভারঅল পরে ন’নম্বর বেড থেকে নামল। ওভারঅলের গলায় ঝোলানো স্পাইক্যাম রেকর্ড করছে প্রতিটি মুহূর্ত।

    সিস্টার নমিতার হাত ধরে তাঁকে দশ নম্বর বেডের পাশে টেনে এনেছেন কৃতান্ত। বলছেন, “সিস্টার, দেখুন ঝিমলি কথা বলছে। ঝিমলি মোস্ট প্রোব্যাবলি ‘বাবা’ বলছে! টিউবের জন্য বোঝা যাচ্ছে না,” সিস্টার নমিতা অবাক হয়ে ঝিমলির দিকে তাকিয়ে রয়েছে।

    ঐশানী মনস্থির করতে পারছে না কী করবে! দশটা দশ বাজে। অফিস পৌঁছতে এগারোটা। এত বড় স্কুপের কপি লেখা, লিগ্যাল সেলকে দেখিয়ে নেওয়া, রেকর্ড ক্রস চেক করা, আরও ঘণ্টাতিনেক। উত্তর বা দক্ষিণবঙ্গ সংস্করণ, জেলা এডিশনে না গেলেও লেট সিটি এডিশনে খবরটা ধরানো যাবে। আর, কাল না গেলেও পরশু যাবে। এই স্কুপের মার নেই! এ হল ‘মাদার অফ অল নিউজ়’! এখনই এখান থেকে বেরিয়ে অফিস চলে গেলে আগামিকালের বাইলাইনে জ্বলজ্বল করবে তার নাম।

    কিন্তু ঐশানীর সাংবাদিক নাক বলছে, আর একটা খবরের জন্ম হচ্ছে। অথবা আগের খবরটিই আড়ে বহরে বাড়ছে। কুড়ি বছর বাদে কোমা থেকে ফিরে আসা, এই খবর শুধু কলকাতা বা বাংলা বা ভারতে নয়, সারা বিশ্বের মেডিক্যাল মিরাকেলের মধ্যে পড়ে। এই খবরও এক্সক্লুসিভ। একে ছেড়ে ঐশানী যায় কী করে?

    যন্ত্রমানবীর মতো, অনুভূতিহীন কণ্ঠে ঐশানী বলে, “নমস্কার। আমি ক্যালকাটা সিটিজেনের স্পেশ্যাল করেসপনডেন্ট ঐশানী। উৎপল বসুমল্লিক কীভাবে মারা গেলেন, আপনি আমাদের জানাবেন, ডক্টর চট্টোপাধ্যায়?”

    ঠোঁটের উপরে তর্জনী রেখে, ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে কৃতান্ত বললেন, “শশশ!” তারপর ঝিমলির দিকে তাকিয়ে বললেন, “ঝিমলি, আমায় চিনতে পারছিস?”

    “গাঁ… গাঁ!” টিকটিকির মতো সরু আর রোগা প্রাণীটি বলে ওঠে।

    ভেন্টিলেটরের প্যানেলের টাচ স্ক্রিনে কৃতান্তর অভ্যস্ত আঙুল চলছে। অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমাচ্ছেন, আর্টারিয়াল লাইন থেকে ব্লাড টেনে ব্লাড গ্যাস অ্যানালিসিস করছেন। মনিটরে প্রেশার এবং পাল্স রেট দেখছেন। বলছেন, “স্ট্রেঞ্জ! সব প্যারামিটার মিরাকুলাসলি নর্মাল!”

    সিস্টার নমিতা বললেন, “উইন অফ করবেন?”

    “অ্যাবসলিউটলি! তবে তার আগে দেখে নেব, নিজে থেকে শ্বাস নিতে পারছে কিনা!”

    ঐশানী বোকার মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে দেখল, ঝিমলির শ্বাসনালি থেকে কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্রে টি-র মতো দেখতে পাইপ পরানো হল। ঝিমলি কিছু বলার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। কৃতান্ত পাইপ খুলে নিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তোতাপাখির মতো ঝিমলি বলে উঠল, “বা… বা!”

    “শ্বাস নিতে অসুবিধে হচ্ছে?” জানতে চায় সিস্টার নমিতা। উত্তর না দিয়ে ঝিমলি বলল, “বাবা। কোথায়?”

    সিস্টার নমিতা বলল, “নিজে থেকে রেসপিরেশন নিচ্ছে। আইভি চ্যানেল কি খুলে দেব?”

    “একদম নয়। ওটা থাকবে,” কৃতান্ত এখন আদ্যন্ত পেশাদার, “তবে মুখে সামান্য জল দেওয়া যেতে পারে।”

    সিস্টার নমিতা মিনারেল ওয়াটারের বোতল নিয়ে এসেছে। এক চামচ জল ঝিমলির মুখে দিলেন কৃতান্ত। ঝিমলি জলের বিন্দু শুষে নিল।

    ঐশানীর স্পাইক্যামে অবিশ্বাস্য এক দৃশ্যের রেকর্ডিং হচ্ছে। ঝিমলিকে আর এক চামচ জল খাইয়ে কৃতান্ত বললেন, “আর নয়।”

    সিস্টার নমিতা আর কৃতান্তর টিম যন্ত্রের মতো কাজ করছে। তার শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি একে একে খোলা হচ্ছে। প্রতি ধাপের শেষে একরাশ টেনশন। কিন্তু ঝিমলির কোনও শারীরিক সমস্যা নেই। কুড়ি বছরের শীতঘুম থেকে উঠেছে চঞ্চল এক শালিক ছানা। রোগা-রোগা, কাঠি-কাঠি হাতে কৃতান্তর কোটের হাতা খিমচে ধরে সে শুধু বলছে, “বাবা কোথায়? বাবা কোথায়?”

    ঐশানীর সাংবাদিক সত্তা বলছে, নার্ভ শক্ত রাখো। ইমোশনাল হওয়ার কোনও কারণ নেই। সংবাদ সংগ্রহ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া তোমার কাজ। ঐশানীর ব্যক্তিসত্তা বলছে, তা কী করে হয়? কুড়ি বছর বাদে জ্ঞানে ফিরে আসার পরে ঝিমলি তার বাবার জন্য যে-আকুতি প্রকাশ করছে, তাতে আমি আকুল হব না?

    সিস্টার নমিতা এবং কৃতান্ত মিলে চাকা লাগানো রেল্ড কট ঠেলতে ঠেলতে রিকভারি রুমে নিয়ে গেলেন। পাশাপাশি হাঁটছে ঐশানী। আইসিইউতে ভর্তি থাকার পরে যেসব রোগী বিপন্মুক্ত হয়, তাদের রিকভারি রুমে রাখা হয়। এখন এই রুমে ঝিমলি ছাড়া আর কোনও পেশেন্ট নেই।

    এই ঘরেও নীলচে আলো জ্বলছে। দু’দিকের খালি বিছানার সারির মাঝখানে ঝিমলির কট ঢোকানো হল। সিস্টার নমিতা ঈষদুষ্ণ গরম জলে ঝিমলির শরীর স্পাঞ্জ করে দিল। গায়ে ছড়িয়ে দিল সুগন্ধী। কৃতান্তকে জিজ্ঞাসা করল, “ফিজিওথেরাপিস্টকে এখন ডাকব?”

    “না!” উত্তেজিত হয়ে হাত নাড়েন কৃতান্ত। ঝিমলিকে বলেন, “ডান হাত মাথার উপরে তোল। দেখি পারিস কিনা!”

    ‘ডান’ শব্দটা শুনে ঝিমলি কনফিউজড! পায়রার মতো ঘাড় ঘুরিয়ে নিজের দু’দিক দেখছে। বলছে, “ডান… ডান… ডান…”

    “অন্য দিকটাকে বলে বাঁ দিক। ডান দিক আর বাঁ দিক। রাইট অ্যান্ড লেফ্‌ট!” কৃতান্ত এখন ধৈর্যশীল শিক্ষক।

    “রাইট অর রং!” মুচকি হাসে ঝিমলি। ডান হাত তোলার ব্যর্থ চেষ্টা করে বলে, “নাথিং ইজ লেফ্‌ট।”

    “দ্যাট্স নট রাইট,” শিশুর মতো হাসছেন কৃতান্ত। ঝিমলির ডান হাত নিজের হাতে নিয়েছেন। ঝিমলির চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়ছে। সে ফিসফিস করে বলছে, “সায়ক কোথায়?”

    কৃতান্ত নিরুত্তর। ঝিমলি আবার বলল, “সায়ক কোথায়?”

    আত্মবিশ্বাসী, দাম্ভিক, অহঙ্কারী কৃতান্ত এখন শিশুর মতো হয়ে গিয়েছেন। দু’ চোখে জল, ঠোঁটের কোণে অনাবিল হাসি। ঝিমলির আঙুল নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে খেলা করছেন। সদ্যোজাত সন্তানকে প্রথমবার স্পর্শ করার সময় নতুন পিতার চোখেমুখে যে-বিস্ময়, যে-নির্মল আমোদ খেলা করে, সেইসব অনুভূতিমালা আঁকা রয়েছে কৃতান্তর মুখে।

    ঐশানী বলল, “ডক্টর চ্যাটার্জি, আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই। আপনি রেস্টরুমে আসবেন?”

    “কল মি ডক্টর চট্টোপাধ্যায়!” ঐশানীর স্পাইক্যামের দিকে তাকিয়ে বললেন কৃতান্ত, “ঝিমলি যদি ফিরে না আসত, তাহলে আমি তোমার সঙ্গে অন্যরকম ব্যবহার করতাম। কিন্তু পাশার দান পালটে গিয়েছে। আই নাও কনসিডার ইউ অ্যাজ লেডি লাক, যার জন্য এই অসম্ভব সম্ভব হল। তুমি কী বলবে বলো। আমি শুনব।”

    “আমার পরিচয় আগেই দিয়েছি। আপনি উৎপল বসুমল্লিকের ভেন-এ এয়ার ইনজেক্ট করলেন। দ্যাট মেক্স ইউ আ কিলার। এই নিয়ে আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই।”

    কৃতান্ত সিস্টার নমিতাকে বললেন, “আমি আর ঐশানী রেস্টরুমে আছি। এখন আমাদের বিরক্ত করবেন না।”

    সিস্টার নমিতা বললেন, “আট নম্বর বেডের ডেথের খবর কি পেশেন্ট পার্টিকে জানিয়ে দেব? বডি হ্যান্ডওভার করতে হবে।”

    কৃতান্ত টাই ঠিক করে বললেন, “বডি হ্যান্ডওভার করা যাবে না। আনন্যাচারাল ডেথ যখন, পোস্টমর্টেম হবে। পুলিশকেও ইনফর্ম করতে হবে। কী ঐশানী, তাই তো?”

    কৃতান্তর হাবভাব দেখে অবাক লাগছে ঐশানীর। সদ্য মার্ডার করার পরে একটা লোক এত শান্ত, এত ধীরস্থির থাকে কী করে? নিজেই পুলিশ ডাকতে বলছে! এর কি অন্য কোনও প্ল্যান আছে? সুইসাইড করে বসবে না তো? ভিতরে-ভিতরে ঘাবড়ে গেলেও কোনও বহিঃপ্রকাশ নেই ঐশানীর। রেস্টরুমের চেয়ারে বসে বলে, “উৎপল বসুমল্লিক, অশোক লুনিয়া বা নন্দিনী সরকারের মার্ডারগুলো আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?”

    “ব্যাখ্যা করব না। জাস্টিফাই করব। এগুলো মার্ডার নয়। আমার আপত্তি আছে। আমি মানুষকে তার কষ্ট থেকে মুক্তি দিই। প্ৰাণ থাকলেই সে মানুষ হয়ে যায় না। তাহলে তো অ্যাবরশনও অপরাধ। কিন্তু ১৮ সপ্তাহ বয়স হওয়ার আগে অ্যাবরশন আইনসম্মত। সেটাও তো প্রাণ নেওয়া। তাই না?”

    “সেটা ঠিক করার অধিকার আপনার বা আমার নেই। ভারতীয় সংবিধান, ইন্ডিয়ান পেনাল কোড, সুপ্রিম কোর্ট সেসব ঠিক করে রেখেছে।”

    “আইনও সংশোধন হয়। কিছুদিন আগে পর্যন্ত আত্মহত্যা করতে গিয়ে কেউ ব্যর্থ হলে তার সাজা হত এক বছরের জেল। কেন্দ্রীয় সরকার বিল পাশ করে সে আইন তুলে দিল।”

    “আপনি কু-যুক্তি সাজাচ্ছেন। ভারতবর্ষে প্যাসিভ ইউথ্যানেসিয়া আইনি স্বীকৃতি আছে। আপনি যা করছেন, তা কোল্ড ব্লাডেড মার্ডার।”

    “তোমার কথামতো নিষ্কৃতি-মৃত্যুকে আমি হত্যা বলেই সম্বোধন করছি। ঐশানী, তুমি কি জানো, কখনও-কখনও, ফর গ্রেটার গুড়, এই রকমের হত্যার প্রয়োজন আছে? এই হত্যা না হলে, রোগীর বাড়ির লোক পথের ভিখিরি হয়ে যায়। অবসাদ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে। সেইসব মৃত্যু হত্যা নয়? তার দায় কে নেবে? আমাদের সোসাইটি? আমাদের সরকার? আমাদের এক্সপেনসিভ হেল্থ সিস্টেম? তুমি?”

    “এতই যদি পরোপকারের ইচ্ছা, তা হলে নিজের মেয়ের ইউথ্যানেসিয়া করেননি কেন?”

    এই প্রশ্নে কৃতান্ত দমলেন। গভীর শ্বাস নিলেন। হাতের আঙুল চুলের মধ্যে চালিয়ে ব্যাকব্রাশ করলেন, রুমাল দিয়ে মুখ মুছলেন। আত্মদর্পী মুখে সূক্ষ্ম ভাঙাচোরার খেলা শুরু হয়েছে। চোখ সজল হয়ে আসছে। ভিজে গলায় বললেন, “তোমার বাবা তোমাকে ভালবাসেন?”

    ঐশানী কৃতান্তর গেমপ্ল্যান বুঝতে পারছে না। ধরা পড়ার পরেও এত কনফিডেন্স কোথা থেকে আসছে। লোকটা তাকে মেরে ফেলার ছক কষছে না তো? ঐশানী কি এখান থেকে পালিয়ে যাবে? না কি, অবিশ্বাস্য এই নিউজ়ের শেষ জানা অবধি দাঁতে দাঁত দিয়ে লড়ে যাবে? লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেয় ঐশানী। বলে, “সব বাবাই তাঁর মেয়েকে ভালবাসেন।”

    “কলেজে পড়া মেয়ে রেপড হয়ে কোমায় চলে গেছে। মেয়েটার বাবা ডাক্তার। সে তখন কী করবে? নিজে যে আইসিইউতে কাজ করে, সেখানেই ভর্তি করল। আকাশছোঁয়া খরচ সামলাতে গিয়ে পাগলের মতো অবস্থা। আইসিইউ এবং অন্যান্য প্র্যাকটিস থেকে যা রোজগার হয়, তার পুরোটাই বেরিয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা বাবদ। এই সময় তার কাছে একটা অফার আসে। অচেতন এক বৃদ্ধের পুত্র বাবার নিষ্কৃতি-মৃত্যুর জন্য আবেদন করে। মনে রেখো ঐশানী, সেটা ১৯৯৬ সাল। প্যাসিভ ইউথ্যানেসিয়া তখনও এ দেশে লিগ্যাল নয়। আমি সেই রোগী এবং তার পুত্রের যন্ত্রণা লাঘব করলাম। সেই বাবদ সম্মানদক্ষিণা নিলাম। যা পেলাম, তাতে ঝিমলিকে আরও তিন মাস বাঁচিয়ে রাখা গেল। এর মধ্যে আবারও প্রস্তাব এল। এবার সাহস করে আমি ডেথ ফি বাড়ালাম। অবাক কাণ্ড! রোগীর বাড়ির লোক রাজি হয়ে গেল….”

    ঐশানীর মোবাইল বাজছে। স্ক্রিনে দেখাচ্ছে, “সীমান্ত কলিং”। কি প্যাডের লাল বোতাম টেপে ঐশানী। সীমান্তর সঙ্গে পরে কথা বলা যাবে। এখন কৃতান্তর কথা শোনা জরুরি।

    “অনেক করেছি। আর নয়। উৎপল বসুমল্লিক আমার শেষ ক্লায়েন্ট। আমি আর নিষ্কৃতি-মৃত্যু ঘটাব না। আজ থেকে আমি কনভার্ট। আজ থেকে আমি ইউথ্যানেসিয়া বিরোধী।”

    “টাকার প্রয়োজন ফুরল বলে দল বদলালেন?” শ্লেষের সঙ্গে বলে ঐশানী। আবার সীমান্ত ফোন করছে। আবার মোবাইলের লাল বোতাম টিপে ফোন কাটে ঐশানী। বলে, “সারা প্রফেশনাল লাইফ ইউথ্যানেসিয়ার জন্য ওকালতি করে, ইললিগাল অ্যাকটিভ ইউথ্যানেসিয়ার চর্চা করে, ধরা পড়ে যাওয়ামাত্র পালটি খাচ্ছেন? চমৎকার!”

    “ওভাবে বোলো না!” কপালে ঘুসি মেরে বললেন কৃতান্ত।

    “তাহলে কীভাবে বলব? আপনি এতদিন নিজেকে ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতেন। ঈশ্বর বা মাদার নেচারের উপহার আমাদের এই প্ৰাণ। এই প্রাণ যিনি দিয়েছেন, তিনিই আবার ফেরত নেবেন। আপনাকে সেই অধিকার কেউ দেয়নি ডক্টর চট্টোপাধ্যায়। অর্থের বিনিময়ে প্রাণ যে নেয়, সে একজন পেশাদার খুনে। সে সাইকোপ্যাথ। সে এই দুনিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক সিরিয়াল কিলার। ধরা পড়ে গিয়ে আজ যদি সে বলে, আমি আর খুন করব না, তাহলে তার অপরাধ এক সুতোও কমে না।”

    “ওহ! মা গো!” আবার কপালে করাঘাত করেন কৃতান্ত, “তোমার পয়েন্ট অব ভিউতে গন্ডগোল আছে ঐশানী। আমি নিজেকে অপরাধী বলে মনে করি না। আমি কোনও পেশাদার খুনে বা সিরিয়াল কিলার নই। আমি শুধুমাত্র কিছু মানুষকে কষ্ট থেকে মুক্তি দিয়েছি। হতে পারে তা আমি করেছি অর্থের বিনিময়ে, কিন্তু তার পিছনে একটা দর্শন ছিল। যে-মানুষ কখনও ফিরে আসবে না, তার জন্য অর্থব্যয় করা অর্থহীন। আমার মেয়ে ঝিমলি ২০ বছর বাদে ফিরে এসে দেখাল, আমার দর্শন ভুল। কোটিতে একটা হলেও মানুষ অচেতন অবস্থা থেকে চেতনায় আসে। আবার তার কাছের লোককে চিনতে পারে। আবার ‘বাবা’ বলে ডাকে…” হাউহাউ করে কাঁদছেন কৃতান্ত, “সমস্ত কালোর শেষে আলো থাকে, এই কথা যারা বলত, তাদের আমি হেসে উড়িয়ে দিতাম। বলতাম, ‘এসকেপিস্ট মুভি আর লিটারেচারে ওইসব রাবিশ থাকে। আসলে আমরা সবাই নর্দমার পাঁকে ডুবে আছি। কেউ আগে মরব, আর কেউ পরে,’ কিন্তু আজ আমার ভুল ভাঙল। তুমি আমাকে শাস্তি দাও, ঐশানী। তুমি যা শাস্তি দেবে, আমি মাথা পেতে নেব।”

    “আমি আপনাকে শাস্তি দেওয়ার কে? আমি একজন সাংবাদিক। আমার কাজ পাঠকের কাছে খবর পৌঁছে দেওয়া। সেই কাজ করতে গিয়ে আপনাকে যদি খুনের অপরাধে পুলিশ গ্রেফতার করে, তা হলে আমার কিছু করার নেই,” চেয়ার থেকে উঠে মেয়েদের রেস্টরুমে ঢোকে ঐশানী। ওভারঅল খুলে জিন্‌স, টিশার্ট, স্নিকার গলিয়ে টি-শার্টের গলায় স্পাই-ক্যাম ঝোলায়। এবার বসকে ফোন করা যাক।

    “কী ব্যাপার?” অসহিষ্ণু গলায় বলে তরুণ, “আই সিরিয়াসলি হোপ দ্যাট দিস ফোন কল ইজ় ইম্পর্ট্যান্ট, অ্যান্ড জাস্টিফাইজ ইয়োর রান ফ্রম দ্য অফিস।”

    “ডক্টর কৃতান্ত চট্টোপাধ্যায় সেন্টিনেলের আইসিইউতে উৎপল বসুমল্লিককে মার্ডার করেছেন। মোস্ট প্রোব্যাবলি জনাদেশ পার্টির থেকে টাকা নিয়ে। আমার কাছে ক্রাইম ভিডিয়ো আছে,” বলতে- বলতে ঐশানী খেয়াল করল, আবার সীমান্তর ফোন ঢুকছে। বেচারি অনেকবার ফোন করেছে। এই ফোনটা চুকিয়েই ঐশানী সীমান্তকে ফোন করবে। ও প্রান্তে তরুণ শব্দহীন।

    “চুপ কেন বস?” কেটে কেটে বলে ঐশানী, “ডু ইউ থিঙ্ক দিস জাস্টিফাইজ় মাই রান ফ্রম দ্য অফিস?”

    “তুই এখন কোথায়? আর ইউ সেফ?” ফিসফিস করে বলে তরুণ।

    “তোমার কিল লিস্টে যে-আটজনের নাম আছে, তার থেকে আমার নাম বাদ যাবে কি?”

    “তুই কি আমাকে ব্ল্যাকমেল করছিস?”

    “না বস। জাস্ট সিকিয়োরিং মাই জব। আমার কাছে এখনও দোদমা রয়েছে। এক নম্বর স্তুপ, ইউথ্যানেসিয়ার নাম করে অন্তত আড়াইশোজন অচেতন রোগীকে হত্যা করেছেন তাদের চিকিৎসক। দু’নম্বর স্কুপ, ২০ বছর পরে কোমা থেকে ফিরলেন এক নারী। যার পিতা ওই চিকিৎসক।”

    “তুই এখনও সেন্টিনেলে তো? আমি তোকে আনতে যাচ্ছি।”

    আবার একটা ফোন ঢুকছে। কী হল রে বাবা? এতবার কে ফোন করছে? কেন করছে? ঐশানী তরুণকে বলল, “তুমি এখানে আসতে পার।”

    “ওকে বাই,” ফোন কেটে দিয়েছে তরুণ। ফোন চোখের সামনে এনে ঐশানী দেখল, শুধু সীমান্তর ফোন থেকেই নয়, অদ্রীশ, প্রতাপ, মালিনী এবং শেলির মোবাইল থেকেও ফোন ঢুকেছে।

    ছেলেদের রেস্টরুমে ঢুকে ঐশানী থমকে দাঁড়াল। কৃতান্ত তার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। কানে মোবাইল। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে সিস্টার নমিতা। সেও অবাক হয়ে ঐশানীকে দেখছে।

    সীমান্তর নম্বর ডায়াল করে ঐশানী। এনগেজ্ড টোন আসছে। ফোন কেটে ঐশানী বলে, “সিস্টার, কী হল? কী দেখছেন?”

    সিস্টার নমিতা এখনও ঐশানীর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। এক পা এক পা করে সে ঐশানীর দিকে এগিয়ে এল। ঐশানী দেখল, সিস্টার নমিতা কাঁদছে।

    “কী হল সিস্টার?” নমিতার কাঁধ ধরে ঝাঁকাচ্ছে ঐশানী। সিস্টার কৃতান্তর দিকে তাকাল। কৃতান্তর চোখেও জল। তিনি বললেন, “হা ঈশ্বর!”

    কী ব্যাপার কে জানে! ঐশানীকে এখন কৃতান্তর সঙ্গে আইসিইউ- এর বাইরে যেতে হবে। কৃতান্ত যখন শুক্লাকে বলবেন যে, উৎপল মারা গিয়েছে, সেই মুহূর্তটার রেকর্ডিং চাই-ই চাই। এত বড় একটা সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ঐশানী নিজেও এই সংবাদের অংশ হয়ে গিয়েছে। এবার এর থেকে বেরতে হবে। ফিরতে হবে নিজস্ব রুটিনে।

    যেভাবে আলিবাবার গল্পে ‘খুল যা সিম সিম’ বললেই ডাকাত সর্দারের গুপ্তধনের গুহার দরজা দু’দিকে সরে যেত, সেইভাবে খুলে গেল আইসিইউ-এর দরজা। ঐশানী দেখল, দু’জন ট্রলিবয় এক রোগীকে নিয়ে ঢুকছে। পিছনে মঞ্জুলা, শেলি আর ইমার্জেন্সির সিস্টার। শুয়ে থাকা মানুষটির গায়ে পাতা লিনেনের গায়ে রক্তের আলপনা।

    মঞ্জুলা কৃতান্তকে বললেন, “রোড ট্র্যাফিক অ্যাক্সিডেন্ট। বাইকে আসছিল। একটা ট্রাকের সঙ্গে হেড অন কলিশন হয়েছে। হিউজ ব্লাড লস হলেও বড় চোট নেই। ফ্র্যাকচারও নেই। হি ইজ্ ইন কোমা। সিটি স্ক্যান করে দেখতে হবে ব্রেনে হেমারেজ আছে কিনা!”

    আইসিইউ-এর দরজার বাইরে দাঁড়ানো পুলিশ অফিসার বললেন, “ঐশানী কে?”

    “আমি। কেন?” অবাক হয়ে বলে ঐশানী।

    “আপনি ফোন ধরছিলেন না কেন? ভিকটিমের মোবাইলের কল লিস্টে ‘লাস্ট ডায়াল্ড নম্বর’ হিসেবে আপনার নম্বর ছিল। ওই মোবাইল থেকে আপনাকে অনেকবার ফোন করেছি। আপনি ফোন ধরলে ভিকটিমকে আইডেন্টিফাই করতে এত সময় লাগত না।”

    ভিকটিম! রোড ট্র্যাফিক অ্যাক্সিডেন্ট? কী বলছেন এই পুলিশ অফিসার?

    “আলটিমেটলি ভিকটিমের বাবাকে ফোন করে জানতে পারি যে, উনি সেন্টিনেলের মেডিসিন ডিপার্টমেন্টের ডাক্তার।”

    সেন্টিনেলের মেডিসিন ডিপার্টমেেেন্টর ডাক্তার? অসম্ভব! এ হতেই পারে না! ঐশানী আবার ছাতিম ফুলের গন্ধ পাচ্ছে। পায়ে-পায়ে সে ট্রলির পাশে গিয়ে দাঁড়ায়।

    নীলচে আলোয় রহস্যময় লাগছে সীমান্তর মুখ। তার মাথায় ব্যান্ডেজ, তার কপালে স্টিচ, তার চোখের নীচে রক্ত জমে ব্ল্যাক আই হয়ে রয়েছে, তার নাক দিয়ে রক্ত বেরিয়ে অধরে জমে আছে। সে অজ্ঞান। কৃতান্ত আর মঞ্জুলা মিলে গ্লাসগো কোমা স্কেলে সীমান্তর চেতনাহীনতা মাপছেন। কৃতান্ত বললেন, “গ্লাসগো কোমা স্কেলে সাত খুব একটা ভাল স্কোর নয়। আটের উপরে হলে নিশ্চিন্ত হতাম।”

    মঞ্জুলা বলল, “কী হবে?”

    কৃতান্ত কঠিন গলায় বললেন, “সীমান্ত কোল্যাপ্‌স করছে। উই শুড পুট হিম ইন ভেন্টিলেটর ইমিডিয়েটলি। সিস্টার, কুইক! বাড়ির লোককে বলুন যে, ব্লাড লাগবে।”

    আইসিইউ-এর বন্ধ দরজা ঠেলে ঐশানী বেরিয়ে আসে। বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রতাপ, মালিনী, অদ্রীশ, ভোলাদা, পারুল। ক্যাফে থেকে দৌড়ে এসে তরুণ বলল, “চল। কুইক।”

    ঐশানীর চোখ জ্বালা করছে, পায়ের তলার মাটি টলমল করছে, চারিদিক বোঁ বোঁ করে ঘুরছে। স্পাইক্যাম তরুণের হাতে তুলে দিতে গিয়ে সে মেঝেতে আছড়ে পড়ে গেল। ছাতিম ফুলের গন্ধে নাক ঝাঁ-ঝাঁ করছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }