Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প199 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যাবার আগে যাও গো আমায় রাঙিয়ে দিয়ে

    রবিবার সকালেও ট্র্যাফিকের কমতি নেই। বেলেঘাটা মেন রোড জ্যাম। সেল্স ট্যাক্স বিল্ডিংয়ের সামনে অটো আর প্রাইভেট কারের ঠোকাঠুকি লেগেছে। অটোচালক গাড়ির মালিককে থাপ্পড় কষিয়েছে। ট্র্যাফিক পুলিশ অটোচালককে দিয়েছে লাঠির বাড়ি। ব্যস! আগুনে ঘি! শ’খানেক অটো রোড ব্লক করে রেখেছে। তাদের দাবি, পরিবহণমন্ত্রী না আসা পর্যন্ত রাস্তা রোকো চালু থাকবে।

    আজ নভেম্বর মাসের আট তারিখ। রবিবার। ভোরের দিকে শীত করলেও সকাল ১০টা নাগাদ তাপমাত্রা ৩০-৩৫ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছে। সীমান্ত এতক্ষণ গাড়ির কাচ নামিয়ে রেখেছিল। ধোঁয়া আর ধুলোর জ্বালায় কাচ তুলে এসি চালাল।

    ড্রাইভারের পাশের আসনে বসে, চোখ বন্ধ করে হেডফোনে গান শুনছিল ঐশানী। জানালার কাচ উঠে যাওয়া খেয়াল করেনি। গায়ে ঠান্ডা বাতাস লাগতে চোখ খুলে বলল, “এসি চালালে কেন?” রাস্তার দিকে তাকিয়ে বলল, “এ বাবা! ট্র্যাফিক জ্যাম!”

    রোববার সকালে ‘তাসের দেশ’-এ যাওয়ার পরিকল্পনা ঐশানীর। আজ সুধার জন্মদিন। ঐশানী অদ্রীশকে ফোন করে বলেছে, “কাকু, মৃত্যুদিন পালন কোরো না। কাকিমা তো আর রবীন্দ্রনাথ ছিল না যে, বাইশে শ্রাবণ মনে রাখতে হবে। মৃত্যুবার্ষিকী পালন করার মধ্যে দুঃখ বিলাসিতা আছে। আমরা বরং কাকিমার জন্মদিন সেলিব্রেট করি।”

    “তুই আসছিস, এতেই আমি খুশি। দিনটা আমার কাছে আনইম্পর্ট্যান্ট,” খুশি-খুশি গলায় বলেছে অদ্রীশ, “ওই দিন তো রোব্বার। দুপুরে খাবি তো?”

    “খাব এবং আমিই রান্না করব। পারুলদিকে বলে দিয়ো আমাকে যেন হেলপ করে।”

    “পারুল রোব্বারে এখানে আসে না। হেলপিং হ্যান্ড হিসেবে আমি আছি। ওইদিন সকালে অল্প একটু ভদকা চলবে নাকি?”

    “তুমি শ্বশুর হয়ে ছেলের বউকে দারু অফার করছ? শেম অন ইউ!”

    “তোরা বিয়ে করছিস তাহলে! থ্যাঙ্ক গড! আমি ভারমুক্ত হলাম।”

    “তোমার উকিলি প্যাঁচ আমার উপরে খাটাতে যেয়ো না। পেরে উঠবে না। তুমি বরং মাছ আর মাংসটা কিনে রাখো।”

    “তথাস্তু!” হাসতে হাসতে ফোন ছেড়েছিল অদ্রীশ।

    আজ সেই জন্মদিন। ঐশানী ভেবেছিল, বাস বা ট্রেন ধরে বারাসত চলে যাবে। কিন্তু অদ্রীশ সকালেই সীমান্তকে গাড়িসহ পাঠিয়ে দিয়েছে। প্ল্যান এইরকম যে, বিকেল অবধি তাসের দেশে কাটিয়ে ঐশানী বাড়ি ফিরে আসবে আর সীমান্ত সেন্টিনেল যাবে। ওর আজকে সন্ধে সাতটা থেকে আগামী কাল সকাল সাতটা পর্যন্ত ডিউটি আছে।

    এত সুন্দর একটা ছুটির দিন। সকালের বিচ্ছিরি জ্যাম সব গুবলেট করে দিচ্ছে। বিরক্ত হয়ে ঐশানী ড্যাশবোর্ডের ঘড়ির দিকে তাকাল। সওয়া ন’টা বাজে।

    সকালবেলা খেলাঘর থেকে বেরনোর সময় একপ্রস্থ নাটক হয়েছিল। মালিনী এক টিফিন কৌটো পোস্তবাটা বানিয়ে রেখেছিল। সেটা ঐশানীর হাতে দিয়ে বলল, “পারুলকে দিয়ে দিস।”

    “ভোলাদা কাল রাতে বাড়ি গিয়েছে। আজ পারুলদি তাসের দেশে থাকবে না। ওদের ফ্যামিলি লাইফ বলে কিছু নেই নাকি!”

    “ফ্যামিলি লাইফ থাকলে ওদের বাচ্চা হচ্ছে না কেন?” অদ্ভুত যুক্তি পেশ করে মালিনী। বিরক্ত হয়ে ঐশানী বলে, “তোমার আর বাবারও তো ফ্যামিলি লাইফ বলে কিছু নেই। আমি তাহলে কোথা থেকে এলাম? চাঁদমামা ‘টি’ দিয়ে গেল!”

    মুহূর্তের মধ্যে মালিনীর মেজাজ গরম। টিফিন কৌটো সরিয়ে নিয়ে বলল, “তুই যখন হয়েছিলি, তখন আমাদের ফ্যামিলি লাইফ ছিল। থাক, তোকে নিয়ে যেতে হবে না।”

    ঐশানী মালিনীর কথায় পাত্তা দেয়নি। টিফিন কৌটো হাত থেকে কেড়ে নিয়েছে। এখন সেটা পিছনের সিটে রাখা রয়েছে।

    “অবরোধ বোধ হয় উঠেছে,” স্বগতোক্তি করে সীমান্ত। শিয়ালদার দিকে কোনও গাড়ি যাচ্ছিল না। এখন সেই লেনে একটার পর একটা বাইক পাই পাই করে দৌড়চ্ছে। বেলেঘাটাগামী অটো আর বাসের লাইনেও শামুকের গতি। ঐশানী কান থেকে হেডফোন খুলল। রাস্তা পরিষ্কার হোক। জ্যাম ক্লিয়ার হোক। ফাঁকা রাস্তায় গাড়ি ছুটুক। সীমান্তকে তার কয়েকটা প্রশ্ন করার আছে।

    গত সোমবার তরুণের টর্চার চেম্বারে মিটিংয়ের পর সীমান্তর সঙ্গে ঐশানীর একাধিকবার ফোনে কথা হয়েছে। একবারও সেন্টিনেলের আইসিইউ প্রসঙ্গ তোলেনি ঐশানী। আজ তুলবে।

    এখনই কথা শুরু করার আইডিয়াল টাইম। কাচ তোলা গাড়িতে বাইরে থেকে আওয়াজ আসবে না। কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবে ঐশানী? অনেক ভেবে সে বলে, “নন্দিনী সরকার যখন মারা যান, তখন আইসিইউতে কে-কে ছিল?”

    গাড়ি চালাতে চালাতে সীমান্ত বলে, “আবার নন্দিনীকে নিয়ে স্টোরি করছ? এবার কোন অ্যাঙ্গেল?”

    “নন্দিনী সরকারের ন্যাচারাল ডেথ হয়নি।”

    সীমান্ত আর একটু হলেই সামনের অটোয় ধাক্কা মারছিল। ঘ্যাঁচ করে ব্রেক কষল। পিছন থেকে একটা বাইক গাড়ির টেল লাইটে ধাক্কা মেরে চ্যাঁচাল, “সকালবেলায় মাল খেয়েছিস নাকি বে!”

    সীমান্ত ঝগড়া করতে গিয়েও করল না। গাড়ি ফার্স্ট গিয়ারে নামিয়ে একটু এগিয়ে সেকেন্ড গিয়ারে তুলল। একটু-একটু করে স্পিড বাড়ছে। জ্যামজট কাটিয়ে, ফুলবাগান পেরিয়ে গাড়ি এখন উল্টোডাঙার ক্রসিংয়ের দিকে এগোচ্ছে।

    সীমান্ত বলল, “তোমাদের কাগজ তো কনস্পিরেসি থিয়োরি ছাপে না! হঠাৎ কী হল? সার্কুলেশন পড়ছে নাকি?”

    ঐশানী গভীর শ্বাস নিল। বলল, “কনস্পিরেসি থিয়োরি না সীমান্ত। দিস ইজ টু।”

    “মেডিক্যাল নেগলিজেন্সের কথা বলছ? তা হলে বলি, নন্দিনীকে বাড়ি থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে পিকআপ করে সেন্টিনেল পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছিলাম আমি। নন্দিনীর কী ট্রিটমেন্ট হয়েছিল, সেই বিষয়ে কিস্তু জানি না।”

    “যে জানে, তার সঙ্গে আজ কথা বলব। শেলিদির বাড়ি বাগুইহাটিতে। আমি ওকে ভিআইপি রোডে ওয়েট করতে বলেছি।”

    উল্টোডাঙার মোড়ের লাল আলোয় দাঁড়িয়ে সীমান্ত বলল, “তুমি শেলিদিকে চেনো?”

    “নন্দিনীর ডেথের পরে একটা ইন্টারভিউয়ের সূত্রে আলাপ। মোবাইল নম্বর ছিল। তবে এ সবের আগে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের কল্যাণে যোগাযোগ ছিল। ও আমাকে চিনত।”

    “চিনত মানে! অ্যাজ় জার্নো?”

    “সে হিসেবে চিনত। এখন তোমার ‘ইয়ে’ হিসেবেও চেনে! এক ফোনেই দেখা করতে রাজি হয়ে গেল,” ড্যাশবোর্ডের ঘড়ির দিকে তাকায় ঐশানী, “১০টা বাজে। শেলিদিকে ১০টার সময় দাঁড়াতে বলেছি। দেরি হয়ে গেল।”

    সীমান্ত বিরক্ত হয়ে বলল, “তাসের দেশ পৌঁছতে মিনিমাম ১১টা। রান্না করবে বলে বাবাকে লোভ দেখিয়েছ। এখন এইসব না করলেই নয়!” সীমান্তর বিরক্তিকে ঐশানী পাত্তা দিল না।

    ভিআইপি রোডে পড়ে সীমান্ত চুপচাপ গাড়ি চালাচ্ছে। শ্রীভূমি পেরিয়ে গেল। বাগুইহাটির ক্রসিংয়ে ট্র্যাফিক জ্যামে ফেঁসে গাড়ি দাঁড়িয়ে গেছে। শেলি ফুটপাথে দাঁড়িয়ে ছিল। টুক করে গাড়ির পিছনের সিটে উঠে পড়ল। ঐশানীও পিছনে চলে গেল।

    বাগুইহাটির মোড় এখন জমজমাট। পুলিশের লাল চোখ, সিভিক পুলিশের তড়পানি, পথচারীর গালাগাল— এই সবের মধ্যে মাথা ঠান্ডা করে গাড়ি চালাচ্ছে সীমান্ত। ঐশানীকে বলল, “আমি বাইকেই বেশি কমফর্টেব্ল। চারচাকা কম চালিয়ে হাতে জং ধরে গিয়েছে।”

    শেলি বলল, “শুনলাম ইন্ডিয়ায় অটোগিয়ারওয়ালা গাড়ি লঞ্চ হয়েছে?”

    ঐশানী বলল, “গাড়ির ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। শাড়ির ব্যাপারে আইডিয়া আছে। তোমার শাড়িটা খুব সুন্দর। সম্বলপুরি, না?”

    শেলির বয়স পঁয়তাল্লিশের আশেপাশে। সে সীমান্তকে বলল, “হ্যাঁ রে সীমান্ত, জিন্‌স পরা জেনারেশন শাড়ি চেনে? তুই খুব লাকি রে।” সীমান্ত শ্রাগ করে বলল, “ঐশানী কী জানে আর কী জানে না, সেটা ও নিজেও জানে না!”

    শেলি টক করে ঐশানীর দিকে ঘুরে বলল, “নির্ঘাত তোরা ঝগড়া করেছিস? কেসটা কী জানতে পারি?”

    রাস্তা এখন অপেক্ষাকৃত ফাঁকা। এয়ারপোর্ট চলে এসেছে। ঐশানী আর শেলি মিলে এমন গল্প করছে যেন ওরা একে অপরকে ছোটবেলা থেকে চেনে। সীমান্ত মুখে কুলুপ এঁটে গাড়ি চালাচ্ছে। ফাঁকা রাস্তায় সাঁইসাঁই গাড়ি চালিয়ে তাসের দেশে চলে এল।

    পোস্তবাটা ভর্তি টিফিন কৌটো নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে ঐশানী দেখল, একতলা শুনশান। হাতিম গাছতলায় বেগমের কবরের পাশে গোলাপ গাছ পোঁতা হয়েছে।

    দোতলায় নিজের ঘরে চেয়ারে বসে অদ্রীশ বই পড়ছিল। ঐশানী আর শেলিকে দেখে বই রেখে চেয়ার থেকে উঠে বলল, “এতক্ষণ লাগল আসতে! আমার কিন্তু এখনও ব্রেকফাস্ট হয়নি।”

    একগাল হেসে ঐশানী বলল, “দশ মিনিট সময় দাও। ব্রেকফাস্ট উইল বি রেডি। মা আমাদের সবার জন্য পোস্তবাটা পাঠিয়েছে।”

    তাড়াহুড়োর ব্রেকফাস্টে স্যান্ডউইচই ভরসা। ঝটপট শসা, পেঁয়াজ, টমেটো কাটে ঐশানী। ডিম সেদ্ধ করতে বসিয়ে দেয়। ফ্রিজ থেকে সেদ্ধ চিকেন বের করে একপাশে সরিয়ে রাখে।

    গ্যারাজে গাড়ি ঢুকিয়ে সীমান্ত চলে এসেছে। তার মুড এখন বিন্দাস। শিস দিচ্ছে, বাইরের পোশাক বদলাচ্ছে, ক্যালকাটা সিটিজেনের রবিবারের সাপ্লিমেন্টে চোখ বোলাচ্ছে, অদ্রীশ আর শেলির মধ্যে আলাপ করিয়ে দিচ্ছে। কিচেনে ঘুরে যাওয়ার ফাঁকে টুক করে ঐশানীর পেটে হাত বুলিয়ে গেল।

    প্লেটের উপরে লেটুস পাতা রেখে তার উপরে মোটকা স্যান্ডউইচ সাজায় ঐশানী। হাঁক পাড়ে, “প্রাতরাশ প্রস্তুত। আজকের খাদ্য, বালি ডাইনি!”

    অদ্রীশ, সীমান্ত আর শেলি লাফাতে-লাফাতে চলে এল। স্যান্ডউইচে কামড় মেরে অদ্রীশ বলল, “স্যান্ড মানে বালি। উইচ মানে ডাইনি। অনুবাদটা ঠিক হলেও সুখকর নয়।”

    “দুপুরের মেনু কী?” টোম্যাটো সস ছড়িয়ে জানতে চায় সীমান্ত

    ঐশানী পাউরুটিতে কামড় মেরেছে। খাচ্ছে আর প্ল্যান ছকছে। কী একটা ইংরেজি কোটেশন আছে, যাতে বলা আছে যে, হৃদয়ে পৌঁছনোর সেরা রাস্তা হল স্টম্যাক। শেলির পেট থেকে কথা বের করতে হলে ভাল লাঞ্চ খাওয়াতে হবে।

    ঐশানী বলল, “শেলিদি, ফ্রিজে পাঁঠার মাংস, মুরগির মাংস, পোনা মাছ, চিংড়ি মাছ, ভেটকির ফিলে, সব রয়েছে। কী খাবে বলো?”

    শেলির মোটাসোটা চেহারা। সে স্যান্ডউইচের জাবর কাটতে-কাটতে বলল, “এত কে খাবে?”

    “দ্যাখো শেলি, আমি বাজার করতে ভালবাসি,” একটা স্যান্ডউইচ শেষ করে পরের স্যান্ডউইচ আক্রমণ করেছে অদ্রীশ, “রোব্বার ভোরবেলা বাজারে গিয়ে সারা সপ্তাহের বাজার করে আনি। বাকি দিনগুলোয় সময় পাই না। আজই বাজার করেছি। তাই তোমার অনেক বলে মনে হচ্ছে।”

    “মানলাম। কিন্তু দু’জন মানুষের জন্য এক কিলো মটন, এক কিলো চিকেন, এক কিলো মাছটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না?”

    লজ্জা পেয়ে শিশুর মতো হাসছে অদ্রীশ, “পারুল আমাদের সঙ্গেই খায়। কাজেই ওটা দু’জন নয়। তিনজন হবে। আর ঐশানীকে তাড়াতাড়ি এই বাড়িতে চলে আসতে বলেছি। আমাকে তা হলে বাজার করা নিয়ে খোঁটা শুনতে হবে না। সুধাও বেশি বাজার করা নিয়ে আপত্তি করত।”

    সুধার প্রসঙ্গ উঠতেই খাবার টেবিলে হঠাৎ নীরবতা এল। শেলি আঙুল দিয়ে প্লেটে আঁকিবুকি কাটছে। সীমান্ত শূন্য দৃষ্টিতে দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে। ঐশানী টেনশন কাটাতে ঝপঝপ সবার প্লেটে আর একটা করে স্যান্ডউইচ দিল, “কাকিমা কী খেতে ভালবাসত বলো। আমি সেই ডিশ রান্না করব।”

    “কাকিমা কোন ডিশ ভাল রাঁধতেন?” জানতে চায় শেলি।

    অদ্রীশ বলল, “এ তো আর কোনও হাই-ফাই ফ্যামিলি নয় যে, নিত্যনতুন ডিশ হবে। ওই পোনা মাছের কালিয়া, আলু-ফুলকপির তরকারি, লম্বা করে কাটা বেগুন ভাজা, আলু দিয়ে পাঁঠার মাংস…এইসব। সব বাঙালি বাড়িতে যা হয়।”

    “হুম!” স্যান্ডউইচ শেষ করে টেবিল থেকে উঠছে ঐশানী। সীমান্তকে বলল, “ডিশগুলো মেজে দাও। আমি মেজে নিতে পারি, কিন্তু তাহলে লাঞ্চের দেরি হয়ে যাবে।”

    “না না। আমরা করে নিচ্ছি,” এগিয়ে এসেছে সীমান্ত, “তোমাদের কোনও হেলপ লাগলে বোলো।”

    চপিং বোর্ডে আলু, ফুলকপি, বেগুন কাটতে কাটতে ঐশানী বলল, “চারটে টল গ্লাস বার করো। বাড়িতে লাইম কার্ডিয়াল আছে?”

    অদ্রীশের মুখে একগাল হাসি। “ব্যস! ব্যস! আর বলতে হবে না। আমি বুঝে গিয়েছি। তোদের পুরো পেগ দেব না হাফ?”

    “হাফ ভদকা, লাইম কার্ডিয়াল আর জল। লেবুর চাকতি দিয়ে গার্নিশ কোরো।” সবজি কাটা শেষ করেছে ঐশানী। মাংসে হাত দিয়েছে শেলি। রান্না করতে-করতেই গপপো জমেছে। সীমান্তর সঙ্গে ঐশানীর কীভাবে আলাপ, কতদিনের আলাপ, কবে বিয়ে— সব জেনে নিল। সীমান্ত যে সিস্টারমহলে খুব পপুলার, সেটাও জানাতে ভুলল না।

    রান্না শেষ হতে দেড়ঘণ্টা লাগল। ভাত, আলু ফুলকপির তরকারি আর পাঁঠার মাংস। বাকি আছে বেগুনভাজা। ঐশানী আর শেলি মিলে দেড় পেগ ভদকা মেরে দিয়েছে। ওদিকে বাপ আর ছেলে মিলে কত টেনেছে, কে জানে!

    শেলির এর মধ্যেই অল্প নেশা হয়েছে। বেগুন ভাজতে ভাজতে বলল, “অনেক দিন বাদে অকাজে বাইরে বেরলাম। খুব রিফ্রেশিং লাগছে। থ্যাঙ্ক ইউ ঐশানী।”

    মোবাইল ফোনের রেকর্ডার অন করে ঐশানী বলল, “বেরও না কেন? দিনরাত্তির ডাক্তারি করে বোর হয়ে যাও না?”

    “সীমান্ত বলেছে কি না জানি না, আমি সিঙ্গল মাদার। আই মিন, ডিভোর্সি। আর আমার ছেলের ব্লাড ক্যানসার আছে। সেন্টিনেলের বাইরে যেটুকু সময় পাই, ওকে দিই।”

    ঐশানী এত কথা জানত না। সীমান্ত নিজের থেকে সেন্টিনেল নিয়ে কথা বলে না। শেলির কথা শুনে আন্তরিকভাবে খারাপ লাগল ঐশানীর। বলল, “কী নাম, ছেলের?”

    “ভাল নাম রাজর্ষি। ডাক নাম রাজা।”

    “রাজাবাবুর ট্রিটমেন্ট কোথায় হচ্ছে? সেন্টিনেল?”

    “না রে! কেমোর সাইলগুলোর সময়ে আমি ওকে মুম্বই নিয়ে যাই। আসা-যাওয়া, ওষুধের দাম, সব মিলিয়ে অনেক টাকার ধাক্কা কিন্তু ইন্ডিয়ার বেস্ট ট্রিটমেন্টটা অ্যাট লিস্ট পায়।”

    শেলির বেগুন ভাজা শেষ। রেকর্ডিং বন্ধ করেছে ঐশানী। অদ্রীশের ঘরে দু’জনে ঢুকে দেখল, অদ্রীশ আর সীমান্ত মিলে দাবা খেলছে। সীমান্তর অবস্থা শোচনীয়। কালো রাজা, মন্ত্রী, একটা ঘোড়া আর একটা নৌকা নিয়ে ল্যাজে গোবরে হচ্ছে। অদ্রীশের সাদা সৈন্যরা শত্রুশিবিরে ঢুকে পড়েছে। দু’-এক দানের মধ্যেই কিস্তিমাত হবে। এখন অদ্রীশের চাল।

    অদ্রীশের হয়ে ঘোড়াকে আড়াই ঘর এগিয়ে রাজা আর মন্ত্রীকে একসঙ্গে ধরে ঐশানী বলল, “কিস্তিমাত। এবার খেতে চলো।”

    অদ্রীশ দাবার বোর্ডের দিকে তাকিয়ে বলল, “তুই এত ভাল দাবা খেলিস? জানতাম না। ব্রিলিয়ান্ট! ব্রিলিয়ান্ট!”

    বাপ-বেটাকে তাড়াতাড়ি খাওয়াতে চাইছে ঐশানী। এদের শুইয়ে দিয়ে শেলির সঙ্গে কথা বলতে হবে।

    সীমান্ত থালা সাজাচ্ছে। ঐশানী ভাত বাড়ছে। আলাদা বাটিতে আলু ফুলকপির তরকারি আর মাংস রাখা আছে। থালায় বেগুন ভাজা দিয়ে ঐশানী বলল, “আমি আর শেলিদি একতলার ঘরে জিরিয়ে নেব।”

    সীমান্ত বেগুনভাজা দিয়ে ভাত মেখে বলল, “আমায় যেন কেউ ঘুম থেকে না তোলে। আর ওঠার পাঁচমিনিটের মধ্যে গরমাগরম চা চাই।”

    “চায়ের দায়িত্ব আমার,” হাতায় করে দু’পিস পাঁঠার মাংস নিয়ে বলে অদ্রীশ, “তবে আমার ঘুম ভাঙানোর দায়িত্ব সীমান্তর।”

    “আমি আবার এর মধ্যে কেন?” পেঁয়াজে কামড় দিচ্ছে সীমান্ত, “নাইট ডিউটি আছে। টানা ঘুম দরকার।”

    নাইট ডিউটির সূত্রে সেন্টিনেলের প্রসঙ্গ চলে এল। ডাইনিং টেবিলে এখন কথাবার্তা কম। সবাই নিজের মতো খাচ্ছে। খাওয়া শেষ করে বাড়তি মাংস একটা পাত্রে রেখে, সেটা ফ্রিজে ঢুকিয়ে ঐশানী বলল, “আচ্ছা, আমার রান্না কি কাকিমার মতো হয়েছে?”

    প্রথমে উত্তর দিল সীমান্ত, “মা-র রান্নার হাত ফার বেটার ছিল।”

    ছেলের উত্তর শুনে অদ্রীশ বলল, “বাঙালি ছেলেরা কবে যে মা-অবসেশন থেকে মুক্তি পাবে কে জানে! সুধা অ্যাভারেজ রান্না করত। ঐশানীর রান্নার হাত ভীষণ ভাল।”

    সীমান্ত আপত্তি করে বলল, “বা রে! শুধু আমারই মাকে নিয়ে অবসেশন আছে? তুমি অবসেড নও?”

    “আমি আমার বউকে নিয়ে অবসেড। তোরও এখন ঐশানীকে নিয়ে অবসেড হওয়া উচিত।”

    ঐশানী এই পয়েন্টে টুক করে নাক গলাল। “না কাকু! সীমান্ত আমাকে নিয়ে মোটেই অবসেড নয়। আমি ওকে বারবার বলেছি যে, নন্দিনী সরকারের ডেথটা আনন্যাচারাল। সেন্টিনেলের আইসিইউতে কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছিল। সীমান্ত আমার কথা শুনছেই না।”

    শেলি অবাক হয়ে ঐশানীর দিকে তাকিয়ে বলল, “নন্দিনীর মৃত্যু অস্বাভাবিক, একথা তোকে কে বলল?”

    “নন্দিনীর মৃত্যুর সময়ে সেন্টিনেলের আইসিইউতে একটা ঘোটালা হয়েছিল শেলিদি, তুমি সেটা ভাল করেই জান।” মোবাইলের অডিয়ো রেকর্ডার অন করেছে ঐশানী।

    অদ্রীশ খাবার টেবিল থেকে উঠে বলল, “নন্দিনীকে নিয়ে বড্ড কূটকচালি হচ্ছে! শেলি, নন্দিনীর কেসটা আমায় খুলে বলো তো।”

    সীমান্ত ভুরু কুঁচকে ঐশানীর দিকে তাকাল। “তুমি শেলিদিকে কী মনে কর? তোমার এজেন্ট? তোমার ‘খরি’? তোমার সোর্স?”

    অদ্রীশ দু’হাত তুলে বলল, “আহা রোব্বারের ভাতঘুমটা নষ্ট করবি কেন? ঐশানী, শেলি, তোরা নীচে যা! এই নিয়ে পরে কথা হবে।”

    শেলির খাওয়া শেষ। সে ঘামছে। বেসিনে মুখ ধুতে গিয়ে ঘাড়ে গলায় জল দিয়ে এল। রুমাল দিয়ে মুখ মুছে বলল, “তোর ধারণা ঠিক নয় ঐশানী। ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভরতি হয় এমন সব পেশেন্ট, যারা মরোমরো। স্ট্রোক, হেড ইনজুরি, রেসপিরেটরি ফেলিয়োর, এই সব। যারা বাঁচার, তারা কুইক রিকভারি করে। যারা মরার তারা এক্সপায়ার করে। মুশকিল হয় আনকনশাস বা কোমাটোজ় পেশেন্টদের নিয়ে। বাড়ির লোকেরা আভাসে ইঙ্গিতে ডক্টর কৃতান্ত চট্টোপাধ্যায়কে বলে যে…”

    “থাক-থাক! বুঝেছি,” হাত তুলেছে অদ্রীশ, “ডক্টর চ্যাটার্জি প্যাসিভ ইউথ্যানেসিয়া করেন। দ্যাট ইজ় পারফেক্টলি লিগ্যাল ইন ইন্ডিয়া। শেলি, এইরকম কতগুলো ইউথ্যানেসিয়া তুমি দেখেছ?”

    “আমি খুব একটা দেখিনি। ওই সময় ডক্টর চ্যাটার্জি আমাকে আইসিইউ-এর বাইরে পাঠিয়ে দেন। তা-ও একটা আন্দাজ আছে। অ্যারাউন্ড আড়াইশো। অ্যায়াম নট শিওর।”

    “টু হানড্রেড অ্যান্ড ফিফটি! বুলশিট!” বিছানায় শুয়ে পড়েছে অদ্রীশ, “দ্যাট ইজ্ আ হিউজ নাম্বার। তুমি সেন্টিনেলে ক’বছর আছ?”

    “পাঁচ বছর।”

    “তার মানে দুশো ষাট সপ্তাহ। তার মানে, প্রত্যেক সপ্তাহে একজনকে ইউথ্যানেসিয়া করছে একটা লোক! দিস ইজ় পাগলামি!”

    ঐশানী চুপ। মোবাইলের অডিয়ো রেকর্ডার অদ্রীশ আর শেলির সংলাপ রেকর্ড করছে।

    “পাগলামি কেন বাবা?” আলোচনায় ঢুকেছে সীমান্ত, “তুমিই তো বললে যে, প্যাসিভ ইউথ্যানেসিয়া ইন্ডিয়াতে লিগ্যাল।”

    “হ্যাঁ। তা নিয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। কিন্তু এই কাজটা খুব একটা সুখকর নয়। কোনও জহ্লাদকে যদি প্রতি সপ্তাহে একজনকে ফাঁসিতে ঝোলাতে হয়, তাহলে তার কেমন লাগবে? আর, আমি বলতে চাইছি যে, সংখ্যাতত্ত্ব বলছে, এতগুলো নিষ্কৃতি-মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও অ্যাঙ্গেল আছে।”

    “মানে!” উত্তেজিত গলায় জানতে চায় সীমান্ত। তাকে হাত নেড়ে চুপ করিয়ে অদ্রীশ বলে, “শেলি, তুমি শিয়োর যে, লোকটা এই কাজ করার জন্য পেশেন্ট পার্টির থেকে টাকা নেয় না? নার্সিংহোমের বিল মেটাতে অপারগ হয়ে বাড়ির লোক নিষ্কৃতি-মৃত্যু চাইবে।”

    “নেয় না। আমি ড্যাম শিয়োর,” দাপটের সঙ্গে বলে সীমান্ত, “কৃতান্ত চট্টোপাধ্যায় ওরকম লোক নন।”

    শেলি আবার রুমাল দিয়ে ঘাম মুছছে। ঐশানী নরম গলায় বলল, “শেলিদি, বি অনেস্ট। তুমি কখনও টাকার বিনিময়ে প্যাসিভ ইউথ্যানাসিয়া করেছ? তোমার তো রাজাবাবুর কেমোর জন্য প্রতি মাসে অনেক টাকা লাগে।”

    “না ঐশানী, নেভার!” জোর গলায় বলে শেলি, “আমি মনে করি না কারও প্রাণ নেওয়ার অধিকার আমার আছে। ওই ক্ষমতা শুধু ঈশ্বরের। তিনি জীবন দেন, তিনিই নেবেন।”

    সীমান্ত বলল, “সেটা সবাই জানে। আমরা ডাক্তার হতে পারি। কিন্তু জেম্স বন্ড নই। উই আর নট লাইসেন্সড টু কিল।”

    ঐশানী সীমান্তর হাত ধরে বলল, “থ্যাঙ্ক ইউ। আমিও তাই মনে করি,” তাকে থামিয়ে অদ্রীশ বলে, “শেলি, আমায় একটা কথা বলো। লোকটা কি কোর্টের অর্ডার আসার পরে ইউথ্যানাসিয়া করে?”

    “কোর্ট অর্ডার!” বোকার মতো বলে শেলি, “আমি এই ব্যাপারে কিছু জানি না।”

    “আচ্ছা, ঠিক আছে। লোকটা কি ভেন্টিলেটর, আই মিন তোমাদের ওই সব মেশিন বন্ধ করে দেয়? অক্সিজেন বন্ধ করে দেয়? নাকি অন্য কিছু করে?”

    শেলি মাথা নিচু করে বলল, “আমি দু’এক বার লুকিয়ে দেখেছি। উনি কোটের পকেটে ফিফটি মিলিলিটার সিরিঞ্জ আনেন। সেটা থেকে কোনও একটা ড্রাগ ইনজেক্ট করেন। তার কিছুক্ষণের মধ্যে পেশেন্ট মারা যায়।”

    “ড্রাগ ইনজেক্ট করা মানে এটা আর প্যাসিভ ইউথ্যানেসিয়া রইল না,” চিৎকার করে উঠেছে অদ্রীশ, “ইট্স ক্লিয়ার কাট মার্ডার। কোল্ড ব্লাডেড মার্ডার। শেলি, তুমি কি পাগল যে, এখনও লোকটার আন্ডারে কাজ করছ? দিনের পর দিন একটা লোক মানুষ খুন করছে। তুমি সেটা দেখেও অবজেক্ট করছ না? আইন তোমাকে ছেড়ে দেবে?”

    শেলি ঘাবড়ে গিয়ে বলল, “আমার এখন কী করা উচিত? সেন্টিনেল ছেড়ে দিতে পারব না। অনেক টাকা পাই। আমার ছেলেটার যে কী হবে…”

    “আচ্ছা শেলিদি, তুমি ছাড়া আইসিইউতে আর একজন মেডিক্যাল অফিসার আছেন, না?” জিজ্ঞাসা করে ঐশানী।

    “মঞ্জুলা? ও তো সার্জন। হাতে ফাইন ট্রেমর হয়। সার্জারি করতে পারে না বলে আইসিইউতে শিফ্‌ট করেছে।”

    “তার মানে কৃতান্ত এমন আরএমও রাখেন, যারা সেন্টিনেলের আইসিইউ ছাড়লে ভবিষ্যৎ অন্ধকার! কাজেই তারা মুখ খোলে না।”

    চোখ মুছে শেলি বলে, “এখনও কেউ কিছু জানে না। কৃতান্ত চট্টোপাধ্যায় যা করার করুন। পেশেন্ট পার্টি আর ডাক্তার দু’জনেই চাইছে বলে ঘটনাগুলো ঘটছে। আমি কেন ফাঁসতে যাব? আমি সেন্টিনেল ছেড়ে দিই। তার পরে যা হবে দেখা যাবে।”

    ঐশানী দাঁতে দাঁত চিপে বলে, “আমি ওই ডক্টর ডেথের শেষ দেখে ছাড়ব! ইট উইল বি দ্য বিগেস্ট স্কুপ অফ আওয়ার কানট্রি।”

    সীমান্ত বলল, “ডক্টর ডেথ নামটা কার দেওয়া?”

    “আমি দিলাম। এক্ষুনি,” ঝটিতি জবাব দেয় ঐশানী।

    সীমান্ত বলে, “ঐশানী ফট করে কিছু করতে যেও না। শেলিদি ব্যাপারটার মধ্যে ইনভল্ভড।”

    শেলি বলে, “আমি মোটেই ইনভল্‌ভড নই। আমি কিছু করিইনি।”

    “তুমি কী করে এই কথা বলছ শেলিদি?” ঝাঁঝিয়ে ওঠে ঐশানী, “বলা হয়, ডাক্তারি পড়তে ঢোকে বেস্ট স্টুডেন্টরা। দিনরাত পড়ে-পড়ে তোমাদের বুদ্ধিটা গাধার মতো হয়ে গিয়েছে। এটা কি বুঝতে পারছ যে, যে-লোকটা প্রতি সপ্তাহে একটা মার্ডার করছে, সে একটা ক্রিমিনাল? তার কাজে বাধা না দেওয়ার কারণে আইনের চোখে তুমিও ক্রিমিনাল? তুমি আড়াইশোর বেশি মার্ডারের সাক্ষী। এই তথ্য গোপন করার দায়ে তোমার হাজতবাস হবে! রেজিস্ট্রেশন নম্বরও বাতিল হবে। অ্যান্ড অ্যাবভ অল, তুমি নিজে বলেছ যে, প্রাণ নেওয়ার অধিকার ঈশ্বর ছাড়া কারও নেই। যে-লোকটা প্রাণ নিচ্ছে, তাকে আড়াল করতে গিয়ে নিজেকে কনট্রাডিক্ট করছ!”

    “হাজতবাস! রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাতিল! এসব তুই কী বলছিস?” চেয়ার থেকে উঠে পড়েছে শেলি, “আমি কিছু জানি না। আমাকে কিছুতেই ষড়যন্ত্রের অংশীদার বলা যাবে না। আমি আজই চাকরি ছাড়ছি।”

    সীমান্ত কাঁধ ঝুঁকিয়ে বসে রয়েছে। অদ্রীশের মাথায় হাত। ঐশানী বলল, “শেলিদি, আমার কথা মন দিয়ে শোনো। এক নম্বর, তুমি এখন সেন্টিনেল ছাড়বে না। দু’নম্বর, ডক্টর ডেথের পরের ইউথ্যানেসিয়ার যথেষ্ট আগে আমি যেন খবর পাই। আই নিড ইউ ফর দ্য স্টিং অপারেশন।”

    “স্টিং অপারেশন!” অবাক হয়ে বলে সীমান্ত।

    ঐশানী শেলির হাতে একটা কলম দিয়ে বলল, “এটা রাখো।”

    “এটা তো পেন!” অবাক হয়ে বলে শেলি।

    “এটা স্পাই-ক্যাম। এর ডগায় শক্তিশালী ক্যামেরা বসানো আছে।”

    “কলমের ডগায় ক্যামেরা?” পেন নেড়েচেড়ে দেখছে শেলি।

    ঐশানী বলল, “এটা কীভাবে ব্যবহার করতে হয়, সেটা তোমাকে শিখিয়ে দিচ্ছি। এই দেখো, এটা হল বাট্‌। এটা টিপলে ক্যামেরার রেকর্ডিং শুরু হবে। অডিয়ো এবং ভিডিয়ো দুই-ই। ব্যাটারি ব্যাক আপ খুব ভাল। ছবির কোয়ালিটিও ভাল। এটা অ্যাপ্রনের বুক পকেটে বা টি-শার্টের বোতাম ঘরে গুঁজে রাখবে। হাতেও রাখতে পারো। যাতে আই লেভেলে ছবি আসে।”

    শেলি বাধ্য ছাত্রীর মতো স্পাই ক্যামের ব্যবহার শিখছে। অদ্রীশ সীমান্তকে বলল, “ঐশানী হল মা দুর্গার আর এক নাম। সেই ঐশানী কৃতান্তর নাম দিল ‘ডক্টর ডেথ’। লোকটার শেষের শুরু হল।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }