Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প199 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চল রে চল সবে ভারতসন্তান

    সারাদিন মোট ১০টা মিটিং করতে হয়েছে। রাজনৈতিক পথসভা নয়। সবক’টা দলীয় মিটিং। উলটোপালটা বকে পার পাওয়ার উপায় নেই। যারা মিটিংয়ে উপস্থিত আছে তারা সবাই জনাদেশ পার্টির নেতা। কেউ গ্রামের, কেউ শহরের, কেউ জেলার, কেউ রাজ্যের— কিন্তু নেতা সবাই। সবার নিজস্ব বক্তব্য আছে। আছে পার্টি লাইনের মধ্যে থেকে ছড়ি ঘোরানোর নয়া তরিকা। বাজে কথা থেকে কাজের কথাটুকু ছেঁকে নিতে নিতে ক্লান্ত উৎপল।

    উৎপল বসুমল্লিক। জনাদেশ পার্টির রাজ্য কমিটির দুদে প্রেসিডেন্ট। জনাদেশ পার্টি ক্ষমতায় এসেছিল ১৯৮০ সালে। দীর্ঘ ৩৫ বছর পশ্চিমবাংলার রাজপাট সামলে এখন সে অথর্ব, বেতো বাঘ। রাজনৈতিক দিশাহীন, করাপশনে জর্জরিত। বিকল্প রাজনৈতিক সংগঠন না থাকায় এতদিন জনাদেশ পার্টি একতরফা ছড়ি ঘুরিয়েছে। কিন্তু গত ১০ বছর ধরে বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে এক নতুন দল উঠে আসছে।

    স্বগত সরকারের প্রতিষ্ঠা করা পার্টির নাম ‘নতুন দল’। স্বাগত নিজে দীর্ঘদিন জনাদেশ পার্টির কর্মসূচি ও কর্মনীতির ধারা ও উপধারা উল্লেখ করে ঝগড়া করত। উৎপল আর তার সঙ্গী মনোময় দাশের সঙ্গে পেরে না উঠে অবশেষে পার্টি ছেড়ে দেয়।

    জনাদেশ পার্টি কেউ ছাড়তে পারে না। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পার্টি তাকে বহিষ্কার করে। ছেড়ে দেওয়া অথবা ছাড়িয়ে দেওয়া, ঘটনা যাই হোক না কেন, স্বাগত পার্টির বাইরে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকেনি। সারা বাংলা টইটই করে ঘুরে বেড়িয়েছে। আগে গণভিত্তি স্থাপন করেছে। তারপর প্রতিষ্ঠা করেছে নতুন দল।

    আর পাঁচটা দলের সঙ্গে নতুন দলের তফাত আছে। শুধুমাত্র নির্বাচন কেন্দ্রিক কর্মসূচি থাকে না। নানান সেবামূলক কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও বন্যা, খরা বা অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সারা বছর মানুষের পাশে থাকে। উৎপল শুনেছে ওদের পার্টির ক্লাসও হয়। অর্থাৎ ক্যাডারভিত্তিক সংগঠন গড়ে তুলেছে স্বাগত।

    আগামী বিধানসভা ভোটের এখনও দেড় বছর দেরি আছে। কিন্তু একাধিক নির্বাচিত জনপ্রিতিনিধির মৃত্যু হয়েছে। সামনেই উপ-নির্বাচন। উপ-নির্বাচনের সবক’টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে নতুন দল। রাজ্য কমিটির অভ্যন্তরীণ হিসেবে বলছে, প্রতিটি আসনে জনাদেশ আর নতুন দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। নতুন দল হয়তো কয়েকটা আসনে জিতবে। রাজ্য কমিটির নেতাদের কপালে ভাঁজ।

    আজকের দশটা মিটিং-এর একটাই অ্যাজেন্ডা ছিল। আগামী উপ-নির্বাচন। উৎপল সংগঠক হিসেবে উপ-নির্বাচনের থিঙ্ক ট্যাংক। পাশাপাশি মোহনপুর উপ-নির্বাচনের মাঠঘাট চষে বেড়ানো দলীয় প্রার্থী।

    উৎপলের পক্ষে দুটো দিক সামলানো সম্ভব। কেননা সে ভুঁইফোঁড় নেতা বা আর্মচেয়ার পলিটিশিয়ান নয়। কলেজে ছাত্র রাজনীতি করতে-করতে বৃহত্তর রাজনীতির আঙিনায় এসেছে। এবং তরতরিয়ে উত্থান। মিডিয়া বরাবর বলে আসছে, নতুন দলকে ঠেকাতে গেলে জনাদেশ পার্টির তরফে নতুন মুখ প্রয়োজন। এবং পাবলিক উৎপলকে পছন্দ করে।

    ভোটে দাঁড়ানো, নির্বাচনে জেতা বা হারা উৎপলের কাছে নতুন ঘটনা নয়। কলেজে ইউনিয়নের ভোটে সে জিতেছে। মিউনিসিপ্যালিটির ভোটে হেরেছে। কর্পোরেশনের ভোটে জিতেছে। বিধানসভা ভোটে জিতেছে। ৬০ বছর বয়সে এসে এগুলো ম্যাটার করে না। যেটা ম্যাটার করে সেটা হল মিডিয়ার চাপ। অতীতে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার রমরমা ছিল না। খবরের কাগজের পেনিট্রেশনও কম ছিল। এখন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া তার দুই বাহুর মধ্যে পুরো পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে নিয়েছে। টিভি দেখে বা কাগজ পড়ে মানুষ ভোট দেয় একথা আজও উৎপল বিশ্বাস করে না। কিন্তু প্রতিদিন যেভাবে প্রতিটি ঘটনা মানুষের শোওয়ার ঘরে ঢুকে যাচ্ছে তার একটা প্রভাব তো আছেই।

    মিটিংয়ে উপস্থিত লোকজন আস্তে-আস্তে বিদায় নিচ্ছে। এতক্ষণ মিটিং হলের এককোণে বসে টেলিফোনে কথা বলছিল উৎপলের বন্ধু, ছায়াসঙ্গী, রাজ্য কমিটির আর এক সদস্য মনোময় দাশ। সে এবার এগিয়ে এসে বলল, “আমি আজ পার্টি অফিসে থেকে যাব। তুই বাড়ি যা। রাত দশটা বাজে। শুক্লা না খেয়ে বসে আছে।”

    সাইড ব্যাগ কাঁধে নিয়ে উঠে দাঁড়ায় উৎপল। টুকটুক করে পার্টি অফিসের সিঁড়ি দিয়ে নেমে গাড়িবারান্দায় দাঁড়ায়। তাকে দেখে একটি সাদা অ্যাম্বাসাডর এগিয়ে আসে। গাড়িতে উঠে নাক টানে উৎপল, “মাস্তা, কিছু খেয়েছিস নাকি? গন্ধ আসছে কেন?”

    ড্রাইভারের আসন থেকে উৎপলের বয়সি মানুষটি বলে, “আমি খাইনি। হাফবান্টি খাচ্ছিল। গাড়িতে গন্ধ রয়ে গিয়েছে।”

    উৎপল মাস্তার কথা বিশ্বাস করল না। গাড়ি থেকে নেমে বলল, “আমি তোর মুখ শুঁকব।”

    “শোঁকো। হ্যাঃ! হ্যাঃ।” উৎপলের মুখের কাছে এসে দু’বার শ্বাস ছাড়ে মাত্তা। উৎপল মুখে হাত চাপা দিয়ে বলেন, “ইস! কী দুর্গন্ধ! কত দিন দাঁত মাজিস না?”

    ড্রাইভারের আসনে বসে মান্তা বলে, “দাঁত না মাজলে পুলিশে ধরবে?”

    উৎপল এখনও গাড়িতে ওঠেনি। সে বলল, “মাতালটা কোথায়?” গাড়ি থেকে মান্তা ইশারা করল, “ওই কোণে শুয়ে আছে।”

    মান্তা আর হাফবান্টির জন্য খারাপ লাগে উৎপলের। ছেলে দুটোকে নিজের হাতে তৈরি করেছিল। আদর্শগত নানা ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিল। সেগুলোর জন্য নিয়মিত বকুনিও খেত। কিন্তু ‘৯৫ সালে একটা বাজে ঘটনার সঙ্গে নিজেদের জড়িয়ে ফেলল। উৎপল ওদের বহুবার বলেছিল, আজেবাজে মেয়ের পাল্লায় পড়িস না। সেকথা শুনলে তো! একটা বেশ্যা আর একটা দালাল মিলে ওদের দু’জনকে ভুলিয়ে ভালিয়ে রেসকোর্সের মাঠে নিয়ে গিয়েছিল। কী হয়েছিল কে জানে! ছেলেদুটো মেন্টালি আপসেট হয়ে পড়ে। উৎপলই ময়দান থানার মেজবাবুকে বলেকয়ে ওদের বাঁচায়।

    তরুণ তুর্কিরা থানাপুলিশের হাত থেকে বাঁচল বটে, কিন্তু ওদের রাজনৈতিক উত্থান বন্ধ হয়ে গেল। ডানাছাঁটার কাজটা উৎপলই করেছে। জমানা বদলাচ্ছে। এখন আর শুধু মাস্ল পাওয়ার দিয়ে হবে না। ব্রেন এবং মাস্ল একসঙ্গে চাই। অনেক নতুন শার্প শুটার আসছে, যাদের ক্ষুরধার বুদ্ধি। অ্যাকশন স্কোয়াডে তাদের নিয়ে, মান্তা আর হাফবান্টিকে গাড়ি চালানো আর পার্টি অফিস দেখাশোনার দায়িত্ব দেয় উৎপল। আগের সেই ঝাঁ চকচকে ভাব ওদের মধ্যে আর নেই। বয়স বেড়েছে, পার্টি ক্ষয়িষ্ণু হয়েছে, তবে উৎপলের প্রতি বিশ্বস্ততা যায়নি কারও।

    হাফবান্টি খাটিয়ায় শুয়ে রয়েছে। মদ খেয়ে আউট। মুখের চারিদিকে মাছি উড়ছে। দৃশ্যটা দেখে গা গুলিয়ে উঠল উৎপলের। মাথা ঘুরে গেল। দেওয়াল ধরে দাঁড়াল সে। এইসব ছেলেদের জন্যই আজ পার্টির এই হাল! পার্টি অফিসের মধ্যে মাল খেয়ে পড়ে রয়েছে।

    রাগের চোটে রগ দপদপ করছে। কোনওরকমে গাড়িতে উঠে বসল উৎপল, মান্তাকে বলল, “বাড়ি চল। শরীরটা ভাল লাগছে না।”

    “মনাদা আসবে না?” জানতে চায় মান্তা।

    “মনোময়… আসবে…” জড়ানো গলায় বলে উৎপল।

    উৎপলের কথা শুনে মান্তা ভাবে অভিন্নহৃদয় বন্ধুও এল বলে। সে গাড়িতে স্টার্ট না দিয়ে বসে থাকে।

    উৎপলের সামনে মান্তা সিগারেট খায় না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে বোর হয়ে, গাড়ি থেকে নেমে হাফবান্টির খাটিয়ায় বসে একটা সিগারেট ফুঁকে আবার গাড়িতে ফেরত এল। উৎপলকে জিজ্ঞাসা করল, “দাদা এল?”

    উৎপল কোনও উত্তর দিল না।

    “ধুর বাবা!” গজর-গজর করতে-করতে পার্টি অফিসে ঢোকে মান্তা। দোতলায় উঠে তার চোখ ছানাবড়া। মনোময় রুটি আর ডাল দিয়ে রাতের খাবার সারছে। অবাক হয়ে মান্তা বলল, “তুমি যাবে না? দাদা তো গাড়িতে বসে আছে!”

    মনোময় অবাক হয়ে বলল, “উৎপলের মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি? আমি তো ওকে বললাম যে, রাতটা এখানে থেকে যাব। কাল ভোরবেলা অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে একটা ডেলিগেশন আসবে…”

    কী জানি বাবা! মাথা চুলকোতে চুলকোতে গাড়ির কাছে ফিরে যায় মাস্তা। মনোময় খাবার থালা নিয়ে পিছন পিছন আসে। গাড়ির পিছনের জানালা দিয়ে উঁকি মেরে বলে, “কাল থেকে ক্যাম্পেন শুরু। এখনই পেগলে গেলে চলবে?”

    উৎপল চুপ। মনোময় হাতের থালা মেঝেতে রেখে উৎপলকে ধাক্কা দেয়। পাশবালিশের মতো গড়িয়ে পড়ে উৎপল।

    মান্তা একলাফে ড্রাইভারের আসনে বসেছে। মনোময় ড্রাইভারের পিছনের সিটে বসে উৎপলের মাথা নিজের কোলে নিল। তার হাত চটচট করছে। হাত তুলে মনোময় দেখল, হাতময় রক্ত।

    উৎপলের নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। পাল্স দৌড়চ্ছে টগবগ করে। মনোময় বলল, “মান্তা, তাড়াতাড়ি চল।”

    “কোথায়?”

    “সেন্টিনেল মেডিক্যাল রিসার্চ ইন্সটিটিউট, “ রক্তমাখা হাতে বুকপকেট থেকে মোবাইল বের করে অদ্রীশ ঘোষের নম্বর ডায়াল করে মনোময়। বারাসতের এই উকিলের সঙ্গে একসময় উৎপল আর মনোময়ের দহরম মহরম ছিল। ওঁর ছেলে সেন্টিনেলে আছে।

    *

    “বন্ধুরা, একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না। স্বাগত সরকারের নতুন দল সত্যিই একটি নতুন দল, বয়স মাত্র পাঁচ বছর। অর্থাৎ দলটি এখন তার শৈশবে। আর এই শিশু দলের হয়ে যিনি দাঁড়িয়েছেন তাঁর নাম স্বাগত সরকার। যিনি আমাদের পার্টি থেকে বহিষ্কৃত। কেন বহিষ্কার? সেকথা আপনাদের অজানা নয়। জনাদেশ পার্টি ক্ষমতালিপ্সাকে ঘৃণার চোখে দেখে। অর্থনৈতিক দুর্নীতিকে ঘৃণার চোখে দেখে। এই দুই অভিযোগ ছিল শিশু দলের ধেড়ে খোকার নামে। তাই বহিষ্কার। আপনারা ধেড়ে খোকাকে ভোট দিলে এমন একটা রাজনৈতিক দলকে স্বাগত জানাবেন, যার প্রশাসন চালানোর যোগ্যতা শূন্য। ক্ষমতালোভী ও দুর্নীতিগ্রস্ত এই দলের হাতে মোহনপুর বিধানসভা আপনারা তুলে দিতে চান?”

    একটানা অনেকক্ষণ বলে পড় নিয়েছে মনোময়। সে একটা প্রশ্ন করেছে। আজ থেকে দশ বছর আগেও মোহনপুরের ময়দান গর্জে উঠে বলত, “না!” জনগণেশের সেই হুঙ্কার বুঝিয়ে দিত পরবর্তী ভোটের রেজাল্ট কী হতে চলেছে। কিন্তু আজ আর সে দিন নেই। পাটির সর্বক্ষণের কর্মীদের প্র্যাকটিস করা চিৎকার ছাড়া বাকি জনসভা নিস্তব্ধ। খুচরো এক-দুটো হাততালি পড়ল।

    শ্রোতৃবৰ্গকে ধন্যবাদ জানিয়ে মনোময় মাইক ছাড়ছে এমন সময় ভিড়ের থেকে একজন চেঁচিয়ে বলল, “উৎপলদা কোথায়? নির্বাচনি জনসভাতেই যদি প্রার্থীকে দেখা না যায়, তাহলে পরে কী হবে?”

    মনোময় সামনের দিকে তাকাল। যে বলেছে তাকে তার বন্ধুরা চাঁটিয়ে বসিয়ে দিল।

    কিন্তু এই প্রশ্ন মনোময়কে রোজ ফেস করতে হচ্ছে। প্রশ্ন করছে মানুষ, প্রশ্ন করছে মিডিয়া। এবার এই প্রশ্ন নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। মানুষকে উত্তর দেওয়ার সময় এসেছে। আজই পার্টি অফিসে গিয়ে ক্রাইসিস নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

    *

    পার্টির রাজ্য সম্পাদক মলয় মুস্তাফি কম কথার মানুষ। সন্ধের মিটিংয়ে নিজে থেকেই বললেন, “আমাদের উৎপলের কী খবর?”

    মনোময় বলল, “সেন্টিনেলের আইসিইউতে ভর্তি আছে। ডক্টর কৃতান্ত চট্টোপাধ্যায়ের আন্ডারে। আমি একটু আগেই ফোনে ওঁর সঙ্গে কথা বললাম। উনি বলছেন, উৎপলের সারভাইভ করার চান্স নেই।”

    “উৎপলের হয়েছিল কী?”

    “ও হাই ব্লাড প্রেশারের রোগী। বোধহয় কয়েকদিন প্রেশারের ওষুধ খায়নি। যেদিন আমাদের নির্বাচনি প্রচার শুরু হল, তার আগের দিন রাত দশটা পর্যন্ত এখানে মিটিং করেছে। তারপর নিজেই নেমে, গাড়িতে গিয়ে বসেছে। আমি নীচে গিয়ে দেখি, সে অজ্ঞান। নাক দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। আমি তখনই ওকে নিয়ে সেন্টিনেলে দৌড়ই। আমাদের বারাসতের এক ডাক্তার ওখানে কাজ করে। সিটি স্ক্যান করে বলল, স্ট্রোক হয়েছে। শিরা ছিঁড়ে ব্রেনে হেমারেজ। স্ক্যানে দেখা যাচ্ছে, অনেকটা জায়গা জুড়ে রক্ত জমাট বেঁধে আছে।”

    মলয় বলল, “উৎপলের প্রসঙ্গটা আগে শেষ করা যাক। তারপর নির্বাচনের প্রসঙ্গে আসছি। আচ্ছা মনোময়, উৎপল কি ভেন্টিলেটরে আছে?”

    “হ্যাঁ। ডক্টর চ্যাটার্জি বলেছেন যে, ভেন্টিলেটর থেকে বের করে নিলেই ও মরে যাবে। সেই রাতে আমি এত হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম যে, তোমাদের কাউকে কিছু জানাইনি। বোকার মতো ভেবেছিলাম, ও দু’-এক দিনের মধ্যে উঠে বসবে। তখন সব জানাব। এইরকম জটিল পরিস্থিতি হবে, কে জানত!”

    মলয় বলল, “এখানেই নির্বাচনের প্রসঙ্গটা আসছে। ১৫ নভেম্বর প্রার্থী ঘোষণা করা হল। ১৬ নভেম্বর উৎপলের স্ট্রোক হল। এখনও পর্যন্ত কেউ জানে না যে, আমাদের প্রার্থী কোথায়। কিন্তু এখন জানাতে হবে। শুধু তাই না, বলতে হবে সে কোমায় আচ্ছন্ন।”

    মনোময় বলল, “শুক্লা খুব কান্নাকাটি করছে।”

    মলয় বলল, “সত্যি কথাটা জনগণের সামনে তুলে ধরা উচিত।”

    “আমরা যদি বলে দিই যে, উৎপল মৃত্যুশয্যায়, তা হলে একটা ভোটও পাব না।”

    “হ্যাঁ, বলে দেব। সত্য গোপন করে পার্টির ব্লান্ডার ছাড়া কিছু হয়নি। সত্যি কথা বলে দেখা যাক না! কী আর হবে? বড়জোর মোহনপুর বাই ইলেকশন হেরে যাব। তার বেশি তো কিছু নয়!”

    মনোময় এবং মলয় দু’জনেই রাজ্য কমিটির সদস্য। পার্টিলাইন নিয়ে মতাদর্শগত তফাতও সুবিদিত। উৎপল আর মনোময়ের লবি এতকাল পার্টি কর্মসূচির নিয়ন্ত্রক ছিল। আজ মলয়কে আপার হ্যান্ড নিতে দেখে মনোময় ঠান্ডা চোখে তার দিকে তাকাল। মলয়ও শীতল দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে মনোময়ের দিকে।

    উৎপলের অনুপস্থিতিতে পার্টি কোন পথে চলবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }