Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প199 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিন পরে যায় দিন

    খবরের কাগজ হিসেবে ‘ক্যালকাটা সিটিজেন’ বেশ ওজনদার। ইংরেজি সংবাদপত্রের জগতে নতুন খবরের কাগজের জন্ম হওয়া এবং বছর তিনেকের মধ্যে দেহ রাখার লম্বা লিস্টি আছে। সিসি সেইসব কাগজের মধ্যে পড়ে না। গত ১০ বছর ধরে কাগজটা রমরমিয়ে চলছে অডিট ব্যুরো অফ সার্কুলেশনের হিসেব অনুসারে পূর্ব ভারত থেকে প্রকাশিত খবরের কাগজের মধ্যে সিসির অবস্থান উপরের দিকে।

    ক্যালকাটা সিটিজেনের সম্পাদক পুষ্কর ভৌমিক। সাংবাদিক মহলে ডাকনাম পিবি। ১০ বছর আগে জওহরলাল নেহরু রোডের একটি বহুতলের বেসমেন্ট-সহ নীচের চারটে তলা জুড়ে শুরু হয়েছিল সিসির পথ চলা। বেসমেন্টে কার পার্কিং এবং গোডাউন। একতলায় প্রেস, বিজ্ঞাপনের বিভাগ ও ফ্রন্ট অফিস। দুই ও তিনতলা জুড়ে খবরের কাগজের অফিস। চারতলাটি এখনও ফাঁকা। তবে যে হারে কাগজের বিক্রি বাড়ছে, নেট এডিশন ঢুকছে, তাতে ফ্লোর আর বেশিদিন ফাঁকা থাকবে না।

    যারা কাগজটি পছন্দ করে না, তারা বলে সদ্য যারা ইংরেজি শিখেছে, কাগজটা তাদের জন্য। কিন্তু পিবির সাফকথা, “কপি লিখবে মফস্সলের কলেজ ছাত্রছাত্রীর কথা ভেবে। বালিগঞ্জের বাসিন্দার জন্য অন্য কাগজ আছে।”

    সিসির বিক্রি জেলা এবং মফস্সলে। কলকাতার লোকে এই কাগজ কম পড়ে। পিবি তা নিয়ে চিন্তিত নন। তিনি বলেন, “বাঙালি মূলত অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত একটি জনগোষ্ঠী। এরা ভাবে, এরা সব জানে। আসলে কিস্সু জানে না। রবীন্দ্রনাথ পড়েনি, বঙ্কিমচন্দ্র পড়েনি, শরৎচন্দ্র-র ‘দেবদাস’ গপ্‌পোটা সিনেমা দেখে জানে। এখানে কুন্দেরা, মার্কেজ়, মুরাকামি, পামুক চলবে না।” পিবি এই বিশ্বাস সব স্তরের কর্মচারীর মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। সিসির মূল আকর্ষণ রাজনৈতিক খবর। তারপরেই খেলার পাতা।

    ঐশানীর বসের নাম তরুণ দাশ। চিফ এই রিপোর্টারের বয়স পঞ্চাশের আশেপাশে। টালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে একা থাকে। ঐশানী যদ্দুর জানে, বিয়ে একটা হয়েছিল। কিন্তু ওয়কোহলিক স্বামীর সঙ্গে সেই মহিলা দু’বছরও থাকতে পারেনি। মিউচুয়াল ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে।

    তরুণ যেমন বেঁটে তেমন মোটা। ফুটবলের মতো চেহারা নিয়ে খরগোশের ক্ষিপ্রতায় কাজ করে। ডেস্ক এবং রিপোর্টিংয়ের সাংবাদিকদের ধমকে, চমকে, ভালবেসে, আদর করে, চাকরি খাওয়ার ভয় দেখিয়ে, ইনসেনটিভ দিয়ে কাজ উদ্ধার করা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্ত চাকরিগুলোর মধ্যে একটা। তরুণ সেটা অনায়াসে করে।

    চিফ রিপোর্টারের কিউবিকলের নাম টর্চার চেম্বার। সেখানে ঢুকলে কড়া কফি, এক্সট্রা চিজ় দেওয়া বার্গার আর কোলার মিশ্রণে তৈরি বিচিত্র এক গন্ধ নাকে আসে। টেবিলে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, একটা ল্যান্ডফোন, একাধিক মোবাইল, তাড়াতাড়া কাগজ নিয়ে সকাল ১০টায় তরুণের দিন শুরু হয়। শেষ হয় রাত ১২টায়। অসম্ভব রাগী, প্রচণ্ড ডিম্যান্ডিং, নিজেকে ‘আই অ্যাম দ্য বেস্ট’ ভাবা তরুণের জীবনের একটাই লক্ষ্য, ‘লিভ অ্যান্ড লেট ডাই’। তাঁর মতে, কর্মচারীরা গাধা। চাবকে কাজ আদায় না করলে চলবে না।

    সিসিতে জয়েন করার পরে তরুণের হাত দিয়ে একের পর এক স্কুপ বেরিয়েছে। জনাদেশ সরকারের গণভিত্তি টলিয়ে দেওয়ার মতো খবর। লোকটা সারা পৃথিবী ঘুরেছে। বন্যা, খরা, মহামারী, টাইফুন, টর্নেডো দেখা তরুণের একটাই আফসোস, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ দেখা হল না!

    এই লোক ঐশানীর বস। আর সহকর্মীর নাম নীলিমা রায়। সবাই লিমা বলে ডাকে। ঐশানীর সমবয়সি, রোগাপাতলা লিমার ইউনিফর্ম হল জিন্‌স আর মেসেজ টি-শার্ট। মেয়েটা এত রোগা যে, বৃষ্টির ফোঁটার মধ্যে দিয়ে গেলেও গায়ে জল লাগে না। ওজন ৪০ কিলোর আশেপাশে। ঐশানী বহুবার বলেছে, “দ্যাখ লিমা, তোর এড্‌স অথবা ক্যানসার, কিছু একটা হয়েছে।”

    লিমা শ্রাগ করে বলেছে, “তুই যা ধুমসি, আমাকে হিংসে তো করবিই!” ইন ফ্যাক্ট, লিমার ফিগার দেখে ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভুগেই ঐশানী ডায়েটিং শুরু করেছে।

    যাদবপুর এইট বি বাস স্ট্যান্ডের লাগোয়া মেয়েদের পিজি অ্যাকোমডেশনে থাকে লিমা। আদি বাড়ি বলে কিছু নেই। রেলের চাকরির সূত্রে ভারতের দূরদূরান্তে পোস্টিং হত লিমার বাবার। সেসব জায়গায় না থাকত স্কুল, না থাকত কলেজ বা জনবসতি। তা সত্ত্বেও লিমা বারো ক্লাসের পরীক্ষায় অসম্ভব ভাল রেজ়াল্ট করে। বাকি পড়াশোনা কলকাতায়। বাবা-মা নিয়ে শব্দ খরচ করে না লিমা। ঐশানী এইটুকু জানে যে, লিমার বাবা-মা এখন অরুণাচল প্রদেশে আছেন।

    ইংরেজিতে একটা কথা আছে। ‘স্মল টাউন মেন্টালিটি’। ছোট শহরের বাসিন্দারা কথাবার্তায়, আদবকায়দায়, পোশাক আশাকে মেট্রোপলিটন শহরের সঙ্গে পাল্লা দিতে চায়। এই ব্যামো শুধু ছোট শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। মুম্বই নিউইয়র্ক হতে চায়, কলকাতা মুম্বই হতে চায়, শিলিগুড়ি কলকাতা হতে চায়।

    স্থান আসলে কিছু হতে চায় না, হতে চায় মানুষ। যেমন লিমা চায়। সিসির ওয়র্কস্টেশনে কালীঠাকুরের মূর্তিতে সকালবেলা প্রণাম না করে তার দিন শুরু হয় না। আবার উন্নতি করার জন্য অবলীলায় ঐশানীর পিঠে ছুরি মারতে পারে। তরুণের মতো লিমার জীবনেরও মোটো, ‘লিভ অ্যান্ড লেট ডাই’। লিমাও বিশ্বাস করে, ‘আয়াম দ্য বেস্ট’। ঐশানী একটা কথা বুঝতে পারে না যে নিজেকে সেরা মনে করে, যে তার চারপাশের সবাইকে বোকা ভাবে, সে এত ইনসিকিয়োরিটিতে ভোগে কেন? ইচ্ছে না থাকলেও পিজি অ্যাকোমডেশনের মালিক ফটুদার সঙ্গে সপ্তাহে একবার শুতে হবে, এ আবার কেমন কথা!

    সেক্স নিয়ে ঐশানীর ছুৎমার্গ নেই। কে কার সঙ্গে শোবে, কেন শোবে, কোথায় শোবে, এই নিয়ে চিন্তাই করে না। তবে নিজের ব্যাপারে ও পিউরিটান। সীমান্তকে চুমু খেয়েছে। কিন্তু সময় এবং সুযোগ পেলেও আর এগনোর ইচ্ছে নেই। লিমার ব্যাপারটা ঐশানী সমর্থন করে না।

    লিমা নিজেই বলেছে, “ফন্টু ইজ ক্লামজি ইন বেড। জাস্ট কিস্সু পারে না।”

    “তাহলে শুস কেন?” জানতে চেয়েছে ঐশানী।

    “বেশ করি। তোর কোনও প্রবলেম আছে?”

    “আছে। যে-কাজটা ভাল লাগে না, সেটা করিস কেন?”

    “পিজির মালিককে হাতে রাখতে। কোনদিন পিজির ভাড়া বাড়িয়ে আমাকে ভাগানোর চেষ্টা করবে, তখন আমার একটা লিভারেজ চাই। ফন্টুর ‘ক্ষুদ্র ও বাঁকা’ লিভারটা সেই জন্য।”

    “ভ্যাট!” লিমার বাজে কথা হাত দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে ঐশানী ভাবে, এই কোলিগের সঙ্গে তাকে ঘর করতে হবে।

    সকালবেলা হেঁটে অফিসে আসে ঐশানী। খেলাঘর থেকে বেরিয়ে গলির মধ্যে দিয়ে মিনিট পাঁচেক হাঁটলেই সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যার। লেনিন সরণি ধরে ধর্মতলার দিকে হাঁটার সময়ে কোনও ট্রাম পেলে ঐশানী উঠে পড়ে, না পেলে হন্টন। চৌরঙ্গি থেকে জাদুঘর পর্যন্ত যাওয়ার জন্য এগারো নম্বরই ভরসা। জওহরলাল নেহরু রোডে এত সিগন্যাল যে, হেঁটে বাসের চেয়ে তাড়াতাড়ি যাওয়া যায়। হেঁটে অফিস গেলেও বাড়ি ফেরার সময় ঐশানী পুলকার নেয়। বেশি রাতে কলকাতা শহরে হাঁটাচলা করাটা মেয়ে বা ছেলে, দু’দলের পক্ষেই বেশ রিস্কি।

    ঐশানীর অফিস তিনতলায়। সেন্সরে আইকার্ড ছুঁইয়ে লবিতে পৌঁছল ও। লিফটের বদলে সিঁড়ি ধরল। টানা ৪০ মিনিট হাঁটার ফলে ঘেমেনেয়ে একাকার! সবার আগে টয়লেটে গিয়ে গায়ে ডিও ছড়াতে হবে।

    নিজের ওয়র্কস্টেশনটি সচেতনভাবে পলিটিকালি কারেক্ট রেখেছে ঐশানী। স্কুলের গ্রুপ ফোটো আর ইয়ার প্ল্যানার সাঁটা আছে সবুজ ফেল্টবোর্ডে। আর আছে ছোট্ট টবে একটা অর্কিড।

    বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে, ড্রয়ারে ব্যাগ রেখে লিমার দিকে তাকাল ঐশানী। লিমার টেবিলে দু’-তিনটে ইয়াব্বড়ো ফাইল। একটা ফাইল খুলে সে আজকের ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ পড়ছে। ঐশানীকে আড়চোখে দেখে বলল, “গতকাল কিছু মিস করে গেলাম কি না দেখছি। বাই দ্য ওয়ে আই নিড ইয়োর হেলপ।”

    বাবা! এ তো ভূতের মুখে রামনাম! লিমার সাহায্য লাগবে, তাও আবার তার প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে! বড় খবর। ঐশানী একটিও শব্দ খরচ না করে নিজের চেয়ারে বসে মেশিন অন করল। অফিশিয়াল মেলগুলো চেক করা যাক। এক্ষুনি টর্চার চেম্বারে ডাক পড়বে।

    “উত্তর দিচ্ছিস না যে।” চেয়ার ঘুরিয়ে বসেছে লিমা।

    “বল।”

    “আজ সন্ধেবেলা অ্যাবরশন করাতে যাব। তুই সঙ্গে থাকবি। বসকে বলা আছে।”

    মনিটর থেকে চোখ সরিয়ে লিমার দিকে অবাক হয়ে তাকাল ঐশানী। তার মনে একগাদা প্রশ্ন গিজগিজ করছে। লিমা সত্যিই প্রেগন্যান্ট? বাচ্চাটার বাবা কে? অ্যাবরশন করানো কি এতটাই ক্যাজুয়াল একটা ব্যাপার? নাকি লিমা প্রসঙ্গটা ক্যাজুয়াল রাখার চেষ্টা করছে? অ্যাবরশন করাতে কোথায় যাবে? কে অ্যাবরশন করবে? দু’ঘণ্টার মধ্যে সব হয়ে যাবে? লিমার পিজিতে কিছু বুঝতে পারবে না?

    লিমা খুব মন দিয়ে ঐশানীকে দেখছে। নিচু গলায় বলল, “এত চাপ নিচ্ছিস কেন? অ্যাবরশন আমার হবে, তোর নয়।”

    “না… মানে…”

    “বাচ্চাটা ফন্টুর। কৌতূহল মিটল?”

    “ওফ! আমি জিজ্ঞাসা করিনি।”

    “ওটাই একমাত্র কোয়্যারি। এবার বল। যাবি তো?”

    “তুই যে বলেছিলি ফন্ট কিছু পারে না!”

    “বাচ্চা করার মধ্যে আবার পারাপারির কী আছে? এ তো ভ্যাকসিনের বিজ্ঞাপন ‘দো বুঁদ জিন্দগি কী!”

    বিরক্ত হতে গিয়ে হেসে ফেলে ঐশানী। লিমার হাত ছুঁয়ে বলে, “আচ্ছা যাব। কিন্তু তোরা প্রিকশন নিস না কেন?”

    “মিলিয়ন ডলার কোয়েশ্চেন!” কপাল চাপড়ায় লিমা, “আসলে ফন্ট ওরালটাই প্রেফার করে। একদিন অন্য রুটে গেল আর সেদিনই ক্যাচ কট কট!”

    “থাক থাক,” নিজের মেশিনে মাথা গোঁজে ঐশানী, “আমাকে কাজ করতে দে। এক্ষুনি টর্চার শুরু হবে।”

    অফিসে ঢুকেই তরুণের সঙ্গে মিটিং সেরে নিতে হয়। সেই মিটিংয়ে গতকালের স্টোরির কাটাছেঁড়া আর আগামিকালের স্টোরি নিয়ে ব্রেন স্টর্মিং হয়। স্টোরির ফিডব্যাক ভাল থাকলে কোনও প্রশংসা নেই। যদি বানান ভুল, তথ্যগত ত্রুটি বা ভুলভাল মন্তব্য থাকে, খিস্তি করে ভূত ভাগিয়ে দেয়। মেয়ে বলেও রেয়াত করে না।

    ইন্টারকম বাজছে। রিসিভারে হাত না দিয়ে দু’জনে উঠল। তরুণের কিউবিল থেকে মহাকরণ বিটের অতনু বেরচ্ছে। লিমাকে বলল, “নো চাপ। বসের আজ মেজাজ ভাল।”

    গুড নিউজ়! ঐশানী আর লিমা টর্চার চেম্বারে ঢুকে চেয়ারে বসল।

    বার্গারে কামড় দিয়ে হাফকাপ কফি গলায় ঢেলে গোরুর মতো জাবর কাটতে কাটতে তরুণ বলল, “গতকালের স্টোরি ঠিক আছে। কফি খাবি?”

    ঐশানী আর লিমা একসঙ্গে ঘাড় নাড়ল। অত চিনি দেওয়া কফি খেলে একদিনে ওজন মগডালে উঠে যাবে। বাকি হাফ কাপ গলায় ঢেলে তরুণ বলল, “আজকের ইনসিডেন্ট?”

    হেল্থ বিট করার সুবাদে ঐশানী আর লিমার কাজ হল কলকাতা এবং আশেপাশের সরকারি হাসপাতালের সুপার, বেসরকারি নার্সিংহোমের পরিচিত ডাক্তার, বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতা, এদের ফোন করে খবরের সন্ধান করা। সরকারি হাসপাতালের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা, ডায়েটের খারাপ কোয়ালিটি, নিম্নমানের যন্ত্রপাতি সাপ্লাই, এই সব ইনসিডেন্ট যে-কোনও কাগজের হেল্থ বিটের প্রধান বিষয়।

    ঐশানী বলল, “এবার ফোনাফোনি শুরু করব।”

    “ইনসিডেন্ট ছাড়া তোর মাথায় নতুন কিছু আছে? “চুল আর ক্লিপ ছাড়া আর কিছু নেই।”

    “হুম!” মাথা নিচু করে তরুণ বলল, “হাসতে হবে?”

    “এটা জোক নয়।”

    “এনিওয়ে,” আড়মোড়া ভেঙে লিমাকে নিয়ে পড়ল তরুণ, “তোর মাথাতেও কি চুল আর ক্লিপ ছাড়া কিছু নেই?”

    “হত্যার অধিকার নিয়ে একটা স্টোরি করছি।”

    “আমাদের কাগজের জন্য?” সরু চোখে লিমার দিকে তাকাল তরুণ। লিমা শ্রাগ করে বলল, “মফস্সলের সদ্য ইংরেজি শেখা ছেলেমেয়েদের জন্য কপি লেখার মানে এই নয় যে, নিজেদের মধ্যে কথা বলার সময়েও আইকিউ ৩০-এ নামাতে হবে। হত্যার অধিকার মানে হল…”

    “তোর আইকিউ ৩০-এ নামেনি লিমা। ৩০-এ উঠেছে। এনিওয়ে, বল।”

    “হত্যা কাকে বলে? ভারতীয় দণ্ডবিধির দফা ৩০২ বা দফা ৩০৪, কালপেল হোমিসাইড অ্যামাউন্টিং টু মার্ডার বা কালপেল হোমিসাইড নট অ্যামাউন্টিং টু মার্ডার, এর মধ্যে হত্যাকে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। খুনের সংজ্ঞা কে ঠিক করবে? মানুষ? আর রাষ্ট্র যখন আসামিকে ফাঁসিতে চড়ায়, সেটা খুন নয়? রাষ্ট্রের বিচার কে করবে? হু উইল গার্ড দ্য গার্ডস?”

    কথার মধ্যেই তরুণ গুনগুন করে মান্না দের গান গাইছে। ‘মানুষ খুন হলে পরে, মানুষই তার বিচার করে। নেই তো খুনির মাপ। তবে কেন পায় না বিচার নিহত গোলাপ?’ ১৫ সেকেন্ড সুর ভাঁজার পরে বলল, “ঐশানী, লিমার আইডিয়া কেমন লাগল?”

    “সেনসিটিভ ইস্যু। এই নিয়ে কিছু লেখার আগে আমি একশোবার ভাবতাম।”

    “আমি ঐশানীর সঙ্গে একমত নই,” কোলায় চুমুক দেয় তরুণ, “লিমা, ইউ উইল গেট টু ডেজ় টু কমপ্লিট দ্য স্টোরি।”

    “ঠিক হ্যায়।”

    কোলার ক্যান টেবিলে রেখে তরুণ বলল, “ঐশানী, ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত বাচ্চার বোনম্যারো ট্র্যান্সপ্লান্টেশন নিয়ে তুই যে স্টোরি করলি, সেটার ফিডব্যাক ভালই।”

    “সে তো লাস্ট উইকে, “ অবাক হয়ে বলল ঐশানী, “আজ সেই প্রসঙ্গ কেন?”

    ঢেকুর তুলে তরুণ বলল, “বোনম্যারো ট্র্যান্সপ্লান্টের খরচা তোলার জন্য বাচ্চাটার স্কুলের বন্ধুরা রবি ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ মঞ্চস্থ করছে। অসুস্থ বাচ্চাটার সঙ্গে ‘ডাকঘর’-এর অমলকে মিলিয়ে তোর সেই স্টোরি সব্বাই গপগপিয়ে খেয়েছে। ‘ডাকঘর’ করে পাঁচহাজার টাকা উঠেছিল। টাকার অভাবে বোনম্যারো ট্র্যান্সপ্লান্ট হয়নি। বাচ্চাটা মরে গিয়েছে। কিন্তু সেকথা পাঠকের না জানলেও চলবে। তুই পাঠককে ডিসটার্ব করিস না, পাঠককে ‘ভাল থাকা’-র ইলিউশন দিস।”

    “তুমি আমার প্রশংসা করছ, না নিন্দে।”

    “তোকে নিয়ে আমার কোনও আগ্রহ নেই। আমি তোর লেখার কথা বলছি।”

    “হোয়াটএভার…”

    “বাউড়িয়ার কারখানা থেকে বিষাক্ত গ্যাস লিক হওয়ার ফলে কারখানার ১০জন লেবারার মারা গিয়েছিল। একজন বেঁচে ছিল। তুই সেই লোকটাকে নিয়ে স্টোরি করলি। তোর স্টোরিতে লোকটার স্ট্রাগলের কথা ছিল। সে কীভাবে কারখানার দোতলা থেকে ঝাঁপ মেরে প্রাণে বেঁচেছিল, তার রুদ্ধশ্বাস বর্ণনা ছিল। ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা দিয়ে স্টোরি শেষ হয়েছিল। তুই সত্য, শিব ও সুন্দরের উপাসক।”

    “হোয়াটস রং ইন দ্যাট?”

    “যে-দশজন লেবারার অক্সিজেন না পেয়ে, বিষাক্ত গ্যাস ফুসফুসে নিয়ে ধুঁকতে ধুঁকতে মরে গেল, তারা মরার সময়ে ঈশ্বরকে কী বলেছিল, সেটা কখনও ভেবে দেখেছিস? হ্যাভ ইউ এভার বিন নিয়ার ডেথ?”

    “আহ! দ্যাট্স দ্য পয়েন্ট। এতক্ষণে বুঝলাম। এটা আমার ইন্টারনাল বিল্ডআপ তরুণদা। জীবনের প্রতি আমার একটা পজিটিভ অ্যাটিটিউড আছে। সেটা আমার লেখাতে এসে যায়। তুমি যদি বলো যে, হেলথ বিটে মৃত্যু চেতনা আনতে হবে, তাহলে সেটা করে দেব। আমি ভাষাশ্রমিক। যেমন কাজ দেবে, উত্তরে দেব।”

    লিমা চুপচাপ কথোপকথন শুনছিল। বলল, “সকালবেলায় প্রচুর বাজে ভাট হচ্ছে। কাজের কথা হোক।”

    তরুণ বলল, “কাজের কথা বলার আগে একটু ভাট ভাল। নাও, লেট মি কাম টু দ্য পয়েন্ট। অ্যাকট্রেস নন্দিনী সরকার আজ সকালে সেন্টিনেল মেডিকাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের আইসিইউতে ভর্তি হয়েছে কী হয়েছে, ক্লিয়ার নয়। সেন্টিনেলের ডাক্তাররা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেউ বলছে সুইসাইড অ্যাটেম্পট। টালিগঞ্জ বিটের অত্রি অলরেডি সেন্টিনেলে পৌঁছে গিয়েছে।”

    ঐশানী অভিব্যক্তিশূন্য মুখে তরুণের দিকে তাকিয়ে রইল। তার মাথায় নানান প্রসঙ্গ ঘুরপাক খাচ্ছে। আজ সকালেই মায়ের সঙ্গে নন্দিনী সরকারকে নিয়ে আলোচনা হল। ‘ওয়েটিং রুম’ সিনেমায় নন্দিনীর লং স্কার্ট, ট্যাটু আর হেয়ারকাট নিয়ে কত কথা। সেই নন্দিনী আইসিউতে?

    আর এমন একটা নার্সিংহোমে, যেখানে সীমান্ত মেডিকাল অফিসার? যে-খবর সিসির টালিগঞ্জ বিট পাবে না, যে খবর লিমা পাবে না, সেই খবর এক ফোনে পেয়ে যাবে ঐশানী। এই স্টোরি তাকে করতেই হবে।

    আগ বাড়িয়ে কিছু বলবে না ঐশানী। দেখা যাক তরুণ কী ভাবছে। লিমাকে অ্যাবরশন করাতে নিয়ে যাওয়ার ঝামেলাটা আজকেই ঘাড়ে চাপল? ধুর বাবা। টর্চার চেম্বার থেকে বেরিয়েই লিমাকে কাটাতে হবে। আগামীকাল অ্যাবরশন করালে মহাভারত অশুদ্ধ হবে না।

    বিচ্ছিরি ঢেকুর তুলে তরুণ ঐশানীকে বলল, “অ্যাবরশনের গপপো ফেঁদে লিমা সেন্টিনেলে ভরতি হচ্ছে, ডক্টর কুইলার আন্ডারে। ঘণ্টাপাঁচেক অ্যাডমিট থেকে রাত্তিরেই চলে আসবে।”

    লিমার পিঠে থাপ্পড় কষিয়ে ঐশানী বলল, “তুই খুব বদ!” তারপর তরুণকে বলল, “সেন্টিনেলের সিকিউরিটি খুব স্ট্রং। তুমি যদি ভেবে থাক যে, গাইনি ডিপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে লিমা আইসিইউতে যাবে, ভুল ভেবেছ।”

    “আমাকে শেষ করতে দে,” ট্রাফিক সার্জেন্টের কায়দায় হাত তুলল তরুণ, “নন্দিনী সরকারের স্টোরির জন্যে আমি তিনজনকে রাখছি। টালিগঞ্জ বিটের অত্রি আর হেল্থের তোরা দু’জন। দেখা যাক, কওন কিতনা পানি মে! রাত ন’টার মধ্যে কপি চাই। ঠিক আছে?”

    এই ‘ঠিক আছে’র মানে ‘এবার আয়’। ইঙ্গিত বুঝতে পেরে লিমা চেয়ার ঠেলে উঠে টর্চার চেম্বার থেকে বেরিয়ে গেল। ঐশানী ভুরু কুঁচকে বসে রয়েছে। তরুণ বলল, “কী হল? ধ্যানফ্যান করছিস নাকি?”

    “তুমি একটু আগে বলছিলে, কোনও স্টোরি আছে কিনা। এখনই মাথায় একটা আইডিয়া এল। মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি বা অ্যাবরশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্টোরি হতে পারে। ল্যাম্পপোস্টে সাঁটা ঋতুবন্ধের বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে এমটিপি ক্লিনিক, সবই তো সাপ্লাই আর ডিমান্ডের তত্ত্ব মেনে। অ্যাবরশনের ইভলিউশন, ইতিহাস, রকমফের, ইকনমি, এথিক্যাল ও লিগাল দিক নিয়ে স্টোরি হতে পারে।”

    “নট আ ব্যাড আইডিয়া!” কাগজে খসখস করে তরুণ লেখে, ‘এমটিপি— ঐশানী’। বলল, “নন্দিনীর কেসটা সামলে এই কাজটা শুরু কর। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বড় সাপ্লিমেন্ট যাবে। তার আগে জমা করিস। ঠিক আছে?”

    ঐশানী বলল, “আচ্ছা, অ্যাবরশন কি মার্ডার?”

    “মানে?” তরুণ অবাক!

    “না…মানে…” ফাম্বল করছে ঐশানী, “লিমার বলা মার্ডার সংক্রান্ত কথাগুলো মনে পড়ছে। ‘ডেথ বাই হ্যাঙ্গিং’ মার্ডার নয়। আবার অ্যাবরশনও মার্ডার নয়। তা হলে খুন কাকে বলে?”

    তরুণ ক্যাজুয়ালি বলল, “ভ্রূণহত্যা মার্ডার নয়, কেননা ভ্রূণ মানুষ নয়। তার কোনও ওপিনিয়ন নেই।”

    “আমার ঠাকুরমা ১০০ বছর বয়সে, দু’বছর একটানা ভুগে, দগদগে বেডসোর নিয়ে মারা যায়। রোজ কাঁদতে-কাঁদতে আমার বাবাকে বলত, “ওরে! তুই আমাকে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেল।’ সেই মতামত কি গুরুত্বপূর্ণ?”

    “হোপফুলি তোর বাবা কাজটা করেননি।”

    “করেনি বলেই ঠাকুরমা দগ্ধে-দগ্ধে মরেছে। ইসুটা তাই আমাকে খুব ভাবায়,” টর্চার চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসে ঐশানী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }