Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    তৌফির হাসান উর রাকিব এক পাতা গল্প380 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিশিডাকিনী – সুষুপ্ত পাঠক

    নিশিডাকিনী

    স্কুল মাস্টারের চাকরি নিয়ে গ্রামে এসেছি। জয়েনের দিন পৌঁছুতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। হেডস্যর আমাকে দেখেই বললেন, ‘আসবেন ভাবিনি। শহর থেকে এই অজ পাড়াগাঁয়ে কে আর আসতে চায়, বলেন? যা হোক, তবু এসেছেন। আসতেও নিশ্চয়ই অনেক ঝামেলা হয়েছে? এখানকার রাস্তাঘাট খুবই খারাপ! বর্ষাকাল আসতে দেন, তখন দেখবেন অবস্থা। চোখের পানি নাকের পানি এক করে ছাড়বে-হা-হা-হা!’

    স্কুল ছুটি হয়ে গিয়েছিল। শুধু হেডস্যর ও একজন দপ্তরি ছাড়া কেউ নেই অফিসঘরে। ওখানে বসেই কথা হচ্ছিল ভদ্রলোকের সঙ্গে। স্কুল নিয়ে, স্থানীয় বাজারদর, রাজনীতি, নিজ ঘর-সংসার প্রায় সব কিছুই হড়বড় করে বলে গেলেন। ভদ্রলোক কথা বলতে ভালবাসেন। হঠাৎ তাঁর খেয়াল হলো আমি জার্নি করে এসেছি, টায়ার্ড। ব্যতিব্যস্ত হয়ে দপ্তরিকে ডেকে বললেন, আমাকে থাকার নির্ধারিত জায়গায় নিয়ে যেতে। কাল সকালে বিস্তারিত আলাপ হবে। থাকা-খাওয়া নিয়ে কোন সমস্যা হবে না।

    স্কুল থেকে গন্তব্যে হেঁটে পৌঁছুতে দশ মিনিট লাগল। ছোট্ট এক টিনের ঘর। মেঝেটা পাকা। একপাশে খাট পাতা, টেবিল-চেয়ার, একপাশে কাপড়-চোপড় রাখার আলনা, ব্যস এটাই আপাতত আমার বাসস্থান। বাইরে থেকে কোন শিক্ষক এলে তাকে এখানে এনে তোলা হয়। আশপাশে কোন বাড়ি-ঘর নেই পুরো উঠোনসহ আশপাশ ছেয়ে ফেলেছে বুনো ঝোপে। গৃহস্থবাড়ির কোন শ্ৰী-ছাঁদ নেই। বাড়ির পেছনে ডোবা। বেতঝাড়-বাঁশঝাড়ে সে জায়গাও অন্ধকার। চারপাশটা ঘুরে-ঘুরে দেখলাম। এমন সময় দপ্তরি ছেলেটা এসে বলল, চা দেয়া হয়েছে।

    ঘরে গিয়ে বসলাম। চা খেতে-খেতে এবার ছেলেটার সঙ্গে আলাপ করতে লাগলাম।

    ‘নামটাই তো এখনও জানা হলো না, ভাই। কী নাম তোমার?’

    ‘আমার নাম, স্যর, শরিফুল।’

    ‘তুমি কি এখানেও কাজ করো নাকি?’

    ‘জী, স্যর, বাইরে থিকা যেসব স্যর আসেন, তাঁরা সবাই এইখানেই ওঠেন। আমিই তাদের দেখাশোনা করি। আমার রান্না, স্যর, খারাপ না। আশা করি খাইতে খারাপ লাগব না।’

    ‘আমার কোন সমস্যা হবে না, শরিফুল। অনেক খারাপ রান্না খেয়ে অভ্যাস আছে। হোস্টেলে মেসে থেকে মানুষ হয়েছি। সবরকম অভ্যাস আছে, কোন সমস্যা হবে না।’

    শরিফুল মনে হলো এই কথায় খুবই সন্তুষ্ট হলো। অল্পক্ষণের মধ্যেই আমার সঙ্গে সে সহজ হয়ে গেল। বোঝা গেল আমাকে পছন্দ করেছে। বললাম, ‘তুমি থাকো কোথায়, শরিফুল? রাতে কি আমি এখানে একা থাকব?’

    যেন ন্যায্য কথা বলেছি, আবেগ দিয়ে শরিফুল বলল, ‘আপনি একা থাকবেন কেন, স্যর? আমি আছি না! ওই তো আমার ঘর!’ উঠোনের অন্যপাশে আমার ঘরটার প্রায় বরাবর ঝোপঝাড়ের কাছে নুয়ে পড়া এক বেড়ার ঘর আঙুল দিয়ে দেখাল শরিফুল। ‘আমি রাতে ওইখানেই শুই। নিশি রাতেও, স্যর, শুধু একটু শরিফুল কইয়া ডাক দিয়েন। আমি ফাল দিয়া চইলা আসব। কোন চিন্তা করবেন না, স্যর।’

    ‘খুব ভাল, শরিফুল। তোমাকে পেয়ে আমার ভরসা হচ্ছে।’

    নাস্তা খাওয়া শেষে শরিফুল কাপ-প্লেট ধুতে গেলে আমিও নিজের বিছানা- বালিশ গোছগাছ করতে লাগলাম। ব্যাগ খুলে ধোয়া চাদর বের করে খাটে বিছালাম। জামা-কাপড় বের করে আলনাটায় রাখলাম। টুথপেস্ট-ব্রাশ-রেযর সব গুছিয়ে রাখলাম টেবিলে। এরই মধ্যে কখন পুরোপুরি রাত নেমে গেছে, টেরও পাইনি। ঝিঁঝি ডাকছে বিরামহীন। আরও কী সব অচেনা শব্দ। শহুরে শব্দের বদলে এই অচেনা প্রাকৃতিক শব্দ অদ্ভুত এক নৈরাশ্য তৈরি করল মনে। মনে হলো, কী স্থবির আমার জীবন! সময় যেন এখানে এসে থেমে গেছে…

    রাতে হেডস্যরের বাসায় নিমন্ত্রণ। আগেই বলেছেন রাতে তাঁর বাসায় আজ খেতে। সে মত শরিফুলকে নিয়ে হেডস্যরের বাসায় গেলাম। শরিফুল এরই মধ্যে অজ্ঞাত কোন কারণে আমাকে অন্ধের মত ভালবেসে ফেলেছে। সবসময় আমাকে আগলে রাখতে চাইছে। আমার সামান্য অসুবিধা যাতে না হয়, সেদিকে তার কড়া নজর।

    হেডস্যরও বললেন শরিফুলের কথা। ‘খুবই ভাল ছেলে। ও থাকতে আপনার কোন সমস্যা হবে না। নিজ ভাইয়ের মত দেখবে। তা ছাড়া, আমি তো আছিই। আপনার কোন অসুবিধা হলে সোজা আমাকে বলবেন। সাধ্য মত চেষ্টা করব।’

    ‘আমার জন্যে চিন্তা করবেন না,’ তাঁকে বললাম। ‘কোন সমস্যাও হবে না। তা ছাড়া, শরিফুল যা কেয়ারফুল ছেলে!’

    তিনি হা-হা করে হেসে বললেন, ‘সেটা ঠিক। তবে হারামজাদার একটা বদনেশা আছে। গাঁজা খেলে সব ভুলে বসে থাকে। দেখবেন, যদি গাঁজা-টাজা কিছু খেতে দেখেন, লাথি মেরে হারামীর মাজা ভেঙে দেবেন।’

    শরিফুল মাথা নিচু করে লজ্জিত ভঙ্গিতে বলল, ‘ওইসব ছাইড়া দিছি, স্যর। এখন আর খাই না।’

    ফেরার পথে শরিফুলকে বললাম, ‘ওইসব খাও নাকি? ছি-ছি, ছেড়ে দাও, শরিফুল!’

    সে লজ্জায় যেন একদম মাটিতে মিশে গেল। ‘আর শরম দিয়েন না, স্যর। এখন আর খাই না।’

    ‘খুব ভাল তা হলে। আমি খুশি হলাম।’

    গ্রামের পথ, দু’পাশে বিশাল সব গাছ। গৃহস্থবাড়িগুলোয় ঘুমিয়ে এরই মধ্যে কাদা হয়ে গেছে সবাই। রাত বোধহয় ন’টার বেশি হবে না। দুধের মত জোছনা ভাসিয়ে দিচ্ছে গ্রাম। শরিফুলের হাতে পাঁচ ব্যাটারির টর্চ। সেটা না জ্বেলে চাঁদের আলোতেই পথ চলছি। সে এক অপরূপ দৃশ্য! চাঁদের আলো গাছের পাতার ফাঁক গলে অদ্ভুত রহস্যময় ছায়া ফেলছে চলার পথে। বাতাসে নড়ে সেই সব ছায়া ধারণ করছে নানা বিচিত্র রূপ। একটা বাঁধানো ঘাট দেখে একটু থামলাম। পুকুরটার টলটলে জলে ভাসছে গোল চাঁদ। একটা গাছ ডালসহ অনেকখানি ঝুঁকে আছে পুকুরের জলে। বসন্তের ফুরফুরে হাওয়া বইছে।

    শরিফুলকে বললাম, ‘এসো, এখানে একটু বসি। খুব ভাল লাগছে জায়গাটা।’

    শরিফুলকে হঠাৎ দেখলাম কেমন মনমরা হয়ে গেছে। তখন থেকে কী যেন ভেবে যাচ্ছে। আমি তার দিকে মনোযোগ দিতে সে-ও আমার দিকে চাইল।

    জিজ্ঞাসু চোখে চেয়ে রইলাম তার দিকে।

    শরিফুল বিব্রত সুরে বলল, ‘স্যর, একটা কথা… আপনি আসার আগে আরও তিনজন এইখানে আসছিল চাকরি করতে। তারা প্রত্যেকেই পানিতে ডুইবা মারা গেছে। …জায়গাটা, স্যর, ভাল না!’

    জোছনা যত জোরালো, ততই যেন কালো হয়েছে পুকুরের জলের পটভূমি। অদ্ভুত ভুতুড়ে লাগছে সব। দু’পাশের বড়-বড় গাছ ও তার ছায়াকে এখন এক- একটা দৈত্যের মত মনে হচ্ছে। শরিফুলের মুখটাকেও এখন বড় অদ্ভুত লাগল- ওখানে নাচছে বিচিত্র এক নকশা। ওর কথা শুনে বিস্মিত হয়ে চেয়ে রইলাম ওর দিকে।

    শরিফুল আস্থা জোগানোর সুরে বলল, ‘আপনে, স্যর, মানুষটা বড় ভাল। আমারে সত্যিকারের ভাইয়ের মত দেখছেন। ঘিন্নাপিত করেন নাই। ছোট বইলা অপমান করেন নাই। এইজন্য আপনারে সব বললাম। তবে, স্যর, ডরায়েন না। আমি থাকতে আপনার কোন ডর নাই। কেউ আপনারে কিছু করতে পারব না।’

    রহস্যের গন্ধ পেয়ে গেছি, জানতে চাইলাম, ‘সব কিছু খুলে বলো তো, শরিফুল? আমার কাছে কিছু লুকিয়ো না। নির্ভয়ে বলো সব।’

    শরিফুল বলল, ‘স্যর, এইখানে একটা খারাপ জিনিস আছে। ওইটারে আমি নিজের চোখে দেখছি!’

    ‘আমরা যেখানে বসে আছি, সেখানে?’

    ‘তা কইতে পারুম না। তয় সবখানেই আছে। এইখানেও থাকতে পারে।’

    ‘তুমি নিজের চোখে দেখেছ জিনিসটাকে? কী দেখেছিলে, বলো তো?’

    শরিফুল এবার একটু চাপা অভিমান নিয়ে বলল, ‘স্যর, আমরা গ্রামের মুখ্যু- সুখ্যু মানুষ, আমরা যা দেখি সেইসব আপনাদের বিশ্বাস হইব না। হেডস্যারই আমার কথা বিশ্বাস করে নাই, বলছে গাঁজা খাইয়া আমি নাকি এইসব চোখে দেখছি।’

    ‘কী দেখেছিলে তুমি?’

    শরিফুলের চোখদুটোয় হঠাৎ ঘোর এল। যেন দেখছে সামনের ওই জিনিসটাকে, সেভাবেই বিড়বিড় করে বলল, ‘পেছন থেকে দেখছি তারে। হাত- পায়ে বড়-বড় নখ। চোখের পলকে হাওয়া হইয়া গেল।’

    ‘কী করে বুঝলে বড়-বড় নখ আছে ওটার?’

    ‘রাইত-বিরাইতে ঘরের চালে, বেড়ায় নখ দিয়া, স্যর, আঁচড়ায়!’

    ‘জিনিসটা আসলে কী, শরিফুল? ‘

    ‘জানি না, স্যর।’

    ‘ভূত-টুত জাতের কিছু?’

    শরিফুল সন্দিগ্ধ চোখে আমাকে দেখল ঠাট্টা করছি কি না বুঝতে, তারপর বলল, ‘ঠিক কইতে পারি না, স্যর। তয়, এইটা খারাপ, মানুষও না, জানোয়ারও না। মানুষরে ক্ষতি করে। ধন্দে ফ্যালে, চোখের সামনে মিলাইয়া যায়, মানুষেরে ঘুমের ঘোরে ডাক দিয়া লইয়া যায়….

    ‘তোমাকে কখনও এরকম করেছে ওটা?’

    ‘জী, স্যর। একবার। ঘুমাইয়া আছি, রাইত তখন কত জানি না, তয় শেষ রাইত হইব মনে হয়। হঠাৎ কী হইছে, ঘুমের মধ্যে কে জানি আমারে কইল, ‘ওই, উঠ-উঠ জলদি উঠ! দৌড় দে! এইখান থিকা পালা!’ আমার কী হইল, স্যর, জানি না, বেহুঁশ হইয়া দৌড়াইতে লাগলাম দরজা খুইলা। কানে শুনতাছিলাম হাজার-হাজার মানুষের চিল্লা-চিল্লি, কান্দন, আহাজারি! ঘোরের মইধ্যে বন-বাদাড়, ঝোপঝাড় ভাইঙ্গা হাত-পা কাইট্টা খালি দৌড়াইতে লাগলাম। কেন যাইতাছি, কী জইন্য যাইতাছি, সেই প্রশ্ন মনে আইল না। কী জানি হইয়া গেছিল আমার। যাইতে-যাইতে কোন্ সময় যে খালপাড় আইয়া পড়ছি, বুঝি নাই। পানিতে দৌড়ায়া নামলেই হইতো, আমার আর বাঁচন লাগত না। ওই দিনই ডুইবা মরতাম!’

    ‘তুমি পানিতে নামলে না কেন? তোমার জ্ঞান ফিরে এসেছিল?’

    ‘ফর্সা হইয়া গেছে তখন পুব আকাশ। ঘোর কাইট্টা গেলে বুঝলাম, খালি মাঠটায় একা দাঁড়াইয়া আছি। কোন শব্দ নাই, কেউ নাই। দিনের আলোতে খারাপ জিনিসগুলি, স্যর, থাকতে পারে না। সূর্যর আলোরে ওরা ডরায়।’

    ‘এরপর আর তোমাকে ডাকেনি?’

    ‘জী, না, স্যর। উল্টা এখন আমিই ওইটারে সন্ধান করি। আর আমারে বশ করতে পারব না। আপনে, স্যর, নতুন মানুষ, কিছু বুঝবেন না। আপনেরে বিপদে ফেলব! এর আগে আপনার মত তিনজনরে… খবরদার, স্যর, আমারে না জিগাইয়া ঘরের দরজা খুলবেন না! কথাটা মনে রাইখেন!’

    কথা শেষ করে শরিফুল এমন করে তাকাল, যেন পরখ করে দেখবে আমি কতটা বিশ্বাস করেছি ওর কথা। সত্যি বলতে কী, বিশ্বাস আমি একটুও করিনি গাঁজা খেয়ে ও এসব নিজেই তৈরি করেছে। ছোকরা গাঁজাটা একটু বেশিই খায় মনে হচ্ছে। কিন্তু ওকে খুশি করতে এমন ভান করলাম, যেন খুব বিশ্বাস করেছি। গম্ভীর হয়ে রইলাম। শরিফুল তখন বলল, ‘চলেন, স্যর, এইবার উঠি। অনেক রাত হইল।’

    সে রাতে ঘরে ফিরে আর দেরি করিনি, সারাদিনের জার্নির ধকল ছিল, তাড়াতাড়ি বাতি নিভিয়ে শুয়ে পড়লাম। ক্লান্তিজনিত কারণে ভাল ঘুমও হলো। এক ঘুমে সকাল।

    সেদিন আমার প্রথম শিক্ষকতা শুরু। তাড়াতাড়ি স্নান সেরে খাওয়াদাওয়া করে স্কুলে চলে গেলাম। হেডস্যর অন্য স্যরদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন এঁরা স্থানীয়, প্রায় সবাই গেরস্থালি করেন। অনেকেই সকালে স্কুলে আসার আগে খেতে একবার নিড়ানি দিয়ে এসেছেন। আশপাশের গ্রামে তাঁরা থাকেন। আমিই একমাত্র শহুরে মানুষ এখানে। সবাই এজন্যই বেশি খাতির করলেন, আবার কেউ-কেউ সরু চোখেও তাকালেন। তবে সবার একই প্রশ্ন শুনলাম, আমি শেষ পর্যন্ত এখানে থাকব তো? যাই হোক, পরিচয় পর্ব শেষে জীবনে প্রথম ফাইভের বাংলা ক্লাস নিলাম। আমার ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। ওরাও জানে শহুরে স্যর এসেছেন ওদের পড়াতে। ওরা তাই সবাই তটস্থ। আমি অবশ্য অল্প সময়ের মধ্যে ওদের জড়তা কাটিয়ে ক্লাসরুমে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনলাম। তারপর নিয়মিত বিরতিতে প্রত্যেকটা ক্লাস শেষ করলাম।

    আমার শিক্ষকতার প্রথম দিনটি মন্দ গেল না। খুব আনন্দিত মন নিয়ে শরিফুলকে নিয়ে বাসায় ফিরলাম।

    স্কুল ছুটির পর স্যরদের মিটিং ছিল, সেটায় যোগ দিয়ে ফিরতে অবশ্য সন্ধ্যা হয়ে গেছে।

    শরিফুল আমার জন্য চা করতে রান্নাঘরে গিয়ে ঢুকল। ওই ঘরের পাশেই শরিফুলের ছোট্ট ছনের ঘর।

    আমি কলপাড় থেকে হাত-মুখ ধুয়ে এসে বসলাম বিছানায়। মুড়ি আর চা নিয়ে ঘরে ঢুকল শরিফুল। দু’জনেই খেতে-খেতে গল্প করতে লাগলাম। শরিফুল একটু পরে উঠে চলে গেল রাতের খাবার তৈরি করতে। আমি বসে-বসে বই পড়তে লাগলাম। ঝিঁঝি ডাকা রাত। মনে হচ্ছে রাত যেন কত! আমার মনে পড়ছিল বাড়ির কথা, বন্ধুদের কথা, আড্ডা, হৈ-হুল্লোড়

    রাতের খাবার খাওয়া শেষ হলে শরিফুল থালা-বাটি নিয়ে চলে গেল ধুতে। মশারি টাঙিয়ে শোবার বন্দোবস্ত করতে লাগলাম। শুতে যাবার আগে ঘণ্টাখানেক বই পড়ি। বহুদিনের অভ্যেস। চোখটা একটু লেগে এসেছে, এমন সময় শরিফুল এসে জানতে চাইল আমার আর কিছু লাগবে কি না। বললাম, কিছু লাগবে না। তা-ও শরিফুল দাঁড়িয়ে রইল। যেন আরও কিছু বলতে চায়। জিজ্ঞাসু চোখে চাইতেই সে বলল, ‘স্যর, দরজাটা ভাল করে দিয়ে শুয়েন। আর বাথরুমে যাইতে চাইলে একবার আমার নাম ধইরা ডাকবেন, আমার ঘুম একদম পাতলা, বিলাই হাঁটলেও জাইগা যাই। একলা-একলা ঘর থেকে বাইর হইয়েন না।’

    একটু মুচকি হেসে ঘাড় কাত করে আশ্বস্ত করলাম, তার কথাই রাখব। একলা ঘর থেকে বেরোব না।

    শরিফুলের এসব শুনে আর নিজে কথা বলে চটে গেছে ঘুমটা।

    শরিফুল চলে যেতে দরজা আটকে মশারির ভিতর ঢুকে ফের বইটা নিয়ে চোখের সামনে ধরলাম। পড়লাম একটানা আধঘণ্টা। বইয়ের গল্পে মজে গেছি, খুবই ইন্টারেস্টিং মুহূর্ত এখন… হঠাৎ মনে হলো ঘরের দরজায় নখের আঁচড় কাটছে কেউ। কুকুর-বিড়াল যেমন করে আঁচড় কাটে, ঠিক সেরকম করে।

    কান সজাগ করে শব্দটা আবার শোনার চেষ্টা করলাম। স্পষ্ট শুনলাম নখ দিয়ে আঁচড় কাটছে কেউ। এরপর দশ-পনেরো মিনিট পেরিয়ে গেলে হঠাৎ শুনলাম নারী কণ্ঠের রিনরিনে হাসির মৃদু শব্দ। হাসির ঝঙ্কারটা এমনই, যেন একসঙ্গে মেঝেতে ভেঙে পড়ছে অনেক কাঁচের চুড়ি। মৃদু থেকে স্পষ্ট হলো শব্দটা।

    মনে হলো গুনগুনিয়ে গানও গাইছে কেউ। আমি সিধে হয়ে বসলাম। না, একটুও ভুল হয়নি, কেউ সত্যিই হাসছে! উঠে টেবিলের ওপর থেকে টর্চ নিলাম, তারপর কোন শব্দ না তুলে আস্তে করে দরজা খুলে বেরিয়ে এলাম।

    আজও ধবধবে জোছনা বাইরে।

    উঠোনে এসে দাঁড়ালাম। কাউকে দেখতে পেলাম না। অন্ধকার জায়গাগুলোতে টর্চের আলো ফেললাম। অপরূপ জোছনায় চারদিক লাগছে বড় মায়াবী। ইচ্ছে হলো এখানেই বসে রাতটা কাটিয়ে দিই। শরিফুলের ঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। ওর ঘরের দরজাটা খোলা। ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। দরজা না দিয়েই হয়তো ঘুমায়। শরিফুলকে একবার ডাকব ভেবেও মত পরিবর্তন করলাম। বেচারা সারাদিন খেটেখুটে ঘুমায়, মিছিমিছি কেন তাকে জাগাই।

    ঘুরে উঠোনের মাঝে ফিরেছি, তখনই অন্ধকারে বিদ্যুদ্গাতিতে না হলেও বেশ দ্রুত, আমার ঘরের খোলা দরজা পেরিয়ে ছুটে ঝোপে গিয়ে মিশে গেল যেটা- ওটা মানুষ না জানোয়ার, ঠিক বুঝলাম না! সমস্ত শরীর জমে গেল ভয়ে ও আকস্মিকতায়। চোখ বুজে ফেললাম, যা দেখেছি, তা কি সত্যি? আমার ঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে গেল নগ্ন নারীমূর্তি! মাথায় লম্বা-লম্বা একরাশ চুল!

    হাত দশেক দূরে আমার ঘরের দরজাটা। মনে হচ্ছে এটুকু পেরোনোর ক্ষমতাও যেন এখন নেই। চারপাশের অন্ধকার ঝোপঝাড় যেন চেপে আসছে এদিকে। যেন পেছনে দাঁড়িয়ে আছে কেউ! কোনমতে দু’বার উচ্চারণ করলাম, ‘শরিফুল! শরিফুল!’

    কোন সাড়া-শব্দ নেই। শরিফুলের ‘পাতলা ঘুম ভাঙল না আমার ডাকে।

    টর্চ জ্বেলে ঘরের দরজার দিকে তাক করলাম। ঘরের ভেতরটা উঁকি মেরে দেখলাম। দরজাটা দেবার আগে টর্চ জ্বেলে একবার দেখে নিলাম খাটের তলাটা। নিশ্চিন্ত হয়ে তারপর দরজাটা আটকে দিলাম। মশারির ভেতর এসে অনেকক্ষণ কিছু ভাবতে পারলাম না। যা দেখলাম, তা অবিশ্বাস্য লাগছে। শরিফুল কি এটার কথাই বলেছিল? এটাই তখন আমার ঘরের দরজায় নখ দিয়ে আঁচড় কাটছিল? দু’হাতে মাথাটা চেপে ধরলাম। কী ব্যাখ্যা দেব এ ঘটনার? ভেবে কোন কূল- কিনারা পাচ্ছি না। নিজ চোখে দেখেছি দৃশ্যটা। …আমার হয়তো হ্যালুসিনেশন হয়েছিল। শরিফুলের কাছ থেকে গল্পটা শুনে অবচেতন মনে এমন কিছুকে কল্পনা করে নিয়েছি, বাস্তবে আসলে যার কোন অস্তিত্ব নেই?

    যা দেখেছি, তা আসলে আমার কল্পনা…

    এমন সময় মৃদু কড়া নাড়ার শব্দ হলো দরজায়। রাত দেড়টা।

    কে এল এত রাতে?

    বুকে আবার হাতুড়ি পিটতে লাগল। ওই জিনিসটাই আবার ফিরে এসেছে!

    আমার ঘরে ঢুকতে চায়!

    মৃদু কড়া নাড়ছে থেমে থেমে!

    একবার ভাবলাম কোন সাড়া-শব্দ করব না।

    কিন্তু মানুষের কৌতূহল তার ভয়ের চেয়েও সাংঘাতিক!

    যতটা সম্ভব গলায় জোর রেখে বললাম, ‘কে? কে ওখানে?’

    ‘আমি, শরিফুল, স্যর।’

    ‘এত রাতে কী চাও?’

    ‘স্যর, ঘুমাইছেন কি না জানতে আইলাম।’

    ‘হ্যাঁ, আমি ঘুমিয়েছি, তুমি যাও।’

    ‘স্যর, আপনে নিশ্চিন্তে ঘুমান। আমি পাহারায় আছি। কেউ আপনেরে ক্ষতি করতে পারব না। আমি আপনার আশপাশে আছি।’

    ‘কার কথা বলছ তুমি?’

    ‘আপনে, স্যর, কোন কিছু টের পাইছেন? কিছু একটা বাইর হইছে আইজ রাইতে। আমি, স্যর, আইজ রাইতে আর ঘুমামু না!’

    দরজা খুলে টর্চের আলোয় শরিফুলের মুখ একবার দেখলাম।

    আমাকে দেখে মধুর হাসি হাসল শরিফুল। ওর চোখদুটো জবা ফুলের মত টকটকে লাল! অর্থাৎ খুব গাঁজা খেয়েছে। শরিফুলের হাতে বাঁশ। ওটা মাটিতে জোরে ঠুকে দিয়ে বলল, ‘আইজ ওইটারে বাঁশের ডলা খাওয়ামু, স্যর! আপনে কিছু চিন্তা কইরেন না। আপনি নিশ্চিন্তে থাকেন।’

    এতক্ষণ তুমি কোথায় ছিলে? ঘরে ছিলে না?’

    ‘জী, না, স্যর। ওইটার পিছন-পিছন দৌড়াইছি এতক্ষণ। পুবপাড়া পর্যন্ত ঘুরাইয়া আনছে আমারে হারামজাদী! এখন হারায়া ফালাইছি…’

    একটু কড়া গলায় বললাম, ‘যাও, এবার ঘুমাতে যাও। বাঁশটা ফেলে শুয়ে পড়ো।’ বলেই আর কথা না বলে দরজাটা দিয়ে বিছানায় মশারির ভেতর ঢুকলাম।

    বাঁশের ঠুক্ ঠুক্ শব্দটা আস্তে-আস্তে দূরে মিলিয়ে গেল।

    পুরো ব্যাপারটা এখন আমার কাছে অবাস্তব মনে হচ্ছে। একটা গাঁজাখুরি উদ্ভট গল্পে প্রভাবিত হয়েছি। নিজের ওপর রাগ হলো। স্রেফ চোখের ভুল। অবচেতন মনে আসলে শরিফুলের গল্পে ভয় পেয়েছি। তারপর দরজা খুলে একা যখন বেরিয়ে আসি, সেই ভয়টা অজান্তে রূপ দেয় অতিপ্রাকৃত এক চেহারা…

    ঘুম আর এল না। হাজারো ভাবনা এল। মাথাটা গরম হয়ে উঠল। খুব ভাল হত উঠে মাথায় একটু জল দিতে পারলে। সব কিছু মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে একটু ঘুমুতে চেষ্টা করলাম। চোখ বুজে পড়ে রইলাম। কাল সকালে স্কুল আছে। তাড়াতাড়ি উঠতে হবে।

    ঘুমিয়ে পড়েছি, রাত তখন কত বলতে পারব না। হয়তো শেষ রাত। হঠাৎ কী তুমুল শোরগোল শুরু হলো আমার চারপাশে। অনেক ক্রুদ্ধ মানুষের চিৎকার, জাগরণে কিংবা আধজাগরণে মনে হলো, কারা যেন আমাকে শেষ করতে একসঙ্গে ছুটে আসছে। মুখে কোন শব্দ করতে পারলাম না, কেমন গোঙাতে লাগলাম। আতঙ্কে লাফ দিতে লাগল হৃৎপিণ্ড। তবুও নড়তে পারছি না। কিন্তু হঠাৎ কেউ এসে সজোরে গায়ে ঝটকা দিয়ে ডেকে তুলল। কণ্ঠে তীব্র আকুতি, জোরাল আহ্বান। ওই অদ্ভুত কণ্ঠ আমাকে ডেকে তুলে বলতে লাগল, ‘ওঠো, ওঠো, পালাও এখান থেকে! বাঁচতে চাইলে পালাও! ভাগো এখান থেকে! দেরি কোরো না! চলে যাও এখান থেকে…’

    বিহ্বল হয়ে পড়লাম। ঘোর লাগা অবস্থা আমার। ঘুমের ভেতর দরজাটা খুলে বেরিয়ে এলাম। তারপর কেউ যেন আমার একটা হাত চেপে ধরে দৌড়াতে লাগল প্রচণ্ড গতি তুলে। আমিও পাল্লা দিয়ে দৌড়াতে লাগলাম। তখন কোন বাহ্যজ্ঞান নেই!

    চোখে কী দেখছি জানি না। বন-বাদাড় ভেঙে, হাত-পা কেটে-ছিঁড়ে রক্ত বেরুচ্ছে। কতবার আছাড় খেয়েছি, পড়ে গেছি গ্রামের রাস্তার বিপজ্জনক সব খাদে!

    কিন্তু আমাকে উড়িয়ে নিয়ে চলেছে কেউ, যেন খেলনাকে আছড়ে-পিছড়ে দৌড়ে নিয়ে যাচ্ছে খেলাচ্ছলে। প্রচণ্ড এক শোরগোল হলো এ সময়। কিছু একটার সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষ হলো। ছিটকে পড়ে গেলাম। মনে হলো অন্ধকার সুড়ঙ্গে তলিয়ে যেতে লাগলাম কোথায়। তারপর আর কিছু মনে নেই।

    যখন চোখ মেললাম, দেখি বিস্তীর্ণ এক মাঠে আছি। বড়-বড় ঘাস মাথার চারপাশে। আকাশে ঝিকঝিক করছে কয়েকটা তারা। চাঁদ কি ডুবে গেছে? কালচে অন্ধকার মনে হচ্ছে চারপাশটাকে। প্রচণ্ড ব্যথা সমস্ত শরীরে, যেন ভেঙে গেছে সব হাড়-গোড়। প্রথমটায় কিছুই মনে করতে পারলাম না। মাথাটা একটু তুলে চেয়ে দেখলাম, অদূরে একটা জলাশয়। একজন জলের দিকে ফিরে কী যেন করছে। একটু পরে দেখলাম কিছু একটা নিয়ে আমারই দিকে আসছে। উঁচু থেকে কিছু ছেড়ে দিতেই জল এসে পড়তে লাগল আমার মুখে। লোকটা মুখ নিচু করে খুবই গম্ভীর গলায় বলল, ‘স্যর, জিনিসটা আপনারে তাড়া করছিল! কপাল ভাল, তখন খালপাড়েই ঘুরতাছিলাম। অহন থাক, একটা কথা, স্যর, আপনে, স্যর, এইখান থিকা চইলা যান। এইটা যখন আপনেরে একবার ধরছে, তখন শেষ না কইরা ছাড়ব না। আমারেও হয়তো একদিন শেষ করব। আপনেরে না বলছিলাম, একলা ঘরের দরজা খুইলা বাইর হইয়েন না। আপনে, স্যর, চইলা যান। জায়গাটা খারাপ, আমি আগেই কইছিলাম আপনেরে

    শরিফুলের পিছনে পুবাকাশ ততক্ষণে ফর্সা হয়েছে।

    অন্ধকারের বাসিন্দারা এখন অনেক দূরে।

    আর বেশি দেরি করিনি। চাকরির মায়া ছেড়ে সেদিনের গাড়িতেই চড়ে বসেছি। শরিফুলই আমাকে এগিয়ে দিয়ে এসেছিল স্টেশন পর্যন্ত। এখনও স্পষ্ট মনে আছে, গাড়ি ছেড়ে দিতে শরিফুল ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে ছিল আমার দিকে। আর কখনও ওর সঙ্গে আমার দেখা হবে না। আমি হয়তো পালিয়ে বাঁচলাম, কিন্তু ওই মানুষটি এমন এক ঘোর রহস্যময় অতিপ্রাকৃত শক্তির সঙ্গে লড়বে, যার সম্বন্ধে সে নিজেও পুরোপুরি জানে না!

    .

    সুষুপ্ত পাঠক

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Next Article সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    তৌফির হাসান উর রাকিব

    হাতকাটা তান্ত্রিক – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    August 25, 2025
    তৌফির হাসান উর রাকিব

    অন্ধকারের গল্প – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    August 25, 2025
    তৌফির হাসান উর রাকিব

    ট্যাবু – তৌফির হাসান উর রাকিব

    August 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Our Picks

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }