Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৬ (ষষ্ঠ খণ্ড)

    পাঁচকড়ি দে এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.১০ পরিত্রাণ

    দশম পরিচ্ছেদ – পরিত্রাণ

    জয়বন্ত বহুক্ষণ নীরবে বসিয়া রহিলেন; কিন্তু প্রাণরক্ষা করিবার ইচ্ছা মানুষের স্বাভাবিক বৃত্তি; তিনি উঠিবেন, যদি কোন একটা উপায় থাকে; কিন্তু চল্লিশ হাত নিম্ন হইতে কিরূপে উপরে উঠা সম্ভব?

    যদি কূপের প্রাচীর স্থানে স্থানে ভাঙা থাকে, তাহা হইলে সেই ভগ্ন স্থানগুলি ধরিয়া বা পা লাগাইয়া তিনি উপরে উঠিলেও উঠিতে সক্ষম হইতে পারেন; কিন্তু ঘোর অন্ধকার, কিছুই দেখিতে পাওয়া যায় না; তবুও তিনি একবার উঠিয়া চারিদিক হাতড়াইয়া দেখিতে লাগিলেন; কিন্তু এটা ইঁদারা, চারিদিক গাঁথা, বহুকাল হইতে জল থাকায় চারিদিকের প্রাচীর এত মসৃণ হইয়াছে যে, তাহাতে হাত দিলে হাত পিছলাইয়া যায়। এরূপ অবস্থায় এ প্রাচীর বহিয়া উপরে উঠিবার কোনই আশা নাই।

    জয়বন্ত হতাশ হইয়া আবার বসিয়া পড়িলেন। আবার স্তম্ভিতপ্রায় হইয়া বহুক্ষণ বসিয়া রহিলেন, কি করিবেন, কিছুই স্থির করিতে পারিলেন না। তবে কি এই কূপের মধ্যে পড়িয়া তিনি অনাহারে মারা যাইবেন! ভগবান তাঁহার অদৃষ্টে কি এমন ভয়ানক মৃত্যুর ব্যবস্থা করিয়া তাঁহাকে এ সংসারে প্রেরণ করিয়াছেন!

    তিনি আবার উঠিলেন। সহসা তাঁহার মনে একটা কথা উদিত হওয়ায় তিনি উৎসাহ ও আবেগে প্রায় আত্মহারা হইলেন, তাঁহার মনে হইল, এত বড় কূপের ভিতর নামিবার জন্য কতকগুলি কড়া থাকা সম্ভব, এরূপ কূপের প্রাচীরে প্রায় লৌহনির্ম্মিত কড়া লাগান থাকে, এই কড়া অবলম্বনে লোকে নীচে নামিয়া আসিয়া, কূপ পরিষ্কার বা মেরামত করিয়া আবার উপরে উঠিতে পারে। এ রকম গভীর ও প্রকাণ্ড ইঁদারায় নামিবার-উঠিবার অন্য উপায় নাই।

    এত বড় ইঁদারায় কি কড়া থাকিবে না? খুব সম্ভব আছে। এই ভাবিয়া তিনি সত্বর উঠিলেন। অন্ধকারে আবার হাতড়াইতে হাতড়াইতে তিনি কূপের প্রাচীর ধরিলেন। তৎপরে প্রাচীর ধরিয়া তিনি চারিদিকে

    ঘুরিতে লাগিলেন; কিন্তু কোনখানে তিনি কড়া দেখিতে পাইলেন না।

    তিনি হতাশ হইয়া, কূপের প্রাচীরে পৃষ্ঠরক্ষা করিয়া বসিয়া পড়িলেন সহসা পৃষ্ঠে তাঁহার কি ঠেকিল—হাত দিয়া দেখিলেন; দেখিলেন, একটা লোহার কনা, সহসা তিনি আনন্দে উন্মত্তপ্রায় হইলেন।

    অন্ধকারে আর কড়া আছে কি না, তাহা তিনি দেখিতে পাইলেন না; কিন্তু যখন একটা রহিয়াছে, তখন মধ্যে মধ্যে নিশ্চয়ই আরও কতকগুলা আছে। কিন্তু অন্ধকারে কড়া দেখিতে না পাইলে উপর হইতে আবার নীচে পড়িবার সম্ভাবনা—ইহাতে বিপদ আছে, হাত পা ভাঙিবার সম্ভাবনাও আছে; কিন্তু এই কূপের মধ্যে অনাহারে ধীরে ধীরে, তিল তিল করিয়া অসহ্য যন্ত্রণায় মরিতে হইবে! তাহাপেক্ষা একেবারে মরা ভাল। প্রাণ যায় তাহাও স্বীকার, চেষ্টা করিয়া একবার দেখিতে হইবে।

    জয়বন্ত কাপড় ভাল করিয়া আঁটিয়া পরিয়া লইলেন। তৎপরে সেই কড়াটায় পা দিয়া, বাম হস্তে প্রাচীরে ভর করিয়া উপরের কড়া খুঁজিতে লাগিলেন। উপরে সমব্যবধানে আরও অন্যান্য কড়া ছিল, খুঁজিতে কষ্ট হইল না। তিনি দক্ষিণ হস্তে আর একটা কড়া ধরিলেন।

    এইরূপে অতি কষ্টে, অতি সাবধানে কড়া ধরিয়া ধরিয়া প্রায় এক ঘন্টা পরিশ্রমের পর জয়বন্ত উপরে উঠিলেন। দেখিলেন, তখন সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হইয়াছে শোভনা প্রকৃতির মুখে কৃষ্ণাবগুন্ঠন।

    তিনি অত্যন্ত পরিশ্রান্ত হইয়াছিলেন, অবসন্নভাবে সেই অন্ধকারে নির্জ্জনে বসিয়া পড়িলেন। মৃত্যুমুখ হইতে রক্ষা পাইলে মানুষের প্রাণে যে ভাব হয়, তাহা যিনি কখনও সে অবস্থায় না পড়িয়াছেন, তিনি তাহা বুঝিতে পারিবেন না। কিয়ৎক্ষণ তথায় বিশ্রাম করিয়া জয়বন্ত গৃহের দিকে ফিরিলেন। পথে আসিতে আসিতে ভাবিলেন, “প্রথমে তুলসীর সম্মুখে যাইতে হইবে; দেখি, হঠাৎ আমাকে সে দেখিয়া কি করে? সে জানে, আমি কূপের ভিতরেই আবদ্ধ আছি। অথবা পড়িয়াই মরিয়া গিয়াছি।”

    এই ভাবিয়া মনে মনে হাসিয়া জয়বন্ত হরকিষণ দাসের বাড়ীর পশ্চাদ্দিকে যেখানে তুলসী বাঈ থাকিত, সেইদিকে আসিলেন। তাহার ঘরের জানালা উন্মুক্ত ছিল, তিনি দেখিলেন, ঘরে আলো জ্বলিতেছে। উন্মুক্ত জানালা দিয়া আলোকশিখা বাহিরের অন্ধকার বক্ষে উজ্জ্বলভাবে প্রসারিত হইয়াছিল। জানালার পার্শ্বে গিয়া মাথা তুলিয়া জয়বন্ত দেখিলেন, তুলসী বাঈ চিন্তামগ্নভাবে বসিয়া আছে। জয়বন্ত জানালায় ঘা দিয়া একটী শব্দ করিলেন, অমনি তুলসী তাঁহার দিকে মুখ তুলিয়া চাহিল। তৎপর সে বিকট চীৎকার করিয়া বলিল, “ভূত—ভূত–ভূত—”

    তাহার চীৎকারে চারিদিক হইতে লোক সেইদিকে ছুটিয়া আসিল। জয়বন্তও সম্মুখদ্বার দিয়া বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করিলেন। গোলযোগ শুনিয়া হরকিষণ দাসও অন্যান্যের ন্যায় তুলসী বাঈর বাড়ীর দিকে চলিলেন। সেখানে জয়বন্তকে দেখিয়া হরকিষণ দাস বলিলেন, “তুমি এতক্ষণ কোথায় ছিলে? সন্ধ্যা হইতে আমি তোমকে খুঁজিতেছি।”

    জয়বন্ত তুলসী বাঈকে দেখাইয়া দিয়া বলিলেন, “এ পাগল হইয়াছে, দেখিতেছি।”

    হরকিষণ বলিলেন, “পাগল — সে কি?”

    জয়বন্ত বলিলেন, “হয় ত আমি যাহা বলিব, শুনিলে আপনি বিশ্বাস করিবেন না। এ এখন অজ্ঞান — হইয়াছে — পরে—’

    “এখানে অনেক লোক আছে, উহাকে দেখিবে—এইদিকে এস।”

    উভয়ে বাহিরে আসিলে হরকিষণ দাস বলিলেন, “ব্যাপার কি—কি হইয়াছে—তুমি নিজেই–”

    “শুনুন সব” বলিয়া জয়বন্ত যাহা যাহা ঘটিয়াছিল, সমস্ত তাঁহাকে বলিলেন। তুলসী বাঈ কূপের উপর হইতে তাঁহাকে যাহা শাসাইয়া বলিয়াছিল, তাহাও বলিলেন। শুনিয়া হরকিষণ দাস বলিলেন, “তাহার মানে কি? তবে কি গোপাল দাস মারা গিয়াছে?”

    “তুলসী বাঈ ত বলিল, — কেমন করিয়া বলিব?”

    “ইহার কিছুই আমি বুঝিতে পারিতেছি না।”

    “তুলসীর জ্ঞান হইলে সে নিশ্চয়ই সব বলিবে।”

    “যদি না বলে?”

    “যাহাতে বলে তাহা করিতে হইবে।”

    সহসা তাঁহারা এক বিকট চীৎকার শুনিয়া চমকিত হইয়া উঠিলেন—তুলসী আবার চীৎকার করিয়া বলিতেছে, “ভূত—ভূত—ভূত।”

    সেইদিন হইতে তুলসী ঘোরতর জ্বরে আক্রান্ত হইল। তাহার সংজ্ঞা বিলুপ্ত হইল, অবস্থা দেখিয়া বুঝিতে পারা যায়, জীবনের আশা খুব কম।

    একাদশ পরিচ্ছেদ – রোষান্বিতা

    হরকিষণ দাস তুলসী বাঈ এর সুচিকিৎসার জন্য ব্যয় করিতে ত্রুটি করিলেন না। সুচিকিৎসায় তুলসী বাঈ সে যাত্রা রক্ষা পাইল।

    প্রায় পনের দিন পরে সে পথ্য পাইল, উঠিয়া বসিতে পারিল। ডাক্তার সাহস দিয়া বলিলেন, “আর কোন ভয় নাই, আপনারা এখন ইহাকে যাহা ইচ্ছা জিজ্ঞাসা করিতে পারেন।”

    পর দিবস বৈকালে হরকিষণ দাস ও জয়বন্ত উভয়ে তুলসীর ঘরে আসিলেন। তুলসী তাঁহাদের মুখের দিকে কেবল একবার ব্যাকুলভাবে চাহিল, কোন কথা কহিল না।

    জয়বন্ত বলিলেন, “তুলসী বাঈ, যেমন করিয়া হউক, আমি রক্ষা পাইয়াছি, সে কথা শুনিবার তোমার আবশ্যক নাই। এখন আমি জিজ্ঞাসা করিতে চাহি, তুমি আমাকে কূপের ভিতর ফেলিয়া দিয়া হত্যা করিতে গিয়াছিলে কেন?”

    তুলসী বাঈ কোন উত্তর দিল না।

    জয়বন্ত বলিলেন, “আমি তোমার উপরে রাগ করি নাই। নিশ্চয়ই কোন কারণে তুমি আমার উপরে রাগ করিয়াছ, সে কারণ কি?”

    এবারও তুলসী বাঈ কথা কহিল না।

    জয়বত্ত বলিলেন, “তুমি সেদিন বলিয়াছিলেন, আমি তোমার স্বামীকে খুন করিয়াছি। আমি কখনও তাহাকে দেখি নাই, আমি তাহার নাম পর্য্যন্ত জানিতাম না। আমি জীবনে খুন করা দূরে থাক, কখনও কাহাকে সামান্য একটা আঘাত পর্য্যন্ত করিতে সাহসী হই নাই।”

    এবার তুলসী বাঈ তাঁহার মুখের দিকে চাহিল। জয়বন্ত বলিলেন, “তোমাকে মুখ দেখাইতে আমি লজ্জিত নই। তোমার স্বামীকে যদি আমি খুন করিতাম, তাহা হইলে কি আমি তোমার সম্মুখে এইরূপভাবে দাঁড়াইয়া থাকিতে পারিতাম?”

    তথাপি তুলসী বাঈ নিরুত্তর।

    জয়বন্ত বলিতে লাগিলেন, “আমি যে জাহাজে এখানে আসিয়াছিলাম, সে জাহাজে একটি লোকের মৃতদেহ পাওয়া যায়, কিন্তু সেই লোক আত্মহত্যা করিয়াছিল, কি খুন হইয়াছিল, তাহা আমি জানি না; তাহার নাম পর্য্যন্ত শুনি নাই। সে-ই কি তোমার স্বামী? না অন্য সেই লোক, যে ব্যক্তি খুন হইয়াছিল?”

    এবার তুলসী বাঈ কথা কহিল, বলিয়া উঠিল, “অন্য লোক! সে আবার কে?”

    জয়বন্ত কহিলেন, “হাঁ, জাহাজে দুইজন লোকের মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল।”

    তুলসী বাঈ কহিল, “আমি কেবল একজনের মৃতদেহ দেখিয়াছিলাম।”

    হরকিষণ দাস বলিয়া উঠিলেন, “কি আশ্চর্য্য! তুমি কিরকমে দেখিলে?”

    তুলসী বাঈ কথা কহিয়া ধরা পড়িয়াছে দেখিয়া আর কোন কথা কহিল না। কেবল একবার বিরক্তদৃষ্টির দ্বারা জয়বত্তকে বিদ্ধ করিতে চেষ্টা করিল।

    জয়বন্ত সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না করিয়া আবার বলিলেন, “তুলসী বাঈ, তুমি ছেলেমানুষ হইয়ো না। আমি তোমার স্বামীকে খুন করি নাই, ইহা তুমি স্পষ্টই বুঝিতে পারিতেছ? যদি যথার্থই তিনি খুন হইয়া থাকেন, তবে তোমার জানা উচিত যে, কিরূপে খুন হইয়াছেন। জাহাজে দুইটি মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছে, তাহা শুনিয়াছি, কিন্তু কোনটিই দেখি নাই। কাপ্তেন কাহাকেও দেখিতে দেয় নাই। যদি তাঁহাদের মধ্যে কেহ তোমার স্বামী হন, তাহা হইলে তিনি কিরূপে খুন হইয়াছেন, তাহা তোমার জানিবার চেষ্টা করা উচিত। সেইজন্য বলিতেছি যে, তুমি সব আমাদিগকে বল।”

    তুলসী বাঈ ক্ষণেক নীরবে থাকিয়া কহিল, “আমি তোমকে বিশ্বাস করি না।”

    “অবিশ্বাসের কারণ নাই, বরং বিশ্বাস করিলে ফল আছে। আমি এক সময়ে ডিটেকটিভগিরি শিখিয়াছিলাম। আমায় সব বলিলে আমি এ বিষয়ের অনুসন্ধান করিতে পারিব।”

    তুলসী বাঈ আবার কহিল, “আমি তোমায় বিশ্বাস করি না।”

    জয়বন্ত কহিলেন, “আমি জানি, কিন্তু কেন অবিশ্বাস করিতেছ, বল। তাহল হইলে আমি তোমায় বুঝাইয়া দিতে পারি যে, অবিশ্বাসের কোন কারণ নাই।”

    তুলসী বলিল, “আমি তোমাকে আমার স্বামীর কাপড় পরিতে দেখিয়াছি।”

    “কি! তোমার স্বামীর কাপড়!” বলিয়া জয়বন্ত বিস্ময়-ব্যাকুলনেত্রে তুলসীর মুখের দিকে চাহিলেন। বলিলেন, “আমি আমি তোমার স্বামীর কাপড় পরিতেছি, সে কি? সত্যই তোমার মাথা খারাপ হইয়া গিয়াছে, দেখিতেছি।”

    তুলসী বলিল, “হাঁ, তোমার কাপড়ে আমার নিজের হাতের চিহ্ন রহিয়াছে, আর ঐ কাপড় পরিয়াই আমার স্বামী বাহির হইয়াছিলেন।

    জয়বন্ত বলিলেন, কি—কি—দেখি—হাঁ—মনে পড়িয়াছে—একটা বালিকাকে রক্ষা করিবার জন্য সমুদ্রে লাফাইয়া পড়ায় আমার কাপড় ভিজিয়া গিয়াছিল। জাহাজে উঠিলে একজন ভদ্রলোক আমাকে তাড়াতাড়ি একখানা কাপড় আনিয়া দেয়, হয়ত ভুলিয়া অন্যের কাপড় আনিয়া দিয়াছিল—তাহা হইলে দেখিতেছি, তোমার স্বামী নিশ্চয়ই সেই জাহাজে ছিলেন। আচ্ছা, তিনি খুন হইয়াছেন, কিসে জানিলে?”

    তুলসী বাঈ বলিল, “আমি সে জাহাজে গিয়াছিলাম।”

    “কেন?”

    “আমার স্বামীর সঙ্গে দেখা করিতে।”

    “তাহা হইলে তুমি জানিতে যে, তোমার স্বামী সেই জাহাজে আসিতেছেন?”

    “হাঁ, তাহার পত্র পাইয়াছিলাম।”

    “সব খুলিয়া বল।”

    “এখন বুঝিতেছি, অপর মৃতদেহ-ই আমার স্বামীর।”

    “সব খুলিয়া বল।”

    “আমি সব বলিতেছি, বোধ হয়, সব বলাই ভাল।”

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ – বিস্ময়ান্বিত

    হরকিষণ এতক্ষণ নীরব ছিলেন, এইবার তিনি তুলসীকে বলিলেন, “তাহা হইলে গোপাল দাস বোম্বাই গিয়াছিল?”

    তুলসীবাঈ বলিল, “মনিবজী, সব বলিতেছি, আমার স্বামী আপনার টাকা চুরি করিয়াছিল।”

    “আমার টাকা।”

    “হাঁ, লাখ টাকা।”

    “লাখ টাকা।”

    হরকিষণ দাস মৃদুহাস্য করিলেন। লাখ টাকা তিনি একসঙ্গে নিজেই কখনও দেখেন নাই; মনে করিলেন, তুলসীর উন্মাদরোগ এখনও সারে নাই।

    তুলসী বাঈ বলিল, “আপনি আমাকে পাগল মনে করিতেছেন, আমি পাগল নই। আপনার এক মামী বোম্বাই ছিলেন।”

    হরকিষণ দাস চমকিত হইয়া তাহার দিকে চাহিলেন; তৎপরে ধীরে ধীরে বলিলেন, “তাহা তুমি জানিলে কিরূপে?”

    “স্বামীর কাছে শুনিয়াছিলাম। আপনার সেই মামী মারা গিয়াছেন, আপনার মামী লাখ টাকার সম্পত্তি রাখিয়া গিয়াছেন।”

    হরকিষণ দাস বিস্মিত হইয়া বিস্ফারিত নয়নে তাহার দিকে চাহিয়া রহিলেন! মুখ দিয়া কথা সরিল না।

    তুলসী বাঈ বলিল, “আমার স্বামী আপনার সমস্ত চিঠি-পত্র খুলিত। তাহাই সে আপনার মামীর উকীলের পত্রে তাঁহার মৃত্যুর কথা ও সম্পত্তির কথা জানিতে পারে। টাকার লোভে সে আপনার নাম লইয়া বোম্বাই গিয়াছিল।”

    হরকিষণ দাস ভয়ানক ভ্রুকুটি করিলেন। তৎপরে ধীরে ধরে বলিলেন, “বুঝিতেছি।”

    জয়বন্ত বলিলেন, “এখন বুঝিতেছি।”

    হরকিষণ দাস ক্রোধভরে বলিয়া উঠিলেন, “বুঝিতেছি আমার মাথা! আমার সে লাখ টাকা কই?”

    তুলসী বাঈ বলিল, “নিশ্চয় কেহ আমার স্বামীকে খুন করিয়া এ টাকা চুরি করিয়াছে।”

    জয়বন্ত বলিলেন, “তোমার স্বামী যে তোমাকে চিঠি লিখিয়াছিলেন তাহা তোমার কাছে আছে?”

    “আছে, ঐ বাক্সে।”

    জয়বন্ত বাক্স হইতে চিঠীখানি লইয়া পড়িলেন। তৎপরে বলিলেন, “আর তুমি কিছু জান না?”

    “না।”

    “ভাল, আমি এ বিষয় সন্ধান করিব, যদি কিছু জানিতে পারি, তোমায় বলিব।” তাহার পর তিনি হরকিষণ দাসের দিকে ফিরিয়া বলিলেন, “আসুন।”

    তাহার বিশ্বাসী কৰ্ম্মচারী গোপাল দাস চোর—তাঁহার টাকা চুরি করিয়াছিল, ক্রোধে হরকিষণ দাসের আপাদমস্তক পূর্ণ হইয়া গেল। কোন কথা কহিলেন না। জয়বত্তের সহিত বাহিরে আসিলেন।

    হরকিষণ বাহিরে আসিয়া বসিয়া পড়িলেন। জয়বন্ত বলিলেন, “যাহা শুনিলেন, আপনার বিশ্বাস হয়?”

    “বিশ্বাস হয়? কেন হইবে না, চোর-বদমাইস-জালিয়াৎ—”

    “আপনার হইয়া এ বিষয়ের অনুসন্ধানের ভার আমাকে দিবেন?”

    “আমার হইয়া।”

    “হাঁ, আপনার লাখ টাকা চুরি গিয়াছে।”

    “তা ত স্পষ্ট দেখিতেছি।”

    “এই টাকা কে চুরি করিয়াছে, তাহার অনুসন্ধান আমি করিব।”

    “তুমি করিবে?”

    “কেন নয়? আমি দিনকতক গোয়েন্দাগিরি শিখিয়াছিলাম।”

    “তুমি কি করিতে চাও?”

    “বোম্বাই গিয়া ইহার অনুসন্ধান করিতে হইবে। প্রথমে দেখিতে হইবে, যে লোকটার মৃতদেহ বাক্সের মধ্যে পাওয়া গিয়াছে, সে যথার্থ গোপাল দাস কিনা।”

    “তাহার পর কি করিবে?”

    “তাহার পর অনুসন্ধান করিতে হইবে, কে আপনার মাতুলানীর উকিল ছিলেন, তিনি যথার্থ গোপাল দাসকে সে লাখ টাকা দিয়াছিলেন কি না।”

    “তাহার পর?”

    “খুব সম্ভব, নোটই দেওয়া হইয়াছিল, লাখ টাকা এত ভারি যে কেন নগদ লইতে পারে না। যদি নোট হয়, তাহা হইলে তাহার নম্বর পাওয়া যাইবে।”

    “এ কথা মন্দ শুনাইতেছে না।”

    “এই টাকার জন্য খুন, সুতরাং পুলিসও যথেষ্ট সাহায্য করিবে।”

    “সে সব কথাই ঠিক, তবে আমি যে সে টাকা আর পাইব, তাহার কোন আশা নাই।”

    “সামান্য খরচ-”

    “আমার মুখে রক্ত ওঠা টাকা—এই বাইশ-হাত-জলে পড়া টাকার আশায় আমি খরচ করিতে ইচ্ছা করি না।”

    “সামান্যই খরচ হইবে।”

    “কত?”

    “এই খুব বেশী হয় ত এক শত টাকা।”

    “এক শত টাকা! ইহাও জলে যাইবে।”

    “যাইবে না।”

    “তুমি ত দেখিতেছি, আকাশের চাঁদ হাতে তুলিয়া দিতেছ।”

    “আমার বিশ্বাস, চেষ্টা করিলে এ টাকা পাওয়া যাইবে।”

    “আচ্ছা, একশত টাকা খরচ করিতে রাজী আছি, তাহার উপর এক পয়সাও নয়।”

    “ইহার বেশী এক পয়সাও খরচ করিতে হইবে না।’

    (উদ্দেশ্য) “চোর-বদমাইস-”

    “তাহাকে এখন গালি দিয়া কেন ফল নাই, এখন আপনার মামীর বিষয় কি জানেন, তাহাই আমায় বলুন।”

    “আমি কিছুই জানি না। শুনিয়াছিলাম, বোম্বাই সহরে আমার এক মামী আছেন, এইমাত্ৰ।”

    “যাহাই হউক, আমি সে সব সন্ধান করিয়া বাহির করিব—তিনি যখন মারা গিয়াছেন, তখন তাঁহার সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য আদালতের হুকুম লইতে হইয়াছে, আদালতে সন্ধান করিলেই তাঁহার বিষয় জানিতে পারিব। আজ এখন টাকা দেন ত, আজই এ সন্ধানে বাহির হই।”

    “তাহাল যেন দিলাম, তুমি যে আমার জন্য এত খাটিবে, তুমি কি চাও? আগে সব কথা হওয়া ভাল।”

    “আমি এখন কিছু চাহি না। আগে আপনার টাকা আপনাকে দিই, তাহার পর সে সম্বন্ধে কথা হইবে। আর আমি ভৃত্যতুল্য—যাহাদিয়া আমাকে সন্তুষ্ট হইতে পারেন, তাহাই দিবেন।”

    “আগে এ বিষয়ে কথা হওয়াই ভাল।”

    “কাজ আগে হউক।”

    “আমি সে কথা ভাল বুঝি না।”

    “আমি টাকা চাহি না।”

    “টাকা চাও না?”

    “হাঁ, আমি টাকা চাহি না।”

    “তবে তুমি কি চাও?”

    “একান্তই শুনিতে চাহেন, যদি আমি আপনার কার্য্যোদ্ধার করিতে পারি–যে টাকার আশাই নাই, তাহা যদি আমি আপনার হাতে আনিয়া তুলিয়া দিতে পারি, তাহা হইলে পুরস্কার স্বরূপে আপনার কন্যা হিঙ্গনকে আমি প্রার্থনা করি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৩ (তৃতীয় খণ্ড)
    Next Article বাঙ্গালীর বীরত্ব – পাঁচকড়ি দে

    Related Articles

    পাঁচকড়ি দে

    নীলবসনা সুন্দরী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবিনী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যাকারী কে – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    গোবিন্দরাম – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যা-রহস্য – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }