Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৬ (ষষ্ঠ খণ্ড)

    পাঁচকড়ি দে এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছদ্মবেশী – ১

    ছদ্মবেশী

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    সালসতী দ্বীপের বেন্দোরাতে আরব-সমুদ্র পার্শ্বস্থ পাহাড়ের উপর একখানি সুন্দর বাড়ীতে মাণিকজী পৈয়ানজী নামে এক পার্শী যুবক সপরিবারে বাস করিতেন। তাঁহার সেই সুন্দর গৃহখানিতে তাঁহার গৃহলক্ষ্মী মিরিয়ন বাঈও বড় সুন্দরী ছিলেন। যে বাড়ীখানির কথা বলিতেছি, তাহার পশ্চিম প্রান্তে তরঙ্গোচ্ছ্বাসিত ফেনিল আরব-সাগর দিগন্তবিস্তৃত এবং উত্তর ও পূর্বে তাল ও নারিকেল বৃক্ষশ্রেণীর অপূর্ব শোভা। এই সকল প্রাকৃতিক দৃশ্য ও সৌন্দর্য্যের মধ্যে বাড়ীখানিকে আরও সুরম্য দেখাইত। এই বাড়ীখানি তিন বৎসর পূর্ব্বে মিরিয়মেরই পিতৃগৃহ ছিল।

    প্রতিদিন অপরাহ্নে এই নব দম্পতি তাঁহাদিগের বাটীর পশ্চিমদিককার বারান্দায় বসিয়া প্রচুর কৌতুকহাস্যের সহিত পরমপ্রসন্নমনে দিগন্তপ্রসারিত আরবসমুদ্রবক্ষে বিচিত্র তরঙ্গলীলা দেখিতেন। কখনও উভয়ে দৃষ্টির সীমান্ত রেখায় যেখানে সুনীল সমুদ্রের সহিত নীল আকাশ অগাধ সৌন্দৰ্য্য ঢালিয়া মৃদুমধুর চুম্বনে পরস্পর প্রেমালিঙ্গন পাশে বদ্ধ, সেইদিকে অনিমেষলোচনে চাহিয়া থাকিতেন। তাহার পর রবি আকাশ-বক্ষঃ বাহিয়া খেলা শেষে শ্রান্ত শিশুটির মত পরপারের দিগন্ত-বেলায় সেই বিহ্বল মিলনের মধ্যে ঢলিয়া পড়িলে কনকলাবণ্যে যখন নিখিল বিশ্ব ভরিয়া উঠিত, এবং সমুদ্রের চঞ্চল বক্ষে আর তটে সেই কোমল পেলব স্বর্ণছায়া স্বর্ণাস্তরণের ন্যায় প্রসারিত হইয়া পড়িলে তটাহত তরঙ্গ বারংবার তাহার উপরে যখন আছড়াইয়া গড়াইয়া অগাধ বারিরাশিতে লীন হইয়া যাইত, তখনকার সেই মনোহর মহান দৃশ্য এই নব দম্পতির ঐকান্তিক মনোযোগ আকর্ষণ করিত। তাঁহার পর যখন পশ্চিমাকাশের বর্ণবিচিত্র সেই কোমলোজ্জ্বল হেমদীপ্তির উপরে মলিনবসনা সন্ধ্যা ধীরে ধীরে তাহারধূসর যবনিকা টানিয়া দিত, তখনও আবার এই দম্পতি স্বপ্নাবিষ্টের ন্যায় সেই দিকেই চাহিয়া থাকিতেন। বারান্দার সম্মুখস্থ পথিমধ্য হইতে পথিকেরা পথ চলিতে চলিতে সাগ্রহনেত্রে এই দম্পতির যুগলমিলন দেখিয়া নেত্রের সার্থকতা সম্পাদন করিত, এবং মনে করিত, এইরূপ মিলনই সকলের একান্ত প্রার্থনীয়। এমন কি তদুভয়ের এই প্রণয়ের গভীরতা সম্বন্ধে প্রতিবেশীরা অনেক ক্ষুদ্র গল্প ও ছড়া রচনা না করিয়া ক্ষান্ত থাকিতে পারে নাই। প্রণয়প্রসঙ্গে কোথায় কিছু অভাব পরিলক্ষিত হইলে প্রতিবেশীরা স্ত্রী পুরুষে সর্ব্বাগ্রে মাণিকজী ও মিরিয়মের তুলনা দিত।

    এমন সুখের সংসারে একদিন বিধাতার চক্রে আগুন লাগিয়া গেল। এবং আগুনটা কোন্ দিক হইতে লাগিল সেইটি দেখিবার ভার আমার উপরেই পড়িয়াছিল।

    একদিন প্রাতে অত্যন্ত বিস্ময়ের সহিত শুনিলাম, সুন্দরী মিরিয়ম বাঈ খুন হইয়াছে। সংবাদ পাইবামাত্র আমি অবিলম্বে বেন্দোরাতে মাণিকজীর গৃহে উপস্থিত হইলাম। তখন বেলা দশটা।

    শয়ন কক্ষে মিরিয়ম বাঈ নিহত হইয়াছে। দেখিলাম, তাহার রক্তাক্ত মৃতদেহ তখনও রক্তপ্লাবিত গৃহতলে পড়িয়া রহিয়াছে। ছুরিকাঘাতে বক্ষঃস্থল দ্বিধা বিদীর্ণ হইয়া গিয়াছে, আর সেই ক্ষতমুখে চাপ্‌ চাপ্ রক্ত জমাট বাঁধিয়াছে। এবং উন্মুক্ত বিপুল কেশদাম রক্তে একেবারে ডুবিয়া গিয়াছে। অনিন্দ্যসুন্দরী মিরিয়মের সেই পরিপূর্ণ বিমল সৌন্দর্য রক্ত-বিভীষিকায় এরূপ আচ্ছন্ন করিয়াছে যে, দ্বিতীয়বার সেদিকে চাহিতে ইচ্ছা করে না। আমার পৌঁছিবার অনতিবিলম্বে লাস সেখান হইতে চালান দেওয়া হইল।

    কক্ষটিতে দৃষ্টিক্ষেপমাত্র বেশ বুঝিতে পারা যায়, হত্যাকারী সহজে মিরিয়ম বাঈকে খুন করিতে পারে নাই। ইহার জন্য তাহাকে সাধ্যানুসারে বলপ্রয়োগ করিতে হইয়াছিল। এবং শিকার ও শিকারী উভয়ের মধ্যে একটা ক্ষুদ্র যুদ্ধও সংঘটিত হইয়াছিল। নতুবা গৃহ-সামগ্রী এরূপভাবে তছরূপ হইবার কারণ কি? বিছানার আস্তরণখানার অর্দ্ধাংশ গৃহতলে লুটাইতেছে। একখানা সোফা ও দুইখানা চেয়ার একেবারে উল্টাইয়া পড়িয়াছে, এবং দুই-তিনখানা ছবি গৃহ-প্রাচীর ছাড়িয়া গৃহতলে ভগ্নাবস্থায় পড়িয়া রহিয়াছে। এই সকলের মধ্যে একটা জিনিষ কোন কারণে আমার বড় মনোযোগ আকর্ষণ করিল—সেটি একটি পাথরের ছোট পুতুল, ঠিক মৃতদেহের পার্শ্বেই পড়িয়াছিল। আমি সেটা যত্নপূর্ব্বক নিজের পকেটস্থ করিলাম।

    যেরূপ দেখিলাম, তাহাতে স্পষ্টই বুঝা যাইতেছে যে, মিরিয়ম বাঈ খুনীর ছুরি হইতে আত্মরক্ষার্থে অনেক চেষ্টা করিয়াও নিষ্কৃতি লাভ করিতে পারে নাই। একান্ত অসহায় অবস্থায় তাহাকে অকালে জীবন-লীলা সম্বরণ করিতে হইয়াছে।

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    প্রথমে আমি এই খুনটার কারণ কিছুই খুঁজিয়া পাইলাম না। মিরিয়ম বাঈ নিজের সারল্যে সৌন্দর্য্যে ও মিষ্ট বাক্যে সেখানকার পরিচিত মাত্রেই স্নেহ আকর্ষণ করিয়াছিল। সকলেই তাহাকে ভালবাসিত, এমন কি একজনও তাহার শত্রু ছিল না। এরূপ স্থলে এমন একটা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হইবে, ইহা সকলের পক্ষে স্বপ্নের অগোচরীভূত। ক্রমে সাভিনিবেশ অনুসন্ধানে জানিতে পারিলাম, কক্ষের দক্ষিণ পার্শ্বে যে একটি দেরাজ ছিল, সেই দেরাজের দুই-তিনটি ড্রয়ারের চাবি ভাঙা এবং তাহার ভিতরকার জিনিষগুলি সব বিশৃঙ্খলভাবে বিক্ষিপ্ত রহিয়াছে। আমি তখনই মানিকজীকে সে সংবাদ দিলাম। তিনি দেখিয়া-শুনিয়া বলিলেন, তাঁহার দুই হাজার টাকা তন্মধ্য হইতে অন্তর্হিত হইয়াছে। তাঁহার মুখে দুই হাজার টাকা অন্তর্দ্ধানের কথা শুনিয়া বুঝিতে পারিলাম, এই চুরিই খুনের একমাত্র কারণ। চোর চুরির মতলবে গৃহে প্রবেশ করিলে মিরিয়ম বাঈ তাহার উদ্দেশ্যের অন্তরায় হইয়াছিলেন; অগত্যা চোর তাঁহাকে খুন করিয়া স্বকার্য্য সাধনপূর্ব্বক স্বস্থানে প্রস্থান করিয়াছেন।

    আরও ভাবিয়া দেখিলাম, চোরটা ঘর সন্ধানী—ইহাদের পরিচিতই হইবে, ইহাদের ঘর-সংসারের সকল সংবাদই সে রাখে। সে পূর্ব হইতেই সন্ধান রাখিয়াছিল যে, মাণিকজীকে কোন কারণে সহরে যাইতে হইবে—রাত্রে বাড়ী ফিরিবেন না, এবং দাস দাসী দুইজনও সেদিন কাহাদের বিবাহোৎসবে যোগ দিতে বাহিরে যাইবে, ফিরিতে অনেক রাত্রি হইবে। এই সকল সন্ধান-সুলুক লইয়া চোর যথাসময়ে গৃহে প্রবেশ করিয়া, ঘটনাক্রমে হত্যাকারীতে পরিণত হইয়া পলায়ন করিয়াছে। শেষ রাত্রে প্রথমে সেই ভৃত্য ও পরিচারিকা দুইজনে বাড়ী ফিরিয়া আসে। তাহারই প্রথমে এই খুনের কথা জানিতে পারিয়া গোলমাল করে। অতি প্রত্যূষে মাণিকজী সহর হইতে ফিরিয়া আসিয়া দেখেন, তাঁহার গৃহপ্রাঙ্গণে লোকারণ্য পুলিশ আসিয়া বাড়ী অধিকার করিয়াছে ভৃত্য ও পরিচারিকা চীৎকার করিয়া কাঁদিতেছে। এবং তাঁহার প্রিয়তমা স্ত্রী মিরিয়ম বাঈ আর এ জগতে নাই।

    আমি প্রথমে ভৃত্য ও পরিচারিকাকে এই খুন সম্বন্ধে একে একে অনেক প্রশ্ন করিলাম। বিশেষ কোন ফল লাভ করিতে পারিলাম না। তাহাদের মুখে এমন কিছুই শুনিলাম না, যাহাতে সেই খুনী আসামীকে গ্রেপ্তার করিবার কোন সুগম পন্থা আবিষ্কার করিতে পারি।

    ভৃত্য বলিল, কাল সন্ধ্যার পূর্ব্বে সে বাড়ী ত্যাগ করে, শেষ রাত্রে বাড়ী ফিরিয়া আসে। তাহার সঙ্গে পরিচারিকাও আসিয়াছিল। প্রথমে সে তেমন সময়ে বাড়ীর পশ্চাদ্দার খোলা দেখিয়া বিস্মিত হয়, তখনই সে পরিচারিকাকে সঙ্গে লইয়া গৃহকর্ত্রীকে ইহার কারণ জিজ্ঞাসা করিতে উপরিতলে যায়। সেখানে গিয়া দেখে, কর্ত্রীর শয়ন কক্ষের দ্বার উন্মুক্ত—সেই উন্মুক্ত দ্বারের পার্শ্বে তাহার মনিব-পত্নীর রক্তাক্ত দেহ পতিত। তখনই সে স্থানীয় পুলিসে খবর দেয়। তাহার মনিব ও মনিব-পত্নীর মধ্যে যথেষ্ট প্রণয় ছিল; তাহাদের প্রতি কাহারও কোন শত্রুতা ছিল না।

    পরিচারিকা যাহা বলিল, তাহা ভৃত্যেরই জবানবন্দীর পুনরাবৃত্তি মাত্র। নূতন কথা কিছুই পাইলাম না। আর হতভাগ্য মাণিকজী বেমানজী! তাহাকে তখন যেরূপ শোকাকুল দেকিলাম, তাহাতে তাঁহাকে তখন কোন কথা জিজ্ঞাসা করিতেই আমার সাহস হইল না। সেরূপ অবস্থায় তিনি যে আমার প্রশ্নের যথাযথ উত্তর করিতে পারিবেন, এরূপ আশাও আমার মনে স্থান পাইল না। তথাপি কয়েকটি কথা তাঁহাকে জিজ্ঞাসা না করিলে নয়; আমি তাঁহাকে আমার অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া ভৃত্যের দ্বারা সংবাদ-পাঠাইলাম। আমি তখন তাঁহার শয়ন-কক্ষেই (যেখানে মিরিয়মের মৃতদেহ ছিল) বসিয়াছিলাম। তিনি আসিলে আমি তাঁহার শোকে যথেষ্ট সহানুভূতি প্রকাশ করিয়া সান্ত্বনা বাক্য প্রয়োগ করিতে লাগিলাম। উহারই মধ্যে তাঁহাকে একটু প্রকৃতিস্থ হইতে দেখিয়া যতদূর সম্ভব বিনীতভাবে জিজ্ঞাসা করিলাম, “আপনি এই দারুণ দুর্ঘটনা সম্বন্ধে কোন কথা আমাকে বলিতে পারেন কি? যেরূপ ব্যাপার দেখিতেছেন, তাহাতে আপনি কি বুঝিতেছেন?”

    মাণিকজী বলিলেন, “এ ঘরে নয়, এখানে আমি কিছুতেই তিষ্ঠিতে পারিতেছি না – অন্য ঘরে চলুন – অন্য ঘরে চলুন ।” বলিতে বলিতে ঘর হইতে বাহির হইয়া পড়িলেন।

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    আমরা উভয়ে অন্য একটা ঘরে গিয়া বসিলাম। মাণিকজী বলিলেন, “কিছুই ত বুঝিতে পারিতেছি না। সকলই যেন স্বপ্নের মত বোধ হইতেছে—অগ্নিদেব করুণ ― যেন তাহাই হয়—তাহাই হয়।” এই বলিয়া তিনি নিতান্ত ব্যাকুল ভাবে দুই হস্তে দুই চক্ষু আবৃত করিলেন।

    আমি বলিলাম, “আপনি যদি এখন এমন অধীর হইয়া পড়েন, তাহা হইলে সকল দিক নষ্ট হইয়া যায় —এখন আপনার কর্ত্তব্য কি, তাহা অবশ্যই আপনি জানেন।”

    মাণিকজী বলিলেন, “জানি—হত্যাকারীর যথোপযুক্ত দণ্ড বিধান করা—কিন্তু আজ যাহাকে হারাইলাম, তাহাকে কি আর এ জীবনে খুঁজিয়া পাইব! কাল রাত্রে আমাকে সহরে যাইতে হয়। সেখানে আমার এক বন্ধুর বাড়ীতে অভিনয় দর্শনের নিমন্ত্রণ ছিল। সন্ধ্যার পর আমি বাড়ী হইতে বাহির হই। আমি যে, রাত্রে বাড়ীতে ফিরিতে পারিব না, যাইবার সময়ে সে কথা আমার স্ত্রীকে বলিয়া যাই। হায়! সেই দেখাই তাহার সহিত শেষ দেখা বলিতে বলিতে মাণিকজীর কন্ঠরোধ হইল। একান্ত হতাশভাবে দুই হাতে মুখ ঢাকিয়া বালকের ন্যায় কাঁদিতে লাগিলেন। ক্ষণপরে জড়িতকণ্ঠে বলিলেন, “যেরূপ ব্যাপার দেখিতেছেন, তাহাতে আপনি কি অনুমান করেন?”

    আমি বলিলাম, “যেরূপ দেখিতেছি, তাহাতে আমার, বিশ্বাস চুরিই—”

    সহসা বাধা দিয়া উত্তেজিত ভাবে মাণিকজী বলিলেন “চুরি? চুরিই যে প্রধান উদ্দেশ্য, তাহার আর সন্দেহ কি? কাল দেরাজের ভিতরে আমার দুই হাজার টাকা মজুত ছিল।”

    “সমুদয়ই কি নোট?”

    “হাঁ, বিশখানি একশত টাকার নোট।”

    “সে নোটগুলি যে চুরিই গিয়াছে, তাহা আপনি বেশ বুঝিতে পারিতেছেন?”

    “যখন দেরাজটা এরূপ ভগ্নাবস্থায় পড়িয়া থাকিতে দেখিতেছি—অথচ সেই দুই হাজার টাকার কোন সন্ধান হইতেছে না, তখন চুরি ভিন্ন আর কি মনে হইতে পারে?”

    “আপনি যে দুই হাজার টাকার নোট এই দেরাজের ভিতরে রাখিয়াছিলেন, তাহা আর কেহ জানিত?”

    “কেহ না, কেবল আমার স্ত্রী জানিতেন, আর • আর –” বলিতে বলিতে সহসা মধ্যপথে থামিয়া গেলেন। একটু পরেই চক্ষু ও ললাট কুঞ্চিত করিয়া একান্ত চিন্তিতভাবে বলিয়া উঠিলেন, “না, তাহা একেবারেই অসম্ভব!”

    “কি অসম্ভব? আপনি কোন কথা আমার নিকটে গোপন করিবেন না; ঐ সকল ব্যাপারে অনেক সম্ভব অসম্ভবে, অনেক অসম্ভব সম্ভবে পরিণত হয়। আপনি সকল কথা আমাকে খুলিয়া বলুন। আপনার যাহা কৰ্ত্তব্য, তাহা কি আমাকে বারংবার স্মরণ করিয়া দিতে হইবে?”

    “পরে বলিতেছি, আগে আমি জানিতে চাই, আপনি কিরূপ সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়াছেন।”

    আমি বিরক্তভাবে বলিলাম, “আপনি যাহা বলিতেছেন, তাহা মিক্সপেনি ডিটেকটিভ ষ্টেরিতে বেশ মানায়। এমন কোন ডিটেকটিভ দেখি না, যিনি এমন একটা খুনের কেসে এত অল্প সময়ের মধ্যে একটা কোন অভ্রান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হইতে পারেন। তবে যেরূপ দেখিতেছি, তাহাতে বেশ বুঝিতে পারা যায়, যে খুন করিয়াছে, সে নিশ্চয়ই এই দুইটি সংবাদ পূৰ্ব্ব হইতেই অবগত ছিল যে, কাল রাত্রে আপনার স্ত্রী একাকিনী থাকিবেন, আর আপনার এই দেরাজের মধ্যে সেই দুই হাজার টাকা মজুত আছে। আপনি আর কাহারও কাছে, এ সম্বন্ধে কোন কথা বলেন নাই কি?”

    আমার এই প্রশ্নে এবার মাণিকজীকে আরও চিন্তিত দেখিলাম। অবশেষে গৃহের চারিদিকে একবার শূন্য দৃষ্টি সঞ্চালন করিয়া বলিলেন, “একজন নির্দোষী ভদ্রলোককে এই বিপদের মধ্যে টানিয়া আনা আমি যুক্তিযুক্ত বোধ করি না। একজনের নিকটে আমি কোন কারণে একথা বলিয়াছিলাম, তিনি আমার একজন পরম বন্ধু, তাঁহার নামক পালনজী পেষ্টনজী।

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, “আপনি পালনজীকে এ কথা বলিয়াছিলেন কেন?”

    মাণিকজী বলিলেন, “বলিবার কারণ আছে। কাল সন্ধ্যার পর সহরে যাইবার জন্য আমি বেন্দোরা ষ্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষা করিতেছিলাম। সেই সময়ে সেইখানে পালনজীর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়। আমাকে দেখিয়াই তিনি বলিলেন, আমার সঙ্গে দেখা করিবার জন্যই তিনি আমার বাড়ীতে যাইতেছিলেন; ঘটনাক্রমে ষ্টেশনেই দেখা হইয়া গিয়াছে। আমি তাঁহাকে সে সময়ে বড়ই উদ্বিগ্ন দেখিলাম। তিনি ব্যগ্রভাবে আমার কাছে পাঁচশত টাকা কর্জ চাহিলেন। উপস্থিত রাত্রিটা আমি তাঁহাকে অপেক্ষা করিতে বলিয়া বলিলাম, বাড়ীতে আমার দেরাজেই দুই হাজার টাকা মজুত আছে, প্রাতেই তাঁহাকে অনায়াসে পাঁচশত টাকা দিতে পারিব। কিন্তু তিনি তাহা শুনিলেন না, টাকার জন্য বড়ই পীড়াপীড়ি করিতে লাগিলেন। ষ্টেশন হইতে আমার বাড়ী এক ক্রোশের কম নহে, টাকার জন্য তখন বাড়ী ফিরিয়া যাইতে হইলে এদিকে আমার বিলম্ব হইয়া যায়। তাহাও আমি তাঁহাকে বুঝাইয়া বলিলাম। তাহাতে তিনি আমার চিঠি লইয়া নিজেই আমার বাড়ীতে যাইতে চাহিলেন। তাহাতেও তাঁহাকে নিরাশ হইতে হইল; আমি তাঁহাকে বলিলাম, তিনি তখন আমার বাড়ীতে গেলেও টাকা পাইবেন না; কারণ বাড়ীতে কেহই নাই।”

    তিনি বলিলেন, “কেন আপনার স্ত্রী’ত বাড়ীতে আছেন।”

    মাণিকজী বলিলেন, “আমি রাত্রে বাড়ী ফিরিতে পারিব না, শুনিয়া আমার স্ত্রী কাল রাত্রে তাঁহার কোন এক সখীর বাড়ী যাইবেন, বলিয়াছিলেন। তাহাতেই আমি মনে করিয়াছিলাম, আমার চিঠি লইয়া গেলেও তাঁহার টাকা পাইবার সম্ভাবনা নাই। হায়! রাত্রে যদি আমার স্ত্রী সেখানে যাইতেন, তাহা হইলে আজ আর আমার এমন সর্ব্বনাশ ঘটিত না! কেবল এই দুই হাজার টাকা আজ চুরি গেলে আমি বিশেষ ক্ষতিবোধ করিতাম না।”

    আমি বলিলাম, “উতলা হইবেন না, এখন শোক প্রকাশের সময় নহে। আপনার কথা শুনিয়া পালনজী কি বলিলেন?”

    মাণিকজী বলিলেন, “আমার কথায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করিয়া আমার বন্ধুত্বের উপরে বারংবার দোষারোপ করিতে লাগিলেন। যাইবার সময় বলিয়া গেলেন, আজ রাত্রের মধ্যে যেরূপে হউক, তাঁহাকে পাঁশশত টাকা সংগ্রহ করিতেই হইবে। তাহা বলিলেও তিনি যে টাকার জন্য তাঁহাকে আমি ভাল রকমই জানি―এমন একটা ভয়ানক কাজ করিবেন, এ বিশ্বাস আমার আদৌ নাই। ইহা কখনই সম্ভবপর নয়।”

    আমি বলিলাম, “সম্ভবপর নয় কিসে? আপনি তাঁহাকে বলিয়াছিলেন, বাড়ীতে টাকা আছে, বাড়ী অরক্ষিত, অথচ তাঁহার অর্থাভাব বড়ই প্রবল। এরূপ স্থলে টাকা সংগ্রহের এমন একটা সুযোগ ত্যাগ না করাই তাহার পক্ষে খুবই সম্ভবপর। একটু ভাবিয়া দেখিলে বেশ বুঝিতে পারা যায়, তিনি পশ্চাদ্বার দিয়া আপনার বাড়ীতে ঢুকিয়াছিলেন, তাহার পর উন্মুক্ত গবাক্ষপথে আপনার শয়নগৃহের ভিতরে যাইলে শব্দ শুনিয়া আপনার স্ত্রী জাগিয়া উঠিয়াছিলেন। তখন অন্যন্যোপায় হইয়া পালনজী আপনার স্ত্রীকে খুন করিয়া দুই হাজার টাকা লইয়া সরিয়া পড়িয়াছেন। কথাটা বড়ই ভয়ানক বইকি!”

    মাণিকজী বলিলেন, “আপনি কি পালনজীকেই দোষী স্থির করিতেছেন?”

    আমি বলিলাম, “না—না, এত শীঘ্র কাহাকেও দোষী স্থির করিয়া, ফাঁসী-কাঠের দিকে টানিয়া লইয়া যাওয়া অভ্যাস আমার আদৌ নাই। এ সকল সামান্য প্রমাণের উপর নির্ভর করিয়া দোষী স্থির করা অর্ব্বাচীনের কাজ। দেখুন মহাশয়, আরও একটি কথা হইতেছে, যদি তিনি আপনার স্ত্রীকে খুন করিয়া নোটগুলি লইয়া গিয়া থাকেন, আজই হউক, আর দশদিন পরেই হউক, ঐ নোট তাঁহাকে ভাঙাইবার জন্য বাহির করিতে হইবে। সেই নোটের নম্বরগুলি এখন দরকার হইতেছে।”

    তাড়াতাড়ি পকেট হইতে নোটবুকখানি বাহির করিয়া তিনি বলিলেন, “বেশি টাকার নোটের নম্বর আমি টুকিয়া রাখি।” বলিয়া সেই নোটবুকখানির যে পৃষ্ঠায় নোটের নম্বরগুলি লেখা ছিল, সেই পৃষ্ঠাটি খুলিয়া আমার সম্মুখে ধরিলেন।

    আমার নিজের নোটবুক বাহির করিয়া সেই নম্বরগুলি তুলিয়া লইতে লাগিলাম।

    মাণিকজী বলিলেন, “আপনি পালনজীকেই কি সন্দেহ করিতেছেন?”

    আমি নম্বর লেখা শেষ করিয়া বলিলাম, “সে কথা আমি এখন ঠিক করিয়া বলিতে পারি না। পালনজীর

    গত রাত্রের গতিবিধি সম্বন্ধে সকল তথ্য আমাকে আগে সংগ্রহ করিতে হইবে।

    মাণিকজী বলিলেন, “সে সম্বন্ধে আমি বিশেষ কিছু জানি না। কাল রাতে আটটার পর তাঁহার সহিত আমার সেই-যা ষ্টেশনে একবার দেখা হইয়াছিল; তখনই তিনি চলিয়া যান। কোথায় যাইবেন, কি করিবেন, সে সম্বন্ধে তিনি কোন কথা আমাকে বলেন নাই।”

    আমি বলিলাম, আপনি পালনজীর ঠিকানাটা আমাকে বলুন। তাঁহার আকৃতি কিরূপ? বয়স কত? মাণিকজী বলিলেন, “বয়স ত্রিশ বৎসর হইবে। মুখাকৃতি বড় সুন্দর, মাথায় কোঁকড়ান চুল। চোখে সর্ব্বদা চশমা রাখেন। আকারটা কিছু দীর্ঘ। এই বেন্দোরার উত্তরপ্রান্তে তিনি বাস করেন।”

    আমার নিজের নোটবুকে সব লিখিয়া লইলাম। এবং অন্যান্য দুই-একটি কথার পর বিদায় লইয়া উঠিয়া পড়িলাম

    ঘরের বাহিরে আসিয়া সেই পাথরের পুতুলটার কথা মনে পড়িয়া গেল। আমি পুনরায় কক্ষমধ্যে প্রবেশ করিয়া মাণিকজীকে বলিলাম, “আর একটা কথা আছে — কথায় কথায় সে কথাটা একেবারেই ভুলিয়া গিয়াছিলাম। দেখুন দেখি, এই পুতুলটা কি আপনাদেরই?” বলিয়া সেই পাথরের পুতুলটা পকেট হইতে বাহির করিয়া তাঁহাকে দেখাইলাম।

    “না কই, আমি পূৰ্ব্বে ইহা কখনও দেখি নাই”, বলিয়া মাণিকজী পুতুলটি আমার হাত হইতে লইয়া তখনই সেটা মাটীতে ফেলিয়া দিলেন। বলিলেন, “একি! ইহাতে যে রক্ত লাগিয়া রহিয়াছে।”

    আমি পুতুলটা কুড়াইয়া লইয়া বলিলাম, “হাঁ, আপনার স্ত্রীরই রক্ত। এই পুতুল যদি আপনাদের না হয় তবে নিশ্চয়ই সেই হত্যাকারীর। আমি আপনার স্ত্রীর মৃতদেহের পার্শ্বেই ইহা পড়িয়া থাকিতে দেখি। যখন পাপিষ্ঠ ঝুঁকিয়া পড়িয়া আপনার স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে, খুবই সম্ভব তখনই তাহার বুক-পকেট হইতে অজ্ঞাতসারে ইহা পড়িয়া গিয়াছে। পুতুলটাতে খানিকটা রক্তও লাগিয়াছে। হত্যাকারীর তখন মাথার ঠিক ছিল না

    না থাকিবারই কথা, নতুবা সে কখনই খুনের এমন একটা বিশিষ্ট সূত্র পশ্চাতে ফেলিয়া যাইত না। যাহা হউক, আমার মনে হয়, এই নির্জীব পাথরের পুতুলটাই যথাসময়ে সেই পাপিষ্ঠ হত্যাকারীকে একদিন ফাঁসীর সুকঠিন রজ্জুতে লম্বমান করিয়া দিবে।”

    মাণিকজী বলিলেন, “তাহাই প্রার্থনীয়। কিন্তু আমার বিশেষ অনুরোধ যতক্ষণ না আপনি পালনজীকে ঠিক দোষী বলিয়া জানিতে পারিতেছেন, ততক্ষণ যেন তাঁহাকে এই হত্যাপরাধে কোন বিপদে ফেলা না হয়। অনর্থক এমন একটা বদনামের ভাগী হইয়া কোন ভদ্রব্যক্তির জীবন কলঙ্কিত হয়, এমন ইচ্ছা আমার নয়।”

    “না-না—সে ইচ্ছা আমারও নাই। দুই-একটা সামান্য অবস্থাগত প্রমাণের উপর নির্ভর করিয়া সহসা কাহাকে বিপদে ফেলা ঠিক হয় না—” বলিয়া আমি উঠিয়া পড়িলাম এবং মাণিকজীর নিকট তখনকার মত বিদায় গ্রহণ করিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৩ (তৃতীয় খণ্ড)
    Next Article বাঙ্গালীর বীরত্ব – পাঁচকড়ি দে

    Related Articles

    পাঁচকড়ি দে

    নীলবসনা সুন্দরী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবিনী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যাকারী কে – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    গোবিন্দরাম – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যা-রহস্য – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }