Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প847 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বীর হওয়ার বিড়ম্বনা – শিবরাম চক্রবর্তী

    বীর হওয়ার বিড়ম্বনা – শিবরাম চক্রবর্তী

    সেদিন ওঁদের বাড়ি যেতেই এক তুলকালাম কাণ্ডের মধ্যে পড়লাম! এমন হুলস্থূল বাধিয়েছেন হর্ষবর্ধন!

    পাহাড়-প্রমাণ দাদা মূষিকের ন্যায় ভায়ের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। এই মারেন কি সেই মারেন।

    আমি গিরি আর গোবর্ধনের মাঝখানে গিয়ে পড়লাম—দাঁড়ান দাঁড়ান, করছেন কী? আপনার চাপে চ্যাপটা হয়ে যাবে যে ভাইটা!

    চ্যাপটা! ওকে আস্ত রাখব আমি? ওরই একদিন কি আমারই একদিন! খতম করব ওকে—ওর ভুঁড়ি ফাঁসিয়ে দিয়ে যদি আমার ফাঁসি যেতে হয় সেও ভি আচ্ছা! কিন্তু ওকে আমি ছাড়ছি না!

    ভুঁড়ি যে ফাঁসাবেন, ভুঁড়ি কোথায় ওর! আমি বাধা দিয়ে বলি—আপনার মতন ওর ভুঁড়ি গজিয়ে দিন আগে তারপর তো? তবে না ফাঁসাবার মজা!

    নাঃ! আর নয়! তদ্দিন আমার সবুর সইবে না। ওকে ছাড়ব এবার জন্মের মতোই—আজই আমাদের কাটান ছেড়ান!

    অ্যাঁ, কী বললেন! গোবরচন্দরকে ছাড়বেন বলছেন? শুনেই আমি চমকাই।

    হ্যাঁ হ্যাঁ। জন্মের মতোই ছাড়ব ওকে বলছি তো! না হলে আমার শান্তি নেই।

    বললাম। কী বলছেন মশাই! ও কথা কি বলতে আছে? আপনি কি গোরু যে গোবর ছাড়বেন?

    গোরু কেন, গোরুর অধম। আমি মোষ। মোষেরও অধম, আমি উট। উট না হলে এমন উটকো ভাই জোটে আমার! আপনি এসে বাগড়া না দিলে এতক্ষণ ওর এসপার ওসপার হয়ে যেত। আপনি এসেও কিছু বাঁচাতে পারবেন না। আমি ওকে ত্যাজ্যপুত্তুর করে দিলাম। আমার বিষয় আশয় কিছু ওকে দেব না।

    কে চাইছে! মাঝখান থেকে গোবরা গোঙায়: চাইছে কে তোমার বিষয় আশয়? আমি কি সেই আশায় বসে আছি?

    না চাস নাই চাস ত্যাজ্যপুত্তুর হয়ে গেলি— ব্যাস!

    বয়েই গেল আমার!

    ছি ছি ছি! আপনি বলছেন কী! অমন কথা কি কইতে আছে? ভাই কি ছেলে যে তাকে ত্যাজ্যপুত্তুর করবেন? এমন অশাস্ত্রীয় কথা মুখে আনে কখনও?

    অশাস্তর কোনখানে? রামায়ণ কি আমাদের শাস্তর নয়। রামচন্দ্র কি লক্ষ্মণকে বর্জন করেননি? আমিও আমার দুর্লক্ষণটিকে বর্জন করলাম। বলে তিনি হাঁফ ছেড়ে চৌকির ওপর বসলেন।

    এত রাগ কীসের জন্যে? বলি, হয়েছেটা কী? আমি শুধাই।

    কাল রাত্তিরে এই ঘর থেকে আমার যথাসর্বস্ব চুরি গেছে। আর এই ঘরে ও ঘুমোচ্ছিল!…রাগে গর গর করতে করতে তাঁর গর্জন।

    ঘুমোলে তো মানুষ মড়া! তখন কি কারও কোনও হুঁস থাকে নাকি? গোবরা ভায়ার দোষটা কোথায় দেখছিনে তো৷

    ও বলছে ও তখন জেগে। চোরটা ঢুকতেই ওর ঘুম ভেঙে গেছল। চোখ পিট পিট করে দেখেছে সব আগাগোড়া। তবু তাকে পাকড়ায়নি, কোনও বাধা দেয়নি…

    তাই নাকি? তা, যথাসর্বস্বটা গেল কী আপনার?

    ডজন খানেক ল্যাংড়া আম এনে রেখেছিলাম। ওই ফ্রিজেই ছিল, আধসেরটাক রাবড়িও ছিল সেইসঙ্গে। আজ সকালে উঠে সেগুলির সদগতি করব রাবড়ি দিয়ে, তারিয়ে তারিয়ে খাব আমগুলো…রাতারাতি সব ফাঁক!

    সকালে উঠে দেখি কিনা সব বিলকুল লোপাট!

    আর টাকাকড়ি কী গেল?

    টাকাকড়ি কিছু যায়নি। টেবিলের ওপর আমার শখের ডটপেনটা ছিল, সেটা উধাও।

    এই আপনার যথাসর্বস্ব? শুনে বলতে কী আমার হাসি পায়।

    নয়? কী বলছেন! রাবড়ি দিয়ে যদি ল্যাংড়া আম কখনও খেয়ে থাকেন তো বুঝবেন জীবনের সর্বস্বই তাই। আর ডটপেনটা, আমার বুক পকেটে শোভা পায়, ওটাও কিছু অযথা নয়।

    যান যান, বাথরুমে যান। চানটান করে ঠান্ডা হোন গে।

    হর্ষবর্ধনকে ভাগিয়ে দিয়ে আমি গোবর্ধনকে নিয়ে পড়লাম—

    কী গোবরাভায়া? চোর যখন ঘরে তোমার ঢুকেছে তুমি নাকি তখন জেগে ছিলে? সত্যি?

    চোর কোথায়! পাড়ার ছেলে তো? আমার চেনা ছেলে। যখন এল রাত তখন তিনটে।

    রাত তিনটে! অবাক কাণ্ড তো। মানে চোরের বেলায় হয়তো বিস্ময়কর কিছু নয়। কিন্তু কোনও পাড়ার ছেলের অমন অসময়ে আসাটা…

    সব সময়ই তো আসে ওরা। সময়-অসময় বলে কিছু নেই ওদের। আমার কাছে আসে। এই ঘরেই আসে…

    কিছু বললে না তুমি তাকে?

    কী বলব? ও-ই তো বলবে! ও কিছু বলল না, আমিও কোনও রা কাড়লাম না! কারও গায়ে পড়ে কথা বলতে যাব কেন? চোখ পিট পিট করে দেখতে লাগলাম কী করে?

    চোখ পিট পিট করে?

    হ্যাঁ। চোখাচোখি হয়ে গেলে যদি সে লজ্জায় পড়ে যায়? চক্ষুলজ্জা বলে একটা জিনিস নেই! আমিও তাই প্রায় চোখ বুজে ছিলাম। দেখছিলাম, কী করে?

    কী করে মানে? অমন সময়ে চুরি করতে এসেছে তা বুঝতে পারনি? চোখ পিট পিট করে দেখছিলে কী করে সে? ঘটিটা নেয় কি বাটিটা নেয়? দেখছিলে?

    হ্যাঁ, দেখছিলাম যে কী করে ছেলেটা?

    কী করল দেখলে?

    দেখলাম গুটি গুটি ঢুকেই না, কোনওদিকে না তাকিয়ে সে প্রথমেই ফ্রিজটা খুলল। খুলে তার ভেতরে যা খাবারদাবার ছিল বার করল সব। কেক পুডিং সন্দেশ আইসক্রিম—যা ছিল। তারপরে রাবড়ি আর ল্যাংড়া আমগুলো নিয়ে বসল। রাবড়ি আর আম দিয়ে চেটে পুটে খেয়ে শেষ করল সব। আঁটিগুলো খায়নি, নিয়েও যায়নি। ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিয়ে গেছে বেশ সাজিয়ে গুছিয়ে। ভাঁড়টাও রেখেছে সযত্নে।

    তা, এত কাণ্ড সে করল। তুমি চেয়ে চেয়ে দেখলে সব? নাকি, চোখ বুজে বুজেই দেখেছ। তাকে বাধা দিলে না একদম?

    বাধা দেব কেন? খাবার জিনিস খেয়েছে তো। ছেলেদেরই খাবার। ওই আইসক্রিম, চকোলেট, কেক, পুডিং ছেলেরাই খায়—বাধা কীসের!

    শুধু তাই? তোমার দাদার আমগুলো…

    হ্যাঁ, তাও সব সাবড়ে গেছে। পাড়ার ছেলেরা কি আম খেতে পায় নাকি? ল্যাংড়া আম চোখেই দেখতে পায় না। ওদের বাড়ি সাত দিনে একদিন মাছ আসে আমি জানি। তাও আবার চুনো মাছ আর কুচো চিংড়ি—সেই রোববার! খেতেই পায় না বেচারারা।

    আহা! ওর সঙ্গে আমারও সহানুভূতি জানাই!

    আহা বলছেন, আহারের বাহারটা যদি দেখতেন ওর! আমি যেন মন্ত্রমুগ্ধের মতো পিট পিট চোখে চেয়ে ছিলাম, চোখের পলকে ফ্রিজ ফাঁক! গোগ্রাসে শেষ করে দিল সব। কত দিন যেন কিছু খায়নি বেচারা!

    চক্ষের পলকে ফ্রিজ ফাঁক?

    সত্যি পেট ভরে খেতে পায় না বেচারারা। আমার তো ইচ্ছে করে পাড়ার ছেলেদের ধরে ধরে বেশ করে খাওয়াই, কিন্তু পেরে উঠি না, পাছে ওদের মা-বাবারা রাগ করে, পাড়ার লোকেরা কিছু মনে ভাবে—তাই। তা ওরা যদি একেকজন এমনি করে এসে রাত বিরেতে আমাদের ফ্রিজ ফাঁক করে দিয়ে যায়, মন্দ কী? আমি ভাবি, অনেক মেহনত বেঁচে যায় আমাদের।

    তবু ভাল যে খেয়েদেয়েই সরেছে, আর কিছু সরায়নি—ভাগ্যি বলতে হয়। টেবিলের ওপর তো তোমার দাদার হাতঘড়ি, দামি পেনটাও ছিল তো— নেয়নি।

    নেয় কখনও? ছেলেরা কখনও আজে বাজে জিনিস ছোঁয় না। তারা কি চোর ছ্যাঁচোড় যে…? ডটপেনটা চকচকে ছিল, নেহাত ওর চোখে ধরেছে নিয়ে গেছে। দু’দিন বাদেই ফেলে দেবে।

    তা হলেও আমি বলব, ঘরের মধ্যে তাকে পাকড়ানো তোমার উচিত ছিল ভায়া। আর কিছু না, চুরি করাটা যে খারাপ, ভারী দোষের এই কথাটা— বলবার জন্যেই বলে কয়ে তার পরে ছেড়ে দিতে পারতে তাকে। ধরলে না কেন?

    ধরতে পারলে তো! পলটুকে ছুটে ধরতে পারে কেউ? এই তল্লাটের দৌড়ের চ্যাম্‌পিয়ন সে। পাড়ার পলটনের ক্যাপটেন পলটু। দৌড়ে তাকে ধরার কারও সাধ্য নেই—দেখেছি ওর দৌড়, জানি তো, ওর পেছনে ছুটতে যাওয়া নাহক। চুপ করে শুয়ে রইলাম তাই।

    বেশ করেছ। বলে আমি বাড়ির ভেতরে যাই। দেখি যে হর্ষবর্ধন গিন্নির কাছে গিয়ে রান্নাঘরে বসে গরম পরোটার সঙ্গে চা বসাচ্ছেন।

    আমিও তার ভাগ বসাতে বসি। পরোটা চিবুতে চিবুতে বলি—জানলাম যা, গোবরের কোনও দোষ ছিল না। জেগে থাকলে কী হবে, সাড়া দিলেই ছোঁড়াটা ভেঙ্গে পড়ত। পলটু ওর নাম, পাড়ার স্পোরটসের চ্যাম্‌পিয়ন, দৌড়ে তাকে ধরতে পারা গোবরার কম্মো না। তাই সব দেখে শুনেও সে চুপটি করে পড়েছিল, নাহক ছুটতে যায়নি।

    পলটু না পটলা—ছোঁড়াটাকে আমি চিনি। জানালেন হর্ষবর্ধন—টিং টিঙে একটা ছেলে। ফিঙের মতন দেখতে। সেই রোগা পটকা ছেলেকে ধরে পটকে ফেলতে না পারাটা অন্যায়। কেন, গোবরা কি দৌড়ের চ্যাম্‌পিয়ন হতে পারে না? আমি কি তাকে মানা করেছি কখনও? হতে কী হচ্ছে? কেন পারছে না হতে?

    পারবে কী করে? আপনি পারাবেন তবেই না হবে? আপনি অভিভাবক না? আপনি ওকে কলকাতার কোনও চ্যাম্‌পিয়ন দৌড়বাজের কাছে কোচিং-এ দিন! ক’দিনের মধ্যেই দেখবেন ও একটা দৌড়বীর হয়ে উঠেছে—দেখতে না দেখতেই। তখন কেউ আর ওকে কলা দেখিয়ে আম খেয়ে পালাতে পারবে না।

    তাই হল। কলকাতার এক নামজাদা ব্যায়ামবীরের হাতে গছিয়ে দেওয়া হল গোবরাকে।

    তিনি রোজ সকালে মোটরে এসে গোবরাকে নিয়ে গড়ের মাঠে চলে যান। দৌড়ের যত কায়দা কসরৎ শেখান। ময়দানে মোটরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৌড়ায় গোবরা।

    তারপর ফের একদিন! সেই পলটুই এসেছে আবার। রাত বিরেতে নয়, দিন দুপুরেই এবারটা।

    এসেই আবদার—গোবরাদা, খিদে পেয়েছে বেজায়। কিছু খেতে দাও।

    জামা ঝুলছে আমার ওই! দ্যাখো কী আছে বাঁ পকেটে। নিয়ে কিনে টিনে খাওগে—যা তোমার খুশি।

    পরের পকেটে হাত দিতে আছে? ছিঃ! আমি কি পকেটমার?

    তা হলে কোথায় কী আছে খুঁজে পেতে দ্যাখো।

    কোথায় আছে জানি আমি। ওই ফ্রিজের মধ্যেই…বলতে বলতেই সে ফ্রিজটা খোলে। খুলেই খেতে লেগে যায়।

    আস্তে আস্তে খাও। ব্যস্ত হবার কী আছে? দাদা এখন কারখানায়। বউদি ঘুমুচ্ছেন এই দুপুরবেলা। ভয়ের কিছু নেই। হাঁসফাঁস খেতে গিয়ে, সেই কার মতন যেন, গলায় যদি তোমার আটকে যায়— তোমাকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়তে পারব না এখন।

    খাওয়া-দাওয়া পরিপাটি হবার পর পলটু বলে— এবার তা হলে যাই গোবরাদা।

    দাঁড়াও, তোমাকে কিছু বলতে চাই। কিছু শিক্ষা দেব তোমায়।

    কী শিক্ষা দেবেন? শিক্ষার কথায় সে রুখে দাঁড়ায়।

    চুরি করা বড় দোষ—করিয়ো না বৃথা রোষ— এসব কি পড়োনি তোমার পাঠ্য পুস্তকে? সেই কথাটা তোমাকে বুঝিয়ে বলবার আমার বাসনা।

    চুরি করলাম কোথায়? আপনার অনুমতি নিয়ে খেলাম তো।

    এখন খেলে। এবার খেলে। কিন্তু বছরখানেক আগে রাত তিনটের সময়… সেই আমগুলো রাবড়ি দিয়ে… আমি কি দেখিনি নাকি? আমার মনে নেই, আমি ভুলে গেছি? সেটা তো চুরি করাই হয়েছিল, হয়নি কি? সেই কথাটাই ভাল করে তোমার মগজে ঢুকিয়ে দিতে চাই আমি। এমনি হয়তো ঢুকবে না, যা নিরেট মাথা তোমার, গাঁট্টা মেরে ঢোকাতে হবে। যেমন হাতুড়ি মেরে পেরেক ঢোকায় তেমনি করে।

    আমায় গাঁট্টা মারবেন আপনি? ধরুন দেখি আমায়…গোবরা উঠে বসতে না বসতেই পলটু হাওয়া!

    পলটুর পিছু পিছু গোবরাও ছুটেছে। সদর রাস্তা ধরে সবার চোখের ওপর সে এক দারুণ পাল্লা।

    দেখতে না দেখতে উভয়েই অদৃশ্য। ডায়মন্ড হারবার রোড ধরে দু’জনেই উধাও!

    খানিক বাদে পলটু ফিরে এল হাঁফাতে হাঁফাতে। একলাই।

    গোবরা গেল কোথায়? আমরা শুধোলাম।

    কে জানে! যা ছুটছে না। দেখলে মাথা ঘুরে যায়!

    পাকড়ায়নি তোমাকে?

    কোথায়! আমাকে ধরে ফেলেছিল তো। কিন্তু ধরল না। পাশাপাশি ছুটতে লাগল আমার। খানিকক্ষণ। তারপর ছুটে বেরিয়ে গেল বুলেটের মতোই।

    পাকড়াল না?

    পাকড়াতে পারল না বোধহয়। থামতে পারল না। থামাতে পারল না—ওই রামছুট। মিলখা সিংকে টেক্কা মারে এমনি দৌড় না!

    কে জানে! এতক্ষণ বারাসাত-বসিরহাট ছাড়িয়ে বাংলা মুলুকে গিয়ে পড়েছে বোধহয়।

    তা কি পারে? কাস্টমসের ফাঁড়িতে পাকড়াবে— আমাদের পুলিশ কিংবা ওদের পুলিশ, চেক না করে ছাড়বে না।

    পারলে তো চেক করবে। যা দৌড়বাজ হয়েছে না! আমি তো অবাক।

    হর্ষবর্ধনও হতবাক। দেখুন তো, কী সর্বনাশ হল আমার। আপনার কথায় ব্যায়ামবীর বানাতে গিয়ে কী বিড়ম্বনায় পড়লাম।

    আমি আর কী সান্ত্বনা দেব তার! বললাম, দেখুন, কী হয়। থানায় গিয়ে জানাই এখন।

    লালবাজারে গেলাম দু’জনাই।

    অফিসারকে গিয়ে বলতেই তিনি কনট্রোলে গিয়ে দিগ্বিদিকে বেতারে খবর নিতে লাগলেন।

    হ্যাঁ, একজন যুবক চেকপোস্ট পার হয়ে গেল এইমাত্র। তাকে থামানো যায়নি। ঢাকার দিকে ছুটছে বোধহয়।

    ঢাকার দিকে খবর নেওয়া হল। ঢাকা পার হয়ে গেছে…চাটগাঁর দিকে চলেছে এতক্ষণে।

    আমরা বসেই রইলাম থানায়, আহার নিদ্রা নেই। আমি খাবারের জন্য হাঁ, কিন্তু খাওয়াবে কে এখানে! আর উনি গোবরার খবরের জন্য গোমড়া মুখে সামনে বসে।

    টেলেক্‌সে খবর আসতে লাগল ক্ষণে ক্ষণে…

    বারমা মুলুকে গিয়ে পড়েছে গোবরা…রেঙ্গুন টেঙ্গুন পার হয়ে গেল। কিছুতেই থামছে না, থামানো যাচ্ছে না, থামতে পারছে না হয়তো সে। খবর আসতে থাকে।

    বর্মা পেরিয়ে সিঙ্গাপুরের দিকেই এখন!

    ছুটতে ছুটতেই পড়ে মরবে না তো? শিঙে ফুঁকে বসবে না তো কখন। আমার ভয় হয়।

    দিন তিনেকের পর দক্ষিণ উত্তর ভিয়েতনাম বিলকুল পার। আনাম কাম্বোজ পেরিয়ে চিনের সীমান্তে।

    কী সর্বনাশ!

    দু’জন বিদেশি সাংবাদিক স্কুটার নিয়ে ছুটছেন ওর পাশাপাশি—খবর জানবার খাতিরে…

    সে বলেছে, আমি থামব না, থামতে পারব না। আমি পৃথিবী চককর দিতে চলেছি। পৃথিবীটাকে এক চক্কর দেখে নিতে চাই…ছুটতে ছুটতেই বলে গেছে সে।

    দৌড়ের চক্‌করে দৌড়বাজির কী চক্রান্তে পড়ল বেচারা! ব্যায়ামবীর হওয়ার কী বিড়ম্বনা!

    এর হেতু কি অধম এই চকরবরতি দায়ী? অনুতাপ হতে থাকে আমার।

    এতক্ষণে দুনিয়া জুড়ে সব খবর কাগজে নাম ছাপা হচ্ছে, ছবি ছাপা হচ্ছে, আপনার গর্বের কথা হর্ষবর্ধনবাবু! পৃথিবী পরিক্রমায় বেরিয়েছে সে। দৌড়ের পরাক্রম না দেখিয়ে ছাড়বে না। আমি ওঁকে অভিনন্দনের সুরে সান্ত্বনা দিতে যাই।

    আমার সান্ত্বনায় উনি ভ্যাক করে কেঁদে ফেলেন।

    আমার ভাইটাকে হারালাম। জন্মের মতোই। কী সর্বনাশ যে হল আমার!…

    আপনি ওকে ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন একদিন। ও-ই এখন আপনাকে ত্যাগ করে গেল! কোথায় গেল…কোথায় যাচ্ছে কে জানে।

    হর্ষবর্ধন গুম হয়ে শোনেন, তাঁর এ গুমোট বুঝি এ জীবনে কাটবার নয়।

    কিন্তু তার আমাকে ছেড়ে যাবার কথা ছিল না…। তিনি গুমরে ওঠেন হঠাৎ… রামায়ণে এমন তো লেখেনি। লক্ষ্মণ কি রামকে ছেড়ে গেছে কক্ষনো? আমার দুর্লক্ষণ আমায় ছেড়ে চলে গেল…ভেউ ভেউ ভেউ!

    হাউমাউ করে কাঁদেন তিনি।

    এদিকে খবর আসতে থাকে টেলেক্‌সে—

    ইন্ডিয়ান স্পোর্টসম্যান গাবারডান, ব্রাদার অব মিস্টার হাবারডান হ্যাজ রিচড সাংহাই!

    খবরটা শুনেই তিনি মূৰ্ছিত।

    সাংহাই! কী সাংহাতিক!

    ১৩৮০

    অলংকরণ: অলোক ধর

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }