Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প847 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুনো হাতির বন্ধুত্ব – সমরেশ বসু

    বুনো হাতির বন্ধুত্ব – সমরেশ বসু

    মাত্র দু’বছর আগের কথা। গোগোলের বাবা-মা ঠিক করে ফেললেন, সামারের ছুটিতে দার্জিলিং যাওয়া হবে। ঠিক করার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা হয়ে গেল। কিন্তু, টানা দার্জিলিং যাওয়ার বদলে, শিলিগুড়িতে তিন-চারদিন থাকার কথা হল। শিলিগুড়িতে গোগোলের ন-মামা থাকেন। সেখানে ন-মামিমা আছেন আর দাদা-দিদিরাও আছে। ন-মামা অনেকবারই যেতে বলেছেন। কখনও যাওয়া হয়নি। এবারে সেটা ঠিক করা হল।

    সামারের ছুটিতে দার্জিলিং মেলে জায়গা পাওয়া আর আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া প্রায় এক কথা। বাবার কাজ অনেক। বেশিদিন অপেক্ষা করারও উপায় নেই। তাই প্লেনে বাগডোগরা যাওয়া ঠিক হল। সেখান থেকে ইন্ডিয়ান এয়ার লাইনস-এর গাড়িতে শিলিগুড়ি সিটি অফিসে পৌঁছুতে পারলে, ন-মামার কলেজপাড়ার বাড়িতে রিকশায় যেতে দশ মিনিটের ব্যাপার।

    প্লেনের টিকিট আর আসন পাওয়া গেল তিন দিনের মধ্যেই। গোগোলের এটাই প্লেনে প্রথম চড়া নয়। আগেও প্লেনে চড়ে গৌহাটি গিয়ে, সেখান থেকে গাড়িতে শিলং গিয়েছে। অতএব প্রথম প্লেনে চড়ার উত্তেজনা ছিল না।

    ফকার ফ্রেন্ডশিপ প্লেনে দেড় ঘণ্টার মধ্যেই দমদম থেকে বাগডোগরা। ন-মামাকে চিঠি লিখে খবর দেওয়া ছিল। কলকাতার বাড়ি থেকে সকালবেলা বেরিয়ে দুপুরের খাবার আগেই গোগোল বাবা-মায়ের সঙ্গে ন-মামার বাড়ি পৌঁছে গেল। বড় ছোট, সকলের মধ্যেই একটা আনন্দের হই-চই পড়ে গেল।

    সেই দিনটা খেয়ে-দেয়ে, মহানন্দা নদীর সেতুর ধারে বেড়িয়েই কাটল। সন্ধেবেলা বাবার সঙ্গে কথা বলে, ন-মামা জলদাপাড়া স্যাংচুয়ারির কেয়ারটেকার অফিসারকে টেলিফোন করে জানতে চাইলেন, ঘর পাওয়া যাবে কি না। প্রথমে জানা গেল, এত তাড়াতাড়ির নোটিসে ঘর পাওয়া সম্ভব নয়। তারপরে ভদ্রলোকের কী মর্জি হল, তিনি একটি ঘর এক রাত্রির জন্য দিতে পারবেন বলে জানালেন।

    জলদাপাড়ায় হাতির পিঠে চেপে, জঙ্গলে ঘুরে, গন্ডার, হরিণ, এমনকী বাঘের দেখাও নাকি পাওয়া যেতে পারে। গোগোল ব্যাপারটা ভেবে এতই উত্তেজিত হয়ে পড়ল যে, রাত্রে তার চোখে ঘুমই আসতে চাইল না। যদি বা ঘুম এল, সারারাত্রি প্রায় হাতির পিঠে চাপার স্বপ্ন দেখেই কেটে গেল। আর কত গন্ডার-হরিণ যে দেখল, তার কোনও হিসাবই নেই।

    বাবা যে শিলিগুড়িতে ন-মামার বাড়িতে কয়েকটা দিন কাটিয়ে, দার্জিলিং যাবার কথা ভেবেছিলেন, তার আসল কারণ জলদাপাড়ায় যাওয়া। পরের দিন সকালে বাবা-মা’র সঙ্গে গোগোল, বুড়োদা আর মিনুদিও চলল। ন-মামা আর মামিমা গেলেন না। তবে ন-মামা গোগোলদের জলদাপাড়ার বাসে তুলে দিয়ে গেলেন।

    যথেষ্ট সকালে বেরোলেও, দুপুর হয়ে গেল জলদাপাড়ায় পৌঁছুতে। কিছু খাবার আর জল সঙ্গে নেওয়া হয়েছিল। জলদাপাড়ায় পৌঁছুতেই সব সাবাড়। আসবার পথে অনেক চা-বাগান চোখে পড়ল। বাঁ দিকে ভুটানের পাহাড় আকাশে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু জলদাপাড়ায় পৌঁছে, গোগোলের মনটা খারাপ হয়ে গেল। ভেবেছিল আশেপাশে ঘন বন-জঙ্গল দেখতে পাবে। তার বদলে চারদিকে মিলিটারি ক্যাম্প। ঘন ঘন ট্রাক আর জিপের যাতায়াত। কয়েক সেকেন্ড অন্তর-অন্তর কেবলই বন্দুকের গুলির আওয়াজ। আর, মাথার ওপর দিয়ে প্রায় অনবরতই উড়ে চলেছে হেলিকপটার, নয়তো ছোট ছোট এরোপ্লেন।

    বুড়োদা আগেও জলদাপাড়ায় এসেছে। সে বলল, “গুলির আওয়াজ হচ্ছে চাঁদমারিতে, যেখানে রাইফেলধারী সৈন্যরা তাদের হাতের টিপ করে। আর কাছেই হাঁসিমারা বলে একটা জায়গায় এয়ারফোর্সের এয়ারবেস রয়েছে। হেলিকপটার আর প্লেনগুলো সেখান থেকেই উড়ছে।”

    গোগোলরা ফরেস্টের অফিস থেকে যখন বাংলোয় গেল, তখনও মিলিটারি দোতলা কোয়াটার্সের সারির পাশ দিয়েই যেতে হল। তার মানে, জলদাপাড়া এখন একটা পুরোপুরি সামরিক আর বিমানঘাঁটি। তবু যা হোক, অফিসের সামনে গোটা কয়েক হাতি বাঁধা ছিল। তাই দেখেই গোগোলের যা আনন্দ। কিন্তু সে আনন্দও নষ্ট হয়ে যেতে বসল, যখন শোনা গেল, এখন বাংলোতে খাবার কোনও ব্যবস্থা নেই। অথচ খিদে পেয়েছে প্রচণ্ড। পথ চলার জন্য খাবার কিছু সঙ্গে নেওয়া যায়। তা বলে দুপুরের খাবার কেউ বয়ে বেড়ায় না।

    শেষ পর্যন্ত বাবা বাংলোর কেয়ারটেকারকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে রাজি করালেন। তাঁর হাতে টাকা দিয়ে বললেন, “এ বেলাটা কোনও রকমে ডাল-ভাত করে চালিয়ে দাও। ও-বেলা মাংস মাছ মুরগি যা জোগাড় করতে পারবে, তাই খাওয়া যাবে।”

    বাংলোর দোতলায় একটা বড় ঘরই গোগোলদের দেওয়া হল। দুটো খাট ছিল। কেয়ারটেকার জানিয়ে দিলেন, রাত্রে আরও কিছু বিছানা আর একটা মশারি দিতে পারবেন। মাথার ওপরে পাখা আছে। গরমের একটা রাত কোনও রকমে কেটে যাবে।

    রাতটা কেটে গেল ঠিকই। ভোরের অন্ধকার থাকতেই কেয়ারটেকার গোগোলদের দরজায় ঠকঠক করে ঘুম ভাঙিয়ে চা আর বিস্কুট দিয়ে গেলেন। জানিয়ে গেলেন, “হাতি তৈরি। যত ভোরের দিকে রওনা হওয়া যাবে, ততই ভাল।”

    এ খবর শোনার পরে আর চা-বিস্কুটে কারওরই মনোযোগ থাকতে পারে না। অন্তত গোগোলের তো না-ই। পনেরো মিনিটের মধ্যেই তৈরি হয়ে সব বেরিয়ে পড়ল। বাংলোর পিছনেই দুটো হাতি দাঁড়িয়ে ছিল, তাদের পিঠে মাহুত। তা ছাড়াও দু’জন লোক দাঁড়িয়ে ছিল। মাহুত কী বলল, কী করল, কে জানে, হাতি দুটো বসে পড়ল। আর বাকি লোক দুটো, হাতির গায়ে মই লাগিয়ে দিয়ে গোগোলদের উঠতে সাহায্য করল। চটের গদি মোটা দড়ি দিয়ে বাঁধা। মাহুত বলে দিল, সবাই যেন শক্ত হাতে দড়ি ধরে রাখে।

    বাবা-মা উঠলেন একটা হাতির পিঠে। বুড়োদা আর মিনুদির সঙ্গে গোগোল আর একটা হাতির পিঠে। হাতি যখন উঠে দাঁড়াল, গোগোলের মনে হল, একটা পাহাড় যেন ওকে পিঠে নিয়ে উঠে দাঁড়াল। আর সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো দুলে দুলে চলল। ভীষণ মজায় ওর হাসি পেতে লাগল, আবার ভয়ও করতে লাগল। হাতির পিঠে দোলা খেয়ে ওরা সবাই হাসছিল। বাবা-মাও হাসছিলেন। তার মধ্যেই বাবা চিৎকার করে সাবধান করে দিলেন, “সবাই শক্ত করে হাওদার দড়ি ধরে থেকো।”

    গোগোল খুশি হল, এদিকে মিলিটারি ক্যাম্প নেই। গাছপালায় পাখিরা ডাকছে। এখনও সূর্য ওঠেনি। তারপরে হাতি দুটো যখন একটা নদীতে নামল, তখন গোগোলের মনে আনন্দ আর ভয়ে একটা শিহরন খেলে গেল। ও জিজ্ঞেস করল, “বুড়োদা, এটা কী নদী?”

    বুড়োদা বলল, “এটা জলঢাকা নদী। নদীর ওপারে তাকিয়ে দেখ, ওটাই আসলে জলদাপাড়া ফরেস্ট।”

    গোগোল বিশাল চওড়া নদীর ওপারে তাকিয়ে দেখল, নিবিড় সবুজ বন। আর হাতি দুটো কখনও জলের ওপর দিয়ে, কখনও পাথর-ছড়ানো চরের ওপর দিয়ে সাবধানে পা ফেলে ফেলে চলল। এক সময়ে গভীর জলের মধ্যে, হাতি দুটো সাঁতার কেটে পার হতে লাগল। গোগোলদের পায়ে জল লেগে গেল। ভয় পেয়ে ও জিজ্ঞেস করল, “বুড়োদা, হাতি জলে ডুবে যাবে না তো?”

    বুড়োদা বলল, “দূর বোকা, হাতি আবার জলে ডোবে নাকি। মনে কর, আমরা এখন নৌকোয় করে নদী পার হচ্ছি।”

    গভীর জলে হাতির পিঠে, ব্যাপারটা প্রায় সেই রকমই। ঠিক যেন একটা নৌকো দুলে দুলে, জল কেটে চলেছে, আর স্রোতের সঙ্গে লড়ছে, যাতে টানে ভেসে না যায়।

    এ পর্যন্ত খুবই ভাল কাটল। কিন্তু গোগোলদের কপাল খারাপ। নদী পার হয়ে, গভীর জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে অনেকটা বেলা অবধি ঘুরেও কোনও জন্তু-জানোয়ার দেখা গেল না। গন্ডার হরিণ আর বাঘ তো দূরের কথা, একটা খরগোশও চোখে পড়ল না। ইতিমধ্যে চাঁদমারির গুলির আওয়াজ ভেসে আসতে আরম্ভ করেছে। আকাশে হেলিকপটার উড়তে দেখা যাচ্ছে।

    মাহুত বলল, “জলদাপাড়ায় এখন আর গন্ডার হরিণ বিশেষ দেখা যায় না। গুলির আওয়াজ আর হাওয়াই-জাহাজের ভয়ে ওরা সব হলং-এর জঙ্গলে চলে গেছে। সেখানে এখন অনেক বড় ফরেস্ট বাংলো হয়েছে। আজকাল সবাই ওখানেই যায়।”

    গোগোল মন খারাপ করে বাংলোয় ফিরে এসে বাবাকে হলং-এর বাংলোর কথা বলল। বাবা বললেন, “হলং-এর বাংলো পেতে দেরি হয়। তা ছাড়া, নিজেদের গাড়ি না থাকলে হলং-এ যাওয়ারও অনেক অসুবিধে।”

    বাবার কথা শুনে গোগোলের মনটা আরও হতাশায় ভরে গেল। বাবা কেবল বললেন, “দেখা যাক, কী করা যায়।”

    তারপরে করার আর কিছুই ছিল না। সেই দিনই শিলিগুড়িতে ফিরে, রাতটা ন-মামার বাড়িতে কাটল। পরের দিন ভোরবেলা জিপে চেপে দার্জিলিং। এ যাত্রায় বুড়োদা আর মিনুদি ছিল না। দু’দিন দার্জিলিং-এ কাটিয়ে, সেখান থেকে কার্শিয়ং-এ। কার্শিয়ং-এ গিয়ে তিব্বতি লামাদের বৌদ্ধ মঠে গোগোল তো এক কাণ্ডই করে বসল। যাই হোক, সে-সব কাণ্ড-কারখানার কথা এখন আর বলে দরকার নেই।

    কার্শিয়ং থেকে ফিরে আবার দার্জিলিং। ঘোড়ায় চেপে ঘুরে বেড়িয়ে, গোগোল জলদাপাড়ার দুঃখটা ভুলেই গিয়েছিল। কিন্তু বাবার মতলব ছিল আলাদা। তিনি দার্জিলিং-এর ট্যুরিস্ট অফিস থেকে, হলং-এর বাংলোর দুটো ঘর দু’দিনের জন্য বুক করে ফেললেন। বাবা খবর নিয়ে জেনেছিলেন, দার্জিলিং থেকে হলং-এর বাংলো বুক করার সুবিধে। বাবা গোগোলের কাঁধে হাত চেপে বললেন, “এবার হল তো?”

    গোগোল খুশি হয়ে বাবাকে একটা চুমু দিয়ে দিল। তবু জিজ্ঞেস না করে পারল না, “কিন্তু বাবা হলং-এ যাবার গাড়ির কী হবে?”

    বাবা বললেন, “কী আর হবে? শিলিগুড়ি থেকে দু’দিনের জন্য একটা গাড়ি ভাড়া করতে হবে।”

    তাই করা হল। সেইদিনই গোগোলরা দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি ন-মামার বাড়ি ফিরে এল। ন-মামা সব শুনে, সন্ধেবেলাতেই একটা গাড়ির ব্যবস্থা করে ফেললেন। পরের দিন, ভোরবেলা হলং যাত্রা। গাড়ি ভোরবেলাই এসে গেল। ড্রাইভার লোকটি বাঙালি আর বেশ ভদ্রলোক। এ যাত্রায় আবার বুড়োদা আর মিনুদি সঙ্গে।

    গাড়ি প্রথমে চলল জলদাপাড়ার পথেই। তারপরে এক সময়ে আসাম যাবার রাস্তায় ঘুরে গেল। সেই পথেই পড়ল হলং-এর জঙ্গলে ঢোকবার গেট। রীতিমতো তালা-চাবি লাগানো রেলের লেবেল ক্রসিং-এর মতো লোহার ডান্ডার গেট। গেটম্যান বাবার কাছ থেকে বুকিং স্লিপ দেখে, তালা খুলে দিল।

    দু’ পাশে ঘন বন। মাঝখান দিয়ে শক্ত লাল মাটি আর কাঁকরের রাস্তা। কিন্তু গাড়ি বনের মধ্যে দিয়ে চলেছে তো চলেছেই, থামবার আর নাম নেই। গোগোল বলে উঠল, “বাংলোটা কত দূরে?”

    ড্রাইভার হেসে বলল, “গেট থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার।”

    বুড়োদা হলং-এ কখনও আসেনি, তাই বলতে পারল না। গোগোল এবার বুঝল, কেন গাড়ি ছাড়া হলং-এ আসা যায় না। গাড়ি না থাকলে এতটা পথ হেঁটে যেতে হত। বাসে এলে, বাসও মাঝপথে বদলাতে হত। অনেক ঝামেলা। কিন্তু গভীর বনের ভিতর দিয়ে গাড়িতে যেতে গোগোলের দারুণ মজা লাগছে। এখানে মিলিটারি ক্যাম্প নেই, চাঁদমারির গুলির আর হেলিকপটারের আওয়াজ নেই। কেবল বন আর বন। তারপরেই হঠাৎ চোখের সামনে ভেসে উঠল একটা কাঠের চওড়া সাঁকো, ওপারে কাঠের সুন্দর দোতলা বাংলো।

    বাংলোর চত্বরে গাড়ি দাঁড়াতেই, গোগোল দরজা খুলে নেমে পড়ল। প্রথমে বাংলোটা দেখল। জলদাপাড়ার সঙ্গে কোনও তুলনাই হয় না। বিরাট ডাইনিং রুম, বসবার ঘর আলাদা। সোফা সেট দিয়ে সাজানো। ড্রাইভার বলল, “সাঁকোর নীচে যে নদীটা আছে, সেখানে অনেক মাছ দেখা যায়।”

    গোগোল অমনি বুড়োদা আর মিনুদির সঙ্গে সাঁকোর ওপর ছুটে গেল। দেখল নীচে কাচের মতো জলে অনেক আর বড় বড় মাছ খেলা করছে। গোগোল হাততালি দিয়ে লাফিয়ে উঠল। মাছগুলোর একটুও ভয় নেই।

    মাছ দেখে সাঁকো পেরিয়ে ওপারে কিছুটা হেঁটে যেতেই বাঁ দিকে দেখা গেল কয়েকটা হাতি বাঁধা রয়েছে। তার মধ্যে একটা হাতি একটু দূরে, তার চারপাশে গোল করে লোহার বড় বড় ছুঁচলো গজাল পোঁতা। কেন? গোগোল বুড়োদাকে জিজ্ঞেস করল। বুড়োদা কিছুই বলতে পারল না। হাতিগুলো লম্বা ঘাস আর গাছের ডালপাতা খাচ্ছে।

    কাছেই কতগুলো কাঠের উঁচু ঘর। অন্য পাশে কাঠের একটা বাংলো-বাড়ি। রেলিঙে জামা-কাপড় শুকোচ্ছে। লোকজন বিশেষ দেখা যায় না। বোধহয় মাহুতদের পরিবারের মেয়ে-বউরাই কেউ কেউ ঘরকন্নার কাজ করছিল। এই সময়ে মিনুদি বলে উঠল, “ওখানে ওটা কী দেখ।”

    গোগোল ঘরগুলো ছাড়িয়ে খানিকটা দূরে দেখতে পেল, একটা বাচ্চা হাতির গলায় শেকল বাঁধা। সে-ও লম্বা লম্বা ঘাস খাচ্ছে। গোগোল তৎক্ষণাৎ সেদিকে ছুটে গেল। বুড়োদা মিনুদিও গেল। বাচ্চা হাতিটা ফোঁস ফোঁস করে ওদের দিকে শুঁড় বাড়িয়ে দিল। বুড়োদা বলল, “দেখিস গোগোল, কাছে যাস নে।”

    গোগোল তবু একটা হোগলার মতো লম্বা ঘাস বাচ্চা হাতিটার দিকে গড়িয়ে দিল। বাচ্চা হাতিটা ঘাসের ডগাটা শুঁড়ে জড়িয়ে টান দিতেই, গোগোল তার পায়ের কাছে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যাচ্ছিল। বুড়োদা ধরে ফেলল। গোগোল বেশ একটু ভয় পেয়ে গিয়েছে, আর অবাক হয়ে বলল, “আরে বাস রে, বাচ্চাটার গায়ে কী জোর।”

    ঠিক এই সময়েই পিছন থেকে মোটা আর গম্ভীর গলা শোনা গেল, “তোমরা কোথা থেকে এসেছ ভাই?”

    সবাই পিছন ফিরে দেখল পঁচিশ-ছাব্বিশ বছর বয়সের এক ভদ্রলোক। ডাক্তারি পড়ে গোগোলের তিতুদা, অনেকটা তার মতোই দেখতে। বুড়োদাই সকলের বড়, ক্লাস এইটে পড়ে। সে বলল, “আমরা শিলিগুড়ি থেকে এসেছি।”

    মিনুদি তাড়াতাড়ি গোগোলকে দেখিয়ে বলল, “ও কলকাতা থেকে এসেছে।” তিতুদার মতো লোকটি, যার তিতুদার মতোই গোঁফ আছে, আর হাওয়াই শার্টের সঙ্গে সাদা ট্রাউজার পরা, পায়ে স্যান্ডেল, গোগোলের দিকে একবার দেখলেন। মুখ তুলে চারপাশে একবার দেখে নিয়ে বললেন, “তোমরা ছেলেমানুষ, এভাবে এখানে ঘুরো না। কয়েকদিন হল, একটা দাঁতাল বুনো হাতি খুব উৎপাত করছে।”

    গোগোলের মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, “উৎপাত করছে? কেন?”

    ভদ্রলোক একটু হেসে বললেন, “বুনো হাতিটা একটু রেগে আছে।”

    বুড়োদা বলে উঠল, “তার মানে পাগলা হাতি?”

    ভদ্রলোক কিছু বলবার আগেই, পিছন থেকে বাবার ব্যস্ত আর উৎকণ্ঠিত ডাক শোনা গেল, “গোগোল, বুড়ো, মিনু, তোমরা শিগগির বাংলোয় ফিরে এসো।”

    সকলেই পিছন ফিরে তাকাল। দেখা গেল, বাবা ড্রাইভারের সঙ্গে প্রায় ছুটে আসছেন।

    কাছে এসে বাবা বললেন, “তাড়াতাড়ি বাংলোয় চলো সবাই। এখানে একটা বিরাট বুনো দাঁতাল খ্যাপা হাতি আশাপাশে ঘুড়ে বাড়াচ্ছে, লোকজনকে তাড়া করছে।” বলে সবাইকে তাড়া করে নিতে গিয়ে বাবা সেই ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি?”

    ভদ্রলোক বললেন, “আমি এই ফরেস্টেরই একজন রেঞ্জার। আমিও এদের বুনো হাতির কথাই বলছিলাম। তবে এত তাড়াহুড়ো করে ছোটবার কিছু নেই। বুনো হাতিটা লোকজনকে এমনিতে বিশেষ কিছু করছে না। চলুন, আপনাদের সঙ্গে আমিও যাচ্ছি।”

    সকলের চোখে-মুখেই কেমন একটা ভয় নেমে এসেছিল। ভদ্রলোকের কথায় আবার যেন সাহস ফিরে পাওয়া গেল। ভদ্রলোক যেতে যেতে বললেন, “হাতিটা পুরুষ, আর বিরাট দেখতে, দাঁত দুটোও প্রকাণ্ড। মনে হয়, আসাম থেকে, ভুটানের পাহাড় ডিঙিয়ে এসেছে।”

    ভদ্রলোককে গোগোলের এতই ভাল লেগে গেল, তাঁর কথাবার্তা বলার ধরনও এত সুন্দর, ও সবাইকে ঠেলেঠুলে, তাঁর গা ঘেঁষে চলছিল। বলে উঠল, “আচ্ছা দাদা—”

    এইটুকু বলেই গোগোল থমকে গেল। কোনও ভদ্রলোককে এ রকম “দাদা” বলে ডাকা বাবা মোটেই পছন্দ করেন না। লজ্জা পেয়ে ও বাবার দিকে তাকাল। ভদ্রলোক সেটা বুঝে হেসে বললেন, “আমার নাম জয়ন্ত। তুমি আমাকে জয়ন্তদা বলতে পারো।”

    বাবা গোগোলের দিকে তাকিয়ে হাসলেন। গোগোল মনে মনে ভরসা পেল। জিজ্ঞেস করল, “আচ্ছা জয়ন্তদা, আপনি কী করে জানলেন, বুনো হাতিটা ভুটানের পাহাড় ডিঙিয়ে এসেছে?”

    জয়ন্তদা বললেন, ‘আমরা তো এইসব নিয়েই থাকি। সাধারণত এসব অঞ্চলে ভুটানের পাহাড় থেকেই হাতিরা জঙ্গলে নেমে আসে। তবে জঙ্গলে নেমে আসার সময় হল বর্ষাকাল।”

    গোগোল জিজ্ঞেস করল, “বর্ষাকালে কেন?”

    জয়ন্তদা বললেন, “বর্ষাকালে পাহাড়ের আর আসামের নদীগুলোকে বন্যা হয়। হাতিরা বন্যাকে বেশ ভয় পায়। তা ছাড়া এদিকে তখন খেতে প্রচুর ফসল থাকে, হাতিরা সেই ফসল খেতে আসে। খায়, নষ্ট করে। তখন খবর পেয়ে আমরাই বন্দুকের ফাঁকা আওয়াজ করে ওদের গিয়ে তাড়াই।”

    এই কথা বলতে বলতে সাঁকো পেরিয়ে গোগোলরা সবাই বাংলোর চত্বরে এসে পড়ল। গোগোল দেখল, মা ভয়-ব্যস্ত চোখে ওদেরই দেখছেন। বসবার ঘরের জানালা দিয়ে। সবাইকে দেখে একটু আশ্বস্ত হলেন।

    জয়ন্তদা বলে উঠলেন, “ওই দ্যাখো, শ্রীমান নদীর ওপারের মাঠে দাঁড়িয়ে এদিকেই তাকিয়ে দেখছে।”

    নদী মানে, সাঁকোর নীচে দিয়ে যে ছোট জলের ধারা বয়ে গিয়েছে, বাংলোর সামনে দিয়েই তার স্রোত চলেছে। সেখানে একটা বাঁধানো ঘাট। ঘাটের ওপারে বেশ খানিকটা খোলা সবুজ মাঠ। সেই মাঠেই বিরাট বুনো হাতিটা দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    গোগোল ওর জীবনে এত বড় হাতি আগে কখনও দেখেনি। এত বড় দাঁতও কোনও হাতির চোখে পড়েনি। হাতিটার নীলচে কালো গায়ের কোথাও কোথাও কাদা-মাটির দাগ। কান দুটো পিছন দিকে যেন টেনে রেখেছে, আর আস্তে আস্তে শুঁড় দোলাচ্ছে। গোগোল ভয় পাওয়ার থেকে মুগ্ধই হয়ে গেল বেশি। হাতিটাকে ঠিক যেন বনের রাজার মতো দেখাচ্ছে। গম্ভীর আর শান্ত। পাগলামি খ্যাপামির কোনও চিহ্নই নেই। গোগোলের ইচ্ছে হল, ছুটে হাতিটার কাছে চলে যায়। গেলে কী হবে? হাতিটা ওকে মেরে ফেলবে? কথাটা ভেবেও জয়ন্তদাকে জিজ্ঞেস করতে পারল না।

    কয়েক মিনিট পরেই হাতিটা আস্তে আস্তে বাংলোর দিকে এগিয়ে আসতে লাগল।

    জয়ন্তদা বললেন, “সবাই ঘরের মধ্যে চলো। ও হয়তো এখানেই আসবে।”

    সবাই হুড়মুড় করে দৌড় দিতেই জয়ন্তদা বললেন, “এত তাড়াহুড়োর কিছু নেই। নদীটা পেরিয়ে ও বড়জোর ঘাটের সামনেই আসবে। বাংলোর চারপাশে এই যে দেখছ পাথরকুচি ছড়ানো, এর ওপরে হাতি কখনও পা দেবে না। পায়ের নখের ফাঁকে নরম জায়গায় বিঁধে যাবার ভয় আছে। আসলে হাতি খুবই বুদ্ধিমান জীব।”

    বুড়োদা বাংলোর ভিতরে ঢুকতে ঢুকতে বলল, “কিন্তু বুনো যে?”

    জয়ন্তদা বললেন, “বুনো হাতিরও যথেষ্ট বুদ্ধি আছে। চলো, দেখি গিয়ে বসবার ঘরের জানলা দিয়ে ও এল নাকি।”

    সবাই বসবার ঘরের জানালাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ল। আর সকলেই অবাক হয়ে দেখল, সত্যি বুনো হাতিটা এইটুকু সময়ের মধ্যেই নদী পেরিয়ে ঘাটের ওপর বাংলোর সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু পাথর-কুচি-ছড়ানো চত্বরে পা দিচ্ছে না।

    গোগোলের শরীরে রীতিমতো খুশির শিহরন বইতে লাগল। এত কাছ থেকে, এমন বিরাট বুনো দাঁতাল-হাতি কোনওদিন দেখবে, ভাবতেই পারেনি। রোদ লেগে ওর দাঁত দুটো ঝকমক করছে। আর বাংলোর দিকে শুঁড় বাড়িয়ে যেন গোগোলদেরই গন্ধ শুঁকছে। গোগালের মনে হল, কেবল রাজা নয়, ওকে যেন বইয়ে-পড়া স্বর্গের ঐরাবতের মতো মহান দেখাচ্ছে।

    মিনিটখানেক দাঁড়িয়ে থেকে, ও বাঁ দিকে ফিরে আস্তে আস্তে চলে গেল। বাবা-মাও হাতিটাকে দেখছিলেন। এই সময়ে রসুইখানার পাচক এসে মাকে ডেকে নিয়ে গেল। গোগোল জয়ন্তদাকে জিজ্ঞেস করল, “আচ্ছা, আপনি যে বলছিলেন, ও উৎপাত করছে, রেগে আছে? শুধু শুধু কেন এরকম করছে?”

    জয়ন্তদা হেসে, একটা সোফায় বসে বললেন, “তোমরা সবাই বোসো, আমি ব্যাপারটা বলছি।”

    গোগোল আগেই জয়ন্তদার গা ঘেঁষে বসে পড়ল। বাবাও মুখ টিপে হেসে একটা সোফায় বসে গেলেন। জয়ন্তদা বললেন, “তোমরা আমাদের পোষা হাতিগুলো দেখেছ?”

    সবাই ঘাড় ঝাঁকিয়ে জানাল, দেখেছে। জয়ন্তদা বললেন, “তার মধ্যে একটা হাতিকে লোহার ছুঁচলো গজাল পুঁতে ঘিরে বেঁধে রাখা হয়েছে, দেখেছ?”

    “দেখেছি। সবাই বলল।

    জয়ন্তদা হাত তুলে বললেন, “বেশ। ওটি হল মেয়ে হাতি, ওর নাম বনমালা। এখন এই বুনো হাতিটা চায়, বনমালাকে সে বিয়ে করবে। বনমালাও হাবভাবে তাই চাইছে।”

    গোগোল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “হাতির বিয়ে? কী করে করবে?”

    জয়ন্তদা বললেন, “ওদের অবিশ্যি পুরুত ডেকে মন্ত্র পড়তে হয় না। দু’জনে একসঙ্গে মিশে, বনে চলে গেলেই ওদের বিয়ে হয়ে যায়।”

    গোগোল বলল, “তবে বিয়ে হচ্ছে না কেন?”

    জয়ন্তদা বললেন, “কী করে হবে বলো। তা হলে তো আমাদের বনমালাকে ওর সঙ্গে ছেড়ে দিতে হয়। তা তো আর ছেড়ে দেওয়া যায় না।”

    “কেন?” গোগোল জিজ্ঞেস করল।

    জয়ন্তদা বললেন, “বনমালাকে আমাদের এখানে মালপত্র বইবার কাজ করতে হয়। তারপরে এই যেমন তোমরা বেড়াতে এসেছ। তোমাদের পিঠে তুলে নিয়ে বনের মধ্যে বেড়িয়ে গন্ডার হরিণ দেখাতে হয়ে। ছেড়ে দিলে কী করে চলবে? ছেড়ে দিলে তো বনমালা বনেই চলে যাবে। হয়তো ভুটানের পাহাড় ডিঙিয়ে অনেক দূরে আসামের জঙ্গলেই চলে যাবে, আর কখনও ফিরে আসবে না। আমাদের অসুবিধে হয়ে যাবে।”

    বুড়োদা খুশি হয়ে বলল, “ও বুঝেছি, সেইজন্যই ছুঁচলো গজাল পুঁতে বনমালাকে শেকলে বেঁধে রাখা হয়েছে, বুনো হাতিটা যাতে ওকে এসে নিয়ে যেতে না পারে।”

    জয়ন্তদা বললেন, “হ্যাঁ, ঠিক তাই।”

    গোগোল হাসতে পারল না। জয়ন্তদা জিজ্ঞেস করলেন, “কী হল গোগোল, তুমি কথা বলছ না যে? তোমার কি মন খারাপ হয়ে গেল?”

    গোগোল ঘাড় ঝাঁকিয়ে বলল, “হ্যাঁ।”

    জয়ন্তদা যেন একটু অবাক হয়ে হেসে বললেন, “কেন? বনমালার সঙ্গে বুনো হাতিটার বিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে?”

    গোগোল আবার ঘাড় ঝাঁকিয়ে বলল, “হ্যাঁ।”

    সবাই হেসে উঠল। গোগোল হাসতে পারল না। ব্যাপারটা ওর কাছে খুবই অন্যায় মনে হল। কারণ বুনো হাতিটা বুনো হতে পারে, কিন্তু সে এত সুন্দর দেখতে, এত বিরাট তার চেহারা, অমন সুন্দর প্রকাণ্ড যার দাঁত, তাকে বিয়ে করতে না দেওয়াটা নিশ্চয়ই অন্যায়। বিশেষ করে বনমালাও যখন তাই চায়। গোগোলের কাছে সকলের হাসি খুব নিষ্ঠুর মনে হল।

    জয়ন্তদা বললেন, “গোগোল, তুমি কষ্ট পাচ্ছ বটে, কিন্তু ভেবে দ্যাখো, বুনো হাতিটার ভয়ে, তোমাদের আমরা আমাদের পোষা হাতির পিঠে চাপিয়ে, গন্ডার হরিণ দেখতে পাঠাতে পারব না। বনমালা ছাড়া যে-কোনও পোষা হাতি দেখলেই বুনোটা তাদের তাড়া করছে। বুনো হাতিটা তোমাদের আনন্দও মাটি করে দিয়েছে।”

    গোগোল এদিকটা ভেবে দেখেনি। বুড়োদা, মিনুদি, এমনকী বাবাও বললেন, “সত্যি, আমাদের কপালটাই খারাপ। হলং-এ এসেও, হাতির পিঠে চেপে জন্তু-জানোয়ার দেখতে পাব না।”

    গোগোলেরও যে মনটা একটু খারাপ হল না, তা নয়। বন্য গন্ডার হরিণ দেখার শখ ওরই বেশি ছিল।কিন্তু বুনো হাতিটার সেই আশ্চর্য সুন্দর আর বিরাট চেহারাটার কথা ভেবে, তার জন্যই ওর মনটা বেশি খারাপ হয়ে গেল।

    পরের দিন ভোরবেলা গোগোলের ঘুম ভেঙে গেল। বুড়োদা মিনুদি এখনও ঘুমোচ্ছে। পাশের ঘরে বাবা-মায়েরও কোনও সাড়া শব্দ নেই। গোগোল খাটের মশারির ভিতর থেকে বেরিয়ে জানালায় গিয়ে দাঁড়াল। ছোট হাঁটুজল নদীটির বাঁ দিকে ঝাড়ালো গাছটায় অসংখ্য পাখি ডাকছে। গোগোল জানালা থেকে সরে, আস্তে-আস্তে দরজার কাছে গিয়ে ছিটকিনি খুলে ফেলল। বাইরে বেরিয়ে নীচে নেমে, একেবারে ঘাটের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। রসুইখানার পাচক বা চৌকিদার নিজেদের কাজে ব্যস্ত। কেউ গোগোলকে লক্ষ করল না।

    গোগোল ঘাটের সিঁড়ি দিয়ে নেমে, স্রোতের জলে চোখ-মুখ ধুয়ে নিল। অবাক হয়ে দেখল, ওর হাতের সামনেই মাছগুলো ঘোরাফেরা করছে। ওর খুব ইচ্ছে হল, একটা মাছকে হাত দিয়ে ধরে। ওর পা খালিই ছিল। জলে নেমে পড়ল। আর, একটা মাছ যেন ওকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে ওপারে নিয়ে গেল, আর চট করে হারিয়ে গেল।

    গোগোল হতাশ হয়ে, ওপর দিকে তাকাল। সেই ঝাড়ালো গাছটা। ও এখন নদীর অন্য পারে। পাখি দেখবার জন্য ও উঁচু পাড়ে উঠে দাঁড়াল। মাথা তুলে গাছের দিকে দেখল। প্রথমেই ওর চোখে পড়ল একটা কালো পাখি, মাথায় হলুদ রঙের ঝুঁটি। পাখিটা একবার শিস দিয়ে ডেকেই, হঠাৎ উড়ে গেল। তারপর আরও কয়েকটা পাখি ডানা ঝাপটিয়ে উড়ে গেল। কেন? গোগোলকে দেখে ভয় পেয়েছে?

    ঠিক এই সময়েই গোগোলের মনে হল, ওর মাথায় হালকা গরম দমকা বাতাস লাগল, আর মাথার চুল উড়ে কপালে পড়ল। কীসের বাতাস? ও পিছন ফিরে তাকাল। ও প্রথমে দেখতে পেল, হাতির একটা শুঁড়, ওর মাথার ওপরে। ওর গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠল। ও ভাল করে তাকিয়ে দেখল, সেই বিশাল কালোয়-নীলে মেশানো বুনো হাতিটা ওর পিছনেই দাঁড়িয়েই আছে। তার প্রকাণ্ড বাঁদিকের দাঁতটা প্রায় ওর কাঁধের কাছে নেমে এসেছে।

    গোগোল প্রথমটা ভীষণ ভয় পেয়ে গেল, আর হতচকিত হয়ে ভাবল, দৌড় দেবে কি না। কিন্তু আশ্চর্য, ও দৌড় দেবার কথা ভাবতেই, হাতিটা তার শুঁড় দিয়ে, আলতো করে ওর মাথায় ছোঁয়াল। আবার সেইরকম দমকা বাতাসের মতো নিশ্বাস ফেলল। ওর চুলগুলো আবার উড়ে এলোমেলো হয়ে গেল। তারপরেই হাতিটা শুঁড় দিয়ে গোগোলের কাঁধে, পিঠে, কোমরে, এমনকী পায়েও আলতো করে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যেন গন্ধ শুঁকল।

    গোগোলের ভয়-ছমছমানি ভাবটা কেমন কেটে গেল। ও কি এই বুনো হাতিটার শুঁড়ে একটু হাত বুলিয়ে দেবে? যেমন কলকাতার চিড়িয়াখানায় দিয়েছিল? ও মুখ তুলে হাতিটার চোখের দিকে তাকাল। চাউনিটা মোটেই রাগি দেখাচ্ছে না। কুলোর মতো কান দুটো নাড়ছে। গোগোল খুব আস্তে ওর শুঁড়ে একটি হাত বুলিয়ে দিল। অমনি বুনোটা তার শুঁড় গুটিয়ে এনে, গোগোলের ছোট নরম আঙুলগুলো শুঁকল। আঙুলের ডগাগুলো যেন লালায় ভিজে গেল। গোগোলের হাসি পেয়ে গেল।

    বুনো হাতিটা হাঁ করল, তার জিভটা দেখা গেল। গোগোলের মনে হল, ও ওর প্রকাণ্ড দাঁতে হাঁ করে হাসছে। গোগোল বলেই উঠল, “তুমি হাসছ, না?”

    বুনো শুঁড় তুলে গোগোলের কানের কাছে হালকা নিশ্বাস ফেলল। গোগোলের মনে হল, ও যেন বলল, “হ্যাঁ।” গোগোল আবার জিজ্ঞেস করল, “বনমালার সঙ্গে তোমার বিয়ে দেয়নি বলে তোমার মন খুব খারাপ, না?”

    বুনো গোগোলের নরম গালে শুঁড় ছুঁইয়ে দিল। এই সময়ে বাংলোর দিক থেকে অনেকের গলা শুনে, গোগোল সেদিকে তাকিয়ে দেখতে গেল। বুনো হাতিটা এবার গোগোলের পিঠে শুঁড় দিয়ে আস্তে ঠেলে দিল। গোগোল বাংলোর উলটো দিকে দু’ পা এগিয়ে গেল। বুনো শুঁড় তুলে যেন হাতের মতো দেখাল, আবার গোগোলের পিঠে আস্তে ঠেলে দিল। আর মাথায় আলতো করে শুঁড় দিয়ে নিশ্বাস ফেলল। তারপরে খুব ঘন ঘন শুঁড় আর কান নাড়তে লাগল।

    বাংলোর দিকে তখন রীতিমতো হাঁকডাক পড়ে গিয়েছে। গোগোলের মনে হল, মা যেন চিৎকার করে ওকে ডাকছেন। কিন্তু গোগোল বুনোর সঙ্গে বনের দিকেই এগিয়ে চলল। বুনো মাঝে মাঝেই ওর পিঠে আস্তে করে ঠেলে দিতে লাগল, আর গালে গলায় মাথায় আলতো করে ছুঁয়ে দিল।

    গোগোল নির্ভয়ে বুনো হাতির আগে আগে চলতে লাগল। দু-একবার ওর শুঁড়ে হাত বুলিয়ে দিল। একবার জিজ্ঞেস করল, “তুমি আমাকে ভালবাস, না?”

    বুনো বেশ জোরে একটা নিশ্বাস ফেলল। বাংলোর দিকে গোলমাল তখন চরমে। কিন্তু গোগোলের কিছুই মনে হল না। একটা অন্ধ লোককে তার লাঠি ধরে যেমন কেউ রাস্তা পার করে দেয়, ও সে-ভাবেই বুনোর শুঁড় ধরে ক্রমেই গভীর জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে গেল। তারপরেই হঠাৎ ভয় পেয়ে থেমে চিৎকার করে উঠল, “ওটা কী?”

    বুনো বিশাল হাতি তৎক্ষণাৎ আড়াল করে দাঁড়াল। আর গোগোল দেখল, একটা মস্ত গন্ডার তার বাচ্চা নিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে। গোগোল হাততালি দিয়ে বলে উঠল, “গন্ডার গন্ডার! মা আর বাচ্চা!”

    বুনো হাতি ওর কাঁধে শুঁড় দিয়ে যেন কিছু ইশারা করল, আর আবার হাঁ করল। ঠিক যেন হাসছে। সে আবার গোগোলের পিঠে আলতো করে ঠেলে দিল। গোগোলও আবার তার শুঁড় ধরে এগিয়ে চলল। চলতে চলতে গোগোলের মাথা-সমান ঘাসবনে চলে এল। আর হঠাৎ একটা ময়ূর ডানা ঝাপটিয়ে আকাশের ওপর দিয়ে উড়ে দূরে গিয়ে নামল।

    গোগোল প্রথমটায় চমকিয়ে উঠলেও, তারপরেই খুশি হয়ে চিৎকার করে উঠল, “ময়ূর ময়ূর।”

    ওর কথা শেষ হতে না হতেই, হাত দশেক দূরেই এক দল হরিণ, ঠিক যেন ঢেউয়ের মতো ছুটে পালিয়ে গেল। গোগোল হাততালি দিয়ে আবার চিৎকার করে উঠল, “হরিণ, হরিণ!”

    বুনো ওর হাতের ওপর শুঁড় ছুঁইয়ে আবার আলতো করে পিছন থেকে ঠেলে দিল। গোগোল আর তখন এগোবে কী! ওর আশে-পাশে থেকে এক-একটা হরিণ ছিটকে দিগবিদিক ছুটতে লাগল। ময়ূর আর বুনো মুরগি থেকে থেকেই উড়তে লাগল।

    গোগোল যেন আনন্দে পাগল হয়ে গেল, আর হাততালি দিয়ে নাচতে লাগল। বুনো হাতিটা তার বিশাল শরীর দুলিয়ে, শুঁড় আর কান দুটো খুব নাড়তে লাগল। যেন সে-ও বেশ খুশি!

    আরও খানিকটা এগিয়ে, একটা মোটা গাছের গুঁড়ির কাছে একটা ছোট বাঘের মতো জানোয়ার দেখে গোগোল ভয় পেয়ে থমকে গেল। হাত বাড়িয়ে বুনোর শুঁড় ধরে বলল, “বাঘ বাঘ!”

    গোগোল জানে না, আসলে ওটা বাঘ নয়, একটা চিতা বিড়াল। এই অঞ্চলের বনে প্রায়ই এদের দেখা যায়। চিতা বিড়ালটা বিশাল হাতি দেখেই, ভয়ে গুটিয়ে গিয়ে গরগর করে উঠল। বুনো গোগোলের হাত থেকে শুঁড়টা ছাড়িয়ে নিয়ে দু’ পা এগিয়ে যেতেই চিতা বিড়ালটা এক লাফ দিয়ে চোঁ চাঁ দৌড় দিল।

    গোগোল হাততালি দিয়ে নেচে উঠল। বুনো শুঁড় তুলে হাঁ করল। ঠিক যেন হাসছে! ঠিক এ সময়েই কাছাকাছি থেকে লোকজনের গলার স্বর শোনা গেল। গোগোল স্পষ্ট বাবার ডাক শুনতে পেল, “গোগোল গোগোল! তুমি কোথায়?”

    গোগোল চিৎকার করে জবাব দিল, “আমি এখানে।”

    তারপরেই প্রায় একশো হাত দূরে, একদল লোককে দেখা গেল। তাদের মধ্যে বাবা আর জয়ন্তদা বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। বুনো হাতি এই প্রথম অদ্ভুত স্বরে ডেকে উঠল, আর তার কান দুটো মাথার পিছন দিকে লেপটে গেল। গোগোল স্পষ্ট দেখল, তার চোখের চাউনিতে রাগ ফুটে উঠেছে। সে শুঁড় দিয়ে গোগোলর কাঁধে আলতো করে ছোঁয়াল।

    গোগোল জিজ্ঞেস করল, “তোমার রাগ হচ্ছে?”

    বুনো গোগোলকে আড়াল করে, একশো হাত দূরে দলটার মুখোমুখি দাঁড়াল। বাবা চিৎকার করে বললেন, “গোগোল, ও পাগলা হাতি, তোমাকে মেরে ফেলবে।”

    গোগোল বলল, “না, ও আমার বন্ধু হয়ে গেছে।”

    বুনো কী বুঝল, কে জানে। সে হঠাৎ দলটার দিকে দৌড়ে কয়েক পা এগিয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত দলটার সঙ্গে বাবা আর জয়ন্তদাও পিছন ফিরে দৌড় দিলেন। কিন্তু চলে গেলেন না। জয়ন্তদা চিৎকার করে বললেন, “গোগোল, তুমি ওকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে বাংলোয় ফিরে এসো।”

    গোগোল বলল, “আপনারা চলে যান।”

    গোগোলের কথা শুনে, বাবা, জয়ন্তদা সবাইকে নিয়ে আড়ালে চলে গেলেন। গোগোল বুনোর কাছে এগিয়ে এল। বুনো ওর গায়ে মুখে শুঁড় ছুঁইয়ে শুঁকল, কিন্তু তার রাগভাবটা এখনও আছে। গোগোল বলল, “এবার ফিরে চলো, আমার মা কাঁদছে।”

    বুনো শুঁড় দিয়ে, গোগোলের কানে একটা হাওয়া লাগিয়ে দিল। গোগোলের মনে হল, ও যেন বলছে, “খুব সাবধান। ওদের বিশ্বাস নেই।”

    গোগোল বলল, “আমি আছি, তোমার কোনও ভয় নেই।” বলে বুনোর শুঁড় ধরে এগিয়ে চলল।

    বুনো হাতি প্রথমে যেন একটু আপত্তি করল, তারপর গোগোলের পিছনে পিছনে এগিয়ে গেল। গোগোল বাংলোর পথ চেনে না। বুনোই তাকে টেনে, আস্তে করে ঠেলে, বাংলোর হাতায় এনে ফেলল। কিন্তু সে আর এগোল না। দূরে বিরাট ভিড় দাঁড়িয়ে ছিল।

    গোগোল বুনোর দিকে তাকাল। তার চোখে এখন রাগ নেই, বরং গোগোলের মনে হল, তার চাউনিতে কষ্ট। গোগোল তার শুঁড়ে হাত বুলিয়ে দিল। সে শুঁড় তুলে গোগোলের মাথায় তেমনি দমকা নিশ্বাস ছাড়ল। গোগোলের চুল এলোমেলো হয়ে গেল। বুনো গোগোলের কাঁধে গলায় গালে শুঁড় ঠেকাল, ঠিক যেন আলতো করে আদর করার মতো। তারপরে আস্তে আস্তে পিছন ফিরে চলে গেল।

    গোগোলের মনটা কেমন টনটন করে উঠল। ও সেই বিশাল সুন্দর হাতিটিকে যতক্ষণ দেখা গেল, দেখল। তারপরে সে বনের মধ্যে হারিয়ে গেল।

    এ সময়েই ভিড়টা দৌড়ে এল। প্রথমেই মা গোগোলকে বুকে চেপে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন, বললেন, ‘ওরে গোগোল, তোর জন্য ভয়েই আমি একদিন মরে যাব।”

    কিন্তু মায়ের কান্নার মধ্যেও সকলেই আনন্দে হাসতে লাগল। গোগোল মায়ের সঙ্গে বাংলোর বসবার ঘরে এল।

    জয়ন্তদা বন্দুকটা দেওয়ালের গায়ে হেলান দিয়ে রেখে বললেন, “এবার বলো তো গোগোল, ওই ভয়ংকর বুনো দাঁতাল হাতিটা তোমাকে কী বলল?”

    গোগোল বলল, “কী আবার? ও নিজে এসে আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করল, আর বেড়াতে নিয়ে গেল।”

    জয়ন্তদা অবাক চোখে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল, “তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে, এখন থেকে বুনো হাতিদের সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে হবে।”

    বাবা কিছুই বললেন না। তিনি এমনভাবে গোগোলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন, যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না, গোগোল ফিরে এসেছে।

    ১৩৮৪

    অলংকরণ, সুধীর মৈত্র

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }