Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প847 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চার বুড়োর আড্ডা – আশাপূর্ণা দেবী

    চার বুড়োর আড্ডা – আশাপূর্ণা দেবী

    সকাল থেকে আকাশ থমথমে মেঘলা, বিকেল হতেই ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। দেখে মজিলপুরের বিখ্যাত ‘চার বুড়োর আড্ডা’-র তিন বুড়ো হরিহর, গদাধর আর মুকুন্দ ছটফটিয়ে উঠল, “সেরেছে! বুনোটা আসতে পারলে হয়!”

    মুকুন্দ এরই মধ্যেই তাসের প্যাকেটটা বার করে অকারণ ভাঁজছিল, হঠাৎ জোর গলায় বলে উঠল, “না, না, আসবে ঠিকই! আড্ডায় আসেনি, এমন কোনওদিন হয়েছে?”

    হরিহর বলল, “হয়নি! সেটা আজন্মকাল গায়ে গায়ে থাকার জন্যে! চারজনেই দু’মিনিটের রাস্তায়। বুনোটার যে বুড়ো বয়সে মতিভ্রম ঘটল। এই শেষ বয়েসে কিনা শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি পেয়ে, সাতপুরুষের বাড়িঘর ছেড়ে ঠেলে গিয়ে সেখান সামলাতে গেল। এখান থেকে ক’মাইল রে গদা?”

    “এখন তো আর মাইল বলে না রে। কিলোমিটার-ফিটার কী যেন বলে।”

    “থাম তো! এখন কী বলে তা নিয়ে তোর কী দরকার? তোর যা জানা তাই বল।”

    “তা সেটা কত আর? আধমাইলটাক। বুনোর কাছে তো নস্যি। তবে কাল যেন বলছিল, ক’দিন থেকে হাঁটুটা বড় জ্বালাচ্ছে। ব্যথা, যন্তন্না।”

    “তাই যখন, তখন একটু সময় থাকতে বেরিয়ে পড়লেই হত! সকাল থেকেই তো আকাশের অবস্থা দেখছিস! কী এত রাজকার্য তোর!”

    এমনভাবে বলে, যেন সামনেই রয়েছে ‘বুদ্ধু’ বনমালী!

    গদাধর বলল, “তা বুনোর তো নিজের বাড়ি ছেড়ে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে বাস করতে যাওয়ার মন ছিল না। বউ ছেলেমেয়েকে বলেছিল, ‘তোমরা গিয়ে থাকো গে, আমি এখানে বেশ থাকব। দূর তো বেশি না, দুপুরের দিকে গিয়ে না হয় ভাতটা খেয়ে আসব। রাতে তো খাদ্য খই-দুধ, সে এখানে ব্যবস্থা হয়ে যাবে। দক্ষর মা রয়েছে। চারদিকে এত বন্ধুবান্ধব, পাড়াপড়শি!’ তো বউ ছেলেরা রাজি হল? বলল, ‘পাগলের মতো কথা বোলো না!”

    “ওই সম্পত্তিটা পাওয়াই কাল হল।”

    “আহা! এদিকে ছেলেমেয়ে তো আহ্লাদে ঊর্ধ্ববাহু হয়ে নেচেছিল! তাদের তো হাল ফিরে গেল। বুনোর শাশুড়িবুড়ির তো কম ঐশ্বর্য ছিল না! জমিজমা, বাগান, মাছের পুকুর, গোয়ালে গোয়ালভরা গোরু, উঠোনে গোলাভরা ধান! তায় আবার সে-বাড়ির কাছাকাছি সিনেমা হল।”

    মুকুন্দ তাসটা জোরে জোরে ভাঁজ করতে করতে বেজার মুখে বলে, “বুনোর আর ওর কোনটা কাজে লাগবে? পেটরোগা মানুষ! রাতে তো খায় এক ছটাক দুধে একটু খই ভিজিয়ে, আর দিনে একটু শিঙিমাছের ঝোল আর গলা-গলা ভাত।”

    “সে কথা কে বুঝছে? বয়েস হলেই পরাধীন। একদা ওই বুনো যখন রেল আপিসে কাজ করত? ছুটিছাটায় বাড়ি এলে গুষ্টিসুন্ধু সবাই থরহরিকম্প।”

    মুকুন্দ বলল, “এখন সকলেরই এক অবস্থা।”

    গদাই বলে ওঠে, “তুই আর বলিসনে। তোর না আছে বউ-ছেলে, না আছে সংসার। পিসিমার যাওয়া পর্যন্ত তো মুক্ত পুরুষ। তা পিসিই কি কম দিন গেছে? পিসির মেয়েটাই গিন্নি হয়ে উঠল।”

    কথাটা ঠিক। মুকুন্দ ঝাড়া হাত-পা। কোনও একসময় সে-ও চাকরি-বাকরি করত, তবে মজিলপুর থেকে কলকাতায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি এমন কিছু ব্যাপার ছিল না! তা যাকগে, সে-সব গত কথা!

    মুকুন্দ বরাবরই রীতিমতো স্বাধীন! পিসি থাকতেও! পিসি ছিল ভালমানুষের রাজা! তো পিসির মেয়েটার সঙ্গে মুকুন্দ পাড়াতেই তার এক জ্ঞাতিভাইয়ের ভাইপোর সঙ্গে বিয়ে দিয়েছে। সেখানেই দুপুরে খাওয়াদাওয়া করে আসে। আর সারাদিনের চা, জলখাবার, আড্ডায় মুড়ি-তেলেভাজা, রাত্তিরে দু’খানা রুটি আর এক থাবা তরকারি পিসির মেয়ে বা ভাই-বউ নিজে এসে এসে সাপ্লাই করে যায়।

    হরিহর আর গদাধরের অবশ্য মস্ত একখানা করে সংসার। ছেলে, বউ, নাতি-নাতনি, গিন্নি! তা তাতে তার নিয়মিত সময় আড্ডায় হাজরে দেওয়ায় কোনও বিঘ্ন ঘটে না।

    বড় সুখেই কাটায় এই চার বুড়ো!

    আজন্মের বন্ধু!

    ছেলেবেলায় ইস্কুল পালিয়ে পরের বাগানের ফলপাকুড় চুরি করতে, আরও একটু বড় হলে পরের পুকুরের মাছ ধরতে, একেবারে একাত্মা। পাড়ার লোক বলত, “দু’জোড়া মানিকজোড়!”

    এখন ক্ষমতা গেছে। তবু সারাটা দিন খেয়ে, শুয়ে, বসে, দাঁড়িয়ে কাটিয়ে, ছটফট করতে থাকে এই সন্ধেবেলার তাসের আড়ার জন্য! যেই চারজনে এক হল, যেন কী এক পরম পাওয়া পেল!

    তা বনমালী অন্য পাড়ায় চলে গিয়েই যে আড্ডায় ঘাটতি ঘটেছে তা নয়। পৃথিবী উলটে গেলেও— ঠিকই যথাসময়ে এসে হাজির হয়।

    আজই একটু যেন দেরি হচ্ছে!

    কাজেই বাকি তিনজনে বলে চলেছে, “চিরদিনের হাড়-মুখ্য ! আকাশটা তো দেখছিস সকাল থেকে? দু’ঘণ্টা আগে বেরোলেই কী হত?”

    এদিকে বৃষ্টিটা যেন একটু জোরেই এসে গেল।

    নাঃ। মাটি করেছে!

    তিন বুড়োই ফরাসপাতা ফৌজি ছেড়ে বাইরের দরজার কাছে এসে দাঁড়াল। উদ্বিগ্ন মুখ। উৎকণ্ঠ দৃষ্টি।

    হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠল হরিহর, “ওই তো, ওই তো আসছে! হুঁ বাবা। বলেছি না, পৃথিবী উলটে গেলেও, আসা রদ হবে না!”

    কিন্তু কী আশ্চর্য!

    ছাতা মাথায় নেই কেন?

    খালি মাথায় ভিজতে ভিজতে আসছে!

    মুকুন্দ তাড়াতাড়ি নিজের ছাতাটা নিয়ে, নিজের মাথায় দিয়েই এগিয়ে গেল।

    সেকেলে ঢাউস মার্কা ছাতা! দু’জনের মাথা অনায়াসেই ঢাকা পড়তে পারে!

    একজন আসছে।

    অপরজন যাচ্ছে।

    মাঝখানেই দেখা!

    ভিজে চুপচুপে বনমালী বলে ওঠে, “আঃ, তুই আবার কেন কষ্ট করে? যা ভেজবার, তা তো ভিজেইছি!”

    “তা হোক। চোখে দেখে স্থির হয়ে থাকা যায়; কিন্তু ছাতা নিয়ে বেরোসনি কী বলে?”

    বনমালী কেমন একরকম বোকাটে হাসি হেসে বলে, “বেরিয়েছিলাম! নাতনি তার শৌখিন ছাতাখানা দিল হাতে। হঠাৎ সেই হালকা ছাতাখানা ঝোড়ো হাওয়ায় হাত ফসকে উড়ে গিয়ে ঘোষের পুকুরে গিয়ে পড়ল! ঢের চেষ্টা করলাম, হল না।”

    বলতে বলতে এসে পড়ে।

    বাকি দু’জন হইহই করে ওঠে, “এসে গেছে। এসে গেছে।”

    মুকুন্দ বলে, “আহা, এখন ভিজে জামাকাপড় ছেড়ে, গা-মাথা মুছে আমার শুকনো কিছু জামা-কাপড় পরে তবে গুছিয়ে বোস!”

    বনমালী তাড়াতাড়ি বলে, “না, না! বেশ আছি। গায়ে গায়ে শুকিয়ে যাবে।”

    “গায়ে গায়ে শুকিয়ে যাবে? বলিস কী? ভিজে টুসটুস করছিস! কেন, আপত্তিটা কীসের?”

    বনমালী আবারও তেমনই বোকাটে হাসি হেসে (এটা ওর মুদ্রাদোষ) বলে, “কে আবার তোর জামাকাপড় ফেরত দিতে আসবে?”

    “কেন? তুইই আসবি। কাল কি আর এত বিষ্টি পড়বে? তোরটা কাচিয়ে শুকিয়ে রাখব, আমারটা দিয়ে যাবি, তোরটা নিয়ে যাবি। প্রবলেমটা কোথায়?”

    “তাই বলছিস? আসলে কী জানিস, আচ্ছা দিচ্ছিস দে, নাতনির ছাতাটা গেল।”

    বনমালী একখানা গামছা আর মুকুন্দর একখানা শুকনো ধুতি-গেঞ্জি আর হাফ পাঞ্জাবি হাতে নিয়ে পাশের দালানটায় চলে গেল!

    গদাধর আর হরিহর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বলে, “যাক বাবা, শেষপর্যন্ত এল তা হলে!…দ্যাখো কাণ্ড! এখন বিষ্টিটা ছেড়ে গেল!”

    যাক! এখন যেখানে যাই হোক অন্তত ঘণ্টাতিনেকের মতো তো নিশ্চিন্তি!

    পৃথিবীতে তখন থাকবে শুধু এই একখানা ফরাসপাতা মস্ত ফৌজি চারটে গোল্লা-গোল্লা তাকিয়া, চারটো বুড়ো আর একজোড়া তাস!

    বনমালী মুকুন্দর জামা-কাপড়ে সজ্জিত হয়ে চলে এসে গুছিয়ে বসতেই, গদাধর বলে ওঠে, “যাক বাবা, শেষ পর্যন্ত এলি! ভাবনা ধরেছিল, বুঝিবা আজকের আড্ডাটা ফসকে গেল।”

    “আজকেরটা ফসকাবে মানে?”

    বনমালী তার রুপোর নস্যির কৌটো থেকে একটিপ নস্যি নিয়ে নাকে গুঁজতে গিয়ে বলে, “এ হে হে ভিজে গেছে—যাগগে। ভিজেই সই।”

    হরিহর বলে উঠল, “নস্যির কৌটো তো তোর ট্যাঁকে গোঁজা থাকে। সেখান থেকে কৌটোর ভেতরের নস্যি ভিজল কী করে?”

    বনমালী ভিজে নস্যির হাতটা তাকিয়ায় মুছে হেসে বলে, “ওই তো খুড়োর কলে পড়ে গিয়েই তো…যাকগে, তাস সাজা! আজ না এসে থাকতে পারা যেত? কাল মুকুন্দ, আর তোর কাছে হেরে মরেছি না?..শেষ পিটে হঠাৎ রঙের টেক্কা তুরুপ মেরে ছক্কা দিয়ে বসলি! আজ তার শোধ নিতে হবে না?”

    “আজও তা হলে একই পার্টনার?”

    “নিশ্চয়! অ্যাই মুকুন্দ, ওখানে করছিস কী?”

    “কিছু না! তোর ভিজে জামা-কাপড়গুলো ঠেলে

    রাখছি! কী হল? তাস দেওয়া হয়েছে?”

    “কখন!”

    “রংটা কী হল?”

    “চিড়িতন। চিড়িতনের সাহেব!”

    “সেরেছে! চিড়িতন। ওটা আমার চিরকেলে অপয়া! যাক দেখি কী হাত তাস?”

    এই চার-চারটে আশি বছরের বুড়ো কী এমন খানদানি খেলা নিয়ে মশগুল থাকে!

    এমন কিছুই না! সেই আদি-অন্তকালের ‘গাবু’ খেলা! ছেলেবেলায় গরমের ছুটির দুপুরে পিসিমা, জেঠিমা, পাড়ার কাকিমাদের যে নিত্য তাসের আড্ডা বসত, সেইখানে কাছ ঘেঁষে বসে থেকে, আর মনপ্রাণ চোখ সব দিয়ে দেখে দেখে যা শিখেছিল তাই চালিয়ে আসছে চিরকাল!

    সেই সাবেকি—দু’কুড়ি সাতের খেলা! এতে এখনকার খেলার মতো একসঙ্গে দু’জোড়া তাস লাগে না, পয়সা নিয়ে বাজি ধরাধরি নেই, হারজিতের মধ্যে, অপর পক্ষের পিট-এর ওপর টেক্কা মেরে, কিংবা তুরুপ মেরে বেশি পিট বাগিয়ে দিতে যাওয়া।

    “আর হারা মানে?”

    “ছক্কা-পাঞ্জা খাওয়া!”

    এখনকার ছেলেমেয়েরা এই জোলো-জোলো খেলা দেখে আর তারই জন্য বুড়ো চারটের হানফানানি দেখে হাসে!

    তা তাতে বয়েই গেল!

    কে ওদের কথার ধার ধারে?

    এরা নিজেদের আনন্দেই মশগুল!

    কিন্তু ‘কালকের শোধ নেব’ বলে যতই তড়পাক, বনমালীর যেন আজ কেমন অন্যমনস্ক-অন্যমনস্ক ভাব!… বেশ দু’-একবারে ভুলই করে বসল। তার পার্টনার মুকুন্দর কারসাজি আর বাহাদুবিতে অবশ্য সামলে গেল।

    শেষপর্যন্ত অবশ্য জিতেই গেল বনমালীরা!

    যাক বাবা! বাঁচা গেল!

    তাড়াতাড়ি উঠে পড়ে বনমালী। চৌকি থেকে নেমে পড়ে বলে, “হেরো হয়ে মরতে হল না! আচ্ছা—”

    মুকুন্দ হাঁ-হাঁ করে ওঠে, “আরে, আরে চলে যাচ্ছিস যে? বিষ্টি ছেড়ে গেছে। এক্ষুনি চা, মুড়ি, ফুলুরি চলে আসবে—”

    “তোৱা খাস।”

    “কেন, তোর কী এত তাড়া? গিন্নি গঞ্জনা দেবে?”

    শুনে বনমালী জোর পায়ে হাঁটা দিতে দিতে হঠাৎ মুখ ফিরিয়ে বাঁধানো দাঁতে ঝিলিক মেরে হেসে ডান হাতের বুড়ো আঙুলটা নেড়ে বলে যায়, “সে গুড়ে বালি।”

    “আরে, আরে, এই বুনো! তোর নস্যির কৌটোটা যে পড়ে রইল!”

    তা সে-কথা আর বনমালীর কান পর্যন্ত পৌঁছল না বোধ হয়, ফিরে তাকাল না! হঠাৎ যেন অন্ধকারে মিশে গেল।

    এরা তিনজন—হরিহর, গদাধর আর মুকুন্দ কিছুক্ষণ সেইদিকে তাকিয়ে থেকে বলাবলি করে, “বুনোটার আজ যেন কেমন বেভাব, দেখলি না?”

    “তাই মনে হল। বাড়িতে বকাবকি হয়েছে বোধ হয়।”

    “বাড়ির বকাবকিকে ও ভারী কেয়ার করে! শরীরটাই বোধ হয় জুতসই নেই!”

    “হতে পারে। তা আমরাও তা হলে এবার চলেই যাই।”

    মুকুন্দ হাঁ হাঁ করে ওঠে, “কেন? তোদের এত কী তাড়া পড়ল? এই তো সবে আটটা কুড়ি! তোদের তো আর মাঠ ভেঙে এক মাইল পথ হাঁটতে হবে না। মুড়িটা এসে পড়বে হয়তো এখনই…”

    “মুড়ি? বলছিস? তা হলে বসেই যাই আর একটু?”

    “হ্যাঁ, হ্যাঁ ! ততক্ষণ না-হয় ‘গোলাম চোর’ খেলাই চালিয়ে যাওয়া যাবে ছেলেবেলার মতো।”

    বলে হা-হা করে হেসে ওঠে!

    অতএব আবার দরজা বন্ধ করে ফিরে এসে চৌকিতে বসা! তাসের গোছা নিয়ে নাড়াচাড়া।

    একটু পরেই দরজায় ধাক্কা পড়ল, যেন জোর তলবে দুমদাম।

    ওই এসে গেল মুড়ি-ফুলুরি! এত ধাক্কাচ্ছে কেন?

    মুকুন্দ নেমে পড়ে এসে দরজাটা খুলেই প্রায় পাথর হয়ে গেল।

    মুড়ি-বেগুনির বদলে এ আবার কী?

    সামনে গোটাআষ্টেক ছোকরা। একজন একটা জ্বলন্ত হ্যারিকেন নিয়ে হাতে দোল খাওয়াচ্ছে!

    “তোমরা কে বাবা?”

    “আমাদের চিনতে পারছেন না?”

    “না তো—ঠিক—”

    “তা চিনবেন না। আমরা ও-পাড়ার। সিনেমা হল্‌-এর পাশে থাকি আমরা। তো দাদুরা কি এখনও তাস পেটাচ্ছেন নাকি? অ্যাঁ? আচ্ছা লোক তো! চারজনের আড্ডার একজন যে আজ এল না, তার জন্যে প্রাণে একটু ধড়ফড়ানি আসেনি?”

    “এল না মানে? বনমালীর কথা বলছ তো?”

    তিনজনেই উঠে এসে মারমুখী হয়ে বলে ওঠে, “এই তো তাস খেলা সেরে একটু আগে চলে গেল!”

    “কী? কী বলছেন দাদুরা? একটু আগে তাস খেলে উঠে গেলেন বনমালী বাঁড়ুজ্জে। হ্যা হ্যা হ্যা!… দাদুরা কি সন্ধেবেলাই আফিমের মৌতাতে ঝিমোন?… লোকটা তো সেই কোন বিকেলবেলা ঘোষের পুকুরে ডুবে মরে, এখন পেট ফুলে বাড়ির উঠোনে শুয়ে! ওঁর স্ত্রী কাঁদতে-কাঁদতে বললেন, আপনারা নাকি ওঁর চিরকালের প্রাণের বন্ধু, তাই একবার শেষ দেখা দেখতে—”

    হরিহর, গদাধর আর মুকুন্দ তিনজনের কেউই ব্রাহ্মণ নয়, হলে চিৎকার করে পৈতে ছিঁড়ে অভিশাপ দিয়ে বসত। তবে শুধু চিৎকার করতে তো পৈতে লাগে না!

    তিনজনে একসঙ্গে গর্জন করে ওঠে, “কী? আমরা অফিমের ঝোঁকে? অসভ্য, বেয়াদপ ইয়ার ছোকরারা! নিজেরা নেশার ঝেঁকে এসে যা মুখে আসছে বলে চলেছ?… ইয়ার্কি মারবার আর বিষয় পাওনি? একটা জলজ্যান্ত বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ, তাকে মেরে পেট ফুলিয়ে উঠোনে শুইয়ে রেখে, ছি ছি। নরকেও ঠাঁই হবে না তোমাদের!”

    “ওঃ, বটে নাকি?”

    আটজনের সমস্বর প্রতিবাদ!

    “তা হলে এই চললুম! নেহাত আপনাদের খবরটা দিতে বললেন নবগোপালের ঠাকুমা, তাই আসা!… শেষ দেখা দেখতে ইচ্ছে হয় তো যান চটপট ! নইলে পুলিশে এক্ষুনি লাশ তুলে নিয়ে গিয়ে মর্গে চালান দিয়ে দেবে। অপঘাত মিত্যু বলে কথা?”

    নবগোপাল বনমালীর নাতি।

    তিন বন্ধু হকচকিয়ে বলে, “ব্যাপারটা কী বল তো?”

    “কী আবার? বদমাশ ছেলেদের বদমায়েশি। মজা করার এক নতুন ফন্দি।… আমরা ভয় পেয়ে ছুটতে ছুটতে যাব, আর ওরা তখন দাঁত বার করে হাসবে!”

    “তা হোক। তবু একবার যাওয়া যাক!”

    এখন তিনজনের তিন মত।

    “গিয়ে কী হবে? ওদের মজা করার হাসি দেখতে?”।

    “কিন্তু এত সব বলল। যদি সত্যি মর্গে চালান দিয়ে বসে! তা হলে শেষ দেখাটা—”

    “যদি মর্গে চালান দিয়ে বসে? জলজ্যান্ত লোকটাকে! বলি নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করব, না এই ফক্কড়দের কথা বিশ্বাস করব?”

    “সেও তো কথা! নস্যির কৌটোটা তো এই চোখের সামনেই পড়ে থেকে চকচক করছে! খাঁটি রুপোর জিনিস! অফিসে রিটায়ার করার সময় ফেয়ারওয়েলে দিয়েছিল!”

    কিন্তু নিজের চোখকে যে অবিশ্বাস করতে বাধ্য হতে হয়। অথবা অলৌকিক কোনও ভৌতিক কাণ্ডকে বিশ্বাস করতে হয়!

    অথচ—ততক্ষণে পাড়ার লোকেরা মুকুন্দর দরজায় এসে ভেঙে পড়েছে।

    “বামুনজ্যাঠার খবর শুনলেন?”

    “বামুনদাদুর খবর শুনলেন?”

    “নবুর ঠাকুর্দার খবর শুনলেন?”

    “কী কাণ্ড! কী কাণ্ড! হায়! হায়।”

    “শুনলাম, বাড়ির লোকের কথা না শুনে, ‘বিষ্টি আসছে’ বলে, বেলা তিনটের সময় আপনাদের এই আড্ডায় আসছিলেন!… হঠাৎ যে কী করতে পুকুরধারে গেলেন!”…

    এই তিন বুড়ো, বিশেষ করে মুকুন্দ, গলার শির ফুলিয়ে, হাউমাউ করে চেঁচিয়ে বলতে চেষ্টা করল, কিন্তু আসল ব্যাপারটা তো…”

    তা কে শোনে কার কথা?

    যে মানুষটাকে বেলা পাঁচটায় পুকুর থেকে টেনে তোলা হয়েছে এবং এখনও জল খেয়ে পেট জয়ঢাক করে বাড়ির উঠোনে পড়ে আছে, সে লোক সন্ধে সাড়ে ছ’টায় এঁদের সঙ্গে তাস খেলে গেছে, এ-কথা কে বিশ্বাস করবে?

    সমবেতর রায় আসলে, ‘আসছে-আসছে’ করে ভাবতে-ভাবতে, ‘এল না’ দেখে বুড়োরা বাদলা হাওয়ার আমেজে ঘুমিয়ে পড়েছিল, আর সেই ঘোরের মধ্যে স্বপ্ন দেখেছে, “এসেছিল—খেলে গেছে।”

    “বেশ, তাই যদি হয় তো নস্যির কৌটোটা?”

    “ও কিছু না। হয়তো কালকেই ফেলে গিয়েছিল, তাকিয়ার তলায় পড়ে ছিল।”

    “বটে! তাকিয়ার তলায়? তাকিয়া রোজ ঝেড়েঝুড়ে তোলা হয় না ?…ঠিক আছে, তাই-ই যদি হয়, ওই ভিজে জামাকাপড়গুলো ? যেগুলো দালানের কোণে পড়ে রয়েছে?”

    দু’-একজন বাড়ির মধ্যে ঢুকে এসে উঁকিঝুঁকি মেরে দেখে মুকুন্দকে বলল, “ও-সব বোধ হয় দাদু, আপনারই। সকালে চানের সময় ছেড়েছিলেন বাদলা দেখে আপনার কাজের লোক বোধ হয় কাচেনি। ভেবেছে শুকোবে না তো। কেচে আর লাভ কী? কাল কাচলেই হবে!”

    মুকুন্দ রেগেমেগে সেই ভিজে সপসপে ধুতিখানা কুড়িয়ে নিয়ে এসে বলে ওঠে, “এই ধুতি আমার? এই ঝুলপাড় বাবুধাক্কা দেওয়া ধুতি? জন্মে এরকম শৌখিন ধুতি পরি আমি? দেখেছে কেউ? কেউই পরতাম না। তো ইদানীং বুনোর নক্কামার্কা নাতিটা শখ করে দাদুকে পয়লা বোশেখে, পুজোর সময় ওই রকম বাহারি ধুতি কিনে এনে উপহার দেয়, তাই।’

    কিন্তু এতেও কারও তেমন মন বদলাল বলে মনে হল না।

    কোন বুড়ো কী পাড় ধুতি পরে, সে আবার কে কবে তাকিয়ে দেখেছে?

    অকাট্য আর প্রত্যক্ষ সত্য তো সেই জলে ডুবে মরা পেটফোলা লাশটা। যা নাকি সব্বাই স্পষ্ট চোখে দেখে এসেছে।

    হঠাৎ পাড়ার ঠানদি গঙ্গাবুড়ি বলে ওঠে, “ওরে, শুনেছি, এমন হয়! হঠাৎ ঘটলে—সদ্য মড়াটা, আপনজনদের একটু দেখা দিতে যায়।”

    তা ‘একটু দেখা দিতে’ যেতে পারে। হয়তো ছায়া ছায়া শরীর নিয়ে। কিন্তু তিন ঘণ্টা ধরে তাস পিটে যায়?… “এই মারলাম টেক্কা! এই দিলাম তুরুপ!” বলে হুঙ্কার ছেড়ে যায়? কার মড়া তুলে কার নাম করেছে।

    মুকুন্দ বনমালীর সেই ছেড়ে রেখে যাওয়া ভিজে জামা-কাপড়গুলো গামছায় জড়িয়ে পুঁটুলি বেঁধে হাতে ঝুলিয়ে হনহন করে এগোতে থাকে বনমালীর শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে!

    এত জোরে হাঁটা অভ্যেস এখন আর নেই। কিন্তু রাগে, দুঃখে, অপমানে আর বিভ্রান্তিতে গায়ে পাগলা হাতির বল!

    হরিহরের হাতে লণ্ঠন, সে হাঁক ছাড়ে, “এই মুকুন্দ। অত ছুটছিস কেন? আমি তাল দিতে পারছি না।”

    তো তারপর?

    বনমালীর শ্বশুরবাড়ির উঠোনে তো সেই দৃশ্যই!

    “কার না কার মড়া’ বলার উপায় কোথা? নাকের ওপরকার ওই মস্ত আঁচিলটি? এই মজিলপুর গ্রামে আশপাশে আর কারও ছিল অমন?

    আর ভিজে ধুতিখানা দেখেই তো বনমালীর গিন্নি ডুকরে উঠল, “ওগো, হ্যাঁগো! এই কাপড়টা পরেই বেরিয়েছিল গো!… ওমা—এখন পরনে কী? ছি ছি। এই সরু নরুনপাড় চটের মতন মোটা খেঁটে ধুতি সাতজন্মে পরেছেন তিনি কখনও? ওগো সেই যে বলে ‘মরা’ মানে নতুন কাপড় পরা। এ তাই না কি?… হায়। হায়। যাকগে গিয়ে এইরকম কাপড় পরতে হবে তোমায়?”

    নিজের ধুতিখানা সম্পর্কে এমন তাচ্ছিল্য শুনে বিরক্ত হয়ে সরে এল মুকুন্দ।

    এই সময় পুলিশের লোক এল।

    বাজখাঁই গলায় প্রশ্ন, “কখন দেখা গিয়েছিল পুকুরে ভাসতে?”

    “আজ্ঞে, বেলা পাঁচটা নাগাদ।”

    “কে প্রথম দেখেছিল?”

    “আজ্ঞে, এই যে এই রাখাল ছেলেটা। ওর একটা বাছুর হারিয়ে যাওয়ায় খুঁজে বেড়াতে বেড়াতে চোখে পড়ে জলের মধ্যে কী দাপাদাপি করছে।… ভাবল বোধ হয় বাছুরটাই জল খেতে গিয়ে হড়কে পড়ে মরেছে। তা পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়ে তার একটা ঠ্যাং হাতে পেয়েছে বলে বিস্তর টানাটানি করল বেচারা, কিন্তু এই রোগাপটকা বছরদশেকের ছেলের সাধ্য কী বনমালীর ওই লাশ টেনে তোলার?…তা ছাড়া দেখল যেটাকে বাছুরে ঠ্যাং ভেবেছিল, সেটা হচ্ছে বনমালীর পাঞ্জাবি পরা একখানা হাত! তারপর আর কী? চেঁচামেচি করে পাড়াসুদ্ধ লোক জড়ো করে—”

    “মাছধরা জেলেরা এসে টেনে তুলল।”

    “দেখল, লোকটার অন্য হাতে একটা ফুলকাটা ছাতার বাঁট ধরা। ছাতার কাপড়টা জলে সুপসুপে ছেঁড়াখোঁড়া।”

    “তার মানে টানাটানি করেছিল বুড়ো বিস্তর নাতনির ছাতাটা বাঁচাতে।”

    তারপর?

    তারপর আবার কী? পুলিশ লাশটাকে মর্গে নিয়ে চলে গেল। যতই যা হোক, অপঘাতের মড়াকে মর্গে নিয়ে যেতেই হবে! ফিরে ফিরে দেখে হিসেব করে বুঝতে হবে, সত্যিই নিজে অসাবধানে ডুবে গেছে; না কেউ শত্রুতা করে জলে ঠেলে দিয়ে চুবিয়ে মেরেছে।

    অনেক রাত্রে ফিরে এল তিন বুড়ো।

    হরিহর আর গদাধর বলল, ‘আজ রাত্তিরে আর তোর একা বাড়িতে শুয়ে কাজ নেই মুকুন্দ, আমরা দু’জনা থাকি!’

    “থাকবি, তা থাক!”

    হাতের হ্যারিকেনটার পলতে বাড়িয়ে দিয়ে, দরজার তালা খুলে ঘরে ঢুকে এল মুকুন্দ। পিছু পিছু ওরা দু’জনও।

    ঘরের দরজার শেকলটা খুলল!

    আর খুলেই তিন-তিনটে আড়ে-দৈর্ঘ্যে প্রকাণ্ড লোক “আঁ—আঁ—আঁ” করে চেঁচিয়ে উঠে সপাটে মাটিতে!

    জ্ঞান হারাবার আগে দেখতে পেয়েছিল চৌকির ওপর নিজের তাকিয়া ঠেস দিয়ে বনমালী তাস ভাঁজছে। এদের দেখেই খিখি করে হেসে উঠে ফ্যাসফেসে গলায় বলে উঠেছিল, “দুঃখু করিস না, আড্ডা ভাঙবে না। আসব রোজ।”

    ১৪০৩

    অলংকরণ: দেবাশিস দেব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }