Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প847 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টুম্পুর গল্প – সুকুমার দে সরকার

    টুম্পুর গল্প – সুকুমার দে সরকার

    চেঁচিয়ে জোরে ডাকলাম, “টুম্পু! ও টুম্পু”!

    “যাই, জ্যাজা।”

    খরগোশের মতো লাফাতে লাফাতে টুম্পু এল।

    “কী বলছ?”

    “তুমি আজ গল্প শুনতে আসোনি কেন?”

    টুম্পু একটু নেচে নিল। যেন তিন পায়ে নাচ। পাক খেয়ে টুম্পু বলল, “তুমি বড্ড বাজে কথা বলো, জ্যাজা।”

    এইখানে একটু বলে রাখা ভাল। টুম্পু আমার ছোট্ট ভাইঝি। ওর ভাল নাম ঐন্দ্রিলা সরকার। টুম্পু কথা বলা শেখার সময় জ্যাঠা শব্দটা উচ্চারণ করতে পারত না বলে আজও আমি জ্যাজা। আর ওর জ্যাঠাইমা— জেন্না।

    টুম্পু ভীষণ হুড়ে মেয়ে। ফিঙে পাখির ল্যাজ যেমন কখনও স্থির থাকতে পারে না। নাচছে তো নাচছেই। তেমনি ছেলেবেলা থেকে টুম্পুর হাত-পা কখনও স্থির থাকে না। এই দুড় দুড় করে জানলার শিক বেয়ে উঠছে। আর পড়ে গেলেই, আমার ছোটমেয়ে— টুম্পুর ‘ছোদ্দিভাই’ সুর করে বলত—

    “ঐন্দ্রিলা সরকার

    গাছে ওঠা দরকার।”

    টুম্পু কান্না ভুলে গিয়ে বলত, “জ্যাজা বলেছিল আমার জন্যে পেয়ারাগাছ করে দেবে। দিলই না, হুঁঃ।”

    ওর ছোদ্দিভাই বলেছিল, “টবে তো করে দিয়েছিল। কিন্তু তোর জন্যে টবে পেয়ারাগাছ লাগালেই, হয় সেগুলোতে জবা ফুল ফুটবে, না হলে লঙ্কা ধরবে। তোর জ্যাজাটা কী করবে বল?”

    টুম্পু একটু ভেবে বলল, “জ্যাজাটা বড় বাজে কথা বলে। না ছোদ্দিভাই?”

    সন্ধে হয় হয়। এই সময়টা আমাকে টুম্পুর জন্যে ছেড়ে রাখতেই হয়। অভ্যেস হয়ে গেছে। ও রাস্তার খেলাধুলো সেরে আমার টেবিলের সামনে, কনুই ভর রেখে, দু’হাতের চেটোয় মুখখানা ভাসিয়ে দিয়ে বলবে, “জ্যাজা, গপ্পো।”

    হুকুম যেন। আমিও প্রথমে আজে-বাজে তারপরে জমিয়ে জমিয়ে গল্প বলতাম। গল্প-টল্প শুনে টুম্পুর শেষ কথা ছিল “জ্যাজাটা বড় বাজে কথা বলে।”

    বাজে কথার গল্পই বলতাম।

    কিন্তু অনুভব করছিলাম টুম্পু বড় হচ্ছে।

    “গপ্পো শুনতে আজ আসোনি কেন?”

    টুম্পুর পা দুটো বড় হয়েছে। মাথায়ও একটু বেড়েছে তাই। দু’পায়ে একটু নেচে নিয়ে বলল, “তুমি বড় বাজে কথা বলো, জ্যাজা।”

    বললাম, “আচ্ছা, কান মলছি। আর একটাও বাজে কথা বলব না। কীসের গপ্পো শুনবে? তাড়কা রাক্ষুসীর? খাণ্ডব বনের?”

    “দুর দুর!” টুম্পু বলল, “ও সব গপ্পো তো রোজ জেন্নার কাছে শুনি। দিতেকতিভ গপ্পো বলতে পারো?”

    ভাবলাম সেরেছে। বেতালের ছবির বই দেখতে শুরু করেছে মেয়ে। ভাবলাম করবে নাই বা কেন? যখন যেমন।

    বললাম, “বোসো, বলছি।”

    “অনেক দিনের কথা। তখন আমি বিহারে একটা খনি অঞ্চলে অ্যাকাউনটেনট হয়ে কাজ করতে গিয়েছিলাম।”

    টুম্পু বলল, “আক্যাউনতেন কী, জ্যাজা?”

    “এই হিসেব-টিসেব যে লেখে।”

    “বারে।” টুম্পু বলল, “তুমি তো গপ্পো লেখো। হিসেব আবার কী?”

    “ওই একই। গপ্পো শুনবে না বাজে কথা বলবে?”

    টুম্পু ঠোঁট দুটো চেপে তার ওপর ছোট্ট বুড়ো আঙুলটা চেপে ইশারা করল যে আর একটা কথাও সে বলবে না। পরমুহুর্তেই চুপিচুপি বলল, “দিতেকতিভ গপ্পো কিন্তু।”

    “শোনোই না।…ঘন জঙ্গুলে জায়গা। একটা থাবার বাড়ি অবশ্য আমাদের দিয়েছিল। বেশ ভাল পাকা বাড়ি। তিন খানা ঘর, রান্নাঘর, আর বাড়িটা ঘিরে চারদিকে টালির বারান্দা। তোমার জেন্না তখন নতুন বউ। কলকাতা থেকে এসেছে। পছন্দ হবে কেন? সব সময় বলত, কী বিচ্ছিরি, কী নোংরা! চারদিকে বিছে ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

    “কী বিছে, জ্যাজা?”

    “আর বলো কেন? ইয়া ইয়া কাঁকড়া বিছে। জঙ্গুলে জায়গা তো। আমি তো প্রায় সারাদিন আপিসে থাকতাম। তবুও সন্ধে হয় হয় নাগাদ যখন ফিরে আসতাম, দেখতাম তোমার জেন্না টুলে বসে চুলে চিরুনি দিতে দিতে ভুলে গিয়ে আকাশের দিকে চেয়ে আছে। আকাশে তখন সিনেমা লেগেছে—’।

    “তেকনিকলর?” টুম্পু জিগেস করল।

    “হ্যাঁ! ও রকম টেকনিকলার বোম্বাই কেন অ্যামেরিকাও পারবে না। আকাশে রং বদলাচ্ছে তো বদলাচ্ছেই। এই প্রখর নীল নীল। তার নীচে সবুজ বন ঝক ঝক করছে। হঠাৎ পশ্চিমে একটা গেরুয়া লাল আভা। নীচের বন জঙ্গলে পাতায় পাতায় একটু একটু লালচে আভা ঠিকরে যাচ্ছে। তারপর আকাশটা লিপস্টিক মেখে মিষ্টি মিষ্টি হেসে উঠল।”

    টুম্পুও হাততালি দিয়ে হেসে উঠল।

    “তারপর লালে লাল। আকাশ যেন কান্না কান্না চোখে রাঙা হয়ে উঠেছে। তার মাঝখান দিয়ে সবুজ এক ঝাঁক তিরের মতো টিয়া পাখির দল ঢেউ খেলিয়ে উড়ে গেল। দূর থেকে ভেসে আসছে ময়ূরের ক্যাঁ ক্যাঁয়া ডাক। তারপর বেগুনি, সবুজ আর কেমন যেন দুঃখু দুঃখু কালো।”

    দেখলাম টুম্পুর মুখটাতে যেন একটা বিষাদের ছায়া।

    “তোমার জেন্নাকে বললাম, চা করেছ? তোমার জেন্না বলল, যে নেহাল মালি আজ আসেনি৷”

    টুম্পু জিগেস করল, “নেহাল মালি কে, জ্যাজা?”

    “আমাদের বাড়িতে কাজ করত। ওদেশি লোক।

    “তোমার জেন্নাকে বললাম, দুধ কে দুইল? জেন্না বলল, আমি দুয়েছি।”

    টুম্পুর চোখটা গোলগোল হয়ে গেল, “জেন্না দুধ দুইতে পারে? বোতলে ক্যাপ লাগাবে কী করে?”

    হেসে উঠে বললাম, “তোমার জেন্নাকে জিগেস কোরো। যাই হোক, হঠাৎ তোমার জেন্না হইহই করে, ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।”

    “কী হল?”

    “আমার নথটা হারিয়ে গেছে।”

    “একটুখানি থ হয়েছিলাম। এটা সেই নথ যা আমার মা পরেছে, ঠাকুমা পরেছে, ঠাকুমার শাশুড়ি পরেছে। ওটা আমাদের পরিবারের বড়বউরা কত দিন থেকে পরে আসছে কে জানে? ভারী সোনার নথ, মুক্তো বসানো।”

    টুম্পু জিগেস করল, “নথ কী, জ্যাজা?” তারপরেই হাততালি দিয়ে বলে উঠল “বুঝেছি। বুঝেছি। নথ বিচ্ছিরি।”

    “নাকছাবি বুঝি ভাল?”

    টুম্পু বলল, “তুমি বড্ড বাজে কথা বলো, জ্যাজা। দিতেকতিভ কোথায়?”

    বললাম, “আসছে, আসবে। ওই নথটার মতো ওই রকম একটা আমার মা, মা-বাবার মা, তাঁদের মায়েদের পরা গয়না অমনি-অমনি হারিয়ে গেলেই হল নাকি? দামও খুব বেশি। কিন্তু দামের থেকেও বড় যে, নথটা আমাদের মায়েদের স্মৃতিচিহ্ন। পুলিশে খবর দিলাম। পুলিশ এসে তোমার জেন্নাকে জিগেস করল, ‘নথটা আপনার গয়নার বাক্স থেকে হারিয়েছে?’

    জেন্না বলল, ‘না তো।’

    ‘তা হলে হারাল কী করে?’

    ‘বড্ড ময়লা হয়েছিল গয়নাটা। তাই তেঁতুল জলে ধুয়ে ধুয়ে সাবান জলে পরিষ্কার করে মাটিতে রোদে শুকোতে দিয়েছিলাম।’…বলতে বলতে তোমার জেন্না লাফিয়ে উঠল, ‘ও মা!’

    পুলিশ ইনস্পেকটার দাঁড়িয়ে উঠল, ‘কী হল?’

    জেন্না বলল, ‘ওই যে!’

    মাটির ওপর দিয়ে কী বিচ্ছিরি একটা বড় কাঁকড়া হেঁটে যাচ্ছে। চব্বিশটা পা যেন হাজার পা মনে হচ্ছিল। আর দাড়া দুটো তার ডাইনে বাঁয়ে দুরন্ত, দুষ্টু, বিশ্রী, ভয়ংকরভাবে নড়ছে।”

    টুম্পু, রুদ্ধশ্বাসে শুনছিল “তারপরে জ্যাজা?”

    “বুট পরা পুলিশ ইনস্পেকটার সাহেব লাফিয়ে উঠে বুট দিয়ে মারলেন এক গোঁত্তা। তারপর আবার আবার। মনে হচ্ছিল কলির কেষ্ট যেন, ত্রিভঙ্গ হয়ে নাচছে।*

    “সেই কাঁকড়া বিছেটা মরল?”

    “দূর! সে তখন চব্বিশ পায়ে পালিয়েছে। যাই হোক, নাচানাচি থামার পর, ইনস্পেকটার সাহেব জিগেস করলেন—আচ্ছা! যখন নথটা রোদে দিলেন, তখন কে কে ছিল বাড়িতে?”

    তোমার জেন্না বলল, ‘কে আবার থাকবে? আমি আর যতসব কাঁকড়া বিছে। উনি তো মজা করে আপিসে বসে আছেন!’ তোমার জেন্নার যত রাগ তখন আমার ওপর, যেন নথটা আমিই হারিয়ে ফেলেছি।

    আমি থাকতে না পেরে বললাম, ‘ছিল ছিল। আকাশে টিয়ার ঝাঁক। মহুয়াগাছের মাথায় নীলকণ্ঠ পাখি। টেলিগ্রাফের তারে ল্যাজ নাড়া, সার সার ফিঙে পাখির দল আর আমাদের দেওয়ালের পেছনে দুটো ঘোঁতঘোঁতে সাদা শুয়োরের বাচ্চা।’

    ইনস্পেকটার সাহেব হো হো করে হেসে বললেন, ‘না না! তা বলছি না। মানুষজন তখন কে কে ছিল? জানেন তো এ দেশের লোক বড় গরিব। সোনাদানার লোভ সামলানো বড় শক্ত৷’

    তোমার জেন্না একটু ভেবে বলল, ‘তা সবাই দেখেছিল। ছিল নেহাল মালি আর আমাদের রামপিয়ারী ঝি। হ্যাঁ, সেই সময় মুনেশ্বর মুদিও চাল, ডাল, মশলা নিয়ে এসেছিল। সেই জন্যেই তো উঠে যেতে হয়েছিল।’

    ‘কাকে আপনার সন্দেহ হয়?’

    আমি বলে উঠলাম, ‘সব ব্যাটাকেই!’

    তোমার জেন্না ঝেঁঝে-মেঝে বলল, ‘অমন কথা বোলো না। মুখ খসে যাবে। ওদের মতো ভাল লোক হয় না।’

    ইনস্পেকটার বললেন, “আচ্ছা আমি সব সেকরাদের ওপর নজর রাখছি। এখানে চোরাই মাল বিক্রি করলেই ধরা পড়ে যাবে।”

    টুম্পু জিগেস করল, “জ্যাজা? ওই ইন্সপেকতরটা বুঝি দিতেকতিভ?”

    বললাম, “না, ডিটেকটিভ আমার রসোগোল্লা-মামা।”

    “তারপর জ্যাজা?”

    বলতেই লাগলাম, “রাত গভীর হয়ে এল। সেই জঙ্গুলে দেশে সন্ধের পরই রাত গভীর। জানলা দিয়ে দেখা যাচ্ছে শেয়ালে খাওয়া সিকি রুটির মতো একসিকে চাঁদ আকাশে ঝুলে আছে। আকাশ তারায় তারায় ছয়লাপ। তার নীচে জঙ্গলে কী গম্ভীর জঙ্গুলে অন্ধকার। কখনও কখনও মনে হত হঠাৎ যেন জঙ্গলের পাতায় পাতায় তারারা খসে পড়েছে। তোমার জেন্না বলত—দ্যাখো! দ্যাখো! কী সুন্দর জোনাকি জ্বলছে। হঠাৎ জঙ্গলের অদৃশ্য অন্ধকারের ভেতর থেকে হুঁড়ারের অট্টহাসি হুঃ! হুঃ! ক্ষক—খঃ খঃ…গম্ভীরা পাখির সাবধানি ডাক শোনা যেত। বন যেন থম থম করছে।

    “ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ঘুমের মধ্যেই কান দুটো হঠাৎ সজাগ হয়ে উঠল!…সিঁদ কাটছে? ক্ক-র-র, ক্রড়র শব্দ।

    টুম্পু বলল, “জ্যাজা, ভাল হবে না। ভয় দেখিয়ো না বলছি।”

    “তা হলে ডিটেকটিভ গল্প শুনবে কী করে?”

    “তারপর জ্যাজা?”

    “শব্দটা দেওয়ালের দিক থেকেই আসছিল। বালিশের পাশ থেকে টর্চটা তুলে নিয়ে শব্দটা টিপ করে আলো জ্বালতেই ঝকমকিয়ে চোখ ধাঁধিয়ে গেল। দেখি কী—

    একটা প্রকাণ্ড কাঁকড়া বিছে দাড়া নাড়তে নাড়তে পালাচ্ছে। সিগারেটের খালি প্যাকেটটা ছুড়ে দেওয়ালের ধারে ফেলেছিলাম। রামপিয়ারী তো সকালে ঘর ঝাঁট দেবেই। সেই খালি প্যাকেটের থেকে সিগারেট মোড়া রাংতা কাগজটা বেরিয়ে এসেছিল। তার ওপর টর্চের আলো পড়ে চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিল।

    নাঃ, কিছু নয়। বাইরে উঁচু নিচু পাহাড়ি জঙ্গলে প্রহর রাতে বনকাঁপানো, মনকাঁপানো শেয়াল ডাক শুনতে পেলাম—হুয়া! হুয়া! হ্যা, হ্যায় হ্যায় হ্যায়!

    ‘রসোগোল্লা আছে হ্যায়?’ আমার রসোগোল্লা-মামা দোকানে দোকানি মুনেশ্বরকে প্রশ্ন করল।

    আমার মামার ধারণা যে সে খুব ভাল হিন্দি বলতে পারে। বলত, ‘এই রসোগোল্লা, এত তোরা, বাজে বাজে কথা বলিস কেন বলত। হিন্দি ভাষাটা খুব সোজা। যা বলবার বলবি, শেষে একটা হ্যায় লাগিয়ে দিবি।”

    টুম্পু বলল, “জ্যাজা! তুমি বড্ড বাজে কথা বলো। কী সব যে বলছ বুঝতে পারছি না।”

    “ও হ্যাঁ তাই তো! তোমার রসোগোল্লা-দাদুকে মনে পড়ে?”

    টুম্পু একটু ভেবে বলল, “ওঃ তুমি গোঁফদাদুর কথা বলছ?”

    ‘হ্যাঁ। তোমাকে কী বলে ডাকে?”

    “বুঝেছি। বুঝেছি।” টুম্পু হেসে উঠল। “আমাকে ডাকে রসোগোল্লা-দিদি বলে, আর তোমাকে ডাকে রসোগোল্লা বলে। সেই, ছেই দাদুটাই তো? মুখে পাউদার পাফের মতো ঝ্যাঁটা ঝ্যাঁটা গোঁফ?”

    “ঠিক বলেছ। যে সময়ের গপ্পো বলছি—তোমার ওই গোঁফদাদু ঠিক একই রকম গোঁফফিয়াল ছিল। বড্ড রসোগোল্লা খেতে ভালবাসত। তাই কিছু ভাল লাগলেই নাম দিয়ে দিত রসোগোল্লা।”

    “গোঁফদাদু দিতেকতিভ?” টুম্পু অবিশ্বাসের সুরে জিগেস করল, “জ্যাজা তুমি বড় বাজে কথা বলো।”

    বললাম, “বেশ তো! কিছু বিশ্বাস কোরো না। কিন্তু গপ্পো শেষ তা হলে।”

    টুম্পুর মায়ের ডাক, “টুম্পু খাবে এসো।”

    “আমি জ্যাজার কাছে গপ্পো শুনছি। একটু পরে যাব।”

    বললাম, “শুনবে তা হলে? হ্যাঁ, আমার রসোগোল্লা-মামাকে আসতে বলেছিলাম। মানুষটি ভুঁড়িদার বেঁটেখাটো আর দেখবার মতো ঠোঁট চাপা ঝাঁপনো গোঁফ।

    আমার রসোগোল্লা-মামাকে সব ঘটনা বলেছিলাম। শুনে রসোগোল্লা-মামা বলল, ‘হুঁ! বউমা কাউকেও সন্দেহ করে না। আবার তুমি সকলকেই সন্দেহ করো। ও রকম করলেও হবে না। কার কার চুরির সুবিধে ছিল? আগে ধরো রামপিয়ারী ঝি।’

    তোমার জেন্না বলল, ‘রামপিয়ারীর নামে কিছু বললে আমার মুখ খসে যাবে, মামাবাবু।’

    ‘বাদ দাও! বাদ দাও’ রসোগোল্লা-মামা বলে উঠল, ‘তারপরে আসে নেহাল মালি—’

    ‘বাদ দিন! বাদ দিন।’ তোমার জেন্না বলে উঠল।

    ‘বলছ?’ রসোগোল্লা-মামা বলল, ‘তা হলে থাকে মুনেশ্বর মুদি। সে তো তখন ছিল?’

    তোমার জেন্না ঘাড় নাড়ল।

    ‘তা হলে তাকে তুমি সন্দেহ করবে না কেন? সে লোকটার নথটা মাটি থেকে তুলে নেওয়ার সুবিধে ছিল। লোকটা ব্যবসাদার। চুপি চুপি বিক্রি করে দেওয়ার সুবিধেও আছে।’

    তোমার জেন্না চুপ করে থেকে বলল, ‘মামাবাবু, এদেশের লোক বড় সৎ। ওরা, আমি দেখেছি কখনও চুরি করে না।’

    আমি রাগ করে বলেছিলাম, ‘তা হলে তোমার মতে আমিই চুরি করেছি বলো।’

    মামাবাবু ঊরু চাপড়ে বলে উঠল, ‘ঠিক ঠিক ওই রসোগোল্লা ব্যাটাই চোর।’ বলতে বলতে চেয়ার থেকে লাফিয়ে একদম খাটের ওপর, ‘ও বাব্বা, ওটা কী?’

    দেখি একটা মস্ত কাঁকড়া বিছে সড় সড় করে পালাচ্ছে।

    ‘কী জঙ্গুলের দেশ রে বাবা!’ রসোগোল্লা-মামা বলে উঠল, ‘কাঁকড়া বিছে না?’ বলতে বলতে রসোগোল্লা-মামা চেঁচিয়ে উঠল, ‘এই ব্যাটা রসোগোল্লা, হনুমান! নিয়ে আয়।’

    অবাক হয়ে জিগেস করলাম, ‘কী আনব মামাবাবু?’

    ‘ইয়ার্কি হচ্ছে না? রসোগোল্লা আর কী! দেখতে পাচ্ছিস না? ওই-তো শালপাতার দোনা পড়ে আছে। ওতে চিনির কুচি চিকচিক করছে।’

    তোমার জেন্না বলল, ‘এ মা! শালপাতার দোনাটা তো ফেলে দিয়েছিলুম।’

    বললাম, ‘তোমার জন্যেই তো এনেছি মামাবাবু। কিন্তু এখানে রসোগোল্লা পাওয়া যায় না। পান্তুয়াও না। ছানার কোনও জিনিস এখানে পাওয়া যায় না।’

    ‘যায় না?’ রসোগোল্লা মামার চোখে যেন দুঃখু দুঃখু ভাব এসে গেল।

    ‘ক্ষীরের গোলাব-জামুন খেয়ে দ্যাখো না!’

    রসোগোল্লা-মামা বলে উঠল, ‘হুঁ গোলাপ জাম! তাও আবার ক্ষীরের! সোনার পাথর বাটি! নিয়ে এসো তো বউমা এক দোনা।’

    সেই রসোগাল্লা-মামা মুনেশ্বরের দোকানে।

    ‘রসোগোল্লা আছে হ্যায়?’

    মুনেশ্বর বলল, ‘রসউল্লা? ইঁহা কঁহা?’

    টুম্পুর ধমক খেলাম, “জ্যাজা! আবার বাজে কথা!”

    “থুড়ি ভুল হয়ে গেছে। মুনেশ্বর বলেছিল— রসোগোল্লা এখানে কোথায় পাবেন? বঙ্গালিবাবুরা দুধ কাটে, মাছি খায়! দুধ কাটলে আমাদের পাপ হয়।”

    টুম্পু রেগেমেগে বলল, “কখনও আমরা মাছি খাই না, আর দুধ আবার কাটা যায় নাকি?”

    “শোনো না। হঠাৎ দেখলাম রসোগোল্লা-মামা যেন সোজা হয়ে আরও জোয়ান হয়ে গেল। বেশ একটু কড়া গলায় যেন জিগেস করল, ‘তোমার এখানে সোনার নথ পাওয়া যায় হ্যায়?’ সোনা আর নথ কথা দুটো মুনেশ্বর বুঝেছিল। কেমন যেন চোরের মতো করুণ সুরে বলল, ‘নহী নহী!’

    রসোগোল্লা-মামা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তার দিকে চেয়ে বলল, ‘তবে তো তোমার এখানে কিছু পাওয়া যায় না হ্যায়। আসল দুটো জিনিসই পাওয়া যায় না হ্যায়।’

    ফিরে যেতে যেতে বলেছিলাম, ‘দেখলে মামাবাবু, কেমন চোরের মতো মুখ ঘুরিয়ে উত্তর দিল?’

    ‘হুঁ! ইনস্পেকটারকে একটু নজর রাখতে বলিস।’

    দু’দিন পরে।

    দুপুরে আপিস থেকে খাওয়ার ছুটিতে এসে তোমার জেন্নাকে জিগেস করলাম, ‘রসোগোল্লা-মামা কোথায় গেল?’

    তোমার জেন্না বলল, ‘দ্যাঁখো তো ঘুঁটের ঘরে। মাথায় পোকা ঢুকেছে। পোকার পরীক্ষা হচ্ছে।’

    আমাদের বাগানে একটা ঘুঁটের ঘর ছিল। গিয়ে দেখি রসোগোল্লা-মামা একটা উঁচু টুলে বসে চকচকে সিকি একটা একটা করে বাতাসার মতো ফেলছে।

    ‘কী করছ মামাবাবু?’

    রসোগোল্লা-মামা বলল, ‘চুপ চুপ! আয় এই টুলটায় বোস।’

    বেলা দুপুর। ঘুঁটে ঘরের মেঝেময় চকচকে সিকি ছড়ানো। বাইরে ঝিমঝিম। একটা কুককুকে পাখি ডেকেই চলেছে—কুক কুক কুক!

    হঠাৎ কুককুকে পাখির ডাকটা থেমে গেল। একটা চিলের চিৎকার। তারপর গম্ভীরা পাখির সাবধানি সংকেত। হুঁড়ারের ডাক ভেসে আসছে। হুড় হুড় পালানোর শব্দ। বাঘ বেরিয়েছে জঙ্গলে?

    ‘কী রে, দিন দুপুরে প্যাঁচার মতো গোমড়া হয়ে বসে আছিস কেন?’ রসোগোল্লা-মামা বলল।

    ‘বা রে! তুমিই তো কথা বলতে মানা করলে।’

    কে যেন হুড় হুড় করে ছুটে গেল। পায়ের আওয়াজটা ঠিক নেহাল মালির মতো।

    হঠাৎ দেখি ঘুঁটে ঘরের মেঝেয় সেই ধেড়ে কাঁকড়া বিছেটা দাড়া উঁচিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। রসোগোল্লা-মামা বলল, ‘চুপ করে বসে দেখ।’

    আর বসে বসে অবাক হয়ে দেখলাম, বিছেটা একটা চকচকে সিকি দুই দাড়ায় তুলে খুর খুর করে নিয়ে ঘুঁটের গাদায় মিলিয়ে গেল।

    চুপ করে বসে আছি। একবার রোদ মিলিয়ে গেল। আবার উঠল রোদ। চকচকে সিকিগুলো ঝকমকিয়ে উঠল। আবার এল বিছেটা। আবার একটা সিকি দাড়ায় করে নিয়ে খুর খুর করে মিলিয়ে যেতে লাগল।

    লাফিয়ে নামল রসোগোল্লা-মামা।

    এক লাথিতে ঘুঁটের একটা স্তূপ সরে গেল। তলায় বেশ একটা বড় গর্ত। দুটো দাড়া তখনও আঁকু পাঁকু করছে।

    সেই গর্তটা থেকে কী না বেরোল। সিগারেটের রাংতা, টিনের কুচি, চকচকে সিকি। সবই চকচকে। আর সেখানেই ছিল তোমার জেন্নার নথ।”

    “জ্যাজা, তা হলে কে চুরি করেছিল?”

    “ওই কাঁকড়া বিছেটা আর কে?”

    টুম্পু অবিশ্বাস্য গলায় বলল, “যা!”

    বললাম, “রসোগোল্লা-মামাবাবু বলেছিল যে অনেক কীটপতঙ্গকে চকচকে জিনিস ভয়ানক টানে। কীটপতঙ্গ, পোকাদের মধ্যে চোর থাকতে পারে। কাঁকড়া বিছেদের মধ্যেও।”

    টুম্পু জিগেস করল, “জ্যাজা, নেহাল মালি দৌড়োচ্ছিল কেন?”

    “বাঘের ডাক শোনা গিয়েছিল কিনা তাই গোরু সামলাতে যাচ্ছিল।”

    টুম্পু চলে যাচ্ছিল।

    “টুম্পু”, ডাকলাম, “বলে গেলে না তো—জ্যাজাটা বড় বাজে কথা বলে?”

    “বলেই তো।”

    টুম্পু চলে গেল।

    ১৩৭৯

    অলংকরণ পূর্ণেন্দু পত্রী

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }