Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প847 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জ্যান্ত খেলনা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    জ্যান্ত খেলনা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বারান্দায় বসে গল্প করছিল সবাই, এমন সময় দীপু ছুটতে ছুটতে সেখানে এল। তার হাতে একটা শুকনো গাছের ডাল। দীপুর মুখ চোখ উৎসাহে জ্বলজ্বল করছে। যেন সে হঠাৎ আবিষ্কার করেছে একটা নতুন কিছু।

    শুকনো ডালটা উঁচু করে তুলে সে চেঁচিয়ে বলল, মা, দ্যাখো, কী সুন্দর একটা জিনিস পেয়েছি।

    বড়রা গল্প থামিয়ে তাকাল দীপুর দিকে। তার হাতে শুধুই একটা শুকনো গাছের ডাল। সুন্দর কিছু না।

    মা বললেন, দীপু, তুই আবার একলা একলা বাগানে গিয়েছিলি?

    বাবা বললেন, সেই জন্যই অনেকক্ষণ দীপুকে দেখতে পাইনি!

    বাড়ির পেছনেই বেশ বড় বাগান! বাগান মানে অবশ্য শুধু ফুলগাছের বাগান নয়। বড় বড় আমগাছ আর নারকোলগাছে ঘেরা অনেকখানি জায়গা। আরও অনেক রকম গাছ আছে। কেউ যত্ন করে না। আগাছা জন্মে গেছে মাটিতে। বাগানের মধ্যে একটা পুকুরও আছে, সেটাও কচুরি পানায় ভর্তি।

    দীপুর বড়মামাদের এই গ্রামের বাড়িতে এখন আর বিশেষ কেউ থাকে না। এবার দীপুরা সবাই বেড়াতে এসেছে।

    বড়মামা বললেন, ও বাগানে খেলুক না। ভয় তো কিছু নেই।

    মা বললেন, যদি সাপ টাপ থাকে!

    বড়মামা বললেন, তোর কী বুদ্ধি! শীতকালে বুঝি সাপ বেরোয়?

    মা তবু নিশ্চিন্ত হতে পারলেন না। বললেন, তা হোক। এই দুপুরবেলা বাগানে একলা একলা থাকা ভাল নয়। একটা পুকুর আছে, যদি পড়ে টড়ে যায়।

    দীপু তাড়াতাড়ি বলল, না, আমি পুকুরের কাছে যাইনি।

    বাবার বন্ধু অমলকাকু এক পাশে বসে চুরুট টানছিলেন। তিনি বললেন, দীপু, তুমি কী সুন্দর জিনিস এনেছ?

    দীপু গাছের ডালটা এগিয়ে দিয়ে বলল, দেখুন অমলকাকু, এটা খুব সুন্দর না? আমি আগে আর এরকম একটাও পাইনি!

    বাবা বললেন, এটার মধ্যে আবার সুন্দর কী আছে?

    একটা এক হাত প্রায় লম্বা আমগাছের ডাল। ওপরের দিকে কয়েকটা শুকনো পাতা তখনও আছে, মাঝখান দিয়ে আবার দু’দিকে দুটো শুকনো ডাল বেরিয়েছে।

    দীপু বলল, দেখুন, দেখুন, এটা ঠিক মানুষের মতন দেখতে না?

    অমলকাকু বললেন, তাই নাকি?

    দীপু জোর দিয়ে বলল, দেখতে পাচ্ছেন না? অবিকল ছোটমামার মতন!

    সবাই হো-হো করে হেসে উঠল এক সঙ্গে। শুধু দীপুর ছোটমামা হাসতে পারলেন না! ছোটমামার চেহারাটা রোগা আর লম্বা, মাঝে মাঝে ওপরের দিকে হাত তুলে আড়মোড়া ভাঙেন। তাঁর চেহারা সম্পর্কে কেউ ঠাট্টা করলে তিনি রেগে যান।

    অমলকাকু হাসতে হাসতে বললেন, ঠিকই বলেছে কিন্তু! এ ছেলে দেখছি বড় হলে নির্ঘাৎ আর্টিস্ট হবে!

    মা বললেন, আর্টিস্ট হবে না ছাই! এই এক অদ্ভুত খেলা আছে ছেলেটার!

    অমলকাকু ছোটমামাকে আরও রাগাবার জন্য বললেন, কিন্তু যাই বলো তোমরা, আমি কিন্তু খুব মিল দেখতে পাচ্ছি।

    ছোটমামা মনের ভুলে ঠিক সেই সময়েই আড়মোড়া ভাঙার জন্য হাত দুটো উঁচু করলেন। সবাই হেসে উঠল আবার!

    দীপু বলল, মা, আমি কিন্তু এটা নিয়ে যাব বাড়িতে!

    আর কিছু না বলে দীপু লাফাতে লাফাতে চলে গেল তার ঘরের দিকে।

    মা বললেন, ছেলেটা যত রাজ্যের জঞ্জাল এনে জমাচ্ছে ঘরে। এই সব নাকি আবার নিয়ে যেতে হবে!

    বাবা বললেন, কালকে একটা কাঠের টুকরো কুড়িয়ে এনে বলেছিল সেটাকে নাকি দেখতে একেবারে জগন্নাথের মতন।

    অমলকাকু বললেন, ভুল তো বলেনি তা হলে। দারু ভূতে মুরারি।

    মা বললেন, কেন, সেই যে আর একটা কঞ্চি এনে একবার বলেছিল সেটা ওর ঠাকুমা!

    এই সব গল্প করতে করতে বড়রা আবার বড়দের গল্পে ফিরে গেলেন।

    আর কোনও ছোট ছেলে মেয়ে নেই বলে এখানে দীপুকে খেলা করতে হয় একলা একলা। মা বারণ করলেও সে টুক টুক করে লুকিয়ে চলে যায় বাগানে। সে যে পুকুরটার কাছে নেমে একবার জলে পা দিয়ে এসেছে, মা সে কথাও জানেন না।

    বাগানটা খুব ঠান্ডা। এত সব বড় বড় গাছ, তাদের ডালে পাতায় হাওয়ায় লেগে লেগে কত রকম সব মিষ্টি মিষ্টি শব্দ হয়। দীপুর মনে হয়, গাছগুলো সব যেন বেশ মানুষ, সবাই তাকে দেখছে। পাতা দুলিয়ে দুলিয়ে কী যেন কথা বলতে চাইছে তার সঙ্গে। অনেক রকম পাখিও আছে এখানে। পাখিদের সঙ্গে গাছেদের খুব ভাব, কক্ষনও ওরা ঝগড়া করে না। পাখিগুলো সব সময় ব্যস্ত। হয় ফুরুৎ ফুরুৎ করে উড়ছে কিংবা বসে বসে ডাকছে। একটা পাখি অনেকক্ষণ ধরে কুং কুং কুং করে ডাকে, সেটাকে কিছুতেই দেখতে পাওয়া যায় না।

    সবচেয়ে বড় আমগাছটার নীচে দুটো ছোট্ট গাছ। দীপুরই সমান লম্বা। দীপু ওদের নাম দিয়েছে অরিজিৎ আর সুমন্ত্র। ওই নামে দীপুর ইস্কুলের দু’জন বন্ধু আছে। গাছ দুটোকে দীপু ওই নাম দিয়ে দীপু ওদের সঙ্গে নিশ্চিন্তে খেলা করে।

    দীপু বলে, জানিস ভাই, আমি টিনটিনের বইগুলো আনতে ভুলে গেছি। তোরা কি টিনটিনের নতুন বই পেয়েছিস? আমাকে দিবি তো?

    গাছগুলো হাওয়ায় দোলে। ঠিক যেন মাথা নাড়াচ্ছে।

    দীপু আবার বলে, কাল রাত্তিরে হঠাৎ আমার ঘুম ভেঙে গেল, আর শুনলুম কীসের যেন একটা শব্দ হচ্ছে বাইরে। আমি মাকে ডাকিনি, বাবাকেও ডাকিনি। ভাবলুম কী, নিজেই একলা একলা বাইরে গিয়ে দেখব। একটুও ভয় পাইনি, সত্যি! যেই খাট থেকে নেমেছি, অমনি শব্দটা থেমে গেল। জানলা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখি, একটা বেড়াল! আমাকে দেখেই পালাল। ওটা কিন্তু আসলে বেড়াল নয়। নিশ্চয়ই মিশমিদের সর্দার এসেছিল, সেই যে যে ইচ্ছে করলেই অন্যরকম চেহারা নিতে পারে— আমাকে দেখেই বেড়াল হয়ে গেল, বুঝলি?

    এই রকম গল্প করতে করতেই দীপুর সময় কেটে যায়। মাঝে মাঝে দু’-একটা প্রজাপতি এসে বসে সেই ছোট গাছ দুটোতে। তখন দীপু কথা থামিয়ে সেই দিকে চেয়ে থাকে। একটা প্রজাপতির নাম সে দিয়েছে বুবাই। ওটা তার মাসতুতো বোনের নাম।

    একবার দীপু দেখল অরিজিৎ নামের গাছটার গা বেয়ে বেয়ে একটা শুঁয়োপোকা উঠছে। দীপু খুব রেগে গেল সেটা দেখে। সে ধমক দিয়ে বলল, এই, তুমি আমার বন্ধুর গায়ে উঠছ কেন? শিগগির নামো!

    শুঁয়োপোকাটা এমন পাজি যে কোনও কথাই শোনে না।

    দীপু তখন একটা কাঠি দিয়ে খুঁচিয়ে সেটাকে মাটিতে ফেলে দেয়। শুঁয়োপোকাটার নাম দেয় সে কুম্ভকর্ণ, তারপর অনেকক্ষণ ধরে সেটার সঙ্গে লড়াই করে। সেটাকে হারিয়ে দিয়ে দীপু আবার বাড়িতে ফিরে আসে মাকে খবরটা জানাবার জন্য।

    দীপুর মামাবাড়ির গ্রামের খুব কাছেই বক্রেশ্বর। সেখানে গরম জলের ফোয়ারা আছে। পরের দিন সবাই সেখানে বেড়াতে যাবে। দীপু যেতে চায় না। তার বেশি ভাল লাগে ওই বাগানে খেলা করতে। কিন্তু দীপুকে একা রেখে যেতে মা রাজি হলেন না। দীপুকে যেতেই হল। গিয়ে অবশ্য একটা লাভ হল। সেখানে দীপু একটা পাথরের টুকরো পেয়ে গেল, সেটাকে দেখতে একদম সুতপামাসির মতন। ঠিক সেই রকম হাসি হাসি মুখ। পাথরটা সঙ্গে করে নিয়ে এল দীপু।

    সাত দিন কেটে যাবার পর, এবার কলকাতায় ফিরতে হবে। বাবার আপিসের আর ছুটি নেই। ফেরা হবে বড়মামার গাড়িতে। মালপত্তরে একেবারে বোঝাই হয়ে গেছে গাড়ি। সবাই এক বস্তা করে নারকোল নিয়েছে। তার ওপরে আবার ঝুড়ি ঝুড়ি পাটালি গুড়। এর ওপর আছে আবার দীপুর নিজের জিনিস। সাতটা গাছের ডাল, তিনটে কঞ্চি আর চারখানা পাথরের টুকরো। বড়দের সব জিনিসপত্তর ঠিক ঠিক তোলা হল, শুধু দীপুর জিনিসগুলো নেবার বেলাতেই গাড়িতে জায়গা কম পড়ে যায়।

    বাবা বললেন, এই সব আজেবাজে জিনিসগুলো নিয়ে কী করবি! ওগুলো ফেলে দে!

    দীপু কিছুতেই রাজি নয়। এগুলো তার খেলার জিনিস, সে কিছুতেই ফেলে যাবে না।

    দীপু প্রায় কেঁদে ফেলছে দেখে মা বললেন, যাক গে, নিতে চাইছে যখন নিয়ে যাক!

    গাছের ডালগুলো রাখা হল গাড়ির মাথায় ক্যারিয়ারে, বিছানাপত্তরের পাশে। পাথরগুলো দীপু নিজের পায়ের কাছে রাখল।

    দীপুর ছোটমামা শুধু থেকে গেলেন, তিনি আর ক’দিন পরে একা ফিরবেন। আর সবাই উঠে পড়ল গাড়িতে। অমলকাকু বসেছেন দীপুর ঠিক পাশেই। পাথরগুলোতে পা লাগায় অমলকাকু জিজ্ঞেস করলেন, এই পাথরগুলো নিয়ে গিয়ে কী হবে দীপু? এরকম পাথর তো সব জায়গাতেই পাওয়া যায়!

    দীপু বলল, না, মোটেই না। এই দেখুন না, এই পাথরটাকে দেখতে ঠিক ক্যাপ্টেন হ্যাডকের মতন।

    অমলকাকু জিজ্ঞেস করলেন, ক্যাপটেন হ্যাডক কে?

    দীপু বলল, সে আছে একজন আমার গল্পের বইতে।

    অমলকাকু আর একটা পাথর তুলে নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আর এইটা?

    এটা তো সুতপামাসি!

    তাই নাকি? তা হলে ওটা?

    দীপু মুচকি হেসে বলল, অমলকাকু আপনার মতন দেখতেও একটা পাথর পেয়েছি!

    অমলকাকু আগ্রহের সঙ্গে বললেন, তাই নাকি? কই দেখি দেখি!

    দীপু একটা বিশ্রী দেখতে পাথর তুলে দিল। অমলকাকু. হাসতে হাসতে বললেন, আরে, তাই তো, এটা তো ঠিক আমার মতন অবিকল দেখতে।

    সবাই দারুণ হাসতে লাগল। বড়মামা গাড়ি চালাতে চালাতে এমন হাসতে লাগলেন যে আর একটু হলে গাড়িটা রাস্তার পাশে গড়িয়ে যেত। কেউই কিন্তু পাথরটার সঙ্গে অমলকাকুর মুখের কোনও মিল খুঁজে পাচ্ছে না!

    বাবা বললেন, ছেলেটা একেবারে পাগল। কী যে ওর খেলা!

    অমলকাকু বললেন, না, না, পাগল কেন হবে? আর্টিস্টস এরকম অনেক কিছু দেখতে পায়, আমরা সাধারণ লোকরা তা পাই না!

    বেশ কিছুক্ষণ গাড়ি চলার পর অমলকাকুর চা খেতে ইচ্ছে হল। গাড়ি থামানো হল সেইজন্য। চায়ের দোকানের কাছে সবাই গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াল। অন্যদের হাতে চায়ের কাপ, দীপু নিয়েছে বোতলের শরবত।

    সেখানে একজন মেয়ে কতকগুলো বড় বড় রং করা বেতের ঝুড়ি বিক্রি করছিল। অমনি মায়ের একটা পছন্দ হয়ে গেল। যে-কোনও জায়গা থেকে জিনিস কেনা মায়ের স্বভাব।

    কিন্তু অতবড় ঝুড়িটা নেওয়া হবে কোথায়? গাড়ির মাথাতেই বেঁধে নিতে হবে। বাবা আর অমলকাকু সেটা বাঁধাবাঁধি করছেন, হঠাৎ দীপু চিৎকার করে ছুটে এসে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল একী, কী করলে? ছোটমামার হাতটা যে ভেঙে গেল!

    সবাই অবাক হয়ে থমকে গেল। চায়ের দোকানের লোকগুলো পর্যন্ত অবাক হয়ে তাকিয়েছে।

    তারপরই বোঝা গেল ব্যাপারটা। ঝুড়িটা রাখতে গিয়ে ঠেলাঠেলিতে দীপুর একটা গাছের ডাল খানিকটা ভেঙে গেছে!

    বাবা আর অমলকাকু ব্যাপারটা বুঝতে পেরে হাসছিলেন, কিন্তু দীপু কাঁদতে লাগল। কেন তার খেলনা ভেঙে দেওয়া হল! অমলকাকু বললেন ঠিক আছে, রাস্তায় যেতে যেতে আর একটা ডাল কুড়িয়ে নিলেই তো হবে। কিন্তু দীপু সেকথা শোনে না। সে তো যে-কোনও গাছের ডাল নেয় না। এই ডালটা ঠিক ছোটমামার মতন ছিল, এটার কেন হাত ভাঙল, ঠিক এই রকম একটা তার আবার চাই।

    বাবা শেষ পর্যন্ত বিরক্ত হয়ে এক ধমক দিয়ে বললেন, তুমি বড্ড বিরক্ত করছ। ওই রকম করলে সব ক’টা ফেলে দেব। যাও, চুপ করে গাড়িতে বসে থাকো!

    দীপু গাড়িতে গিয়ে মুখ নিচু করে বসে রইল। সারাটা রাস্তা আর কারুর সঙ্গে কথা বলল না।

    কলকাতায় ফিরে আবার সব ঠিক হয়ে গেল। দীপু তার খেলনাগুলো সাজিয়ে রেখেছে নিজের ঘরে। তার স্কুল খুলতে এখনও কয়েকদিন দেরি আছে। খেলনার গাছের ডাল, পাথর, রাংতা কাগজ কিংবা পাখির পালক—এই সব কিছুই যেন তার চোখে জ্যান্ত। সে প্রত্যেককে একটা কিছু নাম দিয়ে এদের সঙ্গে কথা বলে। এদের মধ্যে আছে নানান চেনাশুনো আত্মীয় স্বজন, স্কুলের বন্ধু, জগন্নাথ, নেপোলিয়ান, ক্যাপ্টেন হ্যাডক, অরণ্যদেব, ভীম, অর্জুন, এই সব। দীপু অনেক সময় আপন মনে এদের সঙ্গে এত জোরে জোরে কথা বলে যে পাশের ঘর থেকে মা পর্যন্ত চমকে ওঠেন।

    দুপুরবেলা মা শুনতে পেলেন, দীপু বলছে, বাবা, তুমি সিগারেট খাবে? দেশলাই এনে দেব?

    দীপু যেন সত্যিই তার বাবার সঙ্গে কথা বলছে। মা চমকে উঠে এ ঘরে এসে বললেন, কার সঙ্গে কথা বলছিস? তোর বাবা কোথায়? অফিস থেকে ফিরেছে নাকি?

    দীপু আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলল, ওই তো বাবা!

    মা দেখলেন, একটা পুরনো ব্যাডমিন্টনের র‍্যাকেটের জালের ফাঁকে কাগজ পাকিয়ে সিগারেটের মতন আটকে রেখেছে দীপু। সেইটাকেই বাবা বলছে।

    মা আজ আর রাগ করলেন না। হাসলেন। তারপর বললেন, তোকে নিয়ে আর পারি না! আচ্ছা, তোর আর কোন কোন খেলনা কার মতন দেখতে, শুনি তো!

    দীপু পর পর সব ক’টা শুনিয়ে গেল। এমনকী সেই ভাঙা ডালটাও সে এখনও ফেলেনি। মা সবচেয়ে বেশি হাসলেন একটা কালো পাথরের নাম সুতপামাসি শুনে। সুতপামাসির গায়ের রং দারুণ ফরসা।

    তারপর মা জিজ্ঞেস করলেন, আমার মতন দেখতে কোনটা রে? আমি কোনটা?

    দীপু মাকে জড়িয়ে ধরে বলল, তোমার মতন দেখতে একটাও পাই না মা। কত খুঁজেছি, তবুও পাই না।

    সেদিন বিকেলবেলা বাবা অফিস থেকে ফিরে গম্ভীরভাবে মাকে বললেন, তোমার দাদা ফোন করেছিলেন, একটা খারাপ খবর আছে।

    মা ব্যস্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী খবর? কী হয়েছে?

    বাবা বললেন, অনন্তপুর থেকে খবর এসেছে, কেষ্টর একটা অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে।

    অনন্তপুর গ্রামেই দীপুরা বেড়াতে গিয়েছিল। আর কেষ্ট হচ্ছে ছোটমামার ডাকনাম। তিনি ওই গ্রামেই থেকে গিয়েছিলেন।

    মা চোখ মুখে ভয় ফুটিয়ে বললেন, কী হয়েছে কেষ্টর?

    বাবা বললেন, কেষ্ট গাছ থেকে পড়ে গেছে। ওই রোগা চেহারা নিয়ে কেষ্ট জোর করে একটা নারকোলগাছে উঠেছিল। নারকোলগাছে কি আর যে সে উঠতে পারে। অনেক উঁচু থেকে পড়ে গেছে শুনলাম।

    কোথায় লেগেছে?

    খুব জোর বেঁচে গেছে। মাথায় কিছু হয়নি। কিন্তু একটা হাতে খুব জোর চোট লেগেছে। কালকেই নিয়ে আসা হচ্ছে কলকাতায়।

    তারপর এই নিয়ে অনেক কথা হল। মা সারা সন্ধে চিন্তা করতে লাগলেন তার ভাই সম্পর্কে। শুধু চিন্তা নয়, তার মনের মধ্যে একটা খটকা লেগে রইল। কী রকম যেন একটা অস্বস্তি।

    মা এসে একবার দীপুর ঘরের দরজার সামনে দাঁড়ালেন। দীপু তখনও একমনে কথা বলে যাচ্ছে তার খেলনাদের সঙ্গে। সে তখন কর্ণ সেজে যুদ্ধ করছে অর্জুনের সঙ্গে। মা দূর থেকে দাঁড়িয়ে একটুক্ষণ দেখলেন। কিছু একটা বলি বলি করেও বললেন না। একবার তাকালেন সেই ভাঙা ডালটার দিকে। তাঁর ভুরু কুঁচকে রইল অনেকক্ষণ।

    এর তিন দিন বাদে, দীপু স্নান করছে দুপুরবেলা, মা রান্নাঘরে, বাড়ির ঝি সব ঘর দোর মুছছে, এমন সময় দীপুর পড়ার ঘর থেকে দড়াম করে একটা শব্দ হল।

    বাথরুম থেকেই সেই শব্দ শুনতে পেয়ে দীপু চেঁচিয়ে উঠল, কী হল? কী ভাঙল?

    কোনও উত্তর না পেয়ে দীপু ভিজে গায়েই ছুটে এল নিজের ঘরে। এসে দেখল, বাড়ির ঝি দু’ টুকরো ভাঙা পাথর হাতে নিয়ে বোকার মতন দাঁড়িয়ে আছে।

    দীপু চিৎকার করে বলল, রাধামাসি, তুমি আমার খেলনা ভেঙে ফেললে?

    রাধামাসি বলল, কী জানি বাবা! মা বললেন ঘরটা মুছে দিতে। এই পাথরটা মেঝে থেকে টেবিলের ওপর তুলে রাখতে যাচ্ছিলাম, আপনি আপনি কী রকম পড়ে ভেঙে গেল।

    দীপু কান্না মেশানো অভিযোগের সঙ্গে বলল, আপনি আপনি আবার কিছু পড়ে যায় নাকি!

    মা রান্নাঘর থেকে এসে জিজ্ঞেস করলেন, কী হয়েছে? কী হয়েছে?

    দীপু বলল, দ্যাখো না মা! ঠাকুমাকে দু’ টুকরো করে দিয়েছে।

    মা একটু কেঁপে উঠলেন। তারপর বললেন, এসব আবার কী অলুক্ষণে কথা! চুপ কর।

    দীপু তবু বলল, তোমরা কেন আমার সব খেলনা ভেঙে দেবে!

    মা হঠাৎ রাধামাসিকে খুব বকতে লাগলেন। একটু দেখে শুনে কাজ করতে পারো না? সব সময়ই তো এটা ভাঙছ, সেটা ভাঙছ।

    রাধামাসি গজগজ করে উঠে বলল, একটা সামান্য পাথর, তা-ও আপনা আপনি পড়ে গেল টেবিল থেকে—তাতেও আমার দোষ বলো!

    সেইদিনই সন্ধেবেলা এলাহাবাদ থেকে টেলিগ্রাম এল। দীপুর ঠাকুমা হঠাৎ মারা গেছেন।

    এলাহাবাদে দীপুর জ্যাঠামশাইরা থাকেন। ঠাকুমাও কয়েকমাস আগে সেখানে গিয়েছিলেন।

    টেলিগ্রামটা পেয়ে বাবা ধপ করে বসে পড়লেন। কান্না কান্না গলায় বললেন, সামনের সপ্তাহেই মাকে নিয়ে আসব ভেবেছিলাম। মায়ের সঙ্গে আর দেখা হল না!

    এই সময় মা এত জোরে কেঁদে উঠলেন যে বাবা পর্যন্ত চমকে উঠলেন। তারপর বাবা উঠে এসে মায়ের পিঠে হাত রেখে বললেন, তুমি অত ভেঙে পোড়ো না। আমার বাক্স গুছিয়ে দাও। আমি আজই রাত্রের ট্রেনে এলাহাবাদ রওনা হব।

    মা বাবার হাত চেপে ধরে বললেন, আমার ভয় করছে! আমার ভীষণ ভয় করছে।

    বাবা বললেন, ভয় কী! কয়েকটা দিন তুমি একা থাকতে পারবে না?

    মা বললেন, সে জন্য না! তোমার মনে আছে, দীপুর খেলনা সেই গাছের ডালটা যখন ভেঙেছিল, তখন দীপু কী বলেছিল?

    কী বলেছিল?

    তোমার মনে নেই? দীপু বলেছিল, ছোটমামার হাত ভেঙে গেল যে! তারপর সত্যি সত্যি কেষ্টর হাত ভাঙল। তারপর আজই দুপুরে, ও যে খেলনাটাকে ঠাকুমা বলে সেটাকে ঝি ভেঙে দিয়েছে!

    বাবা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দু-এক মিনিট চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন। তারপর বললেন, যাঃ, এসব কী। বলছ! এ আবার হয় নাকি!

    মা ব্যাকুলভাবে বললেন, সত্যি যে মিলে যাচ্ছে। বাবা বললেন, মিললেই বা কী হয়েছে। একে বলে কাকতালীয়। এই থেকেই মানুষের কুসংস্কার জন্মায়।

    বাবা চলে গেলেন এলাহাবাদ। এই কদিন মা দীপুকে সব সময় চোখে চোখে রাখলেন। তাকে আর বেশি খেলতে দেন না। সব সময় নিজের কাছে এনে জোর করে পড়তে বসান।

    বাবা এলাহাবাদ থেকে ফিরে এলেন ক’দিন বাদেই। মাথা ন্যাড়া করেছেন। অফিস থেকে ছুটি নিয়েছেন আরও কয়েকদিন। দুপুরবেলা বাড়িতেই থাকেন। দীপুর ইস্কুল খুলে গেছে।

    বাবা ঠাকুমার একটা ছবি বাঁধিয়ে এনেছেন সেদিন সকালে। ছবিটা তাঁর শোওয়ার ঘরের দেওয়ালে টাঙাবেন। পেরেক ঠোকার জন্য একটা শক্ত কিছু দরকার। বাড়িতে হাতুড়ি টাতুড়ি নেই। বাবা এ ঘর সে ঘর খুঁজতে খুঁজতে দীপুর পড়ার ঘর থেকে একটা বড় পাথর পেয়ে গেলেন। এটাতেই কাজ চলবে।

    বাবা পেরেকটা ঠুকছেন, এমন সময় মা দৌড়ে এসে বললেন, একী, তুমি একী করছ! ওটা রেখে দাও!

    বাবা বুঝতে না পেরে জিজ্ঞেস করলেন, কেন, কী হয়েছে?

    তুমি দীপুর খেলনা নিয়েছ!

    তাতে কী হয়েছে? পাথর দিয়ে পেরেক ঠুকতে পারব না।

    ও খুব ভালবাসে খেলনাগুলো। এটাকে যে ও অমলকাকু বলে!

    পেরেকটা তখন ঠোকা হয়ে গেছে। বাবা বললেন, ঠিক আছে, আমি রেখে দিচ্ছি। আবার ঠিক জায়গায় রেখে দিলেই তো হল। পাথর তো আর ক্ষয়ে যায়নি!

    মা বাবার হাত থেকে পাথরটা নিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখলেন। তারপর বললেন, এই দ্যাখো, মাঝখানটা কী রকম খুবলে গেছে!

    বাবা বললেন, মাঝখানটায় একটা চলটা উঠে গেছে শুধু। ও দীপু কিছু বুঝতে পারবে না। যাও, পাথরটা রেখে এসো।

    মা তবু সেটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তারপর আস্তে আস্তে বললেন, অনেকদিন অমলের কোনও খবর নেই। এ বাড়িতেও আসেনি।

    বাবা বললেন, হুঁ, বেশ কিছুদিন অমলের পাত্তা নেই বটে। আমিও এলাহাবাদে ছিলাম। এসেও খোঁজ নেওয়া হয়নি!

    মা বললেন, তুমি এক্ষুনি ফোন করো!

    মায়ের গলার আওয়াজটা এমনই অন্যরকম যে বাবা অগ্রাহ্য করতে পারলেন না। ফোন তুললেন।

    হ্যালো, অমল?

    কে, প্রশান্ত? কী খবর?

    তোর খবর কী? অনেকদিন পাত্তা নেই।

    ক’ দিন খুব সর্দি কাশি আর জ্বরে ভুগছিলাম।

    এখন ভাল আছিস?

    অমলকাকু সব কথাতেই হাসেন। এবারেও হাসতে হাসতে বললেন, আজ এক্সরে রিপোর্ট পেলাম। বুকটা একটু জখম হয়েছে ভাই। ডাক্তার বলছে, আমার প্লুরিসি হয়েছে।

    মা আর বাবা দু’ জনেই এক সঙ্গে চেঁচিয়ে বললেন, অ্যাঁ!

    টেলিফোন রেখে দিয়েই বাবা একেবারে রেগে আগুন হয়ে উঠলেন। অমলকাকু তাঁর খুবই প্রিয় বন্ধু। মা তখনও সেই বুকের কাছে চলটা-ওঠা পাথরটার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছেন।

    বাবা বললেন, তোমার ছেলের এই সাঙ্ঘাতিক খেলা বন্ধ করতেই হবে!

    মা বললেন, দীপুর দোষ কী! আমরাই তো ওর খেলনাগুলো ভেঙে দি কিংবা নষ্ট করি।

    বাবা বললেন, তা বলে জ্যান্ত মানুষের নাম নিয়ে এ কী অদ্ভুত খেলা। একটার পর একটা বিপদ ঘটে যাচ্ছে!

    বাবা রেগে গেলে আর কারুর কথা শোনেন না। দীপুর ঘরে ঢুকে তিনি সব পাথরের টুকরোগুলো ছুড়ে ফেলতে লাগলেন পেছনের মাঠে। গাছের ডাল, কঞ্চি, ভাঙা ব্যাডমিন্টনের র‍্যাকেট এগুলোও ফেলতে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ মত বদলে বললেন, এগুলো সব আমি আগুনে পুড়িয়ে দেব!

    দীপু তখন ইস্কুলে। তার সব খেলনা শেষ হয়ে যেতে লাগল। বাবা তার সব গাছের ডাল আর কঞ্চিগুলো গুঁজে দিতে লাগলেন রান্নাঘরে জ্বলন্ত কয়লার উনুনে।

    ভাঙা ব্যাডমিন্টনের র‍্যাকেটটাও যখন উনুনে দিতে যাচ্ছেন, তখন মা তাঁর হাত চেপে ধরে ব্যাকুলভাবে বললেন, ওটা দিয়ো না, ওটা থাক, ওটা দিয়ো না!

    বাবা সেকথা শুনলেন না। জোর করে, র‍্যাকেটটা ভরে দিলেন উনুনে।

    তখুনি উনুন থেকে একটা আগুনের শিখা লাফিয়ে উঠল। আগুনের জিভ ছুঁয়ে দিল বাবার পাঞ্জাবির হাতা। দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল। মা চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যেতে যাচ্ছিলেন, তার আগেই কোনওক্রমে তিনি উনুন থেকে টেনে তুললেন র‍্যাকেটটা।

    আগুন বেশি ছড়ায়নি। বাবার হাতটা একটু শুধু ঝলসে গিয়েছিল, বেশি কিছু হয়নি, মলম লাগাতেই সেরে গেছে।

    বাবা দীপুর জন্য অনেকগুলো পুতুল ও মূর্তি কিনে দিয়েছেন। যেমন, বিবেকানন্দ, নেপোলিয়ান, বুদ্ধ, কৃষ্ণ, যিশুখ্রিস্ট, সৈন্য, নাবিক, শিকারি, রবীন্দ্রনাথ, শিবাজি এইসব—অর্থাৎ যাঁরা কেউ এখন বেঁচে নেই।

    ১৩৮১

    অলংকরণ: সুধীর মৈত্র

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }