Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প847 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হর্ষবর্ধনের ভাগনে ভাগ্য – শিবরাম চক্রবর্তী

    ভাগনে যে সব সময় মামার সব বিষয়ে ভাগ দখল পায়, তা হয় না। বরং, বেশির ভাগ তার উলটোটাই দেখা যায়।

    সব ভাগনেই কিছু মাতুলভাগ্য নিয়ে জন্মায় না।

    মামা, কোনও পরীক্ষা-টরিক্ষা না দিয়েই, ডবোল পাশ করলেও দেখা গেছে যে তাঁর ভাগনে ডবোল ফেল মেরে বসেছে—রীতিমতন পরীক্ষা দিয়েই, এমন কী!

    এর মানে কী তা কে জানে, তবে সেটাই সেবার হাতে হাতে প্রমাণে পেলাম!

    ‘আমার ভাগনের বিষয়ে কিছু বলতে চাই’, হর্ষবর্ধনই কথাটা পাড়লেন গোড়ায়: ‘আপনি যদি তার সম্বন্ধে একটু চেষ্টা করেন—’

    ‘আবার সম্বন্ধ?’ শুনেই না আমার দম বন্ধ হবার মতো প্রায়: ‘মাপ করবেন আমায়, আর না! আপনার সেই গুরুঠাকুরের মেয়ের সম্বন্ধ করতে গিয়েই যথেষ্ট শিক্ষা পেয়েছি। অমন গুরুতর ঝঞ্ঝাটে পড়তে চাই না আর।’

    ‘শিক্ষা পেয়েছেন, না, শিক্ষা দিয়েছেন। হাড়ে হাড়ে শিক্ষা দিয়েছেন। আমার-ও কি শিক্ষা হয়নি নাকি? যা পেঁয়াজ-খাওয়া পাত্র এনেছিলেন মশাই!’

    বলতে গিয়ে পয়জার-খাওয়ার মতোই যেন মুখখানা হয়ে যায় তাঁর।

    তাঁর সেই লপেটাহত মুখের দিকে তাকিয়ে ঘটনাটা মনে পড়ে আমার…

    সংক্ষেপে ব্যাপারটা বলা যায় এখানে…

    গুরুদেব তাঁর কন্যার একটি সৎপাত্রের জন্য উপরোধ করেছিলেন তাঁকে। আর সেই উপরোধের ঢেঁকি গিলতে হয়েছিল এই আমাকেই।

    এদিকে আমার মা পই পই করে মানা করেছিলেন কারও কোনও সম্বন্ধের ব্যাপারে যাবিনে তুই কক্ষনও। কদাচ না।

    মা’র সেই পই পই করে মানা কখনও আমি অমান্য করিনি। এমনকী, নিজের সম্বন্ধেও যাইনি আমি একেবারে। বিয়েও দিইনি নিজের পৈতেও না, এমন কী! তাঁর সেই পই পই মানা মেনে এসেছি। অথচ, এদিকে, হর্ষবর্ধনের কথাটাও ঠেলা দায়!

    শেষটায়, দু’কুল বজায় রাখতে মন গড়া এক সম্বন্ধ এনে খাড়া করলাম…

    ‘একটি ভাল ছেলে আমার সন্ধানে আছে,’ পাড়া গেল কথাটা—সব দিক থেকেই সংপাত্র কিন্তু দোষের মধ্যে একটি মাত্র খুঁত—তবে সে কথাও কই মশাই, একেবারে নিখুঁত কেউ কি এই দুনিয়ায় আছে কোনওখানে কোথাও? এমনকী আপনার ওই চাঁদের মধ্যেও তো খুঁত। তবে কিনা, চাঁদ এই পৃথিবীর নয়। তবে এই পাত্রটির বিষয়ে বলতে হয় যে সে একেবারে সোনার চাঁদ—শুধু একটুখানি যা খুঁত!’

    ‘খুঁতটা কী শুনি?’

    ‘এমন কিছু খুঁত-খুঁত করার মতন নয়। ছেলেটি পেঁয়াজ খায়।’

    ‘পেঁয়াজ খায়?’ শুনেই চমকে ওঠেন হর্ষবর্ধন: কী বললেন, পেঁয়াজ খায় পাত্তর?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। সেই কথাই বলছি। এই সামান্য একটুখানি যা খুঁত তার।’

    ‘গোঁসাই-ঠাকুরদের কুলে পেঁয়াজখোর জামাই! এটাকে আপনি সামান্য বলছেন! এই পেঁয়াজ খাওয়াকে?’

    ‘না, সামান্য বলছিনে। পেঁয়াজ সামান্য নয়। ঠাকুর বলতেন পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে গেলে শেষ পর্যন্ত যেমন তার কিছুই থাকে না, তেমনি নেতি নেতি করতে করতে এগিয়ে গেলে এই ব্রহ্মাণ্ডমায়া বিলকুল গায়েব। এমনকী স্বয়ং পরমব্রহ্মের পাত্তাও মেলে না তখন।’

    ‘বলতেন নাকি ঠাকুর? তার মানেটা?’

    ‘মানেটা যে কী, তা আমিও ঠিক বুঝিনি। মনে হচ্ছে পেঁয়াজ হল গে ব্ৰহ্মাণ্ড কিংবা ব্রহ্মাণ্ড একটা পেঁয়াজি। অর্থাৎ কিনা, ব্রহ্মাণ্ডের মতন পেঁয়াজও আসলে মায়াই৷’

    ‘মায়াই হোক বা যাই হোক, মায়া বলে পেঁয়াজকে উড়িয়ে দিলে তো চলবে না মশাই! পেঁয়াজ বেজায় গন্ধ ছাড়ে যে! ঠাকুর বংশে তো ও-জিনিসের আমদানি হতে পারে না।’ তার কাতর কণ্ঠ শুনতে পাই।

    ‘সে কথা আপনি বুঝুন। তবে আমি বলছিলাম কি পাত্রটি ভালই। তবে ওই যা খুঁত—একটু পেঁয়াজ খায়। তাই বলে কি রোজই খায়? তা নয়। মাঝে মাঝে খেয়ে থাকে। ওই মাংস-টাংস হলেই—’

    ‘মাংস খায়!’ তিনি দীর্ঘ নিশ্বাস ফেললেন— ‘আমাদের ঠাকুরমশায়ের নিরিমিষ বোষ্টম বংশে এসে শেষে মাংস খাবে! পাঁঠার মাংস কি অপাঠ্য মাংস কে জানে! নিষিদ্ধ মাংস কি না তাই বা কে বলবে।’

    ‘না না, নিষিদ্ধ নয়, সুসিদ্ধ করেই খায়। নিষিদ্ধ হজম করতে পারবে কেন?’

    ‘নিষিদ্ধই হোক আর সুসিদ্ধই হোক…’ হর্ষবর্ধনের গলায় যেন হায় হায় বাজে—’গোঁসাই বাড়িতে এসে শেষে মাংস খাবে নাকি!’

    ‘খাব বলে কি আর অ্যাতো অ্যাতো? পাচ্ছে কোথায়! একটু আধটু কখনও কখনও খায়। আর, সে-ও ওই চাটের মুখেই’। হবু জামাইয়ের মুখ রাখতে গিয়ে আমার রোখ চেপে যায়।

    ‘চাট!’ সদ্য যেন ঘোড়ার চাট খেলেন এমনি ঘোরালো হয় তাঁর মুখখানা—’এরপর আবার চাটও আছে? চাট তো জানি…চাট তো জানি…’

    ‘হ্যাঁ, যা ধরেছেন!’ তাঁর বোধশক্তির বহর দেখে আমি উৎফুল্ল হই— ‘খালি খালি কি আর চাট মারে? অকারণে খায় না মশাই!’

    ‘এর মধ্যে কারণও আছে আবার!’ তার আর্তনাদ শুনি: ‘বৈষ্ণব বংশে শেষটায় ঘোর শাক্তের আমদানি!’

    ‘শাক্ত বলে শাক্ত! ঘোরতর শাক্ত। শাক্ত বা শক্ত যাই বলুন, শুধু ও-ই নয়। ওদের দলটাই বেশ শক্তিধর। বেজায় শক্তি ধরে। ওয়াগন ভাঙাই কি সোজা নাকি? ওই তো কাজ ওদের। শক্তি না থাকলে কি পারা যায় ওসব? আর সেই কারণেই— ওই সব কাজকর্মের গোড়ায় একটুখানি কারণ বারি পান করে নিতে হয়। তবে ওই একটুখানিই। বেশি খাবার মুরোদ কই ওদের? পয়সা কোথায়? তা ছাড়া—’

    ‘থামুন! থামুন!…ওয়াগন ভাঙা, মালগাড়ি লুঠ! কী বলছেন আপনি? অ্যাঁ? আর এই কারণেই থামে কি না কে জানে। গাঁজা গুলি ভাং টাং চণ্ডু চরস—’

    ‘গাঁজা চণ্ডু চরসের কথা বলতে পারি না, তবে গুলি খায় বটে মাঝে মাঝে। আর ওই ভাঙের কথা যা বললেন… ভাঙচুরের কাজ তো! ভাঙবার মুখে চুর হয়ে থাকলে, খেয়াল না রাখলে আচমকা ওইগুলিও…’

    ‘গুলিও খায়?’ আবার তাঁর হায় হায় শোনা যায়।

    ‘খায়, মানে, খেতে বাধ্য হয় আর কী! পুলিশের গুলি এসে পড়ে যে আটপকা। না খেয়ে কি উপায় আছে!’

    ‘পুলিশের গুলিও খায়। ওয়াগন ভাঙে, নেশা করে, মাংস খায়, চুরি ডাকাতিও করে,’ পাত্রের গুণাবলীর ফিরিস্তি দিতে গিয়ে ক্রমেই তিনি যেন মিইয়ে পড়েন—‘এর ওপরেও আরও কোনও ইতরবিশেষ আছে কি না কে জানে!’ হর্ষবর্ধন মুহ্যমান হন।

    ‘হ্যাঁ, আছে ইতর বিশেষ’—আমার আশ্বাস দান: ‘আছে বই কী। ওর বন্ধুরাই সেই ইতরবিশেষ। বিশেষ ইতর বলেই বোধ হয় তাদের আমার। সত্যি বলতে কী, ছেলেটি ভালই, পাত্র হিসেবে নেহাত অপাত্র নয়, কিন্তু ওই যে বলে সঙ্গদোষে লোহা ভাসে। সঙ্গীদের পাল্লায় পড়েই আমাদের ভাবী দুলোহা ভেসে গেল!’

    ‘দুলোহা! দুলোহা নাম? বাঙালিও নয় বুঝি?’

    ‘না না, দুলোহা ওর নাম নয়। খাঁটি বাঙালিও বটে। আমাদের বেহারের দেহাতি ভাষায় জামাইকে দুলোহা না দুলাহা কী যেন বলে থাকে। তাই বলছিলাম। চেহারাটা একটু কাঠখোট্টা হলেও তাই বলে খোট্টা নয়—বাঙালিই আলবাৎ।’

    ‘রাখুন আপনার দেহাতি বাত! উনি চিৎকার ছাড়েন—’ আপনার কথায় আমার দেহ জ্বলে যাচ্ছে! এমন পাত্র এনেছেন যে…শ্বশুরবাড়িতে আমাদের মেয়ের সুখের অন্ত থাকবে না। জামাই যতক্ষণ বাড়ি থাকবে…বউকে ধরে ঠেঙাবে কি না কে জানে…’

    ‘ক’দিন বাড়ি থাকবে মশাই!’ আমি ভরসা দিই ওনাকে— ‘ক’দিন আর থাকতে পাবে? থাকতে দেবে নাকি পুলিশ? বছরের মধ্যে এগারো মাস তো তার জেলখানাতেই কাটে। বছর ভোরই শান্তি-স্বস্তিতে থাকবে আপনাদের মেয়ে। সত্যি, ছেলেটি ভারী নির্ঝঞ্ঝাটে। জেল থেকে বেরিয়ে তিন-চার দিন বাইরে থাকতে না থাকতেই আবার তাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। আবার সেই জেলেতেই কাটে। আপনার ভয় নেই কোনও…’

    তারপর আর অভয়বাণী শোনানো যায়নি ওঁকে। চোখে মুখে জলের ঝাপটা মারতে হয়েছে ওঁর। মূৰ্ছিত হয়ে আছাড় খেয়েছেন উনি।

    ‘তারপর আবার আপনি একটা ছেলের সম্বন্ধে বলতে এসেছেন আমাকে!’ গোড়ার কথায় ফিরে গিয়ে এবারের ফাঁড়াটা কথার গোড়াতেই আমি কাটাতে চাই।

    ‘না না! এটা কোনও বিয়ের সম্বন্ধ নয়, বি এ পাশের সম্বন্ধেও নয়কো, নিতান্তই এস এফের ব্যাপার!’

    ‘এস এফ? এস এফের ব্যাপার!’ আমি ঠাওর করতে পারি না ঠিক।

    ‘হ্যাঁ। আমার ভাগনে স্কুল ফাইনাল দিয়েছিল এবার। ফেল করে বসেছে। কর্তাদের কাউকে ধরে টরে পাশ করিয়ে দিতে হবে তাকে। আমার বোন কান্নাকাটি করছে। বেজায়। অতএব আপনাকে…আপনিই একাজ পারবেন। তাই আপনার কাছেই…’

    ‘আমি কাকে ধরব? কাউকেই তো আমি জানি না। এসব বিষয়ে কাকে যে ধরতে হয় তাই আমার জানা নেই।’

    ‘সেই ভদ্রলোককে পেলে আসতুম না আপনার কাছে, মশাই! তিনি সব রকম পাশ করিয়ে দিতে পারতেন—পরীক্ষা-টরিক্ষা কিছু না দিলেও। এমনকী বি এ, এম এ, ডাক্তার মোক্তার—যা চান। কিন্তু দেখাই তো মিলছে না তাঁর।’

    ‘কে সেই ভদ্রলোক?’

    ‘আমাদের বিদ্যাসাগর মশাই! কোথায় যে তিনি বর্তমানে আছেন জানি না।’

    ‘বিদ্যাসাগর মশাই!’ আকাশ থেকে পড়ি আমি—সোজা একেবারে ভূমধ্য সাগরেই—‘তিনি কি এখনও বর্তমান আছেন?’

    ‘থাকবেন না কেন? ক’বছর আগেও তো দেখেছি আমি তাঁকে।’

    ‘বলেন কী! অনেকদিন আগে তিনি দেহরক্ষা করেছেন এই রকম একটা সন্দেহ ছিল আমার। সেদিন তাঁর দেড়শো বছরের স্মৃতি বার্ষিকী হয়ে গেল না?’

    ‘আহা, তিনি তো আমাদের সাবেক বিদ্যাসাগর—প্রথম ভাগের। অ আ ক খ-র। ইনি হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যাসাগর…নানা ভাগের বলা যায় এনাকে।’

    ‘নানা ভাগের বিশ্ববিদ্যাসাগরটা কী রকমের আবার?’

    ‘বলি তা হলে খুলে আপনাকে—শুনুন। দার্জিলিং বেড়াতে গিয়ে সেবার একটা টাট্টু নিয়ে ফিরেছিলাম তো! রোজ সকালে ময়দানে সেই ঘোড়াটায় চেপে হাওয়া খেতাম। সেই সময়ে আলাপ হয়েছিল সেই ভদ্রলোকের সঙ্গে। কথায় কথায় তিনি জানতে চেয়েছিলেন কী পাশ করেছি আমি? আমি বলেছিলাম—এপাশ-ওপাশ। তাতে একটু অবাক হয়ে তিনি শুধিয়েছেন—ওই A-0 পাশটা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের মশাই? আমি বলেছি—কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়, বিছানার ওপর। এপাশ আর ওপাশ। ‘তা আপনি কি কোনও পাশ টাশ করতে চান, বি এ কি এম এ?’ তিনি জানতে চেয়েছেন—তা হলে আমি তার ব্যবস্থা করতে পারি।’ আর কি মশাই এই বয়সে কেঁচে গণ্ডূষ করা যায়? সেই ইনফ্যান্ট ক্লাসের থেকেই? ‘না না, পড়াশোনা করতে হবে না, কোনও পরীক্ষা-টরিক্ষা না দিয়ে যদি…?’ দুনিয়ার যে-কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের যে-কোনও ডিগ্রি উনি আনিয়ে দিতে পারেন বললেন। শুনে আমি বলি—‘দিন তা হলে পাশ করিয়ে আমায়। সবচেয়ে বড় পাশের ডিগ্রি পেতে চাই। তখন তিনি বিলেতের দুই নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার সেরা দু’খানা ডিগ্রি আনিয়ে দিলেন আমায়। পাঁচশো পাঁচশো হাজার টাকা দিয়ে দু’-দুটো পাশ আমি। তা জানেন?’

    ‘তাই নাকি?’ জানার কৌতূহল জাগে আমার। ‘কী কী পাশ শুনি?’

    ‘ডঃ আর ডাঃ।’ তিনি জানান। ‘এর চেয়ে বড় ডিগ্রি আর নেই নাকি। ওই ডঃ আর ডাঃ।

    ‘ডঃ আর ডাঃ?’ শুনে তো আমি হাঁ।

    ‘হ্যাঁ, একটা মেডিক্যাল কলেজ থেকে আসে। আরেকটা কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে থিসিস না থাইসিস তাই দিয়ে পেতে হয়। ওই ডঃ আর ডাঃ। দুটোর উচ্চারণই ওই ডাক্তার।’

    ডাক্তার হর্ষবর্ধন ব্যক্ত করেন আমার কাছে— ‘লেখার সময় ওইভাবে লিখতে হয় কেবল। একটার বেলায় ডঃ আরেকটার বেলায় ডাঃ।’ উনি নিজের ডাহা বিদ্যাবত্তা জাহির করেন।

    শুনে পুলকিত হই—‘তা, সেই ভদ্রলোকই তো পাশ করিয়ে দিতে পারেন ডিগ্রি দিয়ে আপনার ভাগনেকেও। কাউকে ধরাধরি করতে হয় না আর তা হলে।’

    ‘পারেনই তো! কিন্তু দেখাই যে পাচ্ছি না তাঁর। সকালে ওঁকে ময়দানে দেখতাম, আর বিকেলে গোলদিঘিতে বিদ্যাসাগরমশায়ের স্ট্যাচুর নীচে বসে থাকতেন সেই বিশ্ববিদ্যাসাগর। কিন্তু আজকাল আর তাঁকে দেখতে পাই না। আমি আরও ক্যান্ডিডেট নিয়ে গেছলাম তার পরে—পাছে আরও আরও নিয়ে যাই—সেই কারণেই কিনা কে জানে, ভয় খেয়ে হয়তো পালিয়েছেন এখান থেকে।’

    ‘আরও পাশার্থী ক্যান্ডিডেট নিয়ে গেছলেন নাকি আপনি?’

    ‘হ্যাঁ। আমার সেই টাট্টুটাকেই নিয়ে গেছলাম তার পরে। বলেছিলাম এটাকে পাশ করাতে পারেন? ডঃ, ডাঃ যা আপনার অভিরুচি।’ তিনি ঘাড় নাড়লেন—না, তা হয় না। আমি বললাম, আমার দুটো ডিগ্রির জন্য আমি পাঁচশো পাঁচশো এক হাজার দিয়েছি—কিন্তু এই ঘোড়াটার জন্যে এক হাজার দু’হাজার পাঁচ হাজার যা লাগে দেব। এটা আমার ভারী প্রিয়—এর পিঠে চড়ে বেড়াই তো! এটাকেও তাই পাশ করাতে চাই আমি।’

    ‘উত্তম প্রস্তাব দিয়েছিলেন মশাই! ডাক্তারের পিঠে ডাক্তার। এমনটা আর হয় না।’ সহানুভূতিওয়ালা মহানুভব ব্যক্তি বলে মনে হয় আমার হর্ষবর্ধনকে।

    ‘তাতে তিনি কী বললেন, জানেন? বললেন যে শুধু গাধাদের ডিগ্রি দেওয়ারই তাঁর এখতিয়ার আছে কেবল। ঘোড়াদের পাশ করতে হলে সামনের ওই বাড়িটায় যেতে হবে—আমাকে উনি বিশ্ববিদ্যালয় বিলডিংটা দেখালেন—ঘোড়াদের ডিগ্রি ওখানেই দিয়ে থাকে। ওটাই হচ্ছে অশ্বমেধের জায়গা। ঘোড়া পিটে ওঁরা গাধা বানিয়ে ছেড়ে দেবার পর আমার কাছে তারা এলে তখনই আমি শুধু পাশ করাতে পারি। তার আগে নয়। এই কথাই বললেন উনি।’

    ‘এই বললেন নাকি?’ আমি বলি—‘তা হলে তো আপনার ভাগনের বেলাতেও উনি পারতেন। আপনার ভাগনেকে—যদ্দুর আমার মনে হচ্ছে— মানে, নরাণাং মাতুলক্রম হয় তো? সে-ও একটা গাধাই।’

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু তারপর যে তিনি কোথায় উধাও হয়ে গেলেন কে জানে। গড়ের মাঠে সকালে হাওয়া খেতে যেতেন। সেখান থেকেও হাওয়া। দেখতেই পাই না আর। তাই তো আসতে হল আপনার কাছে। এখন, কী করতে হবে বলুন?’

    ‘এগজামিন পাশ করাতে হলে—’ আমার সর্বজ্ঞতা প্রকাশ পায়—‘যদ্দুর জানি, সববের গোড়ায় ধরতে হয় গিয়ে এগজামিনারকে, তারপর ট্যাবুলেটর, তারপরে কন্ট্রোলার, তারপরে বোধ হয় সেই উপাচার্যমশাইকেই—’

    ‘সে-সব স্টেজ পেরিয়ে গেছে। ধরে করে দেখা গেছে সবাইকে—কিসসু হয়নি। গেজেটে ফল বেরিয়ে যাবার পর আর নাকি কিছুই করার থাকে না।’

    ‘এখন কোনও মন্ত্রীই একমাত্র ভরসাস্থল। তিনিই যদি পারেন কেবল।’ আমি বলি—‘যদি ইচ্ছা করেন তবেই।’

    ‘আপনি একটু বললেই হবে। আপনাদের সাংবাদিকদের ভক্তি না করলেও ভয় করে সবাই। আপনি যদি গিয়ে অনুরোধ করেন—’

    ‘দেখা যাক চেষ্টা করে। হবেই যে, তা বলা যায় না। আমার মুন্সিয়ানা আর মন্ত্রীমশায়ের মর্জি। তবে আমি যাব একবার…আপনি আমার জন্য এত করে থাকেন, আপনার জন্যে কিছু করতে পেলে আমি কৃতার্থ হব। তা, কী কী বিষয়ে ফেল গেছে ছেলেটা? ’

    ‘অঙ্কে। কেবল ওই একটা বিষয়েই।’

    অঙ্ক! শুনে আমার আতঙ্ক হয়। সেই সঙ্গে ফেলোফিলিংও জাগে বোধ হয় একটুখানি। আহা, ওই সাবজেকটে আমিও যে ফেল গিয়েছি বরাবর।

    গেলাম মন্ত্রীবরের কাছে। তাঁর সদর দপ্তরে সটাং।

    বললাম, ‘দেখুন, আমার ভাগনেটা—’ নিজের বলেই চালিয়ে দিলুম হর্ষবর্ধনের ভাগনেকে। পরস্মৈপদীকে আত্মনেপদী করতে কোনওদিনই আমার দ্বিধা হয় না—‘আপনারই নির্বাচনী এলাকার ছেলে। এ বছর আপনার ইলেকশনে খাটাখাটনিতে একেবারে পড়াশুনা করতে পারেনি। সারারাত আপনার পোস্টার মেরেছে আর দিনভর ভোট ফর ভোট ফর করে চেঁচিয়েছে খালি। ফলে এ বছর ফেল মেরেছে এবারকার ফাইনালে। তাই আপনার কাছে এলাম। আপনি যদি অনুগ্রহ করে এখন…’

    ‘আমার জন্যে খেটেছিল বলছেন? কী কী বিষয়ে ফেল গেছে শুনি? ’

    ‘অঙ্কে। ওই অঙ্কেই কেবল।’

    ‘একটা বিষয়েই? তা হলে হয়ে যাবে। করে দেব আমি। একটা বিষয়েই তো! পাঠিয়ে দেবেন আমার কাছে কাল এমন সময়ে।’

    ছেলেটি পরদিন যথাসময়ে গিয়েছে তাঁর কাছে।

    ‘কী বিষয়ে ফেল করেছ শুনি?’ শুধালেন তাকে মন্ত্রীমশাই।

    ‘ম্যাথামেটিকসে।’

    ম্যাথামেটিকসে? ম্যাথামেটিকসেও ফেল গেছ আবার?’ শুনে যেন মাথা খারাপ হয়ে যায় তাঁর— ‘তোমার মামা যে বলে গেলেন মোটে একটি বিষয়ে ফেল গেছ। ওই অঙ্কেই কেবল। ম্যাথামেটিকসেও আবার ফেল করেছ তার ওপর? না, দু’-দুটো সাবজেক্টে ফেল! যাও। কিচ্ছু হবে না। যাঃও! পালাও। ভাগো হিঁয়াসে।’

    তারপর আর কী! ভাগতে হল আমাদের ভাগনে বেচারাকে।

    ১৩৭৮

    অলংকরণ: শৈল চক্রবর্তী

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }