Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাগীরথী অমনিবাস – নীহাররঞ্জন গুপ্ত (অসম্পূর্ণ)

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প284 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুমতী থেকে ভাগীরথী – ১৩

    ॥ তেরো ॥

    ভোলানাথ আবার প্রশ্ন করে, কি রে, বিয়ের পর বোবা হয়ে গিয়েছিস নাকি!

    আনন্দচন্দ্র জানতো সুহাসিনীর প্রতি ভোলানাথের বিশেষ একটা দুর্বলতা আছে। কয়েকবার আনন্দচন্দ্রের নজরেও পড়েছে, সুহাসিনীকে দেখলেই ভোলানাথ তার সঙ্গে কথা বলবার চেষ্টা করে, আলাপ জমাবার চেষ্টা করে। সুহাসিনীও যে একেবারে চুপচাপ থাকে তাও নয়—সেও জবাব দেয়।

    আর তাদের মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ হয় দীঘির ধারেই।

    কিন্তু কি জানি কেন, আনন্দচন্দ্রের ব্যাপারটা খুব ভাল লাগে না। সুহাসিনী বিধবা সেইজন্যই ব্যাাপারটা হয়তো আনন্দচন্দ্রের তেমন ভাল লাগে না।

    বাড়ির মধ্যে আর কারো ওদের মেলামেশার ব্যাপারটা চোখে পড়েছে কিনা তাও জানে না আনন্দচন্দ্ৰ।

    আনন্দচন্দ্র তাই চুপ করেই খাতা-বই নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায়।

    ঘরের মধ্যে একা একা ভোলানাথ হাসতে থাকে।

    আনন্দচন্দ্র দ্রুতপায়ে হাঁটতে শুরু করে।

    কিন্তু ভোলানাথের কথাটা তার মনের মধ্যে আনাগোনা করতে থাকে : আমাদের সুহাসিনীর মত সুন্দর! মনের মধ্যে পাশাপাশি দুটো ছবি ভেসে ওঠে। দুটো মুখ—একটি অন্নদাসুন্দরীর, অন্যটি সুহাসিনীর।

    ছোট ছোট গোলগাল কপালে রক্তবর্ণ সিন্দুরের গোল একটি টিপ। অনেকটা দুর্গা ঠাকরুনের মত যেন মুখখানি অন্নদাসুন্দরীর। কপালের উপর লতিয়ে নামা কয়েকগাছি চুল—সেই ঠোঁট টিপে চাপা হাসি—দু’চোখের সেই ধারালো দৃষ্টি। দাঁত বের করে বড় একটা হাসে না অন্নদাসুন্দরী,—কিন্তু ঠোঁট খুলে হাসলে ভারী সুন্দর দেখায় তাকে। নাকের নোলকটা—সঙ্গে সেই সাদা মুক্তোর সঙ্গে লাল পাথরটা একটু একটু দুলতে থাকে তখন, মুক্তোর মত দুসারি দাঁত বের করে হাসলে।

    আর সুহাসিনী!

    তার মুখখানিও সুন্দর।

    অন্নদাসুন্দরীর মত তার গাত্রবর্ণ অত গৌর নয়, তাহলেও লম্বাটে ধরনের কিছুটা মুখখানা, সুন্দরই তো লাগে দেখতে আনন্দর। অন্নদাসুন্দরীর মত নাকে নোলক নেই বটে এবং কপালে লাল রক্তবর্ণ সিন্দুরের টিপটিও নেই—আর তাই বোধ হয় মনের মধ্যে ভেসে-ওঠা পাশাপাশি দুখানি মুখের মধ্যে ওই মুহূর্তে আনন্দচন্দ্রের মনে হয়, অন্নদাসুন্দরীই বেশী সুন্দর। হ্যাঁ, অন্নদাসুন্দরীই সুন্দর।

    ভাবতে ভাবতে কখন পৌঁছে গিয়েছে আনন্দচন্দ্র হিন্দু কলেজের গেটের সামনে। দলে দলে বই-খাতা হাতে ছেলের দল আসছে কলেজে।

    ক্লাস শুরু হবে সেই দশটায়।

    গেটের কাছেই সতীর্থ অম্বিকাচরণের সঙ্গে দেখা। অম্বিকাচরণের বাবা রাধিকাচরণের অবস্থা মোটামুটি ভাল। তবে ধনী যাকে বলে তা ঠিক তিনি নন।

    কলেজের কাছেই বলতে গেলে ঠনঠনিয়ায় তাদের বাড়ি। রেভারেন্ড কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশেই।

    অম্বিকাচরণ ক্লাসের একজন সেরা ছাত্র।

    বিশেষ করে ইংরেজী সাহিত্যে তার বিশেষ দখল। কবি মধুসূদন দত্তর সে একজন অন্ধ ভক্ত।

    মধ্যে মধ্যে বলে, সেও নাকি খ্রীস্টধর্ম গ্রহণ করবে।

    একদিন আনন্দচন্দ্ৰ শুধিয়েছিল, কেন নিজের ধর্ম বিসর্জন দিয়ে তুমি খ্রীস্টধর্ম গ্রহণ করতে চাও অম্বিকা?

    ধুৎ, হিন্দু ধর্ম একটা ধর্ম নাকি! বলেছিল অম্বিকাচরণ নাক সিটকে। কেবল অন্ধ গোঁড়ামি আর যত কুসংস্কার। মন হাঁপিয়ে ওঠে মধ্যে মধ্যে আমার, যেন একটা এঁদো পুকুরের জলে সাঁতার কাটছি! তাই তো মনে স্থির করেছি—খ্রীস্টধর্মই গ্রহণ করবো আমি।

    তুমি বুঝি হেদুয়ায় ডাফ্ সাহেবের গৃহে তাদের যে সভা বসে সেখানে যাতায়াত কর? বললে আনন্দচন্দ্ৰ।

    করিই তো। তুমি কি ‘ইয়ং বেঙ্গল’ দলের সমর্থন করো না আনন্দ! অম্বিকাচরণ বললে।

    তাদের মননশীলতা, তাদের শিক্ষার প্রচেষ্টা ও আদর্শকে ‘আমি শ্রদ্ধা করি, কিন্তু—

    কিন্তু কি?

    শ্রদ্ধা করি না আমাদের হিন্দু ধর্মের প্রতি তাদের অবজ্ঞা ও অবহেলাকে আর তাদের মদ্যপানের অভ্যাসকে। বরং শ্রদ্ধা করি যাঁরা ব্রাহ্ম ধর্ম প্রচার করেন তাঁদের—

    তা যদি বল তো—মূলত দুই দলের নীতিই এক—একেশ্বরবাদ।

    না, এক নয়। আনন্দচন্দ্র বললে।

    কেন নয়? আমাকে বুঝিয়ে দাও, আনন্দ।

    বোঝালেও তুমি বুঝবে না।

    ওই ব্যাপারটাকেই তো রেভারেন্ড কৃষ্ণমোহন বলে, কূপমণ্ডূকতা আর গোঁড়ামি।

    আনন্দচন্দ্রের দুই বৎসর পূর্বেই অম্বিকাচরণের বিবাহ হয়ে গিয়েছিল। তারই উল্লেখ করে আনন্দচন্দ্র একদিন অম্বিকাচরণকে বলছিল, তা তুমি তো বিবাহিত অম্বিকা, তোমার স্ত্রীও কি তোমার সঙ্গে ধর্মান্তর গ্রহণ করবেন?

    যদি আমি ধর্মান্তর গ্রহণ করি তো তাকেও করতে হবে বৈকি।

    কিন্তু তিনি যদি রাজী না হন?

    কেন হবে না, স্ত্রীর ধর্মই হচ্ছে স্বামীর অনুগামিনী হওয়া সর্বক্ষেত্রে, সর্ব ব্যাপারে— আনন্দচন্দ্র হেসে প্রত্যুত্তর দিয়েছিল, ওটা কিন্তু তোমাদের অবহেলিত হিন্দু শাস্ত্রেরই কথা।

    ওটা সব শাস্ত্রেরই কথা—wife must follow the path of her husband just like a shadow!

    আচ্ছা অম্বিকা—

    কি?

    তোমার বাবা তোমার মনের খবর জানেন?

    জানেন না এখনো। তবে—

    কি, তবে?

    সময় হলেই জানতে পারবেন।

    তোমার বাবাকেও আমি চিনি—তিনি কিন্তু মনে নিদারুণ পীড়া পাবেন—অত্যন্ত মর্মাহত হবেন।

    I can’t help! তারপর একটু থেমে বললে, only I would be sorry for him!

    পিতার প্রতি যে সন্তানের একটা কর্তব্য আছে সেটা তো তুমি স্বীকার করো অম্বিকা?

    করবো না কেন, তাই বলে আমার কর্তব্যপালনের পথে সেটা যদি অন্তরায় হয়— অতীব দুঃখের ব্যাপার হলেও তাকে আমাকে ত্যাগ করতেই হবে।

    ওই কথার পর আর কথা চলে না। তাই আনন্দচন্দ্রও আর সে কথার জের টানেনি। ইচ্ছাও করেনি।

    .

    কলেজের গেটের সামনে দেখা হতেই অম্বিকাচরণ বন্ধুকে শুধাল, দেশ থেকে কবে ফিরলে আনন্দ?

    আজ সকালেই।

    তারপর? হঠাৎ পিতাঠাকুর জরুরী তলব পাঠিয়েছিলেন কেন?

    বিবাহের ব্যাপার ছিল। মৃদু হেসে আনন্দচন্দ্ৰ বলে।

    বিবাহ? কার?

    আমার।

    অম্বিকাচরণ বললে, তুমি তাহলে বিবাহ করতেই দেশে গিয়েছিলে আনন্দচন্দ্ৰ?

    আনন্দচন্দ্র কোন জবাব দেয় না। সলজ্জ হেসে মুখখানি নীচু করে

    কিন্তু অম্বিকাচরণের পরবর্তী প্রশ্নে আবার বন্ধুর মুখের দিকে মুখ তুলে তাকাল আনন্দচন্দ্ৰ।

    তা সে বালিকাটির বয়স কত? অম্বিকাচরণের গলার স্বরে যেন একটা ব্যঙ্গের সুর।

    বালিকা!

    হ্যাঁ, তোমার বালিকা স্ত্রীর বয়স কত? সাত না আট? না তারও কম?

    আনন্দচন্দ্র বললে, নয় উত্তীর্ণ হয়ে দশে পড়েছে বোধ হয়

    আমাদের সমাজের ওই আর একটা পচা কুসংস্কার!

    তা তোমার স্ত্রীও তো শুনেছিলাম বিবাহের সময় মাত্র আট বৎসরের বালিকা ছিলেন—

    হ্যাঁ, এখন দশ বৎসর দুই মাস। এখনো পুতুল খেলে, রান্নাবাটি খেলা খেলে। তা তোমার স্ত্রীও খেলেন নাকি?

    জানি না।

    জান না মানে—

    মানে এই, জানবার অবকাশ মেলেনি আর কি।

    আমার মতে কিন্তু পাত্রের বয়স ১৮/১৯, আর পাত্রীর বয়স অন্ততপক্ষে বারো তেরো হওয়া উচিত—তাহলে at least they can understand each other!

    এত কালের প্রথাটাই তুমি তাহলে উলটে দিতে চাও অম্বিকাচরণ? বাপ ঠাকুর্দারা যা—

    রাখ তো তোমার বাপ-ঠাকুর্দার কথা! কুসংস্কার — কুসংস্কার—সমাজের ওই কুপ্রথাগুলো যত তাড়াতাড়ি আমরা বর্জন করতে পারি ততই জেনো সমাজের পক্ষে মঙ্গল।

    কিন্তু আর কথা বলার সুযোগ হল না দুই বন্ধুর। ক্লাস শুরুর ঘণ্টা বাজলো। দুই বন্ধুতেই এগিয়ে গেল ক্লাসরুমের দিকে।

    অম্বিকাচরণের চালচলন কথাবার্তা সব কিছুর মধ্যেই যেন একটা বিদ্রোহের সুর। অথচ কতই বা বয়স হবে অম্বিকাচরণের—তার চাইতে মাত্র কয়েক মাসের বড়। সবে ঠোঁটের উপরে গোঁফের রেখা জেগেছে।

    অম্বিকাচরণের কথাগুলো শুনতে আনন্দচন্দ্রের খুব একটা যে খারাপ লাগে তা নয়, কিন্তু কেন জানি মন থেকে সেটা মেনে নিতে পারে না। সে ইয়ং বেঙ্গলের মানে বিপ্লবটাকে যেন ঠিক মনেপ্রাণে স্বীকার করতে পারে না।

    গঙ্গাস্নানের কথায় সেদিনকার অম্বিকাচরণের ব্যঙ্গোক্তি—আমি রসিককৃষ্ণ মল্লিক মশাইয়ের মতের সঙ্গে একমত— I do not believe in the sacredness of the Ganges! বুঝলে আনন্দ, if there is anything we hate from the bottom of our heart, it is Hinduism!

    আনন্দচন্দ্ৰ সত্যিই অবাক হয়েছিল সেদিন অম্বিকাচরণের কথা শুনে। হিন্দুর ছেলে হয়ে সে বলে কিনা হিন্দুত্বকে সে ঘৃণা করে?

    এক-একবার মনে হয়েছে আনন্দচন্দ্রের, অম্বিকাচরণের সঙ্গে সে আর মিশবে না। কিন্তু কি যেন এক অদ্ভুত আকর্ষণ আছে অম্বিকাচরণের!

    বিশেষ করে অম্বিকাচরণ যখন হিন্দু ধর্মের গোঁড়ামি কুসংস্কার ও ইংরেজী শিক্ষা সম্পর্কে বলতে থাকে। কেন যেন আনন্দচন্দ্র ওর কোন কথারই প্রতিবাদ করতে পারে না। ইংরেজী ভাষার উপরে আশ্চর্য দখল যেন অম্বিকাচরণের।

    অনেকটা সাহেবেদের মতই ইংরেজী বলে।

    ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে যখন অম্বিকাচরণ বলতে শুরু করে, ও যেন থামতেই চায় না।

    তবু একদিন আনন্দচন্দ্র বলেছিল বন্ধুকে, তবু অম্বিকা আমি স্বীকার করি না তোমার কথাটা!

    কোন্ কথাটা?

    আজকের দিনে সত্যিকারের শিক্ষা পেতে হলে তোমার ওই ইংরেজী ভাষাটা ছাড়া আর গতি নেই!

    সত্যিই নেই, বুঝেছো আনন্দচন্দ্র, সত্যিই নেই। ওই সোপান ছাড়া জ্ঞানার্জনের আর কোন সত্যিকারের পথই নেই।

    কেন নেই আমাকে বলো?

    বুঝবে না—তুমি ঠিক বললেও বুঝবে না আনন্দচন্দ্ৰ।

    আনন্দচন্দ্র বললে, কেন বুঝবো না? বুঝিয়ে দিলেই বুঝবো।

    বুঝতে হলে ভাল করে ইংরেজী ভাষাটা জানা দরকার। ইংরেজী—ইংরেজী শেখো। Learn English-read English literature-Homer-Milton-Shakespeare—

    আমাদের সংস্কৃত ও বাংলা ভাষাই বা কম কিসে? আনন্দচন্দ্র বললে।

    কিসে আর কিসে! তুমি তো পড়োনি মেকলের সুযুক্তিপূর্ণ মন্তব্যপত্রটা! না পড়িনি, তা কি আছে তাতে?

    ১৮১৩ সালে ইংরেজী শিক্ষা সম্বন্ধে যে আদেশ প্রচারিত হয়েছিল, তারই উপরে ওই নির্ধারণপত্র মেকলে সাহেবের। তিনি এক জায়গায় কি লিখেছেন জান? Who could deny that a single shelf of a good European Library was worth the whole native literature of India and Arabia! এক শেল্ফ ইংরেজীয় কিতাবে যে জ্ঞানের কথা, সমুদয় ভারতবর্ষ ও আরব দেশের সাহিত্যে তা নাই।

    তাই নাকি?

    তবে! গর্বের সঙ্গে বললে অম্বিকাচরণ, তাই তো দেখতে পাচ্ছো না—কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, তারাচাঁদ চক্রবর্তী, প্যারীচাঁদ মিত্র, রামতনু লাহিড়ী মশাই সকলে মেকলের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছেন। তাঁরাই তো আজ এ দেশের আশা ভরসা!

    তাহলে আমাদের মহাকবি কালিদাস—তাঁর সব অমর কাব্যগ্রন্থ—

    শেক্সপীয়ার পড়, বুঝলে আনন্দচন্দ্র, শেক্সপীয়ার, পড়—মিলটন পড়। বেদবেদান্ত গীতা নয়, পড় বাইবেল। তা ছাড়া তুমি তো মেডিকেল কলেজে ডাক্তারী পড়বে বলে স্থির করছো—

    হ্যাঁ, তা তো করেছি।

    কিন্তু সেখানে ইংরেজীতেই ইউরোপীয় পদ্ধতিতে চিকিৎসাশাস্ত্র শিক্ষা দেওয়া হয়। ইংরেজী—ইংরেজী ভাষা ভাল করে না জানলে—ইউরোপীয় সাহিত্যের সঙ্গে ভাল করে পরিচিত না হলে, তুমি কখনোই তাদের শিক্ষাপদ্ধতিকে অনুসরণ করতে পারবে না! একজন ভাল চিকিৎসকও হতে পারবে না। তুমি তো কখনো কলকাতা পাবলিক লাইব্রেরীতে যাওনি, সেখানে অনেক ভাল ভাল বই আছে। ইউরোপীয় সাহিত্যের সঙ্গে ভাল করে পরিচয় হলে দেখবে তোমার ধর্মের কুসংস্কারটাও একটু একটু করে কেটে যাবে।

    আনন্দচন্দ্র বললে, কি জানি ভাই, আমি তোমার সঙ্গে একমত নই!

    আমি কি জানি না, বুঝি না তা আনন্দচন্দ্র? জানি, বুঝি। তোমাদের অনেকেরই কি হয়েছে জান? অম্বিকাচরণ সোৎসাহে বলে চলে, ধর্মের গোঁড়ামি আর কুসংস্কারগুলোকে আঁকড়ে ধরে আছ বলেই নব যুগের আলো তোমাদের চোখের দৃষ্টিকে খুলে দিতে পারেনি। You are still blind!

    তর্ক তোমার সঙ্গে আমি করতে চাই না অম্বিকাচরণ—

    এ তো তর্কের কথা নয়। তা ছাড়া সত্য যা, কি করেই বা তুমি তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবার তর্কে নামতে পারো?

    তবু আমি বলবো অম্বিকাচরণ একটা কথা—

    কি, বলো?

    নতুন যুগের দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে ইউরোপীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তোমরা যে আমাদের এতকালের সনাতন হিন্দু ধর্মকে একেবারে নস্যাৎ করে দেবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছো, তাতে করে জেনো হিন্দুধর্মের কিছুই এসে যাবে না।

    ধর্ম—ধর্ম তুমি কাকে বল আনন্দচন্দ্র? তোমাদের এই হিন্দুধর্মটা কি একটা ধর্ম! অন্ধ গোঁড়ামি আর দীর্ঘদিনের একটা কুসংস্কারের অন্ধ অনুসরণ!

    অতঃপর আনন্দচন্দ্র চুপ করে গিয়েছে।

    অম্বিকাচরণের তর্ক করতে সঙ্গে যেন আর ইচ্ছা করেনি।

    অম্বিকাচরণ যাই বলুক—যতই যুক্তির অবতারণা করুক আনন্দচন্দ্রের কাছে, হিন্দু ধর্মের একটা বিশেষ রূপ—বিশেষ সংজ্ঞা—বিশেষ অর্থ আছে।

    জন্ম তার গ্রামে—শিক্ষার শুরুও গ্রামে—গ্রামের পাঠাশালায়। তাই তার কৈশোরকাল পর্যন্ত তার মনের মধ্যে যে একটা ছাপ পড়েছিল, কলকাতা শহরে এসে সে ছাপটাকে যেন সে কিছুতেই মুছে ফেলতে পারে না। কোথায় একটা নাড়ির টান যেন সে অনুভব করে।

    আবার এও মনে হয়, হয়ত অম্বিকাচরণই ঠিক। ইংরাজী ভাল করে না শিখতে পারলে—ইংরাজী শিক্ষা-দীক্ষার সঙ্গে ভাল করে পরিচিত না হতে পারলে সে চিকিৎসা- শাস্ত্রও ভাল করে আয়ত্তে আনতে পারবে না।

    মধ্যে মধ্যে ওই দোটানায় মনটা যেন তার বিষণ্ণ হয়ে ওঠে।

    অন্ধকারে হাতড়ে বেড়ায় আনন্দচন্দ্র।

    কলেজের পাঠ শেষ করে সেদিনকার মত আনন্দচন্দ্র যখন মল্লিক মশাইয়ের গৃহে ফিরে এল তখন সবে সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হয়েছে।

    মল্লিক মশাইয়ের গৃহদেবতা রাধানাথের মন্দিরে আর একটু পরে সন্ধ্যারতি শুরু হবে।

    প্রত্যহ সে সন্ধ্যারতির সময় মন্দিরের ভেতরে গিয়ে বসে। ধূপ-ধূনা ও বেল- মল্লিকা-চাঁপার গন্ধে বাতাস ম-ম করে। ভাল লাগে আনন্দচন্দ্রের, ভারী ভাল লাগে।

    রাধানাথের মূর্তির দিকে তাকিয়ে মনে হয়, এর চাইতে বড় সত্য বুঝি আর কিছু নেই। এই সত্য—এই চিরন্তন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Next Article অশান্ত ঘূর্ণি (অখণ্ড) – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }