Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাগীরথী অমনিবাস – নীহাররঞ্জন গুপ্ত (অসম্পূর্ণ)

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প284 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুমতী থেকে ভাগীরথী – ১৪

    ॥ চোদ্দ ॥

    দীঘির ঘাটে গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে নিজের ঘরটিতে যখন ফিরে এল আনন্দচন্দ্র, মন্দিরে সন্ধ্যারতি তখন শুরু হয়েছে। গায়ে একটা পাতলা চাদর জড়িয়ে বহির্মহলে মন্দিরের দিকে অগ্রসর হল আনন্দচন্দ্র। সন্ধ্যারতির সময় প্রত্যহ সুহাসিনীকে মন্দিরের মধ্যে উপবিষ্ট দেখা যায়, কিন্তু আজ মন্দিরের মধ্যে কোথাও সুহাসিনীকে দেখতে পেল না আনন্দচন্দ্ৰ।

    মন্দিরের সামনে দালানটি শ্বেতপাথরে বাঁধানো। সর্বদা ধোয়ামোছার জন্য চকচকে থাকে। দালানের এক পাশে দাঁড়াল আনন্দচন্দ্র। নয় বৎসর বয়েসের সময় কলকাতায় পড়তে এসেছে আনন্দচন্দ্র। ওই বয়েস থেকেই সে বাড়িছাড়া।

    প্রথম প্রথম একটুও ভাল লাগত না। খালি কান্না পেত। মন পড়ে থাকত সর্বদা- –কবে ছুটি হবে, কবে দেশে ফিরে যাবে! কিন্তু ইদানীং যেন এখানে মন বসে গিয়েছিল। বরং দেশে যেতেই তেমন ভাল লাগতো না। এবারে কিন্তু এখানে আসা অবধি মনটা আদৌ ভাল লাগছে না। কেবলই মনে হচ্ছে যেন কি একটা নেই।—কে যেন নেই!

    আরতি শেষ হলে আনন্দচন্দ্র ঘরে গেল না। ঘরে যেতে ভাল লাগল না। অনেকটা পড়া এগিয়ে গিয়েছে ক্লাসে, ক’টা দিন খুব খাটতে হবে। কিন্তু ইচ্ছা করল না তার ওই মুহূর্তে ঘরে ঢুকে পড়ার বই নিয়ে বসতে। থাক পড়া—ভাল লাগছে না।

    দীঘির ঘাটের দিকে এগিয়ে গেল।

    পূর্ণিমা বোধ হয় সামনেই। এর মধ্যেই বেশ বড় একখানি চাঁদ দেখা দিয়েছে আকাশে। চাঁদের আলোয় চারিদিক উদ্ভাসিত। অন্যমনস্ক ভাবেই কিছুটা দীঘির ঘাটের দিকে এগোচ্ছিল। হঠাৎ একটা চাপা কান্নার শব্দ কানে আসতেই আনন্দচন্দ্র থমকে দাঁড়াল। কে যেন আশেপাশেই মনে হচ্ছে কাঁদছে। কে কাঁদে? এদিক ওদিক তাকায় আনন্দচন্দ্ৰ।

    হঠাৎ নজরে পড়ল, দীঘির সামনেই যে সানবাঁধানো বেঞ্চের মত জায়গাটা সেখানে কে যেন বসে। কে ওখানে বসে? আর একটু এগোতেই মনে হল যে বসে সে নারী। কে এক নারী বসে আছে সেখানে। এ সময় এখানে রসে কে?

    কৌতূহলী আনন্দচন্দ্র আরো একটু এগুতেই চিনতে পারে মানুষটিকে — সুহাসিনী। চোখে পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল চাপা দিয়ে সুহাসিনীই কাঁদছে।

    সুহাসিনী একা একা এই নির্জন দীঘির পাড়ে কাঁদছে! কেন কাঁদছে? সুহাসিনীকে তো কখনো আজ পর্যন্ত সে কাঁদতে দেখেনি। মুখে তো ওর সর্বদাই হাসি লেগে আছে।

    না?

    সুহাসিনী!

    কে? চমকে মুখের উপর থেকে আঁচল সরিয়ে তাকাল সুহাসিনী।

    আমি আনন্দ—

    আনন্দদাদা!

    হ্যাঁ, তুমি কাঁদছো? কি হয়েছে সুহাসিনী—কাঁদছিলে কেন?

    আচ্ছা আনন্দদাদা——-

    বল?

    বিধবা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মেয়েমানুষের জীবনটা একেবারে মিথ্যা হয়ে যায়, তাই না?

    নতুন প্রশ্ন। এই ধরনের প্রশ্ন তো তাকে আজ পর্যন্ত কেউ করেনি! আনন্দচন্দ্র কি জবাব দেবে বুঝে উঠতে পারে না। তাই বোধ হয় চুপ করেই থাকে।

    সুহাসিনী বলে চলে, তাকে কারো সঙ্গে মিশতে নেই, হাসতে নেই, কোন আনন্দ করতে নেই—তা কেন?

    হঠাৎ কথাটা বের হয়ে এল আনন্দচন্দ্রের মুখ থেকে, এসব কথা কে তোমাকে বললে?

    সুহাসিনী বললে, সবাই তো বলে। মা ঠাকুরমা আর সাত—থেমে গেল সুহাসিনী।

    কাকীমা কি বলেন—

    যখন তখন বলেন, পোড়ারমুখী, এ বয়েসেই তুই সব খুইয়ে বসে আছিস! তুই বিধবা। আচ্ছা, সব খুইয়ে বসে আছি সে কি আমার দোষ, তুমিই বল আনন্দদাদা? লোকটা যে অমন করে মরে গেল, তার আমি কি করব? একে বুড়ো, তায় নানান্ অসুখ!

    আনন্দচন্দ্র কি জবাব দেবে সুহাসিনীর কথার? চুপ করেই থাকে।

    সুহাসিনী বলতে থাকে, যত দোষ যেন আমারই। আমার হাসতে নেই, দশজনের সামনে বেরুতে নেই, মিশতে নেই কারো সঙ্গে। কেন? বিধবা হয়েছি বলে কি আমার সব গেছে?

    কাকীমা যা বলেন সে তো তোমার ভালর জন্যেই বলেন সুহাসিনী।

    ছাই ভাল! অমন ভাল আমি চাই না। দেখো মা’র জন্য একদিন আমি দীঘির জলে গলায় কলসী বেঁধে ডুবে মরব।

    ছিঃ সুহাসিনী, ওসব কথা ভাবাও পাপ।

    তুমি জান না আনন্দদাদা, আমার একটুও আর বাঁচতে ইচ্ছা করে না, সত্যি বলছি।

    যাও এসময় আর একা একা দীঘির ঘাটে থেকো না। ভিতরে যাও। কাকীমা হয়ত তোমাকে খুঁজছেন।

    আচ্ছা আনন্দদাদা-

    কি?

    পুরুষের এক বৌ মরে গেলে আবার বিয়ে করে, তবে মেয়েদেরই বা বিয়ে হবে না কেন?

    ও তো ধর্মের কথা। ধর্মের বিধান মেনেই তো সবাইকে চলতে হবে।

    ভোলাদা বলে—

    কি বলে ভোলাদা?

    কে এক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, তিনি নাকি বলেন, বিধবার বিয়ে হতে পারে। ধর্মের বইতেই নাকি লেখা আছে।

    জানি না। বিদ্যাসাগর মশাইকে আমি দেখিনি। তা তিনি তো শুনেছি বিরাট পণ্ডিত লোক—তিনি কি আর মিথ্যা কথা বলেছেন? না বলতে পারেনা?

    তবে—তবে তুমিই বল ভোলাদা মিথ্যা বলে না!

    তুমি এবারে ভিতরে যাও সুহাসিনী।

    সর্বক্ষণ ওই বাড়ির মধ্যে থাকতে আমার ভাল লাগে না।

    আনন্দচন্দ্র যেন কি বলতে যাচ্ছিল কিন্তু বলা হল না, কে যেন দীঘির দিকেই আসছে। তার পদশব্দ পেয়ে আনন্দচন্দ্র সামনের দিকে তাকাল।

    মল্লিক মশাইয়ের স্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী।

    খুকী!

    এই যে কাকীমা! আসুন, ওই যে বসে আছে সুহাস।

    অন্নপূর্ণা সামনে এসে দাঁড়াল, বলি কি আক্কেল তোর খুকী। এই রাত্রে একা একা বসে আছিস।

    আমিও তাই বলছিলাম কাকীমা। আনন্দচন্দ্র বললে, এ সময় একা একা এখানে থাকা ভাল নয়।

    সে খেয়াল কি ওই সোমখ মাগীর আছে? সোয়ামী বেঁচে থাকলে এতদিনে তিন ছেলের মা হত। ঢং করে আবার বসে রইলি কেন? চল্ ঘরে চল্!

    না। যাব না।

    তা যাবে কেন আবাগী? বড্ড বাড় বেড়েছে তোমার—একদিন ঝেঁটিয়ে বিষ নামাব। চল্‌!

    না।

    আনন্দচন্দ্র বলে, যাও সুহাস ঘরে যাও, কাকীমা বলছেন। কাকীমার কথা শুনতে হয়।

    সুহাস উঠে গজগজ করতে করতে দুপদাপ করে বাড়ির দিকে চলে গেল।

    অন্নপূর্ণা বললে, আমার হয়েছে মরণ, এই বয়েসে সব খেয়ে বসে আছে!

    এখনো বড় ছেলেমানুষ ও কাকীমা, তাই—তা ছাড়া বুঝবারও তো বয়েস হয়নি।

    সে কি আর আমি বুঝি না—সবই অদৃষ্ট আনন্দ। না হলে এই বয়েসে সব খুইয়ে বসে আছে! সাধ-আহ্লাদ-

    একটা কথা বলব কাকীমা?

    কি কথা বাবা?

    ওই ভোলাদার সঙ্গে সুহাসকে বেশী মিশতে দেবেন না।

    তেমন মেয়ে কিনা! শোনে. আমার কথা? বললেও শুনবে না। তোমার কাকামশাইকে কথাটা বলো, তাঁর প্রশ্রয়েই ও আরো বিগড়ে যাচ্ছে। বিধবা মেয়ে বিধবার মত থাকবে, তা না তাকে পাড়ওয়ালা শাড়ি পরাবেন, গায়ে গহনা, যা খুশি তাই মেয়ে করে বেড়াচ্ছে, কিছু বলবেন না। আমার হয়েেেছ শতেক জ্বালা।

    কাকামশাই তো সব সময় বাড়িতে থাকেন না!

    যতটুকু সময় বাড়িতে থাকেন, তাও কি এতটুকু শাসন করেন? কি হয়েছে মা- কি তোমার চাই মা…..তাতে করেই তো ওর আরো বাড় বেড়েছে! আর ওই ভোলাটা হয়েছে যেন এ সংসারে শনি। তখুনি ঠাকরুনকে বলেছিলাম, বিধবা মাকে স্থান দিচ্ছেন দিন, ওই ঝামেলা স্বীকার করবেন না। তা শুনলেন কি আমার কথা?

    যতদূর জানি আমি কাকীমা, ভোলাদাও তেমন একটা বাড়ির ভিতরে যায় না। ও তো বাইরে বাইরেই থাকে।

    ভিতরে ও না গেলে কি হবে! সুহাসিনী তো বাইরে যখন তখন আসছে। দিনের বেলা সংসারের নানান্ কাজে ব্যস্ত থাকি, টের পাই না—সব সময় চোখ রাখাও যায় না।

    মনের আশা মিটিয়ে অন্নপূর্ণার আরো অনেক কথাই বলবার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সে সুযোগ আর সে পেল না। দাসী মোক্ষদা তাকে খুঁজতে খুঁজতে ওই সময় দীঘির ঘাটে এসে উপস্থিত হল। এই যে মা-ঠাকরুন তুমি হেথায়, আর ওদিকে কত্তাবাবু যে তোমায় ডাকছেন!

    ওমা, কত্তা ফিরেছেন নাকি?

    হ্যাঁ, এই তো কিছুক্ষণ?

    তা আমাকে একটা খবর দিবি তো হতভাগী?

    অন্নপূর্ণা আর দাঁড়াল না, অন্দরের দিকে পা বাড়াল। মোক্ষদা তাকে অনুসরণ করে। কত্তা এইসময় বড় একটা ফেরেন না। তাঁর ফিরতে ফিরতে সেই রাত দশটা। অন্নপূর্ণা চিন্তিত হয়েই অন্দরে গিয়ে প্রবেশ করে।

    অন্দরমহলে পশ্চিম দিকের বড় ঘরটায় মল্লিক মশাই থাকেন। একদিকে বিরাট একটা পালঙ্ক পাতা, তার উপরে শয্যা বিছানো। তারই পাশে বড় লোহার সিন্দুকটা। চকচকে মাছি পিছলে যাওয়া কালো পাথরের মেঝে।

    রাধারমণ মল্লিকমশাই ঘরের মধ্যে পায়চারি করছিলেন। স্ত্রীকে ঘরে প্রবেশ করতে দেখে তাকালেন তার মুখের দিকে।

    ঘরের কোণে উঁচু পিলসুজের উপর একটা প্রদীপ জ্বলছে। প্রদীপের মৃদু আলোয় ঘরের মধ্যে একটা আলো-আঁধারির সৃষ্টি হয়েছে।

    অন্নপূর্ণার মাথায় ঘোমটা টানা। মুখের উপরের অংশ সবটাই প্রায় ঢাকা

    এই যে বড় বৌ!

    তুমি এত তাড়াতাড়ি ফিরলে?

    হ্যাঁ, কিছু টাকার দরকার। সিন্দুকের চাবিটা কোথায়?

    আঁচল থেকে চাবির তোড়াটা খুলে এগিয়ে দিল অন্নপূর্ণা স্বামীর দিকে। রাধারমণ

    চাবি দিয়ে সিন্দুক খুলে টাকা বের করতে লাগলেন।

    এই রাত্রে টাকার কি প্রয়োজন হলো?

    রাধারমণ স্ত্রীর প্রশ্নের কোন জবাব দিলেন না। টাকার একটা ছোট থলি হাতে নিয়ে চাবির তোড়াটা স্ত্রীর হাতে ফিরিয়ে দিলেন।

    ঘর থেকে বের হয়ে যেতে যেতে বললেন, সুহাসিনীকে দেখলাম না! সে কোথায়?

    কে জানে তোমার আদরের দুলালী কোথায় আছে? শোন একটা কথা ছিল—

    রাত্রে ফিরে এসে শুনব।

    রাধারমণ মল্লিক আর দাঁড়ালেন না। টাকার তোড়াটা নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন।

    অন্নপূর্ণার ওই একটি মাত্রই সন্তান—সুহাসিনী।

    সূতিকাগৃহেই পর পর দুটি পুত্রসন্তানের মৃত্যুর পর ওই কন্যাসন্তান সুহাসিনী। আর কোন সন্তানাদি তাদের হয়নি।

    ভবতারিণী দেবীর ক্ষোভের অন্ত নেই। একটি পুত্রসন্তান হল না রাধারমণের। পিতৃপুরুষদের আত্মারা পরলোকে এক গণ্ডূষ জল পাবে না। এত বড় বংশটা লোপ পাবে। তাই অনেকবার বলেছিলেন পুত্রকে আর একটি বিবাহ করতে। কিন্তু রাধারমণ মায়ের প্রস্তাবে মাথা পাতেন নি।

    বলেছেন, না মা, বিয়ে আমাকে করতে বলো না।

    তবে কি তুই চাস তোর পিতৃপুরুষদের বংশটা লোপ পাবে, এক গণ্ডূষ জল পাবে না কেউ?

    কিন্তু বিবাহ আবার করলেই যে আমার পুত্রসন্তান হবে তারই বা প্রতিশ্রুতি কোথায়? দুটি তো পুত্রসন্তান হয়েছিল, সূতিকাগৃহেই মারা গেল—

    ও অন্নপূর্ণার গর্ভের দোষ।

    মৃদু হেসে বলেছেন রাধারমণ, তা যে নতুন বৌ আসবে তারও তো বড় বৌয়ের মত গর্ভের দোষ থাকতে পারে!

    বালাই ষাট! ও কি অলুক্ষুণে কথা?

    না মা ও মতলব তুমি ছেড়ে দাও, বিয়ে আর আমি করব না। তা ছাড়া এক স্ত্রী জীবিত থাকতে আর এক স্ত্রীকে ঘরে আনা—না মা, না, আমার দ্বারা তা সম্ভব হবে না।

    কেন হবে না শুনি! দুটো তিনটে বিয়ে কি কেউ করে না? তোর জন্মদাতারও তো দুই বিয়ে ছিল। প্রথম পক্ষের পর পর তিনটি কন্যাসন্তান হওয়ায় আমাকে বিবাহ করে এনেছিলেন।

    জানি। কিন্তু বড়মার কথা ভুলে গিয়েছ—নদীর জলে আত্মহত্যা করেছিলেন। আত্মহত্যা হবে কেন—কুমীরে নিয়েছিল দিদিকে। তাই তো মৃতদেহটা তার আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    তুমি জান না, তা ঠিক নয়।

    কি জানি না? কি ঠিক নয়?

    বড়মার মৃতদেহ তিনদিন পরে নদীর ধারে তিন ক্রোশ দূরে পাণ্ডুয়ার চরে আটকে ছিল। দেহে কোন ক্ষতচিহ্ন ছিল না, পা দুটো তাঁর শাড়ির আঁচল দিয়ে শক্ত করে বাঁধা ছিল।

    কে বললে তোকে এসব কথা?

    আমাদের বাড়িতে যে নমশূদ্দুর চাকরটা ছিল, রাখালদা— সে-ই একদিন বলেছিল আমায়।

    ভবতারিণী দেবীর মুখ দিয়ে আর বাক্য সরে না। কারণ সত্য কথাটা তাঁরও অজ্ঞাত ছিল না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সকলে মিলে সযত্নে যা গোপন করে রাখতে চেয়েছিলেন তা গোপন থাকেনি, সত্য আপনা হতেই প্রকাশ পেয়েছে।

    তুমি কি চাও মা, তারই পুনরাবৃত্তি হোক এ সংসারে আবার।

    ভবতারিণী ওই মুহূর্তে আর কিছু বললেন না বটে পুত্রকে তাঁর, তবে অন্য পথ ধরলেন। পুত্রবধূ অন্নপূর্ণাকে এবারে ধরলেন কয়েকটা দিন পর।

    বৌমা একটা কথা বলছিলাম—

    কি মা?

    তোমার শ্বশুরের বংশটা লোপ পাবে তা তুমি তাঁর পুত্রবধূ হয়ে ‘নিশ্চয়ই চাও না!

    স্বামীকে যে আর একটি বিবাহ করবার জন্য পীড়াপীড়ি করেছিলেন ঠাকরুন সেটা অন্নপূর্ণার অজ্ঞাত ছিল না। বাড়ির মধ্যে. সব কথাই তার কানে আসত। ভয়ে অন্নপূর্ণার বুকের ভিতরটা কাঁপত

    পুরুষের মন বলা তো যায় না, হয়ত কোন দুর্বল মুহূর্তে স্বামী তার বিবাহে সম্মতি দিয়ে বসবেন। তাছাড়া কোন অন্যায়ও তো নেই ব্যাপারটার মধ্যে। পুরুষেরা তো একাধিক বিবাহ করেই থাকে। ঠাকরুনের প্রস্তাব সেদিক দিয়ে কোন অযৌক্তিক কিছু নয়। কিন্তু অন্নপূর্ণা ভাবতে পারেনি, আক্রমণটা সম্পূর্ণ অন্যদিক দিয়ে আসতে পারে— কঠিন প্রশ্নটার মুখোমুখি তাকে নিজেকেই এইভাবে হতে হবে।

    ভবতারিণী প্রশ্নটা করে পুত্রবধূর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন।

    অন্নপূর্ণা আবক্ষ ঘোমটা টেনে চুপটি করে দাঁড়িয়ে থাকে।

    কি হল বৌমা, আমার প্রশ্নের জবাব দিচ্ছ না কেন!

    অন্নপূর্ণা তথাপি নীরব।

    আমার কথায় তো কিছুতেই ঘাড় পাতছে না রাধারমণ, তুমি তাকে বুঝিয়ে বল একটু বৌমা—এতে কোন মহাপাপ হবে না। সংসারে এ আকছারই ঘটে থাকে ও ঘটছে। তা ছাড়া এ বিবাহ তো প্রয়োজনের বিবাহ।

    আমাকে যা বলবেন তাই করবো।

    তুমি আমার লক্ষ্মী বৌ, জানি না কি আমি। তুমিই ওকে আবার একটি বিবাহে সম্মত করাতে পার এ বাড়িতে। তোমার আসনটি কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না—তুমিই থাকবে মল্লিকবাড়ির সত্যিকারের বৌ হয়ে।

    আমি বলব মা।

    লক্ষ্মী মা আমার। বেঁচে থাক। আজ সত্যিই তুমি নিশ্চিন্ত করলে মা।

    সেইরাত্রেই অন্নপূর্ণা কথাটা রাধারমণ মল্লিককে বলেছিল। সত্যিই তো—সে তো কোন বংশধর দিতে পারল না তার স্বামীকে। তার জন্য তার শ্বশুরের বংশের কেউ পরলোকে কেউ এক গণ্ডূষ জল পাবে না! প্রেতযোনিতে সকলে হাহাকার করে বেড়াবে একটু তৃষ্ণার জলের জন্য! না, তার কোন প্রয়োজন নেই। নেহাতই তার দুর্ভাগ্য, নচেৎ দু-দুটি পুত্রসন্তান হয়েও সূতিকাগৃহেই তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে কেন?

    দু’দিন পরে এক রাত্রে আহারাদির পর রাধারমণ শয্যার উপরে বসে তাম্বুল চর্বণ করতে করতে গড়গড়ায় তামুক সেবন করছিল, অন্নপূর্ণা এসে ঘরে ঢুকল।

    এসো বড় বৌ। আহার হল?

    দেখো তোমাকে একটা কথা কয়েকদিন থেকেই বলব বলব ভাবছিলাম—

    কি কথা?

    বলছিলাম ঠাকরুনের ইচ্ছা—

    বুঝতে পেরেছি, অবশেষে মা তোমাকে ধরেছেন! কিন্তু তা হবে না—

    শুধু ঠাকরুণের কেন, আমারও তাই ইচ্ছা। আর একটি তুমি বিবাহ কর।

    তুমিও ওই কথা বল বড় বৌ?

    সত্যিই তো, তোমার পিতৃপুরুষরা পরলোকে এক গণ্ডূষ জল পাবে না!

    ওসব বাজে কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি—

    না না, ছিঃ, ও কথা বলতে নেই। তা ছাড়া ধর্মশাস্ত্রে কখনো কিছু মিথ্যা লেখা থাকে না।

    আমিও মিথ্যা বলিনি। বলেছি কুসংস্কার। একটা অন্ধ গোঁড়ামি।

    লক্ষ্মীটি তুমি অমত করো না। ঠাকরুনের চিন্তা দূর কর।

    না বড়. বৌ, আবার আর একজনকে বিবাহ আমার দ্বারা হবে না। কারোর অনুরোধেই নয়।

    অন্নপূর্ণার বুকের পাষাণ ভারটা ততক্ষণে নেমে গিয়েছে। মনে মনে সে একটা পরম স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়েছে। তবু বললে, বিশ্বাস কর তুমি, আমার কোন দুঃখ হবে না তুমি আর একটি বিবাহ করলে।

    তোমার দুঃখ হবে কি না হবে সেটা বড় কথা নয় বড় বৌ, এত বড় অন্যায় আমি প্রাণ গেলেও করতে পারব না। যাক, অনেক রাত হয়েছে, এবারে শুয়ে পড়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Next Article অশান্ত ঘূর্ণি (অখণ্ড) – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }