Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাগীরথী অমনিবাস – নীহাররঞ্জন গুপ্ত (অসম্পূর্ণ)

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প284 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুমতী থেকে ভাগীরথী – ২৫

    ।। পঁচিশ ।।

    হঠাৎ যে কি হয়ে গেল, আনন্দচন্দ্র ভোলানাথের গালে সশব্দে একটা চড় বসিয়ে দিল। চিরদিনই একটু রাগী প্রকৃতির মানুষ আনন্দ—–চট্ করে তার কেমন যেন রাগ হয়ে যায় এবং রাগ হলে তখন যেন আর হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। অবশ্য তার সে রাগ নিভে যেতেও দেরি হয় না। কাজেই হঠাৎ ওইভাবে রাগের মাথায় ভোলনাথের গালে একটা চড় বসিয়ে দেবার পরই নিজেই যেন কেমন থমকে গেল আনন্দচন্দ্ৰ।

    ভোলানাথও অতর্কিতে ওই চপেটাঘাত খেয়ে কেমন যেন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কয়েকটা মুহূর্তের জন্য। আনন্দ যে তাকে ওইভাবে হঠাৎ একটা চড় বসিয়ে দিতে পারে তার গালে সে যেন ভাবতেও পারেনি।

    কিন্তু বিমূঢ় ভাবটা কেটে যেতেও ভোলনাথের দেরি হয় না। রাগত ও ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বললে ভোলানাথ, তুমি আমাকে মারলে কেন?

    ভোলানাথের ওই কথায় আনন্দর রাগটা যেন আবার দপ্ করে জ্বলে ওঠে। সে তীক্ষ্ণকণ্ঠে বলে, বেশ করেছি।

    বেশ করেছো?

    হ্যাঁ।

    আসলে ভোলানাথ একটু ভীরু প্রকৃতির। ভোলানাথের মত মানুষদের সাহস কমই থাকে, তাই সে আনন্দর ওই স্বীকৃতির কোন প্রতিবাদ জানাতে পারে না।

    তুমি এত বড় নির্লজ্জ ভোলাদা যে, মল্লিক কাকার সম্পর্কে অমন একটা কুৎসিত কথা বলতে তোমার এতটুকুও বাধলো না!

    না, বাধলো না—যা সত্যি সে কথা বলতে আমি ডরাই না।

    আনন্দ এবারে সুহাসিনীর দিকে তাকিয়ে বললে, সুহাস, এখানে দাঁড়িয়ে থেকো না—যাও অন্দরে যাও।

    সুহাসিনী মাথা নীচু করে কোনরকম বাক্যব্যয় না করে অন্ধকারে হেঁটে মিলিয়ে গেল।

    দেখ আনন্দ, সত্য কখনো ঢাকা থাকে না। তুমি যতই তোমার মল্লিক কাকাকে একজন মহাপুরুষ ভাবো না কেন—

    ভোলানাথ!

    হ্যাঁ, আবারও বলবো—তাঁর কীর্তিকাহিনী আজ আর কারো জানতে বাকী নেই। এ তল্লাটে সবাই জেনে গিয়েছে—আজকাল প্রতিরাত্রে মল্লিকমশাই কোথায় যান এবং কোথায় মধ্যরাত্রি পর্যন্ত কাটিয়ে তারপর গৃহে ফেরেন—

    এত জোর দিয়ে কথাগুলো বললে ভোলানাথ যে আনন্দচন্দ্র তার আর কোন প্রতিবাদই করতে পারলো না।

    ভোলানাথ বলে চলেছে তখনো, বলবো না কেন, একশবার বলবো—নিজের স্বামী চরিত্রহীন, বেহায়া—আমাকে কোন্ সাহসে উনি ওই সব কথা বলতে আসেন? কথাগুলো বলে ভোলানাথ আর দাঁড়ালো না, হনহন করে হেঁটে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।

    কিন্তু আনন্দচন্দ্র যেন একটা পাথরের মূর্তির মতই সেখানে দাঁড়িয়ে রইলো।

    ভোলানাথ যেভাবে উঁচুগলায় মল্লিক কাকা সম্পর্কে বলে গেল তাতে করে আর যাই হোক আনন্দচন্দ্ৰ বুঝতে পারে একটা কিছু ঘটেছে।

    আর ভোলানাথ যে প্রকৃতির মানুষ—সে বিষ ছড়াতে কসুর করবে না। সুহাসিনীর সামনে আজ যে কথা বললো, হয়ত আরো অনেককেই ইতিপূর্বে এই কথাগুলো বলেছে। হয়ত অনেকের কানেই কথাটা গিয়েছে।

    কে এই জানকী দত্ত আনন্দচন্দ্র তা জানে না। ইতিপূর্বে কখনো সে এই নামটাও শোনেনি।

    কিন্তু এটা ঠিক গিন্নীমা ভোলানাথকে এ বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে ঠিকই করেছেন। সুহাসিনী অত্যন্ত সরলা, সাংসারিক বুদ্ধিসুদ্ধি তার এতটুকুও নেই। কিসে তার ভাল কিসে তার মন্দ তাও বোঝে না সে।

    অথচ ভোলানাথের মোহে সে পড়েছে এটা স্পষ্ট। ভোলানাথ এখানে থাকলে হয়ত একটা সর্বনাশই ঘটবে।

    নানা এলোমেলো চিন্তায় আচ্ছন্ন আনন্দচন্দ্র এক সময় অন্দরের দিকে পা বাড়ালো।

    .

    অন্নপূর্ণা দেবীকে বাইরে থেকে খুব শান্তশিষ্ট মনে হলেও তার ভিতরটা ছিল বেশ শক্ত। নচেৎ অত বড় সংসারটার হাল সে ধরতে পারতো না।

    সুহাসিনীকে কেন্দ্র করে যেসব কথা ওই সংসারে মধ্যে মধ্যে সোচ্চার হয়ে উঠছিল, সেটার মূলটা যে কোথায় অন্নপূর্ণার বুঝতে সেটা দেরি হয়নি। অন্নপূর্ণা বুঝতে পেরেছিল বাড়ির মধ্যে আশ্রিত ওই বয়াটে ছেলেটাই যত অনর্থের মূল।

    তাই সে মনে মনে স্থির করে, ওই বিষবৃক্ষ আর সে বাড়তে দেবে না। তাই একদিন মঙ্গলাকে নিজের ঘরে ডেকে এনে স্পষ্টই বলে দিয়েছিল, মঙ্গলা, আমি তো আর তোমার ওই ছেলেটিকে এ বাড়িতে স্থান দিতে পারি না।

    কার কথা বলছো গিন্নীমা?

    বলছি তোমার ছেলে ভোলানাথের কথা—

    ভোলা—আমার ভোলানাথ!

    হ্যাঁ।

    তা সে কি করলো?

    অন্নপূর্ণা স্পষ্ট করে মুখের উপরে মঙ্গলাকে কথাটা জানাতে পারল না, কেবল বললে, সব কথা তোমাকে বলতে পারবো না মঙ্গলা, তবে এ বাড়িতে আর তোমার ছেলেকে থাকতে দিতে পারবো না।

    তবে আমরা কোথায় যাবো গিন্নীমা?

    আমি তো তোমাকে যেতে বলছি না, তুমি যেমন আছো তেমনি থাকো—

    ওর তো সংসারে আর কেউ নেই গিন্নীমা। যদি কেউ থাকতো তবে কি আমি এখানে তোমার চরণাশ্রয়ে পড়ে থাকি! আমাকে যদি স্থান দাও চরণে তাহলে আমার ছেলেকেও—

    না, তোমার ছেলের এ বাড়িতে আর থাকা চলবে না।

    সে কি কোন অপরাধ করেছে গিন্নীমা?

    অপরাধের কথায় অন্নপূর্ণা বলতে পারত সে সুহাসিনীর মাথাটা চিবিয়ে খাচ্ছে—কিন্তু অন্নপূর্ণা কেবল বললে, আমার যা বলবার বলে দিলাম মঙ্গলা, তোমার ছেলেকে তার নিজের একটা ব্যবস্থা করে নিতে বলো।

    কি ব্যবস্থা সে করবে গিন্নীমা!

    তা জানি না।

    এমন করে ছেলেটাকে আমার তাড়িয়ে দেবেন না গিন্নীমা—শেষ আকুতিতে যেন মঙ্গলা ভেঙে পড়ে।

    অন্নপূর্ণা দৃঢ় কঠিন গলায় বললে, আমার যা বলবার বলে দিলাম—

    তাহলে আমাকেও চলে যেতে হবে।

    ছেলেকে না ছেড়ে থাকতে পারলে যাবে। আমার যা বলবার আমি বলেছি, এখন তুমি কি করবে ভেবে দেখো গে।

    .

    মঙ্গলা বুঝতে পারে অন্নপূর্ণার মত বদলাবার নয়।

    ভোলানাথ সম্পর্কে যে ব্যবস্থা সে নিয়েছে তা আর এদিক-ওদিক হবার নয়। অন্নপূর্ণাকে মঙ্গলা ভাল করেই চেনে। শত অনুরোধ-উপরোধও অন্নপূর্ণা টলবার পাত্রী নয়।

    সেই রাত্রেই এক সময় বাড়ির এক দাসীকে দিয়ে রন্ধনশালায় মঙ্গলা ভোলানাথকে ডেকে পাঠাল।

    ভোলানাথ তখন বেরুবে বলে প্রস্তুত হচ্ছে।

    ভোলাবাবু!

    কি রে?

    তোমার মা মঙ্গলা দিদি তোমারে ডাকতিছেন—

    যা বলগে এখন আমি বেরুচ্ছি, আমার সময় নেই—

    তা যাও না বাবু, মা তোমার কি কথি চান সেটা শুনেই বারাও না।

    ভোলানাথ বললে, এখন আমার সময় নেই।

    দাসী ফিরে গেল।

    একটা ছোট আরশি হাতে কাঠের একটা চিরুনি দিয়ে ভোলানাথ তার চুলের টেরিটা যত্ন করে ঠিক করতে থাকে আর একটা কবিগানের পংক্তি গুনগুন করে গাইতে থাকে।

    ভোলা!

    মা’র ডাক শুনে ভোলানাথ চমকে ওঠে।

    মা তো তার কখনো বহির্মহলে আসে না। ভোলানাথের হাতের চিরুনি হাতেই থেমে গেল, সে কিছুটা থতমত খেয়ে ঘুরে দাঁড়াল।

    মা!

    হ্যাঁ মুখপোড়া, আমি।

    মা তার ওইভাবে আজ পর্যন্ত কখনো তাকে সম্ভাষণও করেনি!

    কতকটা তাই বিস্মিত হয়েই ভোলানাথ মায়ের দিকে তাকাল।

    হতভাগা! কি করেছিস তুই?

    কেন, কি আবার করলাম!

    গিন্নীমা আজ আমাকে ডেকে স্পষ্টই বলে দিলেন, তোর আর এ বাড়িতে স্থান হবে না।

    স্থান হবে না!

    না।

    কেন, আমার অপরাধ?

    শুধু গিন্নীমা কেন—সবাই তো বলে, তুই একটা বয়াটে, বেহায়া—যত সব অসৎ সঙ্গে ঘোরাফেরা করিস দিনরাত্তির—

    বেশ করেছি—কারো পাকা ধানে তো ম‍ই দিইনি।

    আবার মুখে মুখে চোপা করছিস বেহায়া, লজ্জা করছে না তোর! চরিত্রহীন-

    কি বললে, আমি চরিত্রহীন—বেহায়া—আমার লজ্জা নেই? আর ওদিকে এ বাড়ির কর্তাটি যে ডুবে ডুবে জল খাচ্ছেন তার বেলায় বুঝি কিছু না! ঠিক আছে, কে থাকতে চায় এখানে! আমার থাকার জায়গার অভাব আছে নাকি! হুঁ, বলে দিও তোমার গিন্নীমাকে, আমি চলে যাবো-

    চলে যে যাবি থাকবি কোথায়, খাবি কোথায়?

    সে তোমাকে ভাবতে হবে না।

    ভাবি কি আর সাধে, কাজকর্ম তো কিছুই শিখলি না—কেবল আড্ডা আর আড্ডা!

    থামো তো তুমি, আমাকে আর তোমায় কাজ শেখাতে হবে না। বলতে বলতে জামাটা গায়ে দিয়ে হনহন করে ভোলানাথ ঘর থেকে বের হয়ে গেল।

    কয়েকখানা বাড়ির পরেই ওই পাড়াতে জীবনকৃষ্ণ দত্ত মশাইয়ের বাড়ি—তার এক ছেলে প্রাণকৃষ্ণ দত্ত ভোলারই সমবয়েসী।

    ভোলার মতই বয়াটে। বাবুয়ানী করে—পায়রা ওড়ায়—নৌকায় বাঈ নাচ দেখে বেড়ায়। দিবারাত্র পচরপচর করে পান চিবোয়। মদ্যপানের অভ্যাসও আছে।

    প্রাণকৃষ্ণরই ইদানীং ইচ্ছা হয়েছে একটা কবির দল খুলবে। ভোলানাথ গাইতেও পারে, মুখে মুখে বেশ ছড়াও বাঁধতে পারে—সেই হবে দলের কবিয়াল। মনে মনে কথাটা কেবল ভাবাই নয়, দুচারবার ওই ব্যাপার নিয়ে ভোলানাথের সঙ্গে সে আলোচনাও করেছে।

    ভোলানাথ বলাই বাহুল্য বন্ধুকে উৎসাহ দিয়েছে।

    কিন্তু প্রাণকৃষ্ণর মনে ভোলানাথ সম্বন্ধে একটা সংশয় ছিল। ভোলানাথ কিছু কিছু ছড়া বাঁধতে পারে মুখে মুখে এবং গানও গাইতে পারে—কিন্তু ওর একটা বিশ্রী দোষ আছে—গাঁজা খায়।

    প্রাণকৃষ্ণ কতদিন বলেছে, ওসব ছাইভস্মগুলো খাস কেন?

    ও কি আর সাধে খাই হে প্রাণকৃষ্ণ, ওতে তুরীয়ানন্দ লাভ করা যায়!

    তোর মাথা! বরং এক পাত্তর আমার সঙ্গে খেয়ে দেখ—দেখবি এ সুধা—স্কচ্ হুইসকি সত্যিই সুধা

    না বাবা, তোমার সুধা তুমিই মনের আনন্দে সেবন করো,—এই ধোঁয়াই আমার ভাল—জয় বাবা শঙ্কর—শিব মহেশ!

    ভোলানাথ যে গাঁজা খায় সেটা একমাত্র প্রাণকৃষ্ণ ছাড়া দ্বিতীয় কেউ জানত না।

    .

    ভোলনাথ মল্লিকবাড়ি থেকে বার হয়ে সোজা হাঁটতে হাঁটতে এসে হাজির হল প্রাণকৃষ্ণর ওখানে।

    মেজাজটা তার আজ যেন অত্যন্ত খিঁচড়ে গিয়েছে।

    ঠিক সন্ধ্যাবেলা নেশার সময় মা তার মনটাকে একেবারে খিঁচড়ে দিয়েছে।

    দত্তবাড়ির খোলা ছাতের উপরে বসে প্রাণকৃষ্ণ তখন সবে এক পাত্র সুধা শেষ করে দ্বিতীয় পাত্র গ্লাসে ঢেলেছে।

    পরনে কোচানো ধুতি—গায়ে মসলিনের বেনিয়ান, মাথায় টেরি, গলায় বেলফুলের মালা। সামনে বোতল।

    ভোলানাথের প্রাণকৃষ্ণর বাড়িতে ছিল অবারিত দ্বার। সে সোজা উপরে চলে গেল—কারণ সে জানত ওই সময়ে বন্ধু প্রাণকৃষ্ণকে কোথায় পাওয়া যাবে।

    বন্ধুকে দেখে প্রাণকৃষ্ণ বলল, কিরে ভোলা, আজ এত তাড়াতাড়ি! তোর গাঁজার আড্ডায় যাসনি?

    না—পাটির উপর বসতে বসতে ভোলনাথ বললে।

    তা হঠাৎ তোর অমৃতে অরুচি কেন হল রে? খাবি এক পাত্তর?

    না।

    হ্যাঁ রে তোর সেই নায়িকার খবর কি?

    নায়িকা!

    আরে তোর সুহাসিনী না কি নাম, তার কথা বলছি— ভোলানাথ প্রাণকৃষ্ণকে সুহাসিনীর কথা বলেছিল।

    প্ৰাণকেষ্ট!

    কি রে?

    আমি ভাবছি ওখান থেকে চলে আসবো-

    কোথা থেকে চলে আসবি রে?

    মল্লিকবাড়ি থেকে।

    তা হঠাৎ—

    হঠাৎ নয়, ওখানে আর আমার থাকা চলবে না—তোর এখানে যদি থাকি তোর কোন আপত্তি আছে?

    আমাদের এখানে?

    হ্যাঁ।

    কিন্তু পিতৃদেবকে তো জানাতে হবে কথাটা —

    কেন, পিতৃদেবকে জানাতে হবে কেন?

    আমার পিতাঠাকুরটিকে তুই চিনিস না। বড় কড়া প্রকৃতির মানুষ।

    তাহলে-

    কি তাহলে?

    আমার ওখানে নাকি আর থাকা চলবে না—

    চলবে না? কেন?

    মল্লিক-গিন্নীর হুকুম।

    তা হঠাৎ এমন হুকুমটাই বা তিনি দিলেন কেন?

    আমি নাকি বয়াটে—বাউণ্ডুলে—চরিত্রহীন—

    হাঃ হাঃ করে দরাজ গলায় হেসে ওঠে প্রাণকৃষ্ণ।

    হাসছিস কেন প্রাণকেষ্ট? ভোলানাথ শুধায়।

    হাসবো না তো কি! তুই যদি বয়াটে চরিত্রহীন হোস তো তার স্বামী দেবতাটি কি?

    কি বলছিস যা-তা!

    ঠিক বলছি, এ তল্লাটে জানতে কার আর বাকী আছে—মল্লিকমশাইয়ের রাত আজকাল কোথায় কাটে।

    ছিঃ, লোকটা দেবতুল্য চরিত্রের।

    দেবতারও পতন হয় বন্ধু! শুনিসনি, অমন যে ঋষি বিশ্বামিত্র তারও মেনকাকে দেখে মতিভ্রম হয়েছিল—তা হ্যাঁ রে, সত্যিই তুই কিছু জানিস না ভোলা?

    না।

    জানকী দত্তর নাম শুনেছিস?

    তিনি তো কর্তাবাবুর অনেকদিনের বন্ধু—শুনবো না কেন নামটা তাঁর!

    তাঁর একটি রক্ষিতা ছিল।

    রক্ষিতা!

    হ্যাঁ, যার জন্য তিনি ঘরবাড়ি সব ছেড়েছিলেন। তা দোষ দেওয়া যায় না, শুনেছি মাগী নাকি দেখতে সত্যই অপ্সরী—তা জানকী দত্তমশাই কিছুদিন আগে গত হয়েছেন জানিস তো?

    না।

    তাঁর রক্ষিতাকে একটি বাড়ি দিয়ে গিয়েছেন দত্তমশাই এবং সেখানে গিয়ে ভিড়েছেন আমাদের দেবচরিত্রতুল্য মল্লিকমশাই।

    কি সব আবোলতাবোল বকছিস?

    হ্যাঁ রে হ্যাঁ, খোঁজ নিয়ে দেখ্‌ গে—প্রতিটি রাত এখন সেখানেই কাটে মল্লিক মশাইয়ের।

    প্রাণকৃষ্ণের কথাগুলো পুরোপুরি বিশ্বাস না করতে পারলেও তার মনের মধ্যে যেন কোথায় একটা ধোঁকা লাগে ভোলানাথের।

    কথাটা আজ এ তল্লাটে সবাই জানে রে সবাই জানে। আশ্চর্য, আমরা তো অনেকদিন থেকেই জানি অথচ তুই কিছুই জানিস না!

    ভোলানাথের বস্তুত কিছুই যেন আর ভাল লাগছিল না। তার এতদিনের প্রাণের বন্ধু প্রাণকৃষ্ণ—কিন্তু ভোলানাথ তার কথাতেই বুঝতে পেরেছিল এখানে তার সুবিধে হবে না। বাপের অমতে কিছু করার সাহস তার বন্ধুর হবে না।

    অথচ এও আজ স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিল ভোলানাথ, মল্লিকবাড়িতে তার আর ঠাঁই হবে না। গিন্নীমা শক্ত ধাতুতে গড়া। বাইরে শান্তশিষ্টটি হলেও ভিতরে অত্যন্ত কঠিন।

    এখানে যদি ঠাঁই না হয় তার তো সে যাবে কোথায়!

    লেখাপড়া করেনি—কোন কাজকর্মও শেখেনি—কেবল গায়ে হাওয়া দিয়েই বেড়িয়েছে। মাথাটা যেন হঠাৎ গরম হয়ে ওঠে ভোলানাথের।

    সে উঠে দাঁড়াল।

    কে হল রে? উঠছিস কেন?

    ভোলানাথ কোন জবাব দিল না, সিঁড়ির দিকে পা বাড়ালো।

    এই ভোলা শোন্!

    প্রাণকৃষ্ণর ডাকে ভোলানাথ কোন সাড়া দিল না।

    একবার আব্বাস মিঞার কাছে যেতে হবে—কোন এক সাহেবের খানসামা সে। সাহেব একজন বড় সরকারী চাকুরে, থাকে পার্ক স্ট্রীট অঞ্চলে—সে হয়ত একটা পথ বাতলে দিতে পারবে।

    ভোলানাথ রাস্তায় পড়ে হনহন করে হাঁটতে থাকে।

    গাঁজার আড্ডাও বসে ওই পাড়াতেই। আব্বাস মিঞা সেখানে প্রায় প্রতি সন্ধ্যাতেই একবার এসে ঘুরে যায়। তার মনিবসাহেবের বিরাট একটা বাগানবাড়ি বাগানের মধ্যে মালী, সহিস ও কোচোয়ানদের থাকার জন্য কয়েকটা ঘরও আছে। সেখানে কি একটু জায়গা পাওয়া যাবে না! পথ চলতে চলতে সেই কথাটাই ভাবতে থাকে ভোলানাথ।

    কিন্তু আজ মল্লিকমশাই সম্পর্কে একটু আগে প্রাণকৃষ্ণর মুখ থেকে যে কথাটা সে শুনে এল সেটাও তার মাথার মধ্যে একটা পোকার মত তাকে কুরে কুরে ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে।

    বস্তুতঃ মল্লিকবাড়ি তাকে ছাড়তে হবে এ কথাটা যেন কিছুতেই সে মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারছিল না। মল্লিকবাড়ি ছাড়া মানে সুহাসিনীকে ছাড়া।

    সুহাসিনীকে আর সে দেখতে পাবে না।

    সুহাসিনীকে না দেখতে পেলে সে কেমন করে বাঁচবে।

    আড্ডায় এসে দেখলো ভোলানাথ, আড্ডা সেদিন তেমন জমেনি।

    আব্বাস মিঞাও আসেনি।

    কালু শেখ ও জগন্নাথ বললে, তারা দুজনে বসে গাঁজা টানছিল, মিঞা আজ আসবে না।

    কেন?

    তার সাহেবের বাড়িতে আজ খেমটা নাচ আছে, খানাপিনা আছে—বলতে বলতে কালু শেখ তার হাতের ছোট কলকেটায় একটা দীর্ঘ টান দিয়ে কলকেটা এগিয়ে ধরলো ভোলানাথের দিকে।

    ভোলানাথ মাথা নাড়ল।

    সে কি হে, চলবে না!

    না, আমার কিছু ভাল লাগছে না।

    কেন দোস্ত?

    ওই সময় আব্বাস মিঞা ফিরে এল। ভোলানাথকে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে বললে, কি হয়েছে রে ভোলা, চুপচাপ বসে আছিস?

    মিঞা!

    কি?

    আমাকে তোমার এখানে থাকতে দেবে?

    হঠাৎ! এখানে কেন?

    ভোলা সব বললে। মল্লিকবাড়িতে তার আর থাকা হবে না।

    সব শুনে আব্বাস বললে, ঠিক আছে, তুই এখানেই থাক আমার কাছে।

    সত্যি বলছো?

    হ্যাঁ রে, থাক।

    ভোলানাথের একটা ব্যবস্থা হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Next Article অশান্ত ঘূর্ণি (অখণ্ড) – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }