Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাগীরথী অমনিবাস – নীহাররঞ্জন গুপ্ত (অসম্পূর্ণ)

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প284 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুমতী থেকে ভাগীরথী – ২২

    ।। বাইশ ।।

    জানালাপথে যে দ্বিপ্রহরের স্বপ্নালোক ঘরের মধ্যে এসে ঢুকেছে সেই আলোতেই তামার কমণ্ডলুটা ঝকঝক করছে। আনন্দচন্দ্র কিছুক্ষণ নির্বাক স্থাণুর মত সেই দিকে তাকিয়ে রইলো—কমণ্ডলুটা হঠাৎ কারো নজরে পড়ার কথা নয়, কারণ তার আশেপাশে জড়ো করা ছিল পিতলের বাসনপত্র ও গোটাকয়েক বেতের ডালা। সেগুলোর মধ্যেও কি সব যেন রয়েছে।

    আনন্দচন্দ্র পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল সেই দিকে ঘরের কোণে, মুহূর্তকাল কি যেন ভাবল, তারপর নীচু হয়ে কমণ্ডলু তুলতে গিয়ে হাত বাড়িয়ে নজরে পড়লো কমণ্ডলুটার মধ্যে আতপ চাল রয়েছে, বেশ ভারী। পাশে একটা ছোট পিতলের ঘটিতেও আতপ চাল রয়েছে আধাআধি। কি খেয়াল হল আনন্দচন্দ্রের, ঘটির মধ্যে কমণ্ডলুর চালটা ঢেলে ফেলতে গিয়ে চালের উপরে কয়েকটা টাকার মত কি চক্‌চক্ করছে নজরে পড়ল। ওই সঙ্গে একটা মোটা সোনার চন্দ্রহার, অন্ততপক্ষে ওজনে দশ ভরি তো হবেই, দুটো সোনার বাজুবন্ধ ও এক জোড়া কঙ্কণ।

    সোনার মত ঝক্ ঝক্ করছিল যে টাকাগুলো, হাতে তুলে নিয়ে দেখলো আনন্দচন্দ্র, সেগুলো বাদশাহী মোহর। দশটা বাদশাহী সোনার মোহর।

    পিতা ভারতচন্দ্রের ওই বোনটি অর্থাৎ মেজ পিসী ঠাকরুন নিভাননী দেবী বিধবা হয়ে পিতৃগৃহে চলে আসবার সময় যে অনেক সোনাদানা মোহর ইত্যাদি সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন, সেটা একটা কিংবদন্তীর মতই দাঁড়িয়ে গিয়েছিল গ্রামে। এবং সেই কারণেই বার দুই ভারতচন্দ্রের গৃহে সিঁধেল চোরেরা সিঁধ কেটেছিল, কিন্তু তারা একটা কথা জানত না, সঙ্গে যা এনেছিলেন নিভাননী তার বেশির ভাগই একে একে বাপের অভাবের সংসারে তারই হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

    যৎসামান্য খুদকুড়োই তার অবশিষ্ট ছিল।

    ভারতচন্দ্রের কুণ্ঠার অবধি ছিল না, সংসার চালানোর জন্য নিজের বিধবা বোনের যা কিছু সম্বল তারই সামনে ভিক্ষুকের মত হাত পাততে।

    কই, আর আর বোনরা তো কখনো নিভাননীর মত মুখ ফুটে কিছু বলেনি।

    ভারতচন্দ্রকে সত্যিই নাজেহাল হতে হত তখন সস্তাগণ্ডার দিনেও অত বড় সংসারটা চালাতে। অতগুলি প্রাণী, তাদের দু’বেলা পেট পুরে আহার জোগানোও খুব সহজ নয়—তাই সংসারে অভাব ও দারিদ্র্যের দুঃখ লেগেই ছিল। কবিরাজী করে যা প্রথম দিকে উপার্জন করতেন, ক্রমশ তাও অলস ও শ্রমবিমুখ স্বভাব ও আয়েসী প্রকৃতির জন্য কমে এসেছিল। নেহাত জমি থেকে বৎসরে দুবার কিছু ধান পেতেন, কষ্টেসৃষ্টে তাই লোকগুলোর দুমুঠো আহার জুটতো।

    ভারতচন্দ্রের আবার দুই-তিন পদ না হলে চলতো না। স্ত্রী বামাসুন্দরীকে বলতেন, যেদিন পাতে মাছ থাকতো না, বলি রাঁধিছো কি—কচু আর ঘেঁচু!

    চিরদিনের শান্ত নির্বাক্ বামাসুন্দরী আবক্ষ ঘোমটার তলায় নিঃশব্দে অশ্রুবর্ষণ করতেন। তাঁরই কি এই কচুসিদ্ধ সামান্য মুসুরীর ডাল আর শুসনী শাকের ঝোল স্বামীর সামনে বেড়ে দিতে বুক ফেটে যেত না!

    কিন্তু করবেন কি তিনি?

    ভারতচন্দ্র বলতেন, কেন, একটু মাছও আনতি পার নাই। ওই হারামজাদা কৈলেস কি করে?

    টপটপ করে মাটির নিকানো মেঝের উপর চোখের জল ঝরে পড়ত বামাসুন্দরীর। ওইসব কথা যখুনি নিভাননীর কানে যেত, পরের দিনই তিনি হয়ত কিছু টাকা বা সোনাদানা ভাইয়ের সামনে নিয়ে এসে ডাকতেন, ভারত!

    কি—কিছু কথিছো দিদি?

    হ্যাঁ, এই সোনার গহনাটা জগন্নাথ স্যাকরাকে বেচে—

    না না, তোর সামান্য সম্বল ওই গহনা-

    থাম দেহি, এই গয়না লয়ে আমি সঙ্গে বাতি দিতি যাবো! নে ধর এগুলান!

    ভারতচন্দ্র ইতস্তত করে শেষ পর্যন্ত নিতেন।

    দুটো দিন তারপর ভালই চলতো, তারপর আবার যথা পূর্বং তথা পরং—সেই অভাব আর অভাব।

    এমনি করেই দিতে দিতে নিভাননীর সব প্রায় নিঃশেষ হয়ে এসেছিল।

    আনন্দচন্দ্র ছোটবেলায় একবার বাপকে বলেছিল, আচ্ছা বাবা, মেজ পিসীর অনেক টাকাকড়ি গহনাগাঁটি আছে, তাই না?

    কেডা বললো তোমায়?

    কেন, সবাই তো তাই কয়।

    না, তারা মিথ্যা কয়—

    মিথ্যা!

    হ্যাঁ, ওর যা ছিল সব একে একে আমার অভাবের সংসারে—

    তয় লোকে কয় ক্যান, মেজ পিসী যখ করি—

    ছি ছি, ওদের কথায় তুমি কান দিও না—ওরা জানে না তাই ওইসব আলি ঝালি কথা কয়। এ কড়া কথা সর্বদা মনে রাখবা, তোমাগোর ওই মেজ পিসী না থাকলি তোমার তিন বোনের বিয়েই হত না। ওর মত মনিষ্যি হয় না।

    আনন্দচন্দ্ৰ জানত—বুঝতেও পারত তার পিতা তার ঐ বিধবা বোনটিকে কত স্নেহ করতেন।

    ভারতচন্দ্র মিথ্যা বলেননি—সত্যিই দুই মেয়ের বিবাহ বোনের সাহায্য না পেলে হত না।

    অন্য বোনেরাও একেবারে নিঃসম্বল ছিল না, কিন্তু কই তারা তো কোনদিন ভাই-এর সংসারে একটি পয়সা দিয়েও সাহায্য করেনি!

    আজ ওই সোনার গহনাগুলো ও বাদশাহী মোহরগুলোর দিকে তাকিয়ে আনন্দচন্দ্রের সেই কথাটাই বার বার মনে পড়তে থাকে।

    সোনার বাদশাহী মোহরগুলো নিয়ে হাতের মধ্যে নাড়াচাড়া করতে করতে অন্যমনস্ক ভাবে হঠাৎই যেন গতরাত্রে স্ত্রী অন্নদাসুন্দরীর কথাগুলো মনে পড়ে যায়। অন্নদাসুন্দরী বলেছিল, প্রত্যক্ষ দেহি, মেজ পিসী ঠাকরেন আমার শিয়রের ধারে খাড়ায়ে আছেন, আমারে ডাকতিছেন হাতের ইশারায়, বাঁ হাতে তাঁর একটা কমণ্ডলু।

    তবে কি মেজ পিসী আকারে ইঙ্গিতে অন্নদাসুন্দরীকে এই কমণ্ডলুর মধ্যে তাঁর সঞ্চয়ের অবশিষ্ট সোনাদানা ও মোহরগুলোর কথাই বলতে চেয়েছিলেন!

    স্বপ্ন হোক, নিছক ঘুমের ঘোরে বা মিথ্যাই হোক, অন্নদাও মেজ পিসীর ধনরত্নের কথা কিছুই জানত না। তার পক্ষে জানাও সম্ভব নয়। তবে ব্যাপারটা কি? হিন্দুশাস্ত্রে প্রেতের কথা আছে বটে কিন্তু আনন্দচন্দ্র সে সব কিছুই বিশ্বাস করে না। যা আজ পর্যন্ত প্রমাণ হয়নি তা বিশ্বাসই বা করা যায় কেমন করে? কেমন করে আনন্দচন্দ্র বিশ্বাস করবে সেরাত্রে মৃত্যুর অব্যবহিত পরেই মেজ পিসী সূক্ষ্ম দেহ ধারণ করে অন্নদাসুন্দরীর সামনে এসে দেখা দিয়েছিল তাকে। অথচ এও আনন্দচন্দ্রের স্থির বিশ্বাস, অন্নদাসুন্দরী তাকে মিথ্যা করে কোন গল্প বানিয়ে বলেনি।

    মনের মধ্যে বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের যেন একটা দ্বন্দ্ব চলতে থাকে আনন্দচন্দ্রের। বাইরে তখন ক্রমশ সূর্যালোক ম্লান হয়ে এসেছে। গাছের ছায়া দীর্ঘতর হয়েছে।

    বাদশাহী মোহরগুলো ও সোনার গহনাগুলো কাপড়ের খুঁটে বেঁধে এক সময় ওই ঘর থেকে আনন্দচন্দ্র বের হয়ে এল।

    এবং এক সময় চুপে চুপে গতরাত্রে তার যে ঘরে শয়নের ব্যবস্থা হয়েছিল সেই ঘরে প্রবেশ করে একটা মাটির হাঁড়ির মধ্যে সব কিছু সংগোপনে রেখে দিল। একবার মনে হয়েছিল আনন্দচন্দ্রের পিসীমণিকে ব্যাপারটা জানাবে গোপনে, কিন্তু আবার কি ভেবে চুপচাপই থেকে গেল।

    .

    আসন্ন সন্ধ্যার ম্লান আলোয় গাঙের ধারে বসেছিল একটা হেলে পড়া যজ্ঞি- ডুমুরের গাছের গুঁড়িতে ঠেসান দিয়ে আনন্দচন্দ্র। মধুমতী ভাঙছে—মধ্যে মধ্যে ঝপ্ ঝপ্ করে পাড় ভাঙার শব্দ কানে আসে। যেখানটায় সে বসেছিল সেটা হয়ত আর কিছুদিন পরে মধুমতীর তীব্র স্রোতের টানে জলের তলায় ভেঙে তলিয়ে যাবে। এ পাড় ভাঙছে আর ও পাড়ে চর জাগছে।

    একটা মাছরাঙ্গা পাখি মধ্যে মধ্যে যজ্ঞিডুমুরের একটা ডাল থেকে নদীর খরস্রোতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মাছ ধরবার চেষ্টা করছে। আনন্দচন্দ্রের মনেও সেই চিরন্তন প্রশ্নটি ঘোরাফেরা করছিল। মৃত্যুর পরেই কি সব শেষ! অন্ধকার, এক নিঃসীম অন্ধকার, না সেই ঘন শূন্য অন্ধকারের ওপারেও কিছু আছে!

    ভূত-প্রেতের কথা বড়দের মুখে আনন্দচন্দ্র সেই ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছে। আগে যদিও বা কিছুটা বিশ্বাস করতো, কলকাতায় গিয়ে ইংরাজী শিক্ষাগ্রহণের পর ধীরে ধীরে সে সব কিছু সে অবিশ্বাস্য বলেই মনে করে।

    Nothing beyond death! সহপাঠি অম্বিকাচরণ একদিন তাকে বলেছিল। কথাটা উঠেছিল কথায় কথায় আলোচনা প্রসঙ্গে, মৃত্যুর পরে কি? তারই জবাবে অম্বিকাচরণ ওই কথাগুলো বলেছিল।

    তথাপি বহুদিনের সংস্কারবদ্ধ মনের তাগিদে তর্ক করেছিল আনন্দচন্দ্র বন্ধুর সঙ্গে। বলেছিল, তাহলে তুমি বলতে চাও অম্বিকা, হিন্দুদের ওই যে যুগ-যুগান্তরের ধারণা সেটা সব মিথ্যে!

    হ্যাঁ মিথ্যা, অন্ধ কুসংস্কার একটা।

    এতকালের বিশ্বাসটা বলতে চাও তাহলে—

    হ্যাঁ, বাধা দিয়ে বলে উঠেছিল অম্বিকাচরণ, মিথ্যা!

    মহা মহা পণ্ডিতরা যে বিশ্বাস করে এসেছেন—শাস্ত্রে যা লেখা আছে—

    ওসব শাস্ত্র-পুস্তক আগুন জ্বেলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে আমাদের আনন্দ, নচেৎ জেনো মুক্তি আসবে না।

    আত্মা বলেও তাহলে কিছু আছে তুমি বিশ্বাস করো না অম্বিকা! মরীয়া হয়ে আনন্দচন্দ্র বলেছিল।

    না। So long there is existence, I believe it—but after death where there is no existence, decline to believe anything, all stories and superstitions.

    অন্ধকার ঘনিয়ে এসেছে।

    নদীবক্ষ থেকে দিনশেষের শেষ আলোটুকুও মুছে গিয়েছে। কেবল যতদূর দৃষ্টিচলে দিগন্তবিস্তৃত একটা কালো পর্দা যেন ঘন জমাট বেঁধে আছে।

    উঠতে গিয়ে আনন্দচন্দ্র যেন হঠাৎ শিহরিত হয়। একটা অশরীরী উপস্থিতি যেন সে সর্বচেতনা দিয়ে অনুভব করে।

    কেউ যেন তার পাশেই রয়েছে।

    হাত দিয়ে তাকে স্পর্শ করা না গেলেও সে যেন অশরীরীর উপস্থিতিটুকু অনুভব করতে পারছে।

    আনন্দ! একটা চাপা কণ্ঠস্বর, ঠিক যেন সন্ধ্যার ঘনীভূত অন্ধকারে একেবারে পাশ থেকেই শোনা গেল। থমকে দাঁড়াল সঙ্গে সঙ্গে আনন্দচন্দ্র। বাঁ পাশে ঘন বাঁশ ঝোপে হাওয়া লেগে তার পাতাগুলো যেন অকস্মাৎ থরথরিয়ে কেঁপে উঠলো। একটা সিপ্ সিপ্ শব্দ।

    শুনতে তার ভুল হয়নি তো? কই, আশেপাশে তার কোথাও তো কেউ নেই! তবে কে ‘আনন্দ’ বলে তাকে ডাকল? সত্যিই কেউ ডাকল, না তার শোনার ভুল! সেই দ্বিপ্রহর. থেকে কেবলই তার মনের মধ্যে মেজ পিসীর কথা আনাগোনা করছে, হয়ত তারই সাড়া মন থেকে এসেছে।

    কিছুক্ষণ তবু দাঁড়িয়ে রইলো আনন্দচন্দ্র নদীতীরে সেই ঘনীভূত অন্ধকারের মধ্যে। তারপর একসময় পা চালাল।

    গৃহে যখন পৌঁছাল নজরে পড়লো হ্যারিকেনের আলোয় পাল মণ্ডপে প্রতিমার গায়ে রং চড়াচ্ছে—মা-দুর্গার গায়ে বাসন্তী রং

    আর দিন চারেক বাদেই পুজো।

    রমাকান্তর পিতার আমল থেকে এই বাড়িতে দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে। তাঁর আদিপুরুষরা যখন বরাহনগরে বসবাস করতেন, সেই সময় থেকেই দুর্গোৎসব শুরু হয়, বংশানুক্রমে সেটা চলে আসছে।

    ভারতচন্দ্রের অবস্থা তেমন নয়, তথাপি তিনি পূজো বাদ দেন না। যেমন করেই হোক পূজা করেন। সম্বৎসরে মা-দুর্গা আসবেন না গৃহে, তাই হয় নাকি!

    মণ্ডপের পাশ দিয়ে বহির্বাটির দিকে এগোতেই পিতার কণ্ঠস্বর কানে এল আনন্দচন্দ্রের, কেডা যাতিছে!

    সাড়া দিল, আনন্দচন্দ্ৰ, আজ্ঞে আমি।

    কোহানে গিছিলে?

    পায়ে পায়ে আনন্দচন্দ্র বাইরের ঘরে ফরাসপাতা চৌকিটার উপর যেখানে বসে ভারতচন্দ্র আলবোলায় তামুক সেবন করছিলেন সেখানে এসে দাঁড়াল।

    সারাডা দিন ছিলে কোহানে? পিতার প্রশ্ন

    আজকাল সন্ধ্যে হলেই শিশির পড়তি শুরু করে, ঠাণ্ডাফাণ্ডা লাগায়ো না।

    আনন্দচন্দ্র চুপ করে থাকে। কোন জবাব দেয় না।

    পড়াশুনা কেমন হতিছে?

    ভাল।

    এবারেই তো তোমার শেষ পরীক্ষা?

    আজ্ঞে।

    তারপর ডাক্তারী—দেহো তুমি আমার একমাত্র পুত্রসন্তান—অনেক আশা তোমার উপর আমার, তুমি ডাক্তারী পাস করে গ্রামে বসবা—এ তল্লাটে একটিও পাস করা ডাক্তার নাই।

    আমি ভাবছিলাম—ডাক্তারী স্কুলের পরীক্ষা শেষ করে ডাক্তারী কলেজে পড়বো—

    ডাক্তারী কলেজে পড়বা সে টাকা আমার কোথায়? কি করে যে সংসার চলতিছে তুমি তো জান না—

    যা হোক একটা ব্যবস্থা চেষ্টা করলে হয়ে যাবে বাবা—

    না, না—কি হবে কলেজে পড়ি, স্কুলের পাসই যথেষ্ট। দেখতিছো তো আমার শরীরের অবস্থা, বয়েস হইছে আর তেমন খাটতিও পারি না—

    সত্যি এবারে এসে আনন্দচন্দ্রের পিতাকে দেখে তাই মনে হয়েছে। মানুষটার শরীরটা যেন একেবারে ভেঙে গিয়েছে।

    যাও—বাড়ির মধ্যে যাও।

    আনন্দচন্দ্র ঘর থেকে বের হয়ে এল।

    রাত্রে আবার সেই উত্তরের পোতার ঘরে আনন্দচন্দ্রের দেখা হল স্ত্রী অন্নদাসুন্দরীর সঙ্গে। একপাশে স্তূপীকৃত জ্বালানী কাঠ কেমন একটা সোঁদা সোঁদা গন্ধ ছড়াচ্ছে, মধ্যে মধ্যে আরশুলা আর ইঁদুরের চলাচলের শব্দ

    এই শোন! আনন্দচন্দ্ৰ ডাকল।

    কি, কও?

    তোমারে একটা জিনিস দেখাবো—

    কি জিনিস?

    চোখ বোজ—

    চোখ বুজতি হবে!

    হ্যাঁ।

    কেন?

    যা বলি কর, বোঝ চোখ—

    কিশোরী অন্নদা চোখের পাতা দুটো বোজায়।

    যখন চোখ খুলতি কব—তহন খুলবা, বুঝিছো?

    হ্যাঁ। মাথা দোলাল অন্নদাসুন্দরী।

    কিছুক্ষণ পরে আবার স্বামীর গলা শোনা গেল, হ, এহনে চোখ খোল।

    প্রদীপের আলোয় স্বামীর সামনে রাখা সোনার গহনা ও বাদশাহী মোহরগুলো ঝিলমিল করছে।

    ও মাগো, এ সব কনে পালে?

    চুপ, চেঁচায়ো না।

    এ যে পাটিহার—বাজুবন্ধ, আর ওগুলো কি গো!

    সোনার টাকা।

    সোনার আবার টাকা হয় নাকি?

    হয়। এগুলোরে কয় বাদশাহী মোহর। দেশে যখন আকবর বাদশা রাজত্ব করতো তারই তৈরি ও প্রচলিত আকবরী মোহর।

    দেহি দেহি। কৌতূহলী হাতে তুলে নেয় মোহর কয়টা অন্নদাসুন্দরী। দেখতে দেখতে বলে, এসব তুমি কোথায় পালে গো?

    মেজ পিসীর ঘরে একটা তামার কমণ্ডলুর মধ্যে ছিল।

    সত্যি!

    হ্যাঁ। এগুলো বোধ হয় মেজ পিসী তোমারেই দিতি চেয়েছিলেন—

    আমারে!

    তা না-হলে উনি তোমারে স্বপ্নে দেখা দেবেন ক্যান?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Next Article অশান্ত ঘূর্ণি (অখণ্ড) – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }